16/06/2026
Bangladesh 2.0
Bangladesh 2.0 Official Page
16/06/2026
14/06/2026
আলহামদুলিল্লাহ
আদ দ্বীন হসপিটালে ICU বেড-৬,৫০০/-
HDU বেড ৩,৫০০/-
অন্য হসপিটালে এ ভাড়া কত গুণ?
09/06/2026
ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল
02/06/2026
কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন, সব জানি: হাদি হত্যা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য মমতার
বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের প্রায় এক মাস পর প্রথম রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বিস্ফোরক মন্তব্য মমতার। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে চাপে রাখতে রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে হত্যা প্রসঙ্গ টেনে বিস্ফোরক দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মঙ্গলবার (২ জুন) ভোট-পরবর্তী অশান্তি, পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ, নিট পরীক্ষার জালিয়াতি ও বিজেপি সরকারের প্রতিহিংসামূলক আচরণের প্রতিবাদে কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলায় ওয়াই চ্যানেলে ধরনা কর্মসূচি ছিল মমতার।
এদিনের রাজনৈতিক সভা থেকে হঠাৎ করে বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যার বিষয়টিও তুলে ধরেন মমতা। মমতার দাবি হাদি হত্যাকারীদের রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করার পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন পান মমতা। তাকে বলা হয়, এই বিষয়টি যেন বাইরে না জানানো হয়।
মমতা বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে একটা বড় খুনিকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল, যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়। অন্য দেশের কথা আমি বলছি না। আমার অধিকারও নেই বলার। কিন্তু আমি যেটা বলতে চাই তা হলো- ওই হত্যাকারীরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসে। বাংলায় আসার পর আমাদের এসটিএফ তাদের ধরে। এইটা তাদের কৃতিত্ব। কিন্তু তারপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজে আমাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, আপনি রাজ্য পুলিশকে জানিয়ে দিন এটা যেন বাইরে না যায়। কারণ এটা দেশের ব্যাপার।’
আজকের কর্মসূচিতে অমিত শাহকে প্রশ্ন ছুড়ে মমতা বলেন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়ে ছিল? আজকের সরকার পরিবর্তন হলেও আমি সবটাই জানি। আমার
তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু এতদিন আমি বলিনি। কিন্তু আজকে অত্যাচারে শেষ সীমায় গেছে বলে আমাকে মুখ খুলতে হয়েছে। আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে। আমি বাংলাদেশকে ভালবাসি। দেশের স্বার্থে ওই নাম আমি বলবো না।’
দালাল গুলো অতীত ভুলে গেছে
31/05/2026
এক মুখে কত কথা
27/05/2026
ঈদ সকলের! কিন্তু বুদ্ধি আপনার, জীবন আপনার, পরিবার আপনার!
27/05/2026
সৌদি আরবের ‘জিয়া শাজারাহ’ বা জিয়া গাছ।
সৌদি বাদশাহ খালিদ বিন আব্দুল আজিজের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেখা করতে গিয়েছেন। সঙ্গে নিয়ে গেছেন প্লেনের কার্গোভর্তি নিমগাছের চারা, আরাফাতের ময়দানে লাগাবেন বলে। বাদশাহর সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পরপরই জিয়াউর রহমান বললেন-
“তোমার দেশে যা নেই, আমার দেশে তা আছে। আবার আমার দেশে যা নেই, তা তোমার দেশে আছে।”
সৌদি বাদশাহ থতমত খেলেন। গরিব একটি দেশের এই কালো, নাতিদীর্ঘ প্রেসিডেন্ট কী বলছেন!
জিয়াউর রহমান আবারও বললেন-
“আমার দেশে অনেক পরিশ্রমী মানুষ আছে। তারা অনেক কাজ করতে পারে। আর তোমার দেশে যেমন কাজ আছে, তেমনি টাকাও আছে।”
একইভাবে তিনি আর্জি নিয়ে গেলেন মরুভূমির প্রায় সবগুলো দেশে। বাংলাদেশের মূল্যবান জনশক্তি প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয়ভাবে বিদেশে রপ্তানি শুরু হলো। বিদেশে প্রশিক্ষিত শ্রমিকের বেতন বেশি হওয়ার কারণে তিনি দেশব্যাপী কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে বাংলাদেশের বেকার যুবকদের দ্রুত প্রশিক্ষিত করার ব্যবস্থা করলেন।
প্রায় শূন্য থেকে শুরু করে আজ সৌদি আরবে তিরিশ লাখ বাংলাদেশি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে এগারো লাখ, কুয়েতে আড়াই লাখ, ওমানে সোয়া দুই লাখ, কাতারে প্রায় পৌনে দুই লাখ এবং বাহরাইনে প্রায় এক লাখ মানুষ বাংলাদেশের জন্য মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করছেন। আজ সমগ্র বিশ্বে বাংলাদেশের শ্রমিকদের যে শ্রমবাজার তৈরি হয়েছে, তার একক কৃতিত্ব শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের।
যারা কখনো হজ বা ওমরাহ করতে সৌদি আরব গিয়েছেন, তারা জানেন আরাফাতের ময়দানে অনেক নিমগাছ আছে। সৌদি নাগরিকরা এই গাছকে বলে ‘জিয়া ট্রি’। কারণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে এই গাছগুলো উপহার হিসেবে সেখানে পাঠিয়েছিলেন, তারা সেটি ভোলেনি।
১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে সরকারি হিসেবে ছাব্বিশ হাজার এবং বেসরকারি হিসেবে দশ লাখ মানুষের জীবনহানি হয়েছিল, যখন দেশের জনসংখ্যা ছিল মাত্র সাড়ে সাত কোটি। সেই সময় কেউ কি ভেবেছিলেন যে, ওই দুর্ভিক্ষের মাত্র ছয় বছরের মাথায় বাংলাদেশ নিজেদের খাদ্যচাহিদা মিটিয়ে নেপালে ২০০ মেট্রিক টন চাল রপ্তানি করতে পারবে?
কেউ কি ভেবেছিলেন-যে দেশে মাত্র সাড়ে সাত কোটি মানুষের জন্য খাদ্য উৎপাদন করা যায়নি, সেই মাত্র ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের মধ্যেই ষোল কোটি মানুষ খেয়ে-পরে বেঁচে থাকতে পারবেন?
শহীদ জিয়ার সবুজ বিপ্লবের কারণেই আজ বাংলাদেশের মানুষ কোনো ধরনের দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি না হয়ে বেঁচে আছেন।
26/05/2026
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “শীঘ্রই বিভিন্ন জাতি তোমাদের উপর এমনভাবে ঝাঁপিয়ে পড়বে, যেমন ভোজনকারীরা খাবারের পাত্রের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে।”
সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, “সেদিন কি আমরা সংখ্যায় কম হবো?”
তিনি ﷺ বললেন, “না, বরং তোমরা সেদিন সংখ্যায় অনেক হবে। কিন্তু তোমরা হবে পানির ফেনার মতো দুর্বল। আর আল্লাহ তোমাদের শত্রুদের অন্তর থেকে তোমাদের ভয় তুলে নেবেন এবং তোমাদের অন্তরে ‘ওয়াহন’ ঢুকিয়ে দেবেন।”
জিজ্ঞেস করা হলো, “ওয়াহন কী?”
তিনি বললেন, “দুনিয়ার প্রতি অতিরিক্ত ভালোবাসা এবং (আল্লাহর রাস্তায়) মৃত্যুকে অপছন্দ করা।”
[ সুনানে আবু দাঊদ, ৪২৯৭ ]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Dhaka