কানাডায় আসার সহজ মাধ্যম!
কানাডায় বৈধভাবে আসার অনেকগুলো মাধ্যম রয়েছে। প্রায় সবগুলোতেই রয়েছে অনেকগুলো criteria বা শর্ত। যেগুলো পূরণ না হলে আবেদন মঞ্জুর হয় না। কানাডায় আসার ভিসা পাওয়া যায় না। যে কোনো ইকোনমিক ইমিগ্রেশনের জন্য দরকার হাই এডুকেশনাল সার্টিফিকেট, excellent English proficiency, জবের অভিজ্ঞতা ও বয়সের criteria মিট করা।
আর অয়ার্ক পারমিটের জন্য আপনার অবশ্যই জব অফার ম্যানেজ করতে হবে। এসব হলো কানাডায় বৈধভাবে আসার উপায়।
তবে আরেকটা উপায় আছে যেখানে বৈধভাবেও আসা যায়, আবার এসব কোনো শর্তও মানা লাগে না।
sponsorship :
আপনার যদি কানাডায় ফ্যামিলি মেম্বার থাকে যারা কিনা কানাডার permanent residents বা সিটিজেন তাহলে কানাডায় আসা এর চেয়ে সহজ আর কিছু নেই।
আপনাকে তারা একেবারেই উড়িয়ে নিয়ে যাবে কানাডায়। মানে sponsor করে নিয়ে যাবে।
কারা আপনাকে sponsor করতে পারবে?
আপনি যদি কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাস করা কাউকে বিয়ে করেন মানে আপনার spouse, সে আপনাকে কানাডায় আনতে পারবে আবেদনের মাধ্যমে। এতে সময় লাগবে আবেদন থেকে ভিসা পাওয়া পর্যন্ত ১২ মাসের মতো। তবে পরিস্থিতি বুঝে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।
আপনার যদি ছেলেমেয়ে বা grandchildren থাকে যারা কানাডার PR বা সিটিজেন, তারা আপনাকে sponsor করতে পারবে।
সরকারিভাবে spinsoring এর জন্য খরচ পড়ে সাধারণত $1,135 CAD.
আপনারা শুনে খুশি হবেন যে, কানাডার sponsorship এর প্লান দিন দিন বাড়ছে। এবং একটা পরিসংখ্যানে দেখা গেছে এ বছর কানাডা welcome জানাবে 105,000 নিউ permanent residents শুধুমাত্র ফ্যামিলি স্পন্সরশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে।।
কানাডা একটা উদার কান্ট্রি। এখানে বিশ্বের সব দেশ থেকে বহু সংখ্যক ইমিগ্রান্ট আনা হয় বিভিন্ন প্রোগ্রামের মাধ্যমে।
এদেশে ইমিগ্রান্টরা সরকারি সকল সুবিধা পায় ও সুষ্ঠুভাবে বসবাসের নিশ্চয়তা থাকে।
আপনাদের সবার মঙ্গল হোক।
Copy from
কাজী হালিমা আফরীন
টরন্টো, কানাডা।
Amir vlogs canada
সুস্থ ধারার বিনোদন এবং সম্পূর্ণ ইসলা?
04/05/2023
Assla mualaikum warahma tullah
“Donation for Madrasa”
Total cash collection from our side- 51,903Tk. Within 40 days! Alhamdulillah! Jazakumullah everyone!
All of our collection hand over to Sheikh Nur Alam bhai.
I’ll update and telling details in video. in Sha Allah.
আমি কিছুই করতে পারিনি। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া পুরোটাই আমার জন্য অসম্ভব ছিল!
মহান রাব্বুল আ’লামীন সবার দান, সহযোগিতা, খেদমত এবং পরামর্শ কবুল করে এর বিনিময়ে যেন আমাদেরকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করেন। আমীন
বি: দ্রঃ ব্যস্ততার কারণে আজকে থেকে আমি ইস্তফা নিলাম।
এখন থেকে কেউ যদি মাদ্রাসার জন্য দান, সদাক্বাহ, যাকাতের টাকা সহ এবং যেকোন বিষয়ে জানতে সরাসরি মাদ্রাসার পরিচালক এবং মুহতামিম,
শেইখ নুর আলম ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করছি।
Nure Alam +880 17 4597 8912 (Bkash personal)
Jazakumullah
অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে আমি এই পোস্টটা দিতে বাধ্য হলাম। জানি অনেকেই আমাকে ধুয়ে দিবেন। নানা রকম যুক্তি দেখিয়ে কানাডিয়ানদের দোষারোপ করবেন। তারপরেও আমি কিছু বলতে চাই।
এই যে দেখুন, বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা চলছে। আপনারা যদি জরিপ করেন, তাহলে দেখবেন পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি উন্মাদনায়, উত্তেজনায় আছে কোন দেশটা? Ranking নম্বর ওয়ানে থাকতে পারে বাংলাদেশ। অথচ বাংলাদেশ অন্য কোন ভালো কিছুতে পৃথিবীর নম্বর ওয়ান হতে পারে না।
আপনারাই বলুন এই খেলা চলাকালীন সময়ে ফেসবুকে কি ঢোকা যাচ্ছে? দু-দলের উপর ভিত্তি করে যেভাবে পাল্টাপাল্টি ভিডিও বা স্ট্যাটাস আপলোড হচ্ছে সেটা সত্যিই পরিতাপের বিষয়। একটা ফানি ভিডিওতে দেখলাম জেতা দল হারা দলের সদস্যকে বেঁধে ঝুলাতে ঝুলাতে নিয়ে গিয়ে বালুর গর্তের মধ্যে তাকে চাপা দিচ্ছে। চিন্তা করেন ভিডিওর সারমর্ম যদি এটাই হয় তাহলে আমরা দেশের নিউ জেনারেশনদের কী শিক্ষা দিচ্ছি?শিশুরা শিখছে যে জীবনেও হারা যাবে না। তাহলে অন্য পক্ষ মেরে ফেলবে নতুবা বালুর নিচে চাপা দিয়ে দেবে। এসব শিশুরা ভবিষ্যতে আর খেলতেও চাবে না ভয়ে যদি সে জিততে না পারে। কী ভয়াবহ ব্যাপার!
দেশের সব নামিদামি মিডিয়া বা পত্রিকাগুলো একনাগাড়ে ছাপাচ্ছে দেশের কোনো নায়িকা কোন দল সাপোর্ট করেন, তাদের দল জিতেছে কিনা, এখন তারা আর কোনো খেলা দেখবেন কিনা। বুড়ো থেকে সদ্য জন্ম নেওয়া বাচ্চার গায়ে জার্সি। সেসব পরে পোস্ট দিতেই হবে।
পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হল কানাডা। কানাডিয়ানরাও তো কোনো একটা খেলা নিয়ে এভাবে মাতামাতি করতে পারত। কিন্তু না। কানাডিয়ানরা কিন্তু খেলাধুলায় অনেক ভালো। অলিম্পিকের প্রায় সব খেলাতে তারা চাম্পিয়ন হয়। গোল্ড মেডেল পায়। কিন্তু সেই পর্যন্তই শেষ। সেসবের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে কোনো একজন কানাডিয়ানদের ফানি ভিডিও বানিয়ে আপলোড দিতে দেখা যায় না, বা অন্য কিছু করতে দেখা যায় না।
সবকিছুর একটা লিমিটেশন থাকা উচিত। খেলা ভালো লাগে দেখতে পারেন। কিন্তু তার জেতা-হারার পর ভিত্তি করে সংঘর্ষ পর্যন্ত ঘটাতে হবে? একটা পত্রিকার নিউজে দেখলাম দেশের কোথাও একটা বিশাল সংঘর্ষ হয়েছে, তাতে ঘরবাড়ি ভাঙচুরও হয়েছে। অথচ এসব কোনো কিছুই আপনাদের আক্ষরিক অর্থে লাভবান হওয়ার কিছু নয়। চিন্তা-চেতনায়, কাজে-কর্মে জাতি কতটা পিছিয়ে আছে দেখুন! ভাবার বিষয়।
আমার ইনবক্স চেক করার এত সময় পাই না। সেখানে কতটা মেসেজ জমা হয়েছে তা অনুমান করতে পারি। আপনারা সবাই কানাডায় আসতে চান। অনেক ভালো কথা। আমিও চাই আপনারা সবাই কানাডায় আসুন। কিন্তু সব দেশের একটা নিয়মকানুন আছে, criteria আছে। আসতে চাইলে আসা যায় না। তার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হয়। ইংরেজিতে দক্ষ হতে হয়। ielts এ একটা score থাকতে হয়। সবচেয়ে বড় কথা সবকিছুর আগে আপনার একটা লক্ষ্য থাকতে হবে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে tunnel এর শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে আপনার মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হবে। কিন্তু আপনি কি সেসব করছেন? আপনি তো পৃথিবীর কোন দেশ ফুটবল খেলায় হেরেছে বা জিতেছে তা নিয়ে নিজের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করছেন। এসব না করে আপনারা যদি ইংরেজি প্রাকটিস করে ielts দিতেন, নিজেকে যোগ্য করতেন তাহলে কানাডায় আসা আপনার জন্য কোনো ব্যাপার না।
কানাডার সঙ্গে ইন্ডিয়া, হংকংয়ের মত দেশগুলোর চুক্তি রয়েছে। সেই চুক্তির ফলে সেসব দেশ থেকে student রা বা ইমিগ্রান্টরা অনেক সহজে কানাডায় আসতে পারে। বাংলাদেশের চুক্তি নেই কেনো? কেনো করতে পারেনি কানাডার সঙ্গে একটা সম্পর্ক?
কানাডার indo Pacific Strategy তে বিশাল একটা পরিকল্পনা করা হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে টিভি নিউজে দেখলাম
Indo Pacific Strategy নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। সেখানে বলা হয়েছে কানাডা একটা বড় অংকের টাকা ইনভেস্ট করবে পাকিস্তান -ইন্ডিয়া- ফিলিপাইন ও আরো কয়েকটা দেশে। এসব দেশে কানাডার অর্থায়নে তৈরি করা হবে বাণিজ্যিক শিল্প কারখানা। এবং কানাডা তাদের কাছ থেকে শিল্প এনে economic এর জন্য কাজে লাগাবে। যে দেশগুলোতে কানাডা শিল্প কারখানায় ইনভেস্ট করতে চায় সেখানে বাংলাদেশের নামটা শোনা যায়নি। যদি থাকত তাহলে কত ভালো হত চিন্তা করেন। আমাদের দেশের অনেক মানুষ চলে আসতে পারত অনেকটা সহজে। দেশের economic কতটা উন্নত হতে পারত।
কানাডায় সবচেয়ে বেশি ইমিগ্রান্ট হয়ে আসে ইন্ডিয়া থেকে। আপনারা বললে বিশ্বাস করবেন না তারা কতটা talent. কানাডাতে কত ভালো করছে তারা।
আসুন আমরা সবাই নিজের দক্ষতা বাড়ানোর দিকে এবার একটু নজর দিই।
কাজী হালিমা আফরীন
টরন্টো, কানাডা থেকে
ডিসেম্বর ১০,২০২২
09/28/2022
রিজিক খুব গভীর একটি বিষয় যদি আমরা বুঝতে পারি"‼️🌼
আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত।
আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটাও লিখিত। একটি দানাও কম না আবার একটি দানা বেশিও না।
ধরেন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে ১ কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্ তায়ালা নিয়েছেন।
আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত কিন্তু আমার।
যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্ তায়ালার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়েই ঐ ১ কোটি টাকা আয় করে তারপর আমি মারা যাবো আবার হারাম উপায়ে হলেও ঐ ১ কোটিই... নাথিং মোর অর নাথিং লেস (Nothing more or nothing less)!!!
আমি যেই ফলটি আজকে ঢাকায় বসে খাচ্ছি, সেটা হয়তো ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড বা অন্য কোন দেশ থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল হয়েছে, তখনই এটা নির্ধারিত যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি, কিনে নি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিজিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না। রিজিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।
রিজিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!
কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিজিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্ তায়ালা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ্...
কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিজিকের ভাগই খাচ্ছে।
আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্ তায়ালার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি।
আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের সঠিক পথ ও রিজিক এর তৌফিক দান করুন, আমিন।।।
09/26/2022
গীবত থেকে বাঁচার কিছু উপায়ঃ
১. হুটহাট করে কিছু বলে ফেলবেন না। কথা বলার আগে ভেবে চিন্তে কথা বলুন। এমনকি যতটুকু সম্ভব কম কথা বলাই ভালো, চুপ থাকাও একটা ইবাদত।
২. আপনার বন্ধু অথবা কাছের আত্নীয়র অনুপস্থিতিতে তাদের নামে ভালো কথাও বলবেন না। কারণ ভালো কথা বলতে গিয়ে শয়তান আপনাকে দিয়ে কখন যে গীবত করিয়ে নিবে আপনি টেরই পাবেন না।
৩. অতি প্রয়োজন ছাড়া লোকসমাগম জায়গা এড়িয়ে চলুন। কেননা যেখানে মানুষ বেশি থাকে সেখানে গীবত ও বেশি হয়।
৪.আপনার কাছে কেউ গীবত করলে তাকে থামিয়ে দিবেন। সম্ভব হলে বুঝিয়ে বলবেন।কারণ গীবত করা ও গীবত শোনা দুই টাই হারাম।
নিজেও যখন কথা বলতে বলতে গীবত করে ফেলবেন এবং হঠাৎ খেয়াল হবে আরে আমি তো গীবত করে ফেলতেছি সাথে সাথে থেমে যাবেন এবং তওবা করবেন।
৫.অমুক কেমন জানি পোশাক পরে, অমুকের রান্না ভালো না,অমুক মোটা,অমুক কালো, দেখতে একদম ভালো না ইত্যাদি এই ধরনের কথা বলাও এক ধরনের গীবত। তাই এই ধরনের কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৬. অমুক এই এই কাজ গুলো ভালো করেনি।অমুকের এই এই স্বভাব ভালো না। অমুকের নামে এই এই বদনাম আছে।ওমুক আমার এই এই ক্ষতি করছে। এগুলো বলা মানে মানুষের দোষ নিয়ে কথা বলা যে টা গীবতের অন্তর্ভুক্ত।
৭.এর পরেও যদি গীবত হয়ে যায়, তাহলে সাথে সাথে আস্তাগফিরুল্লহ্ অথবা দুই রাকাত নফল নামাজ পরে ফেলতে পারেন।
কাউকে নিয়ে কোন অভিযোগ থাকলে সেটা আমরা আল্লাহর কাছে বলব। পারলে তাকে ক্ষমা করে দিব ।মানুষের কাছে এগুলো নিয়ে আলোচনা করে উল্টা আরো গোনাহ কামানো কোনো বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারেনা। অন্যের দোষ ঢেকে রাখলে আল্লাহ তার দোষ ঢেকে রাখবেন ইনশাআল্লাহ
মনে রাখবেন গীবত আমাদের নেক আমল গুলো ধ্বংস করে দিবে।
মহান আল্লাহ তায়ালা আমাকে এবং আপনাদেরকে আমল গুলো করার তাওফিক দান করুক।
....আমিন
09/24/2022
اذا جاء نصر الله والفتح ورايت الناس يدخلون في دين الله افواجا فسبح بحمد ربك واستغفره انه كان توابا
যদি আল্লাহর বিজয় ও বিজয় আসে, আর তুমি যদি মানুষকে আল্লাহর দ্বীনের পথে সুবিধাসহ প্রবেশ করতে দেখো, তাহলে তোমার রবের প্রশংসা কর এবং তাকে ক্ষমা করে দাও যে, সে তাওবা করেছিল
বাবা মা যেমন, সন্তান ও তেমনই হবে। এসব কথা কি যুক্তিসম্মত ?
09/23/2022
The beauty of autumn Goodbye Summer,
Hello Fall! 🍁🍂🍁
Happy 1st Day of Fall Everyone 🍁🍂🍁
Calgary, Alberta
09/08/2022
#এই খাটে একজন নারী,যিনি মৃত্যু বরণ করেছেন।
লাশ কাপড় দিয়ে ঢেকে খাটনির উপর রাখা হয়েছে। লাশের পাশে দাডিয়ে একজন পুরুষ বলতেছে,আমি মৃত ব্যক্তিকে ( নারীকে) দেখতে চাই।
তখনি সকল নারী-পুরুষ বলে উঠলো,
মৃত নারীর লাশ দেখা পর-পুরুষের জন্য জায়েয না,
এটা সম্পূর্ণ হারাম।
অথচ ঐ পুরুষটার সাথে সে নারী জীবিত থাকাকালীন খোলামেলা ভাবে চলতো।
হাসি ঠাট্টায় মত্ত থাকতো,
সব পুরষের সামনে নিজের সৌন্দর্য প্রকাশ করতো।
ফ্রি-মিক্রিং ছিলো তার জন্য খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। মানে ফ্রেন্ডলি।
আচ্ছা বোনেরা বলেন তো, যদি মৃত নারীকে দেখা হারাম হয় তাহলে জীবিত নারীকে দেখা কি হবে...??
আমি কিছুক্ষণ অবাক দৃষ্টিতে তাকালাম,
যে নারীকে মৃত্যুর পর পাঁচ কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।
যেন পর-পুরুষের দৃষ্টি না পরে।
অথচ, সেই নারী জীবিত অবস্থায় ছিলো বেপর্দা৷
এই নারীর পোশাক-আশাক আর শরীরের গঠন দেখে রাস্তার মানুষ মজা নিতো।
আর মরার পর তাকে এখন পর্দা করানো হচ্ছে।
বাহ...... সত্যি এটাই যে আমরা বেঁচে থাকতে পর্দা করি না। পর্দা করি মরার পরে,
যে পর্দা কোনো ফায়দা বা কোনো লাভ নেই।
আমাদের হিসাব হবে বেঁচে থাকাকালীন আমরা জীবন কীভাবে অতিবাহিত করেছি।
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে পর্দায় আবৃত করেছি কি না??
নাকি খারাপ রাস্তায় মানুষের খোরাক হিসেবে আকর্ষনীয় ভাবে নিজেকে প্রদর্শন করেছি শত সহস্রবার।
তাই অনুরোধ করছি প্রিয় বোন আমার...!!
শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বেপর্দায় চলবেন না। জীবিত অবস্থায় আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের চেষ্টা করুন। ফিরে আসুন রবের সুন্দর ইসলামের নিকট।
আল্লাহ আপনার সহায় হবেন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বোঝার তাওফিক দান করুক। আমিন🌸
©️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Address
Calgary, AB