Tips School

Tips School

Share

আমাদের এই পেইজে দৈনন্দিন জীবনে চলার অনেক রকম টিপস পাবেন।
We will post lots of tips what we need in our daily life. Please like and Share our page.

10/05/2020

#সালাতের_পরই_উঠে_যাওয়া_উচিত_নয়। হাদিসে এসেছে, "যখন কোন মুসলিম সালাত আদায় করার পর তার সালাতের স্থানে বসে থাকে, তখন ফেরেশতাগণ অনবরত তার জন্য দু'আ করতে থাকেন— "হে আল্লাহ্! এই ব্যক্তিকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ্! এই ব্যক্তিকে রহমত করুন।" (এভাবে তারা বলতেই থাকেন) যতক্ষণ না সেই ব্যক্তি অযু নষ্ট করে বা তার স্থান থেকে উঠে যায়।" [সহিহ ইবনে খুযাইমা: ১/৩৭২, সহিহ আত তারগিব: ১/২৫১; হাদিসটির সনদ সহিহ]

অভ্যাস করতে পারেন কয়েকটি সহজ যিকর দিয়ে—

🍄রাসূসুল্লাহ (সাঃ) প্রত্যেক ফরয নামায শেষে প্রথমে আল্লাহু আকবার তারপর ার_আসতাগফিরুল্লাহ্‌ বলতেন।

_|মুসলিম,১২২২|_

🍄 #তারপর_এই_দোয়া:

اللّٰهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ، وَمِنْكَ السَّلاَمُ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكْرَامِ

উচ্চারণঃ #আল্লা-হুম্মা আনতাস্ সালা-ম, ওয়া মিনকাস্ সালা-ম, তাবা-রক্তা ইয়া যালজালা-লি ওয়াল-ইকর-ম

অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি শান্তিময়। আপনার নিকট থেকেই শান্তি বর্ষিত হয়। আপনি বরকতময়, হে মহিমাময় ও সম্মানের অধিকারী! [মুসলিম ১/৪১৪, নং ৫৯১]

🍄 #প্রত্যেক_ফরজ_নামাজের_পর_আয়াতুল_কুরসি পাঠ করুনঃ

আবু উমামাহ (রাযি.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

“যে ব্যাক্তি প্রতেক ফরয নামাযের পর আয়াতুল কুরসি পড়বে তার জন্য জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ব্যতিত আর কোন বাঁধা থাকবে না।” (নাসায়ী হা/ ৯৪৪৮ তাবারানী ৭৮৩২)

🍄 #প্রত্যেক_ফরজ_নামাজের_পর_তিন_তাসবিহ_পাঠ_করুনঃ

৩৩ বার سُبْحَانَ اللّٰهِ সুবহানাল্লাহ

৩৩ বার الْحَمْدُ لِلّٰهِ আলহামদুলিল্লাহ

৩৩ বার اللّٰهُ أَكْبَرُ আল্লাহু আকবার

আর একশত পূর্ণ করার জন্য বলবে-

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণঃ লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বদীর।

অর্থঃ একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সকল প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

তার পাপ সমুহ মাফ হয়ে যাবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার মত হয়।” (সহীহ মুসলিম হা/১২৩০)

🍄 #অধিকহারে_দুরুদ_পড়ুনঃ

#দরুদ_শরীফ_১০_বার,ফজর ও মাগরিবের পর। কেয়ামতের দিন রাসূল (সা:) এর শাফা'আত লাভ করবে।

আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণিত, রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, من نسي الصلاة عليّ خطئ طريق الجنة “যে ব্যক্তি আমার উপর দুরুদ ভুলে গেল, সে জান্নাত ভুলে গেল। (ইবনু মাজাহ হা/৯০৪)

🍄 #সূরা_ইখলাস, ফালাক্ব ও সূরা নাস, প্রত্যেকটি ৩ বার

করে, ফজর ও মাগরিবের পর। রাসূল (সা.) বলেন, সকাল-সন্ধ্যায় এগুলো পাঠ করলে তোমার আর কিছুরই দরকার হবে না।

🍄 #ফজর ও মাগরিবের পর ৭ বার পড়বে -

- ﺃﻟﻠﻬﻢ ﺃﺟﺮﻧﻲ ﻣﻦ ﺍﻟﻨﺎﺭ

উচ্চারনঃ আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার।

অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দাও”

🍄 #জাহান্নাম_থেকে_আশ্রয়_এবং_জান্নাত চাওয়ার দোআ: সকাল ও সন্ধায় ৩ বার করে:

اللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

উচ্চারনঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ‘উযু বিকা মিনান্নার।

অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই

[আবূ দাউদ, নং ৭৯২; ইবন মাজাহ্‌ নং ৯১০। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩২৮]

🍄 #সাইয়েদুল_ইস্তিগফার-বা আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দোয়াঃ

এই দোয়া সকালে পড়ে রাতের আগে মারা গেলে অথবা রাতে পড়ে সকালের আগে মারা গেলে সে জান্নাতে যাবে। [বুখারী-৬৩০৬]

🍄 #দুনিয়া_ও_আখেরাতের_সকল_চিন্তাভাবনার জন্য আল্লাহ্ই যথেষ্ট হবেন---ফজর ও মাগরিবের পর ৭ বার পড়বেঃ

حَسْبِيَ اللّٰهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ

উচ্চারণঃ হাসবিয়াল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুয়া, ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়াহুয়া রব্বুল ‘আরশিল ‘আযীম।

অর্থঃ আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আমি তাঁর উপরই ভরসা করি। আর তিনি মহান আরশের রব্ব। [আবূ দাউদ ৪/৩২১]

🍄 #কোনো_কিছু_তার_ক্ষতি_করতে_পারবে_না [ফজর ও মাগরিবের পর তিন বার বলবে]----

بِسْمِ اللّٰهِ الَّذِيْ لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِيْ الْأَرْضِ وَلاَ فِيْ السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْمُ

উচ্চারণঃ বিস্‌মিল্লা-হিল্লাযী লা ইয়াদ্বুররু মা‘আস্‌মিহী শাইউন ফিল্ আরদ্বি ওয়ালা ফিস্ সামা-ই, ওয়াহুয়াস্ সামী‘উল ‘আলীম।

অর্থঃ আল্লাহ্‌র নামে; যাঁর নামের সাথে আসমান ও যমীনে কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।”

[আবূ দাউদ, ৪/৩২৩, নং ৫০৮৮; তিরমিযী, ৫/৪৬৫, নং ৩৩৮৮]

🍄 #কিয়ামতের দিনে আল্লাহর সন্তুষ্টি [ফজর ও মাগরিবের পর তিন বার বলবে]----

رَضِيْتُ بِاللّٰهِ رَبًّا، وَبِالْإِسْلاَمِ دِيْنًا وَّبِمُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَبِيًّا

উচ্চারণঃ রদ্বীতু বিল্লা-হি রব্বান, ওয়াবিল ইসলা-মি দীনান, ওয়াবি মুহাম্মাদিন সল্লাল্লা-হু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামা নাবিয়্যান

অর্থঃ আল্লাহকে রব, ইসলামকে দীন ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নবীরূপে গ্রহণ করে আমি সন্তুষ্ট।

[আহমাদ ৪/৩৩৭; নং ১৮৯৬৭; নাসাঈ]

🍄🍄 #এছাড়া আমরা দৈনিক অন্যান্য তাসবীহ গুলো পড়বো [এগুলো আমরা দিনের যে কোন সময় পড়তে পারবো] যেমনঃ

🍄 #লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ-১০০ বার

🍄 #লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নী কুংতু মিনায-যোয়ালিমীন-১০০ বার।

🍄 #লা হাওলা ওয়া কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ-১০০ বার

🍄 #সুব্‌হানাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী, সুব্‌হানাল্লা-হিল ‘আযীম-১০০ বার

🍄 #লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলক ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বদীর-১০০ বার

🍄 #আসতাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহি-১০০ বার

🍄 #প্রতি রাতে সুরা বাকারার শেষ ২ আয়াত পাঠ করা।

“যে ব্যক্তি সূরা বাকারার শেষের দুটি আয়াত পাঠ করবে, সে রাত তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে” [বুখারী-৪০০৮,/মুসলিম-৮০৭]
🍄 #প্রতি রাতে সুরা মুলূক পাঠ করা।

সংগৃহীত *

15/04/2020

💥💥করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ১৫ মিনিট পর পর পানি পান করুন। ভাইরাস শরীরে ডুকে গলায় অন্তত ২-৪ দিন অবস্থান করে,তখন গলা ব্যাথা অনুভব হয়।চিকিৎসকরা বলছেন এ সময় অল্প অল্প করে বিশুদ্ধ পানি পান করুন গলা ভিজিয়ে রাখুন। যাতে ভাইরাস ফুসফুসে ডুকতে না পারে । বিশুদ্ধ পানি পান করার কারণে করোনা ভাইরাস পাকস্থলীতে চলে গেলে এটা আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা।

১/ হালকা বিশুদ্ধ গরম পানিতে লবণ মিশ্রিত করে কুলি এবং গলগলা করুন নিয়মিত।

২/ 🐉 ভাইরাস বেঁচে থাকে ১- ৩ দিন ধাতব জিনিসের উপর, কাপড়ে ১ দিন ও ত্বকের উপর ২০ মিনিট । তাই দরজার হাতল , ছিটকিনি জীবাণুৃুমুক্ত করুন । বাহিরে গেলে ঘরে এসে অবশ্যই কাপড় ধুয়ে নিন এবং গোসল করে নিন।

৩/ 🍶এক চা চামচ ব্লিচিং পাওডার ১০লিটার পানিতে মিশিয়ে সলিউশন তৈরি করুন। চট্টগ্রামে জুবিলী রোড হতে ২৫-৩৫ টাকা দিয়ে বোতল এর স্প্রে কিনে দরজার হাতল, ছিটকিনিতে এবং ফার্নিচারে স্প্রে করুন।

৪ / 👏 নিয়মিত বারবার হাত ধুয়ে নিন কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সময় দিবেন। টাকা হাতে নিলে অবশ্যই হাত ধুয়ে নিন।

৫ /🍛 খাবার এর প্লেট, গ্লাস এবং হাত খাওয়ার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। যদি লাইনের পানি দিয়ে ওয়াশ করেন তবে, লাইনের পানি প্লেইটে অথবা গ্লাসে ফোটা ফোটা লেগে থাকে যেখানে থেকে যায় জীবাণু যা খালি চোখে দেখা যায়না।

৬/ 🍓 পাশাপাশি প্রতিদিন লেবু,গাজর,টমেটো,মধু, খেজুর, ফলমূল প্রথমে লাইন এর পানি এবং পরে আবার বিশুদ্ধ পানি দিয়ে ধুয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

আমরা সবসময় যে ভুলটা করি, আপেল, আঙ্গুর, শসা এবং বিভিন্ন ফলমূল শুধু লাইনের পানি দিয়ে ধুয়ে খেয়ে থাকি। এটা মোটেও ঠিক নয়।

৭/ বিভিন্ন হোটেলে,রেষ্টুরেন্টে বিশেষ করে শসা লাইনের পানি নিয়ে ধুয়ে থাকে । এই কারনে সব খাবার বিশুদ্ধ হলেও শসা খাওয়ার কারণে মানুষ অসুস্থ হয়ে পরে।
তাই সবকিছু বিশুদ্ধ পানিতে ধুয়ে খেতে পারলে অনেক নিরাপদে থাকা যাবে।

৮/💊মহামারীর সময় মধু দিয়ে সামান্য কালো জিরা বিশুদ্ধ পানি দিয়ে ধুয়ে খেতে পারলে ভাইরাস হইতে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।

৯/ নিয়মিত কালো জিরা যুক্ত খাবার, যেমন নিমকি বিস্কুট, নিমকি, বংগজ বিস্কুট খেতে পারেন। কারণ কালোজিরে অনেক বেশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

১০ /💧প্রতিদিন যদি ৩ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করা যায় তবে শরীরে অনেক বেশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যে ক্ষমতা করোনার বিরুদ্ধে ফাইট করতে অনেক বেশি সহায়তা করবে।

১১/ ‍🎧 আপনি শুনলে অবাক হবেন বাজার থেকে যে ফিল্টার ৫০০-২৮৫০ টাকা দিয়ে ক্রয় করে উপরে পানি ঢেলে দিয়ে পানি ফিল্টার করি, এই ফিল্টার কোনভাবে ১০০% বিশুদ্ধ পানি দিতে পারেনা।

বিশ্বাস না হলে ১ বোতল পানি নিয়ে অফিসে এসে ফ্রী পরীক্ষা করে দেখুন।

পাশাপাশি ঐ ধরনের ফিল্টার কোনভাবে পর্যাপ্ত পানি দিতে পারেনা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী।

১২/ 🖥 বাসায় দামি ফার্নিচার, টিভি, ফ্রিজ ত রয়েছে।

পাশের বাসার ভাবি ৩০ হাজার টাকা দিয়ে টিভি নিছে আমাদের ৪০ হাজার টাকা দিয়ে নিতে হবে, ফ্রিজ নিতে হবে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে। 🏇 প্রতিযোগিতা চলছেই চলছে।

১২-১৮ হাজার টাকায় ওয়াটার ফিল্টার নিতে অবহেলা করবেন কেন ? 🚑 যেটা আপনার পরিবারকে দিবে সুস্থ থাকার নিশ্চয়তা এবং চিকিৎসা খরচকে নিয়ে আসবে শূন্যের কোটায়। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই একমাত্র উপায় করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে হলে।
Collected

13/04/2020

বিশ্বাস করা যায়ঃ ?? !!

অবৈধ ম্যাক্সিকানদের আগমন ঠেকাতে ট্রাম্প দেয়াল তৈরি করেন। এখন ম্যাক্সিকান সরকারই আমেরিকানদের আগমন ঠেকাতে বর্ডার বন্ধ করে দেয়। কে কাকে আসলে নিয়ন্ত্রণ করে!!!!

বিশ্বাস করা যায়ঃ

সোমালিয়ায় অবস্থানরত ইতালিয়ান ডেলিগেশন সোমালিয়ায় অবস্থানের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও ইতালি ফেরত আসলেন না। বললেন-সোমালিয়ায় অবস্থানের ভিসার মেয়াদ বাড়াতে। আর সোমালিয়ার প্রধানমন্ত্রী বৃটেনে ফিরলেন। সেখানেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন।

বিশ্বাস করা যায়ঃ

জি ২০ এর সম্মেলনে বলা হয়েছিলো- সামরিক শক্তিতে আর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে আমাদেরকে পরাভূত করার মতো কেউ নেই।

মাত্র তিন মাসের মাথায় অর্থনৈতিক ক্রাশের ভয়ে খোদ জার্মানের অর্থমন্ত্রীই সুইসাইড করলেন। আজ এই বৃহৎ শক্তি আতঙ্কিত।

বিশ্বাস করা যায়ঃ

কোনো একটি গুলি, বোমা ছাড়াই পৃথিবীর প্রায় ৬ বিলিয়ন মানুষ ঘরে বন্দি হয়ে থাকবে।

বিশ্বাস করা যায়ঃ

উপাসনালয়গুলো খালি পড়ে থাকবে। ডাক্তার রোগী দেখতে অস্বীকার করবে।

বিশ্বাস করা যায়ঃ

অসুস্থ প্রিয়জনের শয্যাপাশে প্রিয়জন থাকবেনা। প্রিয়জনের শেষ ফিউনারালে প্রিয়জন অংশ নিবেনা।

বিশ্বাস করা যায়ঃ

নিষিদ্ধ হিজাবের দেশে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক হবে।

বিশ্বাস করা যায়ঃ

বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাহচর্য পেতে যেখানে সবাই উন্মুখ। সেই বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীকে ছেড়ে তাঁর সেক্রেটারি পেছনের দরজা দিয়ে দৌড়ে পালাবে।

বিশ্বাস করা যায়ঃ

মাত্র দু'মাস আগে মরক্কো হয়ে অবৈধ অভিবাসীরা বোটে চড়ে স্পেনে প্রবেশ করছিলো। এখন স্পেনিশরাই বোটে চড়ে মরক্কো প্রবেশ করছে।

বিশ্বাস করা যায়ঃ

২০২০ সালে মানুষ বলেছিলো গাড়ি আকাশে উড়াবে। এখন সেই মানুষ ঘরে বন্দি হয়ে হাত ধোয়া শিখছে।

বিশ্বাস করা যায়ঃ

করোনায় আক্রান্ত রোগী সারভাইভ করছে। আর ডাক্তার মারা যাচ্ছে।

বিশ্বাস করা যায়ঃ

যুদ্ধ জয়ের জন্য যে মিলিটারিকে একত্রিত করা হয়। এখন বাঁচার জন্য তাদের প্রত্যেককে আলাদা করা হচ্ছে।

মাত্র তিনমাস আগে এইসব কথাগুলো যদি বলা হতো- তবে কে বিশ্বাস করতো। সামান্য এক অদেখা ক্ষুদ্র ভাইরাস পৃথিবীর সব হিসাব নিকাশ আর চিরায়ত বিশ্বাসকে ভেঙ্গে একেবারে চুরমার করে দিয়েছে।

সংগৃহীত।

12/04/2020

#ব্রেকিং_নিউজ
তারিখঃ ১২-০৪-২০২০
নতুন শনাক্ত ১৩৯; মোটঃ ৬২১;
২৪ ঘন্টায় আরো ৪ জনের মৃত্যু; মোট মৃত্যুঃ ৩৪ সূত্রঃ IEDCR 😥

আল্লাহ আমাদের শেষ বারের মতো ক্ষমা করে দাও। আমিন 😥🤲

12/04/2020

কপালপোড়া নাস্তিকদের অপপ্রচার ও আমাদের কিছু প্রশ্ন:

নাস্তিকরা প্রচার করছে:

'যদি বেঁচে যাও এবারের মত
যদি কেটে যায় মৃত্যুর ভয়
জেনো রেখো বিজ্ঞান লড়েছে একা
কোন মন্দির-মসজিদ নয়'।

ওদের কাছে আমার প্রশ্ন:

১. ধরে নিলাম, বিজ্ঞান লড়ে তোমাদেরকে এবারের মত বাঁচিয়ে দিলো, তার অর্থ কি তোমরা কোন দিন মরবে না?
বিজ্ঞান কি তোমাদেরকে অনন্তকাল বাঁচাতে পারবে?
তাহলে তোমরা কোন বিজ্ঞানের দয়ার কথা বলছো?
মনে রেখো, করোনায় মৃত্যুর সম্ভাবনা হয়তো ৫% কিন্তু বাস্তবে মৃত্যুর সম্ভাবনা ১০০%।
কোন বিজ্ঞান আর বিজ্ঞানী বাঁচাবে তোমাদের ?
২. তোমরাতো বিশ্বাস করো, বিজ্ঞানের ক্ষমতাই চুড়ান্ত। তাহলে আবার যদি শব্দের ব্যবহার করছো কেন?
তাহলে কি বিজ্ঞানের ক্ষমতার ব্যাপারে তোমাদের সন্দেহ সৃষ্টি হতে শুরু করেছে। বিজ্ঞান সব কিছু পারে না, এটা তোমরা মনে মমে তাহলে বিশ্বাস করো?
৩. যেই বিজ্ঞান নিয়ে এতদিন তোমরা বড়াই করতে, সেই বিজ্ঞান যে আজ অসহায়, তা কি তোমাদের চোখে ধরা পড়ে না? একটি প্রাণী আছে, না পারলেও দূরে গিয়ে গেউ গেউ করে।
৪. কোন বিজ্ঞানের কথা বলছো:
ক. কোয়ারেন্টাইন বিজ্ঞান?
খ. লগডাউনের বিজ্ঞান?
গ. হাত ধোয়ার বিজ্ঞান?
ঘ. ঔষধ তৈরির বিজ্ঞান?
ঙ. পিপিই তৈরির বিজ্ঞান?
এ সব বিজ্ঞানের আবিষ্কারক কারা? একটু ইতিহাস খুঁজে সত্য জেনে নাও।
এসবই কি মুসলমানদের আবিষ্কার নয়?
দেড় হাজার বছর আগে বিশ্বনবী (স.) যা বলেছেন, করেছেন, তার সাহাবীরা যা অনুশীলন করেছেন, ইসলামের স্বর্ণযুগের বিজ্ঞানীরা যা দিয়েছেন, সে গুলো সম্বল করে আধুনিক বিজ্ঞান শ্বাস-নিঃশ্বাস গ্রহণ করছে, তা জানার মত, সত্য মানার মত জ্ঞান তোমাদের আছে ?

৪. না কি অন্য কোন বিজ্ঞানের কথা বলছো?
ক. ভাইরাস বিজ্ঞান? তাহলেতো বিজ্ঞানকেই আসামীর কাঠ গড়ায় দাঁড়াতে হবে। যদি সত্য হয় যে, এটি জীবানু অস্ত্র, চায়নার তৈরি। তাহলেতো বিজ্ঞানকে স্যালুট নয়; মানুষ বিজ্ঞানকে ঐভাবে ছুড় মারবে, যেভাবে নাস্তিকদের ছুড়ে মারে।
খ. নাকি ঐ বিজ্ঞান যা মানুষকে বানিয়েছে:
- পশুর চেয়ে নিকৃষ্ট ভোগবাদী
-খুলে দিয়েছে অবাধ যৌনতার সর্বনাশা দুয়ার
- দিয়েছে নিত্য নতুন মাদকতার সন্ধান
- মানুষকে করেছে জানোয়ারের মত নগ্ন
- আর তোমাদেরকে বানিয়েছে মূর্খ নাস্তিক
-শিক্ষাঙ্গনে ছড়িয়েছে ছাত্র নামের কিছু নরঘাতক
ঐ বিজ্ঞানের কোন প্রয়োজন আমাদের নেই।

৫. মুমিনরাতো আল্লাহর উপর ভরসা করে, তাঁর রহমতের প্রত্যাশা নিয়ে বেঁচে থাকে। মৃত্যুর পর জান্নাতের আকাংখায় শত বেদনা আর বিপর্যয়ের মাঝেও আনন্দ ও আশ্রয় খুঁজে পায়।

মুমিন জানে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে, স্রষ্টার ইবাদাত করার জন্য,
মুমিন জানে পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর দেয়া নিয়ামত,
মৃত্যুর পর তাকে চলে যেতে হবে, সেই স্রষ্টার কাছে।
তাই মুমিনের জীবনে- কোথা থেকে? কেনো?? কোথায়??? এই তিনটি প্রশ্নের উত্তর আছে।
কিন্তু তোমরা জানো না তোমাদের অস্তিত্বের উৎস কি?
কেন বেঁচে আছো? কার নিয়ামত খাচ্ছ? কোথায় যাবে? কিছুই জানো না। উদ্দেশ্যহীন মানুষের চেয়ে কি এক জোড়া জুতা উত্তম নয়? কারণ তারও একটা উদ্দেশ্য আছে।

৬. প্রকৃত বিজ্ঞান কি সত্যপরিপন্থী হয়? সত্যের সাথে সত্যের কোন দ্বন্দ্ব থাকে? কুরআনের চেয়ে বড় বিজ্ঞান কি আছে পৃথিবীতে? কুরআন বিরোধী যা কিছুকে তোমরা বিজ্ঞান বলো, তা কোন বিজ্ঞান নয়? সেগুলো ই মূর্খতা। সময় থাকলে ড. মরিস বুকাইলির বইটি পড়তে পারো। বিজ্ঞানের সমস্ত প্রতিষ্ঠিত আবিষ্কার ও তথ্য কুরআনে প্রদত্ত সত্য ও তথ্য বিরোধী নয়। ভালো করে পড়ে দেখ।

৭. আমার বন্ধু, কানাডা নিবাসী DrMasum Sarker Azhariজবাবটুকু কি তোমাদের জন্য যথেষ্ট নয়?

"যদি বাচিয়ে দেন প্রভু এবারের মত
কাটিয়ে দেন তব মৃত্যুর ভয়
মনে রেখো, তা কেবল প্রভুর দয়ায়
বিজ্ঞানের অবদানে নয়।

৮. জাতির এই ক্লান্তিকালে আমরা দেখছি, ডাক্তার, পুলিশ, প্রশাসন লড়ছেন। লড়ছেন সমাজের ঈমানদার মুসলিমগণ ক্ষুধার্ত মানবতার সেবার জন্য।
এই লড়াইয়ে নাস্তিকরা কোথায়? ওদের বিজ্ঞান কোথায়?
মৃত্যুর ভয়ে ঈঁদুরের গর্তে লুকায়নিতো?
ওখান থেকে মিডিয়া নাস্তিক্যবাদ চালাচ্ছেনাতো?

আফসোস, তোমাদের জন্য, দুনিয়াতেও কোন দিন মনে শান্তি পেলে না, মৃত্যুর পরেও পাবে না। অস্তিত্বের রহস্যই জানতে পারলে না। হায়রে কপাল পোড়ার দল।

মহান সেই স্রষ্টা যিনি ঘোষণা করেছেন:
﴿ أَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ تَبَارَكَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ ﴾ [الأعراف: 54].

শুনে রেখ, তাঁরই কাজ সৃষ্টি করা এবং আদেশ দান করা। আল্লাহ, বরকতময় যিনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক। [সুরা আরাফ: ৫৪]

দুআ: আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের কে হিদায়াত দান করুন।
Copy post..

06/04/2020

অর্থনৈতিক মন্দা এসে গেছে, প্রস্তুতি নিচ্ছেন তো?

করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা ডেকে এনেছে। মন্দার সময় মানুষ চাকরি হারায়, আয় কমে যায়। ২০০৭ ও ২০০৮ সালে বিশ্বজুড়ে যে অর্থনৈতিক মন্দা হয়েছিল, তাতে বহু প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়েছিল। মন্দার সময় পরিবারকে আর্থিকভাবে সুরক্ষায় রাখতে কিছু পরামর্শ।
মন্দা এসেই গেল। না, কোনো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বা স্বাগত জানাতে কোনো সমাবেশ নয়, অর্থনৈতিক মন্দার যাত্রা শুরু হয়েছে বিশ্বব্যাপী উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ, হোটেল পর্যটকশূন্য হয়ে যাওয়া, বিপণিবিতান ক্রেতাহীন হয়ে যাওয়া এবং কারখানা বন্ধের মধ্য দিয়ে। সব মিলিয়ে চাহিদায় ধস। আক্রান্ত মোটামুটি সব দেশ।

বাংলাদেশের রপ্তানি খাত ক্রয়াদেশ বাতিলের মুখে পড়েছে। অভ্যন্তরীণ বাজারে আগামী ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নিত্যপণ্য ও ওষুধ ছাড়া অন্যান্য পণ্যের তেমন কোনো ক্রেতা থাকবে না। ১০ এপ্রিল সবকিছু খুলবে কি না, সেটাও এখনই হলফ করে বলা যাচ্ছে না।

সব মিলিয়ে ব্যবসা বড় ধরনের সংকটে পড়ে গেছে। এতে বিপাকে বেসরকারি খাতের শ্রমিক–চাকরিজীবী, ছোট ব্যবসায়ী, হকার, রিকশা–অটোরিকশাচালক ও শ্রমজীবী মানুষেরা। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো যেহেতু এখন ভালো আয় করতে পারবে না, সেহেতু বেতন বিলম্বে হতে পারে। কেউ কেউ বিনা বেতনে বাধ্যতামূলক ছুটির মুখেও পড়তে পারেন। কেউ কেউ চাকরি হারাতে পারেন। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধও হয়ে যেতে পারে।

২০০৭ ও ২০০৮ সালে বিশ্বজুড়ে যে অর্থনৈতিক মন্দা হয়েছিল, তাতে বহু প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়েছিল। বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী মন্দা হয়েছিল ১৯২৯ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত, যাকে মহামন্দা বলে। আরেকটি মন্দার সময় ঘনিয়ে এসেছিল। তাতে ঘি ঢালছিল মার্কিন-চীন বাণিজ্যযুদ্ধ। এবার করোনাভাইরাস এসে আগুন জ্বালিয়ে দিল। আগামী কয়েক মাসে করোনাভাইরাস হয়তো নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে, কিছু অর্থনৈতিক প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী, যা দেশের ব্যবসায়ীরা বলছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাও একই কথা বলছে। যেমন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার হিসাবে করোনার কারণে বিশ্বজুড়ে আড়াই কোটি মানুষ কাজ হারাতে পারে।

এ ধরনের মন্দার সময় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকার হয়তো নানা সহায়তা দেয়। কিন্তু এত দিন যাঁরা মোটামুটি ভালো একটি চাকরি বা ব্যবসা করে স্বচ্ছন্দে জীবন যাপন করেছেন, সেই চাকরিজীবী ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষকে বিপাকে পড়তে হতে পারে। যাঁরা বেসরকারি খাতে কাজ করেন, তাঁদের ঝুঁকি বেশি। তাই এখনই নিজের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষায় কিছু কিছু পদক্ষেপ নিয়ে রাখতে হবে।

সবার আগে নিজের ক্রেডিট কার্ডে ঋণ থাকলে সেটা পরিশোধ করে দিন। বাংলাদেশে ক্রেডিট কার্ডের সুদহার অনেক বেশি। পরে সময়মতো পরিশোধ না করতে পারলে বড় অঙ্কের মাশুল গুনতে হবে। যদিও কোনো কোনো ব্যাংক এখন ছাড় দিচ্ছে। এরপর পুরো লেখাটি পড়ুন। এবার আসুন, মন্দা কী, সেটার আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা জেনে নিই। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ব্যুরো অব ইকোনমিক রিসার্চ বলছে, মন্দা হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়া এবং সেটা কয়েক মাস স্থায়ী হওয়া। মূল বিষয় হলো, মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) কমে যাবে, শিল্পের উৎপাদন কমবে, পণ্য বিক্রি কমবে। মানুষের জীবনের ওপর প্রভাব হলো, আয় কমে যাবে।

মন্দা (রিসেশন) যখন দীর্ঘায়িত হয়, তখন সেটা পরিণত হয় মহামন্দায় (ডিপ্রেশন)। অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন, মন্দা একটা নির্দিষ্ট সময় পর ঘুরেফিরে আসে। আবার যুদ্ধ, বাজে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, রোগ ইত্যাদির কারণে মন্দা হতে পারে।

বিখ্যাত মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস গত অক্টোবর মাসে একটি লেখা প্রকাশ করেছে, যেখানে মন্দা থেকে নিজেকে রক্ষায় কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়।

যার প্রথমটি হলো জরুরি তহবিল তৈরি। দায়িত্বশীল মানুষেরা মোটামুটি ছয় মাসের জন্য নিজের পরিবার চালানোর অর্থ নিজের কাছে রাখেন। আপনি ছয় মাস না পারলেও তিন মাসের সমপরিমাণ অর্থ অন্তত রাখুন। ফোর্বস বলছে, এখন যে কাজটি আপনি সবচেয়ে জরুরি ভিত্তিতে করতে পারেন, সেটি হলো তহবিল গঠন এখনই শুরু করা। মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের অংশ হিসেবে যে ব্যাংকে আপনার বেতন হয়, সেখানে গিয়ে সঞ্চয়ী হিসাব (ডিপিএস) খুলতে পারেন। বেতন হলেই ব্যাংক জমা খাতে টাকা কেটে রাখবে। যেহেতু হাতে আসবে না, সেহেতু খরচের সুযোগ নেই।

এমন যদি হয়, আপনার বেতন বা আয় ততটা বেশি নয় যে কয়েক মাসের মধ্যে বেশ ভালো পরিমাণে অর্থ জমিয়ে ফেলতে পারবেন, তাহলে আপনার জন্য ফোর্বসের দ্বিতীয় পরামর্শ। এটি হলো খরচ কমিয়ে ফেলা। বেতনের ১০ থেকে ২০ শতাংশ অর্থের সমপরিমাণ খরচ কমিয়ে ফেলা তেমন কঠিন কাজ নয়। এ জন্য আপনার খরচের একটি তালিকা করে ফেলুন। সেখান থেকে কোন কোন খরচ কমানো যায়, সেটি খুঁজে বের করুন। বাসা ভাড়া ও নানা সেবার বিল বাবদ স্থায়ী খরচ কত, বাজার খরচ কত, ছেলে-মেয়ের শিক্ষার খরচ কত, নিজের খরচ কত—এসবের পূর্ণাঙ্গ তালিকা থাকলে আপনি কোথায় কোথায় খরচ কমাতে পারবেন, তা ঠিক বের করে ফেলতে পারবেন। আপনার যদি ভালো অঙ্কের একটি জরুরি তহবিল থাকে, তাহলে খরচ বেশি কমানোর দরকার নেই। যদি তহবিল হয় ভাড়ে মা ভবানী, তাহলে নির্দয়ভাবে খরচ কমানো ছাড়া আপনার কীই–বা করার আছে।

ফোর্বসের পরের পরামর্শটি হলো, আপনি যে চাকরি বা ব্যবসা করেন, সেটি যদি হারানোর ঝুঁকি থাকে, তাহলে ভিন্ন পথ এখনই দেখুন। মন্দা এসে গেলে প্রতিষ্ঠান বন্ধের সহজ শিকার হওয়ার দরকার নেই। ফোর্বসের লেখায় পরামর্শগুলো দিয়েছেন আর্থিক পরামর্শক লিজা ফ্রেজিয়ার। মনে রাখবেন, কোম্পানি যখন দেউলিয়া হয়, তখন আর্থিক পরামর্শকেরও চাকরি থাকে না। আবার বাংলাদেশের পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ধসের সময় কত টাকা খুইয়েছেন, কান পাতলে সেটাও শোনা যায়। তাই নিজের বিবেচনা ও অভিজ্ঞতায় নিজের প্রস্তুতি ও সিদ্ধান্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

২০১৮ সালের নভেম্বরে ফোর্বসেই মন্দার সময় ব্যক্তিগত বিনিয়োগ নিয়ে আরেকটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল, শিরোনাম ছিল ‘নেক্সট রিসেশন ইজ কামিং, হেয়ার ইজ হাউ টু প্রটেক্ট ইউর পোর্টফোলিও​’। এতে লেখক জন ই গিরোয়ার্দ বলেন, আগে হিসাব করুন কয়েক বছর চলতে আপনার কত টাকা লাগতে পারে। সেই টাকায় বন্ডের মতো বিভিন্ন সঞ্চয় স্কিমে রাখুন (বাংলাদেশে হতে পারে সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংকে রাখা)। গিরোয়ার্দের মতে, নিরাপদে রাখা টাকার বাইরে বাকি অর্থ নিয়ে ঝুঁকি নেওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করুন। পাঁচ বছরের জন্য করলে দেখবেন মুনাফা ভালো আসছে।

ব্যক্তিগতভাবে আমার ভালো লেগেছে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম সিএনবিসির ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজার কাউন্সিলের সদস্য বোনপার্থের একটি পরামর্শ। গত আগস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তিনি মন্তব্য করেন, শেয়ারবাজারের উত্তাপ-শীতলতা পরিবার থেকে দূরে রাখুন। পুঁজিবাজারে ধসের কারণে সারা দিন মুখ গোমড়া করে বসে থাকবেন। স্বামী/স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করবেন, এটা হতে পারে না। কারণ, আপনার রোজগার তো পরিবারের জন্যই।

এবার আসি বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে খরচ কমানো যায় কীভাবে। মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে আমার দীর্ঘ কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। সংসারে যিনি রোজগার করেন, তিনিই নিজের স্বাচ্ছন্দ্য কমিয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় কমিয়ে ফেলেন। যেমন পরিচিত এক ব্যক্তি অফিসে যাওয়ার পথে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত হেঁটে যাওয়া শুরু করেছেন। এতে তাঁর ব্যয় কমবে ১ হাজার ৪০ টাকা। একজন তিন কক্ষের বাসা ছেড়ে দুই কক্ষের বাসা নিয়ে মাসে পাঁচ হাজার টাকা বাঁচিয়েছেন। এসব অবশ্য মন্দার কারণে নয়, তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনে ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে। মন্দাকালে কৌশলগুলো খারাপ হবে না।

এ সময়ে কোনোভাবেই বাজে খরচ করবেন না। পুরোনো হয়ে গেলেও রেফ্রিজারেটরটি আরও কিছুদিন ব্যবহার করুন। নতুন মডেলের মুঠোফোনের দিকে নজর দেবেন না। জুতা-জামা না কিনলে ভালো। খরচ বাঁচাতে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) চালানো বন্ধ রাখতে পারেন, কফি খাওয়া বাদ দিতে পারেন, বাইরে খাওয়া বাদ দিতে পারেন। বাজার খরচ কমিয়ে ফেলাটা সহজ নয়। তবু চেষ্টা করতেই হবে।

আপনার চাকরি-রোজগারের বিষয়ে স্ত্রী/স্বামী, সন্তানদের জানান। তাদেরও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে উৎসাহিত করুন। পরিবার যদি পাশে থাকে, কোনো সংকটই আসলে সংকট নয়।

Copied :- প্রথম আলো
০৬ এপ্রিল ২০২০, ১১:২২

29/03/2020

করোনা ভাইরাস কে মানুষ কতটা ভয় পায় ভিডিওটিতে দেখুন।

CoVid-19.... See people Scared how much.

Please Allah save all of us❤️❤️❤️

24/03/2020

ভাগ্য নিশ্চিত পরিবর্তনের দুয়াঃ
সব সময় মনে করতে হবে ভবিষ্যতে আমার ভাগ্যে কি আছে, আমরা জানি না, খারাপ ভাগ্য হওয়ার সম্ভাবনাও আছে-
হায়! আমার কি উপায় হবে?
তবে কখনো রহমতে ইলাহী থেকে নিরাশ হওয়া যাবে না, বরং রহমতের প্রবল আশাবাদী হয়ে ভাগ্য নিশ্চিত পরিবর্তনের এই দুয়াটি প্রতিদিন করে যেতে হবে, তাহলে ইংশাআল্লাহ ঈমানী, জান্নাতী মৃত্যু হবে, দুয়াটি হল-
اللهم اهدنا فيمن هديت و عافنا فيمن عافيت و تولنا فيمن توليت و بارك لنا فيما اعطيت وقنا شر ما قضيت فانك تقضي و لا يقضي عليك
উচ্চারণঃ আল্লহুম্মাহদিনা' ফি'মান হাদাইত ওয়া আ'ফিনা ফি'মান আ'ফাইত ওয়া তাওয়াল্লানা ফি'মান তাওয়াল লাইত, ওয়া বা'রিক লানা' ফি'মা' আআতইত ওয়া কিনা' শাররা মা' কযাইত, ফা ইন্নাকা তাকযি' ওয়া লা' ইয়ুকযা' আলাইক।

Copied: Internet Madrasah

24/03/2020

প্রবাসীদের দোষ দিয়ে লাভ কি?

আমি মনে করি বাংলাদেশে 99 পারসেন্ট মানুষ নিন্মের এই কথাগুলো বিশ্বাস করেছে-

কোন কোন ডাক্তার বলে বাংলাদেশের তাপমাত্রা বেশি তাই করোনাভাইরাস বাংলাদেশ ঢুকলেই তাপমাত্রায় মরে যাবে।

হুজুররা বলে বাংলাদেশের মাটি পবিত্র, পৃথিবীর সবচাইতে বেশি ওয়াজ মাহফিল বাংলাদেশ হয়, পবিত্র মাটির কোন মুসলমানের করোনা হবেনা।

এবং করোনাভাইরাস স্বপ্নে এসে সাক্ষাৎকার দিয়ে বলেছে বাংলাদেশের মুমিন-মুসলমানদেরকে সে সালাম দেবে, ইজ্জত করবে, সম্মান করবে।

একজন মাননীয় এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মত আল্লাওয়ালা মানুষ যে দেশে আছে সে দেশের মানুষকে আল্লাহ দেখবেন!

করোনাভাইরাস ধরবে না, এই মর্মে এত নিশ্চয়তা পাওয়ার পর যেহেতু ইতালি জার্মান আমেরিকার মত পাপীদের দেশ থেকে পবিত্র দেশে চলে আসছি, তাহলে আর অসুবিধা কি? করোনা ধরবে না, আমরা প্রবাসীরা খাবো দাবো আনন্দ ফুর্তি করব। তাহলে আর দরকার কি বেহুদা ঘরের মধ্যে নিজেকে আটকে রাখার?

Collected

22/03/2020

Every body please keep clean your house and save everyone from Viruses

Want your school to be the top-listed School/college in Kuala Lumpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Kuala Lumpur
56000