Al-Bisah Islamic Center

Al-Bisah Islamic Center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al-Bisah Islamic Center, Education, Abha, Bisha.

নবী করিম( সা) সর্বোত্তম মানুষ। আর রাসূল ( সা)  এর শেষ্ঠত্বতা বুঝা যেতো যখন রমাদানে জিব্রাইলের ( আ) ওনার সাথে সাক্ষাৎ করত...
21/03/2024

নবী করিম( সা) সর্বোত্তম মানুষ। আর রাসূল ( সা) এর শেষ্ঠত্বতা বুঝা যেতো যখন রমাদানে জিব্রাইলের ( আ) ওনার সাথে সাক্ষাৎ করতেন। বুখারী।

কনকনে শীতে অজু করার ফজিলত:عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ أَلاَ أَدُلُّكُمْ عَ...
08/01/2023

কনকনে শীতে অজু করার ফজিলত:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ أَلاَ أَدُلُّكُمْ عَلَى مَا يَمْحُو اللَّهُ بِهِ الْخَطَايَا وَيَرْفَعُ بِهِ الدَّرَجَاتِ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ إِسْبَاغُ الْوُضُوءِ عَلَى الْمَكَارِهِ وَكَثْرَةُ الْخُطَا إِلَى الْمَسَاجِدِ وَانْتِظَارُ الصَّلاَةِ بَعْدَ الصَّلاَةِ فَذَلِكُمُ الرِّبَاطُ ‏"‏ ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ আমি কি তোমাদের এমন কাজ জানাবো না, যা করলে আল্লাহ (বান্দার) পাপরাশি দূর করে দেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন? লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি বলুন। তিনি বললেন অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণরূপে ওযু করা, মসজিদে আসার জন্যে বেশি পদচারণা করা এবং এক সলাতের পর আর এক সলাতের জন্যে প্রতীক্ষা করা; আর এ কাজগুলোই হল সীমান্ত প্রহরা*। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৭৮, ইসলামিক সেন্টারঃ ৪৯৪)

* রিবাত (সীমান্ত প্রহরী) অর্থঃ কোন জিনিস থেকে বন্ধ থাকা, অর্থাৎ ইতা’আতের উপর নিজের আত্মাকে বন্ধ রাখা, তাতে যত কষ্টই হোক।
হাদিসের মানঃ সহিহ

07/07/2022
من صام رمضان ثم أتبعه ستا من شوال كان كصيام الدهر (مسلم) "যে ব্যক্তি রমাদ্বানের রোজা রাখার পরে "শাওয়াল" মাসে ৬টি রোজা রা...
09/05/2022

من صام رمضان ثم أتبعه ستا من شوال كان كصيام الدهر (مسلم)
"যে ব্যক্তি রমাদ্বানের রোজা রাখার পরে "শাওয়াল" মাসে ৬টি রোজা রাখলো সে যেন সারা বছরই রোজা রাখলো"।

14/12/2021
الَّذِينَ يُنفِقُونَ فِى السَّرَّآءِ وَالضَّرَّآءِ وَالْكٰظِمِينَ الْغَيْظَ وَالْعَافِينَ عَنِ النَّاسِ ۗ وَاللَّهُ يُ...
24/08/2021

الَّذِينَ يُنفِقُونَ فِى السَّرَّآءِ وَالضَّرَّآءِ وَالْكٰظِمِينَ الْغَيْظَ وَالْعَافِينَ عَنِ النَّاسِ ۗ وَاللَّهُ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ

যারা সুসময়ে ও দুঃসময়ে ব্যয় করে এবং ক্রোধ সংবরণ করে ও মানুষকে ক্ষমা করে। আর আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালবাসেন। (আলে ইমরান: ১৩৪)

إن الصلاة تنهى عن الفحشاء والمنكر (العنكبوت 45)
23/08/2021

إن الصلاة تنهى عن الفحشاء والمنكر (العنكبوت 45)

مَا أُعْطِيَ أَحَدٌ عَطَاءً خَيْرًا وَأَوْسَعَ مِنَ الصَّبْرِ - بخاري (1469)، ومسلم (1053)
22/08/2021

مَا أُعْطِيَ أَحَدٌ عَطَاءً خَيْرًا وَأَوْسَعَ مِنَ الصَّبْرِ - بخاري (1469)، ومسلم (1053)

আশুরার রোজা বিষয়ক হিজরী বছরের ক্যালেন্ডার দেখে কেউ বিভ্রান্ত না হয়ে নিচের তারিখ গুলো লক্ষ্য করুন
17/08/2021

আশুরার রোজা বিষয়ক হিজরী বছরের ক্যালেন্ডার দেখে কেউ বিভ্রান্ত না হয়ে নিচের তারিখ গুলো লক্ষ্য করুন

📢 মুহাররাম মাসের ফজিলত ও করণীয়( فضل شهر الله المحرم وصيام يوم عاشوراء)--------------------------------------------------...
09/08/2021

📢 মুহাররাম মাসের ফজিলত ও করণীয়( فضل شهر الله المحرم وصيام يوم عاشوراء)
-------------------------------------------------------------
সকল প্রশংসা আল্লাহ তায়া’লার জন্য, সালাতু সালাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর।
সৌদি আরবে আজ সোমবার এবং বাংলাদেশসহ এশিয়াতে আগামীকাল মঙ্গলবার ১৪৪৩ হি মুহাররাম মাসের ১লা তারিখ। মুহাররাম মাসকে আল্লাহর মাস বলা হয়। সাপ্তাহ, মাস, বছর এগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত। আল্লাহ তায়া’লা বলেন,
إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِندَ اللَّهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِى كِتٰبِ اللَّهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالْأَرْضَ
নিশ্চয় মাসসমূহের গণনা আল্লাহর কাছে বার মাস আল্লাহর কিতাবে, (সেদিন থেকে) যেদিন তিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন।(তাওবা : 36)
এই বার মাসের প্রথম মাস হলো মুহাররাম। এর গুরুত্ব অনেক বেশি। এ মাসের ফজিলত ও করণীয় সম্পর্কে বিশুদ্ধ সূত্রে বর্ণিত ১০টি হাদিস পেশ করা হল:

➡️১) প্রখ্যাত সাহাবী আবু বাকরা রা. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহ তাআলা আসমান সমূহ এবং জমিন সৃষ্টির দিন যে আকৃতিতে সময়কে সৃষ্টি করেছিলেন সেটা আবার তার নিজস্ব কৃতিতে ফিরে এসেছে। এবং বারো মাসে এক বছর। তম্মধ্যে চারটি মাস অতি সম্মানিত। তিনটি মাস ধারাবাহিক। সেগুলো হল: যুল কা’দাহ (যিলকদ), যুল হিজ্জা (যিলহজ্জ) এবং মুহররম এবং আরেকটি হল মুযার সম্প্রদায়ের রজব মাস যা জুমাদাল ঊলা এবং শাবানের মধ্যখানে রয়েছে। (বুখারি ও মুসলিম)

➡️২) আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: রমাযানের পর সর্বোত্তম রোযা হল আল্লাহর মাস মুহররমের রোযা। আর ফরয নামাযের পর সর্বোত্তম নামায হল রাতের নামায।” (মুসলিম)

➡️৩) আয়েশা রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, “জাহেলি যুগে কুরাইশগণ আশুরার রোযা পালন করত। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদিনায় এসে নিজে আশুরারা রোযা রাখলেন এবং সাহাবীদেরকেও রোযা রাখার নির্দেশ দিলেন। কিন্তু‘ যখন রমাযানের রোযা ফরয হল তখন তা পরিত্যাগ করা হল। যার ইচ্ছা রাখত যার ইচ্ছা রাখত না।” (বুখারি)

➡️৪) ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদিনা আগমন করার পর দেখলেন, সেখানকার ইহুদীরা আশুরার দিন রোযা পালন করছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তোমরা কিসের রোযা রাখ? তারা বলল: এটি একটি কল্যাণময় দিন। এ দিন বনী ইসরাইলকে আল্লাহ তাআলা তাদের শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন। তাই মুসা (আঃ) এ দিন রোযা পালন করেছিলেন। (বিধায় আমরাও মুসা আ. এর অনুসরণে এ দিনটিতে রোযা পালন করি)।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: আমি তোমাদের চেয়ে মুসাকে অনুসরণ করার বেশি হকদার।” অতঃপর তিনি এ দিন রোযা রাখলেন এবং সাহাবীদেরকে রোযা রাখার নির্দেশ দিলেন।” (বুখারি-মুসলিম)

➡️ ৫) আবু মুসা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইহুদীরা আশুরার দিনকে ঈদ মনে করত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, অতএব তোমরা এ দিন রোযা রাখ।” (বুখারি-মুসলিম)

➡️৬) রুবাই বিনতে মুআউওয়ায রা. বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আশুরার দিন সকাল বেলা আনসারদের মহল্লায় মহল্লায় এ ঘোষণা দেয়ার জন্য লোক পাঠালেন যে, যে ব্যক্তি রোযা রাখেনি সে যেন দিনের বাকি অংশ রোযা অবস্থায় থাকে আর যে রোযা রেখেছে সে যেন রোযা পূর্ণ করে।”
রুবাই রা. বলেন: আমরা নিজেরা রোযা রাখতাম এবং আমাদের বাচ্চাদেরকে রোযা রাখাতাম। আর তাদের জন্য রঙ্গিন পশম দ্বারা খেলনা বানিয়ে রাখতাম। কেউ কান্নাকাটি করলে সেটা তাকে দিতাম যেন ইফতারের সময় পর্যন্ত রোযা অবস্থায় থাকে।” (বুখারি ও মুসলিম)

➡️৭) আবু কাতাদা রা. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করে বলেন: প্রতি মাসে তিন দিন এবং এক রমাযান থেকে আরেক রমাযান পর্যন্ত রোযা রাখলে সারা বছর রোযা রাখার সাওয়াব অর্জিত হয়। আরাফার দিন রোযা রাখলে আল্লাহর নিকট আশা করি যে তিনি এর বিনিময়ে আগের ও পরের এক বছরের গুনাহ মোচন করে দিবেন। আর আশুরার দিন রোযা রাখলে আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর বিনিময়ে পূর্বের এক বছরের গুনাহ মোচন করবেন। (সহিহ মুসলিম)

➡️ ৮) আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. বর্ণনা করেন, জাহেলী জামানার লোকেরা আশুরার দিন রোযা পালন করত। রমাযানের রোযা ফরয হওয়ার পূর্বে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মুসলমানগণও এ দিন রোযা পালন করতেন। পরবর্তীতে রমাযানের রোযা ফরয হলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আশুরার দিন আল্লাহ তাআলার দিন সমূহের মধ্য থেকে একটি দিন। যার ইচ্ছা সে এ দিন রোযা রাখতে পারে আর যার ইচ্ছা রোযা বাদও দিতে পারে। (সহিহ মুসলিম)

➡️৯) ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন আশুরার দিন রোযা রাখলেন এবং অন্যদেরকে রাখার জন্য আদেশ করলেন তখন সাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বললেন, হে আল্লাহর রসূল, এ দিনটিকে তো ইহুদীরা সম্মান করে?! তিনি বললেন: ইনশাআল্লাহ আগামী বছর নয় তারিখে রোযা রাখব।” অন্য বর্ণনায় রয়েছে, আগামীতে বেঁচে থাকলে নয় তারিখে রোযা রাখব।” (সহিহ মুসলিম)

➡️১০) ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “আশুরার দিন রোযা রাখ এবং এ ক্ষেত্রে ইহুদীদের বিরোধিতা করে এর আগের দিন বা পরের দিন রোযা রাখ।” (মুসনাদ আহমদ, সহীহ ইবনে খুযায়মা ইত্যাদি)

ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহঃ বলেন: মাসের শুরু চিনতে অসুবিধা হলে (নয়, দশ ও এগার এ) তিন দিন রোযা রাখবে। যেন নয় ও দশ তারিখে রোযা নিশ্চিতভাবে সম্পন্ন করা যায়। মুগনী (৩/১৭৪)

(ভালো কিছু প্রচার করুন)

মাহমুদ বিন আব্দুর রহমান
দাঈ, বিশাহ দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব।

Address

Abha
Bisha

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al-Bisah Islamic Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Al-Bisah Islamic Center:

Shortcuts

Share

Category