আওয়ামী সরকার ফেলতে রাস্তায় নেমেছিলেন, এই সরকার তার দশগুন মন্দ হলেও রাস্তায় নামেন না কেন? তখন ভয় ছিল না এখন ভয় কেন? এটাই শয়তানবাদ।
Bangladesh Society NYC
16th Dec1971 Pakistan occupation forces surrendered at Suhrawardy Udyan, Dhaka. Several million refugees fled to neighboring India. Led by General M. A. G.
After a nine-month war, resulting in a free, independent, and sovereign Bangladesh. The fury of the Bengali population was compounded when Sheikh Mujibur Rahman who led Awami League to win a majority in Parliament in the 1970 elections, was blocked from taking office. A massive civil disobedience movement erupted across East Pakistan, with open calls for independence. Sheikh Mujibur Rahman address
01/09/2026
এত বছর আয়না ঘরে থেকেও এত টাকার মালিক,এ কেমন আয়না ঘররে বাবা..
01/09/2026
প্রধান উপদেষ্টা ইউনুস আর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রজার রহমানের প্রিয়পাত্র পিটার হাস এর কোম্পানির সাথে এক লাখ কোটি টাকার এলএনজি কেনার চুক্তি হয়েছে অক্টোবর ২০২৫ এ।
দাম ধরা হয়েছিল ১৪.৫৫ ডলার প্রতি ইউনিট। সাপ্লাই শুরু করার কথা জানুয়ারি ২০২৬ থেকে, যা এখনো এসে পৌছায় নাই।
যেখানে বাংলাদেশের সাথে কাতার আর ওমানের সাথে দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকার কাতার এনার্জি ট্রেডিং থেকে প্রায় $9.86 থেকে $10.114 প্রতি MMBtu দরে এলএনজি কিনতো, যা বিশ্ববাজারের তুলনায় তুলনামূলক কম দামে আসে এবং এর মাধ্যমে সরকার বিপুল সাশ্রয় করে। ২০২৪ সালের মে মাসেও আওয়ামী লীগ সরকার $১০.৪৬ ডলার দরে শেষবারের মতো এলএনজি কিনে গেছিলো।
এছাড়াও বর্তমানে স্পট মার্কেটে সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে কমে এলএনজি বিক্রি হচ্ছে ৯-১০ ডলার প্রতি ইউনিট।
অথচ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ইউনুসের প্রিয়পাত্র পিটার হাসের যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক কোম্পানিকে একবারে এতো বড় অর্ডার দিয়ে, আর এর মাঝে স্বল্প মেয়াদি বিকল্প এলএনজি ক্রয়ের ব্যাবস্থা না করায় বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশের শিল্পের জ্বালানি সরবরাহ।
গ্যাস সংকটের শুরুটা এখানেই।
কোন বিকল্প না রেখে উচ্চ দামে দোস্তর কোম্পানি থেকে এলএনজি কেনা, যার লিড টাইম অনেক বেশী।
ইন্টেরিম পায়েন্দাবাদ।
সংগৃহীত পোস্ট
12/17/2025
11/23/2025
The Pakistanis also declared the 1971 war a religious war or jihad, killing 2.5 million Muslims in their own country in the name of fighting for Allah. Isn't it proven that they are devils? How can the war they created be a religious war by attacking innocent people on false charges without giving power to the elected party? Those who support them in Bangladesh, including the army and the mullahs, are all devil worshippers.(Edited)
যে কোন জিনিস মেইনটেইনেন্স করতে হয়। মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুইলা গেছে মেইন্টেনেন্সের অভাবে। মেট্রোরেলের দায়িত্বে থাকা পুরা সেটাপ চেঞ্জ করা হইছে ৫ই আগষ্টের পর। ৫ই আগষ্টের পর যারা মেট্রোরেলের দায়িত্বে আছে তারাই দায়ী আজকের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য। নিজেদের অনভিজ্ঞ লোক বসায়ে আগের সরকারের ওপর দায় চাপানো খুব বেশীদিন আর চলবে না।
এখন শেখ হাসিনার সরকার জনগনের কল্যাণে এইসব মেগা প্রজেক্ট করছে দেইখা রক্ষণাবেক্ষণ করবে না, প্রজেক্ট ব্যর্থ দেখানোর চেষ্টা করবে এইটা তো হইতে পারে না।
08/28/2025
আমি সবসময় মনে করি—“তথ্য-উপাত্ত যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো তথ্য-উপাত্ত কীভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।” বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ-ইতিহাস নিয়ে পাকিস্তানি ন্যারেটিভ ঢুকিয়ে দেওয়ার খেলায় এই কথাটাই বারবার সত্য হয়ে দাঁড়ায়। আমরা আগেও দেখেছি, প্রথম আলো নানা সময়ে পাকিস্তানি লেখক ও মানবাধিকার কর্মীদের—যেমন হামিদ মীর—কে সামনে এনে মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে পাকিস্তানি দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করেছে। এখন মনে হচ্ছে সেই একই ধারাবাহিকতায় তারা হাসান ফেরদৌসকে দিয়ে একই কাজ করাচ্ছে, আর তার বই ভুট্টোর তওবা ও মুক্তিযুদ্ধের নানা দিক প্রকাশ করেছে প্রথমা প্রকাশনী।
ইতিহাস কেবল তথ্য-ঘটনা নয়, এটি আমাদের জাতির আত্মপরিচয় ও চেতনার ভরকেন্দ্র। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ—যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের মূলভিত্তি। তাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে লেখা মানে কেবল গবেষণা নয়, বরং শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি দায়বদ্ধতা। অথচ হাসান ফেরদৌস তার বইয়ে যেভাবে নানা ভুল তথ্য, অর্ধসত্য আর পক্ষপাতমূলক ব্যাখ্যা সাজিয়েছেন, তাতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত হয়ে পাকিস্তানি বয়ানের সঙ্গে মিশে গেছে। একই সঙ্গে ভারতের অবদানকে আড়াল করে এমন এক ভারতবিদ্বেষী ন্যারেটিভ দাঁড় করানো হয়েছে, যা একেবারেই পাকিস্থানীদের কন্ঠ।
এই বইয়ের একটি বড় উদাহরণ হলো সেই দাবি—“বাংলায় কথা বললে ভারত থেকে বের করে দেয়।” এ কথা একেবারেই মিথ্যা এবং ইতিহাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। স্বাধীনতার আগে বা পরে ভারতের কোথাও বাংলায় কথা বলার কারণে নাগরিককে বহিষ্কারের কোনো নজির নেই। বরং দলিল-প্রমাণ দেখায়, ১৯৭১ সালে ভারত প্রায় এক কোটি বাংলাভাষী শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল (Government of India, Ministry of External Affairs, White Paper on the Crisis in East Pakistan, 1971)। এই প্রমাণিত সত্য উপেক্ষা করে এমন মিথ্যা বক্তব্য ছড়ানো আসলে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার পুরোনো প্রোপাগান্ডার পুনরাবৃত্তি ছাড়া আর কিছু নয়। এখানে লেখক যেমন দায়ী, তেমনি প্রকাশনীও সমানভাবে দায়ী, কারণ তারা যাচাই না করেই এমন লেখা ছাপিয়েছে।
বইয়ে ভুট্টোর ১৯৭৪ সালের ঢাকায় সফর ও তথাকথিত “তওবা”কে যে আবেগঘন ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে যায় না। হাসান ফেরদৌস ভুট্টোকে এমনভাবে চিত্রিত করেছেন যেন তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়েছিলেন এবং সেটি ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়। অথচ The Bangladesh Observer (২২ জুন ১৯৭৪) পরিষ্কার লিখেছে, ভুট্টো সাভারের শহীদ স্মৃতিসৌধে খুবই অনানুষ্ঠানিকভাবে হাজির হন এবং যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেননি। অ্যান্থনি মাসকারেনহাসও বলেছেন ভুট্টোর এই দুঃখপ্রকাশ নিছক কূটনৈতিক নাটক ছিল (Bangladesh: A Legacy of Blood, 1986)। অথচ এই বাস্তবতাকে আড়াল করে লেখক ও প্রকাশক ভুট্টোর প্রতি অযথা সহানুভূতি দেখিয়েছেন, যা আমার কাছে শহীদদের রক্তের প্রতি অবমাননার মতো মনে হয়।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট নিয়েও একই রকম বিকৃতি আছে। মার্কিন কর্মকর্তা র্যাডফোর্ড বা সাংবাদিক সিডনি শ্যানবার্গের প্রসঙ্গ বিস্তারিতভাবে এসেছে, কিন্তু ভারতের সামরিক ও মানবিক অবদান কার্যত উপেক্ষা করা হয়েছে। অথচ সরকারি দলিল (Lok Sabha Debates, December 1971) এবং গ্যারি জে. বাসের গবেষণা (The Blood Telegram: Nixon, Kissinger, and a Forgotten Genocide, 2013) দেখায় ভারতের ভূমিকা ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অসম্ভব ছিল। এটিকে আড়াল করা মানে মুক্তিযুদ্ধকে নিছক আন্তর্জাতিক কূটনীতির বোর্ডে নামিয়ে আনা এবং ভারতবিদ্বেষকে জিইয়ে রাখা।
সব মিলিয়ে বইটিতে পাকিস্তানি নেতৃত্বের প্রতি একধরনের অকারণ সহানুভূতি এবং ভারতবিদ্বেষী দৃষ্টিভঙ্গি পাশাপাশি কাজ করেছে। ভুট্টোকে যেন আবেগপ্রবণ ও ভুল স্বীকারকারী নেতা বানানো হয়েছে, অথচ বাস্তবে তিনি ছিলেন ১৯৭১ সালের নৃশংসতার প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক দায়ভার বহনকারী। তার নেতৃত্বেই যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করার কূটনীতি চলেছে (Hamid Khan, Constitutional and Political History of Pakistan, 2009)। এই প্রেক্ষাপট পুরোপুরি আড়াল করে লেখক ও প্রকাশক একসাথে এমন এক পাঠ দাঁড় করিয়েছেন, যা পাঠককে বিভ্রান্ত করে এবং পাকিস্তানি প্রচারণার সঙ্গে মিলে যায়।
আমার কাছে পরিষ্কার যে হাসান ফেরদৌস ও প্রথমা প্রকাশনী উভয়ে মিলে ভুল তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে প্রচার করেছে, ভারতের অবদানকে খাটো করেছে, পাকিস্তানি নেতৃত্বকে রোমান্টিকীকরণ করেছে এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করেছে।...
written by Chemical Ali
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
New York, NY
11232