23/05/2025
বিপদ আসলে কাজী নজরুল।
বিপদ চলে গেলে রবীন্দ্রনাথ। 👏
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Markazus Sharafah Al Islami Dhaka - মারকাজুশ শারাফাহ আল-ইসলামী ঢাকা, Educational Research Center, Medina.
23/05/2025
বিপদ আসলে কাজী নজরুল।
বিপদ চলে গেলে রবীন্দ্রনাথ। 👏
31/05/2024
শুধুমাত্র ওয়েবসাইটের বায়োডাটা দেখে বিয়ে করে বিপাকে পড়ার করুণ ঘটনা!!
গতকাল একটা গ্রুপে এক ভাই পোস্ট করে আফসোস করলেন যে, ইসলামিক ওয়েবসাইটে বায়োডাটা দেখে পাত্রীর পরিবারের সাথে যোগাযোগ করার পর তারা অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে। কারণ? তারা 'দ্বীনদার' ছেলে চায় কিন্তু 'হুজুর টাইপ' হওয়া যাবে না! তো তিনি ইসলামিক ম্যাট্রিমনিতে অনুরোধ করলেন, তারা যেন এসব বায়োডাটা অ্যাপ্রুভ না করে। এর প্রেক্ষিতে আপনাদের আরেকটা বাস্তব ঘটনা বলি চলুন।
ভুক্তভোগীর নিজের ভাষ্যে- "অনলাইন ম্যাট্রিমনি (বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয়, সঙ্গত কারণে আমরা নাম উল্লেখ করছি না - admin) থেকে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের আগে বায়োডাটায় লেখা অধিকাংশ তথ্যই মিথ্যা।
পারিবারিক ভাবে উল্লেখযোগ্য খোজ নেয়া হয়নি। ফলশ্রুতিতে বিয়ের পর নানান কথা কানে আসতে থাকে।
আমার বাবা মা ডিভোর্সড। আমার জন্মের পরেই ডিভোর্স হয়ে যায়। এটা আমার বায়োতে স্পষ্ট উল্লেখ ছিল এবং নিজের বাবার সাথে আমার যোগাযোগ নেই, সেসবও উল্লেখ ছিল।
তারপরও বিয়ের পর স্বামী,শ্বাশুড়ি, ননাস মিলে বহু কথা শোনায়। আমাকে জারজ সন্তানও বলে।
মূলত এসব বলে তারা আমাদের থেকে জিনিসপত্র হাসিল করতে চাচ্ছিলো।
কয়েকমাস পর আমি জানতে পারি, আমার বড় ননাস ডিভোর্সি। ছোট্ট মেয়ে রেখে ডিভোর্সের এক বছর পার না হতেই পরের বিয়ে করে ফেলে। আমার বড় ভাসুর তিন মেয়ে সহ আগের বউকে তালাক দিয়ে পরে আবার বিয়ে করছে। সেজো ভাসুর আগের ওয়াইফকে ডিভোর্স দিসে। শ্বাশুড়ি সেজো ভাসুরের প্রেগন্যান্ট ওয়াইফকে লাথি দিয়ে বাচ্চা নষ্ট করে ফেলে। এই ঘটনায় তারা জেলও খাটে। নিজেদের এত কাহিনি গোপন রেখে তারা অনেক কথা শুনিয়েছে আমাকে।
তারা আমাদের থেকে যৌতুক চায়। শ্বাশুড়ি, ননাস ওপেনলি চায়। হাজবেন্ডও চায়,মুখ ফুটে সবসময় বলে না।কিন্তু আচরণে বোঝা যায় যে সে অসন্তষ্ট। নিজেকে বিয়ের আগে দ্বীনদার বলে পরিচয় দিলেও এখন দেখতে পাচ্ছি তার সুরা গুলোও শুদ্ধ না। নামাজ আর দাড়ি ছাড়া কিছুই নেই দ্বীনদারিতার ছিটেফোঁটা।
সারাক্ষণ অনলাইনে রিলস দেখতে থাকে। নজর হিফাযত তো দূর কি বাত।
এখন শান্তির জন্য আমার মা সব জেনেও ফার্নিচার গুলো সব দিতে চাচ্ছে। কুরবানির হাদিয়া চায় তারা,গরমের ফলফলাদি চায় তারা। মুখের ভাষা খুব খারাপ আমার শ্বাশুড়ির। আমি আসলে বুঝতে পারছিনা এসব পাঠানো উচিত হবে কিনা। আম্মুর মতে এসব দিলে তারা আমার সাথে ভালো ব্যবহার করবে। কিন্তু তাদের চাহিদার শেষ নাই। আমার আসলে কি করা উচিত?"
কী বুঝলেন? এই হচ্ছে আমাদের তথাকথিত দ্বীনদারদের হালত! বায়োডাটায় অনেকেই নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে কিন্তু বাস্তবে একেবারে উল্টো। এটা আমরা কীভাবে বুঝতে পারবো সামনাসামনি দেখা ছাড়া? এত এত বায়োডাটা কি এভাবে যাচাই সম্ভব? তার উপর আমাদের প্ল্যাটফর্ম চলছেই অ্যাডমিনডের অর্থায়নে, তাদের ব্যস্ততার ফাঁকে বের করা সময়ের স্বেচছাসেবায়!
এজন্যই আমরা বারবার বলি, বায়োডাটার উপর বিন্দুমাত্র ভরসা রাখবেন না, সবকিছু যাচাই করে নিবেন, সময় নিয়ে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিবেন। সাথে উত্তম জীবনসঙ্গীর পাওয়ার জন্য নিজেকেও তো সেভাবে প্রস্তুত করতে হবে, আল্লাহর কাছে বারবার চাইতে হবে! নিজে দ্বীন মানি না ঠিকমতো, অথচ চাচ্ছি ফেরেশতা! পাবেন এভাবে?
একটা হাদীস বলে শেষ করছি। হযরত আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু বলেন, "রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
ثَلَاثَةٌ حَقٌّ عَلَى اللَّهِ عَوْنُهُمْ: المُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَالمُكَاتَبُ الَّذِي يُرِيدُ الأَدَاءَ، وَالنَّاكِحُ الَّذِي يُرِيدُ العَفَافَ
অর্থঃ তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহ তায়ালার জন্য কর্তব্য হয়ে যায়।
(১) আল্লাহ তায়ালার রাস্তায় জিহাদকারী।
(২) চুক্তিবদ্ধ গোলাম যে তার মনিবকে চুক্তি অনুযায়ী সম্পদ আদায় করে মুক্ত হতে চায়।
(৩) বিবাহে ইচ্ছুক ঐ ব্যক্তি যে (বিবাহ করার মাধ্যমে) পবিত্র থাকতে চায়।"
(তিরমিজি-১৬৫৫, নাসায়ি-৩২১৮, ৩১২০, সহিহ ইবনে হিব্বান-৪০৩০)
আল্লাহ আমাদের প্রকৃত মুসলিম হওয়ার তাওফিক দান করুন।
31/05/2024
" সম্পূর্ণ আগ্নেয়গিরির ওপরে বসবাস জাপানের এই গ্রামের সাহসী মানুষদের "
************************************************
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অজ্ঞাত পরিচয় গ্রাম। এই সমস্ত গ্রামগুলি কিছু নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আছে যা বিশ্বের অন্যান্য গ্রাম থেকে এদেরকে পৃথক করে রেখেছে। এরকমই একটি অচেনা অজানা গ্রামের কিছু তথ্য শেয়ার করলাম আজ আমাদের এই পর্বে।
আওগাশিমা গ্রাম, জাপান::--
ফিলিপাইন সাগরের মধ্যে অবস্থিত আওগাসিমা দুনিয়ার সবচেয়ে বাহাদুর গ্রাম রূপে নিজেদের চিহ্নিত করে ফেলেছে। কারণ এই গ্রামটি রয়েছে সম্পূর্ণ আগ্নেয়গিরির উপর। যদিও আগ্নেয়গিরিটি মৃত বলেই ধরা হয় কিন্তু এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলার মধ্যেই অবস্থিত।
পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র জাপানের টোকিওর আওগাশিমা গ্রামটি একটি অদ্ভূত সুন্দর একটি গ্রাম। টোকিও থেকে ৩৫৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রাম। ছোট এই গ্রাম অবস্থিত একটি আগ্নেয় দ্বীপের উপরে। আর অবিশ্বাস্য হলেও সত্যিই যে, এই দ্বীপের নীচে একটি আগ্নেয়গিরি আছে। কতটা শুনে অবাক লাগলেও, গ্রামটি সত্যি বেশ অদ্ভুত।
আর এ কারণেই গ্রামের নামকরণ হয়েছে আওগাশিমা আগ্নেয়গিরির নামে। ছোট্ট এই গ্রামের লোকসংখ্যা মাত্র ২০০ জন। আর দ্বীপের আয়তন ৬ বর্গ কিলোমিটারেরও কম। ফিলিপিনস সাগরের বুকে অবস্থিত এই আগ্নেয়দ্বীপে অতীতে লোকবসতি ছিল যথেষ্ট। কিন্তু বর্তমানে জনসংখ্যা একেবারেই নেই বললেই চলে।
জাপানের এই দ্বীপটির ইতিহাস থেকে জানতে পারা যায় সর্বশেষ ১৭৮০ সালে এই আগ্নেয় দ্বীপটিতে ভয়ানক এক অগ্নুৎপাত ঘটে। তারপরই দ্বীপ ছেড়ে পালিয়ে যান দ্বীপে বসবাসকারী সব মানুষ। ঘটনার প্রায় ৫০ বছর পর এখানে আবারও মানুষ এসে বসতি গড়েছেন। তবুও প্রাণভয়ে বেশি লোক এখানে থাকতে পারেননি। কারণ আগ্নেয় দ্বীপের ওপরে অবস্থিত হওয়ার জন্য যে কোন মুহূর্তেই আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ প্রাণহানি ঘটাতে পারে সমস্ত মানুষের।
আওগাশিমা আগ্নেয়গিরি সমুদ্রের নিচ থেকে উঠে এসেছে। যার বাইরের উচ্চতা প্রায় ২০০-৪০০ মিটার।এর শীর্ষবিন্দুতে পৌঁছালে আপনি প্রশান্ত মহাসাগরের সুন্দর একটি প্যানোরোমিক ভিউ দেখতে পাবেন। এই দৃশ্য দেখতে পৃথিবীর বহু দূর দূরান্তের পর্যটক এখানে আসেন। দুচোখ ভরে উপভোগ করেন এই দৃশ্য।
যারা এখনো এই দ্বীপে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন তাদেরকে সাহসী আখ্যা দিয়েছেন দেশের অন্যান্য নাগরিকরা। একথা বলাই বাহুল্য এই আগ্নেয় দ্বীপের বস বসকারী মানুষের ভয়ঙ্কর জীবনযাত্রা দেখতে এখানে দৈনিক হাজার হাজার পর্যটক ভিড় করেন দ্বীপটিতে।
আসলে সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এতোটাই সুন্দর যে সেখানকার বাসিন্দারা অন্য কোথায় যেতে চান না। চরম প্রাকৃতিক এক দুরবস্থার মধ্যে থাকা সত্ত্বেও এই স্থানটি ত্যাগ করতে চান না কেউই। এক কথায় বলতে গেলে তারা সবাই দ্বীপটির মায়ায় পড়ে গেছেন। আওগাশিমা যাওয়ার মোট দুটি উপায় আছে- নৌকা ও হেলিকপ্টার। জাপানের মূল ভূখণ্ড থেকে আপনি এই দুই মাধ্যমে এখানে আসতে পারেন।
যদিও অতল সমুদ্রে নৌকা চালানো বেশ কঠিন। এছাড়া দ্বীপটির পাশে নৌকা বেঁধে রাখার জায়গাটিও সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে সেখানকার বাসিন্দারা সব ধরনের প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেই বেঁচে আছেন। তাই ধনকুবের পর্যটকরা নিজস্ব উদ্যোগে হেলিকপ্টার ভাড়া করেই এই দ্বীপে আসেন।
এই হেলিকপ্টারের জন্য অবশ্যই সমস্ত পর্যটকে হাচিওজিমার বিমানবন্দরে যেতে হয়। এটিই সেখানকার নিকটতম স্থান। যা এই আগ্নেয় দ্বীপটি থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
#জ্ঞানওবিজ্ঞান #জ্ঞানওবিজ্ঞানফেসবুকপেজ
ঘুম ভাঙ্গার কুদরতী এলার্ম!!!
সহজে ঘুম না-ভাঙার রোগ বোধহয় অনেকেরই আছে। আমার অবশ্য পাতলা ঘুম, হালকা আওয়াজেই লাফ দিয়ে উঠে বসে পড়ি। তবে অনেকেই আছেন, ওপর দিয়ে গাড়ি চলে গেলেও ঘুম ভাঙবে না অবস্থা।
এই সমস্যার কারণে অনেকের নামাজ কাযা হয়ে যায়। যতই অ্যালার্ম বাজুক, ঘুম আর ভাঙে না। কেউ কেউ তাহাজ্জুদে উঠতে চাইলেও উঠতে পারেন না। তাদের জন্য সহজে নির্দিষ্ট টাইমে ঘুম ভাঙার একটি পরীক্ষিত আমল বলে দিচ্ছি। হেফজখানায় পড়া অবস্থায় হুজুর শিখিয়েছিলেন। তখন থেকেই এটা আমল করি আলহামদুলিল্লাহ।
আমলটি হলো, ঘুমানোর সময় সূরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে আপনি যখন উঠতে চান ঠিক সে সময়টা মনে মনে ভাববেন, এরপর চুপচাপ ঘুমিয়ে যাবেন। ইনশাআল্লাহ, আবারও বলছি, ইনশাআল্লাহ আপনার ঘুম ভাঙবেই ভাঙবে।
এমনকি আপনি যদি মনে মনে ভাবেন, ঠিক তিনটা ছয় মিনিটে ঘুম থেকে উঠবেন, ঠিক তখনই আপনার ঘুম ভেঙে যাবে ইনশাআল্লাহ। এখন আপনি যদি আলস্যের আধার হন তাহলে তো ঘুম ভাঙলেও উঠতে পারবেন না। এর জন্য প্রবল আগ্রহ লাগবে।
১.
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের রা.-এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল— মনে মনে সর্বদাই ইরাদা থাকে রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়ব, কিন্তু ঘুমের প্রবলতার কারণে পারি না। তার কথা শুনে ইবনে আব্বাস রা. বললেন— যখন তুমি ঘুমাতে যাবে, সূরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে শোবে।এতে তুমি যখনই ঘুম থেকে ওঠার ইচ্ছে করবে আল্লাহ তখনই তোমায় জাগিয়ে দিবেন।
(তাফসিরে সালাবির সূত্রে তাফসিরে মাআরিফুল কুরআন ৫/৬৬৪, আনওয়ার বুক ডিপু দেওবন্দ)
২.
বিশিষ্ট তাবেয়ি যির ইবনু হুবাইশ রহ. বলেন— যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে ঘুমাবে, সে যে সময় ওঠার নিয়ত করবে সে সময়ে জাগ্রত হয়ে যাবে।
(সুনানে দারেমি বর্ণনা নং, ৩৭২৭)
৩.
হযরত আবদাহ রহ. বলেন— আমি এই আমলটি পরীক্ষা করেছি এবং উনি যেভাবে বলেছেন ঠিক সেরকমই পেয়েছি৷
( সুনানে দারেমি বর্ণনা নং, ৩৭২৮)
৪.
বিশিষ্ট মুহাদ্দিস হযরত জিকরুল্লাহ খাঁন সাহেব দা.বা. কিছুদিন পূর্বে যাত্রাবাড়ী জামিয়াতুল মাআরিফ মাদরাসার উদ্বোধনী দরসে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বয়ানে বলেন— সুরা কাহাফের শেষ দুই আয়াতের এই আমলটি এতটাই পরীক্ষিত যে, আজ পর্যন্ত কেউ এটা করে ভিন্ন কোনো ফলাফল পায়নি৷ এমনকি তোরা যদি মনে কর তিনটা পঞ্চাশ মিনিট পঞ্চাশ সেকেন্ডে উঠতে চাস, দেখবি কোনো অজানা কারণে ওই সময় তোর চোখ খুলে গেছে। তখন আশপাশে ঘড়ি থাকলে মিলিয়ে নিবি।
মাওলানা তানজীল আরেফীন আদনান
লেখক-অনুবাদক।
ইরাকের স|দ্দ|ম হোসেইন ইসর|[য়[ল
মাত্র ৪৮টি ক্ষেপণ|স্ত্র নিক্ষেপ করেছিলেন
এতে ইহুদি নি*হত হয় প্রায় ২ লাখেরও বেশি।
কিন্তু প্রযুক্তির সেরা সময়ে এসে
ইর|ন ৩০০টি ক্ষেপণ|স্ত্র নিক্ষেপ করেছে
যাতে একটি ইহুদি মশাও ম|র| য|য়নি।
অন্যদিকে এই নাটক দেখে
বাঙ্গালী পড়ায় আলহামদুলিল্লাহ,
& সুবাহান আল্লাহর ব্যবসা চরমে চলছে।
✍️ ওসামা উমর-osama umor
19/04/2024
১ম ছবিটি:- ইরানের হামলার পরে সিরিয়ার হোমসের অবস্থা।
২য় ছবিটি: ইরানের হামলার পরে তেলআবিবের অবস্থা।
সিরিয়ার মুসলিমদের পেলে জিজ্ঞেস করুন ইরানিরা গত এক যুগে উম্মতের কি কি কল্যাণ হয়েছে .....
‘তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
সকল বন্ধু ও আত্মীয় স্বজনদের ঈদ মোবারক।
আজকের চাঁদ কি সত্যি মোটা দেখাচ্ছে?
---------------------------------------------------
প্রথমদিনে চাঁদ বড় হয়ে ওঠার ঘটনা সাহাবা-যুগেও সংঘটিত হয়েছে
---------------------------------------------------------
এবার রমযান মাসের চাঁদ স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বড় হয়ে উদিত হয়েছে। এ নিয়ে মানুষের মাঝে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। কেউ বলছে, এটা কেয়ামতের আলামত। আবার কেউ বলছে, চাঁদ আগের দিনই উদিত হয়ে গিয়েছিল। তাই এটি দ্বিতীয় দিনের চাঁদ; প্রথম দিনের নয়। এ বিষয়ে দুটি কথা।
১. প্রথমদিনে চাঁদ বড় ও মোটা হয়ে ওঠার ঘটনা নতুন নয়; বরং সাহাবা-যুগেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। তাবেয়ী আবুল বাখতারী রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন-
خَرَجْنَا لِلْعُمْرَةِ فَلَمَّا نَزَلْنَا بِبَطْنِ نَخْلَةَ تَرَاءَيْنَا الْهِلاَلَ فَقَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ: هُوَ ابْنُ ثَلاَثٍ . وَقَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ: هُوَ ابْنُ لَيْلَتَيْنِ . قَالَ: فَلَقِينَا ابْنَ عَبَّاسٍ فَقُلْنَا: إِنَّا رَأَيْنَا الْهِلاَلَ فَقَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ هُوَ ابْنُ ثَلاَثٍ وَقَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ هُوَ ابْنُ لَيْلَتَيْنِ . فَقَالَ: أَىَّ لَيْلَةٍ رَأَيْتُمُوهُ؟ قَالَ: فَقُلْنَا لَيْلَةَ كَذَا وَكَذَا . فَقَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: إِنَّ اللَّهَ مَدَّهُ لِلرُّؤْيَةِ فَهُوَ لِلَيْلَةِ رَأَيْتُمُوهُ.
‘আমরা উমরা করার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। যখন ‘বাতনে নাখলা’ নামক স্থানে উপনীত হলাম তখন আমরা (রমযানের) চাঁদ দেখতে পেলাম। এ সময় কেউ কেউ বলতে লাগল, এ তো তিন তারিখের চাঁদ। আবার কেউ কেউ বলল, এ তো দুই তারিখের চাঁদ। তারপর আমরা আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. এর সাথে সাক্ষাত করলাম এবং বললাম, আমরা তো চাঁদ দেখেছি। কিন্তু আমাদের কেউ কেউ বলছে, এটি তৃতীয় রাত্রির চাঁদ। আবার কেউ কেউ বলছে, এ দ্বিতীয় রাত্রির চাঁদ। তখন তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কোন রাত্রে চাঁদ দেখেছ? আমরা বললাম, অমুক রাত্রে। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দেখার সুবিধার্থে আল্লাহ একে বর্ধিত করে দিয়েছেন। মূলত এটি ঐ রাত্রিরই চাঁদ যে রাত্রে তোমরা দেখেছো।’ -সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২৪০০
এ হাদীস থেকে বোঝা গেল যে, কখনো প্রথম তারিখের চাঁদ দেখতে অস্বাভাবিক বড় দেখা গেলে এ নিয়ে দ্বিধান্বিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এজন্য সহীহ মুসলিম শরীফে উক্ত হাদীসের উপর শিরোনাম দেওয়া হয়েছে-
باب بَيَانِ أَنَّهُ لَا اعْتِبَارَ بِكُبْرِ الْهِلَالِ وَصِغَرِهِ وَأَنَّ اللَّهَ تَعَالَى أَمَدَّهُ لِلرُّؤْيَةِ فَإِنْ غُمَّ فَلْيُكْمَلْ ثَلَاثُونَ
‘নতুন চাঁদ বড়-ছোট হওয়ার বিষয়টি ধর্তব্য নয়; দেখার সুবিধার্থে আল্লাহ্ তাকে বড় আকারে উদিত করেন, যদি চাঁদ মেঘে ঢেকে যায় তবে ত্রিশ দিন পূর্ণ করা হবে।’
২. আর চাঁদ স্বাভাবিকের চেয়ে বড় হয়ে উদিত হওয়া কেয়ামতের আলামত- একথাও সত্য। হাদীস শরীফে একথা বর্ণিত হয়েছে। হযরত আবূ হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-
من اقتراب الساعة انتفاخ الأهلة، حتى يرى الهلال لليلة، فيقال: لليلتين.
رواه الطبراني في المعجم الكبير
‘কেয়ামতের আগমন নিকটবর্তী হওয়ার একটি আলামত হলো, নতুন চাঁদ ফুলে ওঠা, এমনকি প্রথম রাতের চাঁদ দেখে বলা হবে, এটি দুই রাতের চাঁদ।’ -আলমুজামুল কাবীর তবারানী, হাদীস: ১০৪৫১
অতএব চাঁদের আকৃতি বড় দেখে তার উদয়ের সময় ও তারিখ নিয়ে বিতর্ক নয়; বরং সতর্ক হওয়া উচিত। নিজের আমল আখলাকের সংশোধন এবং উন্নতির প্রতি ব্রতী হওয়া কর্তব্য। আল্লাহপাক তাওফিক দান করুন।
-শায়েখ Muhammad Imdadullah হাফিযাহুল্লাহ
জামেআ হাকীমুল উম্মত
01/04/2024
যারা ইমাম আজম আবু হানীফা রাহ. এর দীর্ঘ আমল নিয়ে প্রশ্ন তুলেন যে, এমন লম্বা সময়ের আমল একজন মানুষের পক্ষে কি করে সম্ভব? তারা যেন এই বিংশ শতাব্দীর আ.ফ.গানী এই শায়খ থেকে শিক্ষা নেয়। যারা জিজ্ঞেস করেন আবু হানীফা রাহ. এই চল্লিশ বছরে একদিনের জন্যেও অসুস্থ হননি ,তারা যেন এই শায়খ থেকে আল্লাহর কুদরত বুঝে নেয়।
নাম আলহাজ্ব মোহাম্মাদ !
দেশের নাম আ.ফ.গা.নি.স্তা.ন
মাত্র উনিশ বছর বয়সে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। বসবাস করেন রাসূল সা: এর শহরে মদীনায়। প্রিয় হাবীবের ভালোবাসায় বাসা নেন মসজিদে নববীর পাশে।
রাসূলের প্রতি অগাধ ভালোবাসা আর মসজিদে নববীতে নামাজ আদায়ের ফজিলতের আকাঙ্খা মনে ঝেঁকে বসে। মনস্থর করলেন দৈনিক মসজিদে নববীতে জামাতের সাথে নামাজ আদায় করবেন। আরেকটু বাড়িয়ে শক্ত হিম্মত করলেন যে, মসজিদে নববীর প্রথম কাতারে বরাবর ইমামের পিছনে বাম পার্শ্বে প্রতিদিন নামাজে দাঁড়াবেন।
যেমন হিম্মত ,
তেমন প্রতিফলন ।
বাস, এভাবে কেটে গেলো প্রায় ৩৭ বছর। এবার বয়সের ভারে নুঁয়ে পরছেন। কালো দাঁড়ি সাদায় রুপ নিতে চলছে। এদিকে একদিনও মসজিদে নববীতে নামাজ আদায় মিস হয়নি। তাও প্রথম কাতারে নামাজের অভিলাষ লোপ পায়নি।
কি এক আজীব আকাঙ্খা ,
কি এক অবাককরা কান্ড না ,
আর কি করেই বা প্রতিদিন সম্ভব হয়?
যাইহোক , এভাবে প্রায় ৩৭ বছর ধারাবাহিক মসজিদে নববীতে জামাতের সাথে প্রথম কাতারে নামাজ আদায় করার পর বেরিয়ে এলো এমন মাধুর্য সংবাদ। এবার এরাবীক প্রিন্ট মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় হুলুস্থুল শায়খকে নিয়ে শুরু হলো।
শায়খ-কে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ সহ নানান লেখাজোখা শুরু হলো। সবাই অবাক করে প্রশ্ন করে -
লাগাতার ৩৭ বছর কি করে একজন ব্যক্তির পক্ষে প্রতিদিন জামাতের সাথে তাও প্রথম কাতারে নামাজ আদায় সম্ভব হলো? তাও একই জায়গায়! বরাবর ইমামের পিছনে। যেখানে একটু দের হলে মসজিদে ভিতরেই প্রবেশের সুযোগ নেই সেখানে কি করে সম্ভব?
আরো কতেকের নানান প্রশ্ন মাথায় এলো যে, বৃদ্ধ শায়খ কি এই ৩৭ বছরে কখনো একবারের জন্যেও অসুস্থ হননি? নিজ বাসা ছাড়া অন্য কোথাও ঘুরতে যাননি? উমরাহ করতে মক্কায় যাননি? তাহলে তো মসজিদে নববীতে নামাজ মিস হওয়ার কথা। কিন্তু তথ্য বলে তো তিনি কখনো মসজিদে নববীতে এই ৩৭ বছরে জামাতের সাথে নামাজ মিস দেননি। পিছনের বেশ কয়েক বছরের সিসিটিভি পর্যালোচনা করা হলো। দেখা গেলো শায়খ প্রতিদিন আপন জায়গায় বসা আছেন। তাহলে কি থেকে কিভাবে হলো?
এমন সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সবাই যখন হয়রান তখন মদীনার প্রিয় মুহিব শায়খ আলহাজ্ব মোহাম্মাদ রাহ. দুনিয়া ছেড়ে আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে যান।
( কমেন্টে বিভিন্ন নিউজ এর লিংক দিচ্ছি )
______________
11/08/2023
🚫 আগে ১০/১১ টা বাচ্চা নিলেও সিজার লাগতো না। এমন কি মা সন্তান জন্ম দেওয়ার আগে রান্না বান্না করতো।
১৪/১৫ বছরে বিয়ে হতো। নাতি পতি দেখে ৮০-৯০ বছর অনায়াসে বাঁচতো।
কয়েক মাইল খোঁজেও ফার্মেসি নামক জিনিসটা খোঁজে পাওয়া যেতো না।
ছিলো না হাজার রকমের ওষুধ ছিলো না হাজারো রিপোর্ট বা অস্ত্রপাচার৷
যদি এভাবে বলি। সিংহভাগই উত্তর দেয় ভাই আগের যুগ নাই।
আচ্ছা আগের যুগ টা নাই ক্যানো। গ্রামের মূর্খরা কি আগের যুগটা বরবাদ করছে। নাকি আগুন দিয়ে জালাইয়া দিছে। তাহলে আগের যুগ টা গেলো কই।
তাহলে কৌতূহল বশত কখনো কি নিজেকে জিজ্ঞাসা করেছেন আগের যুগটা পরিবর্তন হলো কিভাবে৷
আর যুগের পরিবর্তন হওয়ার ফলে মানুষ সব কিছু আধুনিকতার কাছে বাধ্য হয়েছে।
আগের যুগে যা ছিলো না এখন তা হঠাৎ করে কোথায় থেকে আসলো। ক্যানোই বা আগের যুগে বিলুপ্তি ঘটলো। ক্যানোই বা এই যুগের সমস্যা গুলা উদাঘাটিত হলো।
এই সমস্যা গুলাও আগের যুগে ছিলো না। ছিলো না সমাধান ও।।
তাহলে কারা এই যুগের আমদানি করলো। কারা অন্তরালে সমস্যা দিয়ে মানুষ কে জর্জরিত করলো। কারা ই বা তার সলিউশন ঠিক করে রাখলো।
কারা নিয়ন্ত্রণ করছে এই সিক্রেট সিস্টেম।
কখনো কি ভেবে দেখেছেন যখন সিজার করার সিস্টেম ছিলো না তখন সিজার হত না।
যখনই সব ক্লিনিকে সিজারের বিস্তার ঘটে। হুট করেই একটা জাতি সিজারে বাধ্য হয়ে যায়।
যাস্ট একটা সিজারের উদাহরণ দিলাম।
এত শত শত রোগ হঠাৎ করে কোথায় থেকে আসলো। আবার এত শত শত রোগের ওষুধ ই বা কোথায় থেকে আসলো।
ডাক্তারই বা ক্যানো রোগী দেখছে আর মুখস্থ ওষুধ দিচ্ছে। আবার তা কাজও করছে হুবহু।
এই নিখুঁত ফ্যাংশন কারা নিয়ন্ত্রণ করছে। মানুষ আধুনিক থেকে যত আধুনিক হচ্ছে। তাদের মুঠোয় বন্দি হচ্ছে ততই বেশি।
With - শশেষ পথি'কপশেষ পথি'ক