তানিন যায়েদ-Tanin Zaid

তানিন যায়েদ-Tanin Zaid বিদেশে উচ্চ-শিক্ষা, বাংলাদেশে ক্যারিয়ার ও সেলফ-হেল্প নিয়ে জানতে এ পেইজের সাথে থাকুন
www.taninzaid.com He worked at RED, BRAC; James P.

Tanin Zaid earned his Masters in Political Science from Ohio University and Bachelor in Development Studies from the University of Dhaka. He has been involved in different community service activities besides his academic engagement and volunteered for many social development activities.He is the founder of Guidelines for Non-STEM Higher Study Aspirants (GNHSA)and helping thousands of Bangladeshi higher study aspirants to be prepared for scholarships around the world through his platform. Apart from the social development activities, he has intensive experience of Research in different capacities. Grant School of Public Health, BRAC University, and CED, BRAC University as Research Assistant during his academic period at the University of Dhaka. Later, he started working at the Yunus Centre (Office of Nobel Laureate Professor Muhammad Yunus) as Assistant Program Officer and worked for two and a half years. After that, he worked at The Asia Foundation for 10 months before moving to the USA for pursuing his Masters in Political Science at Ohio University. He loves to read, travel, and help others to grow.

ফুল-ফান্ডেড মাস্টার্স বা পিএইচডির জন্য এশিয়ার কোন দেশগুলো ভালো?বিদেশে মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে চাইলে ইউরোপ-আমেরিকার পাশ...
08/25/2026

ফুল-ফান্ডেড মাস্টার্স বা পিএইচডির জন্য এশিয়ার কোন দেশগুলো ভালো?

বিদেশে মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে চাইলে ইউরোপ-আমেরিকার পাশাপাশি এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক ফুল-ফান্ডেড অফার দিয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রেই টিউশন ফি, মাসিক স্টাইপেন্ড, হেলথ ইন্সুরেন্স, যাতায়াত ভাড়াসহ আরও অনেক সুযোগ-সুবিধা এধরনের স্কলারশিপগুলোর আওতায় থাকে।

বিশেষ করে Japan, South Korea, China, Taiwan, Türkiye, Singapore এবং Malaysia—এই দেশগুলো স্কলারশিপ সিকারদের জন্য অনেক ভালো অপশন।

১. জাপান

জাপানে উচ্চশিক্ষার জন্য সবচেয়ে পরিচিত সরকারি scholarship হলো MEXT (Japanese Government Scholarship)। এটি Master's এবং Doctoral পর্যায়ে পাওয়া যায়। MEXT scholarship-এর আওতায় সাধারণত টিউশন ফি, লিভিং কস্ট থেকে শুরু করে অন্য অনেক সুবিধাই পাওয়া যায়।

জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশেষ করে STEM, Engineering, Technology, Natural Science এবং Research-based disciplines-এর জন্য প্রচুর সুযোগ দিয়ে থাকে। তবে Humanities ও Social Sciences-এরও ভালো সুযোগ রয়েছে। তাই যারা রিসার্চ বেসড ক্যারিয়ারে আগ্রহী বা পিএইচডিতে আবেদন করতে ইচ্ছুক তাদের জন্য জাপান ভালো একটা সুযোগ হতে পারে।

২. দক্ষিণ কোরিয়া

দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্কলারশিপ হলো Global Korea Scholarship (GKS)।

GKS Graduate program মূলত Master's ও PhD শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম বড় government-funded scholarship programme। GKS-এর মাধ্যমেও সাধারণত ফুল টিউশন ফি, লিভিং, হেলথ, রিসার্চ অন্যন্য সকল সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়। সাধারণত Master's ২ বছরের এবং Doctoral programme ৩ বছরের জন্য scholarship support থাকে; কিছু programme-এ এর আগে Korean language training-ও থাকে।

South Korea বিশেষভাবে Engineering, Computer Science, AI, Biotechnology, Natural Sciences, Business, Social Sciencesসহ আরও বিভিন্ন বিষয়ে অনেক সুযোগ দিয়ে থাকে। যারা full funding-এর পাশাপাশি technologically advanced academic environment চান তারা কোরিয়াতে আসতে পারেন।

৩. চীন

চীনে international students-এর জন্য সবচেয়ে পরিচিত সরকারি funding হলো Chinese Government Scholarship (CSC)। এছাড়াও নির্দিষ্ট ক্ষেত্র ও দেশের জন্য বিভিন্ন Chinese government scholarship রয়েছে। এসব স্কলারশিপে সাধারণত Scholarship programme অনুযায়ী টিউশন, লিভিংসহ অন্যান্য অনেক সাপোর্ট পাওয়া যায়।

উদাহরণ হিসেবে Chinese government-এর MOFCOM scholarship-এর official তথ্য অনুযায়ী Master's ও PhD students-এর tuition, accommodation, medical insurance এবং monthly stipend দেওয়া হয়; নির্দিষ্ট programme-এ international airfare-ও থাকে।

চীন বিশেষভাবে Engineering, Computer Science, AI, Technology, Business, Medicine, Natural Sciencesসহ সকল ধরনের রিসার্চ বেসড ডিসিপ্লিনের জন্য প্রচুর ফান্ডিং অফার করে থাকে। তাই STEM ও research-focused students, বিশেষ করে যারা তুলনামূলকভাবে বেশি university options চান তাদের জন্য চীন একটা ভালো অপশন।

৪. তাইওয়ান

তাইওয়ানও Asian scholarship destination হিসেবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এখানে Taiwan Scholarship, Taiwan ICDF Scholarship এবং বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক scholarships পাওয়া যায়। Official Study in Taiwan তথ্য অনুযায়ী Master's ও PhD পর্যায়ে এসব স্কলারশিপে টিউশন ও লিভিং মোটামোটি সবই কাভার করে। স্কলারশিপ কাভারেজের ক্ষেত্রে Taiwan Scholarship Master's-এর জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর এবং PhD-এর জন্য সর্বোচ্চ ৪ বছর পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া Academia Sinica Taiwan International Graduate Program (TIGP)-এর মতো research-focused programme-ও রয়েছে, যেখানে monthly stipend পাওয়া যায়।

Engineering, Semiconductor, Computer Science, AI, Biotechnology, Natural Sciences ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য তাইওয়ান ভালো অপশন। রিসার্চ ওরিয়েন্টেড স্টুডেন্টদের জন্য তাইওয়ান ভালো সুযোগ।

৫. তুরস্ক

তুরস্কের সবচেয়ে পরিচিত সরকারি scholarship হলো Türkiye Scholarships। এটি international students-এর জন্য Bachelor's, Master's এবং PhD পর্যায়ে scholarship দেয়। সরকারি স্কলারশিপ হওয়াতে Türkiye Scholarships-এ টিউশন, লিভিংসহ সবকিছুই পাবার সুযোগ থাকে।

এছাড়া IsDB member countries-এর শিক্ষার্থীদের জন্য Türkiye Scholarships–IsDB Joint Scholarship-ও রয়েছে, যেখানে tuition, accommodation support, stipend, health insurance, language course এবং airfare অন্তর্ভুক্ত থাকে।

তুরস্কে Social Sciences, Business, Economics, Political Science, Engineering, Humanities, Islamic Studiesসহ অনেক বিষয়ে সুযোগ রয়েছে। যারা Humanities, Social Sciences, Business-এর পাশাপাশি STEM-এও scholarship খুঁজছেন তাদের জন্য তুরস্ক ভালো একটা সিদ্ধান্ত হতে পারে।

৬. সিঙ্গাপুর

সিঙ্গাপুরে সরকারি একক scholarship-এর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক Research Scholarship অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে NUS, NTU-এর মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে research-based Master's/PhD funding পাওয়া যায়।

উদাহরণ হিসেবে NUS Research Scholarship-এর ২০২৬ সালের official terms অনুযায়ী international students-এর জন্য monthly stipend Master's-এ S$2,900 এবং PhD-তে S$3,000; PhD qualifying examination pass করার পর অতিরিক্ত stipend-এর সুযোগও রয়েছে।

উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, ফান্ডিং, রিসার্চ অপশনসহ আরও অনেক সুযোগ-সুবিধা আছে সিঙ্গাপুরে। তবে এখানে admission এবং scholarship খুব competitive। যাদের Strong academic profile ও research experience আছে তারা সিঙ্গাপুর দেখতে পারেন।

৭. মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়াতেও international students-এর জন্য government এবং university-funded postgraduate scholarships পাওয়া যায়। একটি গুরুত্বপূর্ণ option হলো Malaysia International Scholarship (MIS), যা international students-কে Malaysia-তে full-time postgraduate study-এর জন্য support করে। Scholarship-এর নির্দিষ্ট intake অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধাগুলো পরিবর্তিত হতে পারে। তবে সাধারণত টিউশন ফি ও লিভিংয়ে কম-বেশি সব ইনটেকেই সাপোর্ট পাওয়া যায়।

মালয়েশিয়ার অন্যতম সুবিধা হলো তুলনামূলকভাবে কম living cost, অনেক English-taught programme এবং international student-friendly environment. যারা কম খরচে Asia-তে Master's/PhD করতে চান এবং scholarship-এর পাশাপাশি affordable study destination চান তাদের জন্য মালয়েশিয়া খুবই ভালো একটা সুযোগ।

নিউজিল্যান্ডে ফুল-ফান্ডেড মাস্টার্স করা যাবে এমন বিশ্ববিদ্যালয় কোনগুলো?নিউজিল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের কাছে উন্...
08/23/2026

নিউজিল্যান্ডে ফুল-ফান্ডেড মাস্টার্স করা যাবে এমন বিশ্ববিদ্যালয় কোনগুলো?

নিউজিল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের কাছে উন্নত উচ্চশিক্ষা, নিরাপদ পরিবেশ এবং গবেষণার ভালো সুযোগের জন্য জনপ্রিয়। বিশেষ করে রিসার্চ মাস্টার্স প্রোগ্রামগুলোতে স্কলারশিপ, টিউশন ওয়েইভার এবং স্টাইপেন্ড পাওয়ার সুযোগ তুলনামূলকভাবে বেশি।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি নিউজিল্যান্ডের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য সরাসরি ফুল-ফান্ডেড মাস্টার্স স্কলারশিপ নেই। অনেক স্কলারশিপ শুধু টিউশন ফি ওয়েইভ করে থাকে। তাই স্কলারশিপের ধরন, ফান্ডিংয়ের পরিমাণ এবং রিকোয়ারমেন্টগুলো ভালোভাবে দেখে আবেদন করতে হবে।

১. University of Otago

University of Otago ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য মাস্টার্স পর্যায়ে বেশ কয়েক ধরনের স্কলারশিপ দেয়।

University of Otago International Master's Research Scholarship সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগগুলোর একটি। এটি thesis-based Master's-এর জন্য দেওয়া হয়। বর্তমানে এর মাধ্যমে বছরে প্রায় NZ$18,204 stipend এবং এক বছরের জন্য সর্বোচ্চ NZ$35,000 পর্যন্ত tuition fee waiver পাওয়া যায়। তবে tuition fee $35,000-এর বেশি হলে অতিরিক্ত অংশ শিক্ষার্থীকে দিতে হতে পারে।

এছাড়া University of Otago Global Master's Scholarship-এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ কিছু নির্দিষ্ট দেশের শিক্ষার্থীরা selected taught Master's programme-এর জন্য NZ$15,000 tuition fee support পেতে পারেন। এই scholarship-এর eligible countries-এর মধ্যে Bangladesh রয়েছে। Research Master's-এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো options-এর একটি হতে পারে।

২. University of Auckland

নিউজিল্যান্ডের অন্যতম শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় University of Auckland-এ international Master's students-এর জন্য বিভিন্ন স্কলারশিপ রয়েছে।

University of Auckland International Student Excellence Scholarship-এর মাধ্যমে eligible international students up to NZ$10,000 tuition fee support পেতে পারেন।

এছাড়া নির্দিষ্ট subject-এর জন্য আরও বড় স্কলারশিপ রয়েছে। যেমন, International Business Masters Scholarship-এর মাধ্যমে Business School-এর selected Master's programme-এ up to NZ$24,000 tuition fee support পাওয়া যায়। Medical Sciences-এর কিছু Master's programme-এ up to NZ$20,000 per year tuition fee credit পাওয়া যেতে পারে।

তবে University of Auckland-এর Research Master's Scholarship-এর বর্তমান guaranteed scheme-টি সাধারণ international students-এর জন্য নয়; সেটির eligibility-তে New Zealand citizen বা permanent resident হওয়ার শর্ত রয়েছে। তাই international student হিসেবে অন্য scholarship বা external funding খুঁজতে হবে। পরিশেষে, এখানে Partial funding-এর সুযোগ ভালো, কিন্তু 100% funding-এর জন্য external scholarship/research funding প্রয়োজন হতে পারে।

৩. Victoria University of Wellington

Victoria University of Wellington-এ international Master's students-এর জন্য VUW Postgraduate International Scholarship রয়েছে।

এই scholarship-এর value NZ$10,000 এবং এটি Master's by thesis ও Master's by coursework এই দুই ধরনের programme-এর জন্যই পাওয়া যেতে পারে। Scholarshipটি সাধারণত tuition fee কমাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর মেয়াদ এক বছর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন Master's programme-এর application information-এও এই NZ$10,000 scholarship-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে শুধু এই scholarship দিয়ে সাধারণত পুরো খরচ cover হয় না।

৪. Massey University

Massey University-তে research-based Master's শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো funding opportunity রয়েছে।

Massey University Master's Research Scholarship-এর value বর্তমানে NZ$15,000, এবং এটি Master's-এর research component-এ থাকা domestic ও international students-এর জন্য প্রযোজ্য হতে পারে। Scholarship-এর মেয়াদ এক বছর।

এছাড়া specific research area-এর জন্য আরও বিভিন্ন scholarship ও research grant রয়েছে।

International students-এর জন্য International Creative Excellence Masters Degree Scholarship-এর মাধ্যমে eligible Creative Arts Master's programme-এ up to NZ$10,000 tuition fee scholarship পাওয়া যায়। এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ করে research Master's-এর ক্ষেত্রে ভালো option হতে পারে।

৫. University of Waikato

University of Waikato-তেও Master's পর্যায়ে funding-এর সুযোগ রয়েছে।

University of Waikato Research Master's Scholarship-এর value up to NZ$15,000। এটি first Master's degree-এর 90 বা 120-point thesis component-এর জন্য দেওয়া হয়। তবে বর্তমান eligibility অনুযায়ী international students-কে অন্তত 120 points New Zealand university-তে সম্পন্ন করার শর্ত রয়েছে।

Taught postgraduate students-এর জন্য University of Waikato Taught Postgraduate Scholarship রয়েছে, যার value up to NZ$3,000।
এছাড়া কিছু regional/country-specific scholarship রয়েছে; তবে সব scholarship Bangladesh-এর জন্য applicable নয়। উদাহরণ হিসেবে, 2026 South-East Asia scholarship-টি নির্দিষ্ট দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশের নাগরিকদের জন্য ছিল।

মোটকথা, Research funding থাকলেও international applicants-রা অনেক জায়গাতেই আবেদনের যোগ্য নাও হতে পারে। তাই eligibility carefully check করে আবেদন করতে হবে।

৬. Lincoln University

Lincoln University-তে international Master's students-এর জন্য বিভিন্ন scholarship রয়েছে।

বিশেষ করে International Taught Master's Merit Scholarship-এর মাধ্যমে eligible international students NZ7,000–NZ10,000 পর্যন্ত tuition fee support পেতে পারেন। সাধারণত Bachelor's-এর final year-এ ভালো academic result প্রয়োজন হয়।

Lincoln University-এর Research Master's Scholarship research Master's-এর research year-এর জন্য New Zealand domestic tuition fee-এর সমপরিমাণ funding দেয়। তবে এই scholarship-এর eligibility এবং availability programme অনুযায়ী যাচাই করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য Manaaki New Zealand Scholarship-ও উল্লেখ করে, যা eligible students-এর জন্য fully funded study opportunity। বিশেষ করে research Master's বা government-funded scholarship পেলে এই বিশ্ববিদ্যালয় একটা ভালো সুযোগ হতে পারে।

৭. Auckland University of Technology (AUT)

Auckland University of Technology বা AUT-এ international students-এর জন্য বিভিন্ন scholarship রয়েছে এবং Bangladesh South Asia region-এর অন্তর্ভুক্ত।

AUT-এর International Scholarships-এর আওতায় Business, Design, Creative Technologies, Health, Environmental Sciences এবং অন্যান্য faculty-এর বিভিন্ন Master's programme রয়েছে।

উদাহরণ হিসেবে eligible Master's programme-এর মধ্যে রয়েছে: Master of Business, Master of Applied Finance, Master of Analytics, Master of Computer and Information Sciences, Master of Engineering, Master of Communication Studies, Master of Education, Master of Public Health
Master of Science, Master of Philosophy ইত্যাদি।

AUT-এ Manaaki New Zealand Scholarship-এর মাধ্যমেও eligible international students full tertiary scholarship-এর জন্য আবেদন করতে পারেন।Manaaki-এর মতো external government scholarship পেলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো প্রকার অন্য খরচ ছাড়াই পড়াশোনা শেষ করা যাবে।

নিউজিল্যান্ডে ফুল-ফান্ডিংয়ের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল Manaaki New Zealand Scholarship পাওয়া। কেননা নিউজিল্যান্ড সরকারের Manaaki New Zealand Scholarship eligible দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ fully funded scholarship গুলোর একটি। এটি eligible undergraduate ও postgraduate students-এর tuition fees, living costs, return airfare, insurance এবং New Zealand-এ initial setup-এর মতো খরচ cover করতে পারে। তবে সব দেশের শিক্ষার্থী এই scholarship-এর জন্য eligible নয় এবং eligible country ও priority subject প্রতি intake-এ যাচাই করতে হয়।

এখন আসা যাক বাংলাদেশ থেকে নিউজিল্যান্ডে Master's করতে চাইলে, এক্ষেত্রে শুধু ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ খোঁজার পরিবর্তে রিসার্চ মাস্টার্স প্রোগ্রাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ, সরকারি বা এক্সটার্নাল স্কলারশিপ এই তিনটি অপশনকে একসঙ্গে টার্গেট করা সবচেয়ে ভালো।

নিউজিল্যান্ডে international students-এর জন্য সরাসরি 100% funded Master's scholarship সীমিত হলেও University of Otago, Massey University, Lincoln University, AUT, Victoria University of Wellington, University of Auckland এবং University of Waikato—এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে Master's পর্যায়ে বিভিন্ন scholarship ও research funding পাওয়া যায়। এর মধ্যে research-based Master's এবং Manaaki Scholarship full funding-এর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথ বলা যায়।

08/20/2026

ফ্রান্সের বিখ্যাত Eiffel Excellence Scholarship নিয়ে অনেকেরই অনেক আগ্রহ থাকে। ইউরোপের ফুল-ফান্ডেড সরকারি স্কলারশিপগুলোর মধ্যে এই স্কলারশিপ অন্যতম। এই ভিডিওতে প্রয়োজনীয় সকল তথ্যগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যারা সামনের সেশনে আবেদন করতে চান অবশ্যই দেখে নিন ও সেইভ করে রাখুন ভিডিওটা।

সাউথ আমেরিকার দেশগুলোতে উচ্চশিক্ষার খরচ কেমন?উচ্চশিক্ষার জন্য নর্থ আমেরিকা, ইউকে, কানাডা বা অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি সাউথ আ...
08/20/2026

সাউথ আমেরিকার দেশগুলোতে উচ্চশিক্ষার খরচ কেমন?

উচ্চশিক্ষার জন্য নর্থ আমেরিকা, ইউকে, কানাডা বা অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি সাউথ আমেরিকাও হতে পারে একটি বিকল্প সুযোগ। বিশেষ করে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, চিলি ও কলাম্বিয়ায় ভালো বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণার সুযোগ এবং কিছু ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম খরচে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।

তবে সমস্যা হল সাউথ আমেরিকার অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়াম অফ ইন্সট্রাকশন হল স্প্যানিস বা পর্তুগিজ ভাষা। তাই শুধু IELTS থাকলেই সব প্রোগ্রামে আবেদন করা যাবে এমনটা এখানে হয় না। এসব দেশে আসতে চাইলে স্প্যানিস ভাষা শিখে আসতে হবে। তবে যেহেতু এখানকার অনেক দেশেই ভালো ভালো সুযোগ আছে, তাই ভাষা কিছুটা রপ্ত করে আবেদন করে ফেলাটা খুব একটা খারাপ সিদ্ধান্ত হবে না। চলুন এবারে দেখে নেয়া যাক এসব দেশে পড়াশোনার সুযোগ-সুবিধাগুলো কেমন।

1. Brazil — কম খরচে ভালো সুযোগ

ব্রাজিল হল সাউথ আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম উন্নত উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার একটা ভালো ডেস্টিনেশন। Engineering, Computer Science, Agriculture, Environmental Science, Business, Public Health ও বিভিন্ন রিসার্চ বেসড সাবজেক্টে ভালো সুযোগ রয়েছে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনেক আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ও পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে টিউশন ফি সাধারণত নেই বা খুব কম হয়ে থাকে। তবে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে খরচ অনেকটাই বেশি হয়। খরচের ক্ষেত্রে শহর ও লাইফস্টাইল অনুযায়ী কম-বেশি হতে পারে। তবে আনুমানিকভাবে মাস্টার্স করলে টিউশন ফি ও লিভিং কস্ট সবকিছু মিলিয়ে ১২-১৫ লাখের মতো হতে পারে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে আরও বেশি লেগে থাকে।

2. Argentina

আর্জেন্টিনার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সবসময়ই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করেছে। University of Buenos Aires (UBA)-এর মতো বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এখানে এবং Medicine, Business, Economics, Social Science, Humanities ও অন্যান্য বিষয়ে প্রচুর সুযোগ আছে। মাস্টার্স করতে এখানে প্রায় ১৪ লাখের মতো খরচ পড়তে পারে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ধরন ও প্রোগ্রাম অনুযায়ী খরচ ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়।

3. Chile — উন্নত শিক্ষা ও স্কলারশিপের জন্য ভালো

চিলিতে সাউথ আমেরিকার তুলনামূলক উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা আছে। Engineering, Business, Economics, Environmental Science, Public Health এবং Research-এর জন্য এই দেশে ভালো ভালো সুযোগ পাওয়া যায়। পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট লেভেলে চিলিতে সরকারি স্কলারশিপের সুযোগও আছে যা টিউশন, লিভিং কস্ট ও অন্যান্য সুবিধা দিয়ে থাকে। স্কলারশিপ ছাড়া সম্পূর্ণ নিজের খরচে পড়তে চাইলে টিউশন ও লিভিংসহ আনুমানিক প্রায় ২০ লাখের মতো লাগতে পারে।

4. Colombia

কলাম্বিয়াতেও ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য পোস্টগ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ ও এক্সচেন্জ সুবিধাও আছে। Business, Social Science, Engineering, Public Health ও Environmental Studies-এর মতো বিষয়ে আগ্রহীরা দেশটি বিবেচনা করতে পারেন। সেল্ফ ফান্ডে এই দেশে মাস্টার্স করতে চাইলে টিউশন ও লিভিংসহ প্রায় ১৫ লাখের মতো খরচ হতে পারে।

বর্তমানে নর্থ আমিরিকা বা অন্য অনেক দেশে উচ্চশিক্ষায় যাওয়াটা বেশ কঠিন হওয়াতে এই দেশগুলো আশার আলো দেখাতে পারে। পড়াশোনার পাশাপাশি এসব দেশে ক্যারিয়ারের সুযোগও অনেক। আবার কেউ যদি সেল্ফ ফান্ডে পড়তে চায় সেক্ষেত্রেও অনেক দেশে খরচ কম লাগতে পারে। তাই সব মিলিয়ে যারা গতানুগতিক নর্থ আমেরিকা, ইউরোপ বা ইউকে টার্গেট করতে চাচ্ছেন না তারা এসব দেশ দেখতে পারেন।

অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা নিয়ে সকল তথ্য অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় উচ্চশ...
08/16/2026

অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা নিয়ে সকল তথ্য

অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় উচ্চশিক্ষার গন্তব্য। দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিং, গবেষণার সুযোগ, ইংরেজি ভাষার পরিবেশ, পড়াশোনার পাশাপাশি বৈধভাবে কাজের সুযোগ এবং গ্র্যাজুয়েশনের পর ওয়ার্ক ভিসা সব মিলিয়ে এটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও আকর্ষণীয় একটি ডেস্টিনেশন।

তবে ২০২৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার Student Visa, migration এবং international education policy আগের তুলনায় অনেক বেশি নিয়ন্ত্রিত। তাই শুধু অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে গেলেই PR পাওয়া যাবে এমন ধারণা একেবারেই সঠিক নয়।

১. অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের মান ও ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিং

অস্ট্রেলিয়ার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা অনেক বেশি উন্নত এবং কঠোরভাবে রেগুলেটেড। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নেওয়া প্রতিষ্ঠান ও কোর্সগুলোকে সাধারণত CRICOS-এ নিবন্ধিত হতে হয়। Australian Government-এর CRICOS database থেকেই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ও কোর্স যাচাই করতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে।

QS World University Rankings 2026 অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান:

University of Melbourne ১৯তম, UNSW Sydney ২২তম, University of Sydney ২৮তম, Australian National University (ANU) ২৯তম, Monash University ৩১তম, University of Queensland ৪০তম, University of Western Australia ৭৭তম অবস্থানে রয়েছে।

অর্থাৎ শুধু Sydney বা Melbourne-এর কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় নয়—Australia জুড়েই ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এখানে উন্নত রিসার্চ ল্যাব রয়েছে যা বিভিন্ন বিষয়ে রিসার্চ ক্যারিয়ার গড়ার ভালো একটা সুযোগ। এছাড়া ইন্ডাস্ট্রি ফোকাসড সাবজেক্টও আছে। তাই একাডেমিয়াতে ক্যারিয়ার গড়ার পাশাপাশি এখানে আছে ইন্ডাস্ট্রিতে সরাসরি অবদান রাখার সুযোগ।

২. স্কলারশিপের সুযোগ কেমন?

অস্ট্রেলিয়ায় স্কলারশিপের সুযোগ ভালো, কিন্তু ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ পাওয়া অনেকটাই কঠিন। বিশেষ করে মাস্টার্স প্রোগ্রামগুলোতে একদম ফুল-ফান্ড পাওয়া বেশ কঠিন। কেননা এখানে আমেরিকার মতো গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিসটেন্টশিপ অতোটা নেই। তবে তারপরও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিভিন্ন ধরনের স্কলারশিপ পাবার সুযোগ থাকে।

স্কলারশিপ প্রধানত তিন ধরনের:

Australian Government Scholarships:

সরকারি স্কলারশিপগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো Australia Awards Scholarships (AAS)। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও Australia Awards-এর জন্য eligible country-এর নাগরিক হিসেবে আবেদন করতে পারে। ২০২৭ intake-এর জন্য Bangladesh-এর আবেদন ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। এই স্কলারশিপ সাধারণত টিউশন ফি, লিভিং কস্ট, যাতায়াত ভাড়াসহ আরও অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে।

তবে এখানে জেনে রাখা দরকার যে, Australia Awards মূলত development-oriented scholarship. Scholarship পাওয়ার পর সাধারণত scholarship শেষ হলে কমপক্ষে দুই বছর Australia-এর বাইরে থাকতে হয়। অর্থাৎ পড়াশোনা শেষে দেশে ব্যাক করতে হয়। তাই এই স্কলারশিপে পড়াশোনা করে পিআর পাবার সম্ভাবনা খুব একটা নেই।

Research Training Program (RTP):

Research master's এবং PhD শিক্ষার্থীদের জন্য Australian Government Research Training Program (RTP) অত্যন্ত ভালো একটা সুযোগ। এটি domestic ও international দুই ধরনের রিসার্চ স্টুডেন্টদের জন্য দেয়া হয় এবং participating university-এর মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামেও টিউশন ফি, লিভিং কস্ট, রিসার্চ সাপোর্টসহ আরও অনেক সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়।

University Scholarships:

প্রায় সব বড় বিশ্ববিদ্যালয়ই ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য নিজস্ব scholarship দেয়।

যেমন:

Merit scholarship
Tuition fee reduction
Research scholarship
Faculty-specific scholarship
International student scholarship

এক কথায়, অস্ট্রেলিয়াতে ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ পাওয়া সম্ভব, কিন্তু সহজ নয়।

বিশেষ করে ফুল-ফান্ডেড মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য সাধারণত ভালো একাডেমিক রেজাল্ট, ভালো রিসার্চ প্রোফাইল, স্ট্রং SOP/LOR, ইংরেজি ভাষা দক্ষতা, রিসার্চ প্রোপোজাল, রিলেভেন্ট একাডেমিক বা প্রফেশনাল এক্সপেরিয়েন্স ইত্যাদি প্রয়োজন হয়।

৩. Student Visa পাওয়ার রেশিও কেমন?

অস্ট্রেলিয়ার স্টুডেন্ট ভিসার কোনো একক guaranteed visa ratio নেই। ভিসা অ্যাপ্রুভাল আবেদনকারীর বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। যেমন- একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড, কোন কোর্স সিলেক্ট করা হয়েছে, ফাইনেন্সিয়াল ক্যাপাসিটি, ইংরিজি ভাষা দক্ষতা, ইমিগ্রেশনের ইতিহাস, অন্যান্য ডকুমেন্টের সত্যতা ইত্যাদি।

২০২৫-২৬ financial year-এর ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত Australian Government-এর তথ্য অনুযায়ী overall Student Visa grant rate ছিল 80.9%। তবে sector অনুযায়ী পার্থক্য অনেক বড়। Higher Education sector-এর grant rate ছিল 88.9%, যেখানে VET sector-এর ছিল মাত্র 51.8%। Postgraduate Research sector-এর grant rate ছিল 97.0%। বাংলাদেশ Australia-এর একটি উল্লেখযোগ্য international student source country. ২০২৬ সালের May পর্যন্ত Australia-তে international students-এর প্রায় 4% Bangladesh থেকে এসেছে।

তবে ২০২৬ সালে স্টুডেন্ট ভিসাতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। যেমন- Offshore Student Visa application এখন provider-এর overseas student commencement allocation-এর ওপর ভিত্তি করে Priority 1, 2 অথবা 3 processing-এর মধ্যে দিয়ে যেতে পারে। Priority processing শুধু processing order-কে প্রভাবিত করে; visa grant/refusal criteria পরিবর্তন করে না। বর্তমানে Student Visa application charge ১ জুলাই ২০২৬ থেকে AUD 2,500 হয়েছে।

৪. পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করার সুযোগ কেমন?

Student Visa (subclass 500)-তে সাধারণত Semester চলাকালে সর্বোচ্চ 48 hours per fortnight অর্থাৎ দুই সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা পার্ট-টাইম কাজ করা যায়। Scheduled study break-এ সাধারণত unlimited hours কাজ করা যায়। তবে Master's by Research এবং Doctoral students-এর জন্য 48-hour restriction প্রযোজ্য নয়, course শুরু হওয়ার পর তারা বেশি সময় কাজ করতে পারেন।

এ ধরনের পার্ট-টাইম কাজের ক্ষেত্রে এখানে কোনো ফিক্সড স্যালারি নেই। কাজের ধরন, award, experience, location এবং employment arrangement অনুযায়ী ইনকাম বা স্যালারি পরিবর্তিত হয়। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে Australia-এর National Minimum Wage সাধারণত AUD $26.44/hour এবং eligible casual employees-এর ক্ষেত্রে National Minimum Wage-এর casual rate AUD $33.05/hour করা হয়েছে। তবে international students-এর অনেক job award-এর আওতায় পড়ে, তাই actual minimum rate job/industry অনুযায়ী আরও বেশি হতে পারে।

সাধারণ স্টুডেন্ট জবগুলোর মধ্যে পড়ে- Hospitality, Restaurant/cafe, Retail, Supermarket, Customer service, Administration, Warehouse, Cleaning, Tutoring, University-related casual work ইত্যাদি।

তবে Australia যাওয়ার আগে ধরে নেওয়া উচিত নয় যে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই job পাওয়া যাবে। যেকোন জব পেতে সময় লাগতে পারে এবং প্রত্যাশার তুলনায় কম ইনকামও হতে পারে। সবকিছু পরিস্থিতির ওপরও কিছুটা নির্ভর করে। পার্ট-টাইম জব দিয়ে টিউশন ফি ও লিভিং কস্ট নিশ্চিতভাবে চালানো যাবে এমন পরিকল্পনা না করাই ভালো। চেষ্টা করা উচিত কোনো একটা স্কলারশিপ পাওয়া যায় কিনা।

৫. পড়াশোনা শেষ করার পর ক্যারিয়ার

এখানেই Australia-এর একটি বড় advantage রয়েছে। Eligible graduates-এর জন্য Temporary Graduate visa (subclass 485) রয়েছে। Post-Higher Education Work stream-এ বর্তমানে সাধারণভাবে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স কোর্সওয়ার্কে দুই বছর, মাস্টার্স রিসার্চ ও পিএইচডিতে তিন বছরের অস্ট্রেলিয়াতে থাকার সুযোগ থাকে।

এই ভিসাতে গ্র্যাজুয়েশনের পর work, live এবং study করতে পারে। তবে এই সময়ের মধ্যেই একটা স্টেবল জবে ঢুকে যেতে হবে। আবার, Regional Australia-তে পড়াশোনা ও বসবাসের ক্ষেত্রে eligible graduates-এর জন্য Second Post-Higher Education Work stream-এর মাধ্যমে আরও 1–2 years stay-এর সুযোগ থাকতে পারে।

পিআর পাবার ক্ষেত্রে অনেক সময়েই সাবজেক্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। Australian labour market ও skilled migration policy অনুযায়ী কিছু occupation-এর demand তুলনামূলকভাবে ভালো হতে পারে। বিশেষ করে Healthcare, Nursing, Allied Health, Teaching, Engineering, Information Technology, Cybersecurity, Construction, Certain trades, Social work ছাড়াও কিছু science/technical occupations এর ক্ষেত্রে পিআর সহজে পাওয়া যেতে পারে।

তবে একটি degree থাকলেই skilled migration-এর eligibility automatically আসে না। এজন্য course → occupation → skills assessment → visa eligibility—এই পুরো chain দেখতে হবে। Australian Government-এর skilled occupation framework-এ বিভিন্ন skilled visa-এর জন্য eligible occupations নির্ধারিত থাকে।

৬. Australia-তে PR পাওয়ার সুযোগ কেমন?

এই জায়গায় বেশিরভাগ মানুষ অনেক বিষয় ‍নিয়েই ভুল বুঝে থাকেন। Australia-তে Master's করলেই PR পাওয়া যায় এমন ধারণা অনেকাংশেই ভুল। Australia-তে study করার পর PR-এর সম্ভাব্য pathway থাকতে পারে, কিন্তু PR guaranteed নয়।

Potential pathways-এর মধ্যে রয়েছে:

Skilled Independent visa — subclass 189
Skilled Nominated visa — subclass 190
Skilled Work Regional — subclass 491
Employer-sponsored pathways
Skills in Demand visa
Employer Nomination Scheme — subclass 186

PR-এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেগুলো সাধারণত বিবেচনায় আসতে পারে সেগুলো হল: Occupation, Skills assessment, Age, English, Qualification, Work experience, State nomination, Regional residence/work, Employer sponsorship, Current migration policy ইত্যাদি। তবে পিআরের জন্য occupation list বা migration policy পরিবর্তন হতে পারে এবং প্রতিনিয়তই হচ্ছে।

২০২৬–২৭ সালে Australia's Permanent Migration Program-এর planning level 185,000 places, যার প্রায় 70:30 ভাগ Skilled ও Family Program-এর মধ্যে রাখা হয়েছে। সরকার onshore migrants-এর জন্য 129,590 places বরাদ্দ করেছে।

সবশেষে, Australia PR-friendly হতে পারে, কিন্তু PR-friendly course বলে কোনো guaranteed category নেই। এজন্য যেই অ্যাপ্লিকেন্ট অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে নিজের occupation, skills assessment এবং সম্ভাব্য migration pathway যাচাই করবে, তার পরিকল্পনা অনেক বেশি বাস্তবসম্মত হবে।

৭. অস্ট্রেলিয়াতে Lifestyle কেমন?

এবার আসা যাক লাইফস্টাইল নিয়ে। অস্ট্রেলিয়াতে লাইফস্টাইল সাধারণত মাল্টিকালচারাল, নিরাপদ, স্বাধীন, স্টুডেন্ট ফ্রেন্ডলি। এখানে বিভিন্ন দেশের বড় বড় স্টুডেন্ট কমিউনিটি রয়েছে। ২০২৬ সালের May পর্যন্ত Australia-তে প্রায় 680,582 international students পড়াশোনা করেছে। জনপ্রিয় স্টুডেন্ট সিটিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: Sydney, Melbourne, Brisbane, Perth, Adelaide, Canberra, Hobart/Darwin. সাধারণত বড় শহরগুলোতে লিভিং কস্ট অনেকটাই বেশি। তবে ছোট বা রিজিওনাল শহরগুলোতে অনেক ক্ষেত্রে accommodation, transport ও entertainment তুলনামূলকভাবে affordable হতে পারে।

খরচের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট করে কোনো এমাউন্ট বলা সম্ভব নয়। কেননা খরচ নির্ভর করে লোকেশন, লাইফস্টাইল ইত্যাদি আরও অনেক কিছুর ওপর। এক্ষেত্রে সাধারণত সবচেয়ে বড় খরচ হল বাসা ভাড়া, বিলস ও অন্যান্য ট্রান্সপোর্ট খরচ। খাবারের ক্ষেত্রে নিজে রান্না করে খেলে খরচ অনেকটাই কমানো সম্ভব। আবার শেয়ারে বাসা নিলেও খরচ অনেক কমানো যায়।
Student visa-এর জন্য যে minimum financial requirement দেখাতে হয়, সেটাকে বাস্তব living cost ধরে নেওয়া উচিত নয়। কেননা ওই এমাউন্টের থেকে আসল খরচ অনেক বেশি হতে পারে।

Student Visa-এর জন্য সাধারণত Overseas Student Health Cover (OSHC) প্রয়োজন। Student Visa application-এর eligibility requirements-এর মধ্যেও OSHC-এর বিষয়টি রয়েছে। তাই Australia যাওয়ার মোট budget হিসাব করার সময় Tuition + OSHC + Visa + Accommodation + Food + Transport + Emergency fund সবকিছু ধরে হিসাব করতে হবে।

বর্তমান বিশ্বের পরিস্থিতিতে আমেরিকা বা ইউরোপের কঠোর ইমিগ্রেশন প্রসেসের কারণে উচ্চশিক্ষা প্রার্থীদের কাছে অস্ট্রেলিয়া জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ভালো একাডেমিক প্রোফাইল আর সঠিক পরিকল্পনা করতে পারলে অস্ট্রেলিয়াতে সেটেল হওয়া খুব একটা কঠিন কিছু না। তাই নিজের অবস্থান যাচাই করে বুঝে-শুনে পরিকল্পনা করে আসা উচিত। আশা করি সফল হওয়া যাবে।

অস্ট্রেলিয়া নিয়ে আরও কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন।

বিদেশে গিয়ে Part-time Job না পেলে কী করবেন?বিদেশে পড়তে গেলে অনেক শিক্ষার্থী ধরে নেন যে বিদেশের মাটিতে পা রাখার সাথে সাথে...
08/12/2026

বিদেশে গিয়ে Part-time Job না পেলে কী করবেন?

বিদেশে পড়তে গেলে অনেক শিক্ষার্থী ধরে নেন যে বিদেশের মাটিতে পা রাখার সাথে সাথেই একটা জব ম্যানেজ হয়ে যায়! কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়। পার্ট-টাইম জবের অনেক খোঁজ হয়তো পাওয়া যাবে। কিন্তু সেখানে কাজ পাওয়াটা নিশ্চিত নয়। তাই বিদেশে যাওয়ার আগে নিজের পড়াশোনা ও থাকা-খাওয়ার খরচ এমনভাবে পরিকল্পনা করা উচিত, যাতে শুরুতে কাজ না পেলেও কিছু সময় নিজের টাকায় চলতে পারেন।

১. প্রথমেই নিজের ভিসার ওয়ার্ক পারমিটগুলো যাচাই করুন

কোন দেশে কত ঘণ্টা কাজ করা যাবে, কোন ধরনের কাজ করা যাবে এবং কখন কাজ করা যাবে এসব নিয়ম দেশ ও ভিসাভেদে আলাদা। যেমন, কানাডায় ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টরা ক্লাস চলাকালীন অফ-ক্যাম্পাসে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে পারে। অস্ট্রেলিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসার অধীনে সাধারণভাবে পড়াশোনার সময় প্রতি দুই সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা কাজের অনুমতি রয়েছে। তাই অন্য দেশের নিয়ম দেখে নিজের দেশের নিয়ম ধরে নেওয়া যাবে না।

২. শুধু Part-time Job-এর ওপর নির্ভর করবেন না

বিদেশে যাওয়ার আগে tuition fee, accommodation, food, transportation এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচের পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতির জন্য আলাদা অর্থ রাখুন। কারণ চাকরি পেতে কয়েক সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে, আবার আপনার পছন্দের কাজ নাও পাওয়া যেতে পারে।

৩. University-এর Career Service ব্যবহার করুন

অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে career service, job board, career fair বা employment support থাকে। Campus-এর ভেতরের সুযোগও খুঁজুন। উদাহরণস্বরূপ, কানাডায় ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টরা নির্দিষ্ট শর্তে campus-এ কাজ করতে পারে।

৪. প্রথমে নিজের CV ও Job Search Strategy ঠিক করুন

একটি ভালো ও প্রফেশনাল CV তৈরি করুন। একই CV দিয়ে সব ধরনের চাকরিতে আবেদন না করে position অনুযায়ী CV ও cover letter পরিবর্তন করুন। University career centre থেকে CV review এবং interview preparation-এর সুযোগ থাকলে সেটিও ব্যবহার করুন।

৫. নিজের Search Area বাড়ান

শুধু একটি নির্দিষ্ট ধরনের কাজের জন্য অপেক্ষা না করে, নিজের skills ও visa conditions-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিভিন্ন ধরনের entry-level কাজ খুঁজুন। তবে ভিসায় অনুমোদিত নয় এমন কাজ কখনো করবেন না।

৬. প্রফেশনাল নেটওয়ার্ক তৈরির চেষ্টা করুন

Classmates, university societies, career events, professors এবং অন্যান্য international students-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। অনেক চাকরির সুযোগ সরাসরি পরিচিতি ও networking-এর মাধ্যমে জানা যায়।

৭. কাজ না পাওয়া পর্যন্ত পড়াশোনার ক্ষতি করা যাবে না

Part-time job-এর উদ্দেশ্য হওয়া উচিত পড়াশোনার পাশাপাশি আয় বা experience অর্জন করা। চাকরি পাওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় দিতে গিয়ে একাডেমিক পারফর্মেন্স খারাপ করা উচিত নয়। কিছু দেশে নির্ধারিত ওয়ার্ক আওয়ার লিমিট অতিক্রম করাও ইমিগ্রেশনে সমস্যা তৈরি করতে পারে। যেমন- কানাডায় অনুমোদিত সীমার বেশি কাজ করা স্টাডি পারমিটের শর্ত লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা বিদেশে যাওয়ার আগে বিদেশে গিয়ে পার্ট-টাইম জব করেই সব খরচ চালাব এমন মাইন্ডসেট থেকে পুরোপুরি বের হয়ে আসতে হবে। পার্ট-টাইম জবকে অতিরিক্ত ফাইনেন্সিয়াল সাপোর্ট হিসেবে বিবেচনা করতে হবে, ফিক্সড ইনকাম হিসেবে নয়। প্রথম দিকে কাজ না পেলেও যেন পড়াশোনা, accommodation ও প্রয়োজনীয় খরচ চালিয়ে যেতে পারেন সেরকম ফাইনেন্সিয়াল ব্যাকআপ নিয়েই বিদেশে যাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।

Address

Memphis, TN
66217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তানিন যায়েদ-Tanin Zaid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to তানিন যায়েদ-Tanin Zaid:

Shortcuts

Featured

Share