বেসিক ইসলামিক একাডেমি

বেসিক ইসলামিক একাডেমি

Share

ISLAM complete code of life

14/10/2024

রাসূল ﷺ কিভাবে খাবার খেতেন..?


১) নবী করীম ﷺ খানা খাওয়া পূর্বে দু'তাহ কব্জি পর্যন্ত ধুয়ে নিতেন।

২) ডান হাতে নিজের সামনে থেকে খাওয়া শুরু করতেন।

৩) কখনো হেলান দিয়ে খাবার খেতেন।

৪) সব সময় মাটিতে বসে দস্তারখানা বিছিয়ে খাবার খেতেন।

৫) খানার পর আঙুল মোবারক সুন্দর করে চেটে খেতেন। এ ব্যাপারে তার নিয়ম ছিল, প্রথমে মধ্যমা, এরপর শাহাদাত, এরপর বৃদ্ধঙ্গুলি চাটতেন।

৬) তিনি মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন:- মধু,সিরকা, খেজুর, খরবজা, কাকুড় ও লাউ খুব পছন্দ করতেন।

৭) গোশতের মধ্যে বাহু,ঘাড় ও পিঠের গোশত তার পছন্দ ছিল।

৮) খেজুর বা রুটির টুকরো পাক-পবিত্র স্থানে পড়ে গেলে তা উঠিয়ে পরিস্কার করে খেয়ে ফেলতেন।

৯) একেবারে গরম খাবার, যা থেকে গরম ভাপ উঠিতে থাকে, এমন খাবার আহার করতেন না। কিছুক্ষণ রেখে দিয়ে ঠান্ডা হলে আহার করতেন।

১০) তিনি কখনো খাবার শুকতেন না। এমন করাকে অপছন্দ করতেন।

১১) সব সময় বসে খেতেন। ফল জাতীয় জিনিস কখনো দাড়িয়ে দাঁড়িয়ে বা হেটে হেটেও খেতেন।

১২) রান্না করা গোশত কখনো চাকু দিয়ে কেটে কেটেও খেতেন।

১৩) কখনো সকালের খাবার বিকালের জন্য বা বিকালের খাবার সকালের জন্য রেখে দিতেন না।

১৪) অচেনা নতুন কোনো খাবার দেখলে প্রথমে তার নাম জেনে নিয়ে এরপর তা হাতে তুলে নিতেন।

১৫) খানার শুরুতে" বিসমিল্লাহ " বলে খেতেন।

১৬) খাবার পর দুই হাত কব্জি পর্যন্ত ধুতেন আর ভেজা হাতটি হাত মুখে ও মাথায় মুছে নিতেন।

১৭) তিনি খিচুড়ি খেতেও পছন্দ করতেন।

02/10/2024

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যখন ভারতীয়রাও ব্রিটিশদের হয়ে লড়ছে তখন সামরিক প্রয়োজনের অজুহাত দেখিয়ে ব্রিটিশরা ভারত বিশেষ করে বাংলা থেকে বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য সরিয়ে নেয়।

খাদ্যশস্যের অভাবে তখন বাংলা মূলকে যে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় তা ইতিহাসে তেতাল্লিশের মন্বন্তর নামে পরিচিত। সেই মন্বন্তরের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষ মারা যায। তখন বাংলার জনসংখ্যা ছিল ছয় কোটির মতো। সেই হিসেবে প্রায় প্রতি ১৫ জনের ভেতর একজন মারা যায়। এটা অবিশ্বাস্য বড় রকমের একটা গণহত্যা।

ব্রিটিশরা আসার আগে মুসলিম শাসনামলে বাংলা মূলকে কখনো দুর্ভিক্ষ হয়নি। কেননা মুসলিম শাসকরা কোন মৌসুমে ফসল বেশি হলে সেটা জমিয়ে রাখতেন খরার সময় বিলি করার জন্য।

কিন্তু ব্রিটিশরা আসার পর প্রতি দশকে একটা করে বড় দুর্ভিক্ষ হতো। কেননা তারা সব ফসল ব্রিটেনে পাচার করে দিত। এই বাড়তি ফসলের বদৌলতে তারা নিজেদের দেশে সফলভাবে শিল্প বিপ্লব ঘটিয়েছিল।

ব্রিটিশরা আসার আগে ভারতে কখনো হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা হয়নি। নিজেদের শাসন অব্যাহত রাখার প্রয়োজনে তারা কৌশলে হিন্দু মুসলমান বিভেদ সৃষ্টি করে। সেই বিষে ভারত বর্ষ এখনো জ্বলছে।

ব্রিটিশরা আসার আগে ভারতীয় উপমহাদেশ ছিল বিশ্বের সবচেয়ে ধনী জনপদ। পৃথিবীর এক চতুর্থাংশ জিডিপির অধিকারী ছিল ভারতীয়রা। ব্রিটিশদের ২০০ বছরের সীমাহীন শোষণে ভারতবর্ষ হয়ে যায় বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র জনপদ।

রানী এলিজাবেথ ছিলেন এই ভয়ানক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কর্ণধারদের উত্তরসূরী। তাই তার মৃত্যুর সারা দুনিয়া, মিডিয়া, সভ্য ইউরোপ তার জন্য মায়া কান্না করবে আর তার মহানত্ব ঘোষণা করবে এটাই স্বাভাবিক। ইতিহাস ভুলে গিয়ে বেকুব বাঙালীও হয়তো সেই মহাশোকে যোগ দেয়।

02/10/2024

আবু জাহলের হারানো সুযোগ
ইসলাম নিয়ে আবু জাহল আসলে কী ভাবতো তা নিয়ে খুব ইন্ট্রেস্টিং দুটা ঘটনা আছে। প্রথম ঘটনার বর্ণনা পাওয়া যায় সীরাত ইবনু হিশামে।

মাক্কী যুগের কথা। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাতে তাঁর ঘরে সালাত আদায় করতেন। এক রাতে কুরাইশের কিছু নেতা গোপনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বাসার কাছে এসে তাঁর কুরআন তিলাওয়াত শুনছিলো। এরা ছিল আবু সুফিয়ান, আখনাস আস-সাকাফী এবং আবু জাহল।

তিন জন এসেছিল আলাদা আলাদাভাবে, একজন আরেকজনের ব্যাপারে জানতো না। কিন্তু ভোরবেলা ফেরার সময় তাদের দেখা হয়ে গেল। বেশ বিব্রতকর অবস্থা। নিজেদের মধ্যে বেশ কিছুটা চোটপাটও হয়ে গেল তাদের, “...আরে এসব কী! মানুষ দেখে ফেললে তো কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে! আর যেনো এমন না হয়...”– এধরনের কথাবার্তা।

কিন্তু একই ঘটনা পরের দিনও ঘটলো। এবং তার পরের দিন আবারও।

প্রতিবারই ভোরবেলা বাড়ি ফেরার সময় তিন জনের দেখা হয়ে যায়। প্রতিবারই তিনজন লজ্জা পায়, তারপর লজ্জা ঢাকতে হাকডাক করে। শেষমেষ তারা শপথ করলো, আর কখনো এরকম করা যাবে না।

পরদিন সকালে আখনাস আলাদা আলাদাভাবে আবু সুফিয়ান এবং আবু জাহলের ঘরে গেল। জিজ্ঞেস করলো,

‘মুহাম্মাদের কাছে যা শুনলে, তা নিয়ে তোমার অভিমত কী?’

আবু জাহলের উত্তর থেকে কুরআন এবং রিসালাতের নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়। আবু জাহল বেইসিকালি বললো–

আমরা (বানূ মাখযুম গোত্র) আর বানূ আব্‌দমানাফ দীর্ঘদিন ধরে মর্যাদা আর শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে প্রতিদ্বন্দীতা করে আসছি। তারা যা করেছে আমরা সেটাতে পাল্লা দিয়েছি। আজ আমরা যখন সমান তালে আছি তখন তারা দাবি করছে তাদের মধ্যে নবী আছে, যার কাছে আসমান থেকে ওয়াহী আসে। এখন আমরা কিভাবে তাদের সমান হবো? আল্লাহর কসম, আমরা কখনো মুহাম্মাদকে নবী হিসেবে স্বীকার করবো না।

দ্বিতীয় ঘটনার বর্ণনা পাওয়া যায় সাহাবী মুগীরাহ ইবনু শুবা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে। এটি উল্লেখ করেছেন ইমাম বায়হাকী। মুগীরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য অনেকটা এরকম—

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে প্রথম যখন আমার পরিচয় হয়, সেই দিন আবু জাহল আর ও আমি মক্কার এক ছোট্ট গলি দিয়ে হাঁটছিলাম। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে আমাদের দেখা হল।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবু জাহলকে বললেন: হে আবুল হাকাম; আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে এসো।

আবু জাহল বললো: মুহাম্মাদ! তুমি কি আমাদের ইলাহদের নিন্দা করা বন্ধ করবে না? তুমি যদি চাও আমরা সাক্ষ্য দিই, তুমি তোমার দায়িত্ব পালন করেছো, তাহলে আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি, তোমার যা জানানোর ছিল তুমি জানিয়েছো। তুমি পৌঁছে দিয়েছে। আল্লাহর কসম! আমি যদি জানতাম তুমি যা বলছো তা সত্য, তাহলে তো আমি তোমার অনুসরণই করতাম।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) চলে গেলেন। আবু জাহল তখন বললো:

আল্লাহর কসম! আমি জানি, মুহাম্মাদ যা বলে তা সত্য। কিন্তু একটা জিনিস আমাকে এই সত্য গ্রহণ করতে বাঁধা দেয়।

বানূ কুসাই (নবী ﷺ –এর গোত্র) দাবী করলো, কা’বার চাবি আমাদের। আমরা বললাম: হাঁ।

তারা বললো: যমযম এবং হাজীদের পানি পান করানোর দায়িত্ব আমাদের। আমরা বললাম: হাঁ।

তারা বললো”: ‘পরামর্শ সভার দায়িত্ব আমাদের।’ আমরা বললাম: হাঁ।

তারপর তারা বললো: যুদ্ধের পতাকা আমাদের।’ আমরা বললাম: হাঁ।

সব কিছু আমরা তাদের জন্য ছেড়ে দিলাম। তারপর আমরা ধীরে ধীরে আগালাম, তাদের সাথে পাল্লা দিতে শুরু করলাম। আজ যখন আমরা তাদের সমকক্ষতা অর্জন করেছি তখন তারা বলা শুরু করেছে, “আমাদের মধ্যে নবী আছে”!

এর সাথে তো পাল্লা দেয়া সম্ভব না। আল্লাহর কসম! আমরা কখনোই এটা (নুবুওয়্যাত) মেনে নেবো না।

সত্য জেনেও নবীরাসূলদের প্রত্যাখ্যানের এই প্রবণতা অনেক পুরনো। বিশেষ করে কুরআনে যাদেরকে আল-মালা বলা হয়েছে—অর্থাৎ সমাজের নেতা বা এলিটদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি থাকে।

যুগে যুগে সামাজিক, রাজনৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং ব্যবসায়ীক এলিটরা নবীরাসূলদের বিরোধিতা করেছে। নবীদের বিরোধিতায় আল-মালা বা এলিটদের ভূমিকার কথা সূরা আ’রাফে বারবার এসেছে। এলিটরা বুঝতো নবীদের দাওয়াহ তাদের গড়ে তোলা আধিপত্যের কলুষিত কাঠামোর জন্য হুমকি। তাই নবীরাসূলদের বিরোধিতায় তারা থাকতো সবার আগে।

আবু জাহলের যুক্তিটাই লক্ষ্য করুন না। আবু জাহলের জানতো মুহাম্মাদ (ﷺ) সত্য বলছেন। তার কথা থেকে এটা স্পষ্ট। কিন্তু গোত্রীয় মর্যাদাবোধ, আর ক্ষমতার হিসেবনিকেশের কারণে এ সত্যকে সে অস্বীকার করলো। কারণ মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে নবী হিসেবে মেনে নিলে তার নিজের গোত্র প্রতিযোগিতায় হেরে যাবে। আধিপত্য হারাবে।

পুরো ব্যাপারটা থেকে আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়। সামাজিক-রাজনৈতিক যেসব হিসেবনিকেশের কারণে আবু জাহল সত্যকে অস্বীকার করেছিল, মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে তা সেকেলে হয়ে যায়। কুরাঈশ গোত্রগুলোর ছোটখাটো প্রতিযোগিতার সীমানা ছাড়িয়ে ইসলাম ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বজুড়ে। মুসলিমদের হাতে পরাজিত হয় সেই সময়কার দুই পরাশক্তি—রোম ও পারস্য। গড়ে ওঠে হাজার বছরের এক অবিস্মরণীয় সভ্যতা।

আবু জাহল এ সভ্যতার অংশ হতে পারতো। সেই সুযোগ তার ছিল। সে ছিল কুরাইশের অনেকগুলো শাখার মধ্যে একটা শাখার নেতা। মক্কার বাইরে যার তেমন কোন ক্ষমতা নেই। অন্য দিকে ইসলাম গ্রহণ করার কারণে তার সমসাময়িক আবু বাকর, উমার, উসমান, আলী, সা’দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম)-এর মত মানুষরাই অল্প কিছু বছরের ব্যবধানে বিস্তীর্ণ ভূমির শাসক হয়েছেন। বিশ্বজুড়ে এমন সম্মান, মর্যাদা, ক্ষমতা আর নেতৃত্ব পেয়েছেন জাহিলিয়্যাহর যুগে কুরাইশের লোকজনের পক্ষে যা চিন্তা করাও সম্ভব ছিল না।

আবু জাহল যোগ্যতাসম্পন্ন লোক ছিল। ইসলাম গ্রহণ করে দুনিয়াতে এই সম্মান ও মর্যাদার ভাগীদার সে হতে পারতো, আর আখিরাতে পেতে পারতো জান্নাত। কিন্তু অস্বীকার করে দুনিয়া আর আখিরাত সবই সে হারালো।

আবু জাহল এমন এক প্যারাডাইম বা কাঠামোর মধ্যে চিন্তা করছিলো যা সেই সময়ের হিসেবে আপাতভাবে যৌক্তিক ছিল। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যে দাওয়াহ এনেছিলেন তা একে বাতিল করে সেখানে নিয়ে আসে নতুন এক প্যারাডাইম। সমাজ ও রাজনীতির যেসব হিসেবনিকেশ আগে খুব যৌক্তিক মনে হতো, অল্প কয়েক বছরের মধ্যে সেগুলো হয়ে পড়ে গৌণ কিংবা অপ্রাসঙ্গিক।

এটাই মেটাপলিটিকস, যার মূল উদ্দেশ্য এটা।

কোন কোন রাজনৈতিক অবস্থান সঠিক,
কোন কোন রাজনৈতিক লক্ষ্য কাঙ্ক্ষিত, এবং
কোন রাজনৈতিক ফলাফল অর্জন করা সম্ভব
এ ব্যাপারে মানুষের চিন্তাকে বদলে দেয়া। চিন্তার কম্পাস পালটে দেয়া। চিন্তার যে কাঠামোর মধ্যে আজকের বাংলাদেশের সামাজিক-রাজনৈতিক হিসেবনিকেশ চলছে সেটাকে অপ্রাসঙ্গিক, তামাদি বানিয়ে ফেলা। একে এমন এক কাঠামো দিয়ে প্রতিস্থাপন করা যার মূল ভিত্তি হবে ইসলাম ও মুসলিম পরিচয়।

17/09/2024

সাহাবাদের ২৫ টি প্রশ্ন এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উত্তর।

১. প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অল্পতুষ্টি অবলম্বন কর; ধনী হয়ে যাবে।

২. প্রশ্নঃ আমি সবচেয়ে বড় আলেম (ইসলামী জ্ঞানের অধিকারী) হতে চাই!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, তাক্বওয়া (আল্লাহ্ ভীরুতা) অবলম্বন কর, আলেম হয়ে যাবে।

৩. প্রশ্নঃ সম্মানী হতে চাই!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সৃষ্টির কাছে চাওয়া বন্ধ কর; সম্মানী হয়ে যাবে।

৪. প্রশ্নঃ ভাল মানুষ হতে চাই!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপকার কর।

৫. প্রশ্নঃ ন্যায়পরায়ণ হতে চাই!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা নিজের জন্য পছন্দ কর; তা অন্যের জন্যেও পছন্দ কর।

৬. প্রশ্নঃ শক্তিশালী হতে চাই!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর উপর ভরসা কর।

৭. প্রশ্নঃ আল্লাহর দরবারে বিশেষ মর্যাদার অধিকরী হতে চাই!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী আল্লাহকে স্মরণ (জিকির) কর।

৮. প্রশ্নঃ রিযিকের প্রশস্ততা চাই!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সর্বদা অযু অবস্থায় থাকো।

৯. প্রশ্নঃ আল্লাহর কাছে সমস্ত দোয়া কবুলের আশা করি!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, হারাম খাবার হতে বিরত থাকো।

১০. প্রশ্নঃ ঈমানে পূর্ণতা কামনা করি!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, চরিত্রবান হও ৷

১১. প্রশ্নঃ কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে গুনামুক্ত হয়ে সাক্ষাৎ করতে চাই!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জানাবত তথা গোসল ফরজ হওয়ার সাথে সাথে গোসল করে নাও।

১২. প্রশ্নঃ গুনাহ্ কিভাবে কমে যাবে?

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী ইস্তেগফার (আল্লাহর নিকট কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা) কর।

১৩. প্রশ্নঃ কেয়ামত দিবসে আলোতে থাকতে চাই!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জুলুম করা ছেড়ে দাও।

১৪. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ তা’য়ালার অনুগ্রহ কামনা করি!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর বান্দাদের উপর দয়া-অনুগ্রহ কর।

১৫. প্রশ্নঃ আমি চাই আল্লাহ্ তা’য়ালা আমার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অন্যের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখ।

১৬. প্রশ্নঃ অপমানিত হওয়া থেকে রক্ষা পেতে চাই ?

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যিনা (ব্যভিচার) থেকে বেঁচে থাকো।

১৭. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (সাঃ) এর নিকট প্রিয় হতে চাই ?

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের (সাঃ) এর নিকট পছন্দনীয় তা নিজের জন্য প্রিয় বানিয়ে নাও।

১৮. প্রশ্নঃ আল্লাহর একান্ত অনুগত হতে চাই!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, ফরজ সমূহকে গুরুত্বের সহিত আদায় কর।

১৯. প্রশ্নঃ ইহ্সান সম্পাদনকারী হতে চাই!

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, এমন ভাবে আল্লাহর এবাদত কর যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ অথবা তিনি তোমাকে দেখছেন।

২০. প্রশ্নঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! (সাঃ) কোন বস্তু গুনাহ্ মাফে সহায়তা করবে?

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন,

ক) কান্না। (আল্লাহর নিকট, কৃত গুনাহের জন্য)

খ) বিনয়।

গ) অসুস্থতা।

২১. প্রশ্নঃ কোন জিনিষ দোযখের ভয়াবহ আগুনকে শীতল করবে?

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুনিয়ার মুছিবত সমূহ।

২২. প্রশ্নঃ কোন কাজ আল্লাহর ক্রোধ ঠান্ডা করবে?

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, গোপন দান এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা।

২৩. প্রশ্নঃ সবচাইতে নিকৃষ্ট কি?

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুশ্চরিত্র এবং কৃপণতা।

২৪. প্রশ্নঃ সবচাইতে উৎকৃষ্ট কি?

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সচ্চরিত্র, বিনয় এবং ধৈর্য্য।

২৫. প্রশ্নঃ আল্লাহর ক্রোধ থেকে বাঁচার উপায় কি?

উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপর রাগান্বিত হওয়া পরিহার কর।

আল্লাহ্ তা’য়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন…।

Want your school to be the top-listed School/college in Jhenida?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Pagla Kanai Mor, Jhenaidah
Jhenida
7300