01/02/2026
১. সাইবার এটাক ইস্যুতে খেলা ঘুরে যাবে এবার। মনে রাখবেন, যে দলের জন্য লেখালেখি করি, তাদের ব্যাপারে যখন ডিফেন্ড করি, চেষ্টা করি— বুঝে শুনেই ডিফেন্ড করতে।
২. প্রায় দেড় মাস ধরে প্ল্যান করে জামাতের সোশ্যাল মিডিয়ার উপর হামলা হয়েছে। কেবল আমীরে জামাত এটার শিকার না, জামাতের একাধিক নেতা এটার শিকার।
৩. জামাতের উপর সাইবার এটাকের উদ্দেশ্য হল, নির্বাচনী কৌশল জানা এবং সে অনুযায়ী প্ল্যান সাজানো। আমীরে জামাতের বিবৃতিতে অভিযুক্ত দলটা কারা, অনেকেই বুঝার কথা।
৪. একাউন্টই না শুধু, ডিভাইসের কন্ট্রোল নেওয়া হয়েছিল। একেবারে হাইলি প্রেসাইজড সাইবার এটাক। অনেক সফল হামলা বলা যায়।
৫. কিছু লোক বলে, টেলিগ্রাম, টুইটার, এসব হ্যাক করা যায়না। হ্যান ত্যান, অথচ নরেন্দ্র মোদি, ট্রাম্পের পোলার টুইটারসহ অনেক বড় বড় ফিগারদের টুইটার হ্যাক হবার ঘটনা আছে।
৬. অনেকে প্রশ্ন করছে, হ্যাক হলে ফিরায়ে আনতে টাইম লাগে। আরে ভাই, ডিভাইসটা কন্ট্রোলে নিলে তো পাসওয়ার্ড চেইঞ্জ, ইমেইল চেইঞ্জের দরকার পড়েনা হ্যাকারের। সেক্ষেত্রে, জাস্ট পোস্ট করে, সস নিয়ে কাম সেরেছে।
৭. জামাতি লোকজন দেখল একটা পোস্ট, যেটা তারা দেয় নাই। সেটা তারা সাথে সাথে ডিলিট করল। যেহেতু, তাদের কেউ দেয় নাই, মানে একাউন্ট হ্যাক— এটাই প্রাথমিক ধারণা করেছে।
৮. পরে এক্সপার্ট এনে দেখে যে, পুরা ডিভাইস হ্যাক করা হয়েছে।
৯. কাদের ইন্ধনে, কোন অ/বৈ/ধ রাষ্ট্রের টেকনোলজিস ব্যবহার করে জামাতকে সাবোটাজ করা হয়েছে, সেটা আপনাদেরকে আশা করি বলতে হবেনা।
১০. মজার ব্যাপার হল, এম্বাসিগুলারে জামাতের ব্যাপারে নেগেটিভ ধারণা দিতে এটা করা হয়েছে। অথচ ঘটনা ঘটার পরে এম্বাসিগুলা এই সাইবার এটাকের পরে আরও নড়েচড়ে বসেছে। তাদের ধারণা, জামাত এখন বিএনপির জন্য রিয়াল হুমকি।
১১. আল্লাহর কুদরত হল, জামাতকে নিয়ে এখন পর্যন্ত যা-ই হয়েছে, তা জামাতের জন্য আল্লাহ ইতিবাচক করে দিয়েছেন। তিনি মহান, সবচেয়ে শক্তিমান।
— খালিদ মুহাম্মদ