Study Al Quraan & Hadith

Study Al Quraan & Hadith দাওয়াত ইলাল্লাহ ফরয তাই এই কাজটি কে প্রাধান্য দেওয়া হইল এই গ্রুপের মাধ্যমে

বইঃ হাদীসের নামে জালিয়াতি, অধ্যায়ঃ আরো কিছু প্রচলিত ভিত্তিহীন কথা , অনুচ্ছেদঃ আরো কিছু প্রচলিত ভিত্তিহীন কথা    আরো কিছ...
08/01/2017

বইঃ হাদীসের নামে জালিয়াতি, অধ্যায়ঃ আরো কিছু প্রচলিত ভিত্তিহীন কথা , অনুচ্ছেদঃ আরো কিছু প্রচলিত ভিত্তিহীন কথা

আরো কিছু প্রচলিত ভিত্তিহীন কথা

আমাদের সমাজে আরো অগণিত ভিত্তিহীন ও মিথ্যা কথা দীনের নামে প্রচলিত ও প্রসিদ্ধ। এ সকল মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কথার মধ্যে রয়েছে:

১. কুলুখ মীযানের পাল্লায় ওজন করা হবে। এজন্য সাহাবীগণ বড় বড় ঢিলা ব্যবহার করতেন এবং তা দেখে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুচকি হাসতেন।

২. ‘‘১৪০০ বছর পর কি হবে আমি জানি না’’।

৩. মূসা (আ) মহান আল্লাহকে তাঁর রাজ্জাকিয়্যাত সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। তখন আল্লাহ তাঁকে হাতের লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত করার নির্দেশ। প্রথম পাথর ভেঙ্গে ভিতরে দ্বিতীয় পাথর দেখা যায়। দ্বিতীয় পাথর ভাঙ্গলে ভিতরে তৃতীয় পাথর দেখা যায়। তৃতীয় পাথর ভাঙ্গলে তার ভিতর থেকে কচি ঘাস মুখে একটি পোকা বেরিয়ে আসে....।

৩. শুক্রবার হজ্জ হলে তা আকবারী হজ্জ বলে গণ্য হবে। আর এ হজ্জে আরব দেশের সরকারের দায়িত্ব সকল হাজ্জীকে উপহার দেওয়া।

৪. ঝড় হলে আযান দেওয়া এবং এ আযানে ‘হাইয়া আলাস সালাহ ও হাইয়া আলাল ফালাহ’ বলা বাদ দেওয়া।

৫. শূকর বা শুয়র বললে ৪০ দিন মুখ নাপাক থাকে।

৬. ‘‘যে মুরশিদ সে রাসূল খোদাও সে কোরানে কয়’’।

৭. তাসের উদ্ভব: যাকারিয়া (আ)-কে হত্যা করে তাঁর রক্ত গাছের পাতায় লাগিয়ে খেলা করা হয় এবং তা থেকেই তাস খেলার উদ্ভব।

৮. ফুটবলের উদ্ভব: জনৈক নবীকে হত্যা করে তাঁর মাথা নিয়ে খেলা থেকে ফুটবল খেলার উদ্ভব।

৯. সুলাইমান (আ) আকাশ দিয়ে উড়ছিলেন। তা দেখে একজন সুবহানাল্লাহ বলেন। তখন তিনি আকাশ থেকে নেমে এসে তাঁর ‘সুবহানাল্লাহর’ সাওয়াবের বিনিময়ে তাঁর রাজত্ব দিতে চান।

১০. জনৈক দরিদ্র মুসা (আ)- কে বলেন, হে মুসা, আল্লাহকে বলুন, আমার সারা জীবনের রিজক যেন একদিনে দিয়ে দেন। তাই হলো, সবকিছু দিয়ে সে বিভিন্ন উপাদেয় খাবার তৈরি করল এবং দেশের ফকিরদের দাওয়াত করে খাওয়াল। ফকিররা দুআ করল, হে আল্লাহ, আমাদের প্রতিদেনের রিজক তুমি এর মাধ্যমেই দিও। তাই হলো, তার দুঃখ ঘুচল।

১১. কলা হাত দিয়ে ভেঙে খাওয়া সুন্নাত।

১২. জন্মের পর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হারিয়ে যান। তাঁর মাতা আমিনা পেরেশান হয়ে যান। তখন গায়েবী আওয়াজ হয়: তোমার ছেলেকে সারা মাখলুক দেখতে চেয়েছে....।

১৩. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খেলছিলেন। আবু জাহল তাঁকে উঠের পিঠে নিজের পিছনে উঠিয়ে নেয়। তখন উঠ আর চলে না। তাঁকে সামনে নেবার পর চলা শুরু করে।

১৪. পানিতে পেশাব করলে কেয়ামতে আল্লাহ পানি থেকে পেশাব আলাদ করতে বলবেন।

১৫. পুরুষেরা জুমুআ পড়ে না এলে মহিলারা নামায পড়বেন না।

১৬. ঔষুধ খাওয়ার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ না বলে ‘আল্লাহ শফি, আল্লাহ কাফি, আল্লাহ মাফি’ বলতে হবে। ‘বিসমিল্লাহ’ বলে ঔষুধ খেলে ঔষুধ পানি হয়ে যায়।

১৭. রাসূলুল্লাহ ﷺ- এর হায়াত ৯০ বছর। ৬৩ বছর পৃথিবীতে ২৭ বছর মি’রাজ।

১৮. শবে মেরাজের ইবাদতে ১০০ রাতের ইবাদতের সাওয়াব।

১৯. আলী (রা) একবার মাত্র রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে তাঁর প্রকৃত আকৃতিতে দেখে ফেলেছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে তা বলতে নিষেধ করেছিলেন। এ অতি আশ্চর্য বিষয় বলতে না পেরে তাঁর পেট ফেটে যাচ্ছিল। অবশেষ তিনি বাধ্য হয়ে মাঠের মাঝে এক বিরান কুয়ার মধ্যে নেমে কথাটা বলেন, তাতে কুয়া ফেটে পানি বের হয়ে যায়। সে পানিতে কুয়ার পাশে বাঁশ জন্মে। সে বাঁশের বাশি থেকে আওয়াজে এ গোপন কাহিনী প্রচার হয়ে যায়।

মহান আল্লাহ জালিয়াতদের লাঞ্ছিত করুন।

http://www.hadithbd.com/shareqa.php?qa=5054

আমাদের সমাজে আরো অগণিত ভিত্তিহীন ও মিথ্যা কথা দীনের নামে প্রচলিত ও প্রসিদ্ধ। এ সকল মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কথার মধ্যে রয়েছে: ১. কুলুখ মীযানের পাল্লায় ওজন করা হবে। এজন্য সাহাবীগণ বড় বড় ঢিলা ব্যবহার করতেন এবং তা দেখে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুচকি হাসতেন। ২. ‘‘১৪০০ বছর পর কি হবে আমি জানি না’’। ৩. মূসা (আ) মহান আল্ল...

07/01/2017

ইমলামী সংগঠন:

ইসলামী আদর্শের প্রথম ও প্রধান উৎস এবং আল কোরআনের শিক্ষা আলোচনা করলে কোথাও ব্যক্তিগতভাবে ইসলামী জীবন যাপনের সুযোগ দেখা যায় না। আল কোরআনের আহ্বান হয় গোটা মানব জাতির জন্যে, আর না হয় মানুষের মধ্য থেকে যারা ঈমান এনেছে তাদের সকলের জন্যে। কেবলমাত্র আখেরাতের জবাবদিহির ব্যাপারটা ব্যাক্তিগতভাবে হবে। কিন্তু সেই জবাবদিহিতে বাঁচতে হলেও এই দুনিয়ায় সামষ্টিকভাবে দ্বীন মেনে চলার ও দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজন আছে। এক্ষেত্রে নিন্মলিখিত আয়াতগুলো বিশেষভাবে প্রণিধাযোগ্য: ***
يَا أَيُّهَا النَّاسُ اعْبُدُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ وَالَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ [البقرة : 21]
হে মানব জাতি! তোমাদের রবের ইবাদত কর, যিনি তোমাদের এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে করে তোমরা vমুক্তিলাভে সক্ষম হও। (আল বাকারাহ: ২১)
সূত্র: বই- ই. আ. ও স.
:লেখক- শ. মা. ম. র. নি.

05/01/2017

وَلَمَّا بَرَزُوۡا لِجَالُوۡتَ وَجُنُوۡدِهٖ قَالُوۡا رَبَّنَآ اَفۡرِغۡ عَلَيۡنَا صَبۡرًا وَّثَبِّتۡ اَقۡدَامَنَا وَانصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡکٰفِرِيۡنَ﴾

২৫০.) আর যখন তারা জালুত ও তার সেনাদলের মোকাবিলায় বের হলো, তারা দোয়া করলোঃ “হে আমাদের রব! আমাদের সবর দান করো, আমাদের অবিচলিত রাখ এবং এই কাফের দলের ওপর আমাদের বিজয় দান করো।” (সুরা বাকারা-২৫০)

17/12/2016

﴿ اتَّبِعُوۡا مَاۤ اُنۡزِلَ اِلَيۡكُمۡ مِّنۡ رَّبِّكُمۡ وَلَا تَتَّبِعُوۡا مِنۡ دُوۡنِهٖۤ اَوۡلِيَآءَ‌ؕ قَلِيۡلاً مَّا تَذَكَّرُوۡنَ‏﴾

৩.) হে মানব সমাজ! তোমাদের রবের পক্ষ থেকে তোমাদের ওপর যা কিছু নাযিল করা হয়েছে তার অনুসরণ করো এবং নিজেদের রবকে বাদ দিয়ে অন্য অভিভাবকদের অনুসরণ করো না।৪ কিন্তু তোমরা খুব কমই উপদেশ মেনে থাকো।

৪) এটি হচ্ছে এ সূরার কেন্দ্রীয় আলোচ্য বিষয়। এ ভাষণটিতে যে আসল দাওয়াত দেয়া হয়েছে সেটি হচ্ছেঃ দুনিয়ায় মানুষের জীবন যাপনের জন্য যে হেদায়াত ও পথ-নির্দেশনার প্রয়োজন, নিজের ও বিশ্বজাহানের স্বরূপ এবং নিজের অস্তিত্বের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য অনুধাবন করার জন্য তার যে জ্ঞানের প্রয়োজন এবং নিজের আচার-আচারণ, চরিত্র, নৈতিকতা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন ধারাকে সঠিক ভিত্তির ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য সে যেসব মূলনীতির মুখাপেক্ষী সেগুলোর জন্য তাকে একমাত্র আল্লাহ‌ রাব্বুল আলামীনকেই নিজের পথপদর্শক হিসেবে মেনে নিতে হবে এবং আল্লাহ‌ তার রসূলদের মাধ্যমে যে হেদায়াত ও পথ-নির্দেশনা দিয়েছেন একমাত্র তারই অনুসরণ করতে হবে। আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কারোর দিকে পথ-নির্দেশনা লাভ করার জন্য মুখ ফিরানো এবং তার নেতৃত্বের আওতায় নিজেকে সমর্পণ করা মানুষের একটি মৌলিক ভ্রান্ত কর্মপদ্ধতি ছাড়া আর কিছুই নয়। এর পরিণামে মানুষকে সব সময় ধ্বংসের সম্মুখীন হতে হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তাকে সবসময় এই একই পরিণামের সম্মুখীন হতে হবে।
এখানে “আউলিয়া” (অভিভাবকগণ) শব্দটি এ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যে, মানুষ সাধারণত যার নির্দেশে ও নেতৃত্বে চলে তাকে আসলে নিজের ‘ওলি’ তথা অভিভাবকে পরিণত করে। মুখে সে তার প্রশংসা করতে পারে বা তার প্রতি অভিশাপও বর্ষণ করতে পারে, আবার তার অভিভাবকত্বের স্বীকৃতি দিতে পারে বা কঠোরভাবে তা অস্বীকারও করতে পারে। (আরো ব্যাখ্যার জন্য দেখুন আশশূরা, টীকা নং

16/12/2016

﴿ اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنَاۤ اِلَيۡكَ الۡكِتٰبَ بِالۡحَقِّ لِتَحۡكُمَ بَيۡنَ النَّاسِ بِمَاۤ اَرٰٮكَ اللّٰهُ‌ؕ وَلَا تَكُنۡ لِّلۡخَآٮِٕنِيۡنَ خَصِيۡمًاۙ﴾

১০৫.) হে নবী!১৪০ আমি সত্য সহকারে এই কিতাব তোমার প্রতি নাযিল করেছি, যাতে আল্লাহ‌ তোমাকে যে সঠিক পথ দেখিয়েছেন সেই অনুযায়ী তুমি লোকদের মধ্যে ফায়সালা করতে পারো। তুমি খেয়ানতকারী ও বিশ্বাস ভংগকারীদের পক্ষ থেকে বিতর্ককারী হয়ো না।

১৪০) এই রুকূ’ এবং এর পরবর্তী রুকূ’তে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে। ব্যাপারটি সেই যুগেই সংঘটিত হয়। ঘটনার নায়ক হচ্ছে আনসারদের যাফর গোত্রের তা’মাহ্ বা বশীর ইবনে উবাইরিক নামক এক ব্যক্তি। সে এক আনসারির বর্ম চুরি করে। এ ব্যাপারে অনুসন্ধান শুরু হলে সে চোরাই মালটি এক ইহুদীর কাছে রাখে। বর্মের মালিক নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে অভিযোগ করে এবং তা’মাহকে সন্দেহ করে। কিন্তু তা’মাহ, তার ভাই বেরাদাররা এবং বনি যাফরের আরো বহু লোক নিজেদের মধ্যে একমত হয়ে সেই ইহুদীটির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে। ইহুদীকে জিজ্ঞেস করা হলে সে নিজের নির্দোষিতা প্রকাশ করে কিন্তু তা’মাহর পক্ষপাতিরা তার সমর্থনে খুব জোরেশোরে এগিয়ে যায়। তারা বলতে থাকেঃ এই শয়তান ইহুদী, সেতো সত্যকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহ‌ ও তাঁর রসূলের সাথে কুফরী করে, তার কথা কেমন করে বিশ্বাসেযাগ্য হতে পারে? বরং আমাদের কথা মেনে নেয়া উচিত কারণ আমরা মুসলমান। এই মোকাদ্দমার বাহ্যিক ধারা বিবরণীতে প্রভাবিত হয়ে নবী করীম ﷺ ইহুদীটির বিরুদ্ধে রায় দিতে এবং অভিযোগকারীকে বনী উবাইরিকের বিরুদ্ধে দোষারোপ করার জন্য সতর্ক করে দিতে প্রায় উদ্যত হয়েছিলেন। এমন সময় অহী নাযিল হয় এবং সমস্ত ব্যাপারটির প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন করে দেয়া হয়।
একজন বিচারপতি হিসেবে বাহ্যিক যুক্তি প্রমাণ ও সাক্ষী সাবুদের ভিত্তিতে মোকদ্দমার মীমাংসা করা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য কোন গোনাহের কাজ ছিল না। এ ধরনের অবস্থা বিচারপতিদের সামনে আসেও। অর্থাৎ মিথ্যা প্রমাণ ও সাক্ষী সাবুদের ভিত্তিতে তাদের কাছে থেকে নিজেদের সপক্ষে রায় নিয়ে নেয়া হয়। কিন্তু সে সময় ইসলাম ও কুফরের মধ্যে একটি প্রচণ্ড সংঘাত চলছিল। এমন সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি মোকদ্দমার বাহ্যিক ধারা বিবরণী শুনে সেই অনুযায়ী ইহুদীর বিরুদ্ধে ফয়সালা করে দিতেন তাহলে ইসলাম বিরোধীরা তার বিরুদ্ধে এবং সমগ্র ইসলামী দল ও ইসলামী দাওয়াতের বিরুদ্ধে একটি মারাত্মক শক্তিশালী নৈতিক হাতিয়ার পেয়ে যেতো। তারা প্রপাগাণ্ডা করতে থাকতোঃ আহা, যাই বলেন না কেন, এখানে হক ও ইনসাফের কোন বালাই নেই। এখানেও তো সেই একই দলপ্রীতি ও অন্ধ গোত্রপ্রীতি কাজ করছে যার বিরুদ্ধে এরা নিজেরাই প্রচার অভিযান চালিয়ে আসছে। এই বিপদ থেকে উদ্ধার করার জন্য আল্লাহ‌ বিশেষ করে এই মোকদ্দমায় হস্তক্ষেপ করেন।

এই রুকূ’তে একদিকে সেসব মুসলমানদের কঠোরভাবে ভর্ৎসনা করা হয়েছে যারা নিছক অন্ধ গোত্র ও পরিবার প্রীতির কারণে অপরাধীদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিল। অন্যদিকে সাধারণ মুসলমানদের এই মর্মে শিক্ষা দান করা হয়েছে যে, ন্যায় ও ইনসাফের প্রশ্নে কোনো প্রকার অন্ধ বিদ্বেষ ও কওম প্রীতির অবকাশ না থাকাই উচিত। নিজের দলের লোকেরা বাতিলের ওপর প্রতিষ্ঠিত হলেও তাদের অযথা সমর্থন করতে হবে এবং অন্য দলের লোকেরা সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত হলেও তাদের প্রতি অন্যায় করতে হবে-এ নীতি কখনো ন্যায়সঙ্গত হতেপারে না।

13/12/2016

20] الَّذينَ ءامَنوا وَهاجَروا وَجٰهَدوا فى سَبيلِ اللَّهِ بِأَموٰلِهِم وَأَنفُسِهِم أَعظَمُ دَرَجَةً عِندَ اللَّهِ ۚ وَأُولٰئِكَ هُمُ الفائِزونَ
[20] যারা ঈমান এনেছে, দেশ ত্যাগ করেছে এবং আল্লাহর রাহে নিজেদের জান ও মাল দিয়ে জেহাদ করেছে, তাদের বড় মর্যাদা রয়েছে আল্লাহর কাছে আর তারাই সফলকাম।
[20] Those who believed (in the Oneness of Allâh - Islâmic Monotheism) and emigrated and strove hard and fought in Allâh's Cause with their wealth and their lives are far higher in degree with Allâh. They are the successful.

05/12/2016

পর্ব ৪ click to collapse contents
সঠিকভাবে ওজন করবে ওজনে কম দেয় না।

وَيْلٌ لِّلْمُطَفِّفِينَ

ধবংস তাদের জন্য যারা মাপে কম দেয়৷

وَأَوْفُوا الْكَيْلَ وَالْمِيزَانَ بِالْقِسْطِ

ওজন ও পরিমাপে পুরোপুরি ইনসাফ করো (আনআম ১৫২)

হালাল এবং পাক পবিত্র জিনিশ ভক্ষন করবে।

يَا أَيُّهَا النَّاسُ كُلُوا مِمَّا فِي الْأَرْضِ حَلَالًا طَيِّبًا وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ ۚ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ

হে মানব জাতি ! পৃথিবীতে যে সমস্ত হালাল ও পাক জিনিস রয়েছে সেগুলো খাও এবং শয়তানের দেখানো পথে চলো না। (বাকারা ১৬৮)

কক্ষনোই মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করবে না।

وَالَّذِينَ لَا يَشْهَدُونَ الزُّورَ وَإِذَا مَرُّوا بِاللَّغْوِ مَرُّوا كِرَامًا

(আর রহমানের বান্দা হচ্ছে তারা) যারা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় না এবং কোন বাজে জিনিসের কাছ দিয়ে পথ অতিক্রম করতে থাকলে ভদ্রলোকের মত অতিক্রম করে যায়৷ (ফুরকান ৭২)

পেঁচিয়ে কথা বলবে না।

وَإِن تَلْوُوا أَوْ تُعْرِضُوا فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرًا

আর যদি তোমরা পেঁচালো কথা বলো অথবা সত্যতাকে পাশ কাটিয়ে চলো, তাহলে জেনে রাখো, তোমরা যা কিছু করছো আল্লাহ তার খবর রাখেন৷ (নিসা ১৩৫)

মানুষকে ন্যায়সঙ্গত ভাবে শাসন করবে।

অভাব অনটনের কারনে সন্তান হত্যা করবে না।

وَلَا تَقْتُلُوا أَوْلَادَكُم مِّنْ إِمْلَاقٍ ۖ نَّحْنُ نَرْزُقُكُمْ وَإِيَّاهُمْ

দারিদ্রের ভয়ে নিজের সন্তানদেরকে হত্যা করো না, আমি তোমাদেরকে জীবিকা দিচ্ছি এবং তাদেরকেও দেবো। (আনআম ১৫১)

কক্ষনোই শপথ ভঙ্গ করবে না।

وَأَوْفُوا بِعَهْدِ اللَّهِ إِذَا عَاهَدتُّمْ وَلَا تَنقُضُوا الْأَيْمَانَ بَعْدَ تَوْكِيدِهَا وَقَدْ جَعَلْتُمُ اللَّهَ عَلَيْكُمْ كَفِيلًا ۚ إِنَّ اللَّهَ يَعْلَمُ مَا تَفْعَلُونَ

আল্লাহর অংগীকার পূর্ণ করো যখনই তোমরা তাঁর সাথে কোনো অংগীকার করো এবং নিজেদের কসম দৃঢ় করার পর আবার তা ভেঙে ফেলো না যখন তোমরা আল্লাহকে নিজের ওপর সাক্ষী বানিয়ে নিয়েছো৷ আল্লাহ তোমাদের সমস্ত কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত৷

মান্নত পুরন করবে ।

وفُونَ بِالنَّذْرِ وَيَخَافُونَ يَوْمًا كَانَ شَرُّهُ مُسْتَطِيرًا

এরা হবে সেসব লোক যারা (দুনিয়াতে )মানত পূরণ করে, সে দিনকে ভয় করে যার বিপদ সবখানে ছড়িয়ে থাকবে৷ (দাহর ৭)

আল্লাহকে প্রদত্ত ওয়াদা পালন করে।

الَّذِينَ يُوفُونَ بِعَهْدِ اللَّهِ وَلَا يَنقُضُونَ الْمِيثَاقَ

আর তাদের কর্মপদ্ধতি এমন হয় যে, তারা আল্লাহকে প্রদত্ত নিজেদের অংগীকার পালন করে এবং তাকে মজতুব করে বাঁধার পর ভেঙ্গে ফেলে না৷ (সুরা রাদ ২০)

নিকটাত্মীয়দের সাহায্য করবে। ( বাকারা ১৭৭)

পর্ব ৫ click to collapse contents
অসুস্থ এবং পথচারীদের সাহায্য করবে। (বাকারা ১৭৭)

নিঃস্ব এবং দরিদ্রদের সাহায্য করবে (বাকারা ১৭৭)

দুঃখ, দুর্দশা এবং যুদ্ধের সময় ধরজ ধারণ করবে। (বাকারা ১৭৭)

আল্লাহ প্রদত্ত রিজিক থেকে দান করে।

الَّذِينَ يُقِيمُونَ الصَّلَاةَ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنفِقُونَ

তারা নামায কায়েম করে এবং যা কিছু আমি তাদেরকে দিয়েছি তা থেকে ( আমার পথে) খরচ করে৷ (আনফাল ৩)

রাতে কম ঘুমায়

كَانُوا قَلِيلًا مِّنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ

রাতের বেলা তারা কমই ঘুমাতো৷ (যারিয়াত ১৭)

চেহারায় সিজদার চিহ্ন থাকবে।

سِيمَاهُمْ فِي وُجُوهِهِم مِّنْ أَثَرِ السُّجُودِ

তোমরা যখনই দেখবে তখন তাদেরকে চেহারায় সিজদার চিহ্ন বর্তমান যা দিয়ে তাদেরকে আলাদা চিনে নেয়া যায়৷ (ফাতহ ২৯)

মানুষকে সৎ কাজের উপদেশ এবংঅসৎ কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিবে।

كُنتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ

এখন তোমরাই দুনিয়ায় সর্বোত্তম দল৷ তোমাদের কর্মক্ষেত্রে আনা হয়েছে মানুষের হিদায়াত ও সংস্কার সাধনের জন্য ৷ তোমরা নেকীর হুকুম দিয়ে থাকো, দুষ্কৃতি থেকে বিরত রাখো এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনো৷ (আলে ইম্রান ১১০)

এমন বিষয়ে প্রশ্ন করবে না যেটা প্রকাশ হয়ে পড়লে তারা লজ্জিত হবে।

لَا تَسْأَلُوا عَنْ أَشْيَاءَ إِن تُبْدَ لَكُمْ تَسُؤْكُمْ

হে ঈমানদারগণ ! এমন কথা জিজ্ঞেস করো না যা তোমাদের কাছে প্রকাশ করে দেয়া হলে তোমাদের খারাপ লাগবে৷ (মায়েদাহ ১০১)

কাজ করার পূর্বে সভাসদদের সাথে পরামর্শ করবে।

وَأَمْرُهُمْ شُورَىٰ بَيْنَهُمْ

নিজেদের সব কাজ পরস্পর পরামর্শের ভিত্তিতে চালায়। (শুরা ৩৮)

বাড়াবাড়ি করা হলে তার মোকাবিলা করে।

وَالَّذِينَ إِذَا أَصَابَهُمُ الْبَغْيُ هُمْ يَنتَصِرُونَ

তাদের বিরুদ্ধে বাড়াবাড়ি করা হলে তার মোকাবিলা করে৷ (শুরা ৩৯)

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে এই আয়াতসমূহের আলোকে জীবন গঠন করার তওফিক দান করুন।

02/12/2016

এই গ্রুপের সকল পোস্ট লাইক ও শেয়ার করে আপনি ও সওয়াবের ভাগ পেতে পারেন

02/12/2016

জাহান্নামের ভয়াবহতা নিয়ে গা
শিউরে ওঠার মতো কিছু হাদিস
******************************
:
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন,
কবরের শাস্তির শব্দ যদি পৃথিবীর কোন
মানুষ শুনতে পেত, তাহলে সে কলিজা
ফেটে মারা যেত। জাহান্নামের
ভয়বহতা প্রসঙ্গে মহানবী হযরত মুহাম্মদ
(সা.) আরো বলেছেন,
১। জাহান্নামের ৭০টি লাগাম থাকবে
এবং প্রতিটি লাগামে ৭০ হাজার
ফেরেস্তা থাকবে তারা তা টেনে
আনবে। মুসলিম
২। দুনিয়ার ব্যবহৃত আগুনের উত্তাপ
জাহান্নামের আগুনের উত্তাপের ৭০
ভাগের ১ ভাগ। (বুখারী, মুসলিম- আবু
হুরায়রা (রা.)।
------------------------
৩। আগুনের জুতা পরিয়ে শাস্তি দেয়ার
ফলে তার মগজ টগবগ করে ফুটতে থাকবে,
যা হবে জাহান্নামের সবচেয়ে কম
শাস্তি। (বুখারী, মুসলিম- নুমান ইবনে
বাশীর (রা.)।
-----------------------------
৪। জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে কম
শাস্তি হবে আবু তালিবের। তার
পায়ে দু’খানা আগুনের জুতা পরিয়ে
দেয়া হবে, ফলে তার মাথার মগজ
ফুটতে থাকবে। (বুখারী- ইবেন আব্বাস
(রা.)।
-----------------------
৫। দুনিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিকে
জাহান্নামের আগুনে ঢুকিয়ের বের
করা হবে। তাকে বলা হবে, তুমি
দুনিয়াতে কখনো সুখ ভোগ করেছিলে?
সে বলবে না, আমি কখনো সুখ ভোগ
করিনি। (মুসলিম- আনাস (রা.)।
---------------------------
৬। জাহান্নামের সবচেয়ে কম ও সহজতর
শাস্তি প্রাপ্ত ব্যক্তি পৃথিবী পরিমাণ
সম্পদ থাকলেও তার বিনিময়ে এ আযাব
থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করতো।
( বুখারী, মুসলিম- আনাস (রা.)।
------------------------
৭। জাহান্নামীদের মধ্যে
জাহান্নামের আগুন কারো টাখনু,
কারো হাটু, কারো কোমর, কারো
গর্দান পর্যন্ত পৌঁছাবে। ( বুখারী,
মুসলিম- সামুরা বিন জুনদুব (রা.)।
--------------------------
৮। জাহান্নামের মধ্যে কাফেরের এক
একটি দাঁত হবে ওহুদ পাহাড়ের সমান,
তার গায়ের চামড়া হবে ৩ দিনের
সফরের পরিমাণ পুরু। (বুখারী, মুসলিম- আবু
হুরায়রা (রা.)।
**************************
হে আল্লাহ ! আপনি দয়া করে
আমাদিগকে জাহান্নামের ভয়াবহ
শাস্তি থেকে বাঁচান। (আমিন)

27/11/2016

ظَهَرَ الۡفَسَادُ فِىۡ الۡبَرِّ وَالۡبَحۡرِ بِمَا كَسَبَتۡ اَيۡدِىۡ النَّاسِ لِيُذِيۡقَهُمۡ بَعۡضَ الَّذِىۡ عَمِلُوۡا لَعَلَّهُمۡ يَرۡجِعُوۡنَ‏﴾

৪১.) মানুষের কৃতকর্মের দরুন জলে-স্থলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে, যার ফলে তাদেরকে তাদের কিছু কৃতকর্মের স্বাদ আস্বাদন করানো যায়, হয়তো তারা বিরত হবে। ৬৪

৬৪) এখানে আবার রোম ও ইরানের মধ্যে যে যুদ্ধ চলছিল এবং যার আগুন সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল সেদিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। “লোকদের স্বহস্তের উপার্জন” বাক্যাংশের অর্থ হচ্ছে, ফাসেকী, অশ্লীলতা, জুলুম ও নিপীড়নের এমন একটি ধারা যা শিরক ও নাস্তিক্যবাদের আকীদা-বিশ্বাস অবলম্বন ও আখেরাতকে উপেক্ষা করার ফলে অনিবার্যভাবে মানবিক নৈতিক গুণাবলী ও চরিত্রের মধ্যে সৃষ্টি হয়ে থাকে। “হয়তো তারা বিরত হবে” এর অর্থ হচ্ছে, আখেরাতে শাস্তি লাভ করার পূর্বে আল্লাহ‌ এ দুনিয়ায় মানুষের সমস্ত নয় বরং কিছু খারাপ কাজের ফল এজন্য ভোগ করান যে, এর ফলে সে প্রকৃত সত্য উপলব্ধি করবে এবং নিজের চিন্তাধারার ভ্রান্তি অনুধাবন করে নবীগণ সবসময় মানুষের সামনে যে সঠিক বিশ্বাস উপস্থাপন করে এসেছেন এবং যা গ্রহণ না করলে মানুষের কর্মধারাকে সঠিক বুনিয়াদের ওপর প্রতিষ্ঠিত করার দ্বিতীয় কোন পথ নেই সেদিকে ফিরে আসবে। কুরআন মজীদের বিভিন্ন স্থানে, এ বিষয়টি বর্ণনা করা হয়েছে। যেমন দেখুন, আত তাওবা, ১২৬; আর রা’আদ, ২১ ; আস সাজদাহ, ২১ এবং আত তূর, ৪৭ আয়াত।

26/11/2016

فَاَقِمۡ وَجۡهَكَ لِلدِّيۡنِ حَنِيۡفًا‌ؕ فِطۡرَتَ اللّٰهِ الَّتِىۡ فَطَرَ النَّاسَ عَلَيۡهَا‌ؕ لَا تَبۡدِيۡلَ لِخَلۡقِ اللّٰهِ‌ؕ ذٰلِكَ الدِّيۡنُ الۡقَيِّمُ وَلٰكِنَّ اَكۡثَرَ النَّاسِ لَا يَعۡلَمُوۡنَۙ‏﴾



৩০.) কাজেই৪২ (হে নবী এবং নবীর অনুসারীবৃন্দ) একনিষ্ঠ হয়ে নিজের চেহারা এ দ্বীনের৪৩ দিকে স্থির নিবদ্ধ করে দাও।৪৪ আল্লাহ মানুষকে যে প্রকৃতির ওপর সৃষ্টি করেছেন তার ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাও।৪৫ আল্লাহর তৈরি সৃষ্টি কাঠামো পরিবর্তন করা যেতে পারে না।৪৬ এটিই পুরোপুরি সঠিক ও যথার্থ দ্বীন। ৪৭ কিন্তু অধিকাংশ লোক জানে না।

৪২) এখানে “কাজেই” শব্দটি যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে তা হচ্ছে, সত্য যখন তোমাদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গেছে এবং তোমরা যখন জানতে পেরেছো এ বিশ্ব-জাহানের ও মানুষের স্রষ্টা, মালিক ও সার্বভৌম ক্ষমতা সম্পন্ন শাসনকর্তা এক আল্লাহ‌ ছাড়া আর কেউ নয় তখন এরপর অপরিহার্য ভাবে তোমাদের কার্যধারা এ ধরনের হওয়া উচিত।

৪৩) কুরআন “দ্বীন” শব্দটিকে যে বিশেষ অর্থে পেশ করছে “দ্বীন” শব্দটি এখানে সেই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এর মধ্যে বন্দেগী, ইবাদাত ও আনুগত্য লাভের অধিকার একমাত্র লা-শরীক আল্লাহ‌ ছাড়া আর কারো নেই। এতে আল্লাহর সার্বভৌম কর্তৃত্ব, গুণাবলী ক্ষমতা ও অধিকারে কাউকে তাঁর সাথে সামান্যতমও শরীক করা যায় না। এখানে মানুষ নিজের ইচ্ছা ও আগ্রহ সহকারে একথা মেনে নেয় যে, সে তার সমস্ত জীবনে আল্লাহর পথনির্দেশ এবং তাঁর আইন মেনে চলবে।

৪৪) “একনিষ্ঠ হয়ে নিজের চেহারা এদিকে স্থির নিবদ্ধ করো” অর্থাৎ এরপর আবার অন্যদিকে ফিরো না। জীবনের জন্য এ পথ

লাবার বিধান দিয়েছে তোমাদের সে পথেই নিজেদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবন পরিচালিত করতে হবে।

৪৫) অর্থাৎ সমগ্র মানব জাতিকে এ প্রকৃতির ওপর সৃষ্টি করা হয়েছে যে, এক আল্লাহ‌ ছাড়া তাদের আর কোন স্রষ্টা, রব, মাবুদ ও আনুগত্য গ্রহণকারী নেই। এ প্রকৃতির ওপর তোমাদের প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাওয়া উচিত। যদি স্বেচ্ছাচারীভাবে চলার নীতি অবলম্বন করো তাহলে প্রকৃতির বিরুদ্ধাচরণ করবে। আর যদি অন্যের বন্দেগীর শিকল নিজের গলায় পরে নাও তাহলেও নিজের প্রকৃতির বিরুদ্ধে কাজ করবে। এ বিষয়টি নবী ﷺ বহু হাদীসে সুস্পষ্ট করে বর্ণনা করেছেন। যেমনঃ

--------------------------

“মাতৃগর্ভ থেকে জন্মলাভকারী প্রত্যেকটি শিশু আসলে মানবিক প্রকৃতির ওপরই জন্ম লাভ করে। তারপর তার মা-বাপই তাকে পরবর্তীকালে ইহুদী, খৃস্টান ও অগ্নিপূজারী হিসেবে গড়ে তোলে।”

এর দৃষ্টান্ত হচ্ছে, যেমন প্রত্যেকটি পশুর পেট থেকে পুরোপুরি নিখুঁত ও সুস্থ পশুই বের হয়ে আসে। কোন একটা বাচ্চাও কান কাটা অবস্থায় বের হয়ে আসে না। পরে মুশরিকরা নিজেদের জাহিলী কুসংস্কারের কারণে তার কান কেটে দেয়।

মুসনাদে আহমাদ ও নাসায়ীতে আর একটি হাদীস আছে, তাতে বলা হয়েছেঃ এক যুদ্ধে মুসলমানরা শত্রুদের শিশু সন্তানদেরকেও হত্যা করে। নবী (সা.) এর কাছে এ খবর পৌঁছে যায়। তিনি ভীষণ অসন্তুষ্ট হন এবং বলেনঃ

--------------------------

“লোকদের কি হয়ে গেছে, আজ তারা সীমা ছাড়িয়ে গেছে এবং শিশুদেরকেও হত্যা করেছে? ”

একজন জিজ্ঞেস করলো, এরা কি মুশরিকদের সন্তান ছিল না। জবাবে তিনি বলেনঃ

-----------------------------------------

“তোমাদের সর্বোত্তম লোকেরা তো মুশরিকদেরই আওলাদ।” তারপর বলেনঃ

-----------------------

“প্রত্যেক প্রাণসত্ত্বা প্রকৃতির ওপর জন্ম নেয়, এমনকি যখন কথা বলতে শেখে তখন তার বাপ-মা তাকে ইহুদী খৃস্টানে পরিণত করে।”

অন্য একটি হাদীসে ইমাম আহমাদ (রা.) ঈযায ইবনে হিমার আল মুজাশি’য়ী থেকে উদ্ধৃত করেছেন। তাতে বলা হয়েছে, একদিন নবী ﷺ নিজের ভাষণের মাঝখানে বলেনঃ

-------------------------------------

“আমার রব বলেন, আমার সমস্ত বান্দাদেরকে আমি একনিষ্ঠ সত্যপথাশ্রয়ী করে সৃষ্টি করেছিলাম, তারপর শয়তানরা এসে তাদেরকে দ্বীন থেকে বিপথগামী করে এবং তাদের জন্য আমি যা কিছু হালাল করে দিয়েছিলাম সেগুলোকে হারাম করে নেয় এবং তাদেরকে হুকুম দেয়, আমার সাথে এ জিনিসগুলোকে শরীক গণ্য করো, যেগুলোকে শরীক করার জন্য আমি কোনো প্রমাণ অবতীর্ণ করিনি।”

৪৬) অর্থাৎ আল্লাহ‌ মানুষকে নিজের বান্দায় পরিণত করেছেন। কেউ চাইলেও এ কাঠামোয় কোন পরিবর্তন সাধন করতে পারে না। মানুষ বান্দা থেকে অ-বান্দা হতে পারে না এবং আল্লাহ‌ ছাড়া অন্য কাউকে ইলাহ বানিয়ে নিলেও প্রকৃতপক্ষে সে মানুষের ইলাহ হতে পারে না। মানুষ নিজের জন্য যতগুলো উপাস্য তৈরি করে নিক না কেন, মানুষ যে, এক আল্লাহ‌ ছাড়া আর কারো বান্দা নয় এ বাস্তব সত্যটি অকাট্য ও অবিচল রয়ে গেছে। মানুষ নিজের মূর্খতা ও অজ্ঞতার কারণে যাকে ইচ্ছা আল্লাহর গুণাবলী ও ক্ষমতার ধারক গণ্য করতে পারে এবং যাকে চায় তাকে নিজের ভাগ্য ভাঙা-গড়ার মালিক মনে করতে পারে। কিন্তু প্রকৃত ও বাস্তব সত্য এটিই যে, সার্বভৌম কর্তৃত্বের গুণাবলীর অধিকারী একমাত্র আল্লাহ‌ ছাড়া আর কেউ নয়। কেউ তাঁর মতো ক্ষমতার অধিকারী নয় এবং মানুষের ভাগ্য ভাঙা-গড়ার শক্তিও আল্লাহ‌ ছাড়া কারো নেই।

25/11/2016

ﻭَﻣَﺎ ﻟَﻜُﻢْ ﻟَﺎ ﺗُﻘَﺎﺗِﻠُﻮﻥَ ﻓِﻲ ﺳَﺒِﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺍﻟْﻤُﺴْﺘَﻀْﻌَﻔِﻴﻦَ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﺮِّﺟَﺎﻝِ ﻭَﺍﻟﻨِّﺴَﺎﺀِ ﻭَﺍﻟْﻮِﻟْﺪَﺍﻥِ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻳَﻘُﻮﻟُﻮﻥَ ﺭَﺑَّﻨَﺎ
ﺃَﺧْﺮِﺟْﻨَﺎ ﻣِﻦْ ﻫَﺬِﻩِ ﺍﻟْﻘَﺮْﻳَﺔِ ﺍﻟﻈَّﺎﻟِﻢِ ﺃَﻫْﻠُﻬَﺎ ﻭَﺍﺟْﻌَﻞ ﻟَﻨَﺎ ﻣِﻦْ
ﻟَﺪُﻧْﻚَ ﻭَﻟِﻴًّﺎ ﻭَﺍﺟْﻌَﻞ ﻟَﻨَﺎ ﻣِﻦْ ﻟَﺪُﻧْﻚَ ﻧَﺼِﻴﺮًﺍ ‏( 75 )
"তোমাদের কি হয়েছে যে তোমরা
আল্লাহর পথে লড়াই করছ না অসহায় নারী,পুরুষ
ও শিশুদের রক্ষার জন্যে? যারা বলে হে
আমাদের প্রতিপালক! জালেমের এই জনপদ
থেকে আমাদেরকে উদ্ধার কর। তোমার কাছ
থেকে কাউকে আমাদের অভিভাবক কর এবং
তোমার কাছ থেকে আমাদের জন্য
সাহায্যকারী পাঠাও!

Address

Farah Al Afrah, Gm-16, Yanbu Al Bahar
Yanbu`

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Saturday 9am - 5pm
Sunday 9am - 5pm

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Study Al Quraan & Hadith posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category