মুক্তমনা সাহিত্য কানন

মুক্তমনা সাহিত্য কানন

Share

বাংলা ভাষাবাসী কবিতাপ্রেমী/সাহিত্যপ?

13/11/2024

“তিনি” বাংলাদেশের জনপ্রিয় কথাশিল্পী হুমায়ুন আহমেদ স্যারের জন্মদিনে জন্মেছিলেন বলে 'তাকে' জন্মদিনে সময়মত উইশ করতে ভুলি না। অন্যদিকে কাকতালীয় এমন ‘না-ভুলা’কে তিনি হুমায়ুন আহমদের সাহিত্যরসের পাঁচমিশালী “প্রেম” মনে করেন।

শুভ জন্মদিন বন্ধু ও প্রিয়তমা স্ত্রী'র জন্মদিনের জন্য লেখা এই অসাড় কবিতা...

|| বাকি জীবনটা ‘আমরা’ হুমায়ুন আহমেদের সমুদ্র বিলাস নাটকের সেই “দশপতি” হয়ে থাকতে চাই ||

17/07/2024

রাজাকার শব্দটি বাংলাদেশীদের জন্য অত্যন্ত ঘৃণ্য বিশেষণ। এই শব্দটি উচ্চারণের সাথে আমাদের লক্ষ্ লক্ষ্ শহিদ ও মা- বোনের সম্ভ্রম হারানোর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। রাজাকার শব্দটি শুধু ঘৃণিত নয়, অবজ্ঞা, অপমান, আতঙ্ক, তাচ্ছল্য, উপহাস, বিদ্রূপ, উপেক্ষা ও গুরুভার একটি বিশেষণ। এই বিশেষণটি আমার কাছে হালকা ও সাবলীল হয়ে গেছে সেদিন, যেদিন জাতীয় টেলিভিশনে একাধিকবার গর্বের সাথে নিজেকে রাজাকারের গর্বিত সন্তান ঘোষণা করা নাঈমুল ইসলাম খান প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হয়েছেন; সম্ভবত “রাজাকার কোটায়”।

একবিংশ শতাব্দিতে এসে জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই জোয়ারে একগুঁয়েমিতে দেশ চলে না। কোন সন্দেহ নেই আপনার গতিশীল নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের উচ্চ চূড়ায়। যাইহোক, সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের তদন্ত রিপোট ১১১ বার পেছানোর একই সময়ে ক্লিন শেভ করা সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী রাতারাতি প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা থেকে এখন তার মুখভর্তি দাঁড়ি দেখছি। বয়স তো আর কম হয়নি! আমার না, ইকবাল সোবহানের। আমারও কম হয়নি।

“জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু আমার প্রথম শ্লোগান, শেষ স্লোগানও এটাই থাকবে”। ১৯৭১ সালে পিরোজপুরের শহীদ ওমর ফারুক এক রাতে মাকে কথা দিয়ে গিয়েছিলেন, রাতে ফিরে মায়ের হাতে ভাত খাবেন। ওমর ফারুকের আর ফেরেনি। পাক সেনারা বলেছিলো, যদি পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলে তাহলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। কিন্তু সে তা না করে চিৎকার করে বলে ‘ জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’। ছেলে ফিরবে সেই আশায় ২০২২ সাল মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মা দরজা খুলে ঘুমাতেন, ছেলের জন্য ভাত রাঁধতেন প্রতিদিন – ছেলে ফিরবে এই আশায়। পিরোজপুর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বইতে লেখা আছে ধরা পরার সময় ওমর ফারুকের সঙ্গে ছিল স্বাধীন বাংলার ৭ টি পতাকা। যার একটি পতাকা হাতুড়ি পেটা করে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় ফারুকের মাথায়। এমন লক্ষ শহিদের মর্মপীড়া ও রক্তকণিকায় অংকিত আমাদের পতাকা আর সেই পতাকা মাথায় বেঁধে আন্দোলন করা শিক্ষার্থীদের পাইকারি ও ঢালাওভাবে রাজাকারের প্রজন্ম বা রাজাকার বলতে পারছি না……

দলচাটা হতে পারিনি। শুনেছি দলচাটা হতে হলে মূর্খ ও মস্তিষ্কহীন হবার পাশাপাশি অশিক্ষিত ও অনুভূতিহীন হওয়াটা প্রাথমিক শর্ত। নেতাদের 'ফরমায়েশ খাটতে হয়। এখনো এসব গুণাবলি অর্জন করতে পারিনি।

11/07/2024

যন্ত্রনির্ভর বিনোদন ব্যবস্থায় সবচেয়ে প্রাচীন নাম রেডিও। ন্যাশনাল প্যানাসনিক 543 ছিল আমার ছোটবেলার বন্ধু। ক্যাসেট নয়, রেডিও নাটক শোনার অদম্য নেশা ছিল আমার। বাংলাদেশ বেতারের শ্রোতাপ্রিয় সৈনিক ভাইদের জন্য অনুষ্ঠান 'দুর্বার', ‘বিজ্ঞাপন তরঙ্গ‘, অনুরোধের আসর ‘গানের ডালি’ অথবা রকমারি গানের অনুষ্ঠান ‘গিতালী সহ লাইফবয় সাবানের বিজ্ঞাপনঃ-

-কইগো এই নাও তোমার বাজার। ইশ, এমনিতে ময়লা আর কাদা, তার উপর লোকের ভীড়…।
-চিন্তা কইরো না তোমার লাইগা লাইফবয় সাবান আইনা রাখছি। গোসল কইরা আসো।
-কী সাবান ক্ইলা?
-লাইফবয়। এই সাবান ব্যবহার করলে শরীর যেমন পরিষ্কার হয়, স্বাস্থ্য্ও থাকে ভালো।
-তাইলেতো রোজই লাইফবয় সাবান দিয়া গোসল করা লাগে !
-হ।

রেডিও থেকে সাদাকালো টিভি, রঙিন টিভি, ভিসিয়ার, ভিসিডি, ডিভিডি হয়ে ইউটিউবে ঠেকেছে বিনোদন মাধ্যম। সাথে আমরা হলাম রঙিন জগতের মানুষ।

21/05/2024

🔲 রিকশার জন্মস্থান জাপানে কিন্তু সেখানে রিকশা বিলুপ্ত হয়েছে অনেক যুগ আগে। এই উপমহাদেশে প্রথম রিকশা আসে কলকাতায়, পরে মিয়ানমারের রেঙ্গুন হয়ে চট্টগ্রামে। সময়, পরিবেশ, পরিস্থিতি ও অবস্থানের উপর নির্ভর করে অনেক পেশা বিলুপ্তি হয় যেমনটা আমাদের দেশের অনেক আদি পেশা বিলুপ্ত হয়েছে। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন বাহন পালকি বেহারা বা পালকিওয়ালা, সাপুড়ে- সাপ ধরার কাজ, বাইজি- পেশাদার নর্তকী, পাঙ্খাওয়ালা- রাজা-জমিদারদের হাতপাখা দিয়ে বাতাস দেওয়া, রানার- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘রানার’ কবিতার মত চিঠি নিয়ে ছুটে চলা রানার, বায়োস্কোপওয়ালা - চৌকো একটি টিনের বাক্সে গোলাকৃতি ৪ থেকে ৬টি কাচের জানালা দিয়ে রঙ্গিন ছবি দেখানো - এছাড়া কামার, কুমার, তাঁতিরাও একেবারে বিলুপ্ত প্রায় যদিও তাঁতী লীগ এবং তাঁতী দলের পরিধি বৃদ্ধি পাচ্ছে দিনের পর দিন।

🔲সময়ের স্রোতে হারিয়ে যাওয়া পেশার বিপরীতে নগর সভ্যতায় গগনচুম্বী অট্টালিকা তৈরি হলেও আমরা সভ্য নাগরিক হয়নি। এখনো রয়ে গেছে সেই রিক্সা ও রিকশাচালক। দুই-তিন জন মানুষ নিরুদ্যমে পিছের সিটে বসা, সামনে একজন মানুষ প্যাডেল মেরে ঘামে ভেজা দেহে আয়াসে টেনে নিয়ে যাচ্ছে – দৃশটা একেবারে মানবিক নয়। এই পেশায় হালে পানি পেয়েছিল ব্যাটারিচালিত রিকশা। সুবিধা ও অসুবিধা দু’টোই ছিল। সবচেয়ে বড় সুবিধা ছিল অনায়াসে ড্রাইভিং। সাময়িক বন্ধ হয়ে আবারও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আবারও চলার অনুমতি পেয়েছে।

🔲সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের স্য্যার ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের নির্দেশের আগে কি তিনি নগর পরিকল্পনাবিদ, ট্রাফিক পুলিশ, মেয়র, রাজউক, পরিকল্পনা-মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কারো পরামর্শ নিয়েছিলেন? উত্তর যদি "না" হয় তাহলে স্বেচ্ছাচারিতার সামিল। একথাও যেমন সত্য যে শুধু ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত রিকশা ১৩ লক্ষ বসবাসকারীর সমপরিমাণ বিদ্যুৎ খাচ্ছে - একথাও অসত্য নয় যে এই শহরে ১২ লাখের মতো রিকশা সাথে লক্ষ লক্ষ মানুষের আহার জড়িত আছে। এতো বড় ও পুরানো একটা শিল্পকে একদিনে বন্ধ করা কঠিন। কীভাবে বন্ধ করা যায় বা করলে তার consequences and repercussions (ফলাফল এবং প্রতিক্রিয়া) কি হতে পারে এই নিয়ে আমাদের স্বতন্ত্র, প্রাতিষ্ঠানিক, পাবলিক বা প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন গবেষণা পত্র নাই।

🔲আমি সর্বান্তকরণে চাই এই অমানবিক পেশার ইতি টানা হোক। এটা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে 'দৃষ্টিনন্দন এক্সপ্রেসওয়ে', মনোহর ঢাকা বিমানবন্দর, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর, আহছান মঞ্জিল, বায়তুল মোকাররম মসজিদ, ঢাকেশ্বরী মন্দির, বিজয় সরণি ফোয়ারা, বসুন্ধরা সিটি, অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য, জাতীয় ঈদগাহ ময়দান, জাতীয় জাদুঘর, শিশুপার্ক, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, গণভবন, জাতীয় সংসদ ভবন, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বাংলা একাডেমী গ্রন্থাগার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়, সাত গম্বুজ মসজিদ, ফ্যান্টাসি কিংডম, নন্দন পার্ক, ওয়ান্ডারল্যান্ড দেখানোর পাশাপাশি আমরা পর্যটকদের অমানবিক বাংলাদেশ রিক্সা দেখাতে চাই না। এটা মূলত চিল কাউয়ার ঝগড়াঝাঁটি বা ঠোকাঠুকি নয় বরং এর চাইতেও অতি মানবিক ও গুরুত্বপূর্ণ একটি ইস্যু। এই জন্য চাই বহুবিধ পরিকল্পনা ও গবেষণা।

18/05/2024

#উত্তরাধিকারসূত্রে_প্রাপ্তি
⚫️মহা-বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের তিন ছেলেমেয়ে যথাক্রমে হান্স, এডওয়ার্ড ও লিজেরল আইনস্টাইন – তাদের কেউ বংশানুক্রমে বিজ্ঞানী হতে পারেনি, এমনকি তাঁর দৌহিত্ররাও। চার্লস ডারউইনের দশ সন্তান ছিলো। গ্যালিলিও গ্যালিলির তিন সন্তান ছিলো। লুসি, রবার্ট এবং টিমোথি হকিং নামের তিন সন্তানের বায়োলজিক্যাল জনক ছিলেন স্টিফেন হকিং। তাদের কেউ বিজ্ঞানী হতে পারেনি।
⚫️মাদিবা, মাকাজিওয়া, ম্যাগকাথো, পুমলা, জেনানি ডলামিনি ও জিন্দজিসওয়া ম্যান্ডেলা মিলে নেলসন ম্যান্ডেলা ছয়জন সন্তান, ১৭ জন নাতিনাতনি – কেউ নেলসন ম্যান্ডেলার শ্রেষ্ঠত্ব স্পর্শ করেনি। স্যার মার্ক থ্যাচার ও ক্যারল থ্যাচার নামে মার্গারেট থ্যাচার দু’জন ছেলে মেয়ে কিন্তু তারা কেউ মায়ের লিগেসির ধারেকাছেও আসেনি। হরিলাল, মণিলাল, রামদাস ও দেবদাস গান্ধী নামে মহাত্মা গান্ধীর চার সন্তান ছিল। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জন মেজরের ছেলে জেমস মেজর বা মেয়ে এলিজাবেথ মেজর কেউ রাজনীতির আশেপাশেও নেই। উপরোল্লিখিত কেউ মা-বাবার পদাঙ্কে ফিট হতে পারেনি বা হতে চাইনি, তাদের পছন্দের অগ্রাধিকার বা আগ্রহ অনুযায়ী অন্যকিছু হয়েছেন।
⚫️“ধর্মান্ধতা” একটি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত গোঁড়ামি যেটা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম হস্তান্তরিত হয়। নামের আগে হযরত আর নামের শেষে রহমত (রহঃ) যোগ করে সাথে “ল্যাংটা বাবা” “লোটা বাবা” অথবা “জুতা বাবা” টাইপের একটা উপনাম লাগিয়ে ভালোভাবে বাজারকরণ করতে পারলে অনন্তকাল-ব্যাপী আপনার অনাগত প্রজন্ম শানশওকতে জীবন উপভোগ করতে পারবে। ডাক্তারের ছেলে ডাক্তার হতে হলে ডাক্তারি পাস করতে হয়, ইঞ্জিনিয়ারের ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হতে হলে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে হয়, শিক্ষকের ছেলে শিক্ষক হতে হলে পর্যাপ্ত লেখাপড়া শিখে আসতে হয় কিন্তু ধর্মের নামে #পীরগিরি এমন এক ব্যবসা যার জন্য কোন একাডেমিক বা প্রাতিষ্ঠানিক অধ্যয়ন লাগে না। কিছু ধর্মীয় বেশভূষা, হাতের নখ, চুল, দাঁড়ি না কেটে, সপ্তাহে একবার গোসল করা, দমক দিয়ে কথা বলা, পণ্ডিতের ভাব দেখালেই বেশ। দ্বীনী ইলম বা ধর্মীয় ইলম - সেটা তো অগম্য, অলভ্য, অপ্রাপ্য। (বুঝতে হবে) ইলম, জ্ঞান, শিক্ষা, পাণ্ডিত্য অর্জন কোন বীর্যপ্রবাহিত ব্যাধি নয় - এসব সাধনা, অধ্যয়ন, চর্চা করে অর্জন করতে হয়। পুরো বাংলাদেশটাই যেন বেহস্তে পাঠানোর একমাত্র পরিবেশক আর এখানে প্রত্যেকজন যেন নিযুক্ত প্রতিনিধি।

শুরু করেছিলাম উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত রাজনীতি নিয়ে, এই বিষয়ে কিছু না লিখে শেষ করছি কারণ আমাদের দেশে এসবের চর্চা নাই বললে চলে!! তাই না? লিখলাম না বললে ভুল হবে, লিখেছি ঠিকই, তবে পোস্ট করলাম না। 'বাংলাদেশ' সুখে থাকো। (Repost)

12/04/2024

কৃতজ্ঞতা 🙏🙏

এটি শুধুমাত্র একটি জৈব ফলের ঝুড়ি নয় বরং আমার কাছে ঝুড়িভর্তি মায়া, মমতা, স্নেহার্দ্রতা, সম্মান ও ভক্তিশ্রদ্ধার প্রতীক। অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি খাগড়াছড়ি জেলার সন্মানিত পুলিশ সুপার (এসপি) জনাবা মুক্তা ধর পিপিএম (বার) মহোদয়ার পক্ষ থেকে ার পেয়ে অনেক খুশি হলাম।

আমাদের দেশে উচ্চ পদস্থ নারী পুলিশের সংখ্যা খুব সীমিত আর আপনি সেসব সীমিতদের অনুকরণীয় অগ্রগামীদের একজন। আমি আপনার উত্তোরত্তর সফলতা ও নিরোগ দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

It is more than just an organic fruit basket; to me, it represents love, compassion, affection, respect, and commitment. I was overjoyed to get an Eid present from the honorable Superintendent of Police (SP), Ms. Mukta Dhar PPM (Bar), of the district of extraordinary beauty Khagrachari.

The number of high-ranking female police officers in our country is minimal, and you are an exceptional pioneer among those few. You have always been an extraordinary individual with your allegiance and professionalism. I wish you great success and a long, healthy life.

02/12/2023

প্রাচীন ধ্যানধারণার মানুষ আমি, তাই হয়তো এখনো বিশ্বাস করি মা-বাবার পরই শিক্ষকের স্থান। এ. পি. জে. আবদুল কালাম বলেছিলেন “যদি কোন দেশ দুর্নীতিমুক্ত হয় এবং সবার মধ্যে সুন্দর মনের মানসিকতা গড়ে ওঠে, আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বিশ্বাস করি সেখানকার সামাজিক জীবনে তিন রকম মানুষ থাকবে, যারা পরিবর্তন আনতে পারেন। তারা হলেন পিতা, মাতা ও শিক্ষক”। গত দুই-একদিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পূজনীয় শিক্ষকদের ব্যাঙের মত লাফাতে দেখে নিজেকে হীন-জীর্ণ মনে হচ্ছে।

বর্তমানের শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী উভয়ে বিদেশ পড়ুয়া তাই তাদের চিন্তাধারাকে আমার হাইলি ইমপোর্টেড মনে হলেও মাঠের বাস্তবতা অন্য কিছু বলে। অটো পাস থেকে শুরু করে বর্তমান শিক্ষার মান, কার্যক্রম ও পরীক্ষা পদ্ধতি - সবকিছু নিয়ে সন্তুষ্ট আছে এমন অভিভাবক খুঁজে পাওয়া ভার – এটা হতে পারে আমাদের দৈন্যতা। আমাদের শিক্ষামন্ত্রী একজন ক্লাসিক্যাল ও ফার্স্ট-রেটেড মানুষ – ভুলে বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন ডা. দীপু মনি সাড়ে চার বছরে ১৮৭ বার বিদেশ সফর এবং ৬০০ দিন বিদেশ অবস্থান করেছিলেন। সবচেয়ে মজার বিষয় হল পৃথিবীর অন্য কোন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই রেকর্ড ভাঙতে পারেনি। এরকম অভগ্ন রেকর্ড করেছেন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবেও। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার স্পাইনাল কর্ড ডিজঅর্ডার হয়েছে।

ভরসা প্রধানমন্ত্রীর উপর কিন্তু তিনি একজন সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না – মানুষ হিসেবে তাঁর সীমাবদ্ধতা আছে। বিষয়টি “যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ” প্রবাদের মত। কিন্তু আমাদের যদি মেরুদণ্ড মজবুত না হয় তাহলে জাতি হিসেবে আমরা সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবো না। আগামীবার যদি এই সরকার ক্ষমতায় আসে তাহলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে পরিবর্তন আসুক – এটাই দাবি।

হিন্দু শাস্ত্রে বলা আছে - গুরু ব্রমহা, গুরু বিষ্ণু, গুরুদেব মহেশ্বরহ অর্থাৎ গুরু সাক্ষাৎ পরম বমহ, তসমই শ্ৰী গুরবে নমঃ – গুরুকে নমঃ করার সেই কৃষ্টি, সংস্কৃতি, শিক্ষা, চর্চা ও অনুশীলন যেন আমাদের থেকে হারিয়ে না যায়। মানুষ গড়ার কারিগর ও জাতির বিবেক শিক্ষকদের এসব হাস্যকর কাজ থেকে নিষ্কৃত দেওয়া হোক।

24/11/2020
Photos 30/04/2019
Want your school to be the top-listed School/college in Doha?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Doha