Eid Mubarak to all of you. Have a beautiful day with your loved ones.
Learning Literature in a Easy Peasy Way
This page is a educational page for students of English language and Literature.
I will not let you go. In this sentence go is a /an_
*Infinitive
*Gerund
*Participle
*Verbal noun
Adjective এর পূর্বে the বসলে সেটি plural common noun এ পরিণত হয়।
Example: The rich are not always happy.
19 Century Novel
Jane Eyre
Charlotte Bronte
4Th Year
এই উপন্যাসের মূল চরিত্র হচ্ছে জেন আইর। এই উপন্যাসটি যখন শুরু হয় তখন তার বয়স ১০ বছর। তার মামার মৃত্যুর পরে, মৃত মামার শেষ ইচ্ছা মতে, তাকে তার মামি এবং মামাতো ভাই বোনদের সাথে বসবাস করতে দেখা যায়।
জেন আইর ছিলেন একজন অর্ফান অর্থাৎ তিনি এতিম ছিলেন। তার জন্মের পর তার বাবা-মা টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।এরপর তার মামা মিস্টার রেড তাকে গেটসেড হল অর্থাৎ তার মামার বাড়িতে নিয়ে আসেন। ওই বাড়িতে একমাত্র তার মামাই তার প্রতি সিমপ্যাথেটিক ছিলেন। জেনের মামা মারা যাওয়ার পর তার মামি সারা রেড তার উপর নির্মম অত্যাচার করত কারণ তিনি জেনকে একদমই পছন্দ করতেন না এবং তিনি তাকে বোঝার মত ট্রিট করতেন। তার সন্তানদেরকে তিনি জেনের সাথে মিশতে দিতেন না। তার মামি এবং মামাতো ভাই বোনরা (এলিজা রেড, জর্জিয়ানা রেড, জন রেড) জেনের সাথে খুব খারাপ আচরণ করত। একমাত্র ওই বাড়িতে ব্রেছি নামক একটা মেড সার্ভেন্ট জেনের প্রতি একটু সহানুভূতি দেখায় কিন্তু সেও সুযোগ পেলে জেনের সাথে খারাপ আচরণ করত। গেটসেড হলে একটা ডল ও কিছু বইয়ের সাথে জেনের সময় কাটত।
একদিন জেনের মামি জেনকে শাস্তিস্বরূপ যে রুমে তার মামা মারা গিয়েছিল, সেই রুমে আটকে রাখেন। এতে করে জেন বেশ ভয় পায় এবং সে দাবি করে সে তার মামার ভূত দেখতে পেয়েছে ,এই বলে সে মূর্ছা যায়।
লয়ড নামক একজন ওষুধ বিক্রেতার সাথে জেন গেটসেড হলে তার দুরবস্থার কথা জানায়। যার ফলে সে ওষুধ বিক্রেতা জেনের মামীর সাথে কথা বলেন এবং বলেন যে জেনকে স্কুলে দেওয়া দরকার। তার মামি বেশ খুশি হয়েই সেই ওষুধ বিক্রেতার কথামতো , মিস্টার ব্রোকলিঃহারস্টের সহায়তায়, জেনকে লো উড স্কুলে ভর্তি করে দেন। এই ব্রোকলিঃ হারস্ট ছিলেন লো উড স্কুলের ম্যানেজার। তিনি এই স্কুলের সব কিছুই দেখাশোনা করতেন। তিনি ছিলেন নিষ্ঠুর প্রকৃতির একটা লোক। জেনের মামি তাকে বলেছিলাম জেন একজন প্রতারক এবং সেই সাথে জেন মাঝে মাঝে মিথ্যা কথা বলে। এই কথা শোনার পরে জেন তার মামি কে বলেছিল," সে কখনোই আর তাকে মামী বলে ডাকবে না ,এমনকি সে লো উড স্কুলের সবাইকে বলবে তার মামি এবং মামাতো ভাই বোনেরা তার উপর কি নিষ্ঠুর আচরণ করেছিল"। লো উড স্কুলে জেন আরেকটা নতুন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হল। ওই স্কুলে মোট ৮০ জন মেয়ে লেখাপড়া করতো। তাদের সবাইকে পাতলা কাপর, খুবই নিম্নমানের খাবার, আর কোল্ড রূমে থাকতে দেওয়া হতো। এতে করে প্রতি বছরই টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অনেকেই মারা যেত। জেন লো উড স্কুলে হেলেন Burns নামক তার থেকে কিছুটা বড় একজনের সাথে বন্ধুত্ব করেছিলাম। এবং তাকে সহায়তা করত মিস টেম্পেল নামক ওই স্কুলের একজন সুপারিনটেনডেন্ট। ওই স্কুলে যেহেতু প্রায়ই টাইফয়েড প্রাদুর্ভাবে অনেকে মারা যেত, সেহেতু একদিন হেলেন Burnsও টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে জেনের কাঁধে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরলো। এর পরে ছয় বছর ছাত্র জীবন এবং দুই বছর টিচার হিসেবে লো উড স্কুলে থাকার পর, জেন সিদ্ধান্ত নিল নতুনভাবে তার জীবনটা সে অনুসন্ধান করবে। যেহেতু মিস টেম্পেল বিয়ে হওয়ার পর অন্যত্র চলে যায় সেহেতু তার করা গভারনেসের চাকরিটা সে জেন দিয়ে যায়। গভর্নেস এর চাকরিটা করবার জন্য জেন Thornfield Hall এ যায়। সেখানে এডেল ভ্যারেন্স নামক একজন এতিম মেয়েকে সে শিক্ষা দিতে থাকে। একদিন তার সাথে আলাপ হয় Thornfield Hall এর মালিকের সাথে। যার নাম এডোয়ার্ড ফেয়ারফ্যাক্স রচেস্টার। তাদের দুইজনের আলাপ হওয়ার পর তারা একসাথে অনেকগুলো সন্ধ্যা কাটায়।একদিন রচেস্টারের বাসায় আগুন লেগে যায় ওই সময় জেন তাকে বাঁচায় , এর পরে জেন রচেস্টারের প্রতি তার একটা অনুভূতি টের পাই। সে বুঝতে পারে সে রচেস্টারের প্রেমে পড়েছে। এর কিছুদিন পরে রচেস্টার দূরবর্তী একটা পার্টির উদ্দেশ্যে বের হয়ে যায়। এবং বেশ কিছুদিন পরে সে হোল পার্টি নিয়ে ফিরে আসে। যার ভিতর একটা মেয়ে ছিল যার নাম ব্লান্স ইনগ্রাম। যখন জেন দেখল রচেস্টারের সাথে ব্লান্স বেশ ঘনিষ্ঠ সময় কাটাচ্ছে তখন জেন ব্লান্সকে হিংসা করতে থাকে। কারণ ব্লান্স ছিল অনেক নিষ্ঠুর প্রকৃতির একটা মায়ে , হার্ট বলে তার কিছু ছিল না এবং সে নিজেকে অনেক ধনী ভাবত, প্রকৃতপক্ষে সে একদমই ধনী ছিল না।
জেন একদিন তার মামীর একটা চিঠি পাই। যেখানে সে জানতে পারে তার মামি স্ট্রোক করেছে এবং তার মুমূর্ষ অবস্থায় সে জেনকে ডাকছে। জেন তার মামিকে দেখার উদ্দেশ্যে আবারো গেটসেড হলে ফিরে যায়। সেখানে ফিরে সে তার চাচা জন আইরের কথা জানতে পারে। সে তার মামীর কাছে এও জানতে পারে যে, তার চাচা তাকে তার চাচার কাছে ফিরে যেতে বলেছেন এবং তার সম্পত্তির মালিক হতে বলেছেন। কিন্তু তার মামি তার চাচিকে জানাই জেন অনেকদিন আগেই টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে লো উড স্কুলে মারা গিয়েছে। এর কিছুদিন পরেই তার মামি মারা যান। তারপর তার মামীর অন্তষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবার পর জেন আবারও Thornfield Hall এ ফিরে আসে। এরপর যখন সে রচেস্টারের সাথে আবারো মিট করে তখন রচেস্টার তাকে বলে, সে কতখানি তাকে মিস করেছে, তার অবর্তমানে এবং এক পর্যায়ে রচেস্টার তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় এবং জেন বেশ খুশিমনে তা একসেপ্ট করে নেয়।
রচেস্টার ও জেনের বিয়ের দিন যখন জেন বিয়ের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল ওই সময় দেখা যায় কেউ একজন তার বিয়ের ওড়নাটা ছিড়ে দুই ভাগ করে ফেলেছে। এবং বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার কিছুক্ষণ আগে মিস্টার মেশন নামক একজন আইনজীবী এসে বলে যে রচেস্টার পুনরায় বিয়ে করতে পারবে না কারণ পূর্বে তার একবার বিয়ে হয়েছিল তার বোন বার্থা মেশনের সাথে। এই ঘটনা শোনার পর জেন আর রেজিস্টারকে বিয়ে করতে চায় না। যদিও রচেস্টার তাকে বলেছিল চলো আমরা ফ্রান্সের দক্ষিণ দিকে চলে যায়। এবং সেখানে আমরা হাজবেন্ড ওয়াইফ এর মতো জীবন যাপন করি। কিন্তু জেন সে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। এবং ওই দিনই মাঝ রাতে যতটা সম্ভব দূরে চলে যায়। পথিমধ্যে সে তার জমানো সবটুকু টাকা হারিয়ে ফেলে এবং শেষপর্যন্ত খাবার কেনার জন্য তার গ্লাভস ও রুমালকে বিক্রয় করতে চাই। কিন্তু কিন্তু সেগুলো সে বিক্রি করতে পারে না, আন সাকসেসফুল হয়!
এরপর খুবই ক্ষুধায় ক্লান্ত হয়ে মেরি ও ডায়ানা রিভার্সের বাড়ির দরজায় এসে দাঁড়ায়। মেরি ও ডায়ানা রিভার্স হলেন দুই বোন। তাদের একজন ধর্মযাজক ভাইও ছিলেন যার নাম সেন্ট জন রিভার্স। মেরি ও ডায়ানার সাথে জেনের বেশ সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু প্রথমদিকে জন রিভার্সের সাথে সে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখত। যখন মেরি ও ডায়না গভারনেসের চাকরি নিয়ে দূরে চলে গেল। তখন জন রিভার্সের সাথে জেনের একটা ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জেন একপর্যায়ে জন রিভার্স এর কাছে জানতে পারে, তারা হলেন চাচাতো ভাইবোন অর্থাৎ জন আইরের ভাতিজা, ভাতিজী তারা।এবং জেন আরো জানতে পারে, জন আইর মৃত্যুর আগে তার জন্য ২০ হাজার পাউন্ড রেখে গিয়েছে এবং জেন সিদ্ধান্ত নেয় তারা সবাই মিলে সে অর্থ ভাগাভাগি করে নেবে কিন্তু তা আর হয়ে ওঠে না। জেনের সাথে ভালো সম্পর্কের সূত্র ধরেই জন রিভার্স জেনকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কারণ জন রিভার্স মনে করেছিল জেন একজন ভালো মিশনারি ওয়াইফ হবে এবং সে জেনকে তার সাথে ইন্ডিয়া ভ্রমণে যেতে বলে। কিন্তু জেন তার সাথে ইন্ডিয়াতে যেতে চাইলেও তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এরপর জেন আবারো Thornfield Hall এ ফিরে আসে। এসে জানতে পারে রচেস্টার তার পূর্বের ওয়াইফ বার্থাকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের একটি হাত ও একটা চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন(বার্তা রচেস্টারের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে নিজে আত্মহত্যা করে)। জেন রচেস্টারকে জানাই সে কখনো আর তাকে ছেড়ে যাবে না। এর ফলে রচেস্টার জেনকে আবারো বিয়ের প্রস্তাব দেয় এবং জেন তা একসেপ্ট করে নেয়।এই ঘটনার কিছুকাল পরে রচেস্টার ও জেনের একটি পুত্র সন্তান হয় এবং রচেস্টার তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবার কারণে তার পুত্র সন্তানকে দেখতে পায়।
It's all about Jane Eyre. Hope you all like it.
New topic will be up this weekend on this page for you all. So till then stay tuned!
Wish you all a very happy and peaceful eid. Eid Mubarak 🌙✨
The এবং of এর মাঝের শব্দটির noun এর কাজ করে। অর্থাৎ the+noun+of.
For example: The warning of the authority falls on deaf ears. Here warning does the function of noun.
Enough is enough হল একটি phrase যার অর্থ যথেষ্ট হয়েছে বা বিরক্তি অর্থাৎ something to stop বুঝাতে এই phrase টি ব্যবহৃত হয়।
19Th Century Novel
A Tale of Two Cities
Charles Dickens
4Th Year
এই উপন্যাসের মূল চরিত্র গুলো হল:
1. Dr. Manette ( Alexandre Manette)
2. Lucie Manette ( Daughter of Dr. Manette)
3. Jarvis Lorry
4. Charles Darnay
5. Sydney Carton
উপন্যাসটি ফরাসি বিপ্লব কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। এই উপন্যাসটিতে দুইটা শহরের কাহিনী বর্ণিত আছে। প্রথম শহরটি হচ্ছে ফ্রান্সের প্যারিস , আর দ্বিতীয় শহরটি হচ্ছে ইংল্যান্ডের লন্ডন।
1775 সালের ঘটনা, টেলশন ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জার্ভিস লরির কাছে সংবাদ আসে যে, ডক্টর ম্যানেট এখনো জীবিত আছেন। তিনি বর্তমানে বাস্তিল দুর্গে বন্দি আছেন; যা প্যারিসে অবস্থিত। মিস্টার জার্ভিস লরি সংবাদটি শোনা মাত্রই লুচি ম্যানেটকে দেয়। লুচি ম্যারেট হল ডক্টর ম্যানেটের একমাত্র কন্যা। যে জন্মলাভের পর থেকে তার বাবাকে কখনো দেখেনি , এমনকি এই সংবাদটি শোনার আগ পর্যন্ত সে নিজেকে পিতৃহারা ভাবতো। বর্তমানের লুচি 18 বছরের একজন যুবতী। তার জন্মগ্রহণের পর থেকে এই 18টি বছর তার বাবা বাস্তিল দুর্গে বন্দী আছেন। সংবাদটি শোনামাত্রই লুচি জার্ভিস লরিকে নিয়ে ফ্রান্সের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তারা প্যারিসে Monsieur Defarge নামক একজন মদ বিক্রেতার বাসায় ওঠে, এই মশিউর ছিলেন লুচি ম্যানেটের পিতার সাবেক একজন সার্ভেন্ট। বাস্তিল পৌঁছানোর পরে তারা জানতে পারে এই 18 বছর ডক্টর ম্যানেট কারাগারে জুতা সেলাইয়ের কাজ করেছেন। ডক্টর ম্যানেটকে বর্তমানে অনেক বৃদ্ধ দেখাচ্ছে, তিনি তার স্মৃতিশক্তি একেবারে হারিয়ে ফেলেছেন, এবং তার অবস্থা অনেকটা শোচনীয়। তাকে দেখে বোঝা যাচ্ছে তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। লুচি ও জার্ভিস লরি আরো জানতে পারে যে, ডক্টর ম্যানটকে ভুলবশত কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। ডক্টর ম্যানেটকে মুক্তি দেওয়া হয় লন্ডনে তার মেয়ের লুচির সাথে বসবাসের জন্য। একমাত্র মেয়ে লুচির ভালোবাসা ও যত্নের ফলে ডক্টর ম্যানেট আবারো সুস্থ হয়ে ওঠেন।
এরপরের ঘটনাটি 1780 সালের। লুচি ও তার পিতাকে কোর্টে তলব করা হয় সাক্ষী হিসেবে। যার বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে তলব করা হয় তিনি হচ্ছেন চার্লস ডারনে। তাকে মূলত গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজন সন্ত্রাসী ও স্পাই হিসেবে। লুচি ডারনের ভালো দিকগুলোর উপর জোর দেয়। কিন্তু তথ্য-প্রমাণ ডারনের বিপক্ষে সাক্ষ্য দেয়। যার ফলে ডারনে মৃত্যুদণ্ড জন্য ওয়েট করতে থাকে। কিন্তু হঠাৎই কোর্টে প্রবেশ করে সিডনি কার্টন নামক একজন কেরানি। ( Assistant of Stryver who is a lawyer)যিনি কোর্টে বলেন তাকে দেখতে অনেকটা ডারনের মত। যার ফলে ডারনেকে ছেড়ে দেয়া হয়। অনেকটা তার জন্যই ডারনে সেই যাত্রায় নিস্তার পায়।
এই ঘটনার পরে ডারনে ও কার্টন দুইজনেই লুচি ম্যানেটের প্রেমে পড়ে যায়। কিন্তু কার্টন ছিলেন অত্যন্ত অলস প্রকৃতির একটা মানুষ, যার সময় কাটতো ড্রিঙ্ক করে। যার কারণে লুচি কার্টনকে পছন্দ করত না। লুচির অগ্রাধিকার ছিল ডারনে। এর কিছুদিন পরেই লুচি ডারনেকে বিয়ে করে নেয়। এই ডারনে ছিলেন অভিজাত বংশের একজন ব্যক্তি। তিনি বর্তমানে একটা ছদ্মনামে লন্ডনে বসবাস করছেন এবং তিনি কাজ করেন টিউটর হিসেবে। তার আঙ্কেল ছিলেন মারকুইস সেন্ট এভারমন্ড। তিনি ছিলেন একজন কুখ্যাত ব্যক্তি, নিষ্ঠুরতার জন্য তিনি সবার কাছে পরিচিত ছিলেন। এই উপন্যাসে তার নিষ্ঠুরতা বর্ণনা দেয়া হয়েছে এইভাবে যে, একদিন তিনি একটা রয়াল রিসিপশন থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে গাড়ি চালিয়ে ফিরছিলেন , এই সময় পথিমধ্যে একজন গরিব বিধাতা তার কাছে সাহায্য চাই কিন্তু তিনি তাকে সাহায্য করতে অস্বীকার জানান , এমনকি পথিমধ্যে একটা শিশুকে গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা করেন। শিশুটির বাবা মৃত্যু পন দাবি করলে তিনি তার দিকে একটা গোল্ড কয়েন ছুড়ে মারেন। ওই রাতেই তাকে তার বাড়িতে তার নিজ বেডেই হত্যা করা হয়।
এরপর অনেক দিন পেরিয়ে গেছে, লুচি ও ডারনে বর্তমানে তাদের 11 বছরের বিবাহিত জীবন কাটাচ্ছেন, তাদের একটা মেয়েও আছে। কিন্তু এরই মধ্যে হঠাৎ করে ডারনে জানতে পারে তাদের এভারমন্ড পরিবারের বিশ্বাসী সার্ভেন্ট Gabelle প্যারিসে ধরা পড়েছে এবং তাকে এরেস্ট করা হয়েছে। তাকে ছাড়ানোর জন্য ডারনে ফ্রান্সের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু এখানে পৌঁছানোর পরে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়। এই সংবাদ পেয়ে লুচি তার মেয়ে, বাবা ও জার্ভিস লরিকে নিয়ে ফ্রান্সের প্যারিস এর দিকে রওনা দেয়। ডক্টর ম্যানেট বিপ্লবীদের অনেক বোঝানোর পরে তার জামাতাকে ছাড়াতে সক্ষম হয়। কিন্তু পরবর্তীতে ডারনেকে আবারও গ্রেফতার করা হয়। এবং এটা করা হয় ম্যাডাম Defarge এর কারণে। এই ম্যাডাম Defarge এর এভারমন্ড পরিবারের উপর অনেক রাগ ছিল। কারণ মারকুইস অর্থাৎ ডারনের আঙ্কেল তার বোনকে মলেস্ট করেছিলেন এবং তার ভাইকে হত্যা করেছিলেন। তারই সূত্র ধরে তিনি চাইতেন এভারমন্ড পরিবারের উপর প্রতিশোধ নিতে। অনেকটা যার কারণেই ডারনেকে আবারো অ্যারেস্ট করা হয়। এবং সব আশা ফুরিয়ে ডারনে মৃত্যুদন্ডের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। এইসময় কার্টন ডারনেকে বাঁচানোর জন্য
John Barsad এর সহায়তায় তার কারাগারে প্রবেশ করে। রুমালে মিশ্রিত ওষুধের মাধ্যমে তাকে অজ্ঞান করে কারাগারের বাইরে থাকা Barsad এর সাহায্যে তাকে বাইরে অপেক্ষারত লুচি ও জার্ভিস লরির নিকট পাঠায়। এবং কার্টন থেকে যায় কারাগারের ভেতর। এভাবে নিজের জীবনের বিনিময়ে কার্টন ডারনের জীবন বাঁচায়।
এবং সে বিশ্বাস করে যে তার মৃত্যুর পর ও সে লুচি, ডারনে ও তাদের পরবর্তী প্রজন্মের মনের ভেতর বেঁচে থাকবে।
উপন্যাসটি শুরু হয় ফ্রেন্স রেভুলেশনের আগে এবং শেষ হয় ফ্রেন্স রেভুলেশন চলাকালে।
Hope you all like it. If you like my content then kindly do like and follow my page to get more content like this.
19Th Century Novel
Pride and Prejudice
Jane Austen
4Th Year
এই নোবেলের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হল:-
1. Elizabeth Bennet
2.Mr. Fitzwilliam Darcy
3. Charles Bingley
4. Jane Bennet
5. Lydia Bennet
6. Wickham
7. Charlotte Lucas
8. Mr. Collins
9. Mr. Bennet
10. Mrs. Bennet
11. Lady Catherine de Bourgh
নোবেলের শুরুতে আমরা দেখতে পাই, চার্লস বিংলি নামক একজন ধনী ,অবিবাহিত যুবক লংবার্ন নামক গ্রামের পাশে নেদারফিন্ড পার্কে জমিদারি কিনেছে। লংবার্ণ নামক গ্রামে এই খবরটা বেশ প্রচলিত একটা খবর বিশেষ করে বেনেট পরিবারে। কারণ মিস্টার বেনেট এবং মিসেস বেনেটের বিবাহযোগ্য পাঁচটা মেয়ে ছিল। এবং মিসেস বেনেট তাদের মেয়েদের বিয়ের ব্যাপারে বেশ চিন্তিত ছিল। যখন তিনি শুনলেন যে, পাশের গ্রামে চার্লস বিঙলি নামক একজন ধনী যুবক এসেছেন তখন তিনি এই সুযোগটা কিছুতেই ছাড়তে চাইলেন না। তিনি মিস্টার বেনেটকে পাঠালেন চার্লস বিঙলির সাথে দেখা করতে। এই ঘটনার পরবর্তী তে পুরো বেনেট পরিবারের সাথে এক পার্টিতে চার্লস বিঙলির সাক্ষাৎ হয়। ওই পার্টিতে বিংলি জেন বেনেটের সাথে অনেকটা সময় কাটায়। তারা একসাথে ওইদিনের সন্ধ্যার টা উপভোগ করে। ওই পার্টিতে বিঙলির বেস্ট ফ্রেন্ড ডার্সি যোগদান করে। মিস্টার বিঙলি তাকে এলিজাবেথের সাথে ডান্স করার জন্য আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু ডার্সি ছিল অত্যান্ত দাম্ভিক একজন পুরুষ। সে প্রতি উত্তরে বলে এলিজাবেথ সুন্দরী , কিন্তু তাকে প্রলুব্ধ করার মত ক্ষমতা তার নেই! এই কথা বলে সে এলিজাবেথের সাথে ডান্স করতে অস্বীকার জানাই। এলিজাবেথ তার কথাগুলো শুনে ফেলে এবং ডার্সির সম্পর্কে একটা বাজে ধারণা তার মনে গেঁথে যায়। অন্য একটা পার্টিতে ডার্সির সঙ্গে এলিজাবেথের আবারো দেখা হয়। কিন্তু ওই পার্টিতে এলিজাবেথকে ডার্সি পছন্দ করতে শুরু করে, একপর্যায়ে সে তাকে আমন্ত্রণ জানাই তার সঙ্গে ডান্স করার জন্য কিন্তু এলিজাবেথ পূর্বের ঘটনা মনে রেখে তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এর কিছুদিন পরে তাদের গ্রামের পাশে মিলিটারি ক্যাম্প বসেছে এমন ঘটনা শুনে পুরো বেনেট পরিবার মিলিটারি অফিসারদের সঙ্গে দেখা করতে যায়। সেখানে বেনেট পরিবারের মেয়েদের সঙ্গে মিলিটারি অফিসারদের বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এলিজাবেথ বেনেটের সাথে উইকহ্যাম নামক এক মিলিটারি অফিসারের আলাপ হয়। এলিজাবেথ উইকহ্যামের এর কাছ থেকে জানতে পারে ডার্সি উইক হ্যামকে খুব বাজে ভাবে ঠকিয়েছে। এলিজাবেথকে সে বলে যে, ডার্সির বাবা তাকে যাজকের চাকরি দিতে চেয়েছিলাম , কিন্তু তিনি মারা যাওয়ার পর ডার্সি তাকে তার চাকরি থেকে বঞ্চিত করে। এই কথা শুনে এলিজাবেথের মনে ডার্সির সম্পর্কে বাজে ধারণা আরও গভীর হয়। সে ডার্সিকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করতে শুরু করে। বিঙলির সাথে জেনির বন্ধুত্ব ভালোই চলছিল। জেন একদিন বিঙলির স্টেটে বেড়াতে যায়, যাওয়ার সময় বৃষ্টিতে ভিজে অসুস্থ হওয়ার কারণে তাকে কিছুদিন বিঙলির স্টেটে থেকে যেতে হয়। এলিজাবেথ তাকে দেখতে যায়। এলিজাবেথ কে দেখে বিঙলির বোন মিস ক্যারোলিন বিঙলি বেশ রাগান্বিত হয় কারণ সে ডার্সিকে মনে মনে পছন্দ করত এবং সে এটাও জানত যে ডার্সি এলিজাবেথকে ইদানিং পছন্দ করতে শুরু করেছে। এলিজাবেথ যখন জেনকে নিয়ে বাসায় ফিরে আসল ,তখন সে দেখল তাদের বাড়িতে মিস্টার কলিন্স বেড়াতে এসেছেন। মিস্টার কলিন্স হচ্ছেন মিস্টার বেনেটের চাচাতো ভাই , বেনেট পরিবারের সম্পত্তির একমাত্র উত্তরাধিকারী কারণ ঐ পরিবারে আর কোন ছেলে সন্তান ছিল না। মিস্টার কলিন্স এলিজাবেথকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় কিন্তু এলিজাবেথ সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এতে এলিজাবেথের মা এলিজাবেথের উপর রাগান্বিত হয়। জেন জানতে পারে বিঙলি স্বপরিবারে ডার্সিকে সাথে নিয়ে লন্ডনে ফিরে গেছে। এই খবরটা জেনকে মর্মাহত করে কারণ বিঙলি জেনকে কিছু না জানিয়ে লন্ডনে পারি জমিয়েছিল। এরমধ্যে এলিজাবেথ জানতে পারে মিস্টার কলিন্সের সাথে সারলোট লুকাসের এনগেজমেন্ট হয়ে গেছে। এবং এর কিছুদিন পর তাদের বিয়েও হয়ে যায়। সারলোট লুকাস ছিল এলিজাবেথের বেস্ট ফ্রেন্ড।সে এলিজাবেথকে জানায় সে শুধু অর্থের কারনে কলিন্সকে বিয়ে করেছে। জেন বিঙলির সাথে দেখা করার জন্য লন্ডনে যায় কিন্তু তার সাথে বিঙলির দেখা হয় না। এলিজাবেথ তার বান্ধবী লুকাসের সাথে দেখা করার জন্য লুকাসের বাড়ি যায় সেখানে ডার্সির সঙ্গে তার দেখা হয় ( লুকাসের বাড়ির পাশে ডার্সির আন্ট ক্যাথেরিন ডি বোরার বাড়ি অবস্থিত, সেখানে ডার্সি বেড়াতে গিয়েছিল , সেই সূত্রে তার সাথে এলিজাবেথের দেখা হয়ে যায়)। ডার্সি এক পর্যায়ে এলিজাবেথকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় কিন্তু এলিজাবেথ তা প্রত্যাখ্যান করে। সে ডার্সিকে জানাই সে তার বোনের উপর অন্যায় করেছে, এবং উইকহ্যামকে ঠকিয়েছে। ডার্সি এলিজাবেথকে একটা চিঠি লেখা সেখানে সে এলিজাবেথকে জানায় ,সে মনে করেছিল জেন বিঙলিকে সত্যিকারে ভালোবাসে না তাই সে বিঙলিকে জেনের থেকে দূরে থাকতে বলেছিল এবং সে এলিজাবেথকে এ ও জানায় যে , সে উইকহ্যামকে ঠকাইনি। বরং উইকহ্যাম এক সময় টাকা না পেয়ে তার বোন জর্জিয়ানা ডার্সিকে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল। সবটা জানতে পেরে এলিজাবেথ ডার্সির প্রতি তার ধারণা পাল্টায়। সে এই ঘটনার পর তার মামামামিকে (গার্ডিনারস) নিয়ে ডার্সির স্টেট পেমবার্লিতে বেড়াতে যায়, সেখানে গিয়ে সে জানতে পারে ডার্সি অনেক ভালো একজন মানুষ, অনেক ভালো একজন মালিক। ওখানে থাকা অবস্থায় এলিজাবেথের কাছে খবর আসে তার ছোট বোন লিডিয়া উইকহ্যামের সাথে পালিয়েছে। এলিজাবেথ এই খবর শুনে ওখান থেকে সোজা বাড়িতে চলে আসে। এরপর বেনেট পরিবার জানতে পারে শুধুমাত্র ডার্সির কারনে উইকহ্যাম লিডিয়াকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছে। উইকহ্যামের সাথে বিয়ে হওয়ার পর লিডিয়া বাড়ি ফিরে আসে। বিঙলি এর কিছুদিন পর আবারো গ্রামে ফিরে আসে এবং জেনকে প্রপোজ করে , জেন সানন্দে বিঙলির প্রস্তাবে রাজি হয়ে যায়। এবার ডার্সি এলিজাবেথ কে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, এতে এলিজাবেথ ও রাজি হয়ে যায়। এরপরে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে হয়।
Hope you all like it. If you like my content then please do like and follow my page to get more content like this.
Sometimes - মাঝেমধ্যে
Some time - কিছু সময়
Sometime - একদা/ কোন এক সময়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Jhenida
7340