Skillmate Freelancer

Skillmate Freelancer

Share

Skillmate freelancer is a online Institution to give you the most valuable course and learning method for your freelancing carrer.

if you know more about us,stay connected on our page.thank you.

08/04/2021

🚾💯 এখন আবার লকডাউন। গতবছর ও এই সময় লকডাউন ছিল। এই সময় হাজার হাজার যুবক যুবতী, কর্মচারী, ব্যাবসায়ী,শিক্ষক, গার্মেন্টস শ্রমিক,ইন্জিনিয়ার ইত্যাদি পেশার মানুষ চাকরি হারিয়ে বেকার হয়েছিল, ব্যাবসায়ীরা ব্যাবসায় লস খেয়েছিল।
সেই সময় সবাই আর্থিকভাবে পঙ্গু হয়ে পড়েছিল।

🟠 তাহলে ঐ ক্রাইসিস মোমেন্টে কারা টিকেছিল, কখনো কি আপনার মনে প্রশ্ন জেগেছে? প্রশ্ন না জাগলেও উত্তর টা নিয়ে নিন ----

⏸️⏸️ উত্তর হচ্ছে তারাই টিকেছিল যারা অনলাইনে ছিল, ডিজিটাল ভাবে বিজনেস করেছিল, ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট প্লেইসে কাজ করেছিল, স্যোস্যাল মিড়িয়াতে কাজ করেছিল।

⏩ যারা গত লকডাউনের সময় ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স শিখেছে, অনলাইন থেকে কীভাবে আয় করতে হয় সেটা শিখেছে, ইউটিউব থেকে কীভাবে আয় করতে হয় সেটা শিখেছে, স্যোস্যাল মিডিয়া থেকে কীভাবে আয় করতে হয় সেটা শিখেছে, এই লকডাউন এর সময় তারও টিকে থাকবে।
😢😢অনেকেই গতবছর ডিজিটাল মার্কেটিং শিখেন নি যার কারনে আপনারা আবার বেকার হওয়ার সম্ভাবনা আছে। 😢😢

🔜তাই আর দেরি না করে এখনই ডিজিটাল মার্কেটিং শিখুন এবং বর্তমান ও ভবিষ্যত উভয় ক্ষেত্রে কাজে লাগান। কারণ বর্তমান যুগ ডিজিটাল মার্কেটিং এর যুগ।

♥️♥️শুধুমাত্র শিখার জন্য ৩/৪ মাস ধৈর্য ধারণ করতে হয়। তারপর থেকে এবার আপনি ইচ্ছে মত ইনকাম করুন। আপনাকে কেউ বাধা ❌ দিবে না। ♥️♥️

🆓🆓 আবার আপনি চাইলে ১ ম মাস থেকেও ইনকাম করতে পারেন।
🔛🔛 বিস্তারিত জানার জন্য গুগল মিট Apps এর মাধ্যমে অনলাইন সেমিনারে অংশগ্রহণ করুন।🔛🔛

➡️➡️ সেমিনারে অংশগ্রহণ করার জন্য নিচে রেজিষ্ট্রেশন করুন।

🔜🔜 রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আমার ইনবক্সে মেসেজ দিয়েন

🚾🚾 সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১০/০৪/২০২১১ ইং রোজ বুধবার রাত ৮:৩০ মিনিটে। ✅✅

🆑🆑প্রয়োজনে যোগাযোগ :-0097466294117---📲
Whatsapp এ মেসেজ করুন ।

03/04/2021

আপনি ফ্রিলান্সিং শিখতে আগ্রহী তাইলে আজই আপনার এ্যাড মিশন কনফার্ম করুন!!
এখানে আপনার জন্য থাকছে
গ্যারান্টেড ওয়েজ অফ আর্নিং
যার মাধ্যমে আপনি কোর্সে ভর্তি হয়ে আর্নিং করতে পারেন স্পিডে !!
তাই এ্যাডমিশন ফি ৭৫০০/=
কিন্তু আপনি ১০০০ টাকা জমা দিয়ে আজ সন্ধার ভিতর আপনার সিট কনফার্ম করতে পারবেন ।
আর পেয়ে জান ১০০ ডলার সমমুল্যর গিফট সিট খালি মাত্র ৮ টি
তাই দেরি না করে ফাস্ট ইনবক্স করুন

Photos from Skillmate Freelancer's post 29/03/2021

যদি প্রতিদিন এত নতুন ফ্রিল্যান্সার তৈরি হয়, তাহলে এই সেক্টরে কাজ করা কতটা যৌক্তিক...?

উত্তরঃ
প্রশ্নটি বেশ যৌক্তিক মনে হলেও আপনাকে অবশ্যই কিছু ব্যাপার ভালোভাবে বুঝতে হবে।
যদি একটু চিন্তা করে দেখেন, প্রত্যেকটি স্কুল কলেজে যথেষ্ঠ পরিমানে শিক্ষক থাকা সত্বেও প্রতিবছর কিন্তু অনেক শিক্ষক নিয়গ দেওয়া হচ্ছে…
দেশে এত বিএসসি এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার থাকা সত্বেও ইঞ্জিনিয়ারের চাহিদার কিন্তু কমতি নেই…
আপনি যে সেক্টরেই তাকান না কেন দেখবেন যথেষ্ঠ পরিমাণে লোকবল রয়েছে, কিন্তু তবুও চাহিদার কমতি নেই ( Exceptional: মেডিকেল )….
আপনি কি জানেন, টপ ক্লাস ফ্রিল্যান্সাররা কাজের চাপে প্রতিদিন অনেক অর্ডার এমনিতেই ছেড়ে দেন…??
জানেন না হয়ত…
প্রশ্ন করবেন, তাহলে নতুন ফ্রিল্যান্সাররা অর্ডার পায় না কেন….?
আপনাকেই যদি আপনার জেলা শহরের চক্ষু বিশেষজ্ঞের কথা জিজ্ঞাসা করি, আপনি সর্বোচ্চ ২-৩ জনের নাম বলতে পারবেন, এবং ওই ২-৩ জনের কাছেই সকল রোগী যায়..!
একই ভাবে আপনি কিন্তু আপনার জেলা শহরের নামকরা ২-৩ জন শিশু বিশেষজ্ঞ, কার্ডিওলজিস্ট, মেডিসিন, নিউরোলজিস্ট ইত্যাদি ডাক্তারদের চিনে থাকেন….
তাই না….?
তাহলে বাকি ডাক্তারদের অবস্থা ভেবে দেখুন, তাদের অবস্থাটা ঠিক কি……!!!
কিন্তু ভাই, বিশ্বাস করুন।
মেডিকেলের মতো এত্ত সময় ফ্রিল্যান্সিং এ লাগে না…
কারণ, আপনি প্রথমে হয়ত কাজ পাবেন না।
কিন্তু, অর্ডার পেলে আর সেটা ভালোভাবে করতে পারলে সেই বায়ার আবার আপনার কাছে আসবে।
এবং তার দুজন বন্ধুকেও সাথে করে নিয়ে আসবে স্বাভাবিক….
আর কয়েকটি কাজ করে ভালো রেটিং আনতে পারলে, তারপর শুধুমাত্র আপনার কাজ পাওয়ার দক্ষতাকে কাজে লাগালে আপনি অবশ্যই অনেক কাজ পাবেন…
আর পুরাতন ফ্রিল্যান্সার…?
ফ্রিল্যান্সার দের ভাই নিয়ম মেনে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত ফ্রিল্যান্সিং করার দরকার পড়ে না, কারণ তারা অনেক আগেই নিজের বাকি জীবন চলার মতো ব্যাবস্থা করে নিতে পারেন…!
আর তাই তাদের ৬০ বছর পর্যন্ত চাকরি করার কোন দরকারই নেই...
আর তার থেকেও বড় কথা, প্রতিদিন নিত্য নতুন হাজার হাজার ব্যাবসা আসছে, প্রতিষ্ঠান আসছে…
এখন ব্যাবসা আসলেই তাদের logo লাগবে, Website লাগবে, বিভিন্ন Design লাগবে, Marketing করা লাগবে, SEO করা লাগবে, Social media sites লাগবে….
আর এদের সহ আগের সবাইকে তো নিয়মিত হালনাগাদ করা লাগবেই….!!!
ভবিষ্যতে ভার্চুয়াল অফিস ক্রমাগত বাড়তেই থাকবে, আর এই ভাবে এক সময় দেখা যাবে আর কোন physical অফিস নেই…!
তখন company গুলো ছোট হয়ে আসবে, লোক কম নেবে।
আর স্বল্পকালীন কাজের জন্য ফ্রিল্যান্সার বা বিভিন্ন এজেন্সির উপর তারা নির্ভর করবে…
আমার তো মনে হয়, ভবিষ্যতে কাজের পরিমাণ এতই বেড়ে যাবে যে, ফ্রিল্যান্সারদের বা এজেন্সির পরিমাণ সেই কাজের তুলনায় অনেক কম হয়ে যাবে…!
কিন্তু মনে রাখবেন, বুদ্ধি আপনার, বিচার আপনার, সিদ্ধান্ত আপনার…
নিজের ভালো লাগার কাজ ফেলে রেখে অপছন্দের কাজ করলে কখনোই সফল হতে পারবেন না…!
ধন্যবাদ...
copy post

23/03/2021

জম্বি কম্পিউটার কি?
হলিউড হরর মুভি জম্বি ল্যান্ড, রেসিডেন্ট ইভিল, বা ডেড স্নো ইত্যাদি দেখে থাকলে “জম্বি” সম্পর্কে আপনার মোটামুটি ধারণা রয়েছে। জম্বি মূলত ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়া মানুষ যারা একসময় সুস্থ মানুষ ছিল। সিনেমা অনুসারে এরা যেকোনো সুস্থ মানুষকে আক্রান্ত করাতে পারে এবং মানুষকে মেরে দেয়। বিভিন্ন বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ভাইরাস তৈরি করে বিভিন্ন কাজের উদ্দেশ্যে জম্বি বানিয়ে থাকে। যাই হোক, সিনেমার পর্দার জম্বি কৌতূহল হলেও জম্বি কম্পিউটার কিন্তু মোটেও কৌতূহল নয়।

এক্ষুনি আপনার মেইল অ্যাকাউন্ট চেক করে দেখেন, সেখানে স্প্যাম ফোল্ডারে শতশত স্প্যাম মেইল পড়ে থাকতে দেখবেন, হতে পারে আপনার কাছে প্রতিদিনই এমন শতশত স্প্যাম মেইল আসে। তো কোথা থেকে আসে এসব মেইল? হ্যাকাররা কি বসে বসে ম্যানুয়ালি আপনাকে শতশত মেইল সেন্ড করে? দুর্ভাগ্যবশত, না! এই সকল কাজ বেশিরভাগ সময়ই জম্বি কম্পিউটার ব্যবহার করে করানো হয়। হ্যাকারদের কাছে শুধু একটি বা দুইটি আক্রান্ত কম্পিউটার থাকে না, একটি গবেষণায় জানা গেছে—একজন হ্যাকার মাত্র একটি কম্পিউটার থেকে ১.৫ মিলিয়নেরও বেশি আক্রান্ত কম্পিউটার নিয়ন্ত্রন করতে পারে।

আজকের আর্টিকেলে আমরা জানবো, কিভাবে হ্যাকার আপনার কম্পিউটারকে জম্বি বানিয়ে নিয়ন্ত্রন করতে পারে, কেন তারা এমন করে এবং এই আক্রমণ থেকে আপনার কম্পিউটারকে কিভাবে বাঁচাবেন তার সম্পর্কে। তো চলুন শুরু করা যাক…

জম্বি কম্পিউটার কি?
1) স্প্যামারের ওয়েবসাইট (2) স্প্যামার (3) স্প্যামওয়্যার (4) আক্রান্ত কম্পিউটার (5) ভাইরাস (6) মেইল সার্ভার (7) ইউজার (8) ওয়েব ট্র্যাফিক

সিনেমার মতো আমি সেই কম্পিউটারের কথা বলছি না—যে কম্পিউটার মৃত্যুর পরে ফিরে এসেছে এবং বাকি কম্পিউটার গুলোকে আক্রান্ত করিয়ে চলছে। বরং জম্বি কম্পিউটার বলতে বোঝায়, যে কম্পিউটার গুলোকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, বা ট্রোজান দ্বারা আক্রান্ত করিয়ে হাইজ্যাক করে নেওয়া হয়েছে এবং সেগুলোকে অন্যকেউ নিয়ন্ত্রিত করছে। হতে পারে কোন সিঙ্গেল পার্সন আপনার কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রন করছে আবার হতে পারে হ্যাকারের একটি দল আপনার কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রিত করছে। আর সবচাইতে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো এই যে আপনার সামান্য মাত্র কোন ধারণা থাকবে না, আপনার কম্পিউটার দিয়ে কি কি করানো হতে পারে।

অনেকে মনে করেন, “ভাই আমি তো মামুলী পার্সন, আমার কম্পিউটার কেউ আক্রান্ত করিয়ে বা হ্যাক করে কি করবে?” হ্যাঁ, হতে পারে আপনাকে কেউ টার্গেট করে হ্যাক করবে না, কিন্তু আপনি এমনিতেই এই আক্রমনের শিকার হয়ে যেতে পারেন। এই এই ধরনের আক্রমণে পার্সন দেখে আক্রান্ত করানো হয় না। আপনার একটি কম্পিউটারকে আক্রান্ত করানো মানে তাদের একটি সৈনিক বৃদ্ধি পাওয়া।

হ্যাকাররা যখন আক্রান্ত কম্পিউটারের একটি পুরা সৈন্যদল তৈরি করে ফেলে তখন তাকে বটনেট বলা হয়। শুধু ঐ বটনেটের কম্যান্ডারই ঐ বটনেটে থাকা জম্বি কম্পিউটার গুলোকে আদেশ প্রদান করতে পারে, এবং এই সম্পূর্ণ কম্পিউটার গুলোকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত করা হয়। এই সিস্টেমে কোন কম্পিউটার থেকে বটনেটকে পরিচালনা করা হচ্ছে তা ট্রেস করা একে বারে অসম্ভব। বেশিরভাগ কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা কখনো হয়তো জানতেই পারবে না—তার কম্পিউটার অন্য কারো অপকর্ম সাধিত করে দিচ্ছে।

কম্পিউটার হ্যাকিং
আপনি জেনে হয়তো আশ্চর্য হবেন যে, বেশিরভাগ কম্পিউটার হ্যাকিং এমন সব ব্যক্তিরা করে থাকে যাদের কম্পিউটার প্রোগ্রাম সম্পর্কে তেমন কোন নলেজই নেই। এরা অনেক ছোট ছোট প্রোগ্রাম ব্যবহার করে আপনার কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম বা কম্পিউটারে ইন্সটল থাকা কোন সফটওয়্যারের ত্রুটি খুঁজে বেড় করে এবং আপনার কম্পিউটারের উপর নিয়ন্ত্রন নেওয়ার চেষ্টা করে। এসকল আক্রমণকারীকে ক্র্যা**কার বলা হয়। বটনেট তদন্তকারীরা বলেন, ারদের প্রোগ্রাম অতি মামুলী হয়ে থাকে আবার অনেকেই অন্যের তৈরি ভাইরাস দিয়ে হ্যাক করার চেষ্টা করে। ক্র্যা**কাররা এই ভাইরাস গুলোকে আপনার পিসিতে ইনজেক্ট করে এবং জম্বি কম্পিউটারে পরিণত করে দেয়।

তবে তারা আপনার কম্পিউটারকে আক্রান্ত করাতে চাইলে অবশ্যই ভাইরাস সফটওয়্যারটিকে আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল করাতে হয়। তারা আপনার কাছে স্প্যাম মেইল পাঠিয়ে, পিটুপি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বা যেকোনো ইন্টারনেট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার প্ল্যান্ট করিয়ে দেয়। ক্র্যা**কার তার ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যারটির নাম এবং এক্সটেনশন পরিবর্তন করে দেয়, যাতে আপনি বুঝতে পারেন এটি অন্য কোন সফটওয়্যার বা কাজের ফাইল। আপনি ইন্টারনেট থেকে বা টেকহাবস থেকে যতোই এসকল অ্যাটাক সম্পর্কে সতর্ক হবেন, ক্র্যা**কাররা আপনাকে আক্রান্ত করানোর জন্য ততোই নতুন নতুন পদ্ধতি খুঁজে বেড় করবে।

অনেক সময় কোন ওয়েবসাইট ভিসিট করার সময় বা কোন ওয়েবপেজ ওপেন হয়ে আপনার কাছে বিভিন্ন পপআপ ম্যাসেজ আসে, অনেক সময় সেই ম্যাসেজে কোন অফার সংক্রান্ত তথ্য থাকে আবার মেইল সাবস্ক্রাইব করার জন্য বলা হয়। প্রত্যেকটি পপআপ কেটে দেওয়ার জন্য একটি ক্রস বাটন থাকে কিংবা ক্যান্সেল বাটন থাকে। বেশিরভাগ সময় আমরা ক্যান্সেল বাটনেই ক্লিক করি, ক্র্যা**কার এই বাটনে ম্যালওয়্যার ডাউনলোড লিঙ্ক লুকিয়ে রাখতে পারে এবং কৌশলে তা আপনার সিস্টেমে ডাউনলোড করাতে পারে।

এই ম্যালওয়্যার ফাইল গুলো সাধারনত আপনার চেনা জানা ফাইল ফরম্যাটে হয়ে থাকে, সাধারনত ইমেজ ফাইল বা .MP4 বা .PDF ফাইলে হয়ে থাকে। এই ফাইল গুলোর চেনা ফরম্যাট হওয়ার কারণে আপনি নিঃসন্দেহে এগুলোকে ওপেন করে ফেলবেন। ওপেন করার পরে অনেক কম্পিউটার এন্টিভাইরাস এগুলোকে ধরে ফেলে—তারা তৎক্ষণাৎ বেঁচে যায়। কিন্তু যাদের কম্পিউটারে এগুলো ধরা পরে না তারা ওপেন করার পরে কিছুই ঘটে না, তারা মনে করে ফাইলটি নষ্ট ছিল বা ফাইলে কোন সমস্যা আছে। এবার ম্যালওয়্যারটি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ঠিকঠাক মতো বসে যায় এবং অটো স্টার্ট প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত হয়ে যায়, যাতে আপনি যখনই কম্পিউটারটি অন করবেন তখনই ম্যালওয়্যারটিও সক্রিয় হয়ে পড়বে। ম্যালওয়্যারটির মাধ্যমে ার সরাসরি আপনার কম্পিউটার ইন্টারনেট ট্র্যাফিকের উপর নিয়ন্ত্রন নিয়ে নেয় এবং আপনার কম্পিউটারকে রিমোট অ্যাক্সেস করার অনুমতি পেয়ে যায়।

এভাবে ক্র্যা**কার একের পর এক শতশত বা হাজার হাজার কম্পিউটার আক্রান্ত করায় এবং সকল জম্বি কম্পিউটার গুলো দিয়ে একটি আর্মি বা বটনেট বানায়।

বটনেট কি কাজ করে?
আপনার মনে এতক্ষণে নিশ্চয় প্রশ্ন এসেছে, “আচ্ছা, এই এতো কম্পিউটার আক্রান্ত করিয়ে বা বটনেট তৈরি করে ক্র্যা**কাররা কি করে?” আসলে উত্তরটা অনেক সহজ, যেমন ক্র্যা**কার আপনাকে প্রতারিত করে আপনার কম্পিউটার হাইজ্যাক করেছে, তেমনি আপনার কম্পিউটারকে কাজে লাগিয়ে অর্থের জন্য বিভিন্নভাবে আরো মানুষকে প্রতারিত করায় ক্র্যা**কারদের মূল কাজ। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এগুলো করা হয় কিভাবে?

#স্প্যাম—
স্প্যাম সত্যিই অনেক বিরক্তিকর ব্যাপার। সৌভাগ্যবশত, আপনার ইমেইল প্রভাইডারের সিস্টেমে এখন অনেক উন্নত স্প্যাম ফিল্টার থাকে। এফবিআই এর মতে বেশিরভাগ স্প্যাম মেইল আসে জম্বি কম্পিউটার গুলো থেকে। কোন একটি নির্দিষ্ট কম্পিউটার থেকে স্প্যাম মেইল আসলে সেটিকে ট্রেস করা তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ হয়, কিন্তু ক্র্যা**কার কোন জম্বি কম্পিউটারকে প্রক্সি হিসেবে ব্যবহার করে স্প্যাম মেইল সেন্ড করে, আবার অনেকে বটনেট থেকে স্প্যাম মেইল সেন্ড করে, যা ট্রেস করা খড়ের গাদায় সুচ খোঁজার মতো। একটি বটনেট থেকে একসাথে লাখো স্প্যাম মেইল পাঠানো সম্ভব। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই স্প্যাম মেইল কি? আসলে এটিই হলো সেই অস্ত্র যা দ্বারা ক্র্যা*কার তাদের ম্যালওয়্যার গুলোকে বিস্তার করে এবং নতুন কম্পিউটার গুলোকে জম্বি বানায়।

#ডিডস অ্যাটাক—
অনেক সময় ক্র্যা**কার তার বটনেট ব্যবহার করে কোন নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা ওয়েব সার্ভারকে ডাউন করার জন্য আক্রমণ চালিয়ে থাকে। লাখো ম্যালিসিয়াস ডিভাইজ থেকে প্রচণ্ড পরিমানে ফেইক ট্র্যাফিক সার্ভারের কাছে পাঠানো হয়, যা সার্ভার নিয়ন্ত্রন করতে পারে না এবং ওয়েবসাইটটি বন্ধ হয়ে যায়। এধরনের অ্যাটাককে ডিডস অ্যাটাক বলা হয়ে থাকে। বিভিন্নভাবে ক্র্যা**কার তার বটনেট ব্যবহার করে ডিডস অ্যাটাক চালাতে পারে। কিছু ডিডস অ্যাটাকে বট থেকে অনেক পরিমানের ফেইক ট্র্যাফিক জেনারেট করে সার্ভারে পাঠানো হয়, সার্ভার ক্র্যাশ করানোর জন্য। আবার কিছু অ্যাটাকে মেইলবম্ব ব্যবহার করে প্রচুর পরিমানে সার্ভারের কাছে ইমেইল পাঠানো হয়, ইমেইল সার্ভার ডাউন করার জন্য।

#ক্লিক ফ্রড—
অনেক সময় ক্র্যা**কারতার বটনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ফ্রড ক্লিক করার কাজ করে। আপনি ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে হয়তো বিভিন্ন পোল দেখে থাকবেন, এখানে যেকোনো বিষয়ের উপর ভোটিং করা হয়ে থাকে। ক্র্যা**কার তার বটনেট ব্যবহার করে ইচ্ছা মতো কোন বিষয়কে ভোটিং এ বিজয়ী করে দিতে পারে। আবার মনে করুন আপনি কোন ওয়েবসাইটে আপনার সাইট প্রমোট করার জন্য অ্যাড দিলেন এবং অ্যাডে ক্লিকের প্রতি আপনি তাকে পে করেন। এখন অ্যাড চালানো ওয়েবসাইটটি বটনেট ব্যবহার করে আপনার অ্যাডে ফ্রড ক্লিক পাঠাতে পারে, এতে সে আপনার কাছ থেকে অর্থ উপার্জিত করতে পারবে। আবার অনলাইনে এমন ওয়েবসাইট আছে যারা ওয়েব ট্র্যাফিক বিক্রি করে। আপনি নিশ্চয় ফেসবুকে এমন অ্যাড দেখে থাকবেন যে, এতো টাকার বিনিময়ে আরো গুলো হিট নিয়ে নিন আপনার ওয়েব সাইটে। তো এই ধরনের বেশিরভাগ সাইটই বটনেট ব্যবহার করে আপনার সাইটে ফেইক ট্র্যাফিক সেন্ড করে।

আপনার কম্পিউটার জম্বি নয় তো?
এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া খুব একটা সহজ ব্যাপার না। কেনোনা ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার গুলোকে এমনভাবেই তৈরি করা হয়, যাতে এগুলো ধরা না পড়ে। সুতরাং আপনার কম্পিউটার জম্বি হয়ে গেলেও সেটা ধরা একটু মুশকিলই হবে। তবে আমি নিচে কিছু পয়েন্ট উল্লেখ্য করে দিলাম, আপনি চেক করে দেখতে পারেন। যদি এই পয়েন্ট গুলোর সাথে আপনার কম্পিউটারের আচরণ মিলে যায়, তবে হতে পারে আপনার কম্পিউটার জম্বিতে পরিণত হয়েছে।

আপনার কম্পিউটারকে জম্বি বানানোর জন্য যে ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস আপনার সিস্টেমে ইন্সটল করানো হবে সেগুলো আপনার সিস্টেমের প্রসেসর এবং র‍্যাম ব্যবহার করবে। ফলে আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে, কোন কাজ না করেই আপনার পিসি স্লো কাজ করছে বা সবসময় ১০০% ডিস্ক, মেমোরি, সিপিইউ ব্যবহার হচ্ছে তবে হতে পারে আপনার কম্পিউটারটি আক্রান্ত।
আপনার ইমেইল অ্যাকাউন্টের সেন্ট ম্যাসেজ গুলো চেক করে দেখুন, আপনার যদি মনে হয় কোন ম্যাসেজ কাওকে পাঠিয়েছেন কিন্তু আপনি কখনোই তা টাইপ করেন নি, তবে হতে পারে আপনার কম্পিউটারটি আক্রান্ত হয়েছে।
জম্বি কম্পিউটারের আইপি অ্যাড্রেস গুলোকে ব্ল্যাকলিস্ট করে রাখা হয়। প্রথমে গুগলে গিয়ে লিখুন “WHAT IS MY IP” —এভাবে আপনি আপনার আইপি অ্যাড্রেস খুঁজে পাবেন, তারপর “http://whatismyipaddress.com/blacklist-check” এই লিঙ্ক থেকে আপনার আইপি ব্ল্যাকলিস্টেড কিনা তা চেক করে নিতে পারেন। যদি ব্ল্যাকলিস্টেড হয় তবে আপনার কম্পিউটার আক্রান্ত হতে পারে।
যেহেতু ার আপনার কম্পিউটারকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন করে তাই আপনার ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ এর দিকে নজর রাখুন, যদি দেখতে পারেন সবসময় আপনার ব্যান্ডউইথ হাই স্পীডে খরচ হচ্ছে তবে হতে পারে আপনার কম্পিউটার ার নিয়ন্ত্রন করছে।
জম্বি হওয়া থেকে কিভাবে বাঁচবেন?
আপনি অবশ্যই কখনোই চাইবেন না যে, আপনার সাধের কম্পিউটারটি জম্বি হয়ে যাক। সুতরাং আপনাকে একে অবশ্যই জম্বি হওয়া থেকে রক্ষা করতে হবে, কিন্তু কিভাবে? চিন্তা করার কোন কারন নেই বন্ধু, আমি কিছু বেস্ট স্টেপ শিখিয়ে দিচ্ছি, এগুলো পালনের মাধ্যমে আপনি সর্বাধিক সুরক্ষিত থাকতে পারবেন। এবং সাথে আপনি চাইলে টেকহাবস এর সিকিউরিটি ক্যাটাগরি থেকে সকল টিউন গুলো অনুসরন করতে পারেন, সেগুলো আপনাকে বিভিন্ন হ্যাক বা অ্যাটাক থেকে বাঁচাতে সাহায্য করবে।

#এন্টিভাইরাস অবশ্যই প্রয়োজনীয়
আপনাকে সুরক্ষিত থাকার জন্য তো বেস্ট সিকিউরিটি অনুশীলন করতে হবেই কিন্তু সাথে ভালো এন্টিভাইরাস অবশ্যই প্রয়োজনীয়। আপনি ভালো এন্টিভাইরাস গুলোকে যেমন- ইসেট, কুইকহিল, বিট ডিফেন্ডার ইত্যাদি কিনে ব্যবহার করতে পারেন, তবে মনে রাখবেন কখনোই কোন এন্টিভাইরাসের ভার্সন ব্যবহার করবেন না। আর যদি পারেন, তো সকল সফটওয়্যারের ব্যবহার করা বন্ধ করুন, কেনোনা এর মাধ্যমেই আপনি আগে আক্রান্ত হতে পারেন। আপনি যদি এভিজি বা অ্যাভাস্ট ইত্যাদি এন্টিভাইরাস গুলোর ফ্রী ভার্সন ব্যবহার করে থাকেন তবে অবশ্যই সেগুলোকে নিয়মিত আপডেট রাখুন এবং অবশ্যই চেষ্টা করে কোন পেইড এন্টিভাইরাস কিনে ব্যবহার করুন। এন্টিভাইরাসের পাশাপাশি অবশ্যই ভালো কোন স্পাইওয়্যার স্ক্যানার ইন্সটল করুন। এই স্ক্যানার গুলো আপনার কম্পিউটারের ইন্টারনেট ট্র্যাফিক মনিটর করে এবং সন্দেহ মূলক কিছু দেখলে আপনাকে সতর্ক করে দেয়। অবশ্যই এন্টি-স্পাইওয়্যার প্রোগ্রামকে আপডেট রাখুন।

#ফায়ারওয়াল ব্যবহার করুন
আপনার নেটওয়ার্ককে প্রটেক্ট করার জন্য ভালো ফায়ারওয়াল ইন্সটল করুন। আপনার রাউটারের সাথে ডিফল্ট ফায়ারওয়াল থাকে, সেটিকে এনাবল করে রাখুন, সাথে রাউটার ফ্রেমওয়্যার আপডেট আসার সাথে সাথেই তা আপডেট করে নিন। আপনি যদি রাউটার না ব্যবহার করেন তবে আপনার কম্পিউটারে ভালো ফায়ারওয়াল ব্যবহার করুন, এখনকার অনেক এন্টিভাইরাসের সাথে ডিফল্ট ফায়ারওয়াল থাকে।

#শক্তিশালী পাসওয়ার্ড
কম্পিউটার সিকিউরিটি নিয়ে আমি যতো গুলো আর্টিকেল লিখেছি এই পর্যন্ত এদের প্রায় সবখানে “শক্তিশালি পাসওয়ার্ড” ব্যবহার করার জিকীর করেছি। যেকোনো অ্যাকাউন্টে এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন যা সহজে কেউ অনুমান করতে পারবে না এবং অবশ্যই একই পাসওয়ার্ড একাধিক স্থানে ব্যবহার করবেন না, সাথে পাসওয়ার্ডটি যতটা লম্বা করতে পারেন ততোই ভালো। সব পাসওয়ার্ড গুলোকে মনে রাখার জন্য অবশ্যই ভালো পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করুন।

#জম্বি হয়ে গেলে কি করবেন?
আপনার কম্পিউটারটি ইতিমধ্যে আক্রান্ত হয়ে গেলে বা জম্বি কম্পিউটার এ পরিণত হয়ে গেলে সর্বপ্রথম আপনার কোন কম্পিউটার বিশেষজ্ঞর শরণাপন্ন হওয়া দরকার, যদি তা সম্ভব না হয় তবে ভালো মানের এন্টিভাইরাস এবং এন্টি-ম্যালওয়্যার দ্বারা আপনার সিস্টেমটিকে স্ক্যান করান, এতে আপনার কম্পিউটার এবং ক্র্যা**কারের মাঝে সম্পর্ক যুক্ত করা ম্যালওয়্যারটি মরে যাবে। যদি ভাইরাস ডিটেক্ট করা সম্ভবই না হয় তবে দুর্ভাগ্যবশত আপনার কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভ ফরম্যাট এবং নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল দেওয়ার প্রয়োজন পড়তে পারে। এখানে অবশ্যই আপনার ডাটা গুলোর ব্যাকআপ রাখতে ভুলবেন না।

23/03/2021

অনলাইন সার্চের ফাঁদ থেকে রক্ষা পেতে করণীয়
ডিজিটাল টেকনোলোজি প্রতিদিনের জীবন সহজ এবং দ্রুত করছে। ঘরের খাবার খেতে ইচ্ছে করছে না, গুগল করে চাইলেই অর্ডার করতে পারেন যেকোনো নামী দামী রেস্টুরেন্টের খাবার। এছাড়াও যেকোনো গ্যাজেট কেনা থেকে শুরু করে অনেক কিছুই অনলাইনে কেনার মাধ্যমে আমরা কাজে লাগাচ্ছি অনলাইনে সার্চ করার অপশনকে। কিন্তু এই সার্চের মাধ্যমেও অনেকেই হাতিয়ে নিচ্ছে আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং অনেক সময় আমাদের অ্যাকাউন্টের জন্যও হচ্ছে তা ক্ষতিকর।

অনলাইনে সার্চ থেকে সাইবার ট্র্যাপিং প্রতিহত করতে চলুন তবে দেখে নেই নিরাপদ থাকার উপায়সমূহ:
১। ডিভাইস এবং সফটওয়্যার আপডেটেড রাখা:সাইবার নিরাপত্তার জন্য এটি সবচেয়ে বেশি জরুরী। অনেকেই এখনও এমন অনেক ডিভাইস/অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন নির্মাতারাও যেসবের আর সাপোর্ট দেয় না। এসব থেকে সাইবার হামলার শিকার হওয়ার ঝুঁকি সবচাইতে বেশি! কেউ কেউ আবার সামান্য কিছু এমবি বাঁচাতে অটো-আপডেট বন্ধ রাখেন – এমনটি করবেন না। নিরাপদ থাকতে যাবতীয় সফটওয়্যারও আপডেটেড রাখুন।

২। পরীক্ষিত অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা:কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করলে অ্যান্টিভাইরাসের কোনো বিকল্প নেই। অনলাইন থেকে নামমাত্র ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস না নামিয়ে বাজার থেকে দেখেশুনে যাচাই করে ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাসের লাইসেন্সড ভার্সন ক্রয় করুন।

২। পরীক্ষিত অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা:কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করলে অ্যান্টিভাইরাসের কোনো বিকল্প নেই। অনলাইন থেকে নামমাত্র ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস না নামিয়ে বাজার থেকে দেখেশুনে যাচাই করে ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাসের লাইসেন্সড ভার্সন ক্রয় করুন।

৩। পাবলিক ওয়াইফাইকে না বলুন:একান্ত না হলে পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজনে ব্যবহার করতে হলেও পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করে লগড ইন থাকা সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ না দেয়া ও কোথাও কিছু না লেখা ভালো।

৪। ওয়েবসাইট ঠিকানা দুই বার চেক করতে ভুলবেন না:অ্যাটাচমেন্ট কিংবা লিংক থেকে কোনো সাইটে প্রবেশের আগে ও পরে ভালো করে ওয়েবসাইটটির ইউআরএল চেক করুন। হ্যাকাররা প্রায় একই নাম দিয়ে নকল সাইট বানিয়ে তাতে সার্চ/লগইন করতে উৎসাহিত করে থাকে!

৫। ফাঁদে পা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিন:ফিশিংয়ের শিকার হলে বা ভুল কোথাও ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড বা ব্যাংকিং ডিটেইলস প্রবেশ করালে ধরতে পারার সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে জানান। এছাড়াও, সংশ্লিস্ট অ্যাকাউন্ট সেটিংসে গিয়ে লগ আউট ফ্রম অল আদার ডিভাইস দিয়ে পাসওয়ার্ড বদলে ফেলা উচিত।

প্রযুক্তি আমাদের জন্য
যেমন উপকারী আমাদের নিরাপত্তার জন্য তেমনি ক্ষতিকর।

আসুন প্রযুক্তির ব্যবহারে নিজে সচেতন হই, অন্যদেরকেও সচেতন করে তুলি।

23/03/2021

ওয়েব সাইট কি? কত ধরনের ওয়েবসাইট পৃথিবীতে রয়েছে?
ওয়েব সাইট কাকে বলে?
ওয়েবসাইট হল ইন্টারনেট জগতে আপনার একটি ব্যবসা, প্রতিষ্ঠান, বা আপনার কোন শখ, বা কোন জরুরী বিষয় সারা বিশ্বের লোকদের মাঝে তুলে ধরার একটি অন্যতম মাধ্যম। সারা বিশ্বের মাঝে আপনার প্রতিষ্ঠান বা আপনার ব্যবসাকে তুলে ধরতে হলে একটি ওয়েবসাইট অবশ্যই জরুরী।

ওয়েবসাইট কত প্রকার ও কি কি?
সাধারণ ভাবে ওয়েবসাইটকে আমরা দুই ভাগে ভাগ করতে পারি। একটি হলো স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট অপরটি ডায়নামিক ওয়েবসাইট। এছাড়াও অবস্থানের ভিত্তিতে লোকাল ও রিমোট এই দুইটি ভাগেও আমরা ওয়েবসাইটকে ভাগ করতে পারি।

ওয়েবসাইটের প্রকারভেদ
গঠন বৈচিত্র‍্য এর ওপর ভিত্তি করে ওয়েবপেইজ বা ওয়েবসাইটকে সাধারণত দুইভাবে ভাগ করা যায়। যথা:
১.স্ট্যাটিক ওয়েবপেইজ বা স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট (Static Webpage or Static Website)
২.ডাইনামিক ওয়েবপেইজ বা ডাইনামিক ওয়েবসাইট (Dynamic Webpage or Dynamic Website)

স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট কি?
যে সকল ওয়েবসাইটের ডেটার মান ওয়েবপেইজ প্রদর্শন করার পর পরিবর্তন করা যায় না তাকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলে। স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য স্ক্রিপ্টিং ভাষা ব্যবহার করা হয় না। HTML, CSS, JAVASCRIPT দিয়ে সাধারণত একটি স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট তৈরী করা হয়।

স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটের বৈশিষ্ট্য
১.খুব দ্রুত লোড হয়।
২.ডেটাবেজ এর সাথে সংযোগ থাকে না।
৩.কনটেন্ট নির্দিষ্ট থাকে।
৪.ব্যবহারিক তথ্য আপডেট করতে পারবে না।
৫.HTML, CSS, JS ইত্যাদি দিয়ে এটি ডিজাইন করা হয়ে থাকে।

স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটের সুবিধা
১.নিয়ন্ত্রন সহজ এবং সহজে পরিচালনা করা যায়।
২.খরচ কম এবং সাইট দ্রুত লোড নেয়।
৩.নেট স্পিড কম হলেও দ্রুততার সাথে ডেটা ডাউনলোড করা যায়।
৪.সহজে ওয়েবপেইজের লে-আউট পরিচালনা করা যায়।

স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটের অসুবিধা
১.কনটেন্ট আপডেট করতে প্রচুর সময় লাগে।
২.ওয়েবসাইটের আকার বৃদ্ধির সাথে সাথে কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ করা ঝামেলা এবং কঠিন হয়ে যায়।
৩.ব্যবহারকারীর ইনপুট নেওয়ার কোন ব্যবস্থা থাকে না।
৪.নতুন কোন পেইজ যুক্ত করতে হলে সেই পেইজের জন্য আলাদা ভাবে কোডিং করতে হবে।

ডাইনামিক ওয়েবসাইট কি?
যে সকল ওয়েবসাইটের ডেটার মান ওয়েবপেইজের প্রদর্শনের পরেও পরিবর্তন করা যায় তাকে ডায়নামিক ওয়েবসাইট বলে। ডায়নামিক ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য স্ক্রিপ্টং ভাষা যেমন – PHP, ASP, Python ব্যবহার করা হয় এবং ওয়েবপেইজটি ডিজাইনের জন্য HTML, CSS, JS ও ব্যবহার করা হয়। এর পাশাপাশি ডেটাবেজেরও (SQL/ MYSQL) প্রয়োজন পড়ে।

ডায়নামিক ওয়েবসাইটের বৈশিষ্ট্য
১.পরিবর্তনশীল তথ্য বা ইন্টারঅ্যাক্টিভ ওয়েবপেইজ তৈরী করা।
২.রানটাইমের সময় পেইজের ডিজাইন বা কনটেন্ট পরিবর্তন হতে পারে।
৩.ডেটাবেজ ব্যবহৃত হয়।
৪.ব্যবহারিক তথ্য আপডেট করতে পারে।

ডায়নামিক ওয়েবসাইটের সুবিধা
১.অনেক বেশি তথ্য বহুল হতে পারে।
২.তথ্য ও বিষয়বস্তু খুব দ্রুত আপডেট করা যায়।
৩.নির্ধারিত ব্যবহারকারীদের জন্য নির্ধারিত পেইজ প্রদর্শন করা যায়।
৪.ব্যবহারকারীদের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ এক্সেস সেট করা যায়।

ডায়নামিক ওয়েবসাইটের অসুবিধা
১.খরচ বেশী।
২.নিয়ন্ত্রণ ও উন্নায়ন করা তুলনামূলক জটিল এবং কঠিন।
৩.তথ্য হ্যাক এর সম্ভাবনা থাকে
৪.ডেটাবেজ ব্যবহার করার জন্য ডেটা লোড হতে বেশী সময় লাগে।

এছাড়াও আমরা ব্যবহারের ভিত্তিতেও ওয়েবসাইটের শ্রেণিবিভাগ করতে পারি। যেমনঃ

আর্কাইভ সাইটঃ পুরনো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি সকলের ব্যবহারের জন্য জমা রাখা হয়।
ই-কমার্স সাইটঃ পন্য কেনা-বেচার জন্য তৈরী করা হয়।
নিউজ সাইটঃ এসব সাইটে বিভিন্ন ধরনের খবরা-খবর পাওয়া যায়।
ব্লগ সাইটঃ বিভিন্ন ব্লগ সাইটে বিভিন্ন নিশ ভিত্তিক কনটেন্ট পাওয়া যায়।
ডাউনলোড সাইটঃ বিভিন্ন ধরনের ফাইল, সফটওয়্যার ইত্যাদি ডাউনলোড করা যায়।
পোর্টফোলিও সাইটঃ নিজের সম্পর্কে ভিভিন্ন ইনফরমেশন থাকে। যাতে করে সাইটের ভিজিটর যার পোর্টফোলিও তার সম্পর্কে জানতে পারে।

23/03/2021

Google Fu
একজন ব্যক্তি Google সার্চ করে অল্প সময়ের মধ্যেই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়ার যোগ্যতাকে Google Fu বলা হয়। যেই ব্যক্তির Google Fu যোগ্যতা যতো বেশি, গুগল সার্চে তিনি ততো বেশি স্মার্ট। আজকে আমরা দেখবো- কিভাবে স্মার্ট পদ্ধতিতে Google সার্চ করা যায়।
১। আপনি হয়তো মোবাইল কিনবেন। আর আপনার বাজেট হচ্ছে ১০,০০০ টাকা। তাহলে, গুগলে আপনার বাজেটের মধ্যে মোবাইল খুঁজতে লিখবেন-
mobile ৳10000
আর, যদি ১০,০০০ থেকে ৪০,০০০ টাকার মোবাইল সার্চ দিতে চান তাহলে লিখবেন-
mobile ৳10000..৳40000
২। আমরা অনেক সময় পরীক্ষার ফলাফল দেখার জন্য পরীক্ষার নাম লিখে গুগলে সার্চ করি। কিন্তু, সেই পরীক্ষার নামের সাথে মিলে যাওয়ায় অন্যান্য ওয়েবসাইটও চলে আসে। বিশেষ করে, কয়েক বছর আগের রেজাল্ট দেখতে চাইলে এই সমস্যা হয় অনেকের। কিন্তু, এর সমাধান আছে। আপনি যদি চান যে, গুগলে যা লিখে সার্চ দিবেন হুবহু সেটাই আসুক তাহলে আপনার লেখাটুকু ইনভার্টেড মার্কের মধ্যে লিখে সার্চ করতে হবে। যেমনঃ HSC result 2019 লিখে সার্চ দেওয়ার পর হুবহু এটাই পেতে চাইলে লিখতে হবে-
"HSC result 2019"
৩। অনেক সময় সার্চ করে আমরা শুধু একটি ওয়েবসাইট পেতে চাই কিন্তু, সেই ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ দেওয়ার ফলে ওয়েবসাইটটির নাম অন্য যেসকল ওয়েবসাইটে লেখা আছে, সেই ওয়েবসাইটগুলোও চলে আসে। কিন্তু, আপনি যদি site: লিখে তারপর সেই ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ দেন তাহলে শুধুমাত্র সেই ওয়েবসাইটই আসবে। যেমনঃ শুধু ফেসবুক ওয়েবসাইট সম্বন্ধে সার্চ করতে চাইলে লিখবেন-
site:facebook.com
৪। আবার, মনে করুন- একটি ওয়েবসাইট আপনার কাছে খুবই ভালো লাগলো। আপনার মনে হচ্ছে, 'এরকম ওয়েবসাইট যদি আরও কয়েকটি পেতাম'! তাহলে, এখনই সমাধান দিয়ে দিচ্ছি। আপনি চাইলেই আপনার পছন্দের ওয়েবসাইটের মতো অন্যান্য ওয়েবসাইট সার্চ করে বের করতে পারবেন। সেই জন্য গুগলে গিয়ে প্রথমে related: লিখে তারপর আপনার পছন্দের ওয়েবসাইটের নাম লিখতে হবে। যেমনঃ আপনি যদি youtube.com এর মতো অন্যান্য ওয়েবসাইট খুঁজতে চান তাহলে লিখবেন-
related:youtube.com
বিঃ দ্রঃ এভাবে সার্চ করার ক্ষেত্রে কিছু কিছু ওয়েবসাইটের বেলায় কিছুই আসে না।
৫। আপনি হয়তো কক্সবাজার লিখে সার্চ করবেন। কিন্তু, আপনি চাচ্ছেন- কক্সবাজারের কোন হোটেলের ব্যাপারে কিছু না আসুক। তাহলে আপনি একটি বিয়োগ চিহ্ন দিয়ে হোটেল লিখলেই আপনার সার্চ রেজাল্টে হোটেলের বিষয়ে কিছু আসবে না। যেমন-
cox's Bazar -hotel
অর্থাৎ, আপনি যদি চান- আপনি কিছু লিখে সার্চ করবেন কিন্তু, একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে কিছু না আসুক তাহলে, প্রথমে যা সার্চ করবেন সেটা লিখুন। তারপর, আপনি যেই শব্দটি বাদ দিতে চাচ্ছেন সেটি বিয়োগ চিহ্নের পরে লিখে সার্চ করুন।
আশা করি, আজকের লেখাটি অনেকের উপকারে আসবে।
সাইবার সোসাইটি

23/03/2021

টেলিগ্রাম হলো একটি হোয়াটসঅ্যাপ বা ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারের মতো ইন্টারনেটে কাজ করে একটি ম্যাসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশন। টেলিগ্রাম এ অন্য ম্যাসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশন গুলির তোলনার বেশি সিকিউরিটি প্রদান করে যার ফলে আপনি যদি আপনি কারো সাথে চ্যাট করেন আপনার মেসেজে কেও পড়তে পারবে না।
আপনার মেসেজ লিক হবে না। আর টেলিগ্রাম এ একাউন্ট খোলা খুব সহজ আর টেলিগ্রাম ব্যবহার করার খবই সোজা।
আর টেলিগ্রাম মধ্যে আপনি হোয়াটসঅ্যাপ এর মতো ছবি , ভিডিও, ডকুমেন্ট , এবং যে কোনো ভিডিও মুভি শেয়ার করতে পারবেন।
আর টেলিগ্রাম এ হোয়াটসঅ্যাপ এর মতো ছবি , ভিডিও আপনার মোবাইলে মেমরি কার্ড লোড হয় না। এটি ফেসবুক এর মতো টেলিগ্রাম এর ক্লাউড স্টোরেজ এ ছবি , ভিডিও লোড করে তাতে আপনার মোবাইল এর মেমরি ফুল হয় না আর আপনি টেলিগ্রাম এ মেসেজ যখন তখন যেখানে খুশি লগইন করে পুরোনো মেসেজ দেখতে পারবেন।
টেলিগ্রাম কে আপনি গুগল ড্রাইভ এর মতন করে ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন আপনার কোনো দরকারি ছবি , ভিডিও , ডকুমেন্ট যদি আপনি আপনার টেলিগ্রাম ক্লাউড স্টোরেজ এ যদি আপলোড করেন তাহলে আপনি আপনার আপলোড করা ছবি , ভিডিও যেখানে খুশি সেখান আপনার টেলিগ্রাম একাউন্ট লগইন করে আপনি আপনার টেলিগ্রাম এর ক্লাউড স্টোরেজ এ রাখা ডকুমেন্ট একসেস করতে পারবেন।
তথ্যসূত্র গুগল

22/03/2021

Sir, আমার বেতন বাড়ান।
Boss : সম্ভব না।
- তাহলে আগামীকাল থেকে আমাকে বিকাল ৫ টার পর ছুটি দিতে হবে!
Boss : কেন?
- আমি সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাতে, অটো রিকশা চালাবো।
কারণ, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে এই বেতন দিয়ে সংসার চালানো খুবই কষ্টকর।
Boss : Okey, তবে অটো চালাতে চালাতে মধ্যরাতে যদি তুমি ক্ষুধার্ত হয়ে যাও,
কমলাপুর রেলস্টেশনের
দক্ষিন পাশে আইসো!
- কেন?
Boss : মধ্যরাতে আমি ঐখানে পরটা-ভাজি বিক্রি করি.!
শিক্ষনীয় বিষয়ঃ
মনে রাখবেন শুধু জব দিয়ে ভালো কিছু হয় না,
তাই নিজেকে একধাপ এগিয়ে রাখতে জবের পাশাপাশি স্কিলমেইট থেকে একটা স্কিল ডেভেলপমেন্ট করুন।

21/03/2021

অনেকে ভাই-বোন আমাকে বলে থাকে যে তারা ফাইভারে চেষ্টা করছে কিন্তু কাজ পাচ্ছে না। নিচের সাধারণ কারণ গুলিতে সমস্যা গুলি হতে পারে :

১। বায়ার রিকোয়েস্ট কিংবা গিগ ডিস্ক্রিপশনে আপনি যা লিখেছেন তা ক্লায়েন্ট পছন্দ করেনি। হতে পারে আপনার ইংলিশ ফরমাল ও নির্ভুল নয় যা আপনার প্রফেশনালিসম কে প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

২। আপনার গিগ দেখে ক্লায়েন্ট এর ভালো লাগে নি। এটা হতে পারে গিগ এর ছবি, প্রাইজ কিংবা গিগের অভারল ইম্প্রেশন।

৩ । আপনি ভালো ভাবে গিগ অপ্টিমাইজ করেন নাই যার কারণে ক্লায়েন্ট তা খুঁজে পায়না। আর আপনি কাজ ও পান না। গিগ অপ্টিমাইজেশন টা নির্ভর করে গিগ এর টাইটেল, ডিস্ক্রিপশন, ট্যাগস ইত্যাদির ওপর। গিগ ইম্প্রেশন যত বাড়বে ততো বেশি কাজের সুযোগ পাওয়া যাবে।

৪। হতে পারে গিগ এর ইমেজ বা ভিডিও বা কাজের এক্সাম্পল খুবি লো কুয়ালিটির তাই কেউই তা দেখে আর কেনার ইচ্ছা পোষণ করেন না।

৫। হতে পারে আপনি এমন সব সার্ভিস দিচ্ছেন যার অনেক অনেক কম্পেটিটরস। আপনি কম্পিটিশানে অনেক পিছিয়ে তাই আপনার কাজ পাওয়ার চান্স ও অনেক অনেক কম।

৬। আপনার গিগগুলি সোশ্যাল শেয়ার (লিংকডিন, টুইটার) না করা ।

৭। এটাও হতে পারে আপনি স্মার্টলি কাজ করছেন না। গিগ অপ্টিমাইজ, সাজানো বা কিওয়ার্ড রিসার্চ করা কিংবা প্রপার ইংলিশ শিখার পেছনে গুরুত্ব না দিয়ে সমানে বায়ার রিকুয়েস্ট দিয়ে যাচ্ছেন। মনে রাখবেন, অনলাইনে কাজের ক্ষেত্রে সব ব্যাপারে সমন্বয় করতে পারাটা সব থেকে বড় দক্ষতা। কাজ না জানলে তা শিখুন, ইংলিশ কোর্স এ ভর্তি হন। খালি চিন্তা করেন, ১৪-১৫ বছর লাখ লাখ টাকা খরচ করে একটা চাকরী পাওয়া দায়, সেখানে আপনি দক্ষতা অর্জনে যদি সব ফ্রি ফ্রি চান, তাহলে আজকের দিনে অনলাইনে ডলার কামানো মুশকিল বৈকি।

20/03/2021

চূড়ান্ত ব্যর্থতা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো কিছু সফল মানুষের গল্প


কাজ শুরু করার সাথে সাথেই কি সফলতা আসে? নিশ্চয় না। জীবন যেমন পুষ্পশয্যা নয় তেমনি সফলতাও রাতারাতি ধরা দেয় না। সফলতাকে অর্জন করে নিতে হয়। কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজের সঙ্গে লেগে থাকতে হয়। এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে যারা সফল হয়েছেন তাদের সফলতার পেছনে রয়েছে ভাঙ্গা গড়ার বিরাট ইতিহাস।


পৃথিবীর সফল ব্যক্তিদের আমরা সবাই চিনি কিন্তু আমরা কি জানি তাদের সফলতার পেছনের গল্পগুলো? হ্যাঁ, আজকের নিবন্ধে আলোচনা করবো ব্যর্থতার বিশাল পাহাড় পেড়িয়ে কীভাবে সফলতার জন্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে এমন কয়েকজন সফল ব্যক্তির ব্যার্থতার কাহিনী।

সইচিরো হোন্ডা: জীবনযুদ্ধে জয়ী এক সৈনিকের নাম সইচিরো হোন্ডা- যিনি বারংবার ব্যার্থতার পর ও সফল হওয়ার স্বপ্ন দেখেছেন। ছোটবেলা থেকে কলকব্জা নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসতেন তিনি। মাত্র পনেরো বছর বয়সে বাড়ি থেকে বের হয় যান হোন্ডা অথচ তার কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না।


চলে যান রাজধানী শহর টোকিওতে এবং কাজ নেন একটি গ্যারেজে যেখানে কলকব্জা পরিষ্কার ও মালিকের বাচ্চাদের দেখাশোনা করতেন তিনি। ইচ্ছে ছিল টয়োটা কোম্পানিতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগদান করবে কিন্তু সাক্ষাতকারের পর চাকরিটা আর কপালে জোটেনি। তাই বলে তিনি থেমে যায়নি। নিজ ঘরে বাসেই বানাতে শুরু করেন স্কুটার।

চেষ্টার ত্রুটি না করে রাতের পর রাত নিরলস পরিশ্রম করে যান এবং ১৯৪৬ সালে তৈরি করেন মোটরচালিত সাইকেল এবং ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন “হোন্ডা মোটর কোম্পানি”। শ্রম ও সাধনার বদৌলতে এ কোম্পানি হয়ে উঠে বিশ্ববিখ্যাত হোন্ডা কোম্পানি। সফলতা তাকে দারুণভাবে বরণ করে নেয়।

জ্যাক মা: চীনের ব্যবসায়ী, আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা সারা পৃথিবীর ব্যবসায়ী ও উদ্যাক্তাদের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম, আদর্শের নাম। প্রশ্ন হলো জ্যাক মা কি রাতারাতি সফল হয়েছেন? না, রাতারাতি সফল হননি। তাঁর সফলতার পেছনে রয়েছে ব্যর্থতার করুণ কাহিনী। তিনি বার বার ব্যর্থতায় পর্যবেশিত হয়েছেন কিন্তু কখনো ভেঙ্গে পড়েননি, সফলতার অদম্য ইচ্ছা নিয়ে হেঁটে গিয়েছেন দুর্গম পথে।




চীনের জাতীয় কলেজে ভর্তির জন্য উত্তীর্ণ হতে সময় লেগেছে তিন বছর। যেখানে বছরে মাত্র একবার সুযোগ দেয়া হয়, সেখানে জ্যাক মার লেগেছে তৃতীয় চান্স। হাভার্ডে ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন দশবার কিন্তু প্রতিবারই তাকে প্রত্যাখাত হতে হয়েছে। হোঁচট খেতে হয়েছে চাকুরী বাজারেও।


ছোট বড় প্রায় ত্রিশটি কোম্পানিতে আবেদন করেও কোন সুফল আসেনি। বরাবরের মত প্রত্যাখাত হতে হয়েছে। পুলিশের চাকুরীতে আবেদন করেও ব্যর্থ হয়েছেন এমনকি তার শহরে কেএফসি চালু হলে সেখানেও আবেদন করে ব্যর্থ হয়েছেন। আলিবাবার সফলতার আগে আরো দুটো উদ্যেগে খুব খারাপ ভাবে ব্যর্থ হন। তবুও তিনি হাল ছাড়েননি।


সফলতার স্বপ্ন দেখেছেন দিনের পর দিন। তাইতো আলিবাবা বর্তমানে বিজনেস টু বিজনেস, বিজনেস টু কাস্টমার, কাস্টমার টু কাস্টমার সার্ভিস দেয়া কয়েকশত বিলিয়ন ডলারের কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। ফোর্বসের “রিয়েল টাইম নেট ওর্থ” এর হিসাব অনুযায়ী জ্যাক মার বর্তমান সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় চৌত্রিশ বিলিয়ন ডলার।

বিল গেটস: মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস একাধারে তেরো বছর ধরে পৃথিবীর সর্বোচ্চ ধনী ব্যক্তি ছিলেন। পড়াশোনার পাঠ শেষ করতে না পারা বিল গেটস কিভাবে শ্রেষ্ঠ ধনী ব্যাক্তিতে রূপান্তরিত হয় তা নিশ্চয় ভাববার বিষয়। হাভার্ড ছেড়ে তিনি শুরু করেন ব্যবসা। তবে সফল হতে পারেননি প্রথম ব্যবসা “ট্রাফ ও ডাটাতে”। তাতে ভেঙ্গে পড়েননি তিনি বরং আরো দ্বিগুণ উতসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে শুরু করে মাইক্রোসফট নামে নতুন প্রতিষ্ঠান। মাইক্রোসফট শুরু করার পর থেকে তাকে আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি।


হারল্যান্ড ডেভিড স্যান্ডার্স: খাবারের জনপ্রিয় ব্রান্ড কেএফসির কথা কে না জানে! এও সবাই জানে কেএফসির প্রতিষ্ঠাতা হারল্যান্ড ডেভিড স্যান্ডার্স একজন সফল ব্যক্তি। কিন্তু তার সফলতার পেছনের গল্প জানা আছে কি? বার বার ব্যর্থ হয়েছেন ডেভিড স্যানডার্স। তিনি রেলওয়ের শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন, কাজ করেন বীমাকর্মী হিসেবে, কিন্তু কোন কিছুতেই মন বসেনি তার।

১৯২০ সালে নিজের কিছু জমানো টাকা দিয়ে বোট কোম্পানি খোলেন তারপর যোগ দেন ইন্ডিয়ানার চেম্বার অব কমার্সে। সেখানেও মন বসেনি তার। ওখানে চাকুরী ছেড়ে দিয়ে কেন্টাকিতে একটি টায়ার নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানে সেলসম্যানের কাজে নিযুক্ত হন। কিন্তু সেই কোম্পানি বন্ধ হয়ে যায় ১৯২৪ সালে।

তারপর কেন্টাকির স্ট্যান্ডার্ড অয়েল কোম্পানির ম্যানেজারের সাথে পরিচয়ের সুবাদে একটি সার্ভিস স্টেশনে চাকুরি পান তিনি। কিন্তু কথায় আছে না অভাগা যেদিকে যায় সাগর শুকিয়ে যায়। ঐ কোম্পানিটাও দেউলিয়া হয়ে গেল ১৯৩০ সালে। চল্লিশ বছর বয়সে বেকার হয়ে পড়েন হারল্যান্ড ডেভিড স্যান্ডার্স। তবুও থেমে যাননি।

স্বপ্ন দেখা বন্ধ করেননি। খাবার তৈরি করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সরবরাহ করা শুরু করলেন। নানা ঘাত প্রতিঘাত, হুমকি সহ্য করেও টিকে গেছেন। ১৯৫২ সালে তিনি বাণিজ্যিকভাবে নিয়ে এলেন তাঁর অনেক সাধনার রেসিপি- ‘কেন্টাকি ফ্রাইড চিকেন’। শেলবিভিলে’তে নতুন একটা রেস্তোরা খুললেন তিনি, যেখানে শুধু ফ্রাইড চিকেনের এই ডিশটাই পাওয়া যাবে।




লোকজন হুমড়ি খেয়ে পড়লো নতুন এই আইটেম চেখে দেখতে, সবার পছন্দও হলো। বিক্রি করে কূলোতে পারছিলেন না কর্নেল স্যান্ডার্স, শুরু করলেন বিভিন্ন শহরে কেন্টাকি ফ্রাইড চিকেনের শাখা খোলা, প্রথমে আমেরিকা আর তারপরে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলো কেএফসি।
১৯৫৫-১৯৬৫ এই দশ বছরে চীন, কানাডা সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কেএফসি’র প্রায় ছয়শোর বেশি শাখা খোলা হয়েছিল, রমরমা ব্যবসা চলছিল, এতদিনে দেখা দেয়া সাফল্যের তরী চলা শুরু করলো মাতাল গতিতে!

জে কে রাউলিং: পৃথিবীতে লেখালেখি করে প্রথম বিলিয়নিয়ার বনে যাওয়া লেখিকা জে কে রাউলিং। রাতারাতি জনপ্রিয়তা পাওয়া এ লেখিকার ক্যারিয়ারের শুরুটা মোটেই সহজ ছিল না। প্রথমবার তিনি যখন ‘হ্যারি পটারের’ পান্ডুলিপি নিয়ে একটি প্রকাশনীতে যান প্রকাশনীর মালিক তো হেসেই উড়িয়ে দিয়েছে তাকে এবং তার সৃষ্টিকর্মকে।


অন্যের কথায় কান না দিয়ে নিজের উপর বিশ্বাস অটুট রেখে বিভিন্ন প্রকাশনীর দ্বারে দ্বারে পাণ্ডুলিপি নিয়ে হাজির হয়েছেন তিনি। কিন্তু হায়! তেরোজন প্রকাশকের কাছ থেকে প্রত্যাখাত হয়েছেন তিনি। তারপরেও থেমে যায়নি, পুনরায় নব উদ্যমে কাজ করে গেছেন বলেই হ্যারি পটার সিরিজ প্রকাশ হওয়ার পর থেকে সাহিত্য জগতের সর্বোচ্চ আসন থেকে কেউ তাকে সরাতে পারেনি।

১৯৯৭ সালে বই প্রকাশের সাথে সাথেই জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌছে যান এই লেখিকা। সারা পৃথিবী ব্যাপি বইটির মিলিয়ন মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে। হ্যারি পটার সিরিজ শুধু বই হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, তা নিয়ে সিনেমা হয়েছে এবং লাখো মানুষের হৃদয় জয় করেছে জে কে রাউলিং। পেয়েছেন অনেক পুরষ্কারও।

Want your school to be the top-listed School/college in Umm Salal `Ali?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Umm Salal `Ali
00000