আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

  • Home
  • আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ Al-Haiatul Ulya Lil-Jamiatil Qawmia Bangladesh.
(1)

is the Govt recognized Qawmi Madrasa Education Institute of Bangladesh having the authority to arrange Dawra-e Hadis central examination and to issue certificate.

20/07/2026

গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা

'অনিয়মিত পরীক্ষার্থী' হিসাবে যারা দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষার নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন

সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ১৪৪৮ হিজরী/২০২৭ ঈসাব্দের দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষার অনলাইন নিবন্ধন কার্যক্রম আগামী ২০ সফর ১৪৪৮ হিজরী, মোতাবেক ৪ আগস্ট ২০২৬ ঈসাব্দ তারিখ থেকে শুরু হবে, ইনশাআল্লাহ।
নিবন্ধনের যোগ্যতা ও শর্তসমূহ সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী নিম্নবর্ণিত ছাত্র-ছাত্রীগণ ‘অনিয়মিত পরীক্ষার্থী’ হিসাবে নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন:

১. অকৃতকার্য: ১৪৪৬ ও ১৪৪৭ হিজরী/২০২৫ ও ২০২৬ ঈসাব্দে দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় যেকোনো ৪টি কিতাবে অকৃতকার্য হলে শুধু ঐ কিতাবগুলোর পরীক্ষা দিতে পারবেন। তবে ৪ (চার) কিতাবের বেশি অকৃতকার্য হলে সকল কিতাবের পরীক্ষা দিতে হবে।

২. অনুপস্থিত: ১৪৪৬ ও ১৪৪৭ হিজরী/২০২৫ ও ২০২৬ ঈসাব্দে দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় যেসকল কিতাবে অনুপস্থিত ছিলেন, শুধু ঐ কিতাবগুলোর পরীক্ষা দিতে পারবেন।

৩. মানোন্নয়ন: ১৪৪৬ ও ১৪৪৭ হিজরী/২০২৫ ও ২০২৬ ঈসাব্দে দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী মানোন্নয়ন পরীক্ষা দিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে তাকে সকল কিতাবের পরীক্ষা দিতে হবে।

৪. অন্যান্য:
(ক) ১৪৩৮ থেকে ১৪৪৬ হিজরী/২০১৭ থেকে ২০২৫ ঈসাব্দ পর্যন্ত বিগত বছরগুলোতে ৬ বোর্ডের অধীনে ফযীলত (মেশকাত) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী, যারা দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি।
(খ) ১৪৪৬ ও ১৪৪৭ হিজরী/২০২৫ ও ২০২৬ ঈসাব্দে দারুল উলূম দেওবন্দ অথবা বিদেশের অনুরূপ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফযীলত অথবা দাওরায়ে হাদীস উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:

১. দারুল উলূম দেওবন্দ অথবা বিদেশের অনুরূপ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১৪৪৬ ও ১৪৪৭ হিজরী/২০২৫ ও ২০২৬ ঈসাব্দে ফযীলত অথবা দাওরায়ে হাদীস উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের আবেদনের সময় তাদের 'সনদ' অথবা 'নম্বরপত্র' এবং আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান বরাবর পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি প্রার্থনা করে দরখাস্তের অনুলিপি অনলাইনে দাখিল করতে হবে।

২. উল্লেখ্য, ১৪৪৭ হিজরী/২০২৬ ঈসাব্দে দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় যারা 'যবত' হয়েছে, তারা ১৪৪৮ হিজরী/২০২৭ ঈসাব্দের দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় নিবন্ধনের সুযোগ পাবে না।

৩. অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের নিবন্ধন ফি ৮০০/- (আটশত) টাকা এবং বিলম্বের ক্ষেত্রে ৯০০/- (নয়শত) টাকা। নিবন্ধন কার্যক্রম ২০ সফর থেকে শুরু হয়ে ২৯ রবীউল আউওয়াল ১৪৪৮ হিজরী পর্যন্ত চলবে (সাধারণ সময়: ২০ সফর থেকে ১৯ রবীউল আউওয়াল; বর্ধিত সময়: ২০ রবীউল আউওয়াল থেকে ২৯ রবীউল আউওয়াল)।

৪. নিবন্ধন নিজ নিজ মাদরাসার মাধ্যমে অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। কোনো পরীক্ষার্থী/মাদরাসা উপরোক্ত নিয়মের ব্যতিক্রম করলে পরীক্ষা বিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আগ্রহী অনিয়মিত পরীক্ষার্থীগণকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজ নিজ মাদরাসার দায়িত্বশীলগণের মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশক্রমে,

(মু: অছিউর রহমান)
অফিস ব্যবস্থাপক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত)
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ,
যোগাযোগ: ৮০/ই, হাসিব টাওয়ার, বিবির বাগিচা ১ নং গেট, উত্তর যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
০৯৬১১ ৬৩৪ ৭৩৪, ০১৯৭০-৭৬৩১৭৮ (হোয়াটসঅ্যাপ), ০১৭০০-৭৬৩১৭৮ (হোয়াটসঅ্যাপ) |
[email protected] | hems.alhaiatululya.org

13/07/2026

জরুরি ঘোষণা

আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ-এর অধিভুক্ত সকল দাওরায়ে হাদীস মাদরাসার সম্মানিত মুহতামিম, দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এবং পরীক্ষার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষার নিবন্ধন কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ পরিপালন জরুরি—

১. সানাবিয়্যা ও ফযীলতের তথ্যাদি এক হওয়া আবশ্যক

সানাবিয়্যা উলয়া/সানাবিয়্যা এবং ফযীলতের নম্বরপত্র ও ফলাফল তালিকায় শিক্ষার্থীর নাম, পিতার নাম, মাতার নাম ও জন্মতারিখ হুবহু এক ও অভিন্ন থাকতে হবে। কোনো ধরনের অমিল থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে অবিলম্বে বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে এবং নিবন্ধনের সময় সংশোধিত নম্বরপত্র আপলোড করতে হবে।

২. জন্ম নিবন্ধনপত্র বা জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা আবশ্যক

যে সব শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধনপত্র (Birth Certificate) অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নেই, তাদের দ্রুত জন্ম নিবন্ধনপত্র অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র উত্তোলন করতে হবে। দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষার নিবন্ধনের সময় জন্ম নিবন্ধনপত্র অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করতে হবে।

৩. ফিঙ্গার প্রিন্ট ডিভাইস সংগ্রহ করা আবশ্যক

(ক) দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষার নিবন্ধনের সময় ছাত্রীদের ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ও শাহাদাত আঙ্গুলের ছাপ (ফিঙ্গার প্রিন্ট ) প্রদান করতে হবে।

(খ) পরীক্ষার সময় পরীক্ষা কেন্দ্রে ছাত্রীদের আঙ্গুলের ছাপ যাচাই করা হবে। তাই প্রতিটি ছাত্রী মারকাযে (পরীক্ষা কেন্দ্রে) ফিঙ্গার প্রিন্ট ডিভাইস থাকতে হবে।

অতএব, সকল মহিলা মাদরাসা ও মারকায কর্তৃপক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে ZKTeco SLK20R (Biometric Fingerprint Scanner) ডিভাইস সংগ্রহ ও আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষা কার্যক্রমের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।

চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশক্রমে,

মু: অছিউর রহমান,
অফিস ব্যবস্থাপক,
আল-হাইতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

জরুরি ঘোষণা'তাকরীর'-এর জন্য দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল)-এর কিতাবসমূহের নির্বাচিত অধ্যায়সমূহ-এর তালিকা https://drive.google....
12/07/2026

জরুরি ঘোষণা

'তাকরীর'-এর জন্য দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল)-এর কিতাবসমূহের নির্বাচিত অধ্যায়সমূহ-এর তালিকা

https://drive.google.com/file/d/1QlaAO55nxF2GvzJmx7x-G34NwlsTgDSY/view?usp=sharing

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।

সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ কর্তৃক প্রণীত নেসাবে তা'লীম অনুযায়ী দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল)-এর সিলেবাসভুক্ত হাদীসের কিতাব মোট দশটি। এই দশ কিতাবের অন্তর্ভুক্ত অধ্যায়সমূহের কোনো গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যেন উস্তাদগণের বিশেষ আলোচনা (তাকরীর) থেকে বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে কোন কিতাবের কোন কোন অধ্যায়ের ওপর উস্তাদগণ বিশেষভাবে আলোচনা করবেন— আল-হাইআতুল উলয়ার স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে তার একটি তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে, যা "مواضع تقرير হিসাবে দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল)-এর কিতাবসমূহের নির্বাচিত أبواب" শিরোনামে এ ঘোষণার সঙ্গে সংযুক্ত করা হলো।

এ প্রসঙ্গে স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ বিশেষভাবে দ্রষ্টব্য:

১. مواضع تقرير নির্ধারণ করা হয়েছে দুটি উদ্দেশ্যে — (ক) সংশ্লিষ্ট কিতাবের উস্তাদ যেন উক্ত أبواب-এর ওপর বিশেষভাবে 'তাকরীর' করেন; এবং (খ) দাওরায়ে হাদীসের কিতাবগুলোর কোনো أبواب যেন 'তাকরীর' থেকে বাদ না যায়।

২. উপরোল্লিখিত مواضع تقرير ছাড়াও প্রত্যেক কিতাবের مقدمة العلم ও مقدمة الكتاب সম্পর্কে তাকরীর হবে।

৩. প্রত্যেক কিতাবের خصوصيات (বৈশিষ্ট্যপূর্ণ বিষয়সমূহ) বিষয়ে অবশ্যই তাকরীর হবে। যেমন — বুখারী শরীফের تراجم أبواب، مناسبة الحديث بالترجمة، قال بعض الناس، ثلاثيات; আবু দাঊদ শরীফের قال أبو داود; তাহাবী শরীফের نظر الطحاوي ইত্যাদি।

৪. দাওরায়ে হাদীসের পরীক্ষায় مواضع تقرير-এর বাইরে থেকেও প্রশ্ন হতে পারে। যেমন — মুসলিম আউওয়ালের مواضع تقرير-এর বাইরেও অনেক أبواب আছে; পরীক্ষায় সেখান থেকেও, অর্থাৎ দাখেলে নেসাবের মধ্য হতে যেকোনো স্থান থেকে প্রশ্ন হতে পারে।

৫. দাওরায়ে হাদীসের ১০ কিতাবের مواضع تقرير-এর মধ্য হতে যে কোনো কিতাবে প্রশ্ন হতে পারে; ঐ কিতাবের নিজস্ব مواضع تقرير-এর মধ্য হতে না হলেও।

আরো উল্লেখ্য, তালিকায় উল্লিখিত أبواب-এর নাম ও পৃষ্ঠা নম্বর "মাকতাবাতুল ফাতাহ বাংলাদেশ" প্রকাশিত কিতাবসমূহ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।

এমতাবস্থায়, আল-হাইআতুল উলয়ার অধীন ৬ বোর্ডে অধিভুক্ত দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) মাদরাসার সকল মুহতামিম, শিক্ষাসচিব ও দাওরায়ে হাদীসের উস্তাদগণকে সংযুক্ত তালিকাটি সংগ্রহপূর্বক সে অনুযায়ী দাওরায়ে হাদীসের দরস ও তাকরীর পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলের ইলমী খেদমতসমূহ কবুল করুন। আমীন।

চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশক্রমে,

মু. অছিউর রহমান
অফিস ব্যবস্থাপক,
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

যোগাযোগ: ০৯৬১১ ৬৩৪ ৭৩৪
| [email protected] | https://hems.alhaiatululya.org

২০ সফর ১৪৪৮ হিজরী/ ৪ আগষ্ট ২০২৬ ঈসাব্দ থেকে১৪৪৮ হিজরী/২০২৭ সনের দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষার নিবন্ধন শুরু১। পরীক্ষার তারিখসংশ্...
11/07/2026

২০ সফর ১৪৪৮ হিজরী/ ৪ আগষ্ট ২০২৬ ঈসাব্দ থেকে
১৪৪৮ হিজরী/২০২৭ সনের দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষার নিবন্ধন শুরু

১। পরীক্ষার তারিখ

সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করা যাচ্ছে যে, আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এর স্থায়ী কমিটির ৬৮ নং সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে, ইনশা-আল্লাহ ১৪৪৮ হিজরী/২০২৭ সনের দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষা শুরু হবে বৃহস্পতিবার, ১২/১৩ শা‘বান ১৪৪৮ হিজরী, ২১ জানুয়ারি ২০২৭ ঈসাব্দ এবং পরীক্ষা শেষ হবে সোমবার, ২৩/২৪ শা‘বান ১৪৪৮ হিজরী, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ ঈসাব্দ।
২২ জানুয়ারি ও ২৯ জানুয়ারি, শুক্রবার পরীক্ষা বন্ধ থাকবে।

২। নিবন্ধন

(ক) ১৪৪৮ হিজরী/২০২৭ সনের দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষার নিবন্ধন শুরু হবে ২০ সফর ১৪৪৮ হিজরী, ৪ আগষ্ট ২০২৬ ঈসাব্দ, মঙ্গলবার। ইন-শা-আল্লাহ, এবারও গতবারের মত অনলাইনে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
নিবন্ধন নির্দেশিকা দেখুন নিচের লিংক থেকে :

https://drive.google.com/file/d/1Bj3BllDsZCgZKhkZ-RPwJvNsKDkY0gty/view?usp=sharing

নিবন্ধনের যোগ্যতা ও শর্ত দেখুন নিচের লিংক থেকে :

https://drive.google.com/file/d/1DUSFpQZnFenAmMbsPhTSR3F-M6Ze7rji/view?usp=sharing

[পরীক্ষার্থী নিবন্ধন ফরম, নেগরান আবেদন ফরম, মুমতাহিন আবেদন ফরম, মারকায আবেদন ফরম, মারকায পরিবর্তন ফরমসহ প্রয়োজনীয় সকল ফরম, মাদরাসা এডমিনগণ অনলাইনে নিজ নিজ মাদরাসা ড্যাশবোর্ডের ‘রিপোর্ট সংক্রান্ত’ মেনু থেকে ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারবেন।]

(খ) সকল মাদরাসার এডমিন https://hems.alhaiatululya.org এই এড্রেসে নিজ নিজ আইডিতে প্রবেশ করে ৪ আগষ্ট ২০২৬ তারিখ থেকে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।

(গ) নিবন্ধন ফি নিয়মিত ৭০০/- (সাতশত) টাকা (+ অনলাইন চার্জ ১%), অনিয়মিত ৮০০/-(আটশত) টাকা (+ অনলাইন চার্জ ১%) এবং বিলম্বের ক্ষেত্রে নিয়মিত ৮০০/- (আটশত) টাকা (+ অনলাইন চার্জ ১%) এবং অনিয়মিত ৯০০/- (নয়শত) টাকা (+ অনলাইন চার্জ ১%)।

(ঘ) নিবন্ধন কার্যক্রম ২০ সফর ১৪৪৮ হিজরী থেকে শুরু হয়ে ২৯ রবীউল আউওয়াল ১৪৪৮ হিজরী পর্যন্ত চলবে। সাধারণ সময় : ২০ সফর থেকে ১৯ রবীউল আউওয়াল। বর্ধিত সময় : ২০ রবীউল আউওয়াল থেকে ২৯ রবীউল আউওয়াল। এরপর নিবন্ধনের কোন আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

(ঙ) নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারী সকল ছাত্র-ছাত্রী নিচের লিংকে দেওয়া ‘ব্যক্তিগত ফরম’টি প্রথমে যথাযথভাবে পূরণ করবে, এরপর তা মাদরাসা কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিবে। ফরমে মুহতামিম বা নাজিমে তা‘লীমাতের স্বাক্ষর ও সিল প্রদানের পর মাদরাসার পক্ষ হতে যিনি অনলাইনে নিবন্ধনের কাজ আঞ্জাম দিবেন, তিনি উক্ত ফরম দেখে সতর্কতার সঙ্গে সকল ছাত্র/ছাত্রীর নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।

https://drive.google.com/file/d/1UjB5SQgAsbz1mHTAYuZ-NwCBKhJNiWmd/view?usp=sharing

৩। মারকাযসমূহ, নতুন মারকায ও মারকায পরিবর্তন

(ক) নিচের লিংকে দেয়া বিগত বছরের ২৫১ টি মারকায পরীক্ষার্থীসংখ্যা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এ বছরও মারকায থাকবে। মারকায প্রাপ্তির জন্য এ সব মারকাযের কোন আবেদনের প্রয়োজন হবে না।

https://drive.google.com/file/d/1SoxTRUmCCf8r2NYxh8pXPbmIm5o19PMl/view?usp=sharing

খ) গত বছর যেই মাদরাসা যেই মারকাযে ছিল এ বছরও সেই মারকাযে থাকবে।

গ) পরীক্ষার্থীসংখ্যা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নতুন মারকাযের আবেদন করা যাবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে মারকায পরিবর্তনের আবেদন করা যাবে।
নতুন মারকায প্রাপ্তি এবং মারকায পরিবর্তনের জন্য মাদরাসাকে নিম্নরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে :

(১)
ক) নতুন মারকাযের জন্য স্ব স্ব বোর্ডের অনুমোদন লাভ করতে হবে। এ জন্য আল-হাইআতুল উলয়ার ‘মারকায আবেদন ফরম’ পূরণ করে স্ব স্ব বোর্ডে জমা দিবে। নতুন মারকায অনুমোদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারী মাদরাসার সাবেক মারকায যাতে বহাল থাকে, বোর্ড সেদিকে লক্ষ্য রাখবে।

খ) বোর্ডের অনুমোদন লাভের পর আবেদনকারী মাদরাসা অনলাইনে আল-হাইআতুল উলয়ার সফটওয়্যারের মাধ্যমে মারকাযের আবেদন করবে। সংযুক্তি হিসাবে বোর্ডের অনুমোদনের কপি সফটওয়্যারে আপলোড করবে।

https://drive.google.com/file/d/1tjhMO2mmqr1AT2XmfobItqvAw4QXd9-F/view?usp=sharing

(২)
ক) মারকায পরিবর্তনের জন্য স্ব স্ব বোর্ডের অনুমোদন লাভ করতে হবে। এ জন্য আল-হাইআতুল উলয়ার ‘মারকায পরিবর্তনের আবেদন ফরম’ পূরণ করে স্ব স্ব বোর্ডে জমা দিবে। মারকায পরিবর্তনের আবেদন অনুমোদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারী মাদরাসার সাবেক মারকায যাতে বহাল থাকে, বোর্ড সেদিকে লক্ষ্য রাখবে।

খ) বোর্ডের অনুমোদন লাভের পর আবেদনকারী মাদরাসা অনলাইনে আল-হাইআতুল উলয়ার সফটওয়্যারের মাধ্যমে মারকায পরিবর্তনের আবেদন করবে। সংযুক্তি হিসাবে বোর্ডের অনুমোদনের কপি সফটওয়্যারে আপলোড করবে।

https://drive.google.com/file/d/1hUuy2OH_PI-ihOFLP45BmUzmjsnCdvrC/view?usp=sharing

৪। নেগরান

(ক) গত বছরের দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষার নেগরানগণকে এ বছরও নেগরান হিসাবে বহাল রাখা হয়েছে। তবে তাদেরকে নিচের লিংকে দেয়া আবেদন ফরম পূরণ করে, অনলাইনে, আল-হাইআতুল উলয়ার সফটওয়্যারে, স্ব স্ব মাদরাসা এডমিনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করতে হবে।

(খ) গত বছরের নেগরানগণের আবেদন ও তথ্য সংগ্রহের পর আরো নেগরান তালিকাভুক্তির প্রয়োজন দেখা দিলে জুমাদাস সানীতে অনলাইনে সফটওয়্যারের মাধ্যমে তাদের আবেদন গ্রহণ করা হবে।

https://drive.google.com/file/d/1mY6SQT6Z5MTCwRHwzRApit4mOYRjZfp8/view?usp=sharing

৫। মুমতাহিন

(ক) গত বছরের দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষার মুমতাহিনগণকে এ বছরও মুমতাহিন হিসাবে বহাল রাখা হয়েছে। তবে তাদেরকে নিচের লিংকে দেয়া আবেদন ফরম পূরণ করে, অনলাইনে, আল-হাইআতুল উলয়ার সফটওয়্যারে, স্ব স্ব মাদরাসা এডমিনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করতে হবে।

(খ) গত বছরের মুমতাহিনগণের আবেদন ও তথ্য সংগ্রহের পর আরো মুমতাহিন তালিকাভুক্তির প্রয়োজন দেখা দিলে জুমাদাস সানীতে অনলাইনে সফটওয়্যারের মাধ্যমে তাদের আবেদন গ্রহণ করা হবে।

https://drive.google.com/file/d/1pAzsp4XD-0fyTPSLgmCxUr-zt26gC7qJ/view?usp=sharing

৬।
ক) যে সব মাদরাসা এবার প্রথম আল-হাইআতুল উলয়ার অধীনে দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে, পরীক্ষার্থীদের নিবন্ধনের পূর্বে অনলাইনে তাদের নিজ মাদরাসার নাম দাখিল করতে হবে। এ জন্য https://hems.alhaiatululya.org এই এড্রেসে প্রবেশের পর ‘মাদরাসার নাম দাখিল’ বাটনে ক্লিক করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করতে হবে।

খ) মাদরাসার নাম দাখিলের পূর্বে দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য স্ব স্ব বোর্ডের অনুমোদন লাগবে। মাদরাসার নাম দাখিলের সময় বোর্ডের অনুমোদনের প্রমাণপত্র সংযুক্তিরূপে আপলোড করতে হবে।

মাদরাসা কর্তৃপক্ষ এবং মাদরাসা ও মারকায এডমিনদের পূর্ণ সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশক্রমে,
মু: অছিউর রহমান,
অফিস ব্যবস্থাপক,
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

জরুরি বিজ্ঞপ্তি১৪৪৮ হিজরি/২০২৭ সনের দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষার নিবন্ধনে ছাত্রীদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণ ও ফিঙ্গারপ্র...
09/07/2026

জরুরি বিজ্ঞপ্তি

১৪৪৮ হিজরি/২০২৭ সনের দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষার নিবন্ধনে ছাত্রীদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণ ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার সংগ্রহ প্রসঙ্গে।

আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের স্থায়ী কমিটির ৬৮তম সভায় (তারিখ: ০৪ জুলাই ২০২৬ খ্রি.) গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৪৪৮ হিজরি/২০২৭ সনের দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষার নিবন্ধন কার্যক্রমে সকল ছাত্রী পরীক্ষার্থীর ফিঙ্গারপ্রিন্ট (আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষার নিবন্ধন কার্যক্রম আল-হাইআতুল উলয়ার HEMS (হাইআতুল উলয়া এক্সাম ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। এতদিন ছাত্র পরীক্ষার্থীদের ছবি গ্রহণ করা হলেও ছাত্রীদের ছবি গ্রহণ করা হতো না। পরীক্ষার্থী শনাক্তকরণ প্রক্রিয়াকে আরও নির্ভুল, নিরাপদ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে এবার থেকে নিবন্ধনের সময় ছাত্রীদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট (আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে সকল মহিলা মাদরাসাকে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বেই নিম্নোক্ত মডেলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার সংগ্রহ করে প্রস্তুত রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে—

নির্ধারিত ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার

মডেল: ZKTeco SLK20R Biometric Fingerprint Scanner

ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য
• USB সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারে ব্যবহারযোগ্য।
• HEMS সফটওয়্যারের সাথে সমন্বয়যোগ্য।
• দ্রুত ও নির্ভুল ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহে সক্ষম।
• লাইভ ফিঙ্গারপ্রিন্ট ডিটেকশন প্রযুক্তি সমৃদ্ধ।
• বহন ও ব্যবহার সহজ।

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

১. প্রত্যেক মহিলা মাদরাসাকে কমপক্ষে ১ (এক)টি ZKTeco SLK20R ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার সংগ্রহ করতে হবে।

২. নিবন্ধন শুরুর পূর্বে ডিভাইসটি কম্পিউটারে সংযুক্ত করে কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে।

৩. নিবন্ধনের সময় প্রতিটি ছাত্রী পরীক্ষার্থীর ফিঙ্গারপ্রিন্ট (আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণ বাধ্যতামূলক হবে।

৪. ডিভাইস ব্যবহারবিধি ও সফটওয়্যার সংক্রান্ত কারিগরি নির্দেশনা পরবর্তীতে মাদরাসা এডমিনকে পৃথকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।

নিবন্ধন শুরুর তারিখ

২০ সফর ১৪৪৮ হিজরী, ০৪ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ।

অতএব, নিবন্ধন কার্যক্রম নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করার স্বার্থে সকল মহিলা মাদরাসাকে যথাসময়ে নির্ধারিত ডিভাইস সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সকল কার্যক্রমে বরকত দান করুন। আমীন।

চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশক্রমে

-মু: অছিউর রহমান
অফিস ব্যবস্থাপক,
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ
________________________________________
সংযুক্তি: ZKTeco SLK20R Biometric Fingerprint Scanner-এর নমুনা ছবি।

08/07/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

কওমি মাদরাসা স্থাপনের নীতিমালা প্রণয়ন ও হাফেজিয়া মাদরাসার জন্য পৃথক কেন্দ্রীয় বোর্ড গঠনের উদ্যোগ ২০১৮ সনের আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক — আল-হাইআতুল উলয়া;
৯ জুলাইয়ের সভায় অংশগ্রহণে অপারগতা প্রকাশ

ঢাকা, ০৮ জুলাই ২০২৬:

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব (মাদ্রাসা-০২) জনাব মোঃ রাহাত মান্নান স্বাক্ষরিত ০৭ জুলাই ২০২৬ তারিখের এক নোটিশের (স্মারক নং- ৫৭.০০.০০০০.০৫৬.৪৮.০০১.২২-৬৬) মাধ্যমে জানা যায়, জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬ এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক কওমি মাদরাসা স্থাপনের নীতিমালা প্রণয়ন, দেশের সকল হাফেজিয়া মাদরাসার জন্য একটি কেন্দ্রীয় বোর্ড গঠন এবং স্বল্প শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মমুখী শিক্ষার কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভাগের সচিব জনাব মোঃ দাউদ মিয়া মহোদয়ের সভাপতিত্বে আগামী ০৯ জুলাই ২০২৬ তারিখ বিকাল ৩টায় একটি সভা আহ্বান করা হয়েছে। উক্ত সভায় আল-হাইআতুল উলয়ার চেয়ারম্যান, কো-চেয়ারম্যান ও অফিস ব্যবস্থাপক এবং আল-হাইআতুল উলয়ার অধীন ৬ বোর্ডের সভাপতি/প্রতিনিধিদেরকে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ ০৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মহোদয় বরাবর প্রেরিত পত্রে (স্মারক নং: ৪৮.১.২৩) জানিয়েছে, সভার নোটিশটি ০৭ জুলাই ২০২৬ তারিখ বিকালে হস্তগত হয়েছে। এত স্বল্প সময়ের নোটিশে আল-হাইআতুল উলয়ার সদস্যগণের পক্ষে সভায় অংশগ্রহণ করা সম্ভব নয়। কারণ, আহূত সদস্যদের অনেকেই ঢাকার বাইরে দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থান করেন। তাছাড়া এ ধরনের সরকারি সভায় যোগদানের পূর্বে সভার আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে আল-হাইআতুল উলয়া ও এর অধীন বোর্ডসমূহের নিজ নিজ কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা জরুরি। তাই এ মুহূর্তে আহূত সভায় যোগদানে সংশ্লিষ্ট সদস্যগণ অপারগতা প্রকাশ করেছেন।

সভার আলোচ্যসূচি সম্পর্কে আল-হাইআতুল উলয়ার সুস্পষ্ট বক্তব্য নিম্নরূপ:

১. কওমি মাদরাসা স্থাপনের নীতিমালা প্রণয়ন প্রসঙ্গে: "আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ আইন, ২০১৮" (২০১৮ সনের ৪৮ নং আইন) এর ধারা ২ (চ)-এ কওমি মাদরাসার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও স্বকীয়তার সংজ্ঞায় নেসাবে তা'লীম (পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যসূচি), শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ, মাদরাসা পরিচালনা ইত্যাদিতে প্রভাবমুক্ত থেকে স্বকীয় বৈশিষ্ট্য বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ আইন অনুযায়ী কওমি মাদরাসা স্থাপন ও পরিচালনা সব ধরনের প্রভাবমুক্ত থেকে পরিচালিত হবে। উল্লেখ্য, আল-হাইআতুল উলয়ার অধীন ৬ বোর্ডের প্রতিটির নিজস্ব কওমি মাদরাসা নীতিমালা রয়েছে। উক্ত নীতিমালা আরো সুসংহত ও যুগোপযোগী করে ইতোমধ্যে আল-হাইআতুল উলয়া 'মহিলা মাদরাসা বিষয়ক নীতিমালা' এবং 'মহিলা মাদরাসা অধিভুক্তির সমন্বিত বিধি' নামে বিধিমালা প্রণয়ন করেছে এবং 'ছাত্র মাদরাসা বিষয়ক নীতিমালা' ও 'ছাত্র মাদরাসা অধিভুক্তির সমন্বিত বিধি' প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। এমতাবস্থায় সরকার কর্তৃক কওমি মাদরাসা স্থাপনের নীতিমালা প্রণয়ন হবে কওমি মাদরাসা স্থাপন ও পরিচালনার চলমান স্বকীয় নীতিমালার উপর হস্তক্ষেপ, যা উক্ত আইনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।

২. হাফেজিয়া মাদরাসার জন্য কেন্দ্রীয় বোর্ড গঠন প্রসঙ্গে: দেশের প্রায় সকল হাফেজিয়া মাদরাসা ইতোমধ্যে উক্ত আইনের ধারা ৪-এ উল্লিখিত আল-হাইআতুল উলয়ার অধীন ৬ বোর্ডের কোনো না কোনো বোর্ডে অধিভুক্ত রয়েছে। সুতরাং হাফেজিয়া মাদরাসার জন্য পৃথক কেন্দ্রীয় বোর্ড গঠনের চিন্তা সম্পূর্ণ অবান্তর। এটা আমাদের বোধগম্য নয় এবং আইনের সঙ্গেও সংগতিপূর্ণ নয়।

অতএব, উপরোক্ত বিষয়সমূহ বিবেচনায় আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ মনে করে, কওমি মাদরাসা স্থাপনের নীতিমালা প্রণয়ন ও হাফেজিয়া মাদরাসার জন্য কেন্দ্রীয় বোর্ড গঠনের উদ্যোগ "আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ আইন, ২০১৮" এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই এ জাতীয় সকল উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার জন্য সরকারের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং ০৯ জুলাই ২০২৬ তারিখের সভায় যোগদানে আল-হাইআতুল উলয়া ও তার অধীন বোর্ডসমূহের সদস্যগণের অপারগতাকে সদয় দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসানের নির্দেশক্রমে, কো-চেয়ারম্যান আল্লামা শেখ সাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আজকের সভার সিদ্ধান্তক্রমে কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মহোদয় বরাবর এ পত্র প্রদান করা হয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী এবং মাননীয় ধর্ম
মন্ত্রীকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আল-হাইআতুল উলয়া ও ৬ বোর্ডের মতামত অবহিত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিব, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী এবং মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর একান্ত সচিব মহোদয়কেও এ পত্র প্রদান করা হয়েছে।

চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশক্রমে,

-মু. অছিউর রহমান
অফিস ব্যবস্থাপক
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

05/07/2026

১৪৪৮ হিজরী/২০২৭ সনের দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) এর পরীক্ষা শুরু ২১ জানুয়ারি ২০২৭ ঈসাব্দ

১৮ মুহাররম ১৪৪৮ হিজরী, ৪ জুলাই ২০২৬ তারিখ, শনিবার মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান সাহেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ-এর স্থায়ী কমিটির সভায় ১৪৪৮ হিজরী/২০২৭ সনের দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়।

পরীক্ষা শুরু :
বৃহস্পতিবার, ১২/১৩ শা‘বান ১৪৪৮ হিজরী, ২১ জানুয়ারি ২০২৭ ঈসাব্দ।

পরীক্ষা শেষ :
সোমবার, ২৩/২৪ শা‘বান ১৪৪৮ হিজরী, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ ঈসাব্দ।

২২ জানুয়ারি ও ২৯ জানুয়ারি, শুক্রবার পরীক্ষা বন্ধ থাকবে।

১৪৪৮ হিজরী/২০২৭ সনের দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষার নিবন্ধনের তারিখ শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে ইন-শা-আল্লাহ।

চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশক্রমে,

- মু: অছিউর রহমান,
অফিস ব্যবস্থাপক,
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

29/06/2026

১৪৩৮ - ১৪৪২ হিজরীর দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ফারেগীনগণ
মূল সনদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করুন

১। আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ-এর অধীনে অনুষ্ঠিত দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদেরকে সনদ ও নম্বরপত্র প্রদান করা হচ্ছে।

২। দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ও কর্মক্ষেত্রে উপস্থাপনের প্রয়োজনে মূল সনদ আরবী ও ইংরেজি ভাষায় এবং মূল নম্বরপত্র আরবী, বাংলা ও ইংরেজি- তিন ভাষায় প্রদানের কাজ চলছে। মূল সনদ ও নম্বরপত্রে পরীক্ষার্থীর নাম, পিতার নাম ও মাতার নাম তিন ভাষায় থাকবে;
জন্মতারিখ এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা জন্মনিবন্ধন নম্বর থাকবে।

৩। ১৪৩৮ হিজরী/২০১৭ ঈসাব্দ থেকে ১৪৪২ হিজরী/২০২১ ঈসাব্দ পর্যন্ত এ ৫ বছরের উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের নাম, পিতার নাম ও মাতার নাম তিন ভাষায় সংগ্রহ করা হয়নি। জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা জন্মনিবন্ধন নম্বরও সংগ্রহ করা হয়নি। তাই উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীগণ নিচের লিংকে প্রবেশ করে নির্দেশনা অনুসারে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করুন।

https://hems-admin.alhaiatululya.org/public/certificate/application/MAIN

চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশক্রমে,
-মু. অছিউর রহমান
অফিস ব্যবস্থাপক,
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

16/05/2026

প্রেস রিলিজ

কোন ধরনের শর্তারোপ ছাড়া দাওরায়ে হাদীসের সনদের স্বীকৃতি বাস্তবায়ন করতে হবে
— ‘দাওরায়ে হাদীসের সনদের স্বীকৃতি বাস্তবায়ন’ শীর্ষক
গোলটেবিল বৈঠকে আলোচকবৃন্দ

কোন ধরনের শর্তারোপ ছাড়া সরকারকে দাওরায়ে হাদীসের সনদের স্বীকৃতি বাস্তবায়ন করতে হবে। আজ শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ তারিখে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ-এর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে আলোচকবৃন্দ এ কথা বলেন।

আল-হাইআতুল উলয়ার সদস্য মাওলানা মাহফুজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আলোচকবৃন্দ বলেন, দাওরায়ে হাদীসের সনদ দ্বারা—

১। ধর্মীয় পদগুলোতে চাকরির সুযোগ দিতে হবে— যেমন: ক) প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ; খ) ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও বিভিন্ন ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ; গ) মডেল মসজিদসহ সরকারি মসজিদ এবং সরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহের মসজিদের ইমাম ও খতিব পদে নিয়োগ; ঘ) সামরিক, আধাসামরিক বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীতে ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ, ঙ) জেলখানার ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ।

২। দাওরায়ে হাদীসের সনদ দ্বারা উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিতে হবে— যেমন: ক) দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে আরবী ও ইসলামিক স্টাডিজ ব্যতীত যে কোন বিষয়ে মাস্টার্সে ভর্তির সুযোগ; খ) দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে আরবী ও ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে এমফিল ও পিএইচডির সুযোগ।

৩। ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবীর স্নাতকোত্তর সনদ দিয়ে দেশে যে সকল ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ আছে সর্বক্ষেত্রে দাওরায়ে হাদীসের সনদ দ্বারা কওমি মাদরাসা উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের দেশসেবার সুযোগ দিতে হবে।

৪। সরকারি বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসাবে ‘দাওরায়ে হাদীস’কে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে— যেমন- MyGov প্ল্যাটফর্মে কওমি সনদকে Apostille পদ্ধতিতে সত্যায়ন, কাবিননামা, জন্ম-মৃত্যু রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো নীতিমালা-২০২৬ অনুসারে এনএসডিএ কর্তৃক প্রণীত এনএসসি লেভেল-১ থেকে লেভেল-৬ পর্যন্ত কারিগরি শিক্ষার কোর্সসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে, এবং সানাবিয়্যা ও সানাবিয়্যা উলইয়া স্তরে কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর শিক্ষাধারা পরিবর্তনের সুযোগ রেখে সানাবিয়্যা, সানাবিয়্যা উলইয়া ও ফযীলত স্তরকে স্বীকৃতি ও সমমান প্রদানের যে পরিকল্পনা করছে, গোলটেবিল বৈঠকের আলোচকবৃন্দ এ বিষয়কে কওমি শিক্ষাব্যবস্থার জন্য ধ্বংসাত্মক বলে মন্তব্য করেন।

আলোচকবৃন্দ বলেন, আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ-এর মুহতারাম চেয়ারম্যান মুহিউসসুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান, কো-চেয়ারম্যান আল্লামা শেখ সাজিদুর রহমান এবং ৬ বোর্ডের কর্ণধারগণসহ সকল মুরব্বীগণের প্রতি আমাদের পূর্ণ শ্রদ্ধা ও আস্থা রয়েছে। মুরব্বীগণ যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন, আমরা তাদের সিদ্ধান্তের সাথে সর্বদাই একমত আছি।

গোলটেবিল বৈঠকের সঞ্চালক মাওলানা মু: অছিউর রহমান স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের জন্য আলোচকবৃন্দকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। বৈঠকে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন
মাওলানা শরীফ মুহাম্মাদ, গবেষক ও দাওয়াহ শিক্ষক, মারকাযুদ দাওয়াহ আল ইসলামিয়া, ঢাকা;
মুফতি মুঈনুল ইসলাম, মুহতামিম, জামিয়া ইসলামিয়া কাজলা, ঢাকা; মাওলানা যুবায়ের আহমদ, মুহাদ্দিস, ফরিদাবাদ মাদরাসা, ঢাকা;
মাওলানা তৈয়ব আশরাফ, মুহতামিম, মাদরাসাতুল ইহসান, ঢাকা;
মাওলানা ইমরানুল বারী সিরাজী, মুহতামিম, মারকাযুশ শায়েখ আরশাদ মাদানী, ঢাকা;
মাওলানা আবদুল্লাহ ফারুক, মুহাদ্দিস, জামিয়া দৌর, আশুলিয়া, ঢাকা;
মাওলানা আতিক উল্লাহ, মাদরাসাতুল কুরআনিল কারীম, বাড্ডা, ঢাকা;
মাওলানা রিদওয়ান হাসান, শিক্ষক, জামিয়া মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী, ঢাকা;
মাওলানা গাজী সানাউল্লাহ রাহমানী, খতিব, ইসলাম বিষয়ক মিডিয়া আলোচক;
মাওলানা মহিউদ্দিন ফারুকী, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, মারকাযুল লুগাতিল আরাবিয়া বাংলাদেশ;
মুফতী আব্দুল্লাহ মাসুম, সহকারী মুফতী, মালিবাগ জামিয়া, ঢাকা;
মাওলানা লুৎফুর রহমান ফারায়েজী, পরিচালক, তালিমুল ইসলাম ইনস্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার, ঢাকা;
মাওলানা রেজাউল করীম আবরার, প্রধান মুফতি, জামেয়া মাহমুদিয়া, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা;
মাওলানা হায়াত মাহমুদ জাকির, লেখক ও মুহাদ্দিস, টিকরপুর মাদরাসা, নবাবগঞ্জ, ঢাকা;
মাওলানা জাবের হোসাইন কাসেমী, মুঈনে মুফতি, জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা, ঢাকা;
মাওলানা ইহসানুল হক, লেখক, আলোচক, গবেষক;
মাওলানা আলী হাসান তৈয়ব, সহসম্পাদক, দৈনিক আমার দেশ;
মাওলানা মাসুদুল কাদের, নির্বাহী সম্পাদক, ৩৬ নিউজ মুঠোফোন;
মাওলানা শামসুদ্দোহা আশরাফী, পরিচালক, ইসলামিক দাওয়াহ সেন্টার, ঢাকা;
মাওলানা আবু মুহাম্মাদ রাহমানী, মুহাদ্দিস, আল জামিয়া মদিনাতুল উলুম বাড়ৈখালি, হাজারিবাগ, ঢাকা;
মাওলানা আহমাদ সিরাজী, নির্বাহী সম্পাদক, স্বাধীনতার বার্তা;
মাওলানা সাদ আবদুল্লাহ মামুন, মুহাদ্দিস, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জামিয়া ইমদাদিয়া, মিরপুর, ঢাকা;
মাওলানা এনায়েত কবির, মুহাদ্দিস, চৌধুরীপাড়া মাদরাসা, ঢাকা;
মাওলানা আবুল ফাতাহ কাসেমী, মুহাদ্দিস, জামি‘আ কাসেম নুনুতবী রামপুরা, ঢাকা;
মাওলানা তানজিল আমির, সহসম্পাদক, দৈনিক যুগান্তর ও শিক্ষক, মাদরাসা দারস সুন্নাহ কুড়িল, ঢাকা;
মাওলানা কামরুল ইসলাম, মুহাদ্দিস, জামিয়া নূরিয়া কাসেমুল উলূম, রুপনগর, মিরপুর, ঢাকা;
মুফতি তাসনীম, শিক্ষক, গওহরডাঙ্গা মাদরাসা, গোপালগঞ্জ;
মাওলানা ইমরান ওবায়েদ, সাব এডিটর, আওয়ার ইসলাম, ঢাকা।

বার্তা প্রেরক,
মু: অছিউর রহমান,
অফিস ব্যবস্থাপক,
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

07/05/2026

১৪৪৭ হিজরী/২০২৬ ঈসাব্দের দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষার নজরে সানীর ফলাফল প্রকাশ

৪ শাউওয়াল ১৪৪৭ হিজরী, ২৪ মার্চ ২০২৬ ঈসাব্দ মঙ্গলবার প্রকাশিত দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) এর ফলাফল নজরে সানীর যারা আবেদন করেছেন তাদের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

নিচের লিংকে প্রবেশ করে ব্যক্তিগত ও মাদরাসার ফলাফল দেখা যাবে :
https://hems.alhaiatululya.org
https://hems.alhaiatululya.org/exam-result

সকল মাদরাসার অ্যাডমিন নিজ নিজ আইডিতে প্রবেশ করে স্ব স্ব মাদরাসার ফলাফল প্রিন্ট করতে পারবেন।

এক নজরে নিচের পিডিএফ ফাইল থেকে নজরে সানীর ফলাফল দেখুন:
https://drive.google.com/file/d/1r82uDRWBuLganUjP8EBxC6BpmRsY9KwF/view?usp=sharing

উল্লেখ্য, আগামীকাল থেকে ১৪৪৭ হিজরী/২০২৬ সনে দাওরায়ে হাদীস উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীগণ সাময়িক সনদ ও নম্বরপত্র উত্তোলন করতে পারবেন।

সনদ উত্তোলনসহ যে কোন বিষয় জানতে যোগাযোগ করুন নিচের ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে:
ই-মেইল : [email protected]
হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর : 01700-763178
01970-763178
এ নম্বর দুটি শুধু মেসেজ আদান-প্রদানের জন্য। সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা।
ফোন নম্বর : 09611-634734
এটি একটি আইপি নম্বর। এ নম্বরে কল করে নির্দেশনা অনুসরণ করুন। আশা করি আপনি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে যাবেন। অপারেটরের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন হলে এ নম্বরে কল করার পর আপনাকে 0 (শূন্য) চাপতে হবে। সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অপারেটরকে পাওয়া যাবে ইন-শা-আল্লাহ।

চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশক্রমে,
মুঃ অছিউর রহমান,
অফিস ব্যবস্থাপক,
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

Address

80/E, Hasib Tower, Bibir Bagicha 1 No Gate, Jatrabari, Dhaka

1234

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 13:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8809611634734

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ:

Shortcuts

  • Want your school to be the top-listed School/college?

Share