islamic Teacher official BD

islamic Teacher official BD

Share

assalamu alaykum this page is Islamic education heuman page...

20/05/2023

আসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।

আসাকরি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানি ও দয়ায় আপনারা সকলেই ভালো আছেন।

আজকে আমি আপনাদের মাঝে এমন একটি আমল তুলে ধরবো যেই আমলটি করার মাধ্যমে আপনি সকলের মাঝে প্রিয়জন হতে পারবেন।

প্রিয়জন হওয়ার আমল

মানুষের প্রতিটি নেক আমলেরই প্রতিদান রয়েছে। আল্লাহ তাআলা মানুষকে তাঁর আমল ও নিয়ত অনুযায়ী প্রতিদান বা ফলাফল দান করেন। এ সব আমলের মধ্যে আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামসমূহের রয়েছে ফজিলতপূর্ণ আমল।

হাদিসে পাকে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলার ৯৯টি গুণবাচক নাম আছে। যে ব্যক্তি এ গুণবাচক নামগুলোর জিকির (আমল) করবে; সে জান্নাতে যাবে।’ জান্নাত পাওয়া ঘোষণা ছাড়াও রয়েছে অনেক ফজিলত।

আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নাম সমূহের মধ্যে (اَلْبَاطِنُ) ‘আল-বাতিনু’ একটি। এ গুণবাচক নামের তাসবিহ বা আমলে এক জন অন্য জনের প্রিয় মানুষ হয়। পরস্পরের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়।

আল্লাহর গুণবাচক নাম (اَلْبَاطِنُ) ‘আল-বাতিনু’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-

Advertisement

উচ্চারণ : ‘আল-বাতিনু’অর্থ : ‘নিজের জাত ও রহস্য গোপনকারী; সব কিছুর সন্নিকটে অবস্থানকারী; অপ্রকাশ্যমান; দৃষ্টি হতে অদৃশ্য।’

আল্লাহর ‍গুণবাচক নাম (اَلظَّاهِرُ)-এর আমল

ফজিলত>> যে ব্যক্তি প্রতিদিন আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নাম (اَلْبَاطِنُ) ‘আল-বাতিনু’-এর তাসবিহ ৩৩ বার পাঠ করবে; ওই ব্যক্তিকে আল্লাহ তাআলা গোপন রহস্যের অধিকারী বানাবেন।

>> যে ব্যক্তি সব সময় আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নাম (اَلْبَاطِنُ) ‘আল-বাতিনু’-এর তাসবিহ পাঠ করবে; ওই ব্যক্তির প্রতি যার দৃষ্টি পড়বে; সে তার বন্ধু হয়ে যাবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সবাইকে এ ছোট্ট আমলটি করার মাধ্যমে আল্লাহর গোপন রহস্য জানার এবং প্রতিটি মানুষের প্রিয়জন হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

19/05/2023

এটাই হলো ইসমে আজম।

28/04/2023

যে ব্যক্তি নেতৃত্ব চায় বা তার প্রতি লোভ করে তাকে নেতা বানানো নিষিদ্ধ হওয়া সম্পর্কে এ হাদীস।

26/04/2023

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

প্রশংসার বিষয়ে ইসলামের মূলনীতি হলো, সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য। আর ব্যক্তি চরিত্রের প্রশংসা করা হবে নবী-রাসূলদের।

তাই ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রশংসাও করতে হয় বিধিবদ্ধ নিয়ম মেনে।

যেমন নামাজে ও নামাজের বাইরে তার প্রতি দোয়া-দরুদ পাঠ করার বিধিবদ্ধ নিয়ম রয়েছে।

আর এই নিয়ম স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সা.) উম্মতকে শিক্ষা দিয়েছেন। এমনকি তিনি নিজের ব্যাপারেও সাহাবিদের অতিরিক্ত প্রশংসায় প্রবৃত্ত হতে নিষেধ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘হে আমার সাহাবিরা, তোমরা তোমাদের নবীর ব্যাপারে এমন কোনো প্রশংসায় প্রবৃত্ত হবে না, যেমন করেছিল তোমাদের পূর্ববর্তীরা।

তারা (খ্রিস্টানরা) তাদের নবীর প্রশংসা করতে করতে তাকে আল্লাহর সমকক্ষ বানিয়ে ফেলেছে।

অথচ তিনি (ঈসা আ.) ছিলেন আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।’ একজন নবীর প্রতি এর চেয়ে বড় জুলুম আর কী হতে পারে যে, উম্মতরা তাকে প্রভু বানিয়ে ফেলে! অতএব নবী-রাসূলগণের প্রশংসার ব্যাপারেও সাবধান থাকতে হয়, যাতে কোনো প্রকার অতিশয়োক্তি করা না হয়।

দ্বিতীয় মূলনীতি হলো, মুসলিম মাত্রই অন্যের প্রশংসার বিষয়ে সাবধান থাকবে। ইসলামে আত্মপ্রশংসা হারাম।

যে ব্যক্তি নিজে নিজের গুণগান করে বেড়ায়, ইসলামের দৃষ্টিতে সে ঠুনকো ব্যক্তিত্বের অধিকারী।

সে নেতৃত্বের উপযুক্ত নয়। হাদিসে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে সেই সর্বাপেক্ষা বুদ্ধিমান, যে নিজের সমালোচনা করে।’ -সুনানে আবু দাউদ

ইসলামে সাধারণত উদ্দেশ্য হাসিলকে সামনে রেখে কোনো ব্যক্তির প্রশংসা জায়েজ নয়। ইসলাম এ কাজকে অতি গর্হিত ও নীতিবিবর্জিত স্বভাব হিসেবে দেখে।

এ ছাড়া বিষয়টি সার্বিক দিক বিবেচনায় শিষ্টাচারবিরোধী এবং অসামাজিক কার্যকলাপের আওতাভুক্ত।

এ জন্য হাদিসে দেখা যায়, যখনই কেউ সামনে উপস্থিত ব্যক্তির প্রশংসা করত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) স্বয়ং তাতে বাধা দিতেন এবং তার বিরোধিতা করে বক্তব্য পেশ করতেন।

অনুরূপভাবে সাহাবিদের সামনেও কেউ প্রশংসাবাণী উচ্চারণ করলে তারা তা ভীষণভাবে অপছন্দ করতেন এবং সরাসরি তা প্রত্যাখ্যান করতেন।

প্রশ্ন হচ্ছে, কেন এবং কী কারণে ব্যক্তি প্রশংসাকে

25/04/2023
13/04/2023
Want your school to be the top-listed School/college in Jeddah?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Aziziyah
Jeddah
24235