নিরাপদ বাংলাদেশ চাই

নিরাপদ বাংলাদেশ চাই This Page Only Share Truthful Article..

সত্যের পক্ষে লড়াই🇧🇩🇧🇩🇧🇩

লে ছাগুদল😁
26/04/2026

লে ছাগুদল😁

এই মানুষ নামের পশুটাকে দেখছেন, এর নাম ডা. "কামোদ প্রসাদ সাহা", তিনি এখন খুলনা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার!সে তখন...
26/04/2026

এই মানুষ নামের পশুটাকে দেখছেন, এর নাম ডা. "কামোদ প্রসাদ সাহা", তিনি এখন খুলনা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার!সে তখন তনু হত্যাকান্ডে তনুর লাশ পোস্টমর্টেম টিমের প্রধান ছিল।

সে টোটালি তনু হত্যাকান্ড ভিন্নখাতে নিয়ে যায় এই রিপোর্ট দিয়ে যে, তনু নাকি সেচ্ছায় একাধিক পুরুষের সাথে ইন্টার কোর্স করেছে! এই নরপিশাচটাকেও আইনের আওতায় আনা উচিৎ, সেজন্য তাকে জাতির সামনে পরিচয় করিয়ে দেন।
Please Share for Bangladesh

19/04/2026

উদ্ধার হওয়ার পর শ্রীপুরের ইমাম সাহেবের অপহৃত হওয়া কিশোরী কন্যা ফারিহার চাঞ্চল্যকর সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে।

সে বলেছে,

- অপহরণকারীরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে উত্যক্ত করত।

- তার সাথে কারো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না।

- তাকে ছুরি ধরে আর তার বাবার বুকে পিস্তল ধরে তাকে অপহরণ করা হয়।

- আবিদ, সুমিত আর উজ্জ্বল, বন্দুক আর ছুরি হাতে তাকে অপহরণ করে। বহনকারী রিকশাচালককেও মেরে ফেলার ভয় দেখানো হয়।

- হলফনামায় তার স্বাক্ষর জোরপূর্বক নেয়া। সে কোন কোর্টে যায়নি৷

- থানা আর অপহরণকারীদের বাড়িতে নেয়া জবানবন্দি ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক নেয়া হয়। তাকে বলা হয়েছিল, মিথ্যা জবানবন্দি না দিলে তার বাবা আর ভাইকে মেরে ফেলা হবে৷

থানায় ভয়ভীতি দেখানো নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার। ফারিহার এসব বক্তব্য সত্য হলে প্রশাসন হতে বিস্তারিত তদন্ত হওয়া দরকার। দোষীদেরকে আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে৷

এতকিছুর পরেও কিছু মানুষ এসে বলবে, মেয়েটার সব বক্তব্যই মিথ্যা, একমাত্র ভুয়া হলফনামাই সত্য। 🙄

Please Share

19/04/2026

তারেক রহমান কার বুদ্ধি শুনে ইরান বিরুদ্ধে স্টেটমেন্ট দিলো?

ইরানকে এত আন্ডারস্টিমেট করল কেন?

কেন মজলুমের পাশে না দাঁড়িয়ে জালিমের পক্ষে দাঁড়ালো?

এখন সেই পাপের ফল ভোগ করতেছি আমরা। কাল থেকে তেলের বাড়তি দাম পরিশোধ করে তারেক রহমানের পাপের (অদক্ষতা ও নির্বুদ্ধিতার) মাসুল গুণতে হবে আমাদের।

বিদ্যুতের কী যে বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা। কদিন পর বিদ্যুতের খাম্বা তুলে বিক্রি করে দিতে হবে।

এক পাল অথর্ব লোকদের নিয়ে দেশ চালানো শুরু করেছে তারেক রহমান। কোথায় যে নিয়ে যাবে আমাদের, আল্লাহই জানেন।

19/04/2026

আওয়ামী লীগ প্রভাবিত শ'য়'তানগুলো বলতেছে অকটেনের দাম ২০ টাকা বেড়েছে। ওরে শ'য়'তানের দল, দাম ১ টাকাও বাড়েনি অকটেনের। দাম সমন্বয় হইছে।

19/04/2026

৭৫ বয়সী আব্দুল হাই নিজের জমিতে কাজ করছিলেন। জমিটা তিনি এক বছর আগে রেজাউল নামের একজনের কাছ থেকে কিনেছিলেন।

তার বয়স হয়ে গেছে। ছেলেমেয়েগুলোর ভবিষ্যৎ আছে।সেজন্যে তিনি চিন্তা করেছিলেন এই জায়গাটাতে একটা দোকান বনানেন যাতে তার ছেলেরা অন্তত বেকার না থাকে, কিছু একটা করে খেতে পারে।

এজন্যে গত ৭ তারিখ মঙ্গলবারে ছেলেকে নিয়ে জায়গাটা একটু পরিষ্কার করতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে কাজ করার সময় নোয়াখালীর নোয়ান্নাই ইউনিয়নের যুবদল নেতা লিটন এসে কাজে বাঁধা দেয়।

বয়স্ক আব্দুল হাই তখন বলেন- এটাতো আমারই কিনা জমি। আপনারা বাঁধা দিচ্ছেন কেন?
বিএনপির যুবদল নেতা লিটন তখন জোর করে বলে- এটা আমার মামার জমি, তোরা এখানে কিছু করতে পারবি না।

বয়স্ক আব্দুল হাই আবারো জমিটা কিনার কথাটা জানায়। কিন্তু লিটন কোনভাবেই মানতে চায় না।
সে বারবার বলে- তুই আমারে চিনোস? আমাদের দল এখন ক্ষমতায় তুই জানোস না। জমিটা ভালোয় ভালোয় ছাইড়া দে।

আব্দুল হাইয়ের ছেলে তখন বলে- এটাতো আমাদের জমি ,আমরা কিনা রাখছি। আপনার মামার জমি হইলে দলিল বা কাগজ নিয়া আসেন।

কিন্তু লিটন কোন দলিল বা কাগজ দেখাতে পারে না। দেখাবেই কি করে? এই জমি তো তার মামার না। সে এসেছিল রাজনৈতিক ক্ষমতা দিয়ে জোর করে দখল করে নিতে।

দলিল আনার কথা বলায় লিটন এবারে রেগে যায় এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরদের যোগাড় করে চিল্লাচিল্লি করতে থাকে। এমনকি কতক্ষণ হুমকি ধামকিও দেয়।

তারপর যখন বুঝতে পারে দলিল ছাড়া জমি নিতে পারবে না তখন লিটন বলে- আচ্ছা জমি লাগব না, জমিতে যে কাজ করতাছস ৩ লাখ টাকা চাঁদা দে।

বৃদ্ধ আব্দুল হাই গরিব মানুষ। তিনি তখন বলেন- বাবা, আমি গরিব মানুষ , বহু কষ্টের টাকা দিয়া জমিটা কিনছি। চাঁদার টাকা দিমু কেমনে?

চাঁদার ৩ লাখ টাকা দিতে না পারার কথা শুনে লিটন প্রচন্ড রেগে যায়। সে তার সাথের সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে বৃদ্ধ আব্দুল হাইকে পিটাতে শুরু করে। আবদুল হাই বয়স্ক মানুষ বিধায় কোনরকম বাঁধাও দিতে পারেননি।

আব্দুল হাইয়ের ছেলে বাঁধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করে লিটনের লোকেরা। তারপর লিটন বৃদ্ধ আব্দুল হাইকে মারতে মারতে পাশের একটা ব্রীজের কাছে নিয়ে যায় এবং সেখান থেকে নিচে ফেলে দেয়।

আব্দুল হাই বয়স্ক মানুষ। ব্রীজের উপর থেকে ফেলে দেওয়ায় শরীরের বেশিরভাগ অংশই থেঁতলে যায় তার। পা এবং মাথায় প্রচন্ড রকমের জখমও হয়।

তার ছেলে তখন বাবাকে কোনরকম চেষ্টা করে নোয়াখালীর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করায়। কিন্তু শরীর খুব বাজেভাবে থেঁতলে গিয়েছিল তাই ডাক্তাররা ঢাকা মেডিকেল নিয়ে যেতে বলে।

ঢাকা মেডিকেল আনার পরও আর বাঁচানো যায়নি বৃদ্ধ আব্দুল হাইকে। শরীরের থেঁতলে যাওয়ার প্রচন্ড যন্ত্রণা নিয়েই গত ৯ তারিখ বৃহস্পতিবারে মারা যান তিনি।

আব্দুল হাই মারা যাওয়ার পর পুলিশ নামমাত্র একজনকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু বাকিদেরকে এখনো ধরেনি, হয়তো ধরবেও না কারণ তারা বিএনপি করে, এমনকি ইউনিয়ন যুবদলের পদেও আছে।

দলের পাওয়ার খাটিয়ে এসব নেতারা এখন সবজায়গাতেই জমি দখল করছে, চাঁদাবাজি করছে। কারওয়ান বাজার থেকেই প্রতিদিন ১ কোটি টাকা করে চাঁদা তুলছে ওরা। প্রশাসন ওদেরকে কিচ্ছু করছে না কারণ তাদের দল এখন ক্ষমতায়।

আব্দুল হাইয়ের ছেলেটা অসহায়। জমিতে চাঁদা না দেয়ায় সে তার বৃদ্ধ বাবাকে হারিয়েছে। এখন জমিটাও হারাতে চলেছে। কারণ নেতাদের সাথে তার মতো গরিব মানুষরা পারবে না। মামলা উঠিয়ে নেয়ার জন্যেও তাকে অসংখ্য হুমকি ধামকি দেয়া হচ্ছে।

আব্দুল হাইয়ের অসহায় ছেলেটা কেঁদে কেঁদে বলছিল- বৃদ্ধ বাবাটারে তো হারাইলাম। জমিটাও হয়তো ওরা দখল কইরা নিব। সবই তো হারাইলাম এহন কি বাপের হ*ত্যার বিচারটাও পামু না?

আব্দুল হাইয়ের অসহায় ছেলেটা এত বড় বড় নেতাদের সাথে না পেরে জমিটার আশা ছেড়ে দিয়েছে। সে এখন জমিটাও চায় না, সে তার বৃদ্ধ বাবাকে নির্মমভাবে মেরে ফেলার বিচারটুকু চায় শুধু

Please share

11/04/2026

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের যে গুন্ডাটা ডা. কামরুল ইসলাম থেকে চাঁদা চেয়েছে তার টার্গেট মূলত কাউন্সিলর হওয়া।

এই কাউন্সিলর হওয়ার জন্য তাকে তারেক ও আমিনুলকে মোটা অংকের টাকা ডোনেশন দিতে হবে, একইসাথে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে হবে। এখানকার সকল ব্যবসায় কানেকশন রাখতে হবে।

তারই অংশ হিসেবে সে এই ডা. কামরুলের হাসপাতালের বাজারের টেন্ডার নিতে চেয়েছে, চান্দা চেয়েছে এবং মব ক্রিয়েট করে ভয় ভীতি দেখিয়েছে।

আর এটা শুধু ডা. কামরুলের সাথে না, সমস্ত ব্যবসায়ীর সাথে করেছে। কেউই ভয়ে স্টেটমেন্ট দেয়নি। কামরুল সাহেবের ফেসভ্যালু আছে, তাই তিনি সব ফাঁস করে দিয়েছেন।

আপনারা মনে করেন, চাঁদাবাজি বন্ধ করা মনে হয় কঠিন। আরে ধুর...

তারেক রহমান শুধু এই কথা বলবে, আমাকে কোনো ডোনেশন দিতে হবে না, কোনো চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীকে আমি নমিনেশন দিবো না। যাস্ট এই বার্তাই রাতারাতি সারাদেশ থেকে চাঁদাবাজি বন্ধ করে দিতে পারে।

কিন্তু না, মূল চাঁদাবাজ তারেক রহমানই চাঁদাবাজিকে টিকিয়ে রেখেছে।

হাসনাত, নাহিদ, হান্নানরা যখন এক রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান শেষে সংসদে গিয়ে গণভোটের জন্য লড়াই করছে তখন জাইমা রহমান সংসদের ভিআ...
02/04/2026

হাসনাত, নাহিদ, হান্নানরা যখন এক রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান শেষে সংসদে গিয়ে গণভোটের জন্য লড়াই করছে তখন জাইমা রহমান সংসদের ভিআইপি লাউঞ্জে বসে স্টাডি করছে।

এটা নিয়ে অবশ্য বিএনপি পাড়ায় খুব ভাল প্রশংসিত হচ্ছে। দাদা,দাদি,এবং বাবার যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতেছে।

মিডিয়া জুড়ে এভাবেই তেলানো হচ্ছে।

অন্য দিকে তিনদিন আগে নয়াপল্টন অফিসে ঢুকতে না পেরে রহিম ভুইঁয়া অঝোরে কান্না করেছেন। তার সেই ভিডিও মিডিয়া জুড়ে ভাইরাল হলেও বিএনপির কাউকে দেখিনি এটা নিয়ে কথা বলতে।

এই রহিম ভুইঁয়া সেই ছাত্রনেতা যাকে না পেয়ে পুলিশ তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী এবং ১১ মাসের সন্তানকে জেল হাজতে নিয়ে যায়। নানান সমালোচনার মুখে পড়ে টাকার বিনিময়ে তাদের ছেড়েছিল।

তিনবার গুম ফেরত এই নেতা পল্টন অফিসে ঢুকতে পারেনি, তাকে ঢুকতে দেয়া হয়নি।

অথচ তাদের এমন অজস্র ত্যাগের মধ্য দিয়ে জাইমারা কোনরূপ ত্যাগ তিতিক্ষা ছাড়াই সংসদের ভিআইপি লাউঞ্জে!

এটাই পরিবারতন্ত্র।

সাইফ

02/04/2026

I got over 100 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

25/03/2026

তারেক রহমানের বন্ধুরা ফিরে আসতেছে..সুতরাং নবীন পাঞ্জাবির মালিকের মতো আরো অনেক ব্যবসায়ীদেরকেই দেশ ছাড়তে হবে এখন🙂

একদম ঠিক কাজ করেছে। সে কীভাবে বাংলাদেশি ঐতিহ্য মুছে ফেলতে চায়?😐😐😐নিরাপদ বাংলাদেশ চাই
19/03/2026

একদম ঠিক কাজ করেছে। সে কীভাবে বাংলাদেশি ঐতিহ্য মুছে ফেলতে চায়?😐😐😐

নিরাপদ বাংলাদেশ চাই

মুজিব কোন ঘোড়ার ডিম, জাতির পিতা ইব্রাহিম বলে স্লোগান দেওয়ার কারণেই শহীদ জাবির ইব্রাহিমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে পুলিশ। ...
18/03/2026

মুজিব কোন ঘোড়ার ডিম, জাতির পিতা ইব্রাহিম বলে স্লোগান দেওয়ার কারণেই শহীদ জাবির ইব্রাহিমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে পুলিশ। ৫ আগস্ট উত্তরায়।

স্কুলে ভর্তি হওয়ার মাত্র ৬ মাস হয়েছিল, বয়সটা ৬ বছর। জাবির ইব্রাহিম বাবা কবির আঙ্কেল আমাকে বলেছিলেনঃ 'জাবির ৬ বছর বয়সেও দুধ পান করতো, সাধারণ খাবার দাবার খুব কমই খেতো। যার ফলে তার শরীর ছিল খুবই দুর্বল গঠনের। তাই তার প্রতি আমাদের ভালোবাসা এবং যত্ন ছিল অন্যরকম। খুব যত্ন করে এতটুকু বড় করেছিলাম।'

ছোট্ট পায়ের রানের একপাশ থেকে আরেক পাশ দিয়ে বুলেট বের হয়ে গিয়ে রক্তক্ষরণ ও বারুদের তীব্র ব্যথায় শহীদ হয়েছিল আমাদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর জাবির ইব্রাহিম।

৬ বছরের জাবিরকে গুলি করে কি হয়ছে জানি না, কিন্তু দুইটা লাভ হয়ছে, একঃ জাবির ইব্রাহিমের বাবা তার ছেলের জন্য গর্বিত, কারণ সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণভাবে ছেলে শহীদ হয়েছে। দুইঃ "মুজিব কোন ঘোড়ার ডিম, জাতির পিতা ইব্রাহিম" স্লোগানকে চুপ করিয়ে দিতে চাইলেও এই স্লোগান এখন প্রতিটা বাংলাদেশীর উচ্চারণ।
নিরাপদ বাংলাদেশ চাই

Address

Hammam-Plage

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নিরাপদ বাংলাদেশ চাই posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to নিরাপদ বাংলাদেশ চাই:

Shortcuts

Share

Category