07/22/2023
INSHAALLAH
কাগজ দিয়ে অনেক কিছু
তৈরী করা হয় ।
তার মধ্যে সবচেয়ে উত্তম
আল-কুরআন।
07/22/2023
INSHAALLAH
07/08/2023
02/08/2023
বেদনাদায়ক: #তুরস্কে ভূমিকম্পে মারা যাওয়া মেয়ের হাত ধরে বসে আছেন বাবা🇹🇷
🤲
যারা সন্তানকে দ্বীনদার হিসেবে দেখতে চান তারা অবশ্যই লিখাটা পড়ে দেখবেনঃ
মুসলিম বাবা-মা হিসেবে কখন থেকে বাচ্চাকে ইসলাম সম্পর্কে ধারনা দিবো? এজ আর্লি এজ পসিবল।
মনে হতে পারে বাচ্চা বুঝবে না, কিন্তু ব্রেইন ঠিকই ক্যাচ করে নিবে।
একটা রাফ গাইডলাইন আছে এখানে বাচ্চার ১৮-৩৬ মাস বয়সী হলেই এই কাজ গুলি শুরু করে দিবেন ইনশা আল্লাহ।
আকিদাহঃ❤️
- আল্লাহ কোথায় আছেন? তোমার রব কে? কে তোমাকে বানিয়েছেন?
- বাচ্চার সাথে কথা বলুন আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে (আকাশ, গাছ-পালা, ফুল প্রজাপতি কে বানিয়েছেন?)
ডেইলি দুআঃ❤️
- ঘুম থেকে উঠার দু’আ, ঘুমাতে যাওয়ার আগের দু’আ।
- খাওয়ার আগের দু’আ, খাওয়ার পরের দু’আ।
- হাঁচি দিলে কি বলতে বলতে হয়?
- সালামের প্রচার শেখানো, ছোট-বড় সবাইকে সালাম দেয়া।
- বাথরুমে যাওয়ার দু’আ, বের হওয়ার দু’আ।
- বাসা থেকে বের হওয়ার দু’আ।
- সব কাজ করার আগে বিসমিল্লাহ বলা।
- যে কোন কাজ করবো বলার আগে ইনশা আল্লাহ বলা,
-সুন্দর কিছু দেখলে মাশা আল্লাহ বলা,
-কোন কিছু গিফট পেলে জাযাকাল্লাহু খায়ির বলা।
কুরআনঃ❤️
- রেগুলার কুরআন বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়ুন।
বাচ্চা পাশে বসে থাকতে পারে।
- ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসী, সূরা ফাতিহা, কূল যুক্ত সূরা বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়েন।
খুব দ্রুত দেখবেন বাচ্চা আপনার সাথে পড়ছে।
আখলাকঃ❤️
- খাবার এবং পানি ডান হাতে খাওয়া, বসে খাওয়া এবং বিসমিল্লাহ বলে খাওয়া।
- যে কোন কাজ করার আগে বাবা-মায়ের পারমিশন নেয়া, ভুল হলে মাফ চাইতে শেখা।
- যত ছোট বয়সই হোক, পোশাক বদলানোর সময় লজ্জ্বার ধারনা দেয়া। অন্যদের সামনে বাচ্চার ডায়াপার চেইঞ্জ করবেন না। তাকে আড়াল রাখুন। লাজুক হতে শিক্ষা দেওয়া...কারন আল্লাহ্ লজ্জাশীলতা পছন্দ করেন।
- শেয়ারিং শেখান। যে কোন কিছু অন্যদের সাথে শেয়ার করলে প্রশংসা করুন।
ভালো কাজগুলোকে এপ্রিশিয়েট করুন এবং এভাবে ওদের বোঝান যে আল্লাহ এটা পছন্দ করেন, রসূল (সাঃ) এভাবে বলেছেন...আলহাম'দুলিল্লাহ্!
সিরাহ্ঃ❤️
- রসূল (সাঃ) এবং সাহাবীদের গল্প বলুন।
- ছোট হাদীসগুলো গল্পের মতো করে বলুন।
- কুরআনের ঘটনাগুলো নিজের ভাষায় গুছিয়ে বলুন।
ইবাদাহঃ❤️
- নামায বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়ুন। না দাঁড়ালেও খেলার এরিয়া যাতে আশেপাশে থাকে।
(সূত্র কৃতজ্ঞতাঃ কনফেশন অফ মুসলিম মামাহোলিক ডট কম।)
বাবা-মায়েদের জন্য টিপসঃ
- এই বয়সী বাচ্চাদের ধরে-বেঁধে শেখানোর কিছু নেই।
নিজেদের লাইফে প্র্যাকটিস করলে, বাচ্চারা দেখেই শিখবে।
নিজের লাইফে নাই কিন্তু আশা করি, বাচ্চাকে শেখাতে পারবো-এই চিন্তা থেকে বের হয়ে আসুন।
আমি যদি চাই বাচ্চা ইসলামিক মাইন্ডের হবে, তাহলে আগে নিজেকেই সেই ছাঁচে গড়ে নিতে হবে।
মাসনূন দু’আ গুলো বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়ুন।
বাচ্চারা শুনতে শুনতেই শেখে।
আলাদা করে শেখানোর দরকার নেই।
বাচ্চাকে আগে আল্লাহকে ভালোবাসতে শেখান।❤
যেমনঃ আল্লাহ রাগ করবেন, এটা বলার বদলে আল্লাহ এভাবে এভাবে করলে খুশি হবেন-এরকম বলতে পারেন। তাকে জানান, আল্লাহই সবচাইতে বেশী ভালোবাসে তাকে, এমনকি বাবা-মায়ের চাইতেও!
- রসূল (সাঃ) এর সুন্নাহর প্রতি ভালোবাসা গড়ে তুলুন।
যে কোন ব্যাপারে উনাকেই রোল মডেল করুন।
- সুস্থতা- অসুস্থতা আল্লাহর কাছ থেকে আসে, ধারনা দিন।
যে কোন ধরনের ব্যাথা পাওয়ায় বা অসুস্থতায় একমাত্রই আল্লাহই তাকে সুস্থ করবে এটা বোঝান।
- জান্নাত সম্পর্কে ধারনা দিন।
সেটা কত চমৎকার জায়গা সময়ে সময়ে বর্ননা করুন।
যাতে এই জায়গায় যাওয়ার ব্যাপারে বাচ্চার আগ্রহ মাথায় গেঁথে যায়।
- ছেলে হলে মসজিদের সাথে এটাচমেন্ট তৈরী করে দিন।
সম্ভব হলে বাচ্চাকে জামাতে নামায পড়ার সময় সাথে রাখুন।
- বাচ্চাকে ভালো মুসলিম হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। ইন শা আল্লাহ্
রহমানুর রাহিম আমাদের কবুল করুন!!!
(আল্লাহ উক্ত লেখনীর লেখককে উত্তম প্রতিদান দিক) Collected.
11/24/2022
আমাকে একজন মেসেজে জিজ্ঞেস করলেন, আমার ছেলেটা ছোট। স্কুলে পড়ে। আমি কি ওকে মাদরাসায় পড়াব?
আমি তার জিজ্ঞাসা শুনে একটু চিন্তায় পড়ে গেলাম। কী বলব ভাবছিলাম। কারণ প্রশ্নের উত্তরটা আমার কাছে কিছুটা ভারী লাগছিল।
প্রথম বিষয় হলো, সন্তানকে আপনি কেন মাদরাসায় পড়াতে চান? এই প্রশ্নের উত্তরটা স্পষ্টভাবে আপনার জানা থাকতে হবে।
দ্বিতীয় বিষয় হলো, মাদরাসায় পড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার রোজগার হালাল কিনা, আপনার বাসার পরিবেশ দ্বীন-বান্ধব কিনা এটাও গুরুত্বপূর্ণ। আপনি আবেগের বশে সন্তানকে মাদরাসায় ভর্তি করালেন অথচ বাসার পরিবেশ পুরাই ভিন্ন রকম; সারাক্ষণই টিভিতে গানবাজনা চলে, পর্দার বালাই নাই, তাহলে দেখা যাবে সন্তান মাদরাসায় তো ভালো থাকবে কিন্তু বাসায় এসে বিগড়ে যাবে। বাসার পরিবেশ তাকে বেশি প্রভাবিত করবে এবং একটা সময় মাদরাসার পড়া তার ভালো লাগবে না। মাঝে কয়েকটা বছর অহেতুক নষ্ট।
তৃতীয়ত মাদরাসায় সন্তানকে পড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বুঝতে হবে, এখানে পড়াশোনা করার দ্বারা দুনিয়ার বিত্ত অর্জন হবে না। স্কুল-কলেজে পড়ানোর দ্বারা অনেক সময় বাবা-মায়ের একটা স্বপ্ন থাকে, ছেলে ভালো সেলারির চাকরি করবে। টাকাপয়সা কামাবে। মাদরাসার পড়াশোনায় এমন স্বপ্ন না দেখাই ভালো। যদি কারও ক্ষেত্রে অর্জন হয় সেটা ভিন্ন কথা। ইন জেনারেলি এমনটা হয় না। খুব নরমালি জীবন হয়ে থাকে মাদরাসাপড়ুয়াদের। তো এসব নানান কথা মাথায় রেখে তারপর আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনি কি সত্যিই সন্তানকে মাদরাসায় পড়াতে চাচ্ছেন কিনা।
আমি বিশ্বাস করি, বিত্তবান মা-বাবা সন্তানকে স্কুলে না পড়িয়ে মাদরাসায় পড়ানোটা এক বিশাল কুরবানি। আপন সন্তানকে দ্বীনের জন্য ওয়াকফ করার মানসিকতা যদি থাকে এবং ঘরোয়াভাবে উপযুক্ত পরিবেশও যদি সন্তানকে দিতে পারেন তাহলে আপনার সন্তানকে মাদরাসায় পড়ানোর ব্যাপারে ভাবতে পারেন। নইলে না পড়ানোই মঙ্গলজনক মনে করি। কারণ বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখেছি, এদের ক্ষেত্রে ‘না ঘর কা কা ঘট কা’ প্রবাদ বাস্তব হয়ে দেখা দেয়। দুনিয়াবি শিক্ষায় ভালো শিক্ষিত বা দ্বীনি শিক্ষায় ভালো শিক্ষিত কোনোটাই হতে পারে না। অনেক সময় হিতে বিপরীত হতেও দেখা যায়। দু-কূল হারানোর ক্ষোভ এদের ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি বীতশ্রদ্ধ করে তোলে। অনেক সময় ধর্মবিদ্বেষীও বানিয়ে দেয়। অনলাইনে এমন অনেক কেস দেখেছি।
তো এখন কী করতে হবে? এর উত্তর সোজা। দুনিয়ার তাবৎ সন্তানকে মাদরাসায় পড়তে হবে এমন কোনো কথা নেই। আপনি যদি এমন পরিবেশ আর মানসিকতা নিশ্চিত করতে না পারেন তাহলে ছেলেকে স্কুলেই পড়ান। তবে পাশাপাশি তার দ্বীনের জরুরি জ্ঞান অর্জনের ব্যবস্থাও করুন। ছেলেকে নামাজি বানান। কুরআনপাঠে অভ্যস্ত করে গড়ে তুলুন। ধর্মের সাথে তার আত্মার বন্ধনকে সুদৃঢ় করুন। তাহলে সে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার যা-ই হবে, ধর্মের গণ্ডিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখবে। ইসলামকে ভালোবাসবে। সুযোগ পেলে সেও দ্বীনের খেদমত করবে। পর্দার পরিবেশওয়ালা হসপিটাল করবে, স্কুল-কলেজ ও পড়লে করার চান্স থাকত প্রতিষ্ঠা করবে। যা মাদরাসায়
তো সন্তান আপনার। সিদ্ধান্তও আপনার। তাকে আপনি কোথায় পড়াবেন তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তাকে আপনি কী বানাবেন। মাদরাসায় পড়েও আপনার সন্তান দুনিয়াদার হতে পারে আবার স্কুল-কলেজে পড়েও দ্বীনদার হতে পারে। এই পার্থক্যটা বিচক্ষণতার মাধ্যমে আপনিই তার মধ্যে তৈরি করে দিতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
ওয়াজাহাত : মাদরাসা বলতে এখানে আমি কওমি মাদরাসা বুঝাচ্ছি।
জনপ্রিয় লেখক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ এর ‘আলোর পিদিম‘ বই থেকে চয়িত।
দাড়ি শেভ করলে কি ঘন হয়?
মাথার চুলের মতো অনেকেই ধারণা করেন দাড়ি ঘন করার নিঞ্জা টেকনিক হলো, বেশি বেশি সেভ করা। কিন্তু মজার বিষয় হলো, দাড়ি ঘন হবার সাথে অতিরিক্ত সেভের কোনো সম্পর্ক নেই।
প্রথম কথা হলো, একেকজনের দাড়ির গ্রোথ একেক রকম। এখন দাড়ির বৃদ্ধি করতে চালে কিছু অভ্যাস গড়তে হএবে এবং কিছু অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। আর কিছু কার্যকরী টনিক ব্যবহার করতে হবে, যা আপনার দাড়ির বৃদ্ধি বা ঘন করার কাজকে ত্বরান্বিত করবে।
আসুন আগে জেনে নিই, যেসব কাজ করব: ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন। সুষম ও পুষ্টিকর খাবার ডায়েটে যুক্ত করুন। ভিটামিন ডি যুক্ত খাবারের দিকে বিশেষভাবে মনোযোগী হোন।
এবার যেসব অভ্যাস বাদ দেবেন: রাত জাগার অভ্যাস থাকলে বাদ দিন। সুগার যুক্ত খাবারের আসক্তি কমিয়ে ফেলুন। দুধ চা কফির মনমাতানো সৌরভকে কুরবানী দিন। হতাশা ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকুন। অতিরিক্ত ঘুমের অভ্যাসকে টাটা বাই বাই বলুন।
দাড়ির ঝরে পড়া রোধ করে নতুন দাড়ি গজানো বা ঘন করার জন্য BeardBros Lab এর 'স্পিক এন্ড স্প্যান' বিয়ার্ড অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এই ওয়েলের অন্যতম উপাদান হলো আরগান অয়েল (Argan Oil)। এটি সাধারণত পরিচিত "ম্যাজিক অয়েল" নামে!
আরগান অয়েল, দাড়িকে সফট, সিল্কি এবং শাইনি করবার প্রতিশ্রুতি দেয়। এটি এমনকি দাড়ির আগাফাটা রোধে এবং কোকড়ানো দাড়িকে সোজা রাখতে সহায়তা করা। দাড়ির গোড়াকে শক্তকরণে এবং সেখানের ক্ষতিগ্রস্থ গুটিকাকে সারাতে এটি বেশ পারদর্শী । তাই দাড়ি নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তার চিন্তা নাশক হিসেবে স্পিক এন্ড স্প্যান বিয়ার্ড অয়েল হতে পারে আপনার জন্য বেস্ট সলিউশন।
সুতরাং ভাই ব্রাদার্স! কারো কান কথায় পণ্ডশ্রম করে দাড়ি শেভ বা ট্রিম করার মত ভুল ভুলেও করা যাবেনা। দাড়িকে বাড়তে দিন তার আপন গতিতে।
▌অশ্রুসিক্ত একটি কাহিনী!
__________________________
সবজি বিক্রেতার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল,
ক্রেতা: আপেলের কেজি কত?
বিক্রেতা: ১০ রিয়াল।
ক্রেতা: কলা?
বিক্রেতা: ৮ রিয়াল
ক্রেতা: কমলা?
বিক্রেতা: ৬ রিয়াল।
ক্রেতা-বিক্রেতা দামাদামী চলছে এমন সময় জনৈকা বয়স্ক মহিলা দোকানে ঢুকেই জিজ্ঞেস করল,
মহিলা: আপেলের কেজি কত?
বিক্রেতা: ৩ রিয়াল।
মহিলা: কলা?
বিক্রেতা: ২ রিয়াল
মহিলা: কমলা?
বিক্রেতা: ২ রিয়াল।
মহিলাটি বলল, এগুলো ১ কেজি করে আমাকে দিন।
ওদিকে পুরুষ ক্রেতাটি তো হতবাক। চোখ রাঙিয়ে দোকানদারকে কিছু বলতে যাবে, এমন সময় সে চোখের ইশারা দিয়ে বলল, একটু অপেক্ষা করুন।
মহিলাটি দাম চুকিয়ে দোকান থেকে বিদায় নেয়ার পর দোকানদার বলল,
ভাই! আমার উপর খারাপ ধারণা করবেন না। আমাকে অসৎ ও ধোকাবাজ মনে করবেন না। আল্লাহর কসম আমি আপনাকে প্রতারণা করতে চাইনি।
এই মহিলাটি কয়েকজন 'ইয়াতীম' বাচ্চার মাতা। আমি জানি তারা অভাবী পরিবার। ঐ ইয়াতীমগুলোর জন্য আমি মহিলাটিকে বিভিন্নভাবে সহায়তার কথা বলেছি। কিন্তু মহিলাটি তা প্রত্যাখ্যান করেছে। সে চায় তার সন্তানরা যেন কারো গলগ্রহ না হয়। কারো কাছে হাত বাড়াতে না হয়।
তাই তাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য অনেক ভেবে-চিন্তে আমি এই পন্থা অবলম্বন করেছি। যেন বুঝতে পারে যে, সে কারো মুখাপেক্ষী নয়।
এর মাধ্যমে আমি আমার রবের সাথে ব্যবসা করতে চেয়েছি। সামান্য কিছু হলেও এই অভাবী মহিলা এবং তার ইয়াতীমগুলোর খেদমত করতে চেয়েছি। আমার আমল নামায় কিছু ছোয়াব যেন আল্লাহ লিখে দেন।
আল্লাহর কসম, সপ্তাহে সে মাত্র ১বার আসে। আর যেদিন সে আমার নিকট থেকে ক্রয় করে নিয়ে যায়... সেদিন আমার প্রচুর ব্যবসা হয়। অনেক লাভবান হই। কিভাবে যে আমার কাছে রিযিক আসে আমি অনুভব করতে পারি না।
ঘটনা শুনে পুরুষ ক্রেতাটির চক্ষু দুটি অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠল। দোকানদারের মাথায় চুম্বন করে বলল, আল্লাহ তোমাকে উত্তম বিনিময় দান করুন।
Credited:
আব্দুল্লাহিল কাফি হাফিয্বাহুল্লাহ