এসো ইঞ্জিনিয়ারিং শিখি - Learn Engineering

এসো ইঞ্জিনিয়ারিং শিখি -  Learn Engineering

Share

This page is an educational page created to spread Engineering among the students of Bangladesh specially in Bengali.

You can find Educational Engineering videos and news related to EEE, CSE, and so on.

02/02/2026

খুব কাছের এক ছোটভাইর আইডি প্রায় ছমাস ধরে ডিএক্টিভেটেড। গত পরশু ওরে কল দিলাম -
কিরে কি অবস্থা, কি হইছে তোর? এমন হারায়ে গেলি কেন?

কিছুক্ষণ চুপ থেকে জবাব দিল, ভালো আছি ভাই। তুমি কেমন আছো? স্যোসাল মিডিয়া ভালো লাগেনা আর, গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর থেকে জীবন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে, কোন দিক কুল পাচ্ছি না! বন্ধুরা সবাই কিছু না কিছু করতেছে, এটা দেখলে আরও খারাপ লাগে। রিলেশনটাও নাই, কেমন হাহাকার লাগে। তাই নিজেরে একটু গুটায়ে নিছি ভাই।

বললাম কালকে দেখা কর, তোর সাথে আড্ডা দেইনা অনেকদিন।
গতকাল আমিই গেলাম ওর বাসায়, ওরে নামায়ে নদীর পাড় নিয়া গেলাম চা খাইতে। আমি কিচ্ছু বলিনাই, শুধু ওর কথাগুলা চুপচাপ শুনে গেছি।

আজকে দেখি, ফেসবুকে প্রোফাইল পিকচার চেঞ্জ করছে। কি অদ্ভুত! এত্তগুলা মাস ছেলেটারে কেউ একবারের জন্যও জিগ্যেস করেনাই, তোর কি হইছে!😅

11/12/2025

পৃথিবীটা বড়ই বৈচিত্র। হরেক রকম মানুষ!

25/09/2025

Groundbreaking neuroscience research confirms that our internal monologue is a powerful tool that physically sculpts our brain's structure. The study reveals that habitual self-talk, whether positive or negative, strengthens specific neural pathways through a process known as neuroplasticity. Consistently engaging in encouraging, compassionate self-dialogue fortifies circuits associated with resilience, emotional regulation, and self-esteem. Conversely, a pattern of critical or catastrophic inner speech reinforces neural networks linked to anxiety, stress, and depression. This isn't just a metaphorical change; it's a literal rewiring of the brain's architecture. The findings empower us to be architects of our own minds, highlighting that by consciously curating our inner voice, we can actively build a brain that is more resilient, adaptive, and primed for well-being.

01/09/2025

অনেকদিন পর বাবার কাছে চিঠি পাঠালাম। খুব বড় চিঠি না, তবে অন্যরকম চিঠি। স্পেশাল চিঠি। চিঠির প্রত্যেকটা পাতা আস্ত এক একটা টাকার নোট। আর তার অন্তরালে লুকিয়ে থাকা অনেকগুলি অক্ষর। সবাই এটা পড়তে পারে না। শুধুমাত্র পিতা-পুত্রেরএ চিঠির লেনদেনের ভাষা পিতাপুত্রই বোঝে।

একসময় বাবাও অনেক চিঠি দিতো আমায়৷ তখন এ চিঠির মর্মার্থ বুঝতাম না। এখন আমার সময় হয়েছে চিঠি পাঠানোর। বাবার মতো খুব বড় চিঠি লিখার মতো এখনো সামর্থ্য হয় নি, কিন্তু আমার এই ছোটো চিঠির মূল্যই বাবার কাছে কতো দামী হবে, তা ভেবে একটু হলেও ভালো লাগছে। তাই এই সময়টা ভালোলাগার একটা অংশ।

ব্যায়বহুল এ শহরে চিঠি পাঠানোও ব্যায়বহুল। তাই হয়তো খুব বড় চিঠি পাঠানো হলো না।

পিতা-পুত্রের এ চিঠির লেনদেন আমার একার নয়। যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। বাবা গ্রাম ছেড়ে শহরে এসেছিলেন, তিনি তার বাবাকেও চিঠি পাঠাতেন। আমি দেশ ছেড়ে বিদেশে এসেছি। বংশ পরম্পরায় এর ক্রমধারা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। হাজার বছরের পুরোনো সে দায়িত্ব..

সবার দোয়া চাই যাতে অনেক বড় চিঠি লিখতে পারি, কোনো একদিন।

~ Dr. Hasan

01/09/2025
28/08/2025

নামের আগে ডক্টর নাকি ইঞ্জিনিয়ার লিখবেন এটা নিয়ে জটিলতায় ভুগছেন? এর একটা সহজ সমাধান দেই। আগে বিএসসি ইন ইঞ্জনিয়ারিং করবেন তারপর পিএইচডি করবেন। তাহলে নামের আগে ডক্টর ইঞ্জিনিয়ার দুইটাই লিখতে পারবেন। আগে কোনটা লিখবেন এটা আপনার ব্যাপার। 😃

ধন্যবাদ।

~ Dr. Engr. Hasan

26/08/2025

ইউনিভার্সিটিতে Artificial Intelligence (AI) পড়ানোর সময় আমরা একটা important concept পড়াই- ReLU. এটা একটা ট্রান্সফার ফাংশন, যার ইনপুট নেগেটিভ হলে আউটপুট হয় জিরো বা নিউট্রাল, ইনপুট জিরো বা পজিটিভ হলে আউটপুট হয় জিরো বা পজিটিভ।

শুধু AI না, বাস্তব জীবনেও আমি ReLU এর প্রয়োগে ব্যাপক ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। আপনার আশেপাশের কোনো মানুষ যদি নেগেটিভ কিছু বলে, যেটা আপনার পছন্দ নয়, কিংবা এমন সিচুয়েশন আসে-যখন কি করবেন বা বলবেন বুঝে উঠতে পারছেন না, তখন আপনি চুপ করে থাকবেন। দেখবেন কিছু না হলেও অন্তত ঝামেলা হবে না। আর যদি উল্টা কিছু বলেন, argue করেন, তাহলে আগুনে ঘি ঢালা হবে, তার সাথে ঝামেলা হবে, সম্পর্ক খারাপ হবে। আর মানুষ পজিটিভ কিছু হলে তো আপনি অবশ্যই পজিটিভ থাকবেন।

বই থেকে পাওয়া এ বিষয়ে দুইটা উক্তি আমার খুব প্রিয়-
১. নীরবতা সর্বোত্তম পন্থা- শেখ সাদী
২. হিমুরা কিছু বলে না, শুধু দেখে- হুমায়ূন আহমেদ

~ Dr. Hasan

২৬/০৮/২০২৫

23/08/2025

মানুষের সম্পর্কের মূলে থাকে ভালোবাসা, আস্থা এবং যত্ন। কিন্তু সম্পর্ক যখন অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণে পরিণত হয়, তখন তা স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ তৈরি করে এবং ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি করে দেয়। বিশেষত পুরুষরা সম্পর্কের মধ্যে যত্নকে স্বাগত জানায়, কিন্তু নিয়ন্ত্রণকে অপছন্দ করে। কারণ যত্ন তাদের মধ্যে নিরাপত্তা ও শ্রদ্ধার অনুভূতি তৈরি করে, আর নিয়ন্ত্রণ তৈরি করে বিরক্তি ও বিদ্রোহ। এই বিষয়টি নিয়ে বিশ্বের নানা প্রান্তে গবেষণা হয়েছে, যা স্পষ্টভাবে দেখায়—পুরুষের আবেগ ধরে রাখার আসল উপায় হলো যত্ন, নিয়ন্ত্রণ নয়।
গবেষণার আলোকে পুরুষের মনস্তত্ত্ব
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির (2019) একটি গবেষণা দেখায়, সম্পর্কের স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে পারস্পরিক যত্ন ও সমর্থন ৭৩% ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, যেখানে নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ কেবল ২১% ক্ষেত্রে সম্পর্ক ধরে রাখতে সক্ষম হয়।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক মনোবিজ্ঞান বিভাগ (2021) বলছে, পুরুষরা যেসব সম্পর্কে মানসিক নিরাপত্তা, শ্রদ্ধা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা পান, সেখানে তাদের আস্থা ও ভালোবাসা অনেক বেশি স্থায়ী হয়।
ভারতের টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সের একটি সমীক্ষা (2020) অনুযায়ী, যেসব দম্পতির সম্পর্কে স্ত্রী বেশি সহানুভূতিশীল ও সমর্থনশীল, সেই সম্পর্কে পুরুষের অবদান, দায়িত্ববোধ ও মানসিক স্থিরতা ৬৫% বেশি দেখা গেছে, তুলনায় যেসব সম্পর্কে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ ছিল।
কেন পুরুষ যত্নে থাকে, নিয়ন্ত্রণে নয়
যত্ন নিরাপত্তা দেয়: যত্ন মানে হলো সঙ্গীর সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, যা পুরুষকে মানসিকভাবে যুক্ত রাখে।
নিয়ন্ত্রণ স্বাধীনতা কেড়ে নেয়: পুরুষের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ তাদের মনে বিরক্তি ও অবিশ্বাস তৈরি করে।
যত্ন আস্থা গড়ে তোলে: আস্থার ওপর দাঁড়িয়ে সম্পর্কের ভিত্তি দৃঢ় হয়।
নিয়ন্ত্রণ বিরোধ তৈরি করে: নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণে ছোটখাটো বিষয় থেকেও বড় ঝগড়া শুরু হয়।
বাস্তব জীবনের প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশ ও ভারতীয় সমাজে অনেক সময় স্ত্রী বা সঙ্গীরা মনে করেন, সঙ্গীকে নিয়ন্ত্রণ করলেই সে সম্পর্কের প্রতি বিশ্বস্ত থাকবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, নিয়ন্ত্রণ পুরুষকে মানসিকভাবে দূরে সরিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, একাধিক সামাজিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, পুরুষ যখন নিজের মতামত ও সিদ্ধান্তের জায়গা পায়, তখন সে সম্পর্কে আরও বেশি নিবেদিত হয়।
সমাধান ও করণীয়
সঙ্গীর প্রতি বিশ্বাস রাখুন এবং স্বাধীনতা দিন।
নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং বোঝাপড়ার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিন।
সমস্যায় একে অপরকে দোষারোপ না করে সমাধানের পথ খুঁজুন। ছোট সাফল্য ও প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দিন।
আবেগী সমর্থন ও মানসিক যত্নকে প্রাধান্য দিন।
পুরুষকে ধরে রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো তার প্রতি যত্ন, সম্মান ও বিশ্বাস প্রদর্শন করা। নিয়ন্ত্রণ হয়তো মুহূর্তের জন্য তাকে থামিয়ে রাখতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক নষ্ট করে দেয়। তাই, সম্পর্ককে সুন্দর ও স্থায়ী করতে চাইলে যত্ন দিন, নিয়ন্ত্রণ নয়—কারণ পুরুষ আটকায় যত্নে, নিয়ন্ত্রণে নয়।

04/04/2025

অনুসরণ করার মত ঈগলের ৭ নীতি:⤵️

✅নীতি- ১:
ঈগল অনেক উঁচুতে উড়ে এবং কখনোই চড়ুই কিংবা অন্যান্য ছোট পাখিদের সাথে মেশে না, উড়েও না।
ঈগল যেই উচ্চতায় উড়ে বেড়ায়, সেই উচ্চতায় অন্য কোন পাখি পৌঁছাতেও পারে না। এজন্যেই ঈগল একা ওড়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কারোর সাথে দল বেঁধে নয়।

💥💥প্রাপ্য শিক্ষা:
মানুষ হিসাবে জীবনে চলার পথে এমন মানুষগুলোর সাথে চলতে-ফিরতে-মিশতে হয় যারা সমান স্বপ্ন দেখে, যাদের সাথে দৃষ্টিভঙ্গি মিলে, যাদের সাথে থাকলে ব্যক্তিগত উন্নয়ন সম্ভবপর হয়।
জীবনে বন্ধুদের প্রভাব অনেক বেশি। তাই বন্ধু নির্বাচন করতে হয় বুঝে শুনে। সমমনা মানুষদের সাথে বন্ধুত্ব করা শ্রেয়।

✅নীতি- ২:
ঈগল এর রয়েছে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিশক্তি যার মাধ্যমে সে আকাশে থাকা অবস্থাতেই ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত দেখতে পায়, তাও একদম স্পষ্ট! ঈগল যখন তার শিকার খোঁজে, সে তার সব ফোকাস সেটার ওপর নিয়ে যায় এবং বেরিয়ে পড়ে শিকারের জন্য। যত বাধাই আসুক না কেন, সেটিকে না পাওয়া পর্যন্ত ঈগল কোনক্রমেই তার চোখ সরায় না।

💥💥প্রাপ্য শিক্ষা:
আশে পাশের সবকিছুর প্রতিই খেয়াল রাখা ভালো৷ তবে পিছু নিতে হয় শুধু একটি লক্ষ্যের। সেই লক্ষ্য হতে কোন ভাবেই ফোকাস হারানো চাই না!

✅নীতি- ৩:
পাখির রাজা ঈগল সর্বদা জীবন্ত প্রাণীকে খাবার হিসেবে খেয়ে থাকে। কখনোই কোন মৃত জিনিস তারা ভক্ষণ করে না।

💥💥প্রাপ্য শিক্ষা:
সব সময় নতুন সংবাদ ও তথ্যের খোঁজ রাখতে হয়। পুরাতনকে ঝেড়ে ফেলা এবং অন্য মানুষের কথা শুনে নিজের স্বপ্নের পিছু নেওয়া ছেড়ে দিতে হয়না কখনোই।

✅নীতি- ৪:
ঝড় আসলে ঈগল পাখি তা এড়িয়ে না গিয়ে বরং ঝড়ের বেগকেই কাজে লাগিয়ে উঁচুতে উড়ে যায়।

💥💥প্রাপ্য শিক্ষা:
চ্যালেঞ্জকে চ্যালেঞ্জ নয়, সুযোগ হিসাবে দেখতে হয়। একে মোকাবিলা না করলে নতুন কিছু কখনোই শেখা হয়না, যেই অবস্থানে থাকা হয় তা হতে কখনোই উত্তরণ করতে পারা যায়না।

✅নীতি- ৫:
একটা মেয়ে ও ছেলে ঈগল যদি কখনো বন্ধু হতে চায়, মেয়ে ঈগলটি প্রথমেই ছেলে ঈগলটির কমিটমেন্টের পরীক্ষা নিয়ে নেয়। কীভাবে?
সাক্ষাৎ হওয়ার পর মেয়ে ঈগলটি মাটিতে নেমে এসে গাছের একটি ডাল তুলে নেয়। তার পিছে পিছে ছেলে ঈগলটিও উড়ে যায়। মেয়ে ঈগলটি সেই ডাল নিয়ে উপরের দিকে উড়ে যায় এবং একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় যাওয়ার পর গাছের সেই ডালটি নিচে ফেলে দেয়। তার পিছু নেওয়া সেই ছেলে ঈগলটি তা দেখে ডালটি ধরার জন্য দ্রুত নিচের দিকে যায়। ডালটি সে মেয়ে ঈগলের কাছে ফিরিয়ে আনে।
এই কার্যক্রমের পুনরাবৃত্তি কয়েক ঘণ্টা ধরে হতেই থাকে যতক্ষণ না পর্যন্ত মেয়ে ঈগল আশ্বস্ত হয় যে ছেলে ঈগলটি এই ডাল ফিরিয়ে আনার কাজটি আত্মস্থ করতে পেরেছে। এটা তার কাছে ছেলে ঈগলটির ‘প্রতিজ্ঞাবদ্ধতার’ পরিচয় তুলে ধরে। অর্থাৎ, ইংরেজিতে আমরা যেটাকে বলি Commitment। একমাত্র ‘প্রতিজ্ঞাবদ্ধতার’ পরিচয় দিতে পারলেই পরে তারা দুজন বন্ধু হতে পারে।

💥💥প্রাপ্য শিক্ষা:
কাউকে নিয়োগ দেওয়ার পূর্বে তার Commitment যাচাই করা উচিৎ। ব্যক্তিগত হোক আর পেশাগত জীবনেই হোক, যাচাই করে নিতে ভোলা যাবেনা।

✅নীতি- ৬:
ডিম পাড়ার সময় আসলে বাবা ও মা ঈগল পাহাড়ের এমন একটি জায়গা বেছে নেয় যেখানে কোন শিকারির হামলা করার সুযোগ থাকে না। বাসা তৈরির পালা আসলে ছেলে ঈগল এই বাসা নির্মাণের জন্য প্রথমে কিছু কাঁটা বিছায়, তার উপর গাছের ছোট ছোট ডালা, তার উপর আবার কিছু কাঁটা দিয়ে একদম শেষে কিছু নরম ঘাস বিছিয়ে দেয়। ছোট্ট আবাসটির নিরাপত্তার জন্য বাইরের দিকে তারা কাঁটা ও শক্ত ডালা বিছিয়ে রাখে।
বাচ্চা ঈগলগুলোর যখন উড়তে শেখার সময় হয়, মা ঈগল তাদেরকে বাইরে ছুঁড়ে দেয় কিন্তু পড়ে যাওয়ার ভয়ে ছানাগুলো ফিরে আসে। মা ঈগল এবার সব নরম ঘাস সরিয়ে ফেলে পুনরায় তাদের বাইরে ছুঁড়ে দেয়। আর তাই ছানাগুলো যখন ফিরে আসে, কাঁটার সাথে আঘাত পেয়ে তারা নিজেই বাইরে ঝাঁপ দেয় এই ভেবে যে এতো প্রিয় মা-বাবা কেন এমন করছে?
এবারে বাবা ঈগল নিয়োজিত হয় তাদের উদ্ধারকার্যে। নিচে পড়ে যাওয়ার আগেই সে তার পিঠে করে ছানাগুলোকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। যতদিন পর্যন্ত ছানাগুলো তাদের ডানা ঝাঁপটানো না শুরু করে, এই প্রক্রিয়া চলতেই থাকে।

💥💥প্রাপ্য শিক্ষা:
যেকোন রকম পরিবর্তনের জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হয়। অভিযোজনে অভ্যস্ত হওয়া অর্থাৎ যেকোন পরিস্থিতে নিজেকে মানিয়ে নিতে শিখতে হয়। আর ভুলে যেতে হয়না যে: “Life begins at the end of your comfort zone.” Comfort zone থেকে না বেরোলে জীবনে অগ্রগামী হওয়া প্রায় অসম্ভব।

✅নীতি- ৭:
বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঈগল পাখির ডানার পালকগুলো দুর্বল হয়ে পরে, যে কারণে সে আগের মত খুব দ্রুত গতিতে উড়তে পারে না। দুর্বল বোধ করলে সে এমন একটি জায়গায় আশ্রয় নেয় যেখানে পাথর রয়েছে। সেখানে সে তার শরীরের প্রতিটি পালক টেনে ছিঁড়ে ও উঠিয়ে ফেলে। নতুন পালক না গজানো পর্যন্ত সেই দুর্বল ঈগল কোথাও বের হয় না। নতুন পালক গজিয়ে গেলে সে পুনরায় বজ্র গতিতে উড়ে বেড়ায়।

💥💥প্রাপ্য শিক্ষা:
কাজ, দায়িত্ব, পড়াশোনার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে যখন হাঁপিয়ে উঠতে হয়, সিদ্ধান্ত নিতে হয় একটু বিরতি নেওয়ার। ছোট্ট একটি ছুটি নিয়ে সময় বের করতে হয় নিজের জন্য। এ সময়টিতে একান্তে চিন্তা করতে হয় বা কোন কাজটি কারো কাছে অর্থপূর্ণ এবং কোনটি করার একেবারেই প্রয়োজন নেই। ঈগলের মতো ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফেলতে হয় সেসব অপ্রয়োজনীয় কাজের দায়িত্ব যা চলার গতিকে মন্থর করছে, এগিয়ে যাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেই সাথে, নিজেকে যাচাই করে দেখতে হয় যে কোন কোন বদ অভ্যাসে বর্তমানে অভ্যস্ত কিনা। ঈগল পাখির মতই ঝেড়ে ফেলতে হয় সেসব বদ অভ্যাস; পুনরায় শুরু করতে হয় নতুন পথচলা.......।

✅✅সবশেষে একথা সত্যি যে, বিধাতা পৃথিবীকে এমনভাবেই সৃষ্টি করেছেন যে প্রকৃতি থেকেই মানুষ শেখার জন্য খুঁজে পায় অসংখ্য উৎস। সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ হলেও পশু-পাখিদের কাছ থেকেও কিন্তু শেখার আছে অনেক কিছু। ফেসবুক হতে সংগৃহীত পোস্ট।

Want your school to be the top-listed School/college in Sydney?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Sydney, NSW
2031