04/08/2026
রায়েরবাগ জোড়াখাম্বা রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদরাসার তৃতীয় তলার একটি ওয়াশরুম থেকে শোয়ানো অবস্থায় শি*শু নাঈমের ম/র/দে/হ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে বেতের আ/ঘা/তে/র চিহ্ন দেখা গেছে। মাদরাসা থেকে বলা হয়েছে, শি*শু'টি ওয়াশরুমে শাওয়ারের সঙ্গে ফাঁ/স দিয়ে আ/ত্ম/হ/ত্যা করেছে। তবে তার শরীরে বেতের দাগও ছিল।
নি/হ/ত নাঈমের মা কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন ওরে হুজুররা পি/ডা/য়া মা*র'ছে।শি*শু'টি'র মা নাজমা বেগম সন্তানের হাঁটুর নিচের
আ/ঘা/তে/র দাগ দেখিয়ে বলেন তার ছেলে আ/ত্ম/হ/ত্যা করতে পারে না তিনি বলেন,
ফাঁ/সি দিলে এক জায়গায় দাগ থাকত, সারা শরীরে না। আমার সন্তান হ/ত্যা/র বিচার চাই।
হাসপাতালে নাঈমের মা নাজমা আক্তার জানান, তাদের বাড়ি বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার মোশন গ্রামে। বর্তমানে তারা কদমতলির মুরাদপুর এলাকায় ফজলুল হকের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।দুই ছেলের মধ্যে নাঈম ছিল বড়। দুই ভাইই রায়েরবাগ রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত এবং সেখানেই থাকত।
তিনি জানান, বিকেলে মাদ্রাসার এক শিক্ষক ফোন করে বলেন, নাঈম অসুস্থ। দ্রুত মাদ্রাসায় গিয়ে তারা ছেলেকে মৃ/ত অবস্থায় পান। তবে তাদের আগেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
নাজমা আক্তার আরও বলেন, গত শুক্রবার তিনি বাসা থেকে রান্না করা খাবার নিয়ে দুই ছেলেকে দেখতে গিয়েছিলেন। তখন নাঈম কিছু বলতে চেয়েছিল, কিন্তু জাকারিয়া নামে এক শিক্ষক পাশে থাকায় সে কিছু বলতে পারেনি। তার দাবি, তার ছেলে আ/ত্ম/হ/ত্যা করতে পারে না। ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানান।
সোমবার ৩ আগস্ট দুপুরে ঢাকার রায়েরবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার রওজাতুল হাফিজিয়া মাদরাসার তৃতীয় তলার একটি বাথরুম থেকে শি*শু নাঈমের ম/র/দে/হ উদ্ধার করে পুলিশ।