Islamic Broadcast

Islamic Broadcast

Share

লাইক দিয়ে সাথে থাকুন
ধন্যবাদ,,

27/03/2026

🔊 আল্লাহ তিন শ্রেণির মানুষকে কুরআনের কারণে সওয়াব দান করবেন। ~ শাইখ ড.আব্দুস সালাম আশ-শুয়াইর (হাফিযাহুল্লাহ)

26/03/2026

মিসওয়ার ইবনে মাখরামা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন:

ওমর (রা.) যখন আঘাতপ্রাপ্ত হলেন (অর্থাৎ যখন তাঁকে ছুরিকাঘাত করা হলো), তখন তিনি বললেন— 'আল্লাহর কসম! যদি আমার কাছে পৃথিবী পূর্ণ স্বর্ণও থাকত, তবে আল্লাহর আযাব দেখার পূর্বেই তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমি তার বিনিময়ে সবকিছু মুক্তিপণ হিসেবে দিয়ে দিতাম।

(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা:৩৪৪২৭)

04/01/2025

কাশ্মী_রের শ্রীন_গরে এই মুসলিম নারী তাঁর সন্তানদের জন্য বোরকা পরে বি_ক্রয় করছেন- মাহরাম যদি না থাকে, তাহলে নারীরা শরিয়াতের সীমানার ভিতর থেকে উপার্জন করবেন। মাহরাম থাকলে তাদের বাড়ীর বাহিরে গিয়ে উপার্জন করার দায়িত্ব শরিয়াহ তাদেরকে দেয়নি। সকাল সকাল সাজুগুজু করে বাসে উঠে পুরুষের ধাক্কা খেয়ে কর্পোরেট অফিসের মনযোগানো হা_রাম ও কবিরা গোনাহ। যেসব নারীরা এই কাজ করেন তাদের অভিভাবক পুরুষরা দাইয়ুস।

দাইয়ুস বলা হয় এমন ব্যক্তিকে যে নিজের পরিবারের নারীদের চরিত্রহীনতা, ব্যভিচারে বাধা দেয় না। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,

ثَلَاثَةٌ قَدْ حَرّمَ اللهُ عَلَيْهِمُ الْجَنّةَ: مُدْمِنُ الْخَمْرِ، وَالْعَاقّ، وَالدَّيُّوثُ، الّذِي يُقِرّ فِي أَهْلِهِ الْخَبَثَ.

তিন ব্যক্তির ওপর আল্লাহ তাআলা জান্নাত হারাম করেছেন। মদ্যপানে অভ্যস্ত ব্যক্তি, বাবা-মায়ের অবাধ্য সন্তান এবং দাইয়ুস অর্থাৎ এমন ব্যক্তি যে তার পরিবারের নারীদের পাপাচার অর্থাৎ ব্যভিচার ইত্যাদিকে সমর্থন করে। (মুসনাদে আহমদ: ৫৩৭২)

দাইয়ুসের শাস্তির ঘোষণা এসেছে বিভিন্ন হাদিসে। একটি হাদিসে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,
ثَلَاثٌ لَا يَدْخُلُونَ الْجَنّةَ، وَلَا يَنْظُرُ اللهُ إِلَيْهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ: الْعَاقّ بِوَالِدَيْهِ، وَالْمَرْأَةُ الْمُتَرَجِّلَةُ الْمُتَشَبِّهَةُ بِالرِّجَالِ، وَالدّيّوثُ.

তিন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তাদের দিকে (রহমতের দৃষ্টিতে) তাকাবেন না; বাবা-মায়ের অবাধ্য সন্তান, পুরুষের সাদৃশ্য গ্রহণকারী নারী এবং দাইয়ুস। (মুসনাদে আহমাদ: ৬১৮০)

ছবিটি উঠানো মক্কা মার্কেট লাল-চক শ্রীন_গর।

~জামশেদ হোসাইন হাফি.

04/01/2025

এই পৃথিবী যত গুলো আভিজাত্যপূর্ণ নারী দেখেছে তার মধ্যে অন্যতম ছিলেন খলিফা আব্দুল মালিকের কন্যা ফাতেমা। ফাতেমার মতো এমন বিদুষী আর অভিজাত্যপূর্ণ নারী ইতিহাসে কমই আছে। তাঁর দাদা, বাবা, স্বামী ও চার ভাই—সবাই ছিলেন খলিফা। এক পরিবার থেকে সাতজন খলিফা হওয়ার এমন দৃষ্টান্ত ইতিহাসে বিরল।

এই ফাতেমার বিয়ে হয়েছিলো ইতিহাসের আরেক মহান পুরুষ দ্বিতীয় উমর খ্যাত খলিফা উমর ইবনে আব্দুল আজিজের (রহ.) সাথে। আর খলিফা উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রহ.) কেমন মানুষ ছিলেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যিনি খেলাফতের মসনদে আরোহণ করেই পুরো উমাইয়াদের ত্রাসের রাজত্বকে ধুলোয় মিশিয়ে দেন এবং ফিরিয়ে আনেন খেলাফতে রাশেদার সেই সোনালীকাল। অতএব সেই দিক থেকে এই দম্পতি পৃথিবীর সেরাদের সেরা।

কিন্তু এখন যদি আপনাদের বলি এই দম্পতি খাবার না পেয়ে শুধু পেঁয়াজ খেয়ে দিন কাটিয়েছে বিশ্বাস হবে তো! আর এটা সম্ভব হয়েছিলো তাদের উভয়ের কলবে আল্লাহ তা'য়ালার প্রতি ভয় আর দীপ্ত ঈমানের কারনে। বিশেষ করে মহীয়সী স্ত্রী ফাতিমার সেক্রিফাইজড এর জন্য যিনি অতন্ত্য বিলাসী জীবনে অভ্যস্ত হওয়ার পরও উমরের দুঃখ-কষ্টভরা অনাড়ম্বর জীবনকে গ্রহণ করে কাটিয়ে দেন সারা জীবন।

অতএব একজন দ্বীনদার জীবনসঙ্গী পাওয়াটা মানুষের জীবনে অন্যতম একটি নেয়ামত। একজন দ্বীনদার লাইফ পার্টনার পেলে আপনাকে শুধু এই দুনিয়াতে সারভাইভ করতে সাহায্য করবে তা নয় বরং আপনাকে আল্লাহর রাস্তায় চলতে এবং জান্নাতে পৌছাতেও সাহায্যকারী হবে৷

ফলে ভুখা-নাঙ্গা অবস্থায় শুধু পেঁয়াজ খেয়েও দিনাতিপাত করতে পারবেন যদি নিজে খলিফা উমর ইবনু আব্দিল আজিজ রহ.-এর মতো দ্বীনদার আল্লাহভীরু তাকওয়াবান পুরুষ হোন এবং উনার স্ত্রী ফাতেমার মতো আল্লাহভীরু দ্বীনদার পুণ্যবতী জীবনসঙ্গীনী পান।

- সুমন আহমাদ

05/11/2024

গুনাহের কারণে যেসব ক্ষতি হয়:

আল্লামা ইবনুল জাওজি রাহিমাহুল্লাহ তার আত-তিব্বু ওয়াল ফাওয়াইদ গ্রন্থে গুনাহের অনেক ক্ষতির কথা উল্লেখ করেছেন। যেমন:

• ইলম থেকে বঞ্চিত হওয়া।
• নিজের ভেতর শূন্যতা অনুভব করা।
• কাজকর্ম কঠিন হওয়া।
• শারীরিকভাবে নিজেকে দুর্বল অনুভব করা।
• আল্লাহর আনুগত্য থেকে বঞ্চিত হওয়া।
• কাজেকর্মে বরকত না থাকা।
• কাজকর্মে সমন্বয় না থাকা।
• গুনাহের কাজে অভ্যন্ত হওয়া।
• আল্লাহর ব্যাপারে গুনাহকারীর ভেতর উদাসীনতা তৈরি হওয়া।
• লোকজন তাকে অশ্রদ্ধা করে।
• জীবজন্তুও গুনাহকারীকে লানত করে।
• সে সর্বদা অপমানিত হতে থাকে।
• গুনাহকারীর অন্তরে সিলমোহর পড়ে যায়।
• লানতের শিকার হয়ে তার দুআ কবুল হয় না।
• তার কারণে জলে ও স্থলে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়।
• তার আত্মমর্যাদাবোধ কমে যায়।
• লজ্জা-শরম চলে যায়।
• নিয়ামত দূর হয়ে যায়।
• আজাব আপতিত হয়।
• গুনাহকারীর হৃদয়ে সর্বদা ভয় বাস করে এবং সে শয়তানের বন্ধুতে পরিণত হয়। তার জীবনের যবনিকাপাত হয় মন্দের ওপর এবং পরকালীন শাস্তি অনিবার্য হয় অনন্তকালের জন্য।

বই: তাওবা করতে চাই কিন্তু...

04/11/2024

নিজেকে খুব যত্ন করে লুকিয়ে রাখা একজন খাস পর্দানশীল নারীর চেহারা এক মুহূর্তের জন্য হঠাৎ কোনো পর-পুরুষ দেখে ফেললে কষ্টে সেই নারীর বুক ভে-ঙে আসার উপক্রম হয়, কান্না করে ফেলে, হৃদয় ব্যথিত হয়, নিজেকে অপরাধী মনে করে ভয়ে গলা শুকিয়ে আসে, আর যার কারণে ক্ষণিকের জন্য এই পর্দা নষ্ট হয়েছে তার উপর মে-জাজ খারাপ হয়! গুনাহ হয়ে গেল কিনা, পবিত্রতা নষ্ট হলো কিনা এই অনুশোচনাবোধ তাঁকে ভেতরে ভেতরে পু-ড়িয়ে মা-/রে।

যদিও অ-নিচ্ছাকৃতভাবে এক মুহূর্ত বে-পর্দা অবস্থায় পরপুরুষের চোখের সামনে পড়লে তাতে গুনাহ লেখা হয় না!

অপরদিকে, বে-পর্দা চলাফেরা করা কোনো নারীকে হাজার হাজার পুরুষ কত শত দিন দেখেই চলেছে, দেখেই চলেছে তবুও তার কলিজায় নেই কোনো ব্যথার অনুভূতি, নেই কোনো কষ্টের ছাপ, নেই কোনো অনুশোচনাবোধ!

হাসতে হাসতে স্বাচ্ছন্দ্যচিত্তে অনবরত করে যাওয়া "কবিরা গুনাহ" তার গুনাহের অনুভূতিকেই নষ্ট করে দিয়েছে! সে যে দিনে দিনে নিজেকে শা-/স্তি-র জন্য প্রস্তুত করে চলেছে এটাই তো সে বুঝতে পারে না।ফরজ হুকুম লঙ্ঘ-নের শক্ত গু-নাহের নিচে চাপা পড়েছে তার অনুশোচনাবোধ!

উপরে বর্ণিত দুই ক্যাটাগরির নারী, আমাদের চারপাশে বাস করা একই নারী জাতি অথচ ঈমান আর তাকওয়ার মাঝে কতই না পার্থক্য!

১ম শ্রেণির নারী যে হতে পেরেছে সে কতই না সৌভাগ্যবান! আমরা কেন সৌভাগ্যবানদের কাতারে দাখিল হতে পিছিয়ে থাকবো? কিসের আশায়?

চলো না তবে হাঁটা শুরু করি তাকওয়ার পথে!

~ শামছুন্নাহার রুমি!আ

04/11/2024

একজন মুসলমানকে ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার গুরুত্ব বোঝাতে হয় এরচে কষ্টদায়ক এবং লজ্জার আর কি হতে পারে!

- আবদুর রহমান মুআজ

27/10/2024

রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা ‘ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম’ [অর্থ: হে মর্যাদা ও মহানুভবতার অধিকারী] বাক্যটিকে আঁকড়ে ধরে থাকবে।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৫২৫; হাদিসটি সহিহ]

৩) খুবই বিনীত ও কাতর কণ্ঠে দু‘আ করা এবং নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করা।

আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, ‘‘তোমার রবকে ডাকো বিনীতভাবে/কাতর কণ্ঠে এবং চুপিসারে।’’ [সুরা আ’রাফ, আয়াত: ৫৫]

যাকারিয়্যা (আ.) বলেছিলেন, ‘‘রব আমার, আমাকে একা ছেড়ে দিয়েন না।’’ [সুরা আম্বিয়া, আয়াত: ৮৯]

৪) দু‘আর মধ্যে আল্লাহপ্রদত্ত নিয়ামত ও নিজ অপরাধের স্বীকৃতি দেওয়া।

সাইয়িদুল ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনার শ্রেষ্ঠ দু‘আ)-র মধ্যে আমরা এমনটি দেখি, সেখানে বলা হচ্ছে, ‘‘আমার উপর আপনি যে অনুগ্রহ করেছেন, তা স্বীকার করছি এবং আমার কৃত পাপের কথাও স্বীকার করছি।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৬৩০৬]

৫) দু‘আয় কাকুতিমিনতি করতে থাকা এবং সাধ্যানুসারে কান্নাকাটি করা।

নবিজি তাঁর উম্মতের জন্য কাকুতিমিনতি করে দু‘আ করেছিলেন এবং কেঁদেছিলেন। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৩৮৭]

ইবনু আব্বাস (রা.)-এর মতে, দু‘আর মধ্যে কাকুতিমিনতি করার সময় হাত দুটো চেহারার কাছাকাছি থাকা ভালো। [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৪৯০; বর্ণনাটি সহিহ]

● আরও কয়েকটি সাধারণ আদব, তবে এগুলো খুব জরুরি নয়, উত্তম বটে।

১) প্রথমে নিজের জন্য দু‘আ করা। উবাই ইবনু কা’ব (রা.) বলেন,

নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কারও জন্য দু‘আ করতেন, তখন নিজেকে দিয়ে শুরু করতেন। [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৩৮৫; হাদিসটি সহিহ]

২) সম্ভব হলে প্রথমে অজু করে নেওয়া।

একবার নবিজিকে আবু আমির (রা.)-এর জন্য দু‘আ করতে অনুরোধ করা হলে, তিনি প্রথমে অজু করে নেন, এরপর দু‘আ করেন। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৪৩২৩]

৩) তিনবার করে বলা (বিশেষত গুরুত্বপূর্ণ কিছু চাওয়ার ক্ষেত্রে)।

ইবনু মাস‘উদ (রা.) বলেন, রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু‘আ করলে (কখনো) তিনবার করে দু‘আ করতেন, কোনো কিছু (আল্লাহর কাছে) চাইলে তিনবার চাইতেন। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৪৫৪১]

৪) কিবলামুখী হওয়া। বদর যুদ্ধের দিন নবিজি কিবলামুখী হয়ে খুবই কাতর কণ্ঠে দু‘আ করেছিলেন। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৪৪৮০]

৫) বেশি বেশি করে চাওয়া। নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

"তোমাদের কেউ যখন (আল্লাহর কাছে) চাইবে, তখন সে যেন বেশি করে চায়। কারণ সে তো তার রবের কাছেই চাচ্ছে!’’ [ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৮৮৯; হাদিসটি সহিহ]

৬) এমন শব্দ ও বাক্য দিয়ে দু‘আ করা, যেটি দিয়ে অনেক ধরনের কল্যাণ কামনা করা যায় (অর্থাৎ ব্যাপক অর্থবোধক শব্দ ও বাক্য)।

নবিজি এমনটি করতেন। আয়িশা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন বাক্যে দু‘আ করা পছন্দ করতেন, যা দ্বারা অনেক বিষয় অন্তর্ভূক্ত থাকতো। [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৪৮২; হাদিসটি সহিহ]

৭) দু‘আর মধ্যে ছন্দময় কথা না বলা। ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন,

রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবিগণ দু‘আর মধ্যে ছন্দময় কথা এড়িয়ে চলতেন। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৬৩৩৭]

৮) দু‘আর মধ্যে অপ্রয়োজনীয় শব্দ না বলা, চাইতে গিয়ে সীমালঙ্ঘন না করা। [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৪৮০; হাদিসটি সহিহ]
যেমন: ‘‘হে আল্লাহ! আমাকে জান্নাতের অমুক ফলটা দিয়ো, তমুক জিনিসটা দিয়ো’’ এভাবে না বলে শুধু জান্নাত চাওয়া। কারণ জান্নাতে গেলে তো সবই পাওয়া যাবে।

৯) দু‘আর মধ্যে নিজ পিতা-মাতা এবং সকল মুসলিমদের জন্য দু‘আ করা। [সুরা ইসরা, আয়াত: ২৪, সুরা ইবরাহিম, আয়াত: ৪১, সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ১৯]

১০) দু‘আর শেষদিকে আবারও প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণ বর্ণনা করা, অতঃপর নবিজির উপর দরুদ পড়ার মাধ্যমে দু‘আ শেষ করা। [ইমাম ইবনুল কায়্যিম, জালাউল আফহাম, পৃষ্ঠা: ৩৭৫]

এটি দিয়েই শেষ করতে হবে, এমন নয়। মাঝেমধ্যে সুরা ফাতিহার প্রথম আয়াত, কখনো ‘‘ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম’’ কিংবা কখনও ‘‘আমিন’’ বলেও দু‘আ সমাপ্ত করা যায়। তবে, সবসময় নির্দিষ্ট একটি বাক্য দিয়েই দু‘আ শেষ না করে, বৈচিত্র আনা ভালো।

সার্থক মুনাজাত (চতুর্থ পর্বের শেষ অংশ)
• চতুর্থ পর্বের প্রথম অংশ

Nusus

27/10/2024

"বান্দার প্রকাশ্য ও গোপন সকল আমল এক সমান হওয়ার নামই ইখলাস"।[১]

~ ইমাম হুযাইফাহ আল মারআশী [রাহ.]

ইমাম হুযাইফাহ [রাহ.] এর পরিচিতি দিতে গিয়ে ইমাম যাহাবী [রাহ.] বলেছেন,
أحد الأولياء.
صحب سفيان الثوري
"তিনি ছিলেন আউলিয়াদের একজন। সুফইয়ান আস সাওরীর (রাহ.) সহচর ছিলেন"।[২]

[১) ইমাম নাওয়াউই(রাহ.), আত তিবইয়ান, পৃ: ৩২;
২) সিয়ারু আ'লামিন নুবালা: ৯/২৮৩] p: 861

27/10/2024

"যারা কুফরী করে তারা কি ভেবে দেখে না যে, আসমানসমূহ ও যমীন ওতপ্রোতভাবে মিশে ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম, আর আমি সকল প্রাণবান জিনিসকে পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। তবুও কি তারা ঈমান আনবে না?"

أَوَلَمۡ یَرَ ٱلَّذِینَ كَفَرُوۤا۟ أَنَّ ٱلسَّمَـٰوَ ٰ⁠تِ وَٱلۡأَرۡضَ كَانَتَا رَتۡقࣰا فَفَتَقۡنَـٰهُمَاۖ وَجَعَلۡنَا مِنَ
ٱلۡمَاۤءِ كُلَّ شَیۡءٍ حَیٍّۚ أَفَلَا یُؤۡمِنُونَ

[ সূরা আম্বিয়া: ৩০] p: 862

12/10/2024

একদিন শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক রহ: মসজিদে হারামে বসে ইফতার করছিলেন৷ তখন ইফতার এতোটা উন্নত হতো না৷ কোনো রকম সাদাসিধে ইফতার পেশ করা হতো৷ শাইখুল হাদিস রহ:র সামনে সেদিন খেজুর, যমযমের পানি আর মুড়ি দেয়া হয়েছে ইফতারের জন্য৷

খেজুর খেয়ে ইফতার করলেন৷ এরপর পানি পান করলেন৷ মুড়ি মুখে দিয়ে দেখেন একদম ঝাল নেই৷ আরবের মানুষ ঝাল একদমই কম খেয়ে থাকেন৷

তখন শাইখুল হাদিস রহ: মুখে হালকা আওয়াজে বলেছেন আহ! যদি একটু মরিচ হতো তাহলে মুড়ি কতই না ভালো লাগতো৷

এরপর ইফতার শেষে মাগরিবের নামাজ পড়ে হারাম থেকে বের হবার সময় দেখেন গেইটের সামনে এক লোক দুই হাতে মরিচ নিয়ে দাড়িয়ে আছেন৷ আর ফ্রিতে হাজীদের খেদমতের নিয়তে মরিচ দিতেছেন৷ এবং বলতেছেন: ভাই জিস কো চাহয়ে মিরচে লে লো, জিস কো ভি জরুরত হো লে লো৷

তখন শাইখুল হাদিস রহ: বলেছেন: হায়! আমি যদি তখন আল্লাহর কাছে মরিচের কথা না বলে জান্নাত চাইতাম৷ কতই না সৌভাগ্যবান হতাম আমি৷

ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে মুহতারাম হাসান জামিল হাফি: মসজিদে হারামে বসে আমার হাতে ধরে আমাকে ঘটনাটি শোনালেন এবং বললেন: মাওলানা, একটু পর লক্ষ্য করে দেখবেন সবাই খুব কান্নাকাটি করবে৷ মুনাজাত করবে৷ কতো সুন্দর সুন্দর দোআ করবে তাদের দোআগুলো শুধু শুনতেই মনে চায়৷ অথচ আমাদের দেশে অনেক পরিবার এমন আছে যারা এক মাস রোজা রাখে কিন্তু ইফতারের সময় কোনো দিন তারা দোআ করে না৷ তারা রোজা রেখেও আল্লাহর কাছ থেকে কিছু চেয়ে নিতে পারে না৷ প্রতিটি পরিবারের উচিত ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে পরিবারের মধ্যে দোআর পরিবেশ তৈরী করা৷

বাস্তবিক অর্থেই সে পরিবারের লোকজন কত উত্তম যাদের পরিবারে ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে সকলে বসে একসাথে আল্লাহর কাছে দোআ করে৷

(সংগৃহীত)

Want your school to be the top-listed School/college in Jeddah?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Jeddah
3850