ইসলামের আলো

ইসলামের আলো

Share

মানবতার মূক্তির লক্ষে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। একটি অগ্নিশিখা থেকে জ্বেলে দিন লক্ষ আলোর প্রদীপ।

23/01/2020
04/01/2020

একজন মুসলিম স্বামীর প্রথম কর্তব্য হলো তার স্ত্রীকে ইসলামিক পথের নির্দেশনা দেয়া।
https://www.facebook.com/TAWFIK07

25/10/2019

ঈদে মিলাদুন্নাবী উপলক্ষে Open কুইজ প্রতিযোগীতা!

যেকোন ১০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রথম সঠিক উত্তরদাতা পাবেন ২০০০ টাকা। ২য় সঠিক উত্তরদাতা পাবেন ১০০০ টাকা। ৩য় সঠিক উত্তরদাতা ৫০০ টাকা।

প্রশ্নাবলীঃ
০১। রসুল মুহাম্মাদ (ﷺ) জীবদ্দশায় প্রথম কত হিজরীতে তাঁর জন্ম দিবস উৎযাপন করেছেন?
!
০২। তাঁর মৃত্যুর বছর তাঁর সর্বশেষ মিলাদুন্নাবী উৎযাপন কোন শহরে উৎযাপিত হয়েছিলো? তাতে কতজন সাহাবী উপস্থিত ছিলেন?
!
০৩। রসুল (ﷺ) এর মৃত্যুর পর মা আয়েশা (রা) সহ তাঁর অন্যান্য স্ত্রীগণ কিভাবে মিলাদুন্নাবী তথা তাঁর জন্মদিবস উৎযাপন করতেন?
!
০৪। রসুল (ﷺ) এর জন্মদিন উপলক্ষে ৪ জন প্রসিদ্ধ সাহাবীসহ অন্যান্য সাহাবীগণ কি ধরনের উৎসব পালন করতেন?
!
০৫। তাঁর জন্মদিবস উৎযাপনের হাদীস সমূহ বর্ননা করেছেন যে সকল সাহাবীগণ তাদের সবার নাম লিখুন!
!
০৬। প্রসিদ্ধ কয়েকজন তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈ এর নাম লিখুন,যারা মিলাদুন্নবী উৎযাপন করতে না পারলে ঘুমাতে পারতেন না।
!
০৭। হানাফী মাযহাবের ইমাম আবু হানিফা (রহ) সহ অন্য ৩ মাযহাবের ইমামগণ মোট কতবার ঈদে-মিলাদুন্নাবী উৎযাপন করেছেন?
!
০৮। ১৪০০ বছর আগে রসুল (ﷺ) এর জন্মদিবসের অনুষ্ঠানগুলোতে যে ধরনের খেজুর ও মিষ্টান্ন পরিবেশন করা হতো সেগুলোর নাম কি?
!
০৯। রসুল (ﷺ) এর জন্মদিবস উপলক্ষে তিনি আমাদের কি কি না'ত শিক্ষা দিয়েছেন?
!
১০। দরুদে ইব্রাহীম পড়লে ১০ বার আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়। ‘ইয়া নবী সালামু আলাইকা...’,‘সালাতুনিয়া রাসুল্লাহ...’, ‘মোস্তফা জানে রহমত পে লাখো সালাম...’ প্রভৃতি মানুষের বানানো দরুদ পড়লে কতটুকু রহমত বর্ষিত হবে?
!
১১। রসুল (ﷺ) এর জন্মস্থান মক্কা, ইন্তিকালের স্থান মদিনা। মক্কা মদিনায় কোন আওলাদে রসুল পাওয়া না গেলেও বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্থানে এত আওলাদে রসুল আসলো কোথা হতে?
!
১২। ‘ঈদে মিলাদুন্নাবী’ -সকল ঈদের সেরা ঈদ এর সালাত কয় রাক’আত ও কয় তাক্ববীরের সহীত আদায় করতে হয়?
!
১৩। কয়েকটি বিদ’আত- হাসানা এর নাম লিখুন। বিদ‘আত হলেও এগুলো করে সাওয়াব পাওয়া যাবে, এই বক্তব্য এর পক্ষে কোরআন হাদীছের দলিল পেশ করুন।
!
১৪। সর্বপ্রথম কোন সাহাবী মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জসনে ঝুলুছের আয়োজন করেন?

বিশেষ দ্রষ্টব্য:
----------
👉 কোরআন ও সহীহ হাদিসের রেফারেন্স ছাড়া উত্তর গ্রহণযোগ্য হবে না।জঈফ হাদীছ দিয়ে উত্তর দিলে তা গ্রহনযোগ্য হবে না



বিশেষ দ্রষ্টব্য : যে উত্তর দিতে পারবে, সে এটা পালন করলে আমরা কিছু বলবো না।

30/07/2019

অজ্ঞ লোকেরা কবরে সিজদা করে,কবরের তাওয়াফ করে,এর চৌকাঠে চুমু খায়-এই সকল কর্মকাণ্ড শরীয়তে না-জায়েয। আমাদের আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআর ইমামগণ এসব কাজকে স্পষ্ট ভাষায় হারাম ও না-জায়েয বলেছেন। কারণ তাওয়াফ,সিজদা,রুকু,হাত বেঁধে দাঁড়ানো-এইগুলো ইবাদত-উপাসনার বিভিন্ন রূপ। আমাদের শরীয়ত কবরের এরূপ সম্মানের অনুমতি দেয়নি,যা পূজা ও উপাসনার পর্যায়ে পৌঁছয়।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানতেন,আগের উম্মতের পথভ্রষ্টতার কারণ ছিল অতিশয়তা। তাই তিনি আপন উম্মতকে এসকল কার্যকলাপ থেকে বেঁচে থাকার তাকীদ করে গেছেন।

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দীকা রা. বলেন,নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর অন্তিম দিনগুলোতে বলেছেন-

لعن الله اليهود والنصارى، اتخذوا قبور أنبياءهم مساجد

ইয়াহুদ ও নাসারার উপর আল্লাহ অভিশাপ। ওরা ওদের নবীগণের কবরসমূহকে সিজদাগাহ বানিয়েছে। -সহীহ বুখারী, হাদীস ১৩৯০; সহীহ মুসলিম, হাদীস ৫২৯

অন্য হাদীসে ইরশাদ হয়েছে,

ألا وإن من كان قبلكم كانوا يتخذون قبور أنبياءهم وصالحيهم مساجد. ألا فلا تتخذوا القبور مساجد، إني أنهاكم عن ذلك .

তোমাদের আগের লোকেরা নিজেদের নবী-ওলীগণের কবরকে সিজদাগাহ বানাতো। সাবধান! তোমরা যেন কবরকে সিজদার জায়গা বানাবে না। আমি তোমাদের নিষেধ করে যাচ্ছি। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ৫৩২/২৩; মিশকাত পৃ. ৬৯

আরেক হাদীসে আছে-

اللهم لا تجعل قبري وثنا يعبد، اشتد غضب الله على قوم اتخذوا قبور أنبياءهم مساجد.

ইয়া আল্লাহ! আমার কবরকে ‘মূর্তি’তে পরিণত কোরেন না, যার পূজা অর্চনা হবে! ঐ জাতির উপর আল্লাহ চরম ক্রুদ্ধ, যারা নিজেদের নবীর কবরকে সিজদাগাহ বানায়। -মুয়াত্তা মালেক, হাদীস ৮৫

সাহাবী কায়স ইবনে সা‘দ রা. বলেন, আমি ‘হীরা’ গিয়েছিলাম। ওখানে দেখলাম, লোকেরা তাদের সর্দারকে সিজদা করে। আমি মনে মনে বললাম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামই তো সিজদা পাওয়ার বেশি উপযুক্ত! আমি যখন তাঁর কাছে এলাম আমার ধারণা তাঁকে জানালাম। তিনি বললেন-

أ رأيت لو مررت بقبري أ كنت تسجد له

বল তো তুমি যদি আমার কবরের কাছ দিয়ে গমন করতে তাকে কি সিজদা করতে?

আমি বললাম, لا

‘জি না’

তিনি বললেন -

لا تفعلوا لو كنت آمرا أحدا أن يسجد لأحد لأمرت النساء أن يسجدن لأزواجهن لما جعل الله لهم عليهن من حق

(জীবিত অবস্থায়ও সিজদা) করো না। আমি যদি কাউকে আদেশ করতাম কোনো মাখলুককে সিজদা করার তাহলে নারীদের আদেশ করতাম যেন নিজের স্বামীদের সিজদা করে। স্বামীর ঐ হকের কারণে, যা আল্লাহ স্ত্রীর উপর আরোপ করেছেন। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২১৪০; মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস ২৭৬৩; সুনানে কুবরা, বায়হাকী, হাদীস ১৪৭০৫

চিন্তা করে দেখুন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ উম্মতের ব্যাপারেও কবর-পূজার আশঙ্কা কত গভীরভাবে করেছেন! ফলে কত স্পষ্টভাষায় তা নিষেধ করেছেন! কবরে সিজদাকারীকে অভিশাপ করেছেন এবং ঐ কবরকে وثنا ‘মূর্তি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন! এ গর্হিত কর্মকে আল্লাহর ক্রোধ প্রজ্বলিত হওয়ার কারণ সাব্যস্ত করেছেন!

এই সকল হাদীসের কারণে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআর আলিমগণের সিদ্ধান্ত, কবরে সিজদা করা ‘শিরকে জলী’ (প্রকাশ্য শিরক)।

মোল্লা আলী ক্বারী রাহ. لعن الله اليهود والنصارى (ইয়াহুদ-নাসারার উপর আল্লাহর অভিশাপ)-এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, ‘ইয়াহুদ ও নাসারার উপর অভিশাপ হওয়ার কারণ হয়ত এই যে, নবীগণের ভক্তি-সম্মানার্থে ওরা তাঁদের কবরে সিজদা করত। এটা শিরকে জলী। কিংবা এই যে, ওরা নবীগণের সমাধিতে আল্লাহ তাআলার জন্যই নামায পড়ত। তবে নামাযে কবরের দিকে মুখ করত ও তার উপর সিজদা করত। ওদের ধারণা ছিল, ওরা একসাথে দু’টি পুণ্যের কাজ করছে- আল্লাহর ইবাদত এবং নবীগণের চ‚ড়ান্ত সম্মান। এটা শিরকে খফী। প্রচ্ছন্ন র্শিক। কারণ এতে মাখলুকের এমন তাজিম আছে, যার অনুমতি নেই। সুতরাং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ উম্মতকে এ কাজ করতে নিষেধ করেছেন হয়ত এ কারণে যে, এটা ইহুদীদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কাজ কিংবা একারণে যে, এতে ‘শিরকে খফী’ (প্রচ্ছন্ন শিরক) রয়েছে। -মিশকাতুল মাসাবীহ, টীকা পৃ. ৬৯

হযরত শাহ ওলিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী রাহ. ‘আলফাউযুল কাবীর’ কিতাবে বলেন, তোমরা যদি মুশরিকদের আকীদা-আমলের পূর্ণ ছবি দেখতে চাও তাহলে এ যুগের আওয়াম ও জাহিলদের দেখ, ওরা মাযারে-মাযারে এবং নিদর্শনের স্থানসমূহে কত ধরনের শিরকে কীভাবে লিপ্ত হয়! অতীতের এমন কোনো বিপদ নেই যাতে এ যুগের কোনো না কোনো গোষ্ঠী অনুরূপ বিশ্বাস নিয়ে লিপ্ত হয়নি। এহেন আমল-আকীদা থেকে খোদা তাআলা আমাদের রক্ষা করুন।

হযরত কাযী ছানাউল্লাহ পানিপথী রাহ. বলেন-

سجدہ کردن سوۓ قبور اولياء وطواف گرد قبور کردن ودعا از آنہا خواستن و نذر براۓ آنہا قبول کردن حرامست، بلکہ چيزہا ازاں بکفر میر ساند۔ پیغمبر صلی اللہ علیہ وسلم برآنہا لعنت گفتہ، وازاں منع فرمودند، وگفتہ قبر مرا بت نہ کنند

অর্থ, ওলীদের কবরে সিজদা করা, কবরের তাওয়াফ করা, তাদের কাছে প্রার্থনা করা, তাদের জন্য মান্নত গ্রহণ করা হারাম। এসবের অনেক কিছুই কুফর পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে থাকে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লাম এসবের উপর অভিশাপ দিয়েছেন এবং এসব কাজে লিপ্ত হতে নিষেধ করেছেন। তিনি ইরশাদ করেছেন, আমার কবরকে মূর্তি বানিও না। (মা-লাবুদ্দা মিনহু পৃ. ৮৮)

ইরশাদুত তালিবীন, কিতাবে তিনি বলেন-

وگرد قبور گردیدن جائز نیست کہ طواف بیت اللہ حکم نماز دارد، قال رسول اللہ صلی اللہ علیہ و سلم: طواف البیت صلوۃ ،طواف بیت اللہ حکم نماز دار .

অর্থ, ‘কবরের চারপাশে প্রদক্ষিণ করা জায়েয নয়। কারণ বাইতুল্লাহর তওয়াফ নামাযের হুকুম রাখে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বাইতুল্লাহর তওয়াফ নামায।’

ফাতাওয়া আলমগীরীতে আছে-

قال برهان الترجماني : لا نعرف وضع اليد على المقابر سنة ولا مستحسنا، ولا نرى به بأسا، وقال عين الأئمة الكرابيسي: هكذا وجدناه من غير نكير من السلف. وقال شمس الأئمة المكي: بدعة. كذا في القنية، ولا يمسح القبر ولا يقبله فإن ذلك من عا دة النصارى

বুরহান তুরজুমানী বলেন, আমরা কবরে হাত রাখাকে সুন্নতও মনে করি না, ভালো কাজও না। তবে কেউ হাত লাগালে গুনাহও মনে করি না। আইনুল আইম্মা কারাবীছি বলেন, ‘আমরা সালাফ থেকে এভাবেই কোনো আপত্তি ছাড়া পেয়েছি।’ শামসুল আইম্মা মক্কী বলেন, এ বিদআত। (কিনয়া) কবরে হাত বুলাবে না, চুমু খাবে না। কারণ এ খ্রিস্টানদের রীতি। (খ. ৫ পৃ. ৩৫১)

এ ফতোয়ার সারকথা এই যে,সুন্নত বা ভালো কাজ মনে না করলে কবরে হাত দিয়ে স্পর্শ করায় দোষ নেই। তবে হাত বুলানোকে বরকতের কারণ মনে করা, চুমু দেওয়া বিদআত। এটা সালাফে সালেহীনের তরীকা না, খ্রিস্টানদের রীতি।

20/05/2019

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، عن هشام، قال أخبرني أبي، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ التمسوا ‏"‏‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা (লাইলাতুল কদর) অনুসন্ধান কর।


সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২০১৯
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD

14/05/2019

আসসালা-মু 'আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহু।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা-র জন্য এবং অসংখ্য দুরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সর্বশেষ নাবী ও রাসূল মুহাম্মাদ ﷺ-এর প্রতি।

*কালচারাল ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম* এর ব্যানারে এই প্রথম বারের মতো চট্টগ্রামে বৃহৎ পরিসরে আল্লাহ সুবহানুওয়াতালার রহমতে ইসলামি কনফারেন্স আয়োজনের সুযোগ পাচ্ছি, ইন শা আল্লাহ।

*তারিখ: ১৮ই মে, ২০১৯।*
*রোজ: শনিবার।*
*সময়: বিকাল ৪.০ টা থেকে ইফতার*
*স্থান: জিন্নুরাইন কনভেনশন সেন্টার, (২ নং গেইট, বারকোড ক্যাফের পাশে, নাসিরাবাদ, চট্টগ্রাম)*

★জ্ঞানগর্ভ আলোচনা পেশ করবেন
১) শায়েখ ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ মাদানি হাফিজাহুল্লাহ (পিএইচডি- মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)
★আলোচ্য বিষয়: বিষয়ঃ ইসলামী দাওয়াহর গুরুত্ব ও মূলনীতি।

২) শায়েখ রায়হান মাদানি হাফিজাহুল্লাহ , (অনার্স- মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়; পরিচালক- কোয়েস্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, খতিব- পতেঙ্গা জামে মসজিদ)
★আলোচ্য বিষয়: বিষয়ঃ রামাদানের শেষ দশকের ফদ্বিলাত ও মহাত্ন এবং এ সময় আমাদের করণীয়।

★ সকলের জন্য ইফতার এর ব্যাবস্থা থাকবে ইন শা আল্লাহ।
★ গাড়ি পার্কিং এর সু'ব্যাবস্থা থাকবে।
★মহিলাদের জন্য সু-ব্যাবস্থা রয়েছে।
আর ওয়াশরুম, ওজু ও নামাজের ব্যাবস্থা তো আছেই।

দয়াকরে বেশী-বেশী শেয়ার করুন,
যাতেকরে চট্টগ্রাম জেলা অ আশেপাশে সকল ইসলাম প্রিয় ভাইবোনদের কাছে এই সু'সংবাদ পৌছে যায়।
আল্লাহ সুবহানুওয়াতালার সন্তষ্টির লক্ষ্যেই আমাদের এই পথ চলা।
যাজাকুমুল্লাহু খাইরান।
লোকেশান ম্যাপ-
https://www.google.com/maps/place/Zinnurine+Convention+Center/@22.3653875,91.8220552,17z/data=!3m1!4b1!4m5!3m4!1s0x0:0x86c8bf71647bc139!8m2!3d22.3653875!4d91.8242439

26/03/2019

-যে বাবার আঙ্গুল ধরে মসজিদে
যাওয়া শিখেছি ।

নিজের জন্মদাতা
পিতাকে সারা জীবন যেভাবে নামাজ
আদায় করতে দেখেছি ।যে সমস্ত আলেমদের
সান্নিধ্যে বসতে পেরে নিজেকে সার্থক ভেবেছি ।
যাদের ওয়াজ মাহফিল শুনে ছোট থেকে বড় হয়েছি ।

-এবং যে ধর্মীয় সংস্কৃতির আবর্তে
তিলে তিলে গড়ে উঠেছি তার সব কিছু-ই কি ভূল ?

-মাত্র দু-চার জন সহীহ্ আকীদার
আলেমের লেকচার শুনে সেটা হুট করে
মেনে নেয়া এত সহজ ছিল না !
মেনে নেয়ার সাহসও ছিল না !
-কিন্তু উপায়ও ছিলো না !

তাদের কথায় এত পরিচ্ছন্নতা দেখেছি যে
তাদের পরিষ্কার রেফারেন্স ও গ্রহনযোগ্য
যুক্তিকে পাশ কাটিয়ে নিজের মন,মস্তিষ্ক
ও সহজ সরল বিবেক কে সন্তুষ্ট করতে পারেনি ।

-সত্যি বলতে অনলাইন জগতে না আসলে ,
তাদের লেকচার না শুনলে হয়তো কোন দিন
উপলব্ধি করতে পারতাম না -ওয়াহী কত নির্মম ?
ওয়াহীর জ্ঞান কত বিশুদ্ধ ?

এবং পবিত্র ধর্ম ইসলামের অলৌকিক
সৌন্দর্য ও মৌলিক বৈশিষ্ট্য আসলে কি ?
-নামাজ ,রোজা ,হজ ,
যাকাতের পাশা পাশপাশি ,
মৃত্যু বার্ষিকীর নামে খানা পিনার ধুমধাম উত্সব ,

শবে বরাতের রুটি হালুয়া ,মিলাদ মাহফিলের জিলাপি ,
ঈদুল ফিতরের কেনাকাটা ও ঈদুল আযহার গরু খাওয়ার আনন্দের মাঝেই সীমাবদ্ধ
ছিল আমাদের প্রচলিত ইসলাম !
-বুঝি নাই কোনটা চুড়ান্ত ধর্ম
আর কোনটি চলমান ধর্ম ?

-কোন দিন বুঝি নাই ,
চিন্তাও করি নাই আকীদার যে এত গুরুত্ব !

-কেউ কখনো বলেনি ,কাউকে বলতে শুনিনি
সারা জীবনের নামাজ ,রোজা আমল এবাদতের
দুই পয়সার মূল্যও যে নেই আকীদা বিশুদ্ধ না হলে !
-জীবন ভর আখেরি মোনাজাত
আর কেরামতির কিচ্ছা কাহিনীর সংস্কৃতিতে
কেউ কখনো বলার সুযোগ হয়তো পায় নাই
কোনটা বিদআত আর কোনটা সুন্নত ,
কোনটা তাওহিদ আর কোনটা শির্ক ?

-মন্ত্রের মত খুতবা শুনেছি
শুনলে সোয়াব তাই শুনেছি ,
বুঝার প্রয়োজন আছে কেউ বলেনি !

-আবার কখনো চার মিনিটে জামাত শেষে ,
চল্লিশ মিনিটের দীর্ঘ মোনাজাতের
ফরহেজগারির ট্রাডিশনও দেখেছি !

-যখন কেউ বলেছে আল্লাহর আকার নেই !
বিনা দলিলে তখন তা মেনে নিয়েছি ,
-আবার যখন কেউ বলেছে ,
ইমাম আবু হানিফা নিরাকার আল্লাহকে
নিরানব্বই বার সপ্নে দেখেছে
সুবহান আল্লাহ সহিত বিনা দলিলে
তাও মেনে নিয়েছি !
-কখনো প্রশ্ন করিনাই ,
নিরাকার হলে দেখলো কিভাবে ?

আর দেখে থাকলে নিরাকার হয় কিভাবে ?
-সবাই যা বলে সেটাই ধর্ম জেনেছি
সবাই যা করে সেটাই ইবাদত মেনেছি !
-কিন্তু যখন জানতে পারলাম,
কুরআন হাদিসে বর্নিত ইসলাম আর আমাদের ইসলাম এক নয় !
মক্কা মদিনার আল্লাহ আর আমাদের আল্লাহ এক নয় !
মক্কা মদিনার আকীদা আমাদের আকীদা এক নয় !
মক্কা মদিনার ইবাদত আর আমাদের ইবাদত এক নয় !

-তখন আকাশ কুসুম এই পার্থক্য ,ও তার কারন
এবং সারাংশ না জেনে , না বুঝে কোন পক্ষ নেয়া
কিংবা কোন পক্ষে স্থীর থাকা আমার মত
একজন সাধারন মানুষের পক্ষে
সম্ভব ছিল না - সহজও ছিল না ।
-যেহেতু আকীদাগত দিক থেকে আমি
কোন রিস্ক নিতে চাই না রিস্ক নেয়ার সুযোগও নেই ।
কারন ইবাদত কম বেশী হলেও সত্য জানাটা জরুরী ।

-তাই আল্লাহর অশেষ রহমতে ,
আমার প্রবল ইচ্ছা ও ক্ষুদ্র জ্ঞানের পরিসরে
চরমপন্থা মনোভাব পরিহার করে খোলা মনে অবজার্ভেশনে যে সত্য গুলি সামনে এসেছে
সেগুলোকে গুরুত্ব বা প্রাধান্য দিতে বাধ্য হয়েছি ,
-তাই পরিশেষে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে ,
ধর্মীয় বিষয়ে গ্রহণ যোগ্য দলিল ছাড়া
বাবার কথাও মানা যাবে না ।

-কারন আমি উপলব্ধি করেছি যে,
-চলমান ধর্ম আর চুড়ান্ত ধর্ম এক নয়।

Collected

16/11/2018

মাসজিদে মিলাদ পড়া নিয়ে মহা গ্যাঞ্জাম লেগে গেলো। হুজুর ঘোষনা দিয়েছেন তিনি আর এই মাসজিদে মিলাদুন্নাবী উৎযাপন করতে দিবেন না। এমনকি বিভিন্ন সময়ে যে মিলাদ পড়ানো হয়, এখন থেকে সেটাও আর পড়াবেন না, তার ইমামতির চাকুরী থাকুক বা না থাকুক। রিজিকের মালিক আল্লাহ!

মাসজিদ কমিটির ২/৩ জন মুরুব্বী ও কিছু আঁতেল মুসল্লি চিৎকার চেচামেচী করা শুরু করলো। কমিটির সভাপতি বলে উঠলেন,
-এত দিন মিলাদ পড়ালেন কেন?
-এতদিন ভুল করেছি এই বিদ’আত করে। ডবল গুনাহ করেছি। প্রথম গুনাহ হলো বিদ’আত করার গুনাহ, আর দ্বিতীয় গুনাহ হলো সেই বিদ’আত করার পর আবার হাদিয়া স্বরুপ টাকা নেওয়ার গুনাহ।
-মিলাদ পড়া বিদ’আত কেন হবে?
-বিদ‘আত না হলে বলুন, এই মীলাদ পড়া সাওয়াবের কাজ না গুণাহের কাজ?
-গুনাহের কাজ কেন হবে? এখানে কি নাচ-গান হয় না ক্রিকেট খেলা হয় যে গুনাহের কাজ হয়? এখানে হামদ সানা পড়া হয়, দু’আ দরুদ পড়া হয়। এটা অবশ্যই সাওয়াবের কাজ!
-তাহলে আপনারা বলছেন যে, এটা নেকীর কাজ। তাহলে নিশ্চয়ই এই নেকীর কাজ সম্পর্কে রসুল (ﷺ) জানতেন। কি জানতেন না?
-অবশ্যই জানতেন। এমন উদ্ভট প্রশ্ন করার মানে কি?
-আপনার কথা অনুযায়ী যেহেতু রসুল (ﷺ) জানতেন যে, মিলাদ পড়া একটি নেকীর কাজ, তাহলে তিনি কি তা আমাদেরকে পালন করতে নির্দেশ করেছেন?
-হ্যাঁ, নবী (ﷺ) তো এটা পালন করতে বলেছেন।


ইমাম সাহেব এবার একটু দম নিলেন। অতপর বলা শুরু করলেন, ‘আজ ৩০ বছর যাবৎ আমি এই মাসজিদে ইমামতি করছি। আপনাদের কত শতবার বলেছি, আমাদের অনুসরণে করতে হবে কোরআন ও হাদীছ।’

‘সভাপতি সাহেব বললেন যে, রসুল (ﷺ) আমাদের মিলাদুন্নাবী উৎযাপন বা মিলাদ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। জি আমারও ধারনা ছিলো মিলাদ পড়ার পক্ষে রাসুল (ﷺ) এর কোন না কোন নির্দেশ অবশ্যই আছে। না থাকলে কি আমাদের উস্তাদ, হুজুরগণ যুগ যুগ ধরে তা এমনি এমনি করে আসছেন!’

‘আমার ছাত্র জীবন থেকে শুরু করে এই ৩০ বছর যাবৎ মিলাদ পড়ার নির্দেশ রসুল (ﷺ) দিয়েছেন কিনা তা কখনও যাচাই করে দেখি নাই। আজ বেশ কিছুদিন যাবৎ যাচাই করতে গিয়ে দেখলাম রাসুল (ﷺ) এর কোন হাদীছে এমন কোন নির্দেশ নাই যেখানে তিনি বলেছেন যে, তোমরা আমার নামে মিলাদ পড় বা আমার জন্মদিন উপলক্ষে তোমরা মিলাদুন্নাবী উৎযাপন করো।’

‘সভাপতি সাহেব, আমি আপনাদের ইমাম হয়ে বলছি, আমার ইলমের কমজুড়ী থাকতে পারে, মিলাদ পড়ার পক্ষে রাসুল (ﷺ) এর আদেশ সম্বলিত হাদীছগুলো কি আপনার জানা আছে? যদি থাকে তবে সেই দলিলগুলো কি আপনি আমাকে দিতে পারবেন? দলিলগুলো পেলে আমার নিশ্চয়ই মিলাদ পড়া ছাড়া লাগবে না। হাদিয়া স্বরূপ টুপাইস কামানোর এই ধান্দাও বন্ধ হবে না।’


সভাপতি সাহেব মাথা চুলকাতে লাগলেন। তিনি মাসজিদের কতিপয় মুসল্লীকে সামনে ডেকে আনলেন। অতপর বললেন,
-আমি সাধারণ একজন মানুষ। কামেল পাশ বা দাওরা পাশ কোন আলেম নই। তবে এই মাসজিদে এমন অনেকেই আছেন যারা কামেল পাশ, দাওরা হাদীছ পাশ। উনারা আপনাদের সামনে দাড়িয়ে। আমি ইমাম সাহেব এর প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য তাদের বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

মাসজিদে পিনপতন নিরাবতা। কেউ কোন কথা বলছে না। দাওরা হাদীছ পাশ আলেমগনও ইমাম সাহেবে এর সাথে একমত পোষন করলেন। তাদের মধ্যকার একজন বলে উঠলেন,
-আমি ইমাম সাহেব এর সাথে একমত যে, বিশুদ্ধ হাদীছের দলিল হতে মিলাদ পড়ার পক্ষে কোন সহীহ হাদীছ পাওয়া যায় না। সুতরাং মিলাদ পড়া অবশ্যই বিদ’আত। যারা রাসুল (ﷺ) এর উপর দরুদ পড়ার হাদীছ ও কোরআন আয়াত দিয়ে মিলাদ পড়ার পক্ষে দলিল পেশ করে থাকেন তারা নিশ্চিত বিভ্রান্তির মধ্যে আছেন। কারণ এটা যে, মিলাদের দলিল সেটা শুধু আপনারাই কেবল বুঝলেন? আর স্বর্ণ যুগের কোন সাহাবী, তাবেয়ী, তাবে-তাবেয়ী, আইম্মায়ে মুজতাহিদ সালফে সালেহীনের কেউ বুঝলেন না? আবু বকর (রা), ওমর (রা), উসমান (রা), আলী (রা) কেউ সেই বুঝ বুঝলেন না? সাহাবীদের যুগের অন্য কোন মুহাদ্দীসও সেই বুঝ বুঝলো না? বুঝলো গিয়ে তাদের মৃত্যুর শত শত বছর পর কতিপয় মৌলুভী?

ইমাম সাহেব এবার বলে উঠলেন,
-যাযাকাল্লাহ খইরান ভাই। আশা করি সভাপতি সাহেব সহ মাসজিদের সকল মুসল্লি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন যে, মিলাদ পড়া আসলেই ইসলামের সোনালী যুগের কোন আমল নয়। রাসুল (ﷺ) এর মৃত্যুর প্রায় ৬০০ বছর পর আবিষ্কৃত হওয়া এই মিলাদ যে বিদ’আত তা আর নতুন করে বলার প্রয়োজন বোধ করছি না। নাবী (ﷺ) বিদ‘আত থেকে আমাদেরকে সতর্ক করে বলেন, ‘তোমরা দ্বীনের মাঝে নতুন বিষয় আবিষ্কার করা থেকে বিরত থাকবে, কেননা প্রত্যেক নতুন বিষয়ই বিদআত। আর প্রতিটি বিদআতের পরিণাম গোমরাহী বা ভ্রষ্টতা।

অন্য হাদিছে রাসুল (ﷺ) আরও বলেনঃ আর প্রতিটি বিদআতের পরিণাম গোমরাহী বা ভ্রষ্টতা আর প্রতিটি গোমরাহীর পরিনাম জাহান্নাম!

Want your school to be the top-listed School/college in Jeddah?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Saudiarabia
Jeddah