26/05/2026
❝ জিলহজের --- ৯ তারিখ বা আ'রাফার / ইয়াওমে আরাফা দিবসের ( يوم عرفة) তাৎপর্য, গুরুত্ব , এই দিনের মূল আমল ; দুআ , সিয়াম / রোযা রাখার ফযিলত , কবে রোযা রাখবেন , তাকবিরে তাশরিক কখন শুরু করবেন , মোট কত ওয়াক্ত পর্যন্ত!❓❞
▪️ইয়াওমুল আরাফাহ বা
আ'রাফার দিবস( يوم عرفة): -----
ইয়াওমুল আরাফাহ হল একটি পরিভাষিক শব্দ যা দ্বারা মূলত ঈদুল আযহার আগের দিনটি অর্থাৎ, ৯- ই যিলহজ্ব হচ্ছে আরাফার দিবস( يوم عرفة)। পবিত্র কুরআন ও হাদীছের আলোকে এ দিনটি অত্যন্ত ফজিলত ও তাৎপর্যপূর্ণ।
_______________________________
আরাফার / আরাফা / আরাফাত -
দিবসের সিয়াম / রোযা / রোজা ও আমল
• জিলহজের প্রথম দশকের আমল
_______________________________
▪️পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
শপথ ফজরের , শপথ ১০ রজনীর, শপথ জোড় ও বেজোড়ের।
[ সূরা ফজর : আয়াত নং-১-৩ ]
এ আয়াতে জোড় বলতে ঈদুল আজহার দিন আর বেজোড় বলতে আরাফা দিবসকে বুঝানো হয়েছে।
হজরত জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে হজরত মুহাম্মদ (সা.) জোড় বেজোড়ের এ ব্যাখ্যাই করেছেন
[ তাফসিরে ইবনে কাছীর ও মা'আরিফুল কুরআন ]
▪️➲ আ'রাফার দিবসের ( يوم عرفة) তাৎপর্য, গুরুত্ব:
আরাফার দিন গুনাহ মাফের দিন, জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির দিন, আরাফাবাসীদের নিয়ে গৌরব করার দিন:
বান্দার গুনাহ মাফ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং ফিরিশতাদের সামনে আল্লাহ্ তাআ'লার গর্ব ❗
▪️ইবনে আব্দুল বির বলেন : এ দিনে মু'মিন বান্দাহ'রা ক্ষমাপ্রাপ্ত হন। কেননা, আল্লাহ্ রাব্বুল আ'লামিন গুনাহগারদের নিয়ে ফেরেশতাদের কাছে গর্ব করেন না। তবে তওবা করার মাধ্যমে ক্ষমা-প্রাপ্তির পরই তা সম্ভব।
▪️আয়িশা (রদি.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন :
عن عائشة رضى الله عنها قالت: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال : ما من يوم أكثر من أن يعتق الله فيه عبداً من النار من يوم عرفة، وإنه ليدنو ثم يباهي بهم الملائكة، فيقول : ما أراد هؤلاء؟
‘আরাফার দিন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার বান্দাদের এত অধিক সংখ্যক জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন যা অন্য দিনে দেন না।তিনি এ দিনে বান্দাদের নিকটবর্তী হন ও তাদের নিয়ে ফেরেশতাদের কাছে গর্ব করে বলেন : ‘তোমরা কি বলতে পার আমার এ বান্দাগণ আমার কাছে কি চায় ?’
[ মুসলিম-১৩৪৮ ]
عن أبي هريرة – رضي الله عنه – قال: قال رسول الله – صلى الله عليه وسلم -: (إن الله يباهي بأهل عرفات أهل السماء فيقول لهم: انظروا إلى عبادي هؤلاء جاءوني شعثاً غبراً) أخرجه ابن خزيمة في صحيحه في كتاب المناسك باب تباهي الله أهل السماء بأهل عرفات 4/263-2839، وصححه ابن حبان في كتاب الحج باب الوقوف بعرفة والمزدلفة والدفع منهما 9/163- 3852، والحاكم في
▪️আবু হুরাইরা (রদি.) থেকে বর্ণিত যে রাসূলে কারীম (ﷺ) বলেছেন :
‘নিশ্চয়ই আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আরাফাতে অবস্থানকারীদের নিয়ে আসমানের অধিবাসীদের কাছে গর্ব করেন। বলেন : আমার এ সকল বান্দাদের দিকে চেয়ে দেখ ! তারা এলোমেলো কেশ ও ধুলোয় ধূসরিত হয়ে আমার কাছে এসেছে।'
[ সহীহ ইবনে খুজাইমা-4/263, হাদীছ-2839। হাকিম - 9/163, হাদীছ - 3852 । মুসনাদে আহমাদ; -- আলবানী হাদিসটিকে সহীহ বলেছেন।
عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ مِنْ الْيَهُودِ إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَقَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ آيَةٌ فِي كِتَابِكُمْ تَقْرَءُونَهَا لَوْ عَلَيْنَا مَعْشَرَ الْيَهُودِ نَزَلَتْ لَاتَّخَذْنَا ذَلِكَ الْيَوْمَ عِيدًا قَالَ أَيُّ آيَةٍ قَالَ الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمْ الْإِسْلَامَ دِينًا فَقَالَ عُمَرُ إِنِّي لَأَعْلَمُ الْمَكَانَ الَّذِي نَزَلَتْ فِيهِ وَالْيَوْمَ الَّذِي نَزَلَتْ فِيهِ نَزَلَتْ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي عَرَفَاتٍ فِي يَوْمِ جُمُعَةٍ” (رواه مسلم كتاب التفسير)
▪️তারিক বিন শিহাব রা: হতে বর্ণিত, এক ইহুদি উমর রা. কে বললো যে, আপনারা এমন একটি আয়াত তিলাওয়াত করে থাকেন যে, যদি সেই আয়াতটি আমাদের উপর নাযিল হতো তাহলে আমরা সেই দিনটিকে ঈদ হিসেবে উদযাপন করতাম। তিনি বললেন সে আয়াত কোনটি?
লোকটি বলল আয়াতটি হল;
الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمْ الْإِسْلَامَ دِينًا
উমর রা. এ কথা শুনে বললেন, আমি অবশ্যই জানি কখন তা অবতীর্ণ হয়েছে, কোথায় তা অবতীর্ণ হয়েছে, আর অবতীর্ণ হওয়ার সময় রাসূল স. কোথায় ছিলেন। হ্যা, সেই দিনটি হল জুমুয়ার দিন তিনি সে দিন আরাফার ময়দানে ছিলেন। আল্লাহর শপথ ! আমরা সে দিন আরাফাতের ময়দানে ছিলাম।
[ সূরা মায়িদাহ : ৩ নং আয়াত। বুখারি, নং ৪৬০৬ । رواه مسلم - كتاب التفسير ]
▪️➲ আরাফা দিবসের মূল আমল; -- “ সিয়াম, অধিক পরিমাণে যিকির ও দু'আ ” এর ফযিলত, এই সিয়ামটি কখন কারা রাখবেন :
🔹▪️ সিয়াম/ রোজা:
আরাফার রোজা/ সিয়াম পেছনে ও সামনের এক বছরের গুনাহের কাফ্ফারা ❗
আবু কাতাদাহ (রদি.) থেকে বর্ণিত যে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে আরাফাহ দিবসের সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন,
عن أبي قتادة رضى الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم سئل عن صوم يوم عرفة فقال : (يكفر السنة الماضية والباقية) [ رواه مسلم- ١١٦٢ ]
“আরাফার দিনের রোযা বিগত ও সামনের এক বছরের গুনাহ সমূহের জন্য কাফফারা স্বরূপ।”
[ সহীহ মুসলিম- ১১৬২। জামে তিরমিযী-৭৪৯। সুনানে আবু দাউদ- ২৪২৫ ]
▪️ মনে রাখতে হবে আরাফার দিনে সওম তারাই রাখবেন যারা হজ পালনরত নন।
▪️ যারা হজ করছেন তারা আরাফার দিবসে সওম পালন করবেন না।
▪️➲ কবে সিয়াম পালন ও তাকবিরে তাশরিক শুরু করবেন , মোট কত ওয়াক্ত পর্যন্ত !!❓
প্রকাশ থাকে যে, হাদীছে বর্ণিত ইয়াওমে আরাফা দ্বারা যিলহজের ( ৯ ) - নয় তারিখ উদ্দেশ্য ( ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী )
• এই মতটিই অধিকাংশ উলামায়ে কিরামের মত ।
• ইসলাম সার্বজনীন যুগের ধর্ম । নিশ্চই সাহাবা কিরাম (রদি.) গণ এই ভাবেই আমল করতেন কারণ তারা চাঁদ সূর্যের উদয় অস্তের হিসাবেই তারিখ হিসাব করতেন আর তখন এমন প্রযুক্তিও ছিল না ।
• কারন রোযা রাখার হুকুম চাঁদ , সূর্যের উদয় অস্তের উপর নির্ধারিত সময় অনুসারে পৃথিবীর বিভিন্ন ভূ-খন্ডে বিভিন্ন সময়ের তারতম্যের উপর হয়ে থাকে ।
• প্রযুক্তির কল্যাণে আরাফার দিন বা ঐ দিবসের কর্মসূচি আগে জানা গেলেও কিন্তু দিন - রাতের হিসাব পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী তারিখ ও ভিন্ন ভিন্ন হয় ।
• অন্যান্য ইসলামী মৌলিক আমলসমূহ চাঁদ সূর্যের উদয় অস্তের উপর নির্ভর করে একই মূলনীতি অনুযায়ী পালিত হয় ; জুমার দিন , আ'শুরার দিন , ঈ'দের দিন প্রভৃতি দিবস ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী তারিখের হ্রাস - বৃদ্ধি অনুসারে পালিত হয় যা পরিপূর্ণ সঠিক পদ্ধতি।
আরাফার দিনের দুটি বিশেষ আমল আছে৷ একটি হলো, আরাফার দিনে রোজা রাখা৷ আমাদের দেশের কেউ কেউ সৌদি আরবের সাথে মিলিয়ে আরাফার রোজা রাখার কথা বলেন৷
🔸◉ তাকবিরে তাশরিক:
আরাফার দিনের আরেকটি বিশেষ আমল আছে৷ সেটা হলো, আরাফার দিনের ফজরের নামাজ থেকে রাসুল সা. তাকবিরে তাশরিক পড়তেন৷
• আলী (রদি.) বর্ণনা করেন: রাসূল (ﷺ)
أَنَّهُ كَانَ يُكَبِّرُ مِنْ صَلَاةِ الْفَجْرِ يَوْمَ عَرَفَةَ، إِلَى صَلَاةِ الْعَصْرِ مِنْ آخِرِ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ»
আরাফার দিনের ফজরের নামাজের পর থেকে শুরু করে তাকবিরে তাশরিকের শেষ দিনের আ'সর পর্যন্ত তাকবির পড়তেন৷ ”
[ মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবাহ: ৫৬৩২ ]
• যারা সৌদির সাথে মিলিয়ে আরাফার রোজা রাখার কথা বলেন, তারা কিন্তু সৌদির সাথে মিলিয়ে আরাফার দিন হিসেবে তাকবিরে তাশরিক শুরু করেন না!
• তাকবিরে তাশরিকের ক্ষেত্রে আরাফার দিন বাংলাদেশের - ৯ তারিখ , রোজার ক্ষেত্রে আরাফা বাংলাদেশের - ৮ তারিখ!
ম*ন*গ*ড়া ইজতেহাদ ত্যাগ করে বাংলাদেশের - ৯ তারিখ রোজা রাখাই অধিকতর বিশুদ্ধ মত ।
••◉ বিস্তারিত দেখুন 👇
https://www.facebook.com/121336261900686/posts/651113028923004/
▪️আবার অনেক আলেমগণ এই দিবস - বলতে :
• হাদীছ থেকে আরাফাহ দিবসের অর্থ হিসেবে যেই দিন সৌদিতে হাজীগণ আরাফার ময়দানে থাকেন সেই দিনকেই বুঝিয়েছেন
• এই মত অনুসারে সৌদি আরবের তারিখ অনুযায়ী আরাফাহ'র দিন অর্থাৎ বাংলাদেশের - ৮ ই জিলহজ তারিখে রোযা পালন করতে বলেছেন।
• তাই সম্ভব হলে ১ - ৯ জিলহজের সবগুলো রোজা রাখাই উত্তম অথবা ৮ , ৯ তারিখের রোজা রাখলেও ইন শা আল্লাহ্ আরাফাহ'র রোযার সওয়াব পাওয়া যাবে।
▪️ এই তারিখের পারিভাষিক নাম হচ্ছে ইয়াওমে আরাফা। কেননা এই রোযা আরাফার ময়দানের আমল নয় বরং আরাফার দিন তো হাজ্বীদের জন্য রোযা না রাখাই হুকুম।
▪️যেমন হাদীছে এসেছে,
عَنْ أُمِّ الْفَضْلِ بِنْتِ الْحَارِثِ، " أَنَّ نَاسًا تَمَارَوْا عِنْدَهَا يَوْمَ عَرَفَةَ، فِي صِيَامِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ بَعْضُهُمْ: هُوَ صَائِمٌ، وَقَالَ بَعْضُهُمْ: لَيْسَ بِصَائِمٍ، فَأَرْسَلْتُ إِلَيْهِ بِقَدَحِ لَبَنٍ، وَهُوَ وَاقِفٌ عَلَى بَعِيرِهِ بِعَرَفَةَ، فَشَرِبَهُ "
▪️উম্মুল ফযল বিনতে হারেছ (রদি.) বলেন, তার নিকট কতক লোক ইয়াওমে আরাফায় রাসূল (ﷺ) এঁর রোযার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করছিল। কেউ কেউ বলছিল তিনি রোযা আছেন। আর কেউ কেউ বলছিল তিনি রোযা নেই। উম্মুল ফযল একটি পেয়ালাতে দুধ পাঠালেন। নবীজী (ﷺ) তখন উটের উপর ছিলেন। তিনি দুধ পান করলেন।
[ সহীহ মুসলিম- ১১২৩ ]
▪️আরাফার দিন আল্লাহর রাসূল রোযা রাখেননি। একারণে ফিকহবিদগণ হাজ্বীদের জন্য আরাফার দিন রোযা না রাখা উত্তম বলেছেন। আবু কাতাদা রা. -এর উক্ত হাদীস দ্বারা ইয়াওমে আরাফায় রোযা রাখা মুস্তাহাব প্রমাণিত হয়। সুতরাং বুঝা গেল আবু কাতাদাহ রা.-এর হাদীসে ‘ইয়াওমে আরাফা’ দ্বারা নয় যিলহজ্ব অর্থাৎ ঈদের আগের দিনই উদ্দেশ্য। সুতরাং আমাদের দেশের চাঁদের হিসেবে যেদিন নয় তারিখ হয় সে দিনই ইয়াওমে আরাফা হিসেবে রোযা রাখা মুস্তাহাব হবে। সৌদীর হিসাবে আরাফার দিন অনুযায়ী নয়।
▪️আরাফার দিনে হজ পালনরত ব্যক্তি রাসূলে কারীম (ﷺ) এঁর আদর্শ অনুসরণ করেই ঐ দিনের সওম পরিত্যাগ করবেন। যেন তিনি আরাফাতে অবস্থানকালীন সময়ে বেশি বেশি করে জিকির, দোয়াসহ অন্যান্য আমলে তৎপর থাকতে পারেন।
▪️আর এদিনে শরীরের সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলোকে সকল হারাম ও অপছন্দনীয় কাজ থেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
▪️ইবনে আব্বাস (রদি.)থেকে বর্ণিত হাদিছে এসেছে যে, রাসূল (ﷺ) বলেছেন;
“ এ দিনে যে ব্যক্তি নিজ কান ও চোখের নিয়ন্ত্রণ করবে তাকে ক্ষমা করা হবে। ”
[আহমদ ও হাকেম, হাদিসটি সহিহ]
▪️➲ “ অধিক পরিমাণে যিকির ও দুয়া' করা: ---
▪️সবচেয়ে উত্তম দুয়া' হল আরাফাহ দিবসের দুয়া'
নবী কারীম (ﷺ) বলেছেন :—
خير الدعاء دعاء يوم عرفة ، وخير ما قلت أنا والنبيون من قبلي : لَا إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ، وَهُوَ عَلى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ .
[ رواه الترمذي- ٢٨٣٧ ]
‘সবচেয়ে উত্তম দুয়া' হল আরাফাহ দিবসের দুয়া'। আর সর্বশ্রেষ্ঠ কথা যা আমি বলি ও নবীগণ বলেছেন,
তাহল : (লা--- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর )
অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত সত্যিকার কোন মাবুদ নেই। তিনি একক তার কোন শরিক নেই। রাজত্ব তারই আর সকল প্রশংসা তারই প্রাপ্য, এবং তিনি সর্ব বিষয়ে শক্তিমান।’
[ তিরমিযী - ২৮৩৭ ]
এ হাদিসের ব্যাখ্যায় ইবনে আব্দুল বার বলেন : ‘এ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে আরাফা দিবসের দুয়া' নিশ্চিতভাবে কবুল হবে আর সর্বোত্তম জিকির হল লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ।'
[ আত-তামহীদ : ইবনে আবদুল বার ]
▪️ দুয়া'র বিশেষ কিছু আদব ও কায়দা-কানুন আছে যেগুলোর অনুসরণ করে দুয়া' করলে, দুয়া' কবুলে সহায়ক ইন শা আল্লাহ্।।
🔸 দুআ কবুল হওয়ার পদ্ধতি ও আদব সম্পর্কে বিস্তারিত দেখুন .....👇
https://www.facebook.com/121336261900686/posts/659244028109904/
🔹🔸 “ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'য়ালা আমাদেরকে আরাফার দিবস সহ যিলহজের প্রথম দশকের পরিপূর্ণ ফজিলত, বারাকাত লাভ করার তাওফীক দান করুন। বেশি বেশি নেক আমল, যিকির-আযকার ও সিয়াম পালন করার তাওফীক দান করুন। দুনিয়া ও আখিরাতে আমাদেরকে কামিয়াব করুন।
🤲......... আমীন।।