মদিনা সনদে রাষ্ট্র নীতি
নবী মোহাম্মদ যখন মক্কা হইতে মদিনায় হিজরত করিলেন তখন মদিনার মো
ট জনসংখ্যার ৪০% ছিলো ইহুদি , ১৫% ছিলো মুসলমান।
বাকীরা কেহ ছিল অগ্নি উপাসক ও প্রকৃতির উপাসক।
নবী মোহাম্মদ সবাই কে সঙ্গে নিয়া বসলেন, এবং রচনা করিলেন ৪৭টি ধারা যুক্ত এক সংবিধান।
ইহাই বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধান, যাহা " মদিনা সনদ " নামে পরিচিত।
এই সনদটি ছিলো মানবাধিকারের শ্রেষ্ঠ দলিল।
কারণ, এই সনদে মদিনা নগরীর সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হইয়াছিলো।
এই সনদে উল্লেখিত ছিলো,
" ইহুদি, পৌত্তলিক সহ অন্যান্য সব ধর্মের লোকেরা নিজ নিজ ধর্ম - কর্ম পালনে কোনোরুপ বাধার সম্মুখীন হইবে না।"
(ইহাই ছিলো সত্যিকার অর্থে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রথম দলিল, মদিনা হইলো প্রথম ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র।
আর এই ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রবক্তা ছিলেন স্বয়ং রাসুলুল্লাহ ।)
মদিনা সনদ লিখিত হইলো।
সারা মদিনায় খুশীর জোয়ার বহিয়া গেলো।
ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের বিষয়ে লিখিত এই নির্দেশনা, তাহার ওফাতের পর তাহার তথাকথিত নামধারী উম্মতেরা যে মানিয়া চলিবে না - তাহা নবী মোহাম্মদ বুঝিতে পেরেছিলেন।
তাই পরবর্তী তে তিনি সকলের উদ্দেশ্যে সাবধানবানী উচ্চারন করিয়া বলে ছিলেন,
" সাবধান! মুয়াহিদ ( মুসলমান শাসনে বসবাস করা অন্য ধর্মের মানুষ) কোনো ব্যাক্তির উপর জুলুম করিবে অথবা তাহার প্রাপ্য কম দিবে অথবা তাহার সামর্থ্যের বাহিরে কিছু করিতে বাধ্য করিবে অথবা তাহার সন্তুষ্টিমুলক সম্মতি ছাড়া তাহার নিকট হইতে কিছু গ্রহণ করিবে - মনে রাখি ও, কেয়ামতের দিন আমি তাহার বিপক্ষে বাদী হইবো।"(বিঃদ্রঃ এই সনদে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম হবে এমন কোন কথা বালা নেই, )
ইহার পরপরই মহাগ্রন্থে আয়াত নাজিল হইয়াছিলো,
" হে নবী, আপনি বলিয়া দিন - আল্লাহ কে বাদ দিয়ে তাহারা যাহাদের উপাস্য হিসাবে ডাকে, তোমরা তাহাদের গালমন্দ করিও না। নতুবা তাহারা অজ্ঞানতাবশতঃ / শত্রুতাবশতঃ না জানিয়া আল্লাহ কে গালাগাল করিবে।"( আনাম ১০৮)
নবী মোহাম্মদ এর আমলে তৎকালীন মক্কা ও মদিনা উভয় স্থানই ছিলো গোত্রে ও ধর্মে বিভাজিত।
কিন্তু আল্লাহর রাসুল কাউকে জোর করে মুসলমান বানানোর চেষ্টা করেন নি।
বরঞ্চ বিদায় হজ্জের ভাষনে সকলের উদ্দেশ্যে বলে ছিলেন,
" হে মানব মন্ডলী, সাবধান! তোমরা ধর্ম লইয়া বাড়াবাড়ি করিওনা। কেননা, তোমাদের পূর্বের জাতিগুলো ধর্ম লইয়া বাড়াবাড়ি কারণে ধ্বংস হইয়া গিয়াছে।
وَ لَا تَلۡبِسُوا الۡحَقَّ بِالۡبَاطِلِ وَ تَکۡتُمُوا الۡحَقَّ وَ اَنۡتُمۡ تَعۡلَمُوۡنَ ﴿۴۲ এবং তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করনা এবং জেনে শুনে সত্য গোপন করনা।(২:৪২)
اِنَّ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ الَّذِیۡنَ ہَادُوۡا وَ النَّصٰرٰی وَ الصّٰبِئِیۡنَ مَنۡ اٰمَنَ بِاللّٰہِ وَ الۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ وَ عَمِلَ صَالِحًا فَلَہُمۡ اَجۡرُہُمۡ عِنۡدَ رَبِّہِمۡ ۪ۚ وَ لَا خَوۡفٌ عَلَیۡہِمۡ وَ لَا ہُمۡ یَحۡزَنُوۡنَ ﴿۶۲﴾
নিশ্চয়ই মুসলিম, ইয়াহুদী, খৃষ্টান এবং সাবেঈন সম্প্রদয়, (এদের মধ্যে) যারা আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং ভাল কাজ করে, তাদের জন্য তাদের রবের নিকট পুরস্কার রয়েছে, তাদের কোন প্রকার ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবেনা।(২:৬২) (অতএব তুমি তাদের কে মন্দ বলার কে !?)
وَ لَوۡ شَآءَ رَبُّکَ لَاٰمَنَ مَنۡ فِی الۡاَرۡضِ کُلُّہُمۡ جَمِیۡعًا ؕ اَفَاَنۡتَ تُکۡرِہُ النَّاسَ حَتّٰی یَکُوۡنُوۡا مُؤۡمِنِیۡنَ ﴿۹
আর যদি তোমার রাব্ব ইচ্ছা করতেন তাহলে বিশ্বের সকল লোকই ঈমান আনত। তাহলে তুমি কি মানুষের উপর যবরদস্তি করতে পার, যাতে তারা ঈমান আনে-ই?(১০:৯৯)= ( ধর্মান্তরিত করা সম্পূর্ণ ভাবে নিষেধ করেছেন)
لَکُمۡ دِیۡنُکُمۡ وَلِیَ دِیۡنِ ٪﴿۶﴾
লাকুম দীনুকুম ওয়ালিয়া দীন।
তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন এবং আমার জন্য আমার দ্বীন। =( এই আয়াতে দেখা যায় ধর্ম পরিপূর্ণ ভাবে স্বাধীন,)
عَسَی اللّٰہُ اَنۡ یَّجۡعَلَ بَیۡنَکُمۡ وَ بَیۡنَ الَّذِیۡنَ عَادَیۡتُمۡ مِّنۡہُمۡ مَّوَدَّۃً ؕ وَ اللّٰہُ قَدِیۡرٌ ؕ وَ اللّٰہُ غَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ ﴿۷﴾
যাদের সাথে তোমাদের শত্রুতা রয়েছে সম্ভবতঃ আল্লাহ তাদের ও তোমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে দিবেন; আল্লাহ সর্বশক্তিমান, পরম দয়ালু।
لَا یَنۡہٰىکُمُ اللّٰہُ عَنِ الَّذِیۡنَ لَمۡ یُقَاتِلُوۡکُمۡ فِی الدِّیۡنِ وَ لَمۡ یُخۡرِجُوۡکُمۡ مِّنۡ دِیَارِکُمۡ اَنۡ تَبَرُّوۡہُمۡ وَ تُقۡسِطُوۡۤا اِلَیۡہِمۡ ؕ اِنَّ اللّٰہَ یُحِبُّ الۡمُقۡسِطِیۡنَ ﴿۸﴾
দীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদের স্বদেশ হতে বহিস্কৃত করেনি তাদের প্রতি মহানুভবতা প্রদর্শন ও ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদেরকে নিষেধ করেন না। আল্লাহতো ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।
اِنَّمَا یَنۡہٰىکُمُ اللّٰہُ عَنِ الَّذِیۡنَ قٰتَلُوۡکُمۡ فِی الدِّیۡنِ وَ اَخۡرَجُوۡکُمۡ مِّنۡ دِیَارِکُمۡ وَ ظٰہَرُوۡا عَلٰۤی اِخۡرَاجِکُمۡ اَنۡ تَوَلَّوۡہُمۡ ۚ وَ مَنۡ یَّتَوَلَّہُمۡ فَاُولٰٓئِکَ ہُمُ الظّٰلِمُوۡنَ ﴿۹﴾
আল্লাহ শুধু তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন যারা দীনের ব্যাপারে তোমাদের সাথে যুদ্ধ করেছে, তোমাদেরকে স্বদেশ হতে বহিস্কৃত করেছে এবং তোমাদের বহিঃস্করণে সাহায্য করেছে। তাদের সাথে যারা বন্ধুত্ব করে তারাতো অত্যাচারী। (৬০:৭-৮-৯)
= (এই তিনটি আয়াত মোতাবেক বিধর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব করা নিষেধ নাই, বরং "মুসলিম নামের মুনাফিক এর সাথে বন্ধুত্ব করা নিষেধ")
اِنَّا نَحۡنُ نَزَّلۡنَا الذِّکۡرَ وَ اِنَّا لَہٗ لَحٰفِظُوۡنَ ﴿۹﴾
আমিই জিকর (কুরআন) অবতীর্ণ করেছি এবং আমিই উহার সংরক্ষক।(১৫:৯)
# # খেয়ে খেয়ে গোশত রুটি তো খুব ,
হয়েছ খোদার খাশি বেকুব।
নিজেকে দাও কোরবানি,
বেঁচে যাবে তুমি বাঁচবে দ্বীন
দাশ ইসলাম হবে স্বাধীন।
( কাজী নজরুল ইসলাম)
কিছু লোক মদিনা সনদের হুংকার দেয়, মুলত এরা
সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে তাদের সিয়ো খেলা ফত চায় । প্রকৃত এরাই ধর্ম মাতাল !!
লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন কাজে লাগবে,
তার পরে মন্তব্য করুন। ধন্যবাদ( সংগৃহীত)
Makkah-Madina, Hajj Umrah
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Makkah-Madina, Hajj Umrah, Riyadh.
🇮🇳
ভারত আসলে কার অন্তর্ভুক্ত
ভারতের ইতিহাস
শেষ পর্যন্ত পড়ুন
ঘৌরি সাম্রাজ্য থেকে নরেন্দ্র মোদী পর্যন্ত
ঘোরি কিংডম
1 = 1193 মোহাম্মদ ঘোরি
2 = 1206 কুতুবুদ্দিন আইবাক
3 = 1210 বাকি শাহ
4 = 1211
5 = 1236 রকিনউদ্দিন ফিরোজ শাহ
6 = 1236 রাজা সুলতান
7 = 1240 মোজাদ্দিন বাহরাম শাহ
8 = 1242 আল-দীন মাসউদ শাহ
9 = 1246 নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
10 = 1266 গিয়াসউদ্দিন বালবিন
11 = 1286 ..........
12 = 1287 মসজিদের কাবাদন
13 = 1290 শামসুদ্দিন কামার্স
মহান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি
(সরকার থেকে -97 বছর প্রায় দূরে।)
* সাম্রাজ্যের সাম্রাজ্য *
1 = 1290 জালালউদ্দিন ফিরোজ খিলজি
2 = 1292 ineশিক ধর্ম
4 = 1316 শাহাবুদ্দিন ওমর শাহ
5 = 1316 কুতুবুদ্দীন মোবারক শাহ
6 = 1320 নাসিরুদ্দিন খুসরো শাহ
খলজি সাম্রাজ্যের সমাপ্তি
(সরকারী -30 বছর প্রায়)
* তুঘলক সাম্রাজ্য *
1 = 1320 গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (প্রথম)
2 = 1325 মোহাম্মদ ইবনে তুঘলক (দ্বিতীয়)
3 = 1351 ফিরোজ শাহ তুঘলক
4 = 1388 গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (দ্বিতীয়)
5 = 1389 আবু বকর শাহ
6 = 1389 মোহাম্মদ তুঘলক (সোম)
7 = 1394 .......... (আমি)
8 = 1394 নাসিরুদ্দিন শাহ (দ্বিতীয়)
9 = 1395 নুসরত শাহ
10 = 1399 নাসিরুদ্দিন মোহাম্মদ শাহ (দ্বিতীয়)
11 = 1413 সরকার
তুঘলক সাম্রাজ্যের সমাপ্তি
(সরকার -94 বছর প্রায় দূরে।)
* সা Saeedদ রাজবংশ *
1 = 1414 খেজুর খান
2 = 1421 মুইজউদ্দিন মোবারক শাহ (দ্বিতীয়)
3 = 1434 মুহাম্মদ শাহ (চতুর্থ)
4 = 1445 আল্লাহ আলম শাহ
সা'দ রাজ্যের সমাপ্তি
(সরকারী -৩ 37 বছর প্রায়)
লোধি সাম্রাজ্য
1 = 1451 বাহলোল লোধি
2 = 1489 লোধি (দ্বিতীয়)
3 = 1517 আব্রাহাম লোধি
লোধি সাম্রাজ্যের সমাপ্তি
(সরকারী-75 বছর প্রায়)
মুঘল সাম্রাজ্য
1 = 1526 জহিরউদ্দিন বাবর
2 = 1530 হুমায়ুন
মুঘল সাম্রাজ্যের সমাপ্তি
সুরিয়ান সাম্রাজ্য
1 = 1539 শের শাহ সুরি
2 = 1545 ইসলাম শাহ সুরি
3 = 1552 মাহমুদ শাহ সুরি
4 = 1553 আব্রাহাম সুরি
5 = 1554 পারভেজ শাহ সুরি
6 = 1554 মোবারক খান সুরি
সুররিয়ান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি
(সরকারী -16 বছর প্রায়)
আবার মোগল সাম্রাজ্য
1 = 1555 হুমায়ুন (আবার)
2 = 1556 জালালউদ্দিন আকবর
3 = 1605 জাহাঙ্গীর স্লাম
4 = 1628 শাহ জাহান
5 = 1659 আওরঙ্গজেব
6 = 1707 শাহ আলম (প্রথম)
7 = 1712 বাহাদুর শাহ
8 = 1713 ফার্কুয়ারশিয়ার
9 = 1719 রিফাদ রজত
10 = 1719 ...............
11 = 1719 ...............
12 = 1719 মাহমুদ শাহ
13 = 1748 আহমেদ শাহ
14 = 1754 ...................
15 = 1759 শাহ আলম
16 = 1806 আকবর শাহ
17 = 1837 সাহসী কিং জাফর
মুঘল সাম্রাজ্যের সমাপ্তি
(সরকারী -১১৫ বছর থেকে দূরে।)
* ব্রিটিশ রাজ *
1 = 1858 লর্ড কিং
2 = 1862 লর্ড জেমস ব্রুস এলগিন
3 = 1864 লর্ড জে লরেন্স
4 = 1869 লর্ড রিচার্ড মায়ো
5 = 1872 লর্ড নর্থবাক
6 = 1876 লর্ড এডওয়ার্ড ল্যাটিন
7 = 1880 লর্ড জর্জ রিপন
8 = 1884 লর্ড ডাফারিন
9 = 1888 লর্ড হ্যানি লেসডন
10 = 1894 লর্ড ভিক্টর ব্রুস এলগিন
11 = 1899 লর্ড জর্জ করজিয়ান
12 = 1905 লর্ড গিলবার্ট মিন্টো
13 = 1910 লর্ড চার্লস হার্ড্জ
14 = 1916 লর্ড ফ্রেডেরিক থেকে এক্সিকিউয়ারে
15 = 1921 লর্ড রাক্স আজাক রিদিগ
16 = 1926 লর্ড এডওয়ার্ড ইরউইন
17 = 1931 লর্ড ফারম্যান ওয়েলডন
18 = 1936 লর্ড আলেজান্দ্রা লিনলিথগো
19 = 1943 লর্ড অর্কিবল্ড হুইল
20 = 1947 লর্ড মাউন্ট ব্যাটন
ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের সমাপ্তি
ভারত, প্রধানমন্ত্রী
1 = 1947 জওহরলাল নেহেরু
2 = 1964 গোলজারি লাল নন্দ
3 = 1964 লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
4 = 1966 গোলজারি লাল নন্দ
5 = 1966 ইন্দিরা গান্ধী
6 = 1977 মোরারজি দেশাই
7 = 1979 চরণ সিং
8 = 1980 ইন্দিরা গান্ধী
9 = 1984 রাজীব গান্ধী
10 = 1989 বিশ্বনাথ রিটার্নস
11 = 1990 চন্দ্রশেখর
12 = 1991 পি.ভি. নরসিমা রাও
13 = 1992 অটল বিহারী বাজপেয়ী
14 = 1996 চাদে গৌড়
15 = 1997 আই.কে. গুজরাল
16 = 1998 অটল বিহারী বাজপেয়ী
17 = 2004 মনমোহন সিং
18 = 2014 নরেন্দ্র মোদী
এক হাজার বছর ধরে মুসলমান রাজত্ব হওয়া সত্ত্বেও হিন্দুরা ভারতে রয়ে গেছে। মুসলিম শাসকরা তাদের সাথে কখনই অন্যায় আচরণ করেনি
এবং ....
হিন্দুরা এখনও পর্যন্ত 100 বছর হয়নি এবং তারা মুসলমানদের বিলুপ্ত করার কথা বলে !!
এই তথ্য ছাত্র এবং শিক্ষকদের দেওয়া উচিত।
জাজাক'আল্লাহাহু খাইরান
এই পোস্টটি অবশ্যই সবার সাথে শেয়ার করুন। কারণ আজকাল 90% লোকের এ সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই - * = (ভারতের ইতিহাস) = *
copy
^^^^^ আল্লাহর 99 নাম ^^^^^১. আল্লাহ্ (ﺍﻟﻠﻪ ) - আল্লাহ্ (The Greatest Name)
২. আর রহিম (ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ) - পরম দয়ালু (The Exceedingly Merciful)
৩. আর রহমান (ﺍﻟﺮﺣﻴﻢ ) - পরম দয়াময় (The Exceedingly Compassionate, The Exceedingly Beneficent, The Exceedingly Gracious)
৪. আল জাব্বার (ﺍﻟﻤﻠﻚ ) - পরাক্রমশালী (The Irresistible, The Compeller)
৫. আল ʿআজিজ (ﺍﻟﻌﺰﻳﺰ ) - সর্বশক্তিমান, বলশালী (The Almighty, The Invulnerable, The Honorable, The Victorious)
৬. আল মুহায়মিন (ﺍﻟﻤﻬﻴﻤﻦ ) - রক্ষণ ব্যবস্থাকারী (The Guardian)
৭. আল মুʿমিন (ﺍﻟﻌﺰﻳﺰ) - নিরাপত্তা বিধায়ক (The Guarantor, The Affirming, The Inspirer of Faith)
৮. আস সালাম (ﺍﻟﺴﻼﻡ ) - শান্তি বিধায়ক (The Peace, The Source of Peace and Safety)
৯. আল কুদ্দুস (ﺍﻟﻘﺪﻭﺱ ) - নিষ্কলুষ (The Holy, The Divine, The Pure One, The Purifier)
১০. আল মালিক (ﺍﻟﻤﻠﻚ ) - সর্বাধিকারী (The King, The Sovereign, The Absolute Ruler)
১১. আল ওয়াহহাব (ﺍﻟﻮﻫﺎﺏ ) -মহা বদান্য (The Bestower, The Giver of All)
১২. আল কাহহার (ﺍﻟﻘﻬﺎﺭ) -মহাপরাক্রান্ত (The Subduer)
১৩. আল গাফফার ( ﺍﻟﻐﻔﺎﺭ) - মহা ক্ষমাশীল (The Repeatedly Forgiving, The Forgiving)
১৪. আল মুসাওবির (ﺍﻟﻤﺼﻮﺭ ) - রূপদানকারী (The Fashioner, The Shaper, The Designer, The Shaper of Beauty)
১৫. আল বারী (ﺍﻟﺒﺎﺭﺉ ) - উন্মেষকারী (The Evolver, The Developer, The Maker of Order)
১৬. আল খালিক ( ﺍﻟﺨﺎﻟﻖ ) - সৃষ্টিকারী (The Creator)
১৭. আল মুতাকাব্বির ( ﺍﻟﻤﺘﻜﺒﺮ ) -অহংকারের ন্যায্য অধিকারী (The Majestic, The Supreme, The Greatest)
১৮. আল রাফিʿ ( ﺍﻟﺮﺍﻓﻊ ) - উন্নয়নকারী (The Exalter)
১৯. আল খাফিদ (ﺍﻟﺨَﺎﻓِﺾ) - অবনমনকারী (The Abaser, The Humiliator)
২০. আল বাসিত (ﺍﻟﺒﺎﺳﻂ) -সম্প্রসারণকারী (The Extender / Expander, The Reliever)
২১. আল কাবিদ (ﺍﻟﻘﺎﺑﺾ ) -সংকোচনকারী (The Restrainer, The Straightener, The Constrictor)
২২. আল আলীম ( ﺍﻟﻌﻠﻴﻢ ) - মহাজ্ঞানী (The All-Knowing, The Knower of All, Omniscient)
২৩. আল ফাত্তাহ ( ﺍﻟﻔﺘﺎﺡ ) - মহাবিজয়ী, বিজয়দানকারী (The Opener, The Victory Giver)
২৪. আর রাজ্জাক (ﺍﻟﺮﺯﺍﻕ) - জীবিকা দাতা (The Provider, The Sustainer)
২৫. আল লাতিফ ( ﺍﻟﻠﻄﻴﻒ) - সুক্ষদক্ষতাসম্পন্ন (The Gentle, The Subtly Kind, The Subtle One)
২৬. আল ʿআদল (ﺍﻟﻌﺪﻝ ) - ন্যায়নিষ্ঠ (The Utterly Just)
২৭. আল হাকাম (ﺍﻟﺤﻜﻢ) - মিমাংসাকারী (The Judge, The Arbitrator)
২৮. আল বাসির (ﺍﻟﺒﺼﻴﺮ ) - সর্ব দ্রষ্টা (The All Seeing)
২৯. আস সামীʿ (ﺍﻟﺴﻤﻴﻊ) - সর্বশ্রোতা (The All Hearing)
৩০. আল মুযিল (ﺍﻟﻤﺬﻝ ) - হতমানকারী (The Giver of Dishonor, The Humiliator)
৩১. আল মুʿইয্ ( ﺍﻟﻤﻌﺰ) - সম্মানদাতা (The Giver of Honor, The Bestower of Honors)
৩২. আল কাবীর (ﺍﻟﻜﺒﻴﺮ) - বিরাট, মহৎ (The Greatest)
৩৩. আল ʿআলী (ﺍﻟﻌﻠﻲ ) - অত্যুচ্চ (The Sublime, The Highest)
৩৪. আশ শাকুর (ﺍﻟﺸﻜﻮﺭ ) - গুণগ্রাহী (The Grateful, The Rewarder of Thankfulness)
৩৫. আল গফুর (ﺍﻟﻐﻔﻮﺭ ) - ক্ষমাশীল (The Much-Forgiving, The Forgiver and Hider of Faults)
৩৬. আল ʿআজীম (ﺍﻟﻌﻈﻴﻢ ) - মহিমাময় (The Magnificent)
৩৭. আল হালীম (ﺍﻟﺤﻠﻴﻢ ) - সহিষ্ণু (The Forbearing, The Indulgent)
৩৮. আল খাবীর (ﺍﻟﺨﺒﻴﺮ) - সর্বজ্ঞ (The All Aware)
৩৯. আল মুজিব (ﺍﻟﻤﺠﻴﺐ) - প্রার্থনা গ্রহণকারী (The Responsive, The Answerer, The Responder to Prayer)
৪০. আর রাকীব (ﺍﻟﺮﻗﻴﺐ ) - নিরীক্ষণকারী (The Watchful One)
৪১. আল কারীম (ﺍﻟﻜﺮﻳﻢ) - মহামান্য (The Bountiful, The Generous)
৪২. আল জালীল (ﺍﻟﺠﻠﻴﻞ ) - প্রতাপশালী (The Majestic, The Mighty)
৪৩. আল হাসীব (ﺍﻟﺤﺴﻴﺐ ) - মহাপরীক্ষক (The Bringer of Judgment, The Accounter)
৪৪. আল মুকিত (ﺍﻟﻤﻘﻴﺖ) - আহার্য দাতা (The Nourisher)
৪৫. আল হাফীজ ( ﺍﻟﺤﻔﻴﻆ ) - মহারক্ষক (The Preserver)
৪৬. আল হাক্ক (ﺍﻟﺤﻖ ) - সত্য (The Truth, The Reality)
৪৭. আশ শাহীদ (ﺍﻟﺸﻬﻴﺪ ) - প্রত্যক্ষকারী (The Witness)
৪৮. আল বাইছ ( ﺍﻟﺒﺎﻋﺚ ) - পুনরুত্থানকারী (The Resurrector)
৪৯. আল মাজীদ (ﺍﻟﻤﺠﻴﺪ ) - গৌরবময় (All-Glorious, The Majestic One)
৫০. আল ওয়াদুদ (ﺍﻟﻮﺩﻭﺩ ) - প্রেমময় (The Loving One)
৫১. আল হাকীম (ﺍﻟﺤﻜﻴﻢ ) – বিচক্ষণ (The All-Wise, The Perfectly Wise)
৫২. আল ওয়াসিʿ ( ﺍﻟﻮﺍﺳﻊ )- সর্বব্যাপী (The Vast, The All-Embracing, The All-Comprehending, The Omnipresent, The Boundless)
৫৩. আল মুবদী ( ﺍﻟﻤﺒﺪﺉ)- আদি স্রষ্টা (The Originator, The Producer, The Initiator)
৫৪. আল মুহসী ( ﺍﻟﻤﺤﺼﻲ) - হিসাবগ্রহণকারী (The Accounter, The Numberer of All, The Appraiser)
৫৫. আল হামিদ (ﺍﻟﺤﻤﻴﺪ ) - প্রশংসিত (The All Praiseworthy, The Praised One)
৫৬. আল ওয়ালী (ﺍﻟﻮﻟﻲ ) - অভিভাবক (The Friend, Patron and Helper)
৫৭. আল মাতীন (ﺍﻟﻤﺘﻴﻦ ) - দৃঢ়তাসম্পন্ন (The Firm, The Steadfast, The Forceful One)
৫৮. আল কায়ুয়ী (ﺍﻟﻘﻮﻱ) - শক্তিশালী (The Strong, The Possessor of All Strength)
৫৯. আল ওয়াকীল ( ﺍﻟﻮﻛﻴﻞ ) - তত্বাবধায়ক (The Trustee, The Dependable, The Advocate)
৬০. আল মাজিদ (ﺍﻟﻤﺠﻴﺪ ) - মহান (All-Glorious, The Majestic)
৬১. আল ওয়াজিদ ( ﺍﻟﻮﺍﺟﺪ) - অবধারক (The Perceiver, The Finder, The Unfailing)
৬২. আল কায়্যুম (ﺍﻟﻘﻴﻮﻡ ) - স্বয়ংস্থিতিশীল (The Subsisting, The Self-Existing One)
৬৩. আল হায়্যু ( ﺍﻟﺤﻲ) - জীবিত (The Living, The Ever Living One)
৬৪. আল মুমীত (ﺍﻟﻤﻤﻴﺖ ) - মরণদাতা (The Bringer of Death, The Taker of Life)
৬৫. আল মুহয়ী ( ﺍﻟﻤﺤﻴﻲ ) - জীবনদাতা (The Giver of Life)
৬৬. আল মুʿঈদ (ﺍﻟﻤﻌﻴﺪ) - পুনঃসৃষ্টিকারী (The Restorer, The Reinstater Who Brings Back All)
৬৭. আল আওয়াল (ﺍﻷﻭﻝ ) - অনাদী (The First, The Beginning-less)
৬৮. আল মুʾয়াখখীর (ﺍﻟﻤﺆﺧﺮ ) - পশ্চাদবর্তীকারী (The Delayer, He Who Puts Far Away)
৬৯. আল মুকাদ্দিম (ﺍﻟﻤﻘﺪﻡ ) - অগ্রবর্তীকারী (The Expediter, He Who Brings Forward)
৭০. আল মুকতাদীর (ﺍﻟﻤﻘﺘﺪﺭ ) - প্রবল, পরাক্রম (The Creator of All Power)
৭১. আল কাদীর (ﺍﻟﻘﺎﺩﺭ ) - শক্তিশালী (The All-Powerful, He Who is able to do Everything)
৭২. আস সামাদ (ﺍﻟﺼﻤﺪ ) - অভাবমুক্ত (The Eternal, The Absolute, The Self-Sufficient, The Satisfier of All Needs)
৭৩. আল ওয়াহিদ (ﺍﻟﻮﺍﺣﺪ) - একক (The One, The Unique, The All Inclusive, The Indivisible)
৭৪. আত তাওয়াব (ﺍﻟﺘﻮﺍﺏ ) - তওবা গ্রহণকারী (The Ever Returning, Ever Relenting, The Guide to Repentance)
৭৫. আল বার্র ( ﺍﻟﺒﺮ ) - ন্যায়বান (The Good, The Beneficent, The Doer of Good)
৭৬. আল মুতাʿআলী (ﺍﻟﻤﺘﻌﺎﻟﻲ ) - সুউচ্চ (The Supremely Exalted, The Most High, The Supreme One)
৭৭. আল ওয়ালী (ﺍﻟﻮﺍﻟﻲ) - কার্য নির্বাহক (The Patron, The Protecting Friend, The Friendly Lord, The Governor)
৭৮. আল বাতিন (ﺍﻟﺒﺎﻃﻦ ) - গুপ্ত (The Hidden One, The Unmanifest, The Inner)
৭৯. আল জাহির (ﺍﻟﻈﺎﻫﺮ ) - প্রকাশ্য (The Manifest One, The Evident, The Outer)
৮০. আল আখির ( ﺍﻷﺧﺮ) - অনন্ত (The Last, The Endless)
৮১. আল মুকসিত (ﺍﻟﻤﻘﺴﻂ ) - ন্যায়পরায়ণ (The Requiter, The Equitable One)
৮২. যুল জালাল ওয়ালইকরাম ( ﺫﻭ ﺍﻟﺠﻼﻝ ﻭﺍﻹﻛﺮﺍﻡ ) - মহিমান্বিত ও মাহাত্ম্যপূর্ণ (The Lord of Majesty and Generosity, The Lord of Majesty and Bounty)
৮৩. মালিকুল মুলক ( ﻣﺎﻟﻚ ﺍﻟﻤﻠﻚ ) - রাজ্যের মালিক (The Owner of all Sovereignty, The Owner of All)
৮৪. আর রাʾউফ (ﺍﻟﺮﺅﻭﻑ ) - কোমল হৃদয় (The Kind, The Pitying, The Clement)
৮৫. আল আʿওউফ (ﺍﻟﻌﻔﻮ ) - ক্ষমাকারী (The Pardoner, The Effacer, The Forgiver)
৮৬.আল মুনতাকীম (ﺍﻟﻤﻨﺘﻘﻢ ) - প্রতিশোধ গ্রহণকারী (The Avenger)
৮৭. আল হাদী (ﺍﻟﻬﺎﺩﻱ ) - পথ প্রদর্শক (The Guide, The Way)
৮৮. আন নাফীʿ ( ﺍﻟﻨﺎﻓﻊ ) - কল্যাণকর্তা (The Propitious, The Benefactor, The Source of Good, The Creator of Good)
৮৯. আদ দারর ( ﺍﻟﻀﺎﺭ ) - ( তাগুতের) অকল্যাণকর্তা (The Distressor, The Harmer, The Afflictor, The Creator of The Harmful)
৯০. আল মানিʿ (ﺍﻟﻤﺎﻧﻊ) - প্রতিরোধকারী (The Withholder, The Shielder, The Defender, The Preventer of Harm)
৯১. আল মুগনী (ﺍﻟﻤﻐﻨﻲ ) - অভাবমোচনকারী (The Enricher, The Emancipator)
৯২. আল গানী (ﺍﻟﻐﻨﻲ ) - সম্পদশালী (The Rich One, The Independent)
৯৩. আল জামিʿ (ﺍﻟﺠﺎﻣﻊ ) - একত্রীকরণকারী (The Gatherer, The Unifier)
৯৪. আস সাবুর ( ﺍﻟﺼﺒﻮﺭ) - ধৈর্যশীল (The Timeless, The Patient One)
৯৫. আল রশীদ (ﺍﻟﺮﺷﻴﺪ ) - সত্যদর্শী (The Guide to the Right Path, The Righteous Teacher)
৯৬. আল ওয়ারিছ (ﺍﻟﻮﺍﺭﺙ ) - উত্তরাধিকারী (The Heir, The Inheritor of All)
৯৭. আল বাকী (ﺍﻟﺒﺎﻗﻲ ) - চিরস্থায়ী (The Immutable, The Infinite, The Everlasting One)
৯৮. আল বাদীʿ (ﺍﻟﺒﺪﻳﻊ ) - অভিনব সৃষ্টিকারী (The Incomparable, The Unattainable, The Originator)
৯৯. আন নূর (ﺍﻟﻨﻮﺭ ) - জ্যোতি (The Ligh
ঘরেই থাকুন কেননা-এশিয়া মহাদেশে বাড়ছে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যাঃ
১। ইরান- ৬,৫৪১
২। চীন- ৪,৬৩৩
৩। তুরস্ক- ৩,৬৮০
৪। ভারত-১,৯৮৫
৫।ইন্দোনেশিয়া-৯৪৩
৬। ফিলিপাইন- ৬৯৬
৭। পাকিস্তান-৫৯৯
৮। জাপান-৫৭৭
৯।দক্ষিন কোরিয়া- ২৫৬
১০।ইসরাইল-২৪৫
১১। সৌদি আরব-২২৯
১২। বাংলাদেশ-২০৬
১৩। সংযুক্ত আরব আমিরাত-১৭৪
১৪। আফগানিস্তান-১০৯
১৫। মালয়েশিয়া-১০৭
১৬। ইরাক-১০৬
১৭। থাইল্যান্ড-৫৫
১৮। কুয়েত-৪৪
১৯। আর্মেনিয়া-৪৩
২০ । তাজাকিস্তান-৩৩
২১। কাজাকিস্তান-৩১
২২।আজারবাইজান-২৮
২৩। লেবানন-২৬
২৪। সিঙ্গাপুর-২০
২৫। সাইপ্রাস-২০
২৬। কাতার-১৬
২৭। ওমান-১৬
২৮। কিরগিজিস্তান-১২
২৯। উজবেকিস্তান-১০
৩০। গিরগিজিয়া-১০
৩১। বাহরাইন-৯
৩২। জর্দান-৯
৩৩। শ্রীলংকা-৯
৩৪। ইয়েমেন-৭
৩৫ ।তাইওয়ান-৬
৩৬।মিয়ানমার-৬
৩৭। হংকং-৪
৩৮।ফিলিস্তিন-৪
৩৯।ব্রুনাই-৪
৪০।সিরিয়া-৩
৪১।মালদ্বীপ-৩
৪২। ভিয়েতনাম/ নেপাল/ভুটান/ মঙ্গোলিয়া/ লাওস/কম্পোচিয়ায় / পুর্ব তিমুরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে, তবে মৃতের সংখ্যা-০
৪৩ । উত্তর কোরিয়ার হিসেব নেই(সংগৃহীত)
সুত্রঃ COVID-19 VISALIZER Date: 09 MAY 2020
জামায়াতে নামাজ পড়তে চাই আল্লাহ
05/05/2020
Save us from covid19-Allah
আদম আ: থেকে মুহাম্মদ সা: এর বংশধারা
১. আদম আঃ
(মানব জাতির প্রথম পুরুষ । বেহেশত থেকে পৃথিবীতে
সরাসরি অবতীর্ন করা হয় তাকে । মানব জাতির আদী
মাতার নাম হাওয়া । )
২. শীষ (অর্থ “আল্লাহর দান”)
৩. ইয়ানিশ (অর্থ সত্যবাদী)
৪. কায়নান (অর্থ সমান)
৫. মাহলীল (অর্থ প্রশংসিত)
৬. ইয়ারদ (অর্থ হচ্ছে নিয়ন্ত্রক)
৭. আখনুখ
(সম্ভবত ইনি হযরত ইদরীস আ, আদম আ এর পর প্রথম নবী,
কলম দিয়ে তিনি ই প্রথম লেখার সূচনা করেন )
৮. মাতু শালাখ
( এর অর্থ হচ্ছে যার দুত মারা গেছে , উনি মার্তৃগর্ভে
থাকাকালীন তার বাবা-আখনুখ মারা যান)
৯. লামাক
১০. নূহ আ:
(নুহ আ এর আসল নাম আব্দুল গাফ্ফার, নূহ শব্দটির অর্থ
কান্না, সম্ভবত তিনি আল্লাহর ভয়ে প্রচুর কাদতেন বলে
তার এমন নাম হয়েছিল । হিন্দু ধর্মশাস্ত্রের বর্ণিত “মনু”
ই হচ্ছেন নূহ আ, ইতিহাসের বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায়
ভারতবর্ষে হিন্দুজাতির আগমন নুহ আ এর প্লাবনের পরেই
হয়েছিল । সরাসরি নুহ আ এর উম্মত হচ্ছেন আজকের হিন্দু
জাতি )
১১. সাম
১২. আরফাখশাজ (অর্থ জ্বলন্ত প্রদীপ)
১৩. শালেখ (অর্থ প্রতিনিধি)
১৪. আয়বার
১৫. ফালেখ
১৬. রাউ
১৭. সারূগ
১৮. নাহুর (অর্থ কুরবানীদাতা)
১৯. তারেহ (অন্য নাম আযার - অর্থ , হে খোড়া ব্যাক্তি)
২০. ইবরাহীম আঃ
(শব্দটির মুল রূপ হলো, আবূন রহিম যার অর্থ দয়ালু পিতা,
খৃষ্টানদের মধ্যে প্রচলিত নামটির রূপ হচ্ছে আব্রাহাম,
মূলত বর্তমানে প্রচলিত জাতিগুলির সবাই ইবরাহীম আ
এর প্রতি সমানভাবে সম্মান প্রদর্শন করে থাকে...
মহানবী সা এর নবুওতের সময়েও আল্লাহ বিভিন্ন সময়ে
আরবের মুশরিক, ইয়াহুদী খৃষ্টানদেরকে “ইবরাহীমের
দ্বীন” এর প্রতি আহবান জানিয়েছেন ।
২১. ইসমাঈল আ
(অর্থ আল্লাহর অনুগত- আল্লাহর নির্দেশে কুরবানী হতে
পিতার ছুড়ির নিচে শুয়ে পড়েছিলেন নির্দিধায়,
কুরবানীর ইতিহাস এখান থেকেই শুরু, তিনি ১৩০ বছর বেঁচে
ছিলেন,তার মাতা হাজেরা মিশরীয় বংশদ্ভুত ছিলেন -
রাসুল সা এর ওসীয়ত আছে এব্যাপারে, তিনি বলে
দিয়েছিলেন সাহাবাদের, যেন মিশর জয় করার পরে তার
অধিবাসীদের সাথে খুব ভালো ব্যবহার করা হয়, কারন,
মুসলিম রাষ্ট্রের বিজিত অমুসলিম নাগরিক আইনানুগ
ভালো ব্যবহার এর অধিকারী এবঙ আত্মীয়তার সূত্রেও
..)
২২. নাবিত
২৩. ইয়াশজাব ( অর্থ হচ্ছে নিন্দুক)
২৪. ইয়ারাব
২৫. তায়রা (দু:খ ভারাক্রান্ত)
২৬. নাহুর (পৃর্ববর্তী আরেক পুরুষের একই নাম রয়েছে)
২৭. মুকাওয়াম
২৮. উদাদ (স্নেহ, মমতা, ভালোবাসা-শাব্দিক অর্থ)
২৯. আদনান (অর্থ চিরস্থায়ী)
৩০. মায়াদ (অর্থ শক্তিমান)
৩১. নিযার (শাব্দিক অর্থ অল্প)
৩২. মুযার (মুল শব্দরূপ মাযীরা, যা দুধের তৈরী একধরনের
খাদ্যের নাম)
৩৩. ইলয়াস
(অর্থ, এমন বীর যিনি কখনও যুদ্ধের ময়দান থেকে
পালিয়ে যাননা)
৩৪. মুদরাকা (তার ২ ছেলে, খুযায়মা ও হুজায়ল)
৩৫. খুযায়মা
(এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে কোন কিছুকে শক্ত করে বাধা,
তার ৪ ছেলে, কিনানা, আসাদ, আসাদাহ ও হুন)
৩৬. কিনানা
(তার মায়ের নাম আওয়ানা, তার ৪ ছেলে, নাজর ,
মালিক, আবদে মানাত, মিলকান, শেষ তিন জনের মা
ভিন্ন)
৩৭. নাজর
(তার মা বাররাহ যার বংশ উপরের দিকে ইলয়াস(৩৩)এ
একত্রিত হয়েছে , নাজরের নামই ছিলো কুরাইশ)
৩৮. মালিক (মালিকের মায়ের নাম আতিকা)
৩৯. ফিহের
(ফিহের শব্দটির অর্থ হচ্ছে লম্বা পাথর, তার ৪ ছেলে ও ১
মেয়ে, গালিব, মুহারিব, হারিস ও আসাদ এবং
জান্দালাহ এর মায়ের নাম লায়লা)
৪০. গালিব (তার তিন ছেলে লুআঈ, তায়ম ও কায়সের
মায়ের নাম সালমা)
৪১. লুয়াই
(তার ৭ ছেলে, কা’আব, আমির, সামাহ এর মায়ের নাম
মাবিয়াহ । আওফ, সাদ, খুজাইমাহ হারিস এর মা ভিন্ন
ভিন্ন )
৪২. কা’আব
(রাসুল সা এর আগে ইনিই প্রথম আরব ঐক্যের ডাক দেন ।
কারো কারো মতে সপ্তাহের একটি দিনকে জুমআ
নামটিও তার দেয়া, এই দিনে তিনি কুরাইশদের একত্রিত
করে রাসুল সা এর আগমনের কথা আলোচনা করতেন , তার
তিন পুত্র ছিল,
মুররা, আদী, হুসায়স এর মায়ের নাম ওয়াহশ্যিয়া যার
পুর্বপুরুষ ফিহের (৩৯))
৪৩. মুররা
(শব্দটির অর্থ অতিশয় তিক্ত, তার ৩ ছেলে, কিলাব,
তায়ম, ইয়াকাযা)
৪৪. কিলাব (তার ২ ছেলে ও ১ মেয়ে)
৪৫. কুসাই (তার ৪ পুত্র ও ৪ মেয়ে ছিল)
৪৬. আবদে মানাফ (অন্য নাম মুগীরা)
৪৭. হাশিম
(তার ৪ ছেলে -আব্দুল মুত্তালিব, আসাদ, আবূ সায়ফী,
নাযলাও ৫ মেয়ে - শিফা, খালিদা, যাঈফা, রুকায়্যা,
হাইয়া.. আব্দুল মুত্তালিব ও রুকায়্যা আপন ভাইবোন
ছিলেন ।
৪৮. আব্দুল মুত্তালিব
(আসল নাম শায়বা, তিনি ১৪০
বছর বেচে ছিলেন,
সর্বপ্রথম, তার ১০ ছেলে ও ৬ মেয়ে ছিল...আব্বাস,
হামজা, আব্দুল্লাহ, আবু তালিব, যুবায়র, হারিছ, হাজলা,
মুকাব্বিম, যিরারা, আবু লাহাব.. এবং মেয়েরা ...
সাফিয়্যা, উম্মে হাকীম বায়যা, আতিকা, উমায়মা,
আরওয়া, বাররাহ) )
৪৯. আবদুল্লাহ
(তিনি পিতার সবচেয়ে স্নেহভাজন ছিলেন । যমযম কুপের
সংস্কার করতে গিয়ে বিরোধ বাধলে আব্দুল মুত্তালিব
মানত করেন তার যদি ১০ সন্তান জন্ম নেয় এবং
জীবদ্দশায় বয়োপ্রাপ্ত হয় তবে ১ জনকে কুরবানী করবেন
। পরবর্তীতে তীর টানা (এক ধরনের লটারী) য়
আব্দুল্লাহর নাম চলে আসে । তিনি মানত পৃর্ন করতে
উদ্যত হলেও অন্যান্য কুরায়শদের বাধা ও পরামর্শে
হিজাজের জনৈক মহিলা জোতীষীর পরামর্শ নিয়ে ১০০
উট আব্দুল্লাহর পরিবর্তে কুরবানী দেয়ার মানত করার
পরে তীর টানায় আব্দুল্লাহর পরিবর্তে উটের নাম চলে
আসে । )
৫০. মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
11/04/2020
#হজ্ব_বাতিলের_ইতিহাসঃ-
***********************
প্রথমবার হজ্জ্ব বাতিল হয়েছিল ৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে, আব্বাসীয়দের সময়, ইসমাঈল বিন ইউসুফের মক্কা আক্রমণের কারণে।
এরপর বন্ধ হয়েছিল ৯৩০ সালে। কট্টর শিয়া গ্রুপ কারমাতিদের আক্রমণে। সে বছর ৩০,০০০ হাজি শহীদ হয়েছিলেন। তারা হাজিদেরকে হত্যা করে তাদের লাশ জমজম কুপে ফেলে দিয়েছিল। ফিরে যাওয়ার সময় তারা সাথে করে হাজরে আস্ওয়াদ বাহরাইনে নিয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে হাজরে আসওয়াদ পুনরুদ্ধার হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এক দশক হজ্ব বন্ধ ছিল।
৯৮৩ থেকে ৯৯০ সাল পর্যন্ত হজ্ব বাতিল হয়েছিল রাজনীতির কারণে। ইরাক ও সিরিয়া ভিত্তিক আব্বাসীয় খিলাফত এবং মিসর ভিত্তিক ফাতেমীয় খিলাফতের মধ্যকার দ্বন্দ্বের কারণে সেবার ৮ বছর পর্যন্ত হজ্ব বন্ধ ছিল।
শুধু যুদ্ধ-বিগ্রহ না, মহামারীর কারণেও হজ্ব বাতিল হয়েছিল। প্রথমে ১৮১৪ সালে হেজাজ প্রদেশে প্লেগের কারণে, তখন ৮,০০০ মানুষ মারা যাওয়ায় হজ্ব বাতিল করা হয়।
এরপর ১৮৩১ সালে ভারত থেকে যাওয়া হজ্বযাত্রীদের মাধ্যমে মক্কায় প্লেগ ছড়িয়ে পড়ে এবং চারভাগের তিনভাগ হাজী মৃত্যুবরণ করে। ফলে সে বছর হজ্ব বাতিল করা হয়। এছাড়াও ১৮৩৭ থেকে ১৮৫৮ সালের মধ্যে প্লেগ এবং কলেরার কারণে তিন বারে মোট ৭ বছর হজ্ব বন্ধ ছিল।
ইসলাম অবাস্তব কোনো ধর্ম নয়, এলিয়েনদের জন্য আসা ধর্ম নয়। এটা মানুষের শান্তির জন্য আসা ধর্ম। এবং মানুষের সাধ্যের বাইরে এখানে কিছু করতে বলা হয়নি।
তথ্যসূত্র: হারাম শরিফের ওয়েবসাইট, মিডল ইস্ট আই, টিআরটি, দ্য নিউ আরব।
আমার ব্যক্তিগত প্রত্যাশাঃ আশা করি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এ বছর হজ্জ্বের পূর্বেই সারা পৃথিবী হতে করোনাভাইরাস ধ্বংস করে মুসলমানদের সবাইকে একসঙ্গে হজ্জ্ব করার তৌফিক দিবেন। আমিন।।
28/03/2020
করোনায় বিশ্বনেতা পরাশক্তিরা 20 ট্রিলিয়ন ডলার আপদকালীন মন্জুর করেছে,যুদ্ধ বন্ধ করে ঐ অর্থে সাস্থ্য খাতে গভেষনায় সকল ভাইরাসের প্রতিষেদক আবিস্কার করতে পারবে,শুভ বুদ্ধির উদয় হোক
22/02/2020
19 সালে হজ্ব পালনের সৌভাগ্যবান আমাদের হজ্ব কবুল করুন আল্লাহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Riyadh
1243
07/05/2022