07/09/2019
দুর্বার: দাদাগিরিতে বিশ্বকাপ খেলা:
একটু ধৈর্যের সাথে সংবেদনশীল সার্বজনীন শিক্ষনীয় এই খেলাটি বেশ ভালোভাবে উপভোগ করুন I খেলাটি অণুবীক্ষণে পর্যবেক্ষণ আজ আমি শুধুই ক্রিকেট খেলা
ভাষ্যকারের উৎসাহিত- উৎকণ্ঠা ভূমিকায় রয়েছে I
"খেলাটি শুরু" বর্ণনার আগে বাস্তবভিত্তিক কঠিন ও একটি ট্রাজেডি প্রশ্ন:
*** একই পরিবার বা গোত্রের এক সন্তান যদি যুদ্ধের সাথে লিপ্ত থাকে আরেকজন যদি একই মুহূর্তেই মৃত্যুশয্যায় হাসপাতালে শায়িত থাকে তবে ওই দ্বিমুখী দুর্যোগ অবস্থায় ওই পরিবারের মা-বাবা তথা অন্য সকল সদস্যদের কার প্রতি বেশি নজর দেওয়া উচিত ? মুমূর্ষু রুগী নাকি যোদ্ধার দিকে ?
*** বাংলার অধিকাংশ ব্যক্তিরা এই প্রশ্নের উত্তরটি চরমভুল ভাবে প্রদর্শন করেন (মুমূর্ষু রোগী) !!
এই প্রশ্নের উত্তরে বিবেক, মানবতা, মানসিকতা ও নৈতিকতা সম্পর্কে ভালোভাবে লক্ষ্য করে দেখি যে বাস্তবতা কি বলে ? আজ এই খেলার চুড়ান্ত ফলাফলের মাধ্যমে তাই জানুন !!!
বিশ্ব ইতিহাসে ঘটে যাওয়া চরম বাস্তব এই খেলাটির মাধ্যমে বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণে এখন এই প্রশ্নটির তাত্ত্বিক উত্তর প্রমাণ/ রেফারেন্স সাপেক্ষে
নিম্নে বর্ণিত:
রেফারেন্স-1: জার্মানির তদানীন্তন কালীন প্রেসিডেন্ট হিটলার এমন একটি বৈদেশিক নীতি গ্রহণ করেছিলেন যাতে সকল "লেবেনস্রাউম" (জীবন্ত অঞ্চল) দখল করে নেয়ার কথা বলা হয়। তিনি প্রেসিডেন্ট হবার পরপরই নিজ সামরিক বাহিনীকে নতুন সব পদ্ধতিতে এমনভাবে সজ্জিত করেছিলেন যাহা সমগ্র বিশ্বকে চেলেঞ্জ করার মতন I তাহা শুনলে/ জানলে আজ ৮০ বছর পরও আপনি নিঃসন্দেহে চরমভাবে আতংকে উঠবেন সত্যি I তবে তাহাই নিম্নের বর্ণনায় শুনুন/ জানুন:
প্রথম পর্বের ব্যাটিংয়ে রয়েছে, জার্মান হিটলারের মৈত্রীবাহিনী-(অক্ষশক্তি) এবং বোলিংয়ে রয়েছে তৎকালীন বিশ্ব মহারানী এলিজাবেথ যুক্তরাজ্য /ইংল্যান্ডের মিত্রবাহিনী Iখেলাটি শুরু হতে যাচ্ছে, জার্মান, ইতালি ও জাপানে অবস্থিত হিটলারের অনুগত
বাহিনীর পরিকল্পিত-সজ্জিত স্টেডিয়াম থেকে I পূর্ব রেকর্ডে ধারনকৃত খেলাটি স্পর্শকাতর ট্রাজেডির এক বাস্তবতার বিশেষ শিক্ষায়নে এখন পুনঃপ্রচার হচ্ছে, দুর্বার বাদ্য বাণী স্টুডিও, নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে I
এইমাত্রই খেলার শুরুর জন্য রেফারির বাঁশির হুইসেল শুনতে পেলাম, হ্যাঁ দর্শক মন্ডলী, ব্যাটিং এর শুরুতেই জার্মানি খেলোয়ারদের সমানে চার মারতে দেখা যাচ্ছে I এখন বিপক্ষীয় বিশ্ব শক্তিধর মহারানীর কুচারকে তার খেলোয়াড়দের প্রতি নির্দেশ প্রদান করতে দেখা যাচ্ছে যে, "সমগ্র বিশ্বের সর্বাধুনিক শক্তি নিয়ে এমন কৌশলে
বল মারো যেন বলটি গিয়ে ব্যাটারের হাতের খুব নিকটবর্তী স্থানে বেডে লাগে" I এইভাবে বোলিংয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই হিটলারের খেলোয়াড়দের হাতের কব্জি নিস্তেজ হয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে I
বলের জুড়ালো ও কৌশলগত আঘাতে আঘাতে বল ও ব্যাট একসাথে উড়ে গিয়ে হিটলারের খেলোয়াড়দের মাথায় ও শরীরে সমানে চরম আঘাত হানতে দেখা যাচ্ছে এবং তারা অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই মুমূর্ষ হয়ে জার্মান ও ইতালির হাসপাতাল গুলির রোগীর আসন
পুরোটাই ভরে যাচ্ছে I এখন দূরবর্তী বাইনোকুলার যন্ত্র দিয়ে জার্মান-বার্লিনে হিটলার কে দেখা যাচ্ছে তার রাষ্ট্রের বিজ্ঞান গবেষণাগারের চিকিৎসা ও মেডিসিন
আবিষ্কার সেকশনে নিয়োজিত থাকা সকল বৈজ্ঞানিকদেরকে পুরস্কারের আশ্বাস/উৎসাহের
মাধ্যমে সম্মানের সাথে বলিষ্ঠ কণ্ঠে ঘোষণা করিতেছেন যে, "অতি দ্রুত সময়ে এমন একটি শক্তিশালী-তেজী জাগ্রত ঔষধ আবিষ্কার/ তৈরি করো যাহা খাইয়ে আমার সৈনিকদের নিঃস্তেজ প্রাণ চরম সতেজ হইবে এবং তাতে ছক্কা মারিবে ও নিজে জিততে পারবে & তার মুমূর্ষু ভাইকেও বাঁচাতে পারবে "। ঠিক এর 15 দিনের মধ্যেই জার্মানি বৈজ্ঞানিকদের নতুন অবিস্কারে হিটলারের হাতে চলে আসে ইয়াবা-ইয়াবা-ইয়াবা।
এই হলো সেই বাবা !!! (তারপর হইতে আজ লদ্ধি পর্যন্ত বিশ্বের প্রত্যেক দেশেই যার যার ভাষায় ইয়াবাকে বাবা নামে ডাকা হয় এবং হিটলারের অপ্রতিরোধ্য তেজী শক্তিকে অনুসরণ করা হয় )I
হ্যাঁ দর্শক মন্ডলী, এবার নতুন করে দেখা যাচ্ছে, সত্যি সত্যিই খেলার মোড় সম্পূর্ণ উল্টা দিকে ঘুরে গেছে I
হিটলারের আবিষ্কৃত এই ইয়াবা শক্তি প্রয়োগে তার খেলোয়াড়দের অনবরত/ বিরতিহীন / ননস্টপ / অপ্রতিরোধ্য ইয়াবার বিষ ঢালা শক্তিতে এবার চলছে তো চলছে জার্মানি মৈত্রী-জোট খেলোয়াড়রা লাগামহীনভাবে ছক্কা মেরেই চলছে I এক চাটিয়া চলছে I তুমুলভাবে প্রতিবারেই ছক্কা মাইর চলছে I উপর্যুপরি ছক্কা মাইর চলছে I ছক্কার পর ছক্কা মেরেই চলছে I
অনবরত ছক্কা আক্রমণে চরম & অকল্পনীয় পেটানো পেটাতে থাকে I জার্মানি মিত্র বাহিনীর বজ্রমুঠি ব্যাটিংয়ে প্রতিবারের ছক্কা মাইর I যেই মাইরে জার্মান +
ইতালি + জাপানে অবস্থিত হিটলারের ইয়াবা স্টেডিয়ামগুলি হইতে একযোগে সামতালে
তাল মিলিয়ে হিটলারের ইয়াবা সৈনিকরা প্রতিবারই তিনটি করে ব্যাটিংয়ে তিনটি করেই ছক্কা মারে I
ব্যাটিংয়ের যে মাইরে বল তিনটি চরম গতিতে স্টেডিয়ামের ছাদ ভেদ করে আকাশে উড়তে উড়তে লাটিমের মতন ঘুরতে ঘুরতে সমক্রমে প্রিন্স এর ফ্রান্স + মহা রানীর যুক্তরাজ্যের/জার্মানি শত্রুদের সশস্ত্র
বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলির পিচ ঢালাই পাথর গর্ত করে মাটির 100-150 ফিট নিচ পর্যন্ত প্রতিটি বল চলে যায় I মাইর মাইর আর মাইর......
অপ্রতিরোধ্য মাইর....
হিটলারের ইয়াবা সৈনিকদের ইয়াবা শক্তির কঠিন মাইর......মাইর আর মাইর ….!!!
( দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিশ্বদাদাগিরির বিস্ময়কর এই খেলাটি অণুবীক্ষণে পর্যবেক্ষণ/ বিশ্লেষণে তথ্য -প্রমাণচিত্রে জার্মানিদের ছক্কা মাইর দেওয়া &
খাওয়া না দেখলে তবে যথাযথ ভাবে উপলব্ধি করিতে কষ্ট হইবে যে মাইর কারে কয়, ইয়াবা শক্তির মাইর কারে কয় আর দুর্বার বাধ্য বাণী অনুরূপ উৎসাহে অনুপ্রাণিত শক্তির ( মারহাবা-বাহ বাহ শক্তির) আশ্চর্যজনক সর্বোচ্চ-দাদা মাইর কারে কয় !!!)
এভাবে প্রতিবারই জার্মানিরা অনবরত শুধু ছক্কা ইইই পেটাতে থাকে তখন ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মাটি সমানে গর্তের পর গর্ত...দূরবীক্ষণ এ দেখতে পাচ্ছি পাঠক বন্ধু, শুধু গর্তই হচ্ছে I গর্ত গর্ত আর গর্ত....জার্মানিদের এমন বিশ্বজয়ী অস্বাভাবিক ছক্কা মাইরে বিলাতি-ফ্রান্সরা যখন গর্তে গর্তে ক্ষতবিক্ষত-আহত ও প্রায় অর্ধমৃত তখন জার্মানিদের পূর্বের আহত-মুমূর্ষ ভাইয়েরা তাদের চিকিৎসায় দেখতে পাচ্ছি প্রায় তারা সুস্থ I
*** এখানেও প্রমাণিত হচ্ছে যে যুদ্ধা সৈনিককে বিশেষ গুরুত্বারোপে যোদ্ধা সৈনিকের প্রচেষ্টাতেই তার মুমূর্ষ ভাই উপযুক্ত চিকিৎসায় সুস্থ I
*** এই মুহূর্তের ভাব চক্করে বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ইয়াবা শক্তিতে জার্মানিরা এখন প্রায় বিশ্ব বাবা !! এখন বিশ্ব মোড়ল ক্ষমতাটি জার্মানিদের
ছাড়া আর নেবেই বা কেডা !!!
এরই সাথে রেফারির বাঁশির হইসেলে খেলাটির মধ্যবিরতি এখনই শুরু হয়ে গেল II শ্রদ্ধেয় দর্শক মন্ডলী, বিরতির পর চূড়ান্ত পর্বের ব্যাটিংয়ের জন্য একটু ধৈর্যের সাথে অপেক্ষা করুন এবং একটু পানি পান করে নিন, তারপর লক্ষ্য করবেন, দ্বিতীয় পর্বের ব্যাটিং শুরু করে বিদাতিরা নাকি ফ্রান্সরা নাকি অন্য কোন দাদারা ?
আমার ওয়ারলেস সেটে এইমাত্রই সিগন্যাল এল যে পরবর্তী পর্বের খেলার স্টেডিয়ামের স্থান পরিবর্তন হয়েছে এবং ভাষ্যকারের ডিউটিতে নতুন স্টেডিয়াম এর দিকে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হতে আমাকে সংকেত প্রদর্শন করেছে আমি এবং আমি এখন নতুন স্টেডিয়ামে পৌঁছেও গিয়েছি I
কিন্তু ভাইরে ভাই, এখন এ কি দেখতে পাচ্ছি !!! এখানে দেখা যাচ্ছে চূড়ান্ত ব্যাটিংয়ের জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র/ আমেরিকান খেলোয়াড়দেরকে !! ভাইরে ভাই, অর্ধ হাজার বছরের বিলাতি বিশ্ব লর্ড বাহাদুর কুতুবেরা যেখানে মাইর
খেয়ে ভূত হচ্ছে আর সেখানেই আমেরিকান নতুন আগত পাগলেরা এল কোন সাহসে !!!
এদেরকে ইতিপূর্বে বিশ্ব মাঠে কখনো কি দেখেছেন আপনারা ? ইস দাদা হইবার চায়...দাদাগিরি মনে হয় খুব সস্তা কি বলেন দর্শক ভাইরা.....!! এটা কি আপনাদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য !!!
তবুও চলুন সবাই মিলে আর একটু ধৈর্যর সাথে দেখতে থাকি যে খেলায় কি ঘটে ?
রেফারেন্স-2:
শাসক শোষক বিলাতি মৌমাছিদের কামড় খেয়ে 150 বছর আমেরিকানরা যখন চরম চুলকানিতে জ্বলছিল, সেই সময়ে ফ্রান্সরা ভ্রাতৃত্ববন্ধনে আমেরিকাতে দুর্বার বাধ্য বাণী অনুপ্রেরণার একটি অ্যাকাউন্ট খুলছিল,
4th জুলাই 1776 এ ফ্রান্সরা আমেরিকাকে বিলাতিদের হইতে স্বাধীনতার সূর্য ছিনিয়ে
এনে স্ট্যাচু অফ লিবার্টির গিফট দিয়ে ফ্রান্সিরা অ্যাকাউন্টটি পরিপক্ক করেছিল, ইয়াবা শক্তিশালী জার্মানিদের হাতে ফ্রান্সি অনুপ্রেরণার ভাইয়েরা যখন মরছিল...
ভাইদের বাঁচাতে ও বিশ্ব হতে বিলাতি দাদাগিরির চির বিদায় জানাতে হোয়াইট হাউস-ওয়াশিংটনে এক ঠেঙ্গের নতুন একক টুল বানিয়েছিল,
সেথায় বসে দাদাগিরি খেলাতে মগ্ন হয়ে চূড়ান্ত ব্যাটিংয়ের জন্য আমেরিকান দলনেতা দুলছিল I বিশ্ববাসী কারোই ধারণা ছিলনা যে তাতে কতটা ঝাল ছিল !!!
দ্বিতীয় পর্বের এই খেলাটি অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হতে যাচ্ছে ভৌগোলিক সীমারেখায় আটলান্টিক মহাসাগরের একেবারে পচ্ছিম তীরে অবস্থিত আমেরিকানদের "দুর্বার বাধ্য বাণী স্টেডিয়াম" & এই মহাসাগরের পচ্ছিম টু পূর্বের ঠিক মধ্যেবর্তী জলস্থানে আমেরিকানদের অস্থায়ী ভাসমান আরেকটি "দুর্বার বাধ্য বাণী ভাসমান স্টেডিয়াম" থেকে I
নিকট থেকে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে এই পক্ষের কোচার রুজভেল্টকে বিশেষভাবে এখন লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, হোয়াইট হাউজ-ওয়াশিংটনে ঝুলন্ত ফ্রান্সের সেই দুর্বার বাদ্যের অনুরূপ বাণী (সাবাস!) অনুপ্রেরণার
অ্যাকাউন্ট হইতে এক মুষ্টি অগ্নিশিখা + বিলাতিদের সেই ঝাল মাখা চুলকানির অ্যাকাউন্ট হইতে আরেক মুষ্টি অগ্নিশিখা তুলে নিয়ে তার খেলোয়াড়দের ব্যাডের মাথায় মেখে দিতে I এখন দেখা যাক এই খেলায় কি ঘটে !!!
06-আগস্ট-1945: হা, ঠিক এই মুহূর্তেই খেলা শুরুর জন্য রেফারির বাঁশির হুইসেল শুনতে পেলাম: প্রথম উইকেটের প্রথম ব্যাটিং হলো জলস্থানের সেই ভাসমান
আমেরিকানদের স্টেডিয়াম থেকে I শুরুতেই দুর্বার বাধ্য বাণীতে অনুপ্রাণিত আমেরিকান খেলোয়াড় প্রথম উইকেটে প্রথম ব্যাডিং করলেনঃ পাইলট- মেজর Claude Robert Eatherly এর দুর্দশ ব্যাটিংয়েই ছক্কা মাইর মাত্রই বলটি স্টেডিয়ামের ছাদ ভেদ করে লাটিমের চাইতেও তুমুল উত্তেজক ঘূর্ণনে অতুলনীয় চরম এক অগ্নিকুণ্ড লক্ষনীয় তাহা আকাশে উড়তে উড়তে প্রায় বিদ্যুতের গতিতে মুহূর্তের মধ্যেই ৫৪২৫ কিঃ মিঃ দূরত্বের পথ পাড়ি দিয়ে পশ্চিম হইতে আটলান্টিক মহাসাগরের পূর্বতীরে অবস্থিত জাপান হিরোশিমায় হিটলারের অন্যতম সেই ইয়াবা স্টেডিয়ামের কেন্দ্রবিন্দুতে (জাপানী স্থানীয় সময়ঃ সকাল ৮:১৬am) অকল্পনীয় শক্তিতে চরমতম একটি আঘাত হানে যাহা পুরো সিটি নিমিষেই ধ্বংস করে দেয় ও মাটি পর্যন্তও জ্বলতে থাকে (ক্ষতবিক্ষত বিশ্বইতিহাসে এখনো হিরোশিমা কথা বলে) I
09-আগস্ট-1945: একই উইকেটে খেলোয়াড় বদলে সম-অনুপ্রাণিত এবার দ্বিতীয় বেড করলেন আমেরিকান খেলোয়াড় মেজর Bockscar, ব্যাড পেটানো মাত্রই এবারো আগেরটির মতন চরম আরেক ছক্কা। আটলান্টিক মহাসাগরের একেবারে পশ্চিম তীরের স্থলভূমিতে অবস্থিত আমেরিকানদের আরেক স্টেডিয়াম হইতে দ্বিতীয় ছক্কাটিও স্টেডিয়ামের ছাদ ভেদ করে আগেরটির অনুরূপে বলটি অস্বাভাবিক অগ্নিগুন্ডা লক্ষণীয় তাহা ১০৮৫০ কিঃমিঃ দূরত্বের পথ
মুহূর্তের মধ্যেই পাড়ি দিয়ে পূর্বপ্রান্তে ঠিক নাক বরাবর জাপান নাগাসাকিতে (স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ০২মিনিটে) অবস্থিত হিটলারের আরেক ইয়াবা স্টেডিয়ামের কেন্দ্রবিন্দুতে একই শক্তিতে চরম আরেকটি আঘাত হানে, এই আঘাতেও আগেরটির অনুরূপ এই সিটিটাও পুরোটাই নিমিষেই ধূলিসাৎ হইয়া যায় ও মাটি পর্যন্তও জ্বলতে থাকে I
দুর্বার বাদ্য বাণীর অপ্রতিরুদ্ধ শক্তিতে আমেরিকার পরপর এ দুটি ছক্কা মারার সাথে সাথেই হিটলারের ইয়াবা বিশাল শক্তিটি নিমিষেই সম্পূর্ণ পতন ঘটে I
এরই সাথে এই টার্মের বিশ্বকাপের চেয়ার খেলাটি এইমাত্রই শেষ হয়ে গেল এবং বিশ্ব সম্রাটে পরিণত হয়ে আমেরিকানরা বিশ্ব দাদা চিয়ারে অনির্দিষ্টকালের জন্য
বসে গেল I এই খেলার মাধ্যমে বিশ্ব সূর্য অস্ত না যাওয়া বিলাতিদেরকে লন্ডনের মধ্যে সীমারেখা বেঁধে দেওয়া হল I অথবা অনির্দিষ্টকালের জন্য আমেরিকার চামচামি করতে বলা হল I বিলাতিরা এবার বিশ্ব লর্ডগিরি বাদ দিয়ে এতেই খুশিতে রাজি হল I (এখানে বাড়তি প্রমাণ মিলল "ঠেলাতে পরলে বাঘেও ধান খায় !!!) "
নিউইয়র্ক বিশ্ব রাজধানীতে পরিণত হলো (জাতিসংঘ) I হোয়াইট হাউস-ওয়াশিংটন বিশ্ব গিরিংগি স্থান হল এবং লন্ডনকে বিশ্ব শয়তানের চামচিকার সাব-স্টেশন বানানো হল II
বিশ্বকাপ খেলাটি শেষ হলেও দর্শক মন্ডলী আপনাদের জন্য ইন্টারন্যাশনাল আরো কিছু খেলা রয়েছে, এখন চলুন সেগুলো উপভোগ করতে সবাই মিলে আর অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই সেদিকে দৃষ্টিযাত্রা শুরু করিব I
*** *** এখানে প্রমাণিত হচ্ছে, দুর্বার শব্দের ন্যায় অনুপ্রাণিত মানসিক হিম্মত
শক্তির কাছে ইয়াবা শক্তি বা আরও বড় কোনো শক্তিও কিছুই না I
সার্বজনীন ভাবে আরো প্রমাণীত হচ্ছে যে আমেরিকান যুদ্ধা ভাইয়েরা দূরবর্তী ফ্রান্সি অনুপ্রাণিত ভাইদেরকে পূর্ব ঋণের ধারণায় বিবেক ও মানবিকতার তারণায়
চিকিৎসা ও সর্বোচ্চ সার্বিক সহযোগিতায় বাঁচিয়েছে, অথচ ফ্রান্সিদের বাবাও (ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট) তখন ফ্রান্সের অনুপ্রেরণায় পূর্ব পালিত আমেরিকান
যুদ্ধা সন্তানদের সার্বিক সাহায্য ছাড়া নিতান্তই অসহায় ছিল । বিশ্ব ইতিহাস বলে, ফ্রান্স তৎকালীন পর্যন্ত আমেরিকার পক্ষ নিয়ে দুর্বার শব্দের অনুরূপ
অনুপ্রেরণার বিশেষ বিশেষ গান সর্বদাই বাজিয়েছিল I আর তাই আমেরিকা আজ ফ্রান্সের জীবন উদ্ধার করতে সক্ষম হল I
*** এখন নতুন অন্য এক খেলায় ভাষ্যকারের ভূমিকায় দাঁড়িয়ে আছি শিক্ষার্থী বিশেষজ্ঞ যুদ্ধাদের সেন্টার স্টেডিয়াম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে "নাসা" র সামনে
এবং ভীতর হতে মাইক্রোফোনে শুনতে পাচ্ছি >> (রেফারেন্স-3): হিটলারের ওই ইয়াবা উদ্দীপক বিশালশক্তি সূত্রের জের ধরে & ওই শক্তির অন্য কারো আগাম চ্যালেঞ্জে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার পরপরই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তৎকালীন প্রেসিডেন্টের আহবানে সমগ্রবিশ্ব আনুষ্ঠানিক আয়োজনে এর চাইতেও বেশি
শক্তি যোগানের লক্ষ্যে বিশ্বের সকল দেশের বিজ্ঞান গবেষণাগারের সকল বিজ্ঞানীদের যৌথ সম্মেলনে বিশ্বশ্রেষ্ট বিজ্ঞান গবেষণাগার নাসার মেডিসিন ও রাসায়নিক সেকশন সহ সকল সেকশনের বিজ্ঞানীদের এক সপ্তাহের টানা শ্বাসরুদ্ধকর প্রতিযোগিতামূলক
অভিযানে মনোবিজ্ঞান সেকশনে নতুনভাবে পুরাতন আরেকটি চরম শক্তির চিহ্ন প্রমান মেলে তা হলো: ওই যুদ্ধার প্রতি তখন পরিবার/গুত্রর মা, বাবা সহ অন্য সকল সদস্যদেরও তাকে অতিপীরিতিতে সচেতনতার যত্নশীলে সর্বোচ্চ উৎসাহের বাণী শক্তিতে অনুপ্রাণিত করা । বৈজ্ঞানিকদের নাসার ওই ফলাফল ঘোষণার দিন হইতেই বিশ্বের সকল রাষ্ট্রই ইহা স্পেশাল ক্ষেত্রগুলিতে অফিসিয়ালী বিশেষভাবে কার্যকরী করে, বিশ্বের সকল দেশের সশস্র বাহিনীতে ভর্তি হওয়া মাত্রই
(রেফারেন্স-4): বাহিনীর সকল স্তরের সদস্যদেরকেই এই বিশেষ সূত্রটি বিশেষ ভাবে ট্রেনিং দেওয়া হয়। সেনা বাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সকল সদস্যরাই এই সূত্রটি সম্পর্কে পূর্ণভাবে অবগত রয়েছেন। অধিকন্ত শিক্ষিত পরিবারের সদস্যরাও এই সূত্রটিকে অনুস্বরণ করিতেছেন ।
দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর পর এখন আমি আপনাদেরকে সাথে করে আন্তর্জাতিক খেলা দেখিতে নিয়ে যাচ্ছি জাপানের টোকিওতে জীবিকা নির্বাহী কর্মজীবী-যুদ্ধাদের বিশ্বের অন্যতম কর্মজীবী স্টেডিয়ামে I খেলা ভাষ্যকারের ভূমিকায় আমি আজ এখানে রয়েছি আর আমার সহযোগিতায় রয়েছে আন্তর্জাতিক নিউজ রিপোর্টার আকাশ বাণী। জাপানী এই খেলাটি স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতে এখন টোকিও হয়ে নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র "দুর্বার বাদ্য বাণী স্টুডিও" হতে বাংলা ভার্সনে পূনঃপ্রচার হচ্ছে বাংলাদেশে।
(রেফারেন্স-5): বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের সময় যুদ্ধের বিভিন্ন দিক জাপানের কৃষি ও খাদ্য সরবরাহের চেইনগুলির উপর বড় ধরনের আঘাত করেছে যার ফলশ্রুতিতে জাপানে এখন খাদ্য দাঙ্গার দাগ দেখা দিয়েছে। ফলস্বরূপ, কৃষকদের খাদ্য উৎপাদন করার জন্য কম উপকরণ ছিল। অনেক ক্ষেত্রে, এই পণ্যগুলি অগ্নীযুদ্ধের মাধ্যমে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, আরও ইতিমধ্যে এই সীমিত সম্পদগুলি হ্রাস পেয়েছে। জাপানী খাদ্য পণ্ডিত (Okumura Ayao) গ্রামীণ এলাকায় খাদ্য সংকটের প্রভাব পরেছে তা স্মরণ করিয়ে আমাদেরকে ইলেক্ট্রনিক্স সংবাদ সূত্রে জানিয়েছেন । এই মুহূর্তে জাপানের কর্মজীবীদের উৎসাহের্ বাণীতে তাদের কোচের বাবা (রাষ্ট্র প্রধান) ঘোষণা করতে শুনা যাচ্ছে: "অগ্নিযুদ্ধে আজ আমরা একেবারেই সর্বশান্ত, এখন আমরা দুর্ভিক্ষে অনাহারি ও যুদ্ধে মুমূর্ষু। তুমরা কর্মযুদ্ধা জাপানি সন্তানরা প্রত্যেকে নিজ ঘড়ে ঘড়ের দুর্গে ইলেক্ট্রনিক্স আইটেম তৈরির ক্ষুদ্র-শিল্প-প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলো এবং আন্তরিক চেষ্টার সাথে তা প্রসার করো & অতিসত্তর নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করো + ক্ষুধার্ত-মুমূর্ষু জাতী ভাইকে বাঁচাও " !!
এরই মধ্যে রেফারির বাঁশির হুইসেল শুনতে পেলাম: আর এই মুহূর্তেই জাপানি কর্মজীবী খেলোয়াড় সন্তানদের জীবিকা নির্বাহী কার্যক্রমে ব্যাডিং পেটাতে শুরু হয়ে গেলো:
১৯৪৭ সালে জাপান একটি নতুন সংবিধান গ্রহণ করে। এই সংবিধানে উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপর জোর দেওয়া হয়। ১৯৫২সালের সান ফ্রান্সিসকোর চুক্তি বলে জাপানে মিত্রশক্তির অধিকার সমাপ্ত ঘটে।
*** জাপান-বিজ্ঞান গবেষণাগার বৈজ্ঞানিকদের বিশেষ পরামর্শে এবার জাপানি মা-জননীরা মন্ত্র দিলেন: "বালী-কে ফিল্টারিং করিয়া কিছু কিছু স্বর্ণ বের করো
আর তা দিয়ে স্বর্ণালংকার না বানিয়ে ইলেক্ট্রনিক্স আইটেমের ইন্টারনাল মেমোরি চিপস / মাইক্রো চিপস বানাও আর মাইক্রো চিপস-যুক্ত ওই আইটেমটি অধিক মূল্যে বাজারে বিক্রি করে অতি তাড়াতাড়ি পরিবার ও জাতির উন্নতি সাধন করো " !!
এবার ভাইরে ভাই, মায়ের এই দুর্বার অনুরূপ উৎসাহিত মন্ত্রতে তুমুল গতিতে এবার শুরু হয়ে গেলো জাপানি কর্মজীবী খেলোয়াড়দের ছোক্কা পেটানোর খেলা।
১৯৫৬ সালে জাপানি কর্মজীবী খেলোয়াড়দের বিশেষ কর্মের প্রতি জাতিসংঘ বিশেষভাবে আকর্ষিত হওয়াতে এবার এরা জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করলো I
এরপর জাপানে জাতিসংঘের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক অবরোধ তুলে নেওয়া হলো
এবং এরপর হতেই জাপানে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতির চরম ছক্কা ঘটতে শুরু করলো।
১৯৬০ থেকে ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত জাপানের কর্মজীবীদের সার্বিক চেষ্টায় জাপানের অর্থনৈতিক বিকাশকে বলা হচ্ছে জাপানের যুদ্ধোত্তর অর্থনৈতিক বিস্ময়। এই বৃদ্ধির হার ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে জাপানের জিডিপি হয়ে উঠে: ৭.৫।
ইতিমধ্যে জাপানে বিশ্বের দ্বিতীয়-বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়।
*** এখানে কর্মজীবী খেলোয়াড়দের এই খেলাতেও প্রমাণিত হচ্ছে যে, মা বাবার দুর্বার প্রতিধ্বনির উৎসাহিত বাণীর শক্তিতে জিরো জাপানিরা হিরোতে পরিণত হলো & সার্বিক ভাবেই মুমূর্ষু ভাইকে বাঁচালো !!
এখন আমি খেলা ভাষ্যকারের ভূমিকায় সৌদি আরব মক্কার সামনে দাঁড়িয়ে (রেফারেন্স-6): মুসলমানদের নাম্বার ওয়ান কাবাঘর নামক স্টেডিয়াম হতে আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ সঃ এর পক্ষ হইতে ইমাম এর কন্ঠে শুনতে পাচ্ছি-রেফারেন্স-5:"কর্মজীবন যুদ্ধে লিপ্ত থাকা ওই ব্যাক্তিটি হচ্ছে কারবালা ময়দানের ধর্মযুদ্ধের সমতুল্য যুদ্ধা"।
এখন আমি খেলা ভাষ্যকারের ভূমিকায় বিশ্বের সর্বোচ্চ শিক্ষিত জাতির দেশে উচ্চ চূড়ায় অবস্থিত শিক্ষা ব্যবস্থাপনা নামক স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে শুনতে পাচ্ছি;
(রেফারেন্স-7): শিক্ষাঙ্গনে থাকা আপনার শিক্ষার্থী-যোদ্ধা সন্তানটি পরিবার তথা দেশ ও জাতির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ I তার সেই ভবিষ্যৎ গঠনে ভিত্তিস্থাপনা পিলারের কনস্ট্রাকশনে তার শিক্ষাযুদ্ধে জিতে চূড়ার শীর্ষে উঠার জন্য আপনার উৎসাহিত বাণীটিই হচ্ছে
তার মূলমন্ত্র বা অন্যতম হাতিয়ার I সে ভবিষ্যৎ গঠনে বর্তমানে সবচাইতে বড় যোদ্ধা I
*** খুব পাওয়ারফুল দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে এখান থেকে বহু দূরে এখন আমি কবি গুরু রবি ঠাকুরকে স্পষ্টই দেখতে পাচ্ছি যে (রেফারেন্স-8): স্কুল পালানোর
স্বভাব থাকার কারণে ত্রুটি শুদ্ধারনের অনুসরনে শিক্ষকদের প্রতিটি বেত্রাঘাতকে দুর্বার বাদ্য বাণী শক্তি উৎসাহের অনুরূপ গণ্য করিতেন আর তাই তিনি সাহিত্য-কবি যুদ্ধে বিশ্ব রেকর্ডে নোবেল বিজয়ের মাধ্যমে কবিদাদা/কবিগুরু/ বিশ্বকবি হয়ে
জাতিকে চিরতরে ধন্য করেছেন I
আরেকটু নিকটে খালি চোখেই দেখতে পাচ্ছি (রেফারেন্স-9): স্টুডেন্ট যুদ্ধা সন্তানের ডাকে তাৎক্ষণিক সাড়া দিতে গিয়ে গোলাম ফারুক অভির মা রান্না ঘরের চুলার উপরে থাকা অর্ধ-রান্না তরকারীর কথা ভুলেই গিয়েছিলেন। যার পরিপেক্ষিতে
ছাত্রযুদ্ধে অভির অতুলনীয় সাকসেসে তিনিই রত্ন গর্ভধারিণী মা খেতাবে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি (হুসাইন মোঃ এরশাদ) এর হাত হতে ডিরেক্টলী সন্মান পুরস্কারটিও পেয়েছিলেন।
এমন দৌড়ে (তাত্ত্বিক প্রমান/ রেফারেন্স-10): বাবার ভূমিকায় থাকা আর্জেন্টিনার কোচার নিজ লজ্জা-সরমকে ডেঙ্গিয়ে নিজ সহযোগিতায় গোপনে হিটলারের
ওই শক্তিশালী "ইয়াবা" ঔষধটি ম্যারাডোনাকে খাওয়াইয়া হলেও বিশ্ব রেকর্ডে আর্জেন্টিনাকে বিশ্ব বাবা বানিয়েছিলেন I এই প্রমানের লক্ষে এখন আমি সাধারণ একজন দর্শক হয়ে পূর্বরেকর্ডে ধারণকৃত ১৯৮৬: ফুটবল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা & ইংল্যান্ডের ম্যাচে ম্যারাডোনার সেই বিশ্ব ঐতিহাসিক ঐশ্বরিক গোল দুটির বিশ্লেষণে
(পাঠক-পাঠিকা) আপনাদেরকে সাথে নিয়ে যাচ্ছি তাহা বিশেষভাবে দৃষ্টিপাত করতে ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার লেজধরে ম্যাক্সিকো সিটি "Estadio Azteca" স্টেডিয়ামের দিকে চলুন >> যাহা ম্যারাডোনা তথা আর্জেন্টিনাকে অমর করে রাখে বিশ্ব ইতিহাসে
!! ম্যাচের ৫১ মিনিটে রেফারিকে ফাঁকি দিয়ে হাত দিয়ে বল জালে ঠেলে দিয়ে "হ্যান্ড অব গড" গোল করেন
আর্জেন্টিনার এই তারকা। এই গোলটি হয়তো ইতিহাসে কলঙ্কিত হয়েই থাকত কিন্তু চার মিনিট পরেই ছয় ইংলিশ ফুটবলারকে কাটিয়ে মাঝমাঠেরও ভেতর থেকে একাই বল টেনে নিয়ে গেলেও ইংল্যান্ডের পারদর্শী খেলোয়াড়রা চারদিক থেকে ঘিরে ধরেও অপ্রতিরোধ্য ম্যারাডোনাকে আটকাতে পারেনি —(শতাব্দীর: ওয়ার্ল্ড রেকর্ড )! ম্যাচের অবিশ্বাস্য দ্বিতীয় গোল "গোল অব দ্য সেঞ্চুরি-১৯৮৬-ফিফা" করে অকল্পনীয় নজির দেখালেন। তাতে সব মিলিয়ে পুরো গল্পটা নতুন ইতিহাসে লীপিবদ্ধ হলো ফুটবলীয়-অবিস্মরণীয় এক বিশ্ব চ্যাপ্টার !!
এখন আমি আপনাদেরকে সাথে করে নিয়ে যাচ্ছি আন্তর্জাতিক আরেকটি খেলা দেখাতে I খেলাটি অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হতে যাচ্ছে মুজিবের দুর্বার স্টেডিয়াম সরোয়ারদী মর্দান ধাকা বাংলাদেশ থেকে I এই খেলাতে প্রথম পর্বের ব্যাটিংয়ে রয়েছে পাকিস্তানি হানাদার সেনাবাহিনী ও বোলিংয়ে রয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ জনতা মুক্তিযুদ্ধা বাহিনী I খেলাটি পুনঃপ্রচার ও ভাষ্যকারের ভূমিকায় আমি টিপু সুলতান রয়েছি আপনাদেরই সন্নিকটে I কিন্তু ভাইরে ভাই প্রশ্ন সেনাবাহিনীর সাথে কখনো কি সাধারন জনতা
বাহিনী পারে ? এই মুহূর্তে লক্ষ্য করা যাচ্ছে বাংলাদেশ টিমের কোচারকে অগ্নিযোদ্ধা সন্তানদের পিতা/ আমেরিকান জাতির পিতা জর্জ ওয়াশিংটনের প্রতিচ্ছবিতে দেখা যাচ্ছে শেখ মুজিবুর রহমানকে I বাংলাজাতি সন্তানদের অগ্নি-উৎসাহে তিনি অগ্নিকন্ঠে দুর্বার বাণীর প্রতিধ্বনিতে সরোওয়ার্দী ময়দানে (০৭ই মার্চ-১৯৭১-রেফারেন্স-11): ঘোষণা করিতেছেন
(তা সরাসরি নিশ্চয়ই আপনারা খুব নিকট থেকেই শুনতে পাচ্ছেন): "রক্ত যখন দিয়েছি আরো দিবো তবুও এদেশকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীতনার সংগ্রাম" !!!
26 শে মার্চ 1971, এই মুহুর্তেই রেফারির বাঁশির হুইসেল শুনতে পেলাম I সাথে সাথেই পাকিস্তানের ব্যাটিং শুরু হয়ে গেল & শুরুতেই ভাইরে ভাই ছক্কা,
পাকিস্তানি দের ছক্কা Iছক্কায় ছক্কায় বাংলার সাধারন মুক্তিযোদ্ধারা মরতে থাকলো আর ভাই সাধারণ মা
মা বোনেরা দেখতেছি ইজ্জত হারাতে শুরু করেছে ! বিশ্ব মানবতা আজ কোথায় লুকিয়ে রয়েছে ? কোথায় রয়েছে তোমাদের জাতিসংঘ ? ভাইরে এই তো আশার বাণী দেখা যাচ্ছে, ওই দিক হতে রাশিয়া সিগন্যাল দিচ্ছে এবং এই দিকের নিকটবর্তী হইতে ইন্দিরা গান্ধীকে দেখিতেছি লাঠি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়েছে !! কিন্তু
দর্শক বন্ধুরা একটু ধৈর্য হারাবেন না কারণ এর চাইতে অনেক বড় শক্তি গ্রাম বাংলার বাঁশ তলায় লুকিয়ে রয়েছে ! কি সেই শক্তি আরে ভাই ?
এই মুহুর্তেই ইজ্জত হারা মায়ের সন্তান-মা জননীকে বলিল: অগ্নি-মুজিব বাবা তো পাকিস্তানি জেলে ভুগিতেছে আর আমার হাতে শুধু বাঁশের লাঠি রয়েছে, এ লাঠি নিয়েই আমি চললাম মা I এইমাত্রই মধ্য বিরতির জন্য রেফারির বাঁশির সুর শুনতে পেলাম I
তবে দর্শক আর একটু অপেক্ষা করুন I
দ্বিতীয় পর্বের খেলা শুরুর জন্য রেফারির বাঁশির হইসিল এইমাত্রই শুনতে পেলাম I শুরুতেই মুজিব বাবার দুর্বার প্রতিধ্বনির সুরের সাথে সুর মিলিয়ে বাংলার প্রত্যেক মা জননীরা অগ্নিকন্ঠে ও দুর্বার প্রতিধ্বনিতে বললেন:
" সাবাস..! বাহ বাহ..এগিয়ে চল বাবা..সামনে এগিয়ে চল বাবা..মারহাবা মারহাবা
!! "
দুর্বার শব্দে বাংলার ধর্ষিতা মা বোনেদের এই ঘোষণার সাথে সাথেই ভাইরে ভাই এখন
এ কি আজব লীলা দেখিতেছিরে ভাই…….!!!
** এবার বাংলার মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাটিং আক্রমণ তুফান মেইলে চলছে !! ঝটিকা আক্রমনে চলছে I গেরিলা কায়দায়ও চলছে I গুপ্তচরই পন্থাতেও চলছে I
বাঁশের মাথাতে সেনাদের মুকুট এর ফাঁকিতেও চলছে I
বাংলার ব্যাটিংয়ের মাইরে পাক সেনাদের দুই হাঁটুর মধ্য দিয়েও বল দৌড়াইয়া চলছে !!
ছক্কার পর ছক্কা মাইর চলছে I অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই পাকিস্তানি কিছু সেনাকে বুড়িগঙ্গা নদীর পানিতে ডুবিয়েছে আর পাক-সেনাকে বাংলার দামাল এরা বঙ্গোপসাগরে ডুবিয়ে মেরেছে I এই দেখে নাপিত- গিরিতে ইন্ডিয়ান দাদারা সাধু সাজিতে এবার বাংলাদেশের পক্ষ নিয়ে মাত্রই এগিয়ে এসেছে !! এই সাবাস মারহাবা-মারহাবা মায়ের দুর্বার প্রতিধ্বনি ও মুজিব বাবার "জয়বাংলা" দুর্বার প্রতিধ্বনির শক্তিতেই অগ্নি সন্তানরা পাক-হানাদার বাহিনীর ট্যাংক-কামানকে ভেস্ত করে, 16ই ডিসেম্বর-1971
বাংলাদেশকে স্বাধীন করে II
এখন আমি খেলা ভাষ্যকারের ভূমিকায় থাকিয়া স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা হাতে নিয়ে আপনাদেরকে অত্যন্ত খুশিতে সাথে করে নিয়ে যাচ্ছি সেনা সদর দপ্তর নামক
স্টেডিয়ামের সামনে ঢাকা, বাংলাদেশ I এখান হতে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিকন্ঠে ও
বাংলাদেশ সেনা সংগীতে & সৈনিকদের প্যারেড এর তালে তালে শুনতে পাচ্ছি 8সেই বাণীটি >>> "চল চল চল ঊর্ধ্ব গগনে চল……."!!!
বাংলার একাত্তরের এই খেলাটির মাধ্যমেও প্রমাণিত হচ্ছে যে: দুর্বার বাণী অনুপ্রাণিত প্রতিধ্বনির শক্তিতেইতে নিজে জিতেছে, দেশকে স্বাধীন করেছে ও মুমূর্ষ ভাই-বোনকে সার্বিক সহযোগিতা করে ভাইবোনকে বাঁচিয়েছে I
*** উপসংহার: উক্ত ঘটনাগুলি হইতে আপাতদৃষ্টিতে প্রতীয়মান হচ্ছে যে একই পরিবারের ঐরকম দ্বিমুখী চরণ বিপদগ্রস্ত অবস্থাতেও ওই যুদ্ধা সৈনিক যা চাইবে
মা/ সেনাপ্রধান & বাবা / প্রেসিডেন্টকে তাই দিতে হইবে, সর্বোচ্চ স্পিডে দৌড়াইয়া অতি পিরিতিতে আকৃষ্টতার প্রমাণ দেখাইয়া আন্তরিকতার সাথে সর্বোচ্চ
চেষ্টায় তাই দিতে হইবে I ওই মুহূর্তে মা- বাবা যতটা স্পিডে দৌড়াবে ওই যোদ্ধা সন্তানের জন্য ঠিক ততটা স্পিডে তার নিকট হইতেই তাৎক্ষণিক উপযুক্ত সাপোর্ট
পাইবে হাসপাতালে থাকা মুমূর্ষ ওই সন্তানের জন্য I মুমূর্ষ রোগিটিও হাসপাতালে শায়িত থাকা অবস্থাতেও জাগ্রত সময়টুকুন সেও ইজ্ঞীতে ওই অনুপ্রেরণা উৎসাহের বাণীটি যুদ্ধকে প্রদর্শন করিবে। বিশেষ বিশেষ মুহূর্তেই ওই যোদ্ধার জন্য দুর্বার বাণীর আচরণের সাথে মা বাবার ওই দৌড়টা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যাহা মুমূর্ষ সন্তানটিকে চিকিৎসায় বাঁচানোর
জন্য তার ওই যোদ্ধা ভাইটির সাপোর্ট অন্যতম......….
******* তাই ওই যুদ্ধাই হচ্ছেন: ওই রুগীর জন্য একাই একশ....!!!
আর পরিবারের বাকিরা সব অকেজো- অপদার্থ কাঠের পুতুল মাত্র I ওই মুহূর্তে শুধু দরকার মা-বাবার দৌড়.....যুদ্ধা সন্তানের জন্য দৌড়,......
খাড়ার উপরে দৌড়, উইঠা উইঠা দৌড়....
সর্বোচ্চ স্পিডে দৌড়......
অনুপ্রেরণার বাণীতে আন্তরিকতার সর্বোচ্চ চেষ্টাতে দৌড় (পাগল ভোলানোর মতন মিথ্যা চেষ্টার দৌড় নয়, ওই মুহূর্তে মা-বাবার উপযুক্ত দৌড়রের বিন্দুমাত্রও
ত্রুটি থাকলে তাহাই ওই যোদ্ধা সন্তানের জন্য তথা পুরো পরিবার/ জাতির জন্য চরম অকল্যাণকর) I
বাবা /প্রেসিডেন্ট & মা/ সেনাপ্রধানের ভূমিকায় থাকিয়া ওই দুর্বার বাদ্যের বাণীটি না শুনাইয়া যদি উল্টা শুনায় "আ@মার ঘরের ছাদের উপর বোমা পড়েছে, আমি
আহত, তোর ভাই /বোন হাসপাতালে মৃত্যু শয্যায় শায়িত" এই জাতীয় গান দ্বিতীয় বার/ তৃতীয়বার বাজাইলে ওই সৈনিক মনস্তাত্ত্বিকভাবে নিস্তেজতা ও
ব্যর্থতার বজ্রপাত ঘটে আর বহুবার বলিলে সিমপ্যাথি ব্ল্যাকমেইলের গ্লানিতে যুদ্ধক্ষেত্র হইতে চরমভাবে অকেজো হয়ে পড়ে I
আর যদি কিছুই না শুনাইয়া নীরব থাকে তবে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে এক সাইডে দর্শকশূন্য করতালি সমর্থনের অভাবে খেলাতে ওই পক্ষের হারবার যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকে Iএই কথাটির প্রমাণ দেওয়ার সম্পূর্ণ নিষ্প্রয়োজন কারণ কমন এই কথাটি নিশ্চয়ই সবারই জানা আছে I
দৌড় দৌড় আর দৌড়.....
চরমতম সেই দৌড়......বিরতিহীন দৌড়.....
ঘাম না শুকাতেই দৌড়.....
লজ্জা শরম ভেঙ্গে দৌড়.....
যোদ্ধা সন্তানের জন্য তার ওই অসম্ভব চেষ্টার তাগিদে প্রথম স্টান্ড করার মতন দৌড়.......!!
পায়ের জুতো খুঁজার সময় অপচয় না করে খালি পায়েই দৌঁড় & মাথায় কাপড় টানার সময়
অপচয় না করিয়া ঘুমটা না দিয়াই দৌঁড়...…….. ওই যুদ্ধা সন্তানের জন্য মায়ের সেই
অস্বাভাবিক দৌঁড়.…!! দৌঁড় দৌঁড় আর দৌঁড়..…….. !!!
ওই দৌড়টি না দেওয়াতে যোদ্ধা সন্তানের পরাস্ততে মুমূর্ষ রোগী সন্তানটির যদি মৃত্যু ঘটে & সার্বিকভাবে তারা চরম ক্ষতিগ্রস্থের শিকার হলে তার জন্য চরমতম
শত্রু ও জঘন্যতম অপরাধী নিঃসন্দেহে ওই মা বাবাই" I
ঐতিহাসিক এই খেলাগুলির বাস্তব ঘটনার মাধ্যমেই প্রমাণিত হচ্ছে যে, ছাত্রযুদ্ধা, কর্মযুদ্ধা, ধর্মযুদ্ধা, স্বাধীনতার মুক্তিযুদ্ধা, দেশ রক্ষার্থে সশস্ত্র-বাহিনীর যোদ্ধা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিরাপত্তা প্রহরী
বাহিনীর যোদ্ধা অর্থাৎ জনকল্যাণকর যেকোনো রকম যুদ্ধার ফল ভোক্তারা যদি উক্ত যুদ্ধাকে অনুপ্রেরণার দুর্বার বাদ্যের অনুরূপ শক্তি উৎসাহের বাণীটি না শুনায়
তবে স্বার্থপর-সুবিধাবাদী ওই ফলভোগকারী ব্যাক্তিই হচ্ছেন ধর্মীয় ভাষায় বেইমান-মোনাফেক-নিমকহারাম হিসেবে গণ্য I তারাই হচ্ছেন পরিবার / জাতির জন্য অতি জঘন্য I
তুমি যে যোদ্ধা সৈনিক এটাই তোমার পরিবার/ জাত