07/06/2026
প্রিয় ভাই, ইহুদিদের অনুসরণ আপনাকে মানায় না, কেননা ওরা মুসলিম উম্মাহের শত্রু❗
প্রতিবারের মতন এবারো শুরু হয়ে গিয়েছে তথাকথিত খেলা প্রেমের নামে ভিনদেশীদের মনে প্রাণে সাপোর্ট করা এবং ভালোবাসা। সময়ের সাথে সাথে দেখা যাবে এ নিয়ে হিংসা, অহংকার, অর্থের অপচয় ও প্রতিযোগিতা করে ফ্ল্যাগ তৈরি, নিজেদের মধ্যে মনোমালিন্য, মারামারি, কাটাকাটি এমন কি হত্যার মত নিকৃষ্ট কাজ❗
আমার বিশ্বাস, প্রকৃতপক্ষে ইসলাম প্রিয় আল্লাহ ভীরু রাসূলের আদর্শে উজ্জীবিত যুবসমাজ কখনোই ভিনদেশী কালচারে আনন্দিত হয়ে মুশরিকদের সাদৃশ্য অবলম্বন ও ভালবাসতে পারে না।
কেননা যদি কোন মুসলিম ব্যক্তি মুশরিকদেরকে কাফির মনে না করে অথবা তাদের কুফরীর ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করে অথবা তাদের মতবাদসমূহ সঠিক মনে করে।
মহান আল্লাহ বলেন, إِنَّمَا الْمُشْرِكُوْنَ نَجَسٌ ‘নিশ্চয়ই মুশরিকরা অপবিত্র’ (তওবা ২৮)।
মুশরিক সম্প্রদায় অপবিত্র হওয়ার পর কি করে তাদের মতবাদ গ্রহণীয় হ’তে পারে? أَنَّ اللهَ بَرِيْءٌ مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ وَرَسُوْلُهُ ‘আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ছাঃ) মুশরিকদের থেকে মুক্ত’ (তওবা ৩)। অর্থাৎ মুশরিকদের ব্যাপারে আল্লাহর কোন দায়দায়িত্ব নেই। মহান আল্লাহ বলেন, إِنَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ وَالْمُشْرِكِيْنَ فِيْ نَارِ جَهَنَّمَ خَالِدِيْنَ فِيْهَا أُوْلَئِكَ هُمْ شَرُّ الْبَرِيَّةِ ‘নিশ্চয়ই আহলে কিতাবদের মধ্যে যারা কুফরী করেছে এবং শিরক করে তারা চিরস্থায়ী জাহান্নামী এবং এরাই সৃষ্টির মধ্যে নিকৃষ্ট সৃষ্টি’ (বায়্যিনাহ ৬)। যার কারণেই আল্লাহ এদের সাথে বিবাহ পর্যন্ত হারাম ঘোষণা করেছেন।
তাই আসুন, নিজের সময়ের গুরুত্ব দিয়ে ভিনদেশী ইয়াহুদীদের -মুসলিমদের শত্রুদের এড়িয়ে চলি।
মনে রাখবেন, মৃত্যুর সময় আপনার গায়ে এমন জার্সি (পোশাক) না থাকুক যা আপনার জন্য কল্যাণকর নয়। প্রিয় ভাই, ইহুদিদের অনুসরণ করলে হাশরটা তাদের সাথেই হবে❗
🖊️ SoLaiman MoHammad
21/05/2026
সমাজে আজ ধর্ষণ, নৃশংসতা, কপটতা, সহিংসতা, অশ্লীলতা, চাঁদাবাজি, নির্যাতন, নিপীড়ন ও জুলুম এত কেন বেড়ে যাচ্ছে⁉️
এই প্রশ্নের একটাই উত্তর -
দিন দিন আমরা প্রকৃত সুন্নাহ্ ও আল্লাহর আইন থেকে দূরে চলে যাচ্ছি।
আমরা নামে মুসলমান ঠিকই, কিন্তু আমাদের কর্মে রয়েছে ভিনদেশীদের কালচার আর ভালোলাগা।
স্মার্টফোন সস্তা হয়েছে, ইন্টারনেট সহজলভ্য হয়েছে। কিন্তু অনলাইনের প্রকৃত ব্যবহার আমরা অনেকেই জানিনা। AI (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) দিয়ে আমরা এখন হর হামেশাই নিজেদেরকে নতুন রূপে দেখতে পছন্দ করছি। আমরা জানি না এর ভয়াবহতা কতটা। আমাদের ইসলামিক মূল্যবোধ ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা সম্পর্কিত জ্ঞান দিন দিন কমে যাচ্ছে, ফলে আমরা এক অসুস্থ মানুসিক ভারসাম্যহীন জাতিতে পরিণত হচ্ছি!
বাংলাদেশে হঠাৎ এত "সাইকো কিলার" কেন❓
গত কয়েক মাসে বাংলাদেশে এমন কিছু ধর্ষণ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে যা দেখে মানুষ থমকে গেছে। সবার মুখে একটি প্রশ্ন কিভাবে সম্ভব এটা ⁉️
কুরআনুল কারীমে আমরা যার সুস্পষ্ট বর্ণনা পাই -
وَلَقَدْ ذَرَاْنَا لِجَهَنَّمَ كَثِيْرًا مِّنَ الْجِنِّ وَالْاِنْسِ ۫ۖ لَهُمْ قُلُوْبٌ لَّا يَفْقَهُوْنَ بِهَا ۫ وَلَهُمْ اَعْيُنٌ لَّا يُبْصِرُوْنَ بِهَا ۫ وَلَهُمْ اٰذَانٌ لَّا يَسْمَعُوْنَ بِهَا ؕ اُولٰٓئِكَ كَالْاَنْعَامِ بَلْ هُمْ اَضَلُّ ؕ اُولٰٓئِكَ هُمُ الْغٰفِلُوْنَ -
আমি তো বহু জিন ও মানব জাতিকে জাহান্নামের জন্যে সৃষ্টি করেছি; (কাদেরকে) যাদের হৃদয় আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা উপলব্ধি করে না, তাদের চোখ আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা দেখে না আর তাদের কান আছে তা দিয়ে শোনে না; এরা পশুর ন্যায়, বরং এরা পশুর চাইতেও নিকৃষ্ট। এরাই গাফিল।
(সূরাহ আরফ ৭/১৭৯)
অনেক পরিবারেই ধর্মীয় শিক্ষা দিয়ে ছোট বেলা থেকেই বাচ্চাদের বড়ো করার ব্যাপারে অনীহা দেখা যায়; অথচ একমাত্র আল্লাহ ভীতি ছাড়া পৃথিবীর কোন শক্তি নেই যা একজন মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে❗
ফলে কিশোর থেকে তরুণ — অনেকেই না বুঝেই এক অন্ধকার পথে হাঁটছে।
14/05/2026
ইসলামের বরকতময় সময়গুলোর মধ্যে যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মহিমান্বিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ এই দিনগুলোর আমলকে আল্লাহর নিকট বছরের অন্যান্য দিনের আমলের চেয়েও অধিক প্রিয় ও মর্যাদাপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
যিলহাজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের ‘আমলের চেয়ে অন্য কোনো দিনের ‘আমলই উত্তম নয়। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন, জিহাদও কি (উত্তম) নয়? নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, জিহাদও নয়। তবে সে ব্যক্তির কথা ছাড়া যে নিজের জান ও মালের ঝুঁকি নিয়েও জিহাদে যায় এবং কিছুই নিয়ে ফেরে না।
-সহীহ আল-বুখারী, হাদীস নং ৯৬৯
আসুন, এই বরকতময় দিনগুলোকে ইবাদত, যিকির, দুআ ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে কাজে লাগাই এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করি।
17/01/2026
একটি বরকতপূর্ণ মাসের নাম 'শাবান' যে মাসে আমাদের প্রস্তুতি নিতে হয় রামাদানের জন্য -
ফযীলতপূর্ণ রামাদান মাসের আগমনবার্তা আমাদের সামনে আবির্ভূত হয়। যা খানিকটা ফরয সলাতের পূর্বে নফল সলাত আদায়ের ন্যায়।
এ মাসে রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেক বেশি ছিয়াম পালন করতেন।
আম্মাজান আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'একাধারে নফল ছিয়াম পালন করে যেতেন, এমনকি আমরা বলাবলি করতাম যে, হয়তো তিনি ছিয়াম ছাড়বেন না। আবার কখনো তিনি লাগাতার ছিয়াম রাখতেন না। অবস্থা এমন হতো যে আমরা গুঞ্জন করতাম, মনে হয় তিনি আর ছিয়াম রাখবেন না।
আমি রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে একমাত্র রামাদান মাস ব্যতীত কখনো পুর্ণ ছিয়াম পালন করতে দেখিনি।
আমি তাঁকে শাবান মাস ব্যতীত অন্য কোনো মাসে অধিক সংখ্যক ছিয়াম পালন করতে দেখিনি (ছহীহ বুখারী, হা/১৯৬৯; ছহীহ মুসলিম, হা/১১৫৬)।
উসামা ইবনু যায়েদ বললেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি শাবান মাসে যে পরিমাণ ছিয়াম পালন করেন অন্য কোনো মাসে আমি আপনাকে ঐ পরিমাণ ছিয়াম পালন করতে দেখিনি।
তিনি বললেন, ‘এটা এমন একটি মাস যে ব্যাপারে মানুষ বেখবর, যা রজব ও রামাদানের মধ্যকার একটি মাস। এটা এমন একটি মাস যাতে বান্দার আমলনামা রব্বুল ’আলামীনের নিকট উঠানো হয়। সুতরাং আমি ভালোবাসি যে, আমার আমল ছিয়ামরত অবস্থায় আল্লাহর নিকট উঠানো হোক (নাসাঈ, হা/২৩৫৭)।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শাবান মাসে যত ছিয়াম পালন করতেন অন্য কোনো মাসে তত ছিয়াম পালন করতেন না। তিনি বলতেন, তোমাদের সাধ্যে যতদূর সম্ভব আমল করো। কেননা, তিনি নেকী দেওয়া বন্ধ করবেন না, যতক্ষণ না তোমরা আমল করে ক্লান্ত হয়েছো... (ছহীহ বুখারী, হা/১৯৭০; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৫০১১)।
এ হাদীছগুলো থেকে যে বিষয়টি স্পষ্ট হলো তা হচ্ছে শাবান মাসে ছিয়াম রাখা। আর যতো দূর পারা যায় অন্যান্য নফল ইবাদত করার চেষ্টা করা।
বিশেষ করে আমরা কুরআন তেলাওয়াত, নফল সলাত আদায় করা, দান-ছাদাক্বা সহ ভালো কাজের প্র্যাকটিস করতে পারি এবং এখন থেকেই আমাদের খারাপ অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করে রামাদান মাসের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করে তুলতে পারি।
আল্লাহ তাআলা আমাকে সহ আমাদের সকলকে সঠিক দিন বোঝার তৌফিক দান করুন -আমিন।
11/04/2025
হে আল্লাহ, জুমার দিনে তোমার কাছে একটাই আবেদন 'তুমি আমার ভাই-বোনদের বিজয় দান করো' 🇵🇸
اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، سَرِيعَ الْحِسَابِ، اهْزِمِ الأَحْزَابَ، اللَّهُمَّ اهزِمْهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ».
“হে আল্লাহ, কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী! আপনি শত্রুবাহিনীকে পরাভূত করুন।
হে আল্লাহ! আপনি তাদেরকে পরাজিত করুন এবং তাদের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করে দিন।
আমরা হেরে যাবো না। আমরাই বিশ্বাসী, আমরা আশাবাদী প্রজন্ম। আমাদের মালিক আমাদের পক্ষে, বিজয় আমাদের আসবেই ইনশা-আল্লাহ।
30/03/2025
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ্ -
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!
ঈদ মোবারাক 🌙
সকলকে জানাই আন্তরিক মোবারকবাদ ও ঈদুল ফিতিরের শুভেচ্ছা।
27/10/2024
الربح ليس بالسهل
العمل الجاد سيكون هوية المؤمن الحقيقي.