14/06/2026
দুইবার বা একাধিকবার বিয়ে হওয়া একজন নারী জান্নাতে কোন স্বামীর সঙ্গে থাকবেন? এই প্রশ্নের উত্তর অনেকেই জানতে চান।
মূল বক্তব্য:
পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, জান্নাতে মুমিনদের তাদের নেককার পরিবার-পরিজনের সঙ্গে একত্রিত করা হবে। তবে একাধিক স্বামী থাকা নারীর ক্ষেত্রে কোরআনে সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট ঘোষণা নেই।
এ বিষয়ে ইসলামি আলেমদের কয়েকটি মতামত পাওয়া যায়।
কিছু আলেম বলেন, সেই নারীকে পছন্দের সুযোগ দেওয়া হবে। তিনি এমন স্বামীকে বেছে নেবেন, যার সঙ্গে তার সম্পর্ক সবচেয়ে সুন্দর ছিল।
আবার অন্য একটি মত অনুযায়ী, তিনি তার শেষ স্বামীর সঙ্গে জান্নাতে থাকবেন।
আরেকটি বর্ণনায় এসেছে, নারী সেই স্বামীকে বেছে নেবেন, যিনি দুনিয়াতে তার সঙ্গে সবচেয়ে উত্তম আচরণ করেছিলেন।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জান্নাতে কোনো আফসোস, কষ্ট বা অপূর্ণতা থাকবে না। আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক জান্নাতবাসীকে এমন সুখ ও সন্তুষ্টি দান করবেন, যাতে তাদের হৃদয়ে কোনো অভাববোধ অবশিষ্ট না থাকে।
ইসলাম সম্পর্কে এমন তথ্যবহুল ভিডিও পেতে পেজটি ফলো করুন এবং ভিডিওটি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন।
11/06/2026
সুস্মিতা আল্লাহর ইচ্ছা দুই রকম। এই দুইটা না বুঝলে তুমি কোনোদিন ইসলাম বুঝবে না। আজ পুরোটা ভেঙে দিচ্ছি।
প্রথম ইচ্ছা, আল্লাহ যা চান তা হবেই। কেউ আটকাতে পারবে না। আরবিতে বলে ইরাদাহ কাওনিয়া এটা আল্লাহর সৃষ্টিগত ইচ্ছা। এটা কারো ক্ষমতা নেই থামানোর।
উদাহরণ
মৃত্যু। প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে। সুরা আলে ইমরান ৩:১৮৫। তুমি যত বড় ডাক্তার হও, যত টাকা থাকুক, মৃত্যু আসবেই। এটা আল্লাহ চান, তাই হয়।
দিন রাত, সূর্য চাঁদ। আল্লাহ বলেন, সূর্য তার নির্দিষ্ট কক্ষপথে চলে, চাঁদের জন্য মঞ্জিল নির্ধারণ করেছি। সুরা ইয়াসিন ৩৬:৩৮-৩৯। তুমি চাইলেও সূর্যকে থামাতে পারবে না।
কিয়ামত। এটা হবেই কেউ থামাতে পারবেনা। সুরা হজ ২২:৭।
এগুলো আল্লাহর প্রথম ইচ্ছা। এখানে মানুষের কোনো স্বাধীনতা নেই এগুলো কেউ থামাতে পারবে না।
এরপরে আল্লাহর দ্বিতীয় ইচ্ছা
আল্লাহ যা পছন্দ করেন না কিন্তু হতে দেন। আরবিতে বলে ইরাদাহ শরইয়া
এটা আল্লাহর বিধানগত ইচ্ছা। এখানে আল্লাহ মানুষকে স্বাধীনতা দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন। কারণ দুনিয়া পরীক্ষার হল।
আল্লাহ বলেন, যিনি মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমাদের পরীক্ষা করেন কে কর্মে উত্তম। সুরা মুলক ৬৭:২
আল্লাহ বলেন, আমি মানুষকে পথ দেখিয়েছি, হয় সে কৃতজ্ঞ হবে না হয় অকৃতজ্ঞ। সুরা ইনসান ৭৬:৩
উদাহরণ
১. চুরি। আল্লাহ চুরি হতে দেন, কিন্তু তিনি চুরি পছন্দ করেন না। তিনি বলেন চোরের হাত কাটো। সুরা মায়িদা ৫:৩৮। যদি তিনি পছন্দ করতেন তাহলে শাস্তি দিতেন না।
২. ধর্ষণ ও ব্যভিচার। আল্লাহ এটা হতে দেন, কিন্তু তিনি বলেন ব্যভিচারের কাছেও যেও না। সুরা ইসরা ১৭:৩২। নবীজি ﷺ ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। তিরমিজি ১৪৫৪।
৩. খুন। আল্লাহ খুন হতে দেন, কিন্তু তিনি বলেন একজনকে হত্যা করা মানে পুরো মানবজাতিকে হত্যা করা। সুরা মায়িদা ৫:৩২।
৪. শিরক মূর্তিপূজা। আল্লাহ এটা হতে দেন, কিন্তু তিনি বলেন নিশ্চয়ই শিরক সবচেয়ে বড় জুলুম। সুরা লুকমান ৩১:১৩।
মূর্তি পূজা হচ্ছে স্রষ্টার সাথে অংশীদার বানানো শিরিক বলে ভয়ানক পাপ।
৫. মিথ্যা বলা, ঘুষ খাওয়া, জুলুম করা। সব আল্লাহ হতে দেন, কিন্তু তিনি বলেন আল্লাহ জালিমদের পছন্দ করেন না। সুরা আলে ইমরান ৩:৫৭।
তাহলে আল্লাহ কেন থামান না
কারণ যদি আল্লাহ দ্বিতীয় প্রকারের সব খারাপ কাজ সাথে সাথে থামিয়ে দিতেন তাহলে পরীক্ষা থাকতো না।
চিন্তা করো, যদি কেউ চুরি করতে হাত ব
সুস্মিতা আল্লাহর ইচ্ছা দুই রকম। এই দুইটা না বুঝলে তুমি কোনোদিন ইসলাম বুঝবে না। আজ পুরোটা ভেঙে দিচ্ছি।