24/04/2025
🤍
Islamic Education
24/04/2025
🤍
যারা বেশি বেশি সালাম বিনিময় করে তারা জান্নাতি।
(মুসলিম শরীফ,,,১০০)
20/07/2022
▌হারাম সহবাস: লজ্জা নয় জানা জুরুরী!
আমরা জানি, নিজ স্ত্রী ও অধিনস্ত দাসি ব্যতিত অন্যকারো সাথে সহবাসে লিপ্ত হওয়া হারাম। অথচ আমরা অনেকেই জানিনা যে, এমন কিছু সময় ও প্রন্থা রয়েছে যে সময় ও প্রন্থায় নিজ স্ত্রীর সাথে সহবাসে লিপ্ত হওয়াও হারাম।
ইসলামে নিজ স্ত্রীর সাথে সহবাস হারাম হওয়ার সময় ও প্রন্থা হচ্ছে ৩টি:
❑ [এক] হায়েজ অবস্থায়:
অনেক দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞ ব্যক্তিরা স্ত্রীর হায়েজ অবস্থাতেও সহবাসে লিপ্ত হয়। অথচ হায়েজ অবস্থায় সহবাসে লিপ্ত হওয়া সম্পুর্ণরুপে হারাম।
আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,
وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الْمَحِيضِ ۖ قُلْ هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُوا النِّسَاءَ فِي الْمَحِيضِ ۖ وَلَا تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّىٰ يَطْهُرْنَ ۖ فَإِذَا تَطَهَّرْنَ فَأْتُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ أَمَرَكُمُ اللَّهُ ۚ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ [٢:٢٢٢]
"আর তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে হায়েয (ঋতু) সম্পর্কে। বলে দিন,এটা অশুচি(কষ্ট)। কাজেই তোমরা হায়েয অবস্থায় স্ত্রী-গমন থেকে বিরত থাক। তখন পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হবে না,যতক্ষণ না তারা পবিত্র হয়ে যায়। যখন উত্তম রূপে পরিশুদ্ধ হয়ে যাবে,তখন গমন কর তাদের কাছে, যেভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে হুকুম দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং অপবিত্রতা থেকে যারা বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন।"
[সূরা বাকারা, আয়াত: ২২২]
এমনকি হায়েজ অবস্থায় কোন মেয়েকে বিবাহ দেওয়াও উচিৎ নয়(বিবাহ পড়ানোতে কোন সমস্যা নেই, সমস্যা হলো হায়েজ অবস্থায় বাসর করতে দেওয়াতে। কেননা হায়েজ অবস্থায় সহবাস হারাম, যা উপরেই বলা হয়েছে)।
❑ [দুই] রোযা অবস্থায়:
রোযা অবস্থায় স্ত্রী সহবাস হারাম। কেননা রোযা হচ্ছে, "আল্লাহর ইবাদতের উদ্দেশ্যে ফজর হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যাবতীয় পানাহার ও যৌনসঙ্গম হতে বিরত থাকার নাম। কেউ যদি রোযা অবস্থায় সহবাস করে তাহলে সে অনেক বড় পাপে লিপ্ত হবে, তার রোযা ভেঙ্গে যাবে এবং তাকে অনেক বড় কাফফারা দিতে হবে।"
[ফাতহুল বারী, ৪/১৩২]
তবে, রমযানে রাতের বেলা অর্থাৎ- ইফতার থেকে নিয়ে সাহরি পর্যন্ত সহবাস করা সম্পুর্ণরুপে জায়েজ।
আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, اُحِلَّ لَکُمۡ لَیۡلَۃَ الصِّیَامِ الرَّفَثُ اِلٰی نِسَآئِکُمۡ ؕ"আর সিয়ামের রাতে তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রীদের নিকট গমন হালাল করা হয়েছে।" [সূরা বাকারা, আয়াত: ১৮৭]
আর নফল রোযা অবস্থায় সহবাস করে ফেললে কোন পাপ নেই। কিন্তু রোযা ভেঙ্গে যাবে। তবে স্বামীর উচিত, ধের্যধারন করা, রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করা।
❑ [তিন] স্ত্রীর পায়ুপথ(মলদ্বারে) সহবাস:
অনেক বিকৃত মানসিকতার মানুষ হালাল প্রন্থা ছেড়ে স্ত্রীর মলদ্বারে সহবাসে লিপ্ত হয়। ইদানিং পশ্চিমা ইতরশ্রেনীর মানুষদের কালচার মুসলিম সমাজেও ছয়লাভ হচ্ছে। অথচ এটি একটি অতিব নোংরা, নিকৃষ্ট কাজ। এই কাজটি তো হারামই, এমনকি কাজটি নবীজির ভাষায় 'কুফুরীর নামান্তর'।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন,
مَنْ أَتَى حَائِضًا، أَوِ امْرَأَةً فِي دُبُرِهَا، أَوْ كَاهِنًا، فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ.
"যে ব্যক্তি কোন ঋতুবতীর সাথে মিলিত হয় কিংবা কোন মহিলার পায়ুপথে সঙ্গম করে অথবা কোন গণকের নিকটে যায়, নিশ্চয়ই সে মুহাম্মাদের উপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তা অস্বীকার করে’।"
[তিরমিযী, হাদীস নং-১৩৫, সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-৬৩৯, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-৯২৯০]
অপর হাদিসে রাসূল (ﷺ) বলেছেন,
لَا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَى رَجُلٍ أَتَى امْرَأَةً فِي الدُّبُرِ
"যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর পায়ুপথে সহবাস করে আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না।" [তিরমিযি, হাদিস নং-১১৬৫]
আরেক হাদিসে রাসূল (ﷺ) বলেছেন,
مَلْعُونٌ مَنْ أَتَى امْرَأَتَهُ فِي دُبُرِهَ
"যে ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে নিতম্বে সহবাস করে সে লা’নত প্রাপ্ত।" [আবু দাউদ, হাদিস-২১৬২]
আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে পবিত্র তথা হালাল প্রন্থা অবলম্বন করার তাওফ্বীক দান করুন, দ্বীন ইসলাম বুঝে-শুনে সেই অনুযায়ী জীবনযাপন করার তাওফ্বীক দান করুন। আমীন।
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
18/07/2022
দৈনন্দিন জীবনে আমাদের প্রত্যেকেরই জীবনে কিছু না কিছু দুঃখ-কষ্ট, পেরেশানি, হতাশা থাকেই। কুরআন-হাদিসে অসংখ্য দু'আর কথা উল্লেখ আছে। একজন মুমিন সুখে-দুঃখে তার রবের কাছে কি দু'আ করবে সব কিছুই তাকে শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার রব এবং রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সব কিছু জানিয়ে দিয়েছেন।
আচ্ছা কেমন হয় বলুন তো? যদি দুনিয়া এবং আখিরাতের যত চিন্তা, পেরেশানি-হতাশা আছে! সকল কিছুর জন্য আপনার রবই আপনার জন্য যথেষ্ঠ হয়ে যান। হ্যাঁ! এমনই একটি দু'আর কথা বলছি, যে দু'আর আমল করলে আপনার রব আপনার জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্ত পেরেশানির জন্য যথেষ্ঠ হয়ে যাবেন।
'حَسۡبِیَ اللّٰہُ ۫٭ۖ لَاۤ اِلٰہَ اِلَّا ہُوَ ؕ عَلَیۡہِ تَوَکَّلۡتُ وَ ہُوَ رَبُّ الۡعَرۡشِ الۡعَظِیۡمِ [۱۲۹] [১]
'আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, তিনি ছাড়া অন্য কেউ মা'বূদ নেই, আমি তাঁরই উপর নির্ভর করছি, আর তিনি হচ্ছেন অতি বড় আরশের মালিক।'
আয়াতের অর্থটা খেয়াল করে দেখুন, একটু চিন্তা করুন। এবার আসুন ফজিলত টা জেনে নেই।
' যে ব্যক্তি এই দু'আ প্রতি সকাল ও সন্ধায় ৭বার পড়বে। তার দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্ত দুশ্চিন্তা ও পেরেশানির জন্য আল্লাহই যথেষ্ঠ হয়ে যাবেন।'[২]
একা একটি রুমে কিংবা মসজিদের কোণায় চুপ করে বসে একবার মন থেকে এই দু'আর অর্থ নিয়ে ভাবুন। এরপর এর ফজিলত নিয়ে ভাবুন। চিন্তা করুন, দুনিয়া এবং আখিরাত! দুই জীবনেই আপনার সকল দুশ্চিন্তা আর পেরেশানির জন্য যদি আপনার রবই আপনার জন্য যথেষ্ঠ হয়ে যান তাহলে আর কি লাগে। ভাবুন গভীর ভাবে ভাবুন। আর আজ থেকেই লুপে নিন এই আমল। লেগে থাকুন আমলে। ছোট্ট একটি আমল, আর বিনিময়ে রবকে দুনিয়া এবং আখিরাতে পাশে পাওয়া।
একজন মুমিনের আর কি চাওয়ার আছে তার রবের কাছে। এইটুকুই তো! চলুন, আজ থেকেই নৃত্যকার রুটিন বানিয়ে ফেলি এই দু'আকে। অসুস্থ হলে যেভাবে ডক্টরের দেওয়া ঔষধ আমাদের সুস্থতার জন্য নিত্যকার রুটিন হয়ে যায়। তার চাইতেও অধিক গুরুত্ব সহকারে আমরা এই দু'আকে আপন করে নেই ইন শা আল্লাহ।
১- সূরা তাওবাহ;১২৯
২- আবু দাঊদ;৫০৮১
18/07/2022
~শরীরে ব্যথা অনুভব করলে দোয়া ❤️
18/07/2022
16/09/2021
A rare photo of Kabaa during Ottoman-Era.
06/08/2021
বাবা মানে হাজার বিকেল | যে গান কাঁদালো সকল বাবাদের | Baba Mane Hajar Bikel | Jaima Noor | baba song
বাবা মানে হাজার বিকেল | যে গান কাঁদালো সকল বাবাদের | Baba Mane Hajar Bikel | Jaima Noor | baba song
02/06/2021
“নিশ্চয় এটিই হচ্ছে সেই মহা সাফল্য (যার প্রতিশ্রুতি আল্লাহ দিয়েছিলেন)।”
-------------(সূরা আস-সাফফাত: আয়াতঃ ৬০)--------------