21/08/2023
Bangla Explorer
Bangla Explorer is a Travel, Education and Immigration information page. please Follow this page.
21/08/2023
07/07/2023
ব্যাপারটা ভালো লাগছে। তবে কথা হচ্ছে- সবকিছু কেন তাঁকেই করতে হবে? দায়িত্বশীলদের দায়িত্ব কি শুধু তেলবাজি আর চাপাবাজি! যারা তামিমের অবসর গ্রহণ একান্ত তার ব্যক্তিগত বিষয় মনে করছেন তারা ভুল করছেন। এখানে খেলোয়াড়দের সাহস, মনোবল এবং পার্সোনালিটির অনেক বিষয় আছে, যেটা একটা পেশাদারী ক্রিকেট দল হয়ে উঠতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তামিমের এই জয় বাংলাদেশ দলে এখন যারা খেলছে এবং ভবিষ্যতে যারা খেলবে এমন ক্রিকেটারদের আত্মমর্যাদা অনেক বাড়বে । এ কারণে সাহসও পারবে । এক ম্যাচ খারাপ করলে গ্রুপিং এর মারপ্যাচে বা পছন্দের লোক নেওয়ার জন্য দল থেকে কাউকে বাদ দিতে পারবেনা কেউ। বাংলাদেশে ক্রিকেট খেলা জনপ্রিয় হওয়ার কারণে তারকা ক্রিকেটাররা পয়সা খ্যাতি কামাবে, এটা ভিন্ন বিষয়। এটা সবখানেই হয়। কিন্তু বিশ্বকাপ জয়ী দল হয়ে ওঠার জন্য এবং অনেক পেশাদার ক্রিকেটার তৈরির জন্য সাকিব, তামিম, মিরাজ, মাশরাফির মতো সাহসী, ঘাউড়া ট্যালেন্টেড ক্রিকেটার অনেক দরকার। গত বছর বিপিএলের সময় মিরাজ চট্টগ্রাম থেকে খেলা বাদ দিয়ে চলে আসতে চেয়েছিল মনে আছে সবার? সাকিব কয়েক দফা স্বেচ্ছায় ছুটি নিয়েছিল, জাতীয় দলের ক্যাপ্টেন্সি ছেড়ে দিয়েছিল মনে আছে সবার? বিশ্ব ক্রিকেটে যারা দাপট দেখায়, যেমন- অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ড শ্রীলংকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভারত পাকিস্তানে এগুলো হয়েছে। যেখানে ক্রিকেটাররা হেরে গেছে সেই দলের করুণ পরিণতি হয়েছে, জ্বলন্ত উদাহরণ পাকিস্তান। বাকি সব দল জিতেছে। আমাদের ক্রিকেটাররা জিতলে আমরাও জিতবো বিশ্বকাপ ইনশাআল্লাহ। আমাদের রাজনীতি দরকার নাই, বিভিন্ন রকম এক্সপেরিমেন্টের নামে স্বজনপ্রীতি দরকার নাই; তারকা কোচ দরকার নাই। আমাদের দরকার পারফর্ম করা ভালো ক্রিকেটার, সাকিবের মত দেশের ব্র্যান্ডিং করা বড় তারকা এবং বড় বড় কাপ জেতা। এগুলোর জন্য আমাদের আমিনুল ইসলাম বুলবুল, হাবিবুল বাসার সুমন, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, মাশরাফি বিন মুর্তজা, মোহাম্মদ রফিক, খালেদ মাসুদ পাইলট, আব্দুর রাজ্জাক রাজ, আকরাম খান, খালেদ মাহমুদ সুজনরা যথেষ্ট অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছেন। দেশেই রয়েছেন বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ কোচ। যোগ্য লোকদের জায়গা মতো বসিয়ে যার যার কাজটি ঠিকভাবে করার সুযোগ দিলেই আমরা ক্রিকেটে বড় দল, ইনশাআল্লাহ ❤️
06/07/2023
এটাই আইজুদ্দিনের সোনার বাংলাদেশ! সবটুকু উজাড় করে দিলেও আত্মসম্মানের জ্বালায় শেষে কেঁদে বিদায় নিতে হয়। এক নিমিষে সকল কষ্ট , বিসর্জন ভুলে পল্টি নেয় সুবিধাবাদী গোষ্ঠীরা। এখানে দায়িত্ব দেওয়ার পরে কাজ করার জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের অসহযোগিতা করা হয় বিভিন্ন পর্যায়ে থাকে। খারাপ সময় বা ভালো সময় বলে কথা নেই- সব সময়ই পেশাদারিত্বকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে উপর থেকে চাপ; হিংসায় পুড়ে যাওয়া গোষ্ঠী লেগে যায় দোষ খোঁজার কর্মযজ্ঞে; সতীর্থ বলেন বা সহকর্মী বলেন এই দলের কতিপয় ব্যক্তি ফাঁকে ফেলার ফান্দে থাকে সব সময়; সহযোগিতা না করে উল্টো কাঠগড়ায় দাঁড় করায় যারা দায়িত্ব দিয়েছে তারাই! এক মজার তাবেদারির খেলা। এ খেলায় ভালো খেলে বা ভালো কাজ করে টিকে থাকা যাবে না। যদি নিজে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ফুলে ফেঁপে উঠে ঠিকমতো, জায়গা মতো তেলবাজি করতে পারেন- তাহলে উতরে যাবেন সবই। চেয়ার পজিশন সবই ঠিক থাকবে। স্যরি তামিম- এটা হবে ক্যাপ্টেন্সি।
শাকিব খান বা সাকিব আল হাসানের মতো আবেগকে পাত্তা না দেওয়া ব্যক্তিরাই কেবল সোজা উতরে যেতে পারে। এমন শাকিব/ সাকিব তো কোটিতেও একটা হয় না। এখন তো দুই স শ অনেকের ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবুও অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন অনেক ব্যক্তি-গুষ্টি! সাকিবরা পাত্তা দেয় না। তবে আবেগী তামিমরা তাদের মতো পারেনা। তামিমরা কখনো কখনো আবেগের কাছে নতি স্বীকার করে বসে। তাই হলো।
বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা বিশ্বের বাঘা বাঘা বোলারদের সামনে দাঁড়িয়ে চার ছক্কা মারতে পারে- এই সাহস কে তৈরি করেছে? বাংলাদেশের ওপেনিং এ একটি আস্থাশীল জায়গা, যেন একটা কিছু হবে- এমন ধারণা আমাদের মধ্যে কে তৈরি করেছে? ভুল হয়েছে! এগুলো বাদ দিয়ে এখন বলি- তামিম নামের কেউ বাংলাদেশ ক্রিকেটে ছিল না, সে কি করেছে? কোথাও তার অস্তিত্ব থাকবে না আজ থেকে, তাই না!
ধীরে ধীরে নিজেকে অভিজ্ঞ করে গড়ে তোলার পরে তরুণ-অভিজ্ঞ মিলে শক্তিশালী একটি দল নিয়ে বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া এবং দলকে ভালো কিছু দেওয়ার স্বপ্ন তিনি নিশ্চয়ই দেখেছিলেন। অনেক বড় কষ্ট এমন অনেক স্বপ্ন শেষ করে দেয়। বড় দুঃখ তামিম, আমরা ভুল জায়গায় জন্মগ্রহণ করেছি। তুমি তামিম অনেক বড় জায়গায় নিজেকে নিতে পেরেছ বলে তোমার বিষয়টা আমরা দেখছি, জানছি, মায়া কান্না করছি। কিন্তু তোমার মতো অনেক তামিম বাংলাদেশের অনেক উন্নয়নের জায়গা থেকে; সম্ভাবনার জায়গা থেকে ছিটকে পড়ে সবার অগোচরে। সময় শেষে আশপাশে কিছু লোক দেখানো আফসোস হয়। হোক। পদ্ধতি, ক্ষমতা, তেলবাজি, পরচর্চা, সিন্ডিকেট এসব তো আমরা ঠিক করতে পারবো না। তবে নিজের আত্মসম্মানটা তো ধরে রাখতে পারবো। তাই আইজুদ্দিনের সোনার বাংলায় তামিমদের অপ্রত্যাশিত বিদায় হয়! বিদায় নিতে হয়!
প্লে অফের ফাইনালে
পর্তুগাল বনাম ইতালি
বিশ্বকাপে যেকোন ১ দলকে পাচ্ছি আমরা ৷ বেড লাক।
15/07/2021
কোন দেশে গেলে কোন টিকা গ্রহন করবেন। বাংলাদেশে এখন তিন ধরনের টিকা রয়েছে। মার্ডানা, ফাইজার, সিনোফার্ম, আমাদের দেশে নিজে পছন্দ করে টিকা নেবার সুযোগ কম। সবার জানা দরকার কোন দেশ কোন ধরনের টিকার অনুমোদন দিয়েছে। আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট দেশে যাবার প্রস্তুতি আপনার থাকে তবে সেই দেশের টিকাই নেয়া উচিত।
নিম্মে তালিকাগুলো প্রধান করা হলো:
কুয়েত: ফাইজার, জনসন, অক্সফোর্ড।
ইতালি: মর্ডানা, ফাইজার, জনসন, অক্সফোর্ড।
জর্ডান: ফাইজার, স্ফুটনিক ভি, অক্সফোর্ড, সিনোফার্ম।
ওমান: ফাইজার, স্পুটনিক ভি, অক্সফোর্ড, সিনোভ্যাক।
লবোনন: ফাইজার, স্পুটনিক ভি, কোভিশিল্ড, সিনোফার্ম।
টার্কি: ফাইজার, স্পুটনিক ভি, সিনোভ্যাক, করোনাভ্যাক।
বাহরাইন: ফাইজার, স্পুটনিক লাইট, স্পুটনিক ভি, জনসন, কোভিশিল্ড, সিনোফার্ম।
ইউএই: মার্ডানা , ফাইজার, স্পুটনিক ভি, অক্সফোর্ড, সিনোফার্ম।
কাতার: মর্ডানা, ফাইজার।
সৌদি আরব: ফাইজার, অক্সফোর্ড, জনসন, সিনোফার্ম, সিনোভ্যাক, মর্ডানা।
#সংগৃহীত
11/07/2021
আকাশটা আজ আর্জেন্টিনার
অভিনন্দন কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ান ২০২১
চলছে পবিত্র ঈদ উল আজহা উপলক্ষ
বাংলাদেশ সরকারের নিবেদিত জনগণ নির্যাতিত
🌞🌞 Happy lockdown 🌞🌞
ধন্যবাদান্তে : করোনার বাংলা শাখা।
24/04/2021
শোকবার্তা!😭😭
বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিন ট্র্যাজেডি!😔
ইন্দোনেশিয়ান নৌ বাহিনীর চীফ অফ স্টাফ ইউডো মারগোনো নিশ্চিত করেছেন যে, নিখোঁজের ৩ দিন পর সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষ এর সন্ধান পাওয়া গেছে।
৫৩ জন নাবিকের কাউকেই এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি, অক্সিজেন শেষ হওয়ায় নাবিকদের বেঁচে থাকার আশা নেই।😔
মহান আল্লাহ যেনো তাদের ভুল-ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে সকল মুসলিম নাবিককে শহীদি মৃত্যু দান করেন এবং তাদের জান্নাতবাসী করেন।
(আমিন)
14/12/2020
১৯৭০ সালে তিনি প্রথম ঢাকায় আসেন। বাটা স্যু কোম্পানির প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৭১ সালের প্রথম দিকে বাটা জুতার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে টঙ্গীর কারখানায় নিয়োগ পান।
২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের নামে গণহত্যা চালায়। সে সময় তিনি সেই রাতের ভয়াবহতার কিছু ছবি তুলে পাঠান আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে।
বাটা স্যু কোম্পানীর মত বহুজাতিক একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়াতে অবাধ চলাচল ছিল সর্বত্র। সেই সুযোগে তিনি সম্পর্ক গড়ে তোলেন টিক্কা খান, রাও ফারমান আলী, নিয়াজিদের সাথে। আর অন্য দিকে প্রধান সেনাপতি কর্নেল এমএজি ওসমানীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। তারপর সব তথ্য ফাঁস করে দিতেন।
তারপর নিজেই বাটার শ্রমিকদের সংঘবদ্ধ করে টংগীসহ সেক্টর ১ এবং ২ নম্বরে গড়ে তোলা গেরিলা বাহিনীকে নিজ দায়িত্বে প্রশিক্ষণ দেন। তিনি নিজেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। তারপর নিজেই জীবন বিপন্ন করে বাংলাদেশের যুদ্ধে নেমে পড়েন। তিনি বাঙ্গালী যোদ্ধাদের নিয়ে টঙ্গী-ভৈরব রেললাইনের ব্রীজ, কালভার্ট ধ্বংস করে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত করতে থাকেন।
সে সময় তিনি ঢাকার অস্ট্রেলিয়ান ডেপুটি হাইকমিশনের গোপন সহযোগিতা পেতেন। রক্তক্ষয়ী নয়মাস মুক্তিযুদ্ধের শেষে টঙ্গীতে ফিরে আসেন বিজয়ীর বেশে।
১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশেই ছিলেন,তারপর নিজ দেশ অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যান। তিনিই একমাত্র বিদেশী বাংলাদেশী যিনি মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য "বীর প্রতীক" খেতাব পান। তার নাম "উইলিয়াম এ এস ঔডারল্যান্ড" । যিনি একজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক। ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ার পার্থের হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
❤❤❤
সংগ্রহীত।
Clique aqui para solicitar o seu anúncio patrocinado.
Localização
Categoria
Entre em contato com a escola/colégio
Website
Endereço
Lisbon