Global Scholars Den - GSD

Global Scholars Den - GSD

Share

Here on Economic Insight Page, you will get all Economic, Business, Finance, International Politics & Don't forget to follow our page

07/13/2024

300 GIST Scholarship in South Korea 2024 (Fully Funded)

Financial Benefits:
FullTuition Fee waiver: 3,415,000 won per semester
Monthly Stipends: For Master’s Degree: 140,000 won per month For Ph.D. Degree: 295,000 won per month

06/03/2024

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নাইট-হেনেসি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম ২০২৫ এর জন্য আবেদন করুন😎

আপনি কি উচ্চাকাঙ্ক্ষী নেতা এবং পরিবর্তন আনতে চান? তাহলে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নাইট-হেনেসি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম ২০২৫ আপনার জন্য! এই সম্পূর্ণ অর্থসাহায্যপ্রাপ্ত স্কলারশিপটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি (মাস্টার্স, পিএইচডি, এমবিএ ইত্যাদি) অর্জনের জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত।

এই স্কলারশিপের সুবিধাগুলি:

👍স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ বছর পর্যন্ত পড়াশোনা ও গবেষণার জন্য 👍সম্পূর্ণ অর্থসাহায্য।
👍জীবনযাত্রার খরচ সহায়তা।
👍সম্মেলন ও ভ্রমণের জন্য অতিরিক্ত গ্রান্ট।
👍একটি বৈচিত্র্যময় এবং সহযোগী শিক্ষা পরিবেশ।

আবেদন জমাকরণের শেষ তারিখ: ৯ অক্টোবর, ২০২৪

04/26/2024

পাবলিকেশন নাই। এবার কিভাবে প্রোফেসরদের ইমেইল দিবেন?

প্রোফেসরকে ইমেইল সাধারণত মানুষজন দিয়ে থাকেন তার ল্যাবে রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট পজিশনের জন্য বা তার ল্যাবে পি এইচ ডি করার জন্য। একটা বিষয় একবার ভাবুন। ধরুন আপনি একটা কোম্পানির হেড। আপনি জানেন যে আপনার কোম্পানিতে যারা আবেদন করবে তারা কেউ ই সেরকম স্কিলড হবে না যে আপনার কোম্পানিরে রাতারাতি পরিবর্তন করতে পারবে বা যুগান্তকারী কিছু ঘটাতে পারবে। তবে আপনি জানেন যে একজন ডেডিকেটেড হলে সে আপনার কাজে আসবে। এমন অবস্থায় যে আপনার কোম্পানি নিয়ে মোটামুটি একটা ধারণা নিয়ে আসছে তাকে আপনি প্রিফার করবেন নিয়োগ দিতে। আরেকটু সিভিটা দেখবেন যে আপনাদের যে রিকোয়ারমেন্ট গুলো আছে সেগুলো ফলো করে কিনা।
এই প্রোফেসরদের ক্ষেত্রে বিষয়টা এমনই যে সে একটা ল্যাবের প্রধান। আপনি যেই যদু বা মধু হন না কেনো আপনি দেশে এমন কোনো গবেষণা করেন নি যেটা দিয়ে নোবেল চলে আসবে। প্রোফেসররা এমন আশাও করেন না। তাহলে তারা যেটা একদম বেশি প্রাধান্য দেন সেটা হলো যে আবেদন করছে সে কেমন ডেডিকেটেড বা কাজ করতে কেমন আগ্রহী। এই আগ্রহটা এমন যে সে যদি ইমেইলটা পড়ে বুঝে যে আপনি তার রিসেন্ট কয়েকটা আর্টিকেল খুব ভালোভাবে স্টাডি করে তারপর বলছেন যে আপনি তার ল্যাবে আগ্রহী, তাহলে সে আপনার ইমেইলের রিপ্লাই দিবেন। তবে মাঝেমধ্যে কিছু প্রোফেসর স্টুডেন্ট নিতেই চাচ্ছেন না, তাই রিপ্লাই করেন না। এছাড়া প্রোফেসরের পাবলিকেশন গুলো পড়ে নিজের ইন্টারেস্ট সো করলে রিপ্লাই আপনার অবশ্যই পাওয়ার কথা। এতে আপনার নিজের পাবলিকেশন না থাকলেও তিনি বুঝবেন যে আপনাকে দিয়ে কাজ হবে। তাই নিজের পাবলিকেশন না থাকলে নিজের ইন্টারেস্ট সো করার বিকল্প নাই। কিন্তু সাধারণত মানুষজন পেপারের টাইটেল এবস্ট্রাকট কনক্লুশন এসব শুধুমাত্র একবার পড়েই ইমেইল করে দেয়। আপনার ইমেইল টা দেখলেই বোঝা যায় আপনি কতটুক এফোর্ট দিছেন। কয়বার পেপারগুলো পড়ছেন। সবসময় যে শর্টকাট খুজে আসছেন এটার প্রতিফলন কাইন্ডলি এই প্রোফেসরদের ইমেইল দেয়ার সময় করবেন না। তখন আপনার প্রোফাইল এ হাই ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর এর পাবলিকেশন থাকলেও রিপ্লাই পাবেন না। আর আরেকজনের পাবলিকেশন নাই। সে ভালোভাবে প্রোফেসরের পেপারগুলো পরেছে। ৩-৪ দিন দিনরাত কষ্ট করে সেগুলো বুঝেছে। তারপর ইমেইল লিখেছে। বলেছে প্রোফেসর তুমি এই এই এই মেথডে এই এই এই রিসার্চ করো। এরপর রিলেট করে বলেছে যে আমার আন্ডারগ্র‍্যাড এ এই এই কোর্সে আমি এগুলো পড়েছি। বা আমার এই এই প্রোজেক্টে বা ইন্টার্নিং এ আমি এই এক্সপিরিয়েন্স গুলো পেয়েছি। বা এই সংক্রান্ত আমার একটা গবেষণা আমি করেছি বা আমার একটা পাবলিকেশন আমি এই ধরণের গবেষণা নিয়েই করেছি। তাই আমি তোমার পেপারের এই পার্টটি পড়তে খুবই এঞ্জয় করেছি। আমি এর গভীরতা এক্সপ্লোর করতে চাই। তাই আমি তোমার ল্যাবে আমার পি এইচ ডি করতে চাই। হ্যাঁ, তার পেপার পড়ে ভালোভাবে বুঝে নিজের সাথে রিলেট করে ইমেইল টা করতে হয়। এই ফিল্ডে পাবলিকেশন থাকতে হবে এমন নয়, বরং নিজে ডেডিকেশন দিয়ে ইমেইল টা লিখতে হয়। তবে ডেডিকেশন দিয়ে যদি ২ জনই ইমেইল লিখে, যার মধ্যে একজনের পাবলিকেশন আছে ও অন্যজনের নেই, তাহলে যার পাবলিকেশন আছে সে ই এগিয়ে থাকবে। কিন্তু পাবলিকেশন আছে কিন্তু ডেডিকেশন দিয়ে ইমেইল লিখে নাই, সে ইমেইলের রিপ্লাই নাও পেতে পারে। অন্যদিক পাবলিকেশন নেই, কিন্তু ডেডিকেশন দিয়ে ইমেইল লিখছে, সে রিপ্লাই পেতে পারেন। বিষয়টি এমনই কমপ্লেক্স। কিন্তু আমি কিছুটা বাস্তব সিনারিও তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। ইমেইল লিখার সময় পরিশ্রম করার গুরুত্ব তুলে ধরেছি।

04/25/2024

আমেরিকায় পিএইচডি কেমন সহজ সেটা সংক্ষেপে বলি তাহলে।
পিএইচডি স্টুডেন্টদের প্রতি সেমিস্টারে ৩-৪ টা এডভান্স কোর্স নিতে হয়। প্রায় প্রতিটা কোর্সেই থাকে ৫-৮ টা Homework, ৫-৮ টা Quiz, midterm, final exam। অনেক কোর্সেই এডিশনালি project, term paper, presentation থাকে। দেখা যায় প্রতি সপ্তাহেই ৪-৫ দিন ক্লাস থাকে, ২-১ টা homework থাকে। সেমিস্টারের শেষের দিকে টার্ম পেপার, প্রেজেন্টেশনের প্রেসার থাকেই। ম্যাথ কোর্সগুলি ছাড়া অন্য বেশিরভাগ কোর্সই এত এডভান্স লেভেলের যে এইগুলার হোমওয়ার্ক এর সল্যুশন বেশিরভাগ সময়ই chegg, quora তে পাওয়া যায়না। বেশ বুঝে বুঝে অনলাইন লেকচার, বই ঘেঁটে সলভ করতে হয়। বেশিরভাগ ইউনিভার্সিটিতে ৯০% এ A grade হওয়ায় সবগুলি assignment এই ভালো করতে হয়, নাহলে ভালো গ্রেড রাখা সম্ভব না। প্লাস, সবচেয়ে বড় ঝামেলা হলো, Assistantship ধরে রাখতে হলে একটা নির্দিষ্ট CGPA মেইন্টেন করতে হয়, নাহলে assistantship থাকবে না। So, রেজাল্ট খুব খারাপ করারও অপশন নাই। এর বাইরেও অনেক পিএইচডি স্টুডেন্টদেরই তার রিসার্চ রিলেটেড স্পেসিফাইড কোর্স, ট্রেনিং, ওয়ার্কশপ, সিক্স সিগমা গ্রিন বেল্ট বা ব্ল্যাক বেল্ট এই ধরনের সার্টিফিকেশন কোর্স করতে হয়।
এইবার আসি আসল বিষয়ে; রিসার্চ। আপনার কোর্সের লোড যতই থাকুক, আপনাকে রিসার্চ ল্যাবে নিয়মিত সময় দিতেই হবে। যেহেতু আপনি পিএইচডি স্টুডেন্ট, রিসার্চটাই main focus। আর আপনি research assistant হিসেবে এপয়েন্টেড হলে তো কথাই নাই, এটা তখন আপনার জবও। ৯-৫টা ল্যাবের অফিসিয়াল টাইম হলেও পিএইচডি স্টুডেন্টদের রিসার্চ ঘড়ি ধরে চলে না কখনোই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এক্সপেরিমেন্ট আর টেস্টিং গুলি এত time consuming যে দিনে শুরু করলে শেষ করতে করতে রাত হয়ে যায়। প্রথম দিকে প্রচুর trial and error এর মধ্যে দিয়ে কাজ করতে হয়। Output বা রেজাল্ট যা চাচ্ছেন একবারে আসবে না। বারবার বিভিন্ন প্যারামিটার চেঞ্জ করে করে আগের এই কাজের পেপার আর লিটারেচার ঘেঁটে একটু একটু করে আগাইতে হবে যেটা প্রচুর ধৈর্যের এবং সময়সাপেক্ষ কাজ। কাজের ধরন অনুসারে আপনার অনেকগুলি instrument আর testing ম্যাসিনের উপরে ট্রেনিং নিতে হবে। তারপরে অনেক সময়ই এমন হয় যে তিন মাস কাজ করে বুঝতে পারলেন আপনার মেথডোলজি কাজ করছে না, এই প্রসেসে সঠিক রেজাল্ট আসবে না। তখন পুরা প্রজেক্টই বাদ, হয়তো নতুন আইডিয়া নিয়ে শুরু থেকে শুরু করতে হয়। আপনি যদি NSF, DoD, NASA এইসব বড় ফান্ডে কাজ করেন তাহলে প্রতি ৫-৬ মাসে এরা আপনার কাছে আপনার কাজের অগ্রগতির রিপোর্টে চাবে। রিপোর্ট হয়তো সাবমিট করবে আপনার সুপারভাইজার, কিন্তু লিখতে হবে আপনাকেই। স্ট্যাবল ফান্ডিং না থাকলে এর বাইরে অনেক রিসার্চ স্টুডেন্টকেই গ্রান্ট লিখতে হয়, ওই প্যারার details আর নাই লিখলাম।
এইসব কাজের পাশাপাশি প্রতি বছরেই কমপক্ষে দুইটা peer reviewed publication এর চাপ থাকে। এত কাজের ফাঁকে বসে বসে পেপার লিখতে হবে। পেপার লিখতে ধরেন লাগলো তিন মাস, কাজ কিন্তু শেষ না। সাবমিশনের পরে reviewer দের থেকে multiple correction আসবে, অনেক সময় কিছু test ও আবার করতে হয়। And each of these things will always come with a deadline. এইজন্য আমরা মজা করে বলি প্রতিটা পিএইচডি স্টুডেন্ট এর চোখের সামনে সবসময় একটা ভার্চুয়াল ঘড়ি ঝোলে!
শেষ? নাহ! অনেকের এর বাইরেও teaching করতে হয়। আমার সপ্তাহে অন্তত দুইদিন যায় class prepare করতে এবং তাদের খাতা grade করতে। পিএইচডি স্টুডেন্টদের কমপক্ষে একটা PhD qualification exam এ পাস করতে হয়। যারা multidisciplinary Subject এ পিএইচডি করছে তাদের অনেক ক্ষেত্রে দুইটা Qualification Exam থাকে। এইটা আরেক ভয়াবহ জিনিস। এইখানে মূলত চেক করা হয় আপনি যে মেজরে PhD করছেন সেই ফিল্ডে পিএইচডি নেয়ার মতো minimum theoretical knowledge আপনার আছে কিনা। ওই ফিল্ডের সবগুলি কোর্স নিয়ে এই এক্সাম। পাস না করা পর্যন্ত আপনি PhD candidate হতে পারবেন না। অনেকের মাল্টিপল এটেম্পট লাগে পাস করতে। এই কোয়ালিফিকেশন এক্সামের জন্য পড়াশোনা করতে আপনি কিন্তু এডিশনাল টাইম পাবেন না। এই ল্যাবে কাজ, অন্য কোর্সওয়ার্ক এইগুলার মাঝেই করতে হবে।
Pass করে PhD ক্যান্ডিডেট হলে আপনাকে আপনার Phd committee (৫-৭ জন প্রফেসরের কমিটি) এর সামনে আপনার পিএইচডি research এর pre-defence বা oral qualification exam দিতে হবে (Written and formatted research proposal report সহ)। এখানে পুরো কমিটি মিলে আপনার পিএইচডির কাজের research impact, genuineness, novelty, research needs এইগুলা সব যাচাই করবে। মানে কাজটি ইউনিক কিনা, এই কাজের আসলেই প্রয়োজনীয়তা বা উপযোগ আছে কিনা, কাজের method scientifically accurate কিনা এসব দেখবে। এবং প্রায় সব ক্ষেত্রেই আপনি পাস করলেও আপনাকে একগাদা সাজেশন, কারেকশন, নতুন ডিরেকশন ইত্যাদি ধরায় দিবে যেগুলি নিয়ে আবার আপনার কাজ করতে হবে ল্যাবে। তাদের সব এক্সপেকটেশন ১০০ তে ১০০ মিললে তখনই কেবল ফাইনাল PhD defence এর জন্য দাঁড়াতে পারবে।
এরপর কেউ যখন বলে ল্যাবে গেলেই পিএইচডি হয়ে যায় তখন কেমন লাগে!
তবে আমি সবসময়েই বলি, পিএইচডি লাইফের সবচেয়ে কঠিন পার্ট এইসব একাডেমিক প্রেসার না। এরচেয়ে বড় প্রেসার হচ্ছে অর্থনৈতিক এবং সামাজিক প্রেসার। পাঁচ বছর অনেক অনেক সময়। যে বয়সে আপনার ফ্রেন্ড সার্কেল সিক্স ডিজিট কামাচ্ছে আপনাকে হয়তো এখনো হিসাব করে বাজার করতে হচ্ছে। চোখের সামনে মা-বাবাকে বৃদ্ধ হতে দেখছেন, তাদের আরাম আয়েশের জন্য কিছুই করতে পারছেন না। বেশিরভাগ পিএইচডি স্টুডেন্টদেরই দেখেছি এই বয়সে এসে মা-বাবাকে হারাতে হয়, লাশটাও সময় মতো দেখতে যেতে পারেন না। বয়স হয়ে যাচ্ছে, বিয়ে করতে হবে বা পরিবার বড় করতে হবে এইসব সামাজিক ও মানসিক চাপ থাকে। আরো অনেক অনেক কথা যেগুলো বলা যায়না।
ডিমোটিভেটেড করছি না। সবথেকে প্রেস্টিজিয়াস ডিগ্রি বলেই তো এত কষ্ট করেও মানুষ পিএইচডি করতেছে। কিন্তু যথেষ্ট ইন্টারেস্ট, ধৈর্য আর মোটিভেশন থাকলেই এই লাইনে আশা উচিত। জাস্ট দেশের বাইরে আসার জন্য আসলে এই প্রেসার টানা এত সময় ধরে নেয়া অনেক কঠিন।

media2.giphy.com 04/02/2024

ফিনল্যান্ড ভালো নাকি খারাপ?

যে যেভাবেই কোশ্চেন করি, যারা এখনও আসেনি তারা এটাই জানতে চায়। এই বিষয়ে অনেক আলোচনা হয়,অনেক পোস্ট দেখি। কিন্তু সবসময় শুধু এক কথায় আন্সার দেখি। ফ্যাক্ট টা খুব কম সামনে আসে। তাই আমি আমার জায়গা থেকে যতোটুকু সম্ভব এক্সপ্লেইন করার চেষ্টা করবো। অনেকের ডিসিশন নিতে হেল্প হতে পারে। অনেকের দ্বিমত ও থাকতে পারে বাট ইটস ওকে, আমি ৩ মাসে যা বুঝেছি,দেখেছি সেটাই বলছি।

জব ক্রাইসিস এখন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড। বাংলাদেশে একটা প্রফেশনাল জবের যেমন ক্রাইসিস, ফিনল্যান্ড এ একটা ক্লিনার জবের ঠিক তেমনই ক্রাইসিস। হয়তো বাংলাদেশের চেয়ে বেশিই। তবে কোনোভাবে যদি আপনি ফিনল্যান্ড ইনকাম করতে পারেন,এখানে কোনোকিছুই আপনার নাগালের বাইরে না। এখানকার সিস্টেমটা এমনভাবে ডেভেলপ করা যে যেকোনো আয়ের মানুষ এখানে অনায়াসে থেকে খেয়ে জীবন যাপন করতে পারবে, যা বাংলাদেশে এখন নেয়ার ইম্পসিবল।

বাংলাদেশের সাথে তুলনা করলাম কারন এখন অধিকাংশ মানুষ এই তুলনা করেই বিদেশে যাওয়ার চিন্তা করছে, তাদের একমাত্র ইন্টেনশন দেশ ছাড়া। আমার নিজের ও যেহেতু তাই ছিলো, আমি ওটাকে হাই লাইট করেই বলছি।

জব ক্রাইসিস আনবিলিভেইবল। আপনি এরকম সিচুয়েশনে কেমন রিয়েক্ট করবেন সেটা আপনাকেই বুঝতে হবে। আপনি যদি আদরে বড় হওয়া মানুষ হোন, কখনও স্ট্রাগল করা মানুষ না হোন, আরামে জীবন কাটানো মানুষ হোন তাহলে আপনার কাছে ফিনল্যান্ড নরক মনে হবে। বাট আপনি যদি টিকে থাকার জন্য যেকোনো কাজ করার প্রিপারেশন নিয়ে আসেন আর আপনার যদি জমানো টাকা না থাকে, আপনাকে যদি এখানেই থাকতে হয় তাহলে আপনি কিছু না কিছু করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ, আপনি সিচুয়েশন ম্যানেজ করেই ফেলবেন ইনশআল্লাহ (কিভাবে সেটাতে পরে আসছি)।

আমরা একই সিটিতে একসাথে সব মিলায়ে ৫০-৬০ জন এই জানুয়ারি সেশনে একই ভার্সিটিতে এসেছি। ছোট্ট একটা শহর, প্রথম ১ মাসের মধ্যেই সবার সব রেস্টুরেন্টে,হোটেল,বার,শপিং মল সব জায়গা ভিসিট করা হয়ে গেছে জবের জন্য। আনফরচুনেটলি একজনও কোনো জব পাইনি আমরা। প্রথম মাস পার হতেই মোটামুটি সবাই ডিপ্রেশনে চলে গেছে যেখানে সবাই ৬ মাস ৮ মাস জবলেস থাকার কথা আগেই মাথায় দিছে। লতায় পাতায় যার যে পরিচিত আছে,সবার কাছে ধর্না ধরাও হয়ে গেছে,এতেও পজিটিভ রেজাল্ট পেয়েছে হয়তো হাতে গোনা ৩/৪ জন। কয়েকদিনের মধ্যে foodora substitute off করে দিলো,এরপর new wolt ID গুলোও অফ করে দিলো। অথচ আমেজিংলি নেক্সট ১ মাসে আলহামদুলিল্লাহ আমাদের ৫০ জনের মধ্যে ৮০% wolt substitute manage করে ফেলছে বা manage হওয়ার পথে (যদিও wolt isn't enough to survive)। বাকি ১০% অন্য কোনো জবের কথা চলছে জন্য wolt account aggressively খুঁজেনি। আর বাকি ১০% এর আস্তে ধীরে ইনকাম করলেও চলবে। বেশিরভাগই একেবারেই অপরিচিত সোর্স থেকে ম্যানেজ করেছে।

এই হিসাব দিয়ে আমি অবশ্যই এটা বুঝাতে চাচ্ছি না যে ফিনল্যান্ডে ইনকাম করার এনাফ অয়ে আছে আবার এটাও বলছি না আমরা অনেক বেশি intelligent। আমি এটাই বলতে চাচ্ছি,আপনার যদি চাহিদা থাকে আর স্ট্রাগল করার মেন্টালিটি থাকে, সেই সাথে যদি আপনার কথা বলে ম্যানেজ করার মোটামুটি ক্ষমতা থাকে তাহলে আপনি যেকোনো সিচুয়েশনই ওভারকাম করতে পারবেন। এটার জন্য কোনো দেশকে বা স্পেসিফিক ঘটানাকে ১০০% দোষ দেওয়া আমার মতে ঠিক না।

এবার আসি কিভাবে ম্যানেজ করবেন সেই বিষয়ে।

প্রথমেই আপনার হাতে যা টাকা আছে সেটা দিয়ে কিভাবে সর্বোচ্চ দিন কাটানো যায় সেটা খুঁজে বের করতে হবে। সেটার জন্য আমি বলবো, ৩ বেলার জায়গায় যদি ১ বেলা খেয়ে থাকতে হয় তাহলে তাই ই করবেন। অপছন্দের হলেও যেগুলো খাবারের দাম কম,সেগুলো খান।

যে যা ই বলুক, কাপড় চোপড় বাদ দিয়ে অন্যান্য জিনিস দেশ থেকে যত যা সম্ভব,নিয়ে আসবেন।

এখানে এসেই হাড়ি পাতিল বালিশ কাথা না কিনে কয়দিন মেঝেতে চাদর বিছিয়ে ঘুমান আর এগুলো কোথায় কিভাবে ফ্রি তে পাওয়া যায় সেটা খুঁজে বের করুন,খুব বেশি হলে ১০ দিন সময় লাগবে একদম প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো ফ্রি তে খুঁজে পেতে। এই ১০ দিন কষ্ট করে কাটান।

এখানে ইন্সট্যান্ট সার্ভিসের চার্জ অনেক বেশি,সেগুলো কিভাবে এড়ানো যায় সেই বিষয়ে খোঁজ খবর নেন।

আসার পরে দেখেন,অন্য কারো সাথে রুম শেয়ার করে থাকা যায় কিনা।(অনেকে বলবে এটা অন্যায়, বাট এটা ওপেন সিক্রেট, সবাই এভাবেই থাকে)।

প্রথম কয়দিন ঘুরে ঘুরে কোন স্টোরে কোন জিনিসের দাম কম সেটা খুঁজে বের করেন।

মোস্ট ইম্পরট্যান্টলি, বাস স্ট্যান্ড, শপিং মল না ফেসবুক, যেখানে যাকে পাবেন তার সাথেই কথা বলে কানেকশন তৈরি করার চেষ্টা করেন, দেশি না,বিদেশি। ফরেনার যার সাথেই কথা বলার সুযোগ পাবেন,হায় হ্যালো হলেও বলবেন। যদি কথা আগানো যায় তাহলে সুন্দর সম্পর্ক তৈরি করবেন। যারা হেল্প করতে পারবে মনে হবে তাদের সাথে আপনার সিচুয়েশন টা শেয়ার করবেন,ডিরেক্ট জবের কথা বলা টা অসামাজিক দেখায়। কিন্তু একজন ফ্রেন্ডকে আপনি আপনার খারাপ সিচুয়েশনের কথা শেয়ার করতেই পারেন। ওই ফিল্ড টা ক্রিয়েট করেন।

যেরকমই হোক,কোনো কাজ হাতে আসলে,সেটা হাত ছাড়া হতে দিয়েন না। সব সিটিতে আছে কিনা জানা নাই,তবে আমাদের সিটিতে একটা সহজলভ্য চাকরি আছে, সহজলভ্য কারণ সেখানে পরিশ্রমের তুলনায় বেতন কম, হয়তো আপনার খাওয়া খরচ টা উঠবে কোনো রকম, তবে কিছু না করার চেয়ে তো কিছু করা ভালো, তাই না? আর এটা একটা এক্সপেরিয়েন্স ও বটে। বাংলাদেশে আপনি যা ই করে আসেন,ফিনিশ এক্সপেরিয়েন্স না থাকলে এখানে ইন্টারভিউ এর ডাক পাওয়াই ইম্পসিবল অনেকটা। কারণ, ট্রাস্ট। আপনি ফিনিশ কোনো এক্সপেরিয়েন্স সিভি তে দেখাতে পারলে এম্পলয়ার এট লিস্ট আপনাকে বিশ্বাস করার সাহস পাবে,সে আপনি যে জব এক্সপেরিয়েন্সই দেখান না কেন। তাই আপনার আশেপাশে এমন কোনো কাজ থাকলে সেটা ইগনোর করবেন না।

আরও কিছু সার্ভাইভিং পয়েন্ট আছে যেগুলো নিজেই বুঝতে পারবেন,শুধু মাথায় এটাই থাকতে হবে যে কিভাবে সেইভ করে চলা যায় আর কিভাবে লিগ্যাল আর্নিং করা যায়। পড়াশোনা তো চালাতেই হবে,ওটা হিসাবের বাইরে।

যাই হোক, আমার মাথায় এগুলোই আসছে উপায়, হয়তো আরও আছে,এখনো বেশিদিন হয়নি জন্য খুঁজে পাইনি।

রুট লেভেল থেকে বুঝানোর জন্য অনেক হার্শ কথা লিখতে হয়েছে,কেউ কোনো কথায় কষ্ট পেয়ে থাকলে,সরি। তবে এই রকমই বা আরও বেশি কষ্ট করতে হবে এখন ফিনল্যান্ডে আসলে।

ফাইনালি একটাই কথা বলবো, ফিনল্যান্ড জানার আগে নিজেকে জানুন। আপনি পারবেন কিনা এই টুকু কষ্ট করতে। আমরাও এখন এই পিরিয়ডেই আছি, এখনও স্ট্যাবল এনাফ সল্যুশন পাইনি বাট মাথায় আছে,সামনে যে কষ্টই করতে হোক, করবো তাহলেই ভালো দিন আসবে ইনশাআল্লাহ।

(Collected)

media2.giphy.com

04/02/2024

কম্পিউটার সাইন্স বা আইটি'র স্টুডেন্টদেরকে অনেকেই মোটিভেট করে ফার্স্ট সেমিস্টারের টাকাটা যেভাবেই হোক বাংলাদেশ থেকে নিয়ে এসে আমেরিকাতে পড়াশোনা শুরু করে দিতে। তারপর আমেরিকাতে পড়তে পড়তে টিচিং অ্যাসিসটেন্টশিপ বা রিসার্চ অ্যাসিসটেন্টশিপের খোঁজখবর নিতে। কারণ, ফান্ডিং-এর জন্যে যে স্টুডেন্ট বাংলাদেশে বসে প্রফেসরকে ইমেইল করতিছে, আর যেই স্টুডেন্ট আমেরিকাতে বসে অ্যাপ্লাই করতিছে; দুটোর মধ্যে পার্থক্য তো অবশ্যই আছে। এমনিকরে লোন নিয়ে হলেও আমেরিকাতে পড়তে চলে যাওয়াটা ইন্ডিয়ানদের একটা কমন প্র্যাক্টিস।

তাছাড়া আমেরিকায় বসে অ্যাসিসটেন্টশিপের খোঁজ খবর নিলে বৃহৎ পরিসরে খোঁজ নেওয়া যায়; যেমন দেশে বসে ম্যাশিন লার্নিং ডোমেইনের একজন সিএস স্টুডেন্ট খুব বড়জোর আমেরিকার সিএস বা আইটি বা এআই রিলেটেড ডিপার্টমেন্টগুলোর টিচারদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করবে, কিন্তু বায়োলজিকাল বা পরিসংখ্যান বিভাগের কোন প্রফেসর ম্যাশিন লার্নিং-এর স্টুডেন্ট হায়ার করতে ইচ্ছুক কিনা, সেই খোঁজটা হয়তো নেওয়া হবে না।

কিন্তু এখানে আমি একটা সমস্যা দেখি। সেটা হলো, আমেরিকা যাওয়ার আগ দিয়েই বেশীরভাগক্ষেত্রে ইন্ডিয়ান বা চাইনিজরা নিজেদের সাবজেক্টে অলরেডি স্কিলড এবং পড়াশোনা পরবর্তী জবের জন্য ওয়েল কোয়ালিফাইড। আমাদের অনেকের মতো আন্ডারপ্রিপেয়ার্ড না; ঘাটতি পোষাতে আমেরিকাতে কেউ কোর্সওয়ার্ক- অ্যাসিসটেন্টশিপের পাশাপাশি নিজের টেকনিক্যাল স্কিল গ্রো করার সময় পাবে, এটা ভাবাটাও কতটুকু বাস্তবসম্মত জানি না। তাই আমার মতে, কোনমতে একবার আমেরিকাতে ঢুকে পড়াটাই সবার ক্ষেত্রে সমাধান না। এখন আমার এই ধারণা ভুল নাকি সঠিক সেটা অবশ্য জানি না, তবে বাইরে যারা অলরেডি পড়ছেন বা পড়েছেন তারাই ভালো বলতে পারবেন।

04/01/2024

শিক্ষাদানে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেই বৃত্তি নিয়ে আমেরিকায় যাওয়ার সুযোগ ☺️

যুক্তরাষ্ট্র সারা বিশ্বের শিক্ষার্থীদের জন্য নানা ধরনের বৃত্তি দেয়। ফুলব্রাইট তেমনি একটি বৃত্তি। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ফুলব্রাইট ডিস্টিংগুইশড অ্যাওয়ার্ড ইন টিচিং প্রোগ্রাম ফর ইন্টারন্যাশনাল টিচার্স (ফুলব্রাইট ডিএআই) শিরোনামে বৃত্তির আবেদন আহ্বান করছে দেশটি। বাংলাদেশিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ফুলব্রাইট ডিএআই বাংলাদেশসহ বিশ্বের নানা দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষকদের জন্য ক্রেডিটবিহীন পেশাগত বিনিময় কার্যক্রম।

প্রোগ্রামটি শিক্ষকদের জন্য তাঁদের পেশার দক্ষতা বাড়াতে, আমেরিকার শিক্ষকদের সঙ্গে সংযোগ ও বিশ্বব্যাপী জ্ঞান বিনিময়ে অবদান রাখার জন্য অসাধারণ এক সুযোগ। পাঁচ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা, বিকাশের স্পৃহা ও সারা বিশ্বের শিক্ষাবিদদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ইচ্ছা থাকলে আবেদন করুন এই বৃত্তির জন্য।

ফুলব্রাইট ডিএআই ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এক্সচেঞ্জের একটি প্রোগ্রাম। এই বৃত্তি পেলে ছয় সপ্তাহের জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষকেরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণ নেবেন। এটি একটি পেশাদার উন্নয়ন প্রোগ্রাম। এ প্রোগ্রামের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে পেশার বিকাশের জন্য একাডেমিক সেমিনারে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন বৃত্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা। স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং স্থানীয় বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাঁদের দক্ষতা পর্যবেক্ষণ ও শেয়ার করতে পারবেন।

আবেদনের যোগ্যতা—
* বাংলাদেশে বসবাসরত নাগরিক হতে হবে;

* প্রাইমারি অথবা মাধ্যমিক স্তরের পূর্ণ সময়ের শ্রেণিশিক্ষক হতে হবে;

* গাইডেন্স কাউন্সেলর, কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ, লাইব্রেরি বিশেষজ্ঞ, বিশেষ শিক্ষা সমন্বয়কারী, শিক্ষক প্রশাসক এবং অন্য যাঁরা তাঁদের শিক্ষাজীবনে অর্ধেক সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কাটিয়েছেন;

* শিক্ষাদানে ন্যূনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে;

* ইংরেজিতে কথা বলা ও লেখার দক্ষতা থাকতে হবে;

* মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও এক্সেলের মতো মাইক্রোসফট অফিস স্যুট প্ল্যাটফর্মগুলোর ব্যবহার জানতে হবে।

আবেদন কীভাবে—
ফুলব্রাইট ডিএআই আবেদন সম্পর্কে জানতে অনলাইনে ঢুঁ মারতে পারেন আগ্রহীরা। সমস্যা হলে বা ফুলব্রাইট বৃত্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অসুবিধায় পড়লে [email protected]এ যোগাযোগ করতে পারেন আগ্রহীরা।

আবেদন শেষ কবে—
ফুলব্রাইট ডিএআইতে আবেদনের শেষ দিন ১৪ এপ্রিল। ওই দিন বাংলাদেশ সময় ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে আবেদন করতে হবে আগ্রহী প্রার্থীদের।

03/17/2024

জব ক্রাইসিস ইন অস্ট্রেলিয়া :::

১. জব না থাকলে ৮/১০ টা ভিসা ক্যাটাগরি খুলে রেখে সারা দুনিয়ার লোক ঢুকাতো না অযথা।

২. বাংলাদেশ থেকে কোন ছাতার মাথার যোগ্যতা নিয়ে আসতেছেন যে আপনাদের কে কোলে বসায় যব হাতে ধরায় দিবে? নিজের কাপড় কয়দিন ধুইছেন? নিজের ভাত কয়দিন রাঁধছেন? কয়জন ফরেনার এর সাথে কথা বলছেন দেশে? গাড়ি তো দূর,সাইকেল নিয়ে রাস্তায় বের হইছেন কয়দিন??? মাইক্রোসফট ওয়ার্ড আর এক্সেল এর কতটুকু কাজ জানেন আপনি?

ব্যাচেলর এর ছেলে মেয়ে রা কাজের এক্সপেরিয়েন্স এর যত কাগজ দেখায় সব ভুয়া, মাস্টার্স পিএইচডি এর কিছু হয়তো আছে। চাকরি বাকরি যারা করছে দেশে তারা জীবন এ অফিসে বসে একটা পুরা এপ্লিকেশন ইংরেজিতে লেখে নাই। আচ্ছা ধরলাম লিখছে, এরা যাসব টেকনোলজিস ব্যবহার করে অফিস আদালতে সেগুলা কয়জন দেখছে চোখে?
সেফটি ম্যানেজমেন্ট এর কোন আইডিয়া, ওয়ার্ক প্লেস কালচার এগুলা কি সেটাই বা কয়জন জানে?

কি ভাবছেন? অস্ট্রেলিয়ান লোকজন গাধা???? আঙ্গুল চুষে ফার্স্ট ওয়ার্ল্ড কান্ট্রি হইছে??? এদের লোক নাই বইলা চোরের দেশ গুলা থেকে লোক আনতেছে।

৩. তাইলে বোঝেন চাকরি গুলা খুঁজতে হবে কোথায়, কোন লেভেল এর।।। ক্লিনিং, হাউজকিপিং এর এপ্লাই করেন। যেগুলা তে আগের এক্সপেরিয়েন্স দরকার নাই। ওরা কাজের শুরুতে ট্রেনিং দেয়। সেকেন্ড হ্যান্ড শপ গুলাতে ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ শুরু করেন। এক্সপেরিয়েন্স আর রেফারেন্স দুইটাই হয়ে যাবে। অযথা রেফারেন্স এর জন্য বাংলাদেশিদের মাথা না খেয়ে লোকজন এর সাথে কথা বলেন, নেটওয়ার্ক বাড়ান। ডাক্তার এর কাছে গিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং এর রেফারেন্স চাইলে সেই বেচারা দিবে কেমন করে সেটা আপনাকে বুঝতে হবে।

৪. সব ভার্সিটির স্টুডেন্ট ক্যারিয়ার সার্ভিস কাউন্সিল অথবা অরগানাইজেশান আছে। তাদের সাথে যোগাযোগ করলে নিয়মিত তারা মেইল এ আপডেট দেয় নতুন নতুন পার্ট টাইম যব সার্কুলার গুলার। যে গাধা এটুকু জানে না, সেই গাধার তো বিদেশে পড়তে আসার ই কোন দরকার নাই। স্টুডেন্ট কাউন্সিল এর কাছ থেকে স্যাম্পল সিভি সহ সকল ধরনের হেল্প নিতে পারবেন।

৫. ড্রাইভিং শুধু অস্ট্রেলিয়া না, সকল ফার্স্ট ওয়ার্ল্ড কান্ট্রির জন্যই জানতে হবে। ভালো করে ড্রাইভিং শিখে এখানে এসে একমাস রেন্ট এ গাড়ি নিয়ে ডোর ড্যাশ, উবারইটস করে হাত পাকায়, রোড রেগুলেশন বুঝে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান লাইসেন্স নিয়ে নিতে পারলে আপনি এখানে রাজা হয়ে যাবেন।

৬. হাতে করে একটা গাড়ি কেনার টাকা মিনিমাম $৩৫০০ আর একটা দুইটা কোর্স করার মত $১৫০০/২০০০ aud নিয়ে আসেন। টার্ম ব্রেক এ কাজের টাইম লিমিটেশন থাকে না। ধুমায় কাজ করতে হবে তখন।

৭. ক্লাস শেষে বাংলাদেশের পুলাপান কই জানি দৌড় মারে। কাজ নাই তো যায় কই? মনে হয় বাসায় গিয়া ঘুমায়। ওরে ভাই, ঘুমাইস না। ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানি, নেপালি গুলার কানেকশন ভালো। ওদের সাথে কথা বল। ওরা কই যায় দেখ। দরকার হইলে ওদের পিছন পিছন গিয়া দেইখা আয় ওরা কই কাজ কাম করে।

৮. ফেসবুকে জব নাই ভাই। এজায়গায় পোস্ট করে লাভ নাই। যারা এখানে কাজ কাম করে, ব্যস্ত থাকে তাদের সময়ই নাই ফেসবুকে পোস্ট দেখে কাউরে হেল্প করার। এই সময় টুকু রাস্তা ঘাটে ঘুরলেও অন্তত দুই একটা সারকুলার সামনে আসতে পারে।

বি পজেটিভ। দেশ ছাড়ার আগে একটু পকেটে বাড়তি মাল পাতি আনলে সব কিছু সহজ হয়ে যাবে। মাল পাতি কম থাকলে ইউরোপ যাও ভাই। ফ্রি তে পড়। মাল পাতি যদি নিতান্তই কম হয় আর দেশ যদি ছাড়াই লাগে তাহলে মিডল ইস্ট যাও। কাউকে কিন্তু ছোট করে কিছু বলা হয়নি। বেশি বোঝা পাবলিক দা বটি নিয়া ছুইট্টা আসবেন না।

02/11/2024

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ইন্টারভিউ দেয়ার পর যা হাতে ধরিয়ে দেয়। 🙂

2023 Scholarship Application – Wells Mountain Initiative 02/08/2024

ইউরোপের যত বৃত্তি আছে বাংলাদেশীদের জন্য।
শর্ট কোর্স, ব্যাচেলর, মাস্টার্স এবং পি.এইচ.ডি।
শুধু মাত্র IELTS ও রানিং চাকরী দিয়ে আবেদন করতে পারেন ব্যাচেলর (IELTS only) ও মাস্টার্সের বৃত্তি গুলোতে। PHD-এর জন্য ভিন্ন পদ্ধতি। শর্ট কোর্সে IELTS লাগেনা তবে চাকরী বাধ্যতামূলক। তাই লিংকে প্রবেশ করে জেনে নিন কি কি কাগজ লাগাবে, আবেদনের সময় এবং প্রক্রিয়া।
Erasmus Mundus:
ইউরোপের সবচাইতে প্রসিদ্ধ এই বৃত্তির কথা অনেকেই জানি। এটা সকল ই. ইউর দেশ নিয়ে ই. ইউ. কমিশন থেকে বৃত্তি প্রধান করা হয়। এক-এক দেশে এক-এক সেমিস্টার পড়াশোনা করবেন। এবছর যতটুকু জেনেছিলাম ৬০+ বাংলাদেশিরা এই বৃত্তি পেয়েছেন। শুধু মাস্টার্স ও পি. এইচ. ডি শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারেন।
https://ec.europa.eu/.../erasmus-mundus-joint-master...
The Netherlands:
OKP: শর্ট কোর্সে বেশি পান বাংলাদেশিরা। এক বছরে তিনবার আবেদন করতে পারেন। মাস্টার্স বছরে একবার শুধু সেপ্টেম্বরে আবেদন করতে পারেন। পি. এইচ. ডির জন্য সব সময়ই আবেদন করতে পারেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডে পড়ার সুযোগ আছে। তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে সকল তথ্য পাবেন। নেদারল্যান্ডস লিস্টের প্রথম দিকে রাখতে পারেন কারণ ইউরোপের মধ্যে সবচাইতে বেশি স্টাফিন দেয় তারা এবং পি. এইচ. ডি. চাকরী হিসেবে গন্য হয়।
https://www.studyinholland.nl/.../orange-knowledge-programme
University Excellence Scholarship: https://www.studyinholland.nl/.../scho.../find-a-scholarship
ফুল-ফ্রী বা টিউশন ফি কম নেয়। ব্যাচেলর বা মাস্টার্সের ছাত্ররা Holland Scholarship-এ এপ্লিকেশন করতে পারেন। যে কোন দুটা বৃত্তিতে একসাথে আবেদন করা যায়।
Finland:
এবছর ২০১৯-এ বাংলাদেশীরা সবচেয়ে বেশি রিফিউজ খেল সেলফ্ ফান্ডের শিক্ষারথীরা। ভালো ভাবে প্রিপারেশন নিয়েন ভাইভা ও এন্ট্রান্স পরীক্ষার জন্য। মনে রাখবেন প্রকৃত ছাত্রদের ভিসা কেউ আটকাতে পারে না।
Finnish Government Scholarship: https://www.studyinfinland.fi/.../bachelors-and-masters...
EDUFI: https://www.oph.fi/en/development/edufi-fellowship...
Sweden:
অনেকেই বিজ্ঞাপন দেয় without IELTS-এ পরিবার সহ সুইডেনে নাগরিকত্ব করিয়ে দেয়। সাথে নিচে দেয়া বৃত্তি গুলো নাকি করিয়ে দেয়। এমন লোভনীয়
বিজ্ঞাপনে কান দিছেন তো কিছু টাকা ও সময় নষ্ট করলেন। কোন এজেন্সি কেন কারো সাধ্য নেই যে কাউকে বৃত্তি এনে দিবে। বৃত্তি সকল দেশেই এডমিশন বোর্ড, প্রফেসর ও বৃত্তি মঞ্জুরি কমিশন সেন্ট্রালি জাজমেন্ট করে প্রার্থী বাছাই করে। সুতরাং বৃত্তি পেতে হলে অবশ্যই যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে।
Swedish Institute Scholarship: https://www.studyinholland.nl/.../scho.../find-a-scholarship
Swedish Scholarship: https://studyinsweden.se/scholarships/other-scholarships/
Germany:
আমাদের মধ্যে-বিত্তের শেরা পছন্দ। কোন কথা হবে না। ইউ হেবটু। 😎
ব্যাচেলরে আবেদন করতে আমাদের এ-লেভেল থাকা প্রয়োজন। সাধারণ শিক্ষা বোর্ড থেকে এক বছর শেষ কারা পরে আবেদন করতে পারাে। যেহেতু টিউশন ফিসের চিন্তা নেই তাই ব্যাচেলর করা সহজ। মাস্টার্স বা গবেষণা শিক্ষার্থীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক গ্রুপ আছে, সেখান থেকে সকল তথ্য পাওয়া যায়।
DAAD: https://www.daad.de/deutschland/stipendium/en/
Switzerland:
এই পাহার পর্বতে, ঝর্ণা নদীতে..... কি ড্রিম দেখা শুরু করে দিলেন? দেখেন যদি ETH Zurich-এ কেউ আসেন তাহলে ড্রিম থেকে বড় কিছু আর কি'বা হয়?
Swiss Governments Excellence Scholarship: https://www.sbfi.admin.ch/.../swiss-government-excellence...
ETH Zurich: https://ethz.ch/.../scholarships/excellencescholarship.html
ভারতীয় ই. ইউ হাব বা আই. টি হাব এটা বলতে পারেন। তাদের সোশাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলো থেকে তাই বুঝতে পরলাম। পৃথিবীর নামি-দামি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১০ থেকে ২০ এর মধ্যে সিরিয়াল থাকে। 🤑🤓
Austria:
গত কিছু বছর এমবাসি এপয়েন্টমেন্ট ও ভিসা জটিলতায় আমরা বেজায় সুযোগ, সুবিধা মিস করছি! তবে চেস্টা করতে পারেন। ইউরোপের বেশ শান্তিপ্রিয় ও শিক্ষা ব্যবস্থা বেশ উন্নত। তারা জার্মানদের ফলো করে সবসময়। হয়ত আপনার সাবজেক্ট অস্ট্রিয়াতেই সবচাইতে ভালো কিছু শেখায়।
OeAD: https://studyinaustria.at/.../questions-and.../scholarships/ #
Belgium:
Leuven-এর নাম হ্যালেন্ডের বাতাসে শুনি। VUB-এর ও বেশ নাম আছে। তবে তারা পড়াশোনা শেষে চাকরির জন্য আবেদন করতে দেয়না। শুধুই পড়াশোনা করতে চাইলে লিস্টে রাখতে পারেন।
VLRIOUS: https://www.vliruos.be/en/scholarships/6
Government of Flanders Master Mind Scholarships for International Students: http://www.studyinflanders.be/.../master-mind-scholarships/
Denmark:
আই.টি. সেক্টর ভুম করেছে কিন্তু তার জন্য পর্যাপ্ত লোকজন নেই এখানে। Techplomecy নিয়ে একটু Google করবেন! হতে পারে আমাদের টেক-টেলেন্টরা ভালো সুযোগে পেতে পারে।
Danmark Government Scholarship: https://studyindenmark.dk/.../tuition-fees-and-scholarships
UK:
সিলটি ভাইছাবরা খিতা বালানি? বেশি বেশি চেস্টা করুইন। পাইলাইবেন। 😎
যাইহোক, বৃটিশরা তাদের ফিস পেয়িং শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফি কমানোর গেজেট পাস করেছে এবছর। তাই ব্যাচেলরদের জন্য পড়াশোনা করা কিছুটা সহজ হবে। তবে মাস্টার্স বা গবেষণা শিক্ষার্থীদের জন্য নিচের দুটি বৃত্তিও বেশ প্রসিদ্ধ।
Commonwealth Scholarship: http://cscuk.dfid.gov.uk/apply/masters-scholarships/
British Chevening Scholarship: https://www.chevening.org/scho.../who-can-apply/eligibility/
France:
নিরবে ভিসা রিজেক্ট করে। 😑😐 এক ভাইকে চিনি উনি নেদারল্যান্ডসে ব্যাচেলর শেষে মাস্টার্সএ ফ্রান্সে আছেন বৃত্তি নিয়ে। সুতরাং, বৃত্তি নিয়ে প্রকৃত ছাত্র হিসেবে এমবাসি ফেস করলে ভিসা জটিলতা পরতে হবেনা বলে আমার বিশ্বাস। PHD-এর জন্য কোন সমস্যা হবে বলে মনে করিনা।
Eiffel Scholarship: https://www.campusfrance.org/.../eiffel-scholarship...
The Emile-Boumty Scholarship for Science: http://cscuk.dfid.gov.uk/apply/masters-scholarships/
Italy:
ইতালি প্রবাসী বাংলাদেশিদের আত্মীয়রা বেশি আবেদন কারেন। গতবছর দেখেছিলাম ইরাসমাস বৃত্তি নিয়েও ভিসা জটিলতায় পরেছে আমাদের শিক্ষার্থীরা। তবে ১৯-এ হয়ত এমন হয়নি।
Italian Government Scholarship: https://studyinitaly.esteri.it/en/call-for-procedure
Hungary:
ব্যাচেলর-ও আবেদন করতে পারো। ফিস পেয়িংরা এখানে টিকেনা বেশিদিন। তাই বৃত্তির বিকল্প নেই।
Stipendium Hungaricum: http://studyinhungary.hu/.../stipendium-hungaricum...
Estonia:
ব্যাচেলর আরামে শেষ করতে হলে ইউরোপের মধ্যে এই দেশটি বেছে নিতে পারো। Tallinn Teach সেরা পছন্দ হবে। আবারও বলবো Without IELTS-এ আবেদন করে সময় ও টাকা নষ্ট করবার কোন বুদ্ধির কাজ হবেনা।
Estonian Scholarships: http://www.studyinestonia.ee/en/scholarships
Portugal:
PHD-এর জন্য সুযোগ আছে। তবে ব্যাচেলর বা মাস্টার্সে তেমন ভিসা পাইনা আমরা। Without IELTS- এপ্লিকেশন করে বেশি। পড়াশোনার রিয়েল ইন্টেনশান না থাকলে যা হয় আরকি।
DGES: http://old.lis.ulusiada.pt/.../bolsas.../bolsasdgesdsae.aspx
Czech Republic:
অনেক কম টিউশন ফিসে ভালো পড়াশোনা হয়। তবে স্কলারশিপ অপরচুনিটি নাই বললেই চলে। আবারও বলবো Say no to apply without IELTS. লাইফ সাইন্স বিশ্ববিদ্যালয় সহ অনেক ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয় আছে।
Government Scholarship for Developing Countries: http://www.msmt.cz/.../government-scholarships-developing...
Luxembourg:
টিউশন ফিস নেই। এডমিশন পাওয়া একটু কষ্টের বেপার। যোগ্যতা থাকলে অবশ্যই চেষ্টা করবেন। এবছর Without IELTS-এর আবেদন কারি শিক্ষার্থীরা এডমিশনই পায়নি দেখলাম। সুতরাং দিন দিন সুযোগ সন্ধানি অছাত্ররা বঞ্চিত করছে প্রকৃত শিক্ষার্থীদের সুযোগ গুলো। তাই প্রকৃত যোগ্যতা অর্জনের বিকল্প নেই।
Free of Tuitions: http://luxembourg.public.lu/en/etudier/index.html
Norway:
PHD চাকরি হিসেবে কাউন্ট হয়। মাস্টার্স ফুল ফ্রী টিউশন। No bachelor opportunity for us.
Free of Tuitions: https://www.studyinnorway.no/.../find-available...
Ireland:
হাই টিউশন ফিস। তবে ভালো কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ আছে। বৃত্তির সুযোগ তেমন নাই। ব্যাচেলর বা মাস্টার্সে IELTS বাধ্যতামুলক।
All Scholarship: https://www.educationinireland.com/.../Tuiti.../Scholarships
Ireland Government Scholarship for Postgraduate: http://research.ie/funding-category/postgraduate/
Spain:
আমার তেমন কোন ধারণা নেই এই দেশটি নিয়ে। তবে লিংকে সব দেয়া আছে। স্পেন বড়ো দেশ হয়তো সুযোগ বেশি।
MACE-AECID: http://www.aecid.es/EN/grants-and-assistantships
Iceland:
Same comment as Spain except size of the country.
University Excellence Scholarship: https://study.iceland.is/study-in-iceland/scholarships
Malta:
নাম মাত্র কিছু প্রতিষ্ঠান আছে যেমন ডোমেইন একাডেমি। এমন কলেজে ট্রাই করছেন তো মরছেন। অতি সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশীদের ভিসা জটিলতা দেখা দিচ্ছে। তাই নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন ছাড়া বিকল্প নেই। এমনকি বৃটিশ কিছু কলেজ আছে তাদের থেকেও দুরে থাকবেন। ব্যাচেলর বা ডিপ্লোমা করার সুযোগ আছে এদেশ।
University of Malta: https://www.um.edu.mt/journey/feesfunding/scholarships
Poland:
এমবাসি এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে সমস্যা। তবে কম টিউশন ফিসের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পড়াশোনার মান ভালো। কিছু ভাই দেখলাম পড়াশোনা শেষে ভালো আছেন।
All About Poland Scholarship: http://www.studyinpoland.pl/.../education.../46-scholarships
Lithuania:
শুধু ভিসার কথা চিন্তা করে আবেদন করতে চাইলে ভুল করবেন।
Lithuanian State Scholarship Program: https://studyin.lt/scholarships/
Latvia:
No Scholarship: http://www.studyinlatvia.lv
Same comment as Lithuania.
Russia:
ব্যাচেলর রাশিয়ান ভাষায় পড়লে বৃত্তি দেয়। রাশিয়াকে ইউরোপের গেটওয়ে হিসেবে ব্যাবহার করা অসম্ভব। সাথে ইউক্রেনও ওনেক বাংলাদেশিরা আসে।
যাইহোক, নিউক্লিয়ার, রকেট সাইন্স, এরোস্পেস নিয়ে ব্যাচেলর মাস্টার্স করতে চাইলে রাশিয়া ভালো চয়েস।
আমাদের দেশে এবার নয় লাখ HSC পাশ করে বের হয়েছে। তাদের সকলে যেহেতু দেশে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ নেই তাই রাশিয়া, তুর্কী, চায়না সহ যে দেশ গুলোতে সহজে পড়াশোনা করা যায় সেখানে যাওয়া উচিত।
Russian Government Scholarship: https://studyinrussia.ru/en/study-in-russia/scholarships/
Turkey:
ব্যাচেলরে স্টাফিন সহ পড়তে চাইলে রাশিয়ার মতো Turkey Burslari. মাস্টার্স বা গবেষণা শিক্ষার্থীরাও সাবজেক্ট অনুযায়ী আবেদন করতে পারেন।
Turkey Burslari: https://turkiyeburslari.gov.tr/.../turkiye-scholarships...
Marie Sklodowsca Curie Fellowship:
This scholarship is only for PHD students.
https://ec.europa.eu/.../actions/individual-fellowships_en
: ✌
Prime Minister Fellowship:
১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেলে এটা ট্রাই করবেন।https://shed.portal.gov.bd/.../5033ca3e_0634_4ef2.../218.pdf (A big file so please wait until downloaded it)
Bangabandhu Science and Technology:
বিজ্ঞান নিয়ে যত সাবজেক্ট আছে তাতে পড়তে চাইলে...,
Fellowship Trust: http://www.bstft.gov.bd
World Bank Scholarship Program:
আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গুলোতে কাজ করতে চাইলে তাদের সাথে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিন বৃত্তি নিয়ে। https://www.worldbank.org/en/programs/scholarships #2
International Masters Fellowship (for Public Health):
ডাক্তার শিক্ষার্থীদের জন্য। https://wellcome.ac.uk/.../international-masters-fellowships
OFID Scholarship:
প্রাইভেট ফান্ড। যোগ্যতা থাকলে অবশ্যই আবেদন করবেন। http://www.ofid.org/.../Beyond-the-scope/Scholarship-Award
Listed Countries in the World:
AGA Khan Scholarship:
নামকরা একটি শিক্ষা বৃত্তি। ভালো ফান্ড দেয়। https://www.akdn.org/.../international-scholarship-programme
WMI:
এইসকল বৃত্তি গুলো একটু সহজ হয় পেতে, তবে শর্ত গুলো বুঝে গ্রহণ করবেন। http://www.wellsmountainfoundation.org/prospective-scholars/
#উপরের বৃত্তি গুলো ছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু বৃত্তি থাকে যেটা ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পবেন। 😎
শেষ কারার আগে বলতে চাই আপনাদের শেয়ার আমাদের অনেক অনুপ্রেরণা দেয় নতুন পোস্ট লেখার, নতুন কিছু নিয়ে সামনে আসার জন্য। স্কলারশিপের জন্য প্রয়োজনীয় এই লেখাটি অন্তত শেয়ার করে অন্যকেও উপকার করতে পারেন। সকালে জন্য শুভ কামনা। ধন্যবাদ। 🤗

2023 Scholarship Application – Wells Mountain Initiative Interested in Becoming a WMI Scholar? Our Ideal Candidate – A student, male or female, from a country in the developing world who:Successfully completed a secondary education, with good to excellent gradesIs 35 or under on March 1, 2024Will be studying in his or her country or another country in t...

Want your school to be the top-listed School/college in New York?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Uni
New York, NY
10001