14/02/2016
Date:14.2.16
রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের কিছু তথ্য......
জীবনানন্দ দাশ জন্মগ্রহন করেন ১৭ ফেব্রুয়ারী ১৮৯৯ সাল বরিশালে.তার আদি নিবাস বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে.তার বাবা -মার নাম সত্যানন্দ দাশ ও কবি কুসুমকুমারী দাশ.তার ৩ ভাইবোনদের মধ্যে সে সবার বড়.তার ছোট ভাইর নাম অশোকানন্দ ও তার বোনের নাম সুচরিতা দাশ.১৯০৮ সালে তিনি ৫ম শ্রেণীতে ভর্তি হন.সেখানে বাংলা ও ইংরেজি জ্ঞান বিস্তৃত হয়।এছাড়া ছবি আকার প্রতি তার ঝোক ছিল.১৯১৯ সালে তিনি ব্রজমোহন বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্টিকুলেশন পাশ করেন.এর দুই বছর পর ব্রজমোহন কলেজ থেকে ঐ একই ফলাফল নিয়ে তিনি ইন্টারমিড়িয়েট পাস করেন।১৯১৯ সালে তিতি তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনর্াস অনার্স সহ বি,ত্র পাশ করেন।১৯২৫ তিনি ২য় বিভাগে ত্রম,ত্র পাশ করে প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন.১৯৩০ সালে ৯ই মে তিনি লাবণ্য দেবীকে বিয়ে করেন.
তার কবিতাকে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'চিত্ররূপময় কবিতা ' বলে অভিহিত করেন.
বাংলা সাহিত্যে সে বিভিন্ন নামে পরিচিত .তাকে বলা হয় রূপসী বাংলার কবি,নির্জনতার কবি;তিমির হননের কবি ও ধূসরতার কবি.
ড.দীপ্তি ত্রিপাঠী বলেছেন ..এক বিমূঢ় যুগের বিভ্রান্ত কবি জীবনানন্দ।
তার প্রথম প্রকাশিত কবিতা 'বর্ষ -আবাহন'(১৯১৯)।
তার বিখ্যাত কবিতা'বনলতা সেন'.তার প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ঝরা পালক';প্রকাশ কাল ১৯২৮.
তার সম্পাদিত দুটি পত্রিকা-স্বরাজ ও দ্বন্দ্ব.
সে ১৪ অক্টোবর ১৯৫৪ সালে কলকাতায় ট্রাম দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন.এবং ২২ অক্টোবর ১৯৫৪ সালে মৃত্যুবরন করেন...
18/08/2015
উটের পিঠে কুঁজ কেন?
সাগরের জাহাজ মানুষের তৈরী আর তার সব যন্ত্রাংশ সম্বন্ধে মানুষের ও সব জানা।কিন্তু মরু ভূমির জাহাজ নামে পরিচিত উটের গঠন প্রকৃতি সম্পকের্ মানুষের ধারণা যত সামান্য ।কিছু দিন হলো বিজ্ঞানীরা উটের মুখের সামনের অতিরিক্ত ঝুলানো গোশতের বিচিত্র গঠন সম্পকের্ কিছুটা ধারণা করতে পেরেছে।তেমনি উটের কুঁজ সম্পকের্ কিছুটা ধারণা দেয়।
উটের পিঠে আসলে কারও কবর নয়,গোস্তের স্তূপও নয়,এটি আসলে চবির্র স্তূপ।
উট কয়েক দিন না খেয়ে থাকতে পারে ঠিকই তবে তাদের ও নিয়মিত খাবারের দরকার হয়।যদি মরুভূমির কয়েক দিনের পথ পাড়ি দিতে হয় তবে তাদের খাদ্যের সংকট দেখা দেয়, সে সময় তাদের কুঁজে অরস্থিত চবর্ি দিয়েই তারা শক্তি সরবরাহ করে। তা ছাড়া উটের পেটের মধ্যে দু'টি থলে থাকে।যার মধ্যে তারা পানি সঞ্চয় করে রাখে।
পেটের থলের পানি আর কুঁজের চবর্ি এই দুয়ের মিশ্রণের শক্তি তারা কয়েক দিন চলতে পারে । দীঘর্ পথ চলার পর এদের কুঁঁজ কিছুটা ঢিলা হয়ে যায় অথ্যর্াৎ চবির্ ব্যবহৃত হওয়ার ফলে কিছুটা নরম হয়।
এ কারণে দীঘর্ যাত্রার শেষে উটকে দীঘর্ ক্ষণ বিশ্রাম নিতে হয় এবং পযর্াপ্ত খাবার ,পানি দিতে হয়।অতঃপর তারা আবার শক্তি ফিরে পায়।
২ কুঁজ যুক্ত উটের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।
17/08/2015
**এক টন ইস্পাত তৈরী করতে কত লিটার পানি লাগে?
উত্তর:৯১০০০ লিটার.
28/11/2014
বিভিন্ন ভাষায় মধুর নাম
১.আরবী নাম আসলুন নাহল।
২.পারসিয়ান নাম সাহাদ,আনজুবিন।
৩.সিংহলী নাম মাকখি(Makkhi)।
৪.গুজরাটি নাম মাধ(Madh)।
৫.সংস্কৃত নাম মধু।
৬.ল্যাটিন নাম মেল(Mel)।
৭.ইংরেজী নাম হানি(Honey)।
৮.হিন্দি নাম সাহাদ(Shahad)।
27/11/2014
বিভিন্ন ভাষায় কুরআনের
প্রথম অনুবাদক
নিঃসন্দেহে পবিত্র আল কুরআন পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা পঠিত গ্রন্থ।
মহান আল্লাহ তায়ালা তার এ বাণীসমষ্টিকে আরবি ভাষায় অবতীর্ণ করেন।যেহেতু পৃথিবীর একেক জাতির মাতৃভাষা একেক রকম,তাই প্রয়োজন হয়েছে অনুবাদের ।
আজ আমরা জানবো পৃথিবীর কোন মনীষী কোন ভাষায় প্রথম অনুবাদক।
*বাংলার ভাষায় প্রথম কুরান অনুবাদ করেন গিরিশচন্দ্র সেন।কিন্তু তার এ অনুবাদ মুসলমানদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে ব্যর্থ হয়। তাই ১৮৮৬ সালে মাওলানা আমিরুদ্দিন বসুনিয়া বাংলা ভাষায় সার্থক অনুবাদ করেন।
*ইংরেজি ভাষায় প্রথম কুরআন অনুবাদ করেন আলেকজান্ডার বস ১৬৪৮ সালে।
*ইতালিয়ান ভাষায় প্রথম অনুবাদ করেন আন্দ্রে এ্যারি ভ্যারিনি ১৫৪৭ সালে।
*জার্মান ভাষায় প্রথম কুরআন আনুবাদক সলেমন স্কেইজার।তিনি ১৫৪৭ সালে এ অনুবাদ কর্মতি করেন।
*ফরাসি ভাষায় প্রথম কুরআন অনুবাদ করেন আন্দ্রে ডুর্যেয়ার ১৬৪৭ সালে।
*রাশিয়ান ভাষায় প্রথম কুরআন অনুবাদ করেন পিওটর ভি পোস্টানিকভ ১৭১৬ সালে।
*উর্দু ভাষায় প্রথম কুরআন অনুবাদ করেন আব্দুস সালাম মুহম্মদ ১৮২৮ সালে।
*ফার্সি ভাষায় প্রথম কুরআন অনুবাদ করেন কামালুদ্দীন হোসাইন ১৮৩৭ সালে।
*হিন্দি ভাষায় প্রথম কুরআন অনুবাদ করেন আহমদ শাহ মাসিহি ১৯১৬ সালে।
*চীনা ভাষায় প্রথম কুরআন অনুবাদ করেন টিয়েংলি ১৯২৭ সালে।
*আফ্রিকান ভাষায় প্রথম কুরআন অনুবাদ করেন ইসমাইল আব্দুর রাজ্জাক ১৯৬০ সালে।
*কোরিয়ান ভাষায় প্রথম কুরআন অনুবাদ করেন যংসান কিম ১৯৭১ সালে।
*সুদানি ভাষায় প্রথম কুরআন অনুবাদ করেন এইচ কামরুদ্দিন সালেহ ১৯৭১ সালে।
*কাশ্মিরী ভাষায় প্রথম কুরআন অনুবাদ করেন মুহাম্মদ ইয়াহয়া শাহ ১৯৮৭ সালে।
*রুমানিয়ান ভাষায় প্রথম কুরআন অনুবাদ করেন সিলডেস্টো ও কট্রাভিয়ান ১৯১২ সালে।
*গুজরাটি ভাষায় প্রথম কুরআন অনুবাদ করেন আ:কারিরি লোফনান ১৮৭৯ সালে।
*****(নোট:বন্ধুরা আপনাদের কাছে যদি আর ও বিভিন্ন ভাষার কোনো অনুবাদক থাকে তাহলে আমাকে সঠিক তথ্য দিয়ে সাহায্য করবেন,বা ভুল হলে সঠিক তথ্য দিয়ে সাহায্য করবেন.)