Kaniz Fatema Ashrafi

Kaniz Fatema Ashrafi

Share

আমি একজন মুসলীম হিসেবে লিখে যাব মুসলী?

07/02/2025

-চারদিনের জন্য হঠাৎ উধাও হয়ে যাও?
দেখবা পৃথিবীর সবাই তোমাকে ভুলে গেছে,,,

কিন্তু আমার মোস্তফা ﷺ
তোমার জন্ম হওয়ার আগে তোমার মায়ায় কেঁদেছে।
সেই পরম প্রিয়াকে ভুলে থাকো কি করে!!!!

#ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ মুজে আপকা দীদার ফরমাদো🌼

🌼🥀 মদিনাওয়ালার গোলাম 🌼🥀

💜🥀💜লাব্বাইক ইয়া রাসুলুল্লাহ(ﷺ)💛🥀💛

16/01/2025

বারান্দায় কাপড় শুকোতে দেয়া আমাদের মা-বোনদের নিত্যদিনের অভ্যাস। বিশেষত শহুরে ফ্ল্যাটে বারান্দা ছাড়া উপায়ও নেই যেন। তবে এ ক্ষেত্রে অনেকেই মস্তবড় ভুলটি করে বসেন। শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় তারা বারান্দায় কাপড় শুকোতে দিয়ে রাখেন, এমনকি পরিধেয় বিশেষ পোশাকটিও তারা বারান্দায় উন্মুক্তভাবে রোদে দেন। এতে কিছু সমস্যা হতে পারে।

যেমন আশেপাশের ফ্ল্যাট থেকে এসব কাপড়ের দিকে লোলুপ দৃষ্টি দেয়া হয়। এরপর এটা সীমা ছাড়িয়ে ইভটিজিংয়ে পরিণত হয়। ইভটিজিং না হলেও দুশ্চরিত্র ব্যক্তিরা এসব কাপড় দেখেই অনেক মাপজোখ করে ফেলে। এরপর থেকে অসৎ উদ্দেশ্যে বারবার উঁকিঝুঁকি মারতে থাকে।

এ জন্য উত্তম হলো, বারান্দায় বড় কাপড় দিয়ে পর্দা লাগিয়ে দেয়া। কমপক্ষে গাঢ় কালারের নেট-জাতীয় পর্দা হলেও লাগিয়ে নেয়া যেতে পারে। এরপর বারান্দায় কাপড় শুকানো। অথবা বারান্দায় দুই স্তর করে রশি লাগানো। সামনের দিকে পুরুষদের কাপড় দিয়ে ভেতরের দিকে মহিলাদের কাপড় শুকাতে দেয়া। এতে করে বাইরে থেকে শুধু পুরুষদের কাপড়গুলোই দেখা যাবে।

কাপড় শুকানোর পর রশিতে তা ফেলে না রাখা। অনেকেই একদিন গোসল করে কাপড় শুকাতে দেয়ার পর পরদিন গোসলের সময় রশি থেকে কাপড় আনতে যান। আবার কেউ কেউ ছাদেও সারারাত ধরে কাপড় ফেলে রাখেন। এতেও বদজিনের আছর পড়ার সমূহ আশঙ্কা থাকে।

এ ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কাপড় পরার সময় সব সময় বিসমিল্লাহ বলে পরা। পোশাক-আশাক খোলা ও পরিধানের সময় দুআ পড়া। এবং নিরাপত্তার দুআসমূহের ওপর আমল করা।

#সংগৃহীত

10/01/2025

আমি গত এক বছর ধরে ইস্তিগফার করছি। আমি ২০২৩ এর রমাদান থেকে ইস্তিগফার করা শুরু করি। প্রথম প্রথম আমি দিনে ১০০০ বার ইস্তিগফার করতাম। এখন দিনে ২০ হাজার/২৫ হাজার বার ইস্তিগফার করি৷

ফলাফল : আমি কোনো কিছু ভাবার সাথে সাথেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সেটা কবুল করে নেন।

আমি উমরাহ যেতে চেয়েছিলাম। আল্লাহ একদিনের মধ্যে আমার ভিসার ব্যবস্থা করে দেন। ট্রাভেল এজেন্টও অবাক হয়ে গিয়েছিলো কারন ভিসা আসতে কমপক্ষে ৫ দিন লাগে।

আমার জীবনে ইস্তিগফারের আরো অনেক অনেক অলৌকিক গল্প আছে। আমি কিছু চাইলেই সেটা কবুল হয়ে যায় সাথে সাথে। আমি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে শেষ করতে পারবো না।

বিঃদ্রঃ নির্দিষ্ট সংখ্যায় ইস্তিগফার করলে বিশেষ ফজিলত আছে এমন ভাবা যাবে না৷ টার্গেট রাখতে পারেন যে আমি দিনে এতোবার ইস্তিগফার করবো। তবে এতোবারই করতে হবে বা এতোবার করলেই দু'আ কবুল হবে এমন ভাবলে বিদআত হবে। বরং যতো ইচ্ছা করতে পারেন ইনশাআল্লাহ।

#সংগৃহীত

অনেকের সুবিধার্থে add করলাম :

আল্লাহ মহান। ক্ষমাশীল। তার দয়া ও ক্ষমার কোনো সীমা নেই। ইস্তিগফার পাঠে বান্দার অভাব মোচন হয়। পাপাচার ক্ষমা করা হয়। রিজিকে আসে পরিপূর্ণ বরকত। জীবনে প্রশান্তি লাভের জন্য বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ করা যায়।
ইস্তেগফার কি? ***
ইস্তিগফার আরবি শব্দ। এর অর্থ ক্ষমা প্রার্থনা করা। মহান আল্লাহ হলেন ‘গাফির’ (ক্ষমাকারী), ‘গফুর’ (ক্ষমাশীল), ‘গাফফার’ (সর্বাধিক ক্ষমাকারী)। ইস্তিগফার মানে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা। আল্লাহর দরবারে নতিস্বীকার করা। ভুল-ত্রুটি ও অন্যায় অপরাধগুলো ক্ষমা করতে কাকুতি-মিনতি করা। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষ্পাপ হওয়া সত্ত্বেও প্রতিদিন ৭০ থেকে ১০০ বার ইস্তিগফার করতেন।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর বিবরণে আছে রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি লাগাতার তওবা-ইস্তিগফার করবে, মহান আল্লাহ সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন, সব দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে রিজিকের ব্যবস্থা করে দেবেন।’ (আবু দাউদ ১৫১৮)

কি কি পড়লে ইস্তেগফার হবে:
যেকোনো একটিতেই হবে,

*******১(ছোট ইস্তেগফার)
ব্যস্ততার মাঝেও এটি পড়া অসম্ভব নয় উঠতে বসতে সর্বদা মুখে লেগে রাখা যাবে ইন শা আল্লাহ্:
أَستَغْفِرُ اللهَ
উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহ।
অর্থ: আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

*******২
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ: আস্‌তাগফিরুল্লা হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলায়হি।
অর্থ: আমি ওই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোনো মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তার কাছেই (তওবাহ করে) ফিরে আসি।

******৩
أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি।
অর্থ: আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তার দিকেই ফিরে আসছি। "

***** ৪ (সায়েদুল ইস্তেগফার)

اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْت
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আনতা রব্বি। লা ইলাহা ইল্লা আনতা। খালাকতানি ওয়া আনা আবদুকা। ওয়া আনা আলা আহদিকা। ওয়া ওয়া’দিকা মাসতাতা’তু। আউজু বিকা মিন শাররি মা-সানাআ’তু। আবুয়ু লাকা বিনি’মাতিকা আলাইয়্যা। ওয়া আবুয়ু লাকা বি জাম্বি। ফাগফিরলি। ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ জুনবা ইল্লা আনতা।
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমার প্রভু, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ বা মাবুদ নেই; আপনিই আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনারই গোলাম, আর আমি আছি আপনার প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারের ওপর আমার সাধ্যমতো; আমি আপনার কাছে পানাহ ও আশ্রয় চাই আমার অনাসৃষ্টির অকল্যাণ এবং অপকার ও ক্ষতি হতে। আমি স্বীকার করছি আমার প্রতি আপনার সব নিয়ামত, আরও স্বীকার করছি আপনার সমীপে আমার সকল অপরাধ; সুতরাং আমাকে ক্ষমা করে দিন, আর অবশ্যই আপনি ছাড়া ক্ষমা করার আর কেউ নেই (নাসায়ি ৫৫২১, বুখারি ও মুসলিম)

29/12/2023

শয়তান যখন দেখলো বেপর্দা নারী দিয়ে দ্বীনদার ছেলেদেরকে ঘায়েল করা যাচ্ছে না তখন শয়তান তাদেরকে ফেত্নায় ফেলার জন্য দ্বীনি লেবাসটাকে বেছে নিল! বোরখা পড়ে চোখে কাজল দিয়ে মেকাপ করে নিকাব পড়ে সাথে বিভিন্ন অলংকার/ফুল দিয়ে জেনারেল ব্যাকগ্রাউন্ড সহ মাদ্রাসা পড়া আপুরাও দেখি বিভিন্ন আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে ফেসবুকে ছবি আপলোড দিচ্ছে। ঐ ছবির কমেন্টে আবার দেখি দাড়ি/টুপিওয়ালা হুজুররা মাশাআল্লাহ/প্রশংসাসূচক কমেন্টও করছে! তারা চেহারার উপর খানিকটা কাপড় ঝুলিয়ে ফেত্নার কৌশলটা চেঞ্জ করলেন মাত্র! প্রকৃতপক্ষে তারা হলেন লেবাসধারী দ্বীনদার। বইন তোর বোরকা পড়া ছবিতে মা'শা'আল্লাহ্ বলা হুজুরটাও তোর মতোই ভন্ড!©
আগে কেবল পর্দাশীল নারীরা হিজাব পরতো। এখন কিছু শয়তান ও হিজাব পড়ে। এদের কারও কাছে হিজাব পাপ ঢাকার আবরণ কারও কাছে ফ্যাশান। এদের মাঝে লজ্জিত আর অপমানিত হয় "প্রকৃত হিজাবি নারী!"
~আদিব সালেহ

09/04/2023

যারা স্বামীদের নিয়ে ইনসিকিউর ফিল করেন তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা।যদি পোষ্ট টা এপ্রুভ হয় তাহলে আশাকরি অনেক বোনদের মাথা পাতলা হবে।
অবিবাহিত ছেলেরা প্রেমের ক্ষেত্রে খুব ফ্যাসানেবল রূপসী টান চামরার মেয়ে পছন্দ করলেও বিবাহের পর একজন স্বামীর পছন্দের তালিকায় থাকে সাদামাটা ঘরোয়া নারীসুলভ আচরনের মেয়ে।
ধরুন আপনি অনেক সুন্দরী, কিন্তু রুক্ষভাষী, অকামলা,বেয়াদব, চরিত্রহীনা,তর্কবাজ।বিশ্বাস করেন আপনার রুপ ধুয়ে ধুয়ে পানি খাওয়ার জন্য আপনার স্বামী আপনাকে কখনোই ভাত কাপর দিয়ে পুশে অর্থের অপচয় করবেনা।
অন্যদিকে আপনি দেখতে ভিষণরকম চমৎকার নন,আকর্ষণীয় নন,তবে আপনি অত্যন্ত মমতাময়ী, যত্নবতী,মার্জিত, সৎচরিত্রের অধীকারিনি। বিশ্বাস করেন আপনার স্বামী রাস্তায় অনেক রুপসী মেয়ের দিকে তাকানোর উদ্দেশ্যে তাকাবে ঠিকি,তবে ভালো কিন্তু আপনাকেই বাসবে।মায়া কিন্তু আপনাকেই করবে।কেন তাকালো,কেন দেখলো সেই বিচার করতে আসলে আপনার মনে শান্তি আসবেনা।অন্যের নজরের হেফাজত আপনি করতে পারবেন না। যার নজর তাকেই হেফাজত করতে হবে।
আমি আমার সংসার জীবনে যে জিনিসটি লক্ষ করেছি তা হলো,পুরুষ মানুষ ভিষণ রকম শান্তিপ্রিয় একটা জাত।তারা অনুগত্য পছন্দ করে।
শুধু এই দুটো ট্রিকস ফলো করলেই সুখী জীবন আপনার নাগালে। আরও ট্রিকস থাকতে পারে তা আমার জানা নেই।আপনাদের জানা থাকলে কমেন্টে জানাবেন।আমারও কাজে লাগতে পারে।।
আচ্ছা,আপনি যদি আপনার স্বামীর অনুগত হন তাহলে কি আপনার দাম কমে যায়?আপনি যদি তার রাগের মাথার কথাগুলি জবাব না দেন তাহলে কি ঠকে গেলেন?চুরান্ত মনমালিন্য হবার পর পরই আপনি নিজে থেকে তাকে এক কাপ চায়ের অফার করলে কি আপনার মানইজ্জত মাটিতে মিশে গেলো?
না!!A big NO!!
আমি অনেক সুন্দরী মেয়েদেরকে দেখেছি তাদের চোখ ধাধানো রুপ থাকা সত্বেও আক্কেলদোষে তালাক হতে।আবার অনেক কালো কুৎসিত, বেটে,মুখ ভর্তি ব্রুনওয়ালা (অনেকের বিচারে এ ধরনের নারীরা সুন্দরী নন,আমার চোখে সবাই মুটামুটি সমান)মেয়েকে স্বামীর আদুরে বউ হয়ে থাকতে দেখেছি।
আবার এমনও অনেক সুন্দরী মেয়েদের দেখেছি,সন্তানের মুখের দিক তাকিয়ে স্বামী সেই সুন্দরী বউ দের ছাড়তে পারেননি। তবে তাকিয়েও দেখেননা সেই সুন্দরীর স্ত্রীর রুপ যৌবন।
দুই একজন লুচ্চা বেডার হিসাব আলাদা।তারা সুন্দর পাইলে রাস্তার নেরি কুত্তাদের ভাল লাগে,কুৎসিত পাইলেও সুন্দরী না পাওয়ার আক্ষেপ থাকে। তাদের হিসাব আলাদা।
পুরুষদের ক্ষেত্রেও উপর উল্লেখিত কথা একই।

কাশফিয়া খন্দকার ঊর্মি

05/11/2022

আমাদের মেয়েদের জন্য উপদেশ....
আপনার মেয়েকে অবশ্যই শেখাবেন_

★★ মাটি থেকে কখনও কোনো কিছু উঠাতে গেলে অবশ্যই বুকের উপর এক হাত দিয়ে তারপর উঠাতে যাবে।
সতর ঢাকার সতর্কতা স্বরুপ এটা করা উচিত।

★★ পুরুষ মানুষের সামনে কখনও পায়ের উপর পা তুলে বসবে না, দুই পা-কে ফাঁকা করেও না বরং দুই পা পরস্পর মিলিয়ে বা খুব কাছাকাছি রেখে বসবে।

★★ সিঁড়িতে উপরের দিকে উঠার সময় যদি পেছনে কোনো পুরুষ মানুষ থাকে, তাহলে এক কোনায় গিয়ে কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়াবে, পুরুষ লোকটি চলে গেলে তারপর উঠবে।

★★ লিফ্টে ওঠার সময় যদি অপরিচিত পুরুষ মানুষ থাকে এবং মাত্র একজনই থাকে, তাহলে তার সাথে ওঠবে না, অপেক্ষা করবে, সেই অপরিচিত লোকটি বের হলে তারপর উঠবে।

★★ সবসময় মুচকি হাসার অভ্যাস করবে, উঁচু আওয়াজে অট্টহাসি হাসবে না। কারন একটি মেয়ের হাসি পুরুষকে সহজেই আকৃষ্ট করে।

★★ তোমার চাচাতো ভাই, খালাতো ভাই বা ফুফাতো ভাইদের সাথে মুসাফাহা করবে না, যদিও তোমার কাছে তাদের ছোট মনে হয়।

★★ কোনো প্রয়োজনে পুরুষ মানুষের সাথে কথা বলতে হলে, অবশ্যই শারীরিকভাবে যথেষ্ট পরিমাণ দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলবে এবং দৃষ্টি সংযত রাখবে।

★★ নিকটাত্মীয় হলেও কাজকর্মে বা কথা বার্তায় অবশ্যই একটা সীমারেখা বজায় রাখবে। নিজের ভাবগাম্ভীর্য এমনভাবে বজায় রাখবে, যেন তোমার প্রতি তার ভিতরে খারাপ কল্পনা তৈরি না হয়।

★★ রাস্তাঘাটে নিজ বান্ধবীদের সাথে হাসি ঠাট্টা করবে না, রাস্তার শিষ্টাচার বজায় রাখবে।

মহান আল্লাহ নারীদেরকে এবং আমাদেরকে সংশোধন হবার তাওফিক দান করুন।
আমীন।

05/10/2022

💖💖 নেককার নারীর গুণাবলি 💚💚

আল্লাহ তা'আলা বলেন,
فالصالحات قانتات حافظات للغيب بما حفظ الله. النساء:৩৪)
ইবনে কাসির রহ. লিখেন,فالصالحات শব্দের অর্থ নেককার নারী, ইবনে আব্বাস ও অন্যান্য মুফাসসিরের মতে قانتات শব্দের অর্থ স্বামীদের আনুগত্যশীল নারী, আল্লামা সুদ্দি ও অন্যান্য মুফাসসির বলেন حافظات للغيب শব্দের অর্থ স্বামীর অনুপস্থিতিতে নিজের সতীত্ব ও স্বামীর সম্পদ রক্ষাকারী নারী।"
[ইবনে কাসির : ১ : ৭৪৩]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
"যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, রমজানের রোজা রাখে, আপন লজ্জাস্থান হেফাজত করে এবং স্বামীর আনুগত্য করে তাকে বলা হবে, যে দরজা দিয়ে ইচ্ছে তুমি জান্নাতে প্রবেশ কর।"
[ইবনে হিব্বান, সহিহ আল-জামে : ৬৬০]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
"তোমাদের সেসব স্ত্রী জান্নাতি, যারা মমতাময়ী, অধিক সন্তান প্রসবকারী, পতি-সঙ্গ প্রিয়- যে স্বামী গোস্বা করলে সে তার হাতে হাত রেখে বলে, আপনি সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত, আমি দুনিয়ার কোন স্বাদ গ্রহণ করব না।"
[আলবানির সহিহ হাদীস সংকলন : ২৮৭]
সুনানে নাসায়িতে আবু হুরায়রা রাদিআল্লাহ আনহু থেকে বর্ণিত,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একদা জিজ্ঞাসা করা হল, হে আল্লাহর রাসূল, কোন নারী সব চেয়ে ভাল? তিনি বললেন, "যে নারী স্বামীকে আনন্দিত করে, যখন স্বামী তার দিকে দৃষ্টি দেয়। যে নারী স্বামীর আনুগত্য করে, যখন স্বামী তাকে নির্দেশ দেয়, যে নারী স্বামীর সম্পদ ও নিজ নফসের ব্যাপারে, এমন কোনো কর্মে লিপ্ত হয় না, যা স্বামীর অপছন্দ।"
[সহিহ সুনানে নাসায়ী : ৩০৩০]
হে মুসলিম নারী, নিজকে একবার পরখ কর, ভেবে দেখ এর সাথে তোমার মিল আছে কতটুকু। আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার পথ অনুসরণ কর। দুনিয়া-আখেরাতের কল্যাণ অর্জনের শপথ গ্রহণ কর। নিজ স্বামী ও সন্তানের ব্যাপারে যত্নশীল হও।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক মহিলাকে জিজ্ঞাসা করেন, "তোমার কি স্বামী আছে? সে বলল হ্যাঁ, রাসূল বললেন, তুমি তার কাছে কেমন? সে বলল, আমি তার সন্তুষ্টি অর্জনে কোন ত্রুটি করি না, তবে আমার সাধ্যের বাইরে হলে ভিন্ন কথা। রাসূল বললেন, লক্ষ্য রেখ, সে-ই তোমার জান্নাত বা জাহান্নাম।"
[আহমাদ : ৪ : ৩৪১]

উপরের আলোচনার আলোকে নেককার নারীর গুণাবলি :
১. নেককার : ভাল কাজ সম্পাদনকারী ও নিজ রবের হক আদায়কারী নারী।
২. আনুগত্যশীল : বৈধ কাজে স্বামীর আনুগত্যশীল নারী।
৩. সতী : নিজ নফসের হেফাজতকারী নারী, বিশেষ করে স্বামীর অবর্তমানে।
৪. হেফাজতকারী : স্বামীর সম্পদ ও নিজ সন্তান হেফাজতকারী নারী।
৫. আগ্রহী : স্বামীর পছন্দের পোশাক ও সাজ গ্রহণে আগ্রহী নারী।
৬. সচেষ্ট : স্বামীর গোস্বা নিবারণে সচেষ্ট নারী। কারণ হাদিসে এসেছে, স্বামী নারীর জান্নাত বা জাহান্নাম।
৭. সচেতন : স্বামীর চাহিদার প্রতি সচেতন নারী। স্বামীর বাসনা পূর্ণকারী।
যে নারীর মধ্যে এসব গুণ বিদ্যমান, সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভাষ্য মতে জান্নাতী। তিনি বলেছেন, "যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, রমজানের রোজা রাখে, নিজ সতীত্ব হেফাজত করে ও স্বামীর আনুগত্য করে, তাকে বলা হবে, যে দরজা দিয়ে ইচ্ছে জান্নাতে প্রবেশ কর।
"[ইবনে হিব্বান, আল-জামে : ৬৬০]

লেখাঃ সাইয়্যিদ আব্দুল কাইয়্যুম আল হুসাইনী

19/09/2022

বি কেয়ার ফুল বোন সবাইকে
বোন_সতর্ক_হোন..........

অবিবাহিত বোনদের সবাইকে এই কাহিনী পড়ার অনুরোধ রাখলাম এই কাহিনী পুরোটাই সত্যি।
একটি ইসলামিক গ্রুপের এক বোন তার জীবনে ঘটে যাওয়া কাহিনী লিখেছেন!

➤ফেসবুক_বিয়ের_প্রপোজাল…

হঠাৎ একদিন মোবারক হোসাইন নামক আইডি থেকে মেসেজ রিকুয়েস্ট আসলো।যথারীতি ফেবুতে ঢুকে মেসেজ চেক করলাম। কত শত মেসেজ রিকুয়েস্ট আসে অনেক সময় সিন করি অনেকসময় করিনা। কি ভেবে যেনো মেসেজটা সিন করলাম।

মাশাআল্লাহ্ চিঠির মত অনেক বড় একটি লিখা।
লিখাটা ছিল ঠিক এইভাবেঃ

আসসালামুআলাইকুম।

প্লিজ কিছু মনে করবেন না। আমি আসলে বিয়ের জন্য একজন দ্বীনদার পাত্রী খুঁজতেছি কিন্তু পাচ্ছিনা। আপনার আইডি দেখে মনে হলো আপনি খুব ধার্মিক আর জেলা ও পাশাপাশি তাই নক করলাম। যদি ভালো লাগে তাহলে আপনার বায়োডাটা দিন।

মেসেজটা পড়ে একটু হাসলাম অদ্ভুত মানুষ। কেউ একজন কয়েকটা ইসলামিক পোস্ট করলেই সে দ্বীনদার হয়ে যায় এটা ভাবে কিভাবে এখনকার ভার্চুয়াল লাইফের মানুষগুলো। যাইহোক ওনার মেসেজ পাওয়ার পর প্রোফাইলে গেলাম দেখি ওনার পিক আছে। বাট মুখে দাড়ি নেই। অবাক হলাম। কেমন মানুষ! দ্বীনদার পাত্রী খোঁজে অথচ নিজেই প্রাকটিসিং না।

ছোট্ট একটি রিপ্লে দিলাম লোকটাকে ; বললাম "আপনি দ্বীনদার স্ত্রীর আশা করেন যে আপনি নিজে কতটুকু ইসলাম মানেন?

আপনার মুখে তো দাড়িও নেই।

উনি বললেন ইনশাআল্লাহ কথা দিলাম আমি দাড়িতে আর
হাত দিবোনা আমি আলহামদুলিল্লাহ্‌ বললাম।

যেহেতু আমার বিয়ের জন্যও প্রায়ই ছেলে দেখতেছে
তাই ওই মানুষটার বায়োডাটা নিলাম। আমারটাও দিলাম।
মূলত সেখান থেকেই ফিতনা শুরু।

(কথায় আছেনা পর্দাশীলা মেয়ের কাছে শয়তান হুজুর সেজেই আসে ; আমার ক্ষেত্রেও ঠিক তেমন)

যাইহোক আম্মুকে বায়ো টা দেখালাম ওনার। মোটামুটি সবার পছন্দ হয়েছে। যদিও মানুষটা দেখতে এত আকর্ষনীয় ছিলোনা
তবুও উনি আমাকে পর্দায় রাখতে পারবেন ফ্যামিলি স্ট্যাটাস সব দিক দিয়ে আমাদের সাথে এডজাস্ট হয়েছিলো। উনি আমার ছবি চেয়েছিল কিন্তু আমি দেই নাই। আমি বলেছিলাম সরাসরি আমাদের বাসায় এসে দেখতে উনিও রাজি হলেন।

আম্মুকে বললাম, আম্মুও অনুমতি দিলো। উনি আসলেন আমাদের বাসায় নিয়ম মোতাবেক, ওনার সাথে সতর মেইন্টেন করে দেখা দিয়েছিলাম। মাহরাম ও পাশে ছিলো।

আমাদের বাসায় প্রায়ই ১ঘন্টার মত থেকে উনি চলে গিয়েছিলেন। যাওয়ার পথে ছোট্র করে একটা মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। আলহামদুলিল্লাহ্। মানে আমাকে ওনার পছন্দ হয়েছে।

আমিও ওনাকে দেখতে ভালো না লাগলেও ওনার দ্বীনের প্রতি মনোভাব দেখে রাজি হয়েছিলাম। ওনার জন্য আব্বু আম্মুর
কাছে মেয়ে হয়েও সুপারিশ করতাম। আব্বু রাজি ছিলোনা, আমি প্রচন্ড কান্না করতাম, বলতাম এখানে বিয়ে না দিলে আমি বিয়েই করবোনা কক্ষনো।

ওনার সাথে কিন্তু আমার দিনরাত চ্যাটিং কথাবার্তা চলতে থাকে। বুজতে পারলাম যে ফিতনাতে আক্রান্ত হয়ে গেছি একটা মেয়ে সম্পর্কের শুরুতে যতটা সিরিয়াস না থাকে শেষে ঠিক ১০গুন বেশি সিরিয়াস হয়।

ছেলেটা আমাকে ইতিমধ্যে ভালোবাসার কথাও জানিয়ে দিয়েছে আমি উনাকে অনেক পরে আমার মনের কথা জানিয়েছিলাম। উনি এ নিয়ে রাগ করত যে আমি কেনো উনাকে ভালোবাসি এটা বলিনা।

এভাবে একদিন বলেই দিলাম। ইতিমধ্যে উনি আমাকে প্রেশার দিয়েছেন আমার ছবি দেয়ার জন্য। বিবাহের নিমিত্তে ছবি দেয়া নাকি জায়েয। আগেই বলি, উনি উচ্চশিক্ষিত। কলেজের টিচার।
আমার খুব অবাক লাগে একজন হায়ার এডুকেটেড পার্সন এত নোংরা মানসিকতার কিভাবে হতে পারে?

উনার সাথে রাতভর কথা বলতাম। জিনাহ্'র সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছিলাম। নামাজ পরতে গেলে মন
বসতোনা। কেনো জানিনা আল্লাহর সামনে দাড়াতেও লজ্জ্বা পেতাম।

যাইহোক এভাবে প্রায়ই ১৫ দিন কেটে গেলো। আমার পুরো ফ্যামিলির মাঝে জানাজানি দেখাদেখি হয়ে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় ভুল; মানুষটার সম্পর্কে খোঁজ না নিয়ে আমার পুরো ফ্যামিলিকে জানানো।

খালামনি, মামা, ফুফি, সবাইকে জানিয়েছিলাম। মাত্র ১৫ দিনের পরিচয়ের বিশ্বাস নিয়ে। উনি ট্রেনিং এ ছিলো। কথা ছিলো যে ট্রেনিং শেষে আমাদের বিয়ের ব্যাপারে কথা বলবেন। এর ভিতরে আমাদের সম্পর্কটা খুব অন্তঃরঙ্গ হয়ে গিয়েছিলো।
খুব ক্লোজ হয়ে গিয়েছিলাম। কিছুদিন যাওয়ার পর আমার মনে হলো উনি আমাকে এভোয়েড করতেছেন।

আমার খুব কষ্ট হতো উনি যখন আমাকে এভোয়েড করতো।
একদিন আমি ওনাকে সরাসরি বলে ফেলি "আপনি আমাকে কেনো এভোয়েড করতেছেন? সমস্যাটা কি আপনার?

উনি খুব সহজেই আমাকে বলে দিলো যে আমাকে এখন আর ওনার কাছে ভালো লাগেনা। ওনাকে আমি অনেক রিকুয়েষ্ট করেছিলাম প্লিজ মোবারক আমাকে ছেড়ে যেওনা। আমি আমার ফ্যামিলির সবাইকে বলে দিছি। এখন যদি তুমি এমন করো তাহলে আমি কি করে মুখ দেখাবো? আব্বু আম্মুকে কি বলবো?

উনি আমার কোনো কথা শুনেনি। ফোন করে প্রচন্ড কান্নাকাটি করতাম। আল্লাহর কসম এমন কোনো মুনাজাত ছিলোনা যে মুনাজাতে আমি বলিনি "আল্লাহ মোবারককে আমার স্বামী হিসেবে কবুল করো"।

এমন কোনো সিজদা বাদ যায়নি যে আমি চোখের পানি ফেলিনাই। খুব কাঁদতাম। আমার কান্না দেখে আমার আম্মুও কাঁদতো। আল্লাহকে বলতাম আল্লাহ্ তুমি ওনাকে ফিরিয়ে
দাও।

কিছুদিন পর উনি আবার আমায় নক করেছিল সেদিন আমি খুব কেদেছিলাম খুশিতে। ও আমাকে কথা দিয়েছিল আমাকে আর ছেড়ে যাবেনা। বিয়ে করলে আমাকেই করবে। কিন্তু আমি বুজিনি জাস্ট ওর একাকিত্ব গোছানোর জন্য আমাকে ইউজ করেছিলো।

ও আবার আমার লাইফ থেকে চলে যাচ্ছিলো ওকে আমি এভাবেও বলেছি তুমি আমায় বিয়ে করো, দরকার পড়লে আমি নিজে তোমাকে আবার বিয়ে করিয়ে দিব, তবুও আমায় একটু
তোমার করে নাও।

এই আমিটার ভালোবাসার জন্য ছেলেরা পাগল ছিলো আর সেই আমি একটা ছেলেকে পাওয়ার জন্য তার পা ধরতেও এত নত হয়েছি, এত নত যে এখন ভাবলেও লজ্জা লাগে। আমার প্রত্যেকটা নামাজের দুয়ায় ও ছিলো কিন্তু আল্লাহ্ হয়তো চাননি তাই আমি তাকে পাইনি।

অনেক চেষ্টা করেছি ওর মন জয় করার জন্য পারিনি যাইহোক কিছুই করিনি আর নিরবেই ওর লাইফ থেকে সরে এসেছিলাম কিন্তু ভুলতে পারিনি। মোবারক নামটা এখনো কোথাও উচ্চারিত
হলে আমার হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। গত জুলাই মাসে উনি বিবাহ করেছেন ফেসবুকে বউয়ের পর্দানশীলা ছবির বিজ্ঞাপন দেখেই বুজলাম খুব ভালো বউ পেয়েছে পর্দানশীল। সবাইকে প্রুভ করতে পারতেছে ওনার বউ পর্দানশীল।

যাইহোক প্রায়ই ১মাস পর ওনাকে নক করলাম বললাম ভাবীর পিক তো দেখালেন না, নাকি আমার সাথেও পর্দা করবে আপনার বউ? লোকটা আমায় রিপ্লেতে ছবির পরিবর্তে ব্লক
দিয়েছিল!

আমি ওর সাথে কোনো খারাপ ব্যবহার করিনি আল্লাহর উপর ওর বিচার ছেড়ে দিয়েছিলাম। নিজেকে আল্লাহ্ওয়ালা করতে নেমে গেলাম, নামাজে প্রতিনিয়ত কাঁদতাম,আল্লাহ তোমার যেমন ইচ্ছা তুমি তেমন জীবনসঙ্গী দাও, আমার কোনো আক্ষেপ নেই।

তুমিই শ্রেষ্ঠ পরিকল্পনাকারী। আল্লাহ্ আমার প্রতি বড়ই দয়া করেছেন, যে ফেসবুকের মাধ্যমে হেদায়াহ পেয়েছি সেই ফেসবুকই আমায় ধংস করে দিয়েছে। যাইহোক আল্লাহর অনুগ্রহে আমারও বিয়ে হয়েছে।আমার স্বামী একজন দ্বীনের দ্বায়ী। শশুরবাড়ির সবাই আলহামদুলিল্লাহ্‌ পর্দা মেইন্টেন করেন
যৌথ ফ্যামিলি, তবুও তাদের মাঝে পর্দার সামঝোতা এত্ত বেশি যে আমি খুব অবাক হয়েছি।

আমার শশুরবাড়ির লোকেরা মোবারকের মত কলেজ টিচারদের কিনার সামর্থ রাখে। যাইহোক এটা গর্ব নয়। এটা হচ্ছে ত্যাগের ফল। সবরের ফল। তওবার ফল। আল্লাহর উপর
তাওয়াক্কুলের ফল। আল্লাহ্ আমায় নিরাশ করেননি। আমি ধৈর্য্য ধরেছি আল্লাহকে আবার ফিরে পেয়েছি।

আল্লাহ্ও আমায় আবার তাঁর রহমতের ছায়াতলে আশ্রয় দিয়েছেন। এখন আমার মনে হয় মোবারক আমাকে
ছেড়ে গিয়ে খুব উত্তম কাজ করেছে। ওর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
পরিশেষে এটাই বলার থাকবে, যে কাউকে না জেনে না শুনে না বুঝে বিয়ের আগে ভালোবাসবেন না। কারন হারামে আরাম নেই

আরেকটা কথা ফেসবুকে কিন্তু জুতা চোরও মুসুল্লি সাজে।শয়তান আপনার চারিদিকে ছড়িয়ে আছে। কখন আক্রমন করে আল্লাহ্ ভালো জানেন।
মাইন্ড ইট।।
আস্তাগফিরুল্লাহ্।

ঘটনাটা শেয়ার করাটা অনুচিত ছিলো তবুও করলাম। কারণ ফেইসবুকের ফিতনা দিন দিন বেড়েই চলছে। কেউ যদি আপুটার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা থেকে শিক্ষা নেয় তো ভালো
নাহলে দুনিয়া + আখিরাহ দুটোই বরবাদ আবারও বলি শয়তান কিন্তু হুজুর সেজেই আসবে!!

লেখাটা পড়তে গিয়ে নিজেই কেদে ফেলেছি,,,নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী,,,

বিঃদ্র-আমাদের সমাজে এইরকম ধার্মিক কিংবা কম ধার্মিক মোবারকের অভাব নাই।
আল্লাহ সবাইকে রক্ষা করুক আর আমাদের সবাইকে হেদায়েত দিক।
আমিন

~সংগ্রহীত

19/09/2022

মহিলাদের চেয়ে পুরুষের লজ্জা বেশী"!

এক বার এক স্কুলে স্থানীয় মহিলারা একটি সাধারণ সভার আয়োজন করেছিলেন।
সেখানে কথা বলতে যেয়ে এক মহিলা বলেছিল যে,
"মহিলাদের চেয়ে পুরুষের লজ্জা বেশী।"

কথাটা শেষ করতে না করতেই একজন ভদ্রমহিলা উঠে দাঁড়ালেন। প্রতিবাদের সুরে বললেন, 'আপা, আপনার কথাটা মানতে পারলাম না। পুরুষ মানুষের আবার লজ্জা দেখলেন কোথায়?
ওরা তো বেশরম- বেলাজ।

প্রথম মহিলা দ্বিতীয় মহিলার বক্তৃতা থামিয়ে বললো
"আপা, আপনি কি করেন?
তিনি বললেনঃ এই স্কুলে শিক্ষকতা করি।
প্রথম মহিলা বললো , কয়জন পুরুষ আর কয়জন মহিলা শিক্ষক আছেন এই স্কুলে?
তিনি বলেন, আমরা সমান সমান। চার জন পুরুষ চার জন মহিলা। হাসি মুখে উত্তর দিলেন ভদ্রমহিলা।

প্রথম মহিলা বললো, আপা আপনি কি কোন দিন আপনার পুরুষ সহকর্মীদের পেট-পিঠ দেখেছেন? "
ভদ্রমহিলা ভ্রু কুচকে তাকালেন।
বললেন তার মানে..?

প্রথম মহিলা বললো "দেহ প্রদর্শন করা নির্লজ্জতা।
কিন্তু এই কাজটা সাধারণত পুরুষেরা করেনা। আপনার যদি কখনো ইচ্ছে হয়, আপনার কোন পুরুষ সহকর্মীর পেট কিংবা পিঠ দেখবেন, তাহলে তাকে ডেকে বলতে হবে ভাই আপনার শার্ট কিংবা পাঞ্জাবীটা একটু উপরে তুলুন তো, আমি আপনার পেঠ কিংবা পিঠ তা একটু দেখব।
সেই ভাই তখন নির্ঘাত আপনাকে পাগল মনে করবে।

আর আপনার পেট-পিঠ কতভাবে কত এ্যাংগেলে কত শত পুরুষ- মহিলা দেখছে তার কি কোন হিসাব আছে??

#পুরুষেরা পেট পিঠ বের করা পোষাক পরে বাইরে কিংবা অফিস-আদালতে যাবে না, এটা তাদের স্বাভাবিক লজ্জা। যা থাকা উচিত ছিল মেয়েদের।
অথচ মেয়েরা কিভাবে গলাটা আর একটু বড় করে কাঁধ এবং বুকের উপরি অংশ বের করা যাবে, কিভাবে জামার হাতার উপরি অংশ কেটে মাসেল দেখানো যাবে- সেই
চেষ্টা করে।

লজ্জাহীনতা মেয়েদের অস্থিমজ্জায় এমনভাবে ঢুকে গেছে যে,এ বিষয়টাকে তারা লজ্জার বিষয় বলে মনেই করে না...!
পোস্টটা হয়ত কারো কাছে খারাপ লাগবে। কিন্তু শিক্ষামূলক পোস্ট হিসেবে সবার পড়ার দরকার আছে।

19/09/2022

সমস্যা যতই হোক সমাধান একটি।

হযরতে হাসান বসরী রহমতুল্লাহি আলাইহি এর কাছে কেউ এসে বললেন, হযরত দেশে বৃষ্টি হচ্ছে না, তিনি বললেন, ইস্তেগফার বাড়াও। একজন এসে বললেন হযরত আমি দরিদ্র আমার দরিদ্রতা দূর হচ্ছে না, তিনি বললেন ইস্তেগফার বাড়াও। আরেকজন বললেন হযরত আমার সন্তান হয় না, তিনি বললেন ইস্তেগফার বাড়াও। আর একজন বললেন হযরত আমাদের দেশে কোন নহরের ব্যবস্থা নেই, তিনি বললেন ইস্তেগফার বাড়াও। আরেকজন এসে বললেন হযরত খুব খরার কারণে ফসল সব জ্বলে যাচ্ছে, তিনি বললেন ইস্তেগফার বাড়াও।

সমস্যা পাঁচ প্রকারের সমাধান এক প্রকারের।
জিজ্ঞেস করা হলো, হযরত সমস্যাতো পাঁচ প্রকারের একপ্রকারের কেন?
তিনি সঙ্গে সঙ্গে বললেন, নবী নূহ আলাইহিস সালাম সেও জাতিকে যে উপদেশ দিয়েছেন সেটি আল্লাহ তায়ালার এত পছন্দ হয়েছে যে আল্লাহ তাআলা কোরআন কারীমে ওয়াহি মাত্লু বানিয়ে সে উপদেশ উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য পাঠিয়ে দিয়েছেন এটি হযরত নূহ সালামের ওয়াজ।
আমার কাছে তো অমুকের ওয়াজ অনেক ভালো লাগে, তমুকের ওয়াজ অনেক ভালো লাগে। কিন্তু আমি কুরআনে কারীম থেকে হযরত নূহ আলাইহিস সালাম এর ওয়াজ পড়ে শুনাচ্ছি আপনাদের জন্য।

হযরত নূহ আলাইহিস সালাম তার জাতিকে বললেন, হে আমার জাতি তোমরা ইস্তেগফার কর।
শুন! আল্লাহ তাআলা গাফফার!!
আল্লাহ তাআলা গাফফার!!
সব মাফ করে দিবেন।
গাফফার মানে সব মাফ করে দিবেন।
শুধু শিরিক মাফ করবেন না।

11/08/2022

ওলামায়ে কেরাম বেশ কিছু ওয়াজিফা দিয়েছেন যাতে সন্তান হয়- আমল করে দেখতে পারেন আল্লাহ চাহে তো সন্তান হতেও পারে।
১। প্রতি নামাজের পর ৩০০ বার বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম পড়ার অভ্যাস করে নিন। ইনশা আল্লাহ সন্তান হবে।
২। স্বামী স্ত্রী ২ জনে ৫৬ বার (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) পাঠ করে মধ্য রাতে মিলিত হলে িইনশাল্লাহ নেককার সন্তান জন্ম হবে।
৩। (এয়া আউয়্যালু) ৪১ বার ৪০ দিন পর্যন্ত পাঠ করুন ইনশা আল্লাহ সন্তান হবে।
৪। ৪০টি লং নিয়ে প্রতিটি লং এর উপর সুরা নুরের ৪০ নং আয়াত ৭ বার পাঠ করে ফুক দিবেন, যেদিন নারী হায়েজ থেকে পাক হবেন গোসল করে সেদিন থেকে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর সময় ৪০ দিন যাবৎ ১টি করে লং খাওয়া আরম্ভ করুন তবে লং খাওয়ার পর পানি পান করতে পারবেন না, আর এ ৪০ দিনের মধ্যে স্বামীর সাথে কমপক্ষে একবার মিলিত হতে হবে, ইনশা আল্লাহ সন্তান নছিব হবে।
সুরা নুরের আয়াতটি হল

أَوْ كَظُلُمَاتٍ فِي بَحْرٍ لُّجِّيٍّ يَغْشَاهُ مَوْجٌ مِّن فَوْقِهِ مَوْجٌ مِّن فَوْقِهِ سَحَابٌ ظُلُمَاتٌ بَعْضُهَا فَوْقَ بَعْضٍ إِذَا أَخْرَجَ يَدَهُ لَمْ يَكَدْ يَرَاهَا وَمَن لَّمْ يَجْعَلِ اللَّهُ لَهُ نُورًا فَمَا لَهُ مِن نُّورٍ

11/08/2022

চাকরি পাওয়ার জন্য নিম্নোক্ত দোয়াটি পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে-

চাকরি লাভের দোয়া । দ্রুত চাকরি পাওয়ার আমল
অর্থ: তখন মুসা তাদের পক্ষে (পশুগুলোকে) পানি পান করিয়ে দিল। তার পর ছায়ায় ফিরে গেল এবং বলল— ‘হে আমার রব, নিশ্চয়ই আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাজিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী’। (সুরা কাসাস: ২৪)।

এই দোয়ার তাৎপর্য
মুসা (আ.) এর ব্যাপারে আমরা কম বেশি সবাই জানি। মুসা (আ.) যখন ফেরাউন বাহিনী কর্তৃক বিতাড়িত হয়ে ক্লান্ত ও ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েছিলেন, তখন তিনি দুহাত তুলে আল্লাহর কাছে এ দোয়া করেছিলেন।

যখনই তিনি দোয়াটি করলেন, তার সাথে সাথে মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন, হযরত মুসার (আ.) জন্য পরবর্তী ১০ বছরের সম্মানজনক জীবিকার ব্যবস্থা করে দেন। শুধু তাই নয়, কর্মসংস্থান এর পাশাপাশি আরও দেন একজন সুন্দরী ও নেককার স্ত্রী। সুবহানাল্লাহ।

সেই দিন এর পর থেকে হজরত মুসা (আ.) যখনই অনুভব করতেন বিষণ্নতা ও একাকি, তখনই তিনি বেশি বেশি পাঠ করতেন এই আয়াত।

তবে কেও কেও মনে করে এটি দ্রুত বিবাহ করার দোয়া। সেই অনুযায়ী তারা আমলও করে থাকেন। কিন্তু এই দোয়াটি দ্রুত বিবাহ হওয়ার তুলনায় দ্রুত চাকরি হওয়ার ক্ষেত্রে বেশি কার্যকরী।

Want your school to be the top-listed School/college in Medina?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Medina

Opening Hours

Monday 10am - 11pm
Tuesday 10am - 11pm