20/01/2024
◙ নতুন আর্টিকেল ◙
“মরুর বুকে এক স্বর্ণখনি – মালির গল্প” @ https://lostislamichistorybangla.wordpress.com/2016/07/21/মরুভূমিতে-স্বর্ণখনি-মালি/
মালি বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে দরিদ্রতম দেশগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। মানুষের গড় আয়ু এবং স্বাক্ষরতার হার সেখানে বিপজ্জনকভাবে কম। গোত্রভিত্তিক কোন্দলকে কেন্দ্র করে তাউরেগস গোত্রের বিদ্রোহ দেশটিকে দু’ভাগে বিভক্ত করার ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। কিন্তু মালির গল্প এবং ইতিহাস সবসময়ই এমন নেতিবাচক কিংবা হতাশায় পরিপূর্ণ ছিলনা। একদা মালি ছিল একটি সফল মুসলিম রাষ্ট্রের উজ্জ্বল উদাহরণ। সমগ্র বিশ্ববাসীর কাছে ঈর্ষার বিষয়বস্তু ছিল এই মালি। মালি ছিল যেন মরূর বুকে এক স্বর্ণখনি।
মালিতে উর্বর জমির অভাব থাকলেও অন্যান্য সম্পদ সে অভাব পূরণ করে দিয়েছে। শত শত বছর ধরে স্বর্ণ ও লবণের খনি মালির অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করছে। মালির উত্তর থেকে উত্তর আফ্রিকার উপকূল পর্যন্ত বাণিজ্য অঞ্চল বর্ধিত যেখানে ধনী ব্যবসায়ীগণ ইউরোপ ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় পাঠানোর জন্য চড়া মূল্যে স্বর্ণ ও লবণ কিনতে আগ্রহী। এই বানিজ্যিক পথগুলো মাদিংকা নামক পশ্চিম আফ্রিকার প্রধান গোত্রটিকে সম্পদশালী গোত্রে পরিণত করেছে।
এই বানিজ্যিক পথগুলো দিয়ে শুধুমাত্র মালামালই কেনাবেচা হতোনা। জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং চিন্তাধারাও প্রবাহিত হতো উত্তর থেকে দক্ষিণে। স্বর্ণ আর লবণের সাথে মুসলিম বণিকেরা ইসলামকেও নিয়ে যেতো তাদের সাথে করে. . .
মরুভূমিতে এক স্বর্ণখনি – মালির গল্প
মালি বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে দরিদ্রতম দেশগুলোর একটি হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত। মানুষের গড় আয়ু এবং স্বাক...
19/05/2019
ইতিহাসে আজ এই দিনে (১৯ মে, ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দ),
Malcolm X আমেরিকার Nebraska অঙ্গরাজ্যের Omaha শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
Malcolm X ছিলেন একজন আফ্রিকান-আমেরিকান মুসলিম রাজনীতিবিদ ও ধর্মীয় নেতা, যিনি যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গদের মানবাধিকার আদায়ের আন্দোলনে অন্যতম অংশগ্রহণকারী ছিলেন।
পরবর্তীতে তিনি আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী মানবাধিকার কর্মীদের একজন হিসেবে স্থান করে নেন। তিনি “আল-হাজ্জ মালিক আল-শাব্বাজ” নামেও পরিচিত।
“আমেরিকার উচিত ইসলাম বুঝা, কারণ ইসলাম-ই একমাত্র ধর্ম যা বর্ণবিদ্বেষ এবং জাতিগত সমস্যা সমাজ থেকে নিশ্চিহ্ন করে।”
― আল-হাজ্জ মালিক আল-শাব্বাজ (ম্যালকম এক্স)
31/03/2019
ইতিহাসে আজ এই দিনে (৩১ মার্চ, ১৪৯২ খ্রিস্টাব্দ),
স্পেনের রাণী ইসাবেলা আলহাম্বরা ফরমান (Alhambra Decree) জারী করে। এর মাধ্যমে স্পেনের সকল ইহুদীদের স্পেন থেকে বিতাড়নের হুকুম প্রদান করা হয়।
বেশীরভাগ ইহুদী পরবর্তীতে পলায়ন করে ওসমানী সাম্রাজ্যে চলে যায়, যেখানে ওসমানী সুলতান দ্বিতীয় বায়েজিদ ইহুদীদেরকে স্বাগত জানান।
বিস্তারিত জানতে পড়ুনঃ “গ্রানাদা — স্পেনের সর্বশেষ মুসলিম সাম্রাজ্য” article @
গ্রানাদা — স্পেনের সর্বশেষ মুসলিম সাম্রাজ্য
৭১১ খ্রিস্টাব্দে আইবেরিয়া উপদ্বীপে (বর্তমান স্পেন ও পর্তুগাল) ইসলাম পৌঁছায়। সেখানকার রাজা রডারিক এর অত্যাচারী শ....
30/03/2019
ইতিহাসে আজ এই দিনে (৩০ মার্চ, ১৪৩২ খ্রিস্টাব্দ),
ওসমানী সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মাদ ‘এদিরনে’ (Adrianople) শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
পরবর্তীতে ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দে মাত্র ২১ বছর বয়সে তিনি কনস্ট্যান্টিনোপোল (বর্তমান ইস্তানবুল) জয় করে বাইজেন্টাইন (পূর্ব রোমান) সাম্রাজ্যের পতন ঘটান।
এই বিজয়ে তাঁর সামরিক দূরদর্শিতা ছিল বিশেষ উল্লেখযোগ্য। পূর্ববর্তী ওসমানী সুলতানদের ব্যর্থতার কারণ হিসেবে তাঁদের নৌশক্তির দুর্বলতা উপলব্ধি করেন এবং সেজন্য একটি শক্তিশালী নৌবহর গঠন করেন।
দূরদর্শিতাপূর্ণ সামরিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নতুন দুর্ভেদ্য দূর্গ নির্মাণ এবং জনৈক হাঙ্গেরীয় ইঞ্জিনিয়ারের সহায়তায় নতুন ধরনের ভারী কামানও প্রস্তুত করেছিলেন। সাথে পরিকল্পনার অভিনবত্ব ও এর গোপনীয়তা তাঁকে এ অসাধারণ কৃতিত্বের দাবিদার করেছিল।
প্রতিপক্ষের আক্রমণের মুখে মুসলিমদের কনস্ট্যানটিনোপোল বিজয়ের আশা যখন প্রায় নিঃশেষিত, তখন এক নতুন কৌশলে স্থলপথেই মুহাম্মাদ তাঁর যুদ্ধজাহাজগুলো পোতাশ্রয়ে এনেছিলেন। অবশেষে এ নতুন কৌশলই তাঁর কনস্ট্যানটিনোপোল বিজয়কে সফল করেছিল।
জয়ের পর শহরের খ্রিস্টান অধিবাসীদের হত্যা করেননি, বরং কর পরিশোধ থেকে অব্যাহতি দিয়ে তাদেরকে কনস্ট্যান্টিনোপোলে থেকে যেতে উৎসাহিত করেন।
যুদ্ধ পরিচালনায় তাঁর পারঙ্গমতা এবং একইসাথে ন্যায়পরায়ণ গুণাবলীসমূহের কারণে তিনি লাভ করেছেন الفاتح (“আল-ফাতিহ্”, ইংরেজিঃ the Conqueror, বাংলায় “বিজেতা”) উপাধি, যে নামে ইতিহাসের পাতায় তাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে।
বিস্তারিত জানতে পড়ুনঃ “সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মাদ এবং রাসূল ﷺ এর প্রতিশ্রুতি” article @
সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মাদ এবং রাসূল ﷺ এর প্রতিশ্রুতি
রাসূল মুহাম্মদ ﷺ আরব মরুভূমিতে তাঁর অনুসারীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে একদিন তারা তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে শক...
26/03/2019
ইতিহাসে আজ এই দিনে (২৬ মার্চ, ১১৬৯ খ্রিস্টাব্দ),
একজন কুর্দি সৈনিক — সালাহ আল-দ্বীন আইয়ুবী, মিশরের আমীর নিযুক্ত হন। ১৮ বছর পর তিনি ক্রুসেডারদের হাত থেকে জেরুজালেম স্বাধীন করেন।
বিস্তারিত জানতে পড়ুন — “ক্রুসেডঃ পর্ব ৩ – স্বাধীনতা অর্জন” article @ lostislamichistorybangla.wordpress.com/2015/11/10/ক্রুসেড-পর্ব৩-স্বাধীনতা/
ছবিতে বিজয়ী সালাহ আল-দ্বীন, ১১৮৭ খ্রিস্টাব্দে হাত্তিন এর যুদ্ধের পরেঃ
26/03/2019
ইতিহাসে আজ এই দিনে (২৬ মার্চ, ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দ),
গাজার প্রথম যুদ্ধে ওসমানী সেনাবাহিনী ফিলিস্তিনে বৃটিশদের আক্রমণ রুখে দেয়। বৃটিশরা শেষ পর্যন্ত নভেম্বর মাসে ওসমানীদের পরাস্ত করে দক্ষিণ ফিলিস্তিন দখল করে নেয়।
বিস্তারিত জানতে পড়ুন — “বৃটেন যেভাবে আরববিশ্বকে বিভক্ত করেছিল” article @
বৃটেন যেভাবে আরববিশ্বকে বিভক্ত করেছিল
আরব বিশ্বে আধুনিক জাতিরাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়া ছিল খুবই চিত্তাকর্ষক ও মর্মান্তিক ঘটনা। একশ বছর আগেও অধিকাংশ আরব ....
11/03/2019
ইতিহাসে আজ এই দিনে (১১ মার্চ, ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দ),
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে বৃটিশ বাহিনী বাগদাদ করায়ত্ত করে নেয়। ১৩শ শতকের ১২৫৮ খ্রিস্টাব্দে মঙ্গোলদের বাগদাদ ধ্বংসযজ্ঞের পর এটাই ছিল সর্বপ্রথম কোন অমুসলিম বাহিনীর বাগদাদ জয়।
বিস্তারিত জানতে পড়ুনঃ
১) "বৃটেন যেভাবে আরববিশ্বকে বিভক্ত করেছিল" article @ lostislamichistorybangla.wordpress.com/2014/11/18/বৃটেনের-আরববিশ্ব-বিভক্তি/
২) "মঙ্গোল আগ্রাসন এবং বাগদাদ ধ্বংসযজ্ঞ" article @ lostislamichistorybangla.wordpress.com/2016/02/10/মঙ্গোল/
বৃটেন যেভাবে আরববিশ্বকে বিভক্ত করেছিল
আরব বিশ্বে আধুনিক জাতিরাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়া ছিল খুবই চিত্তাকর্ষক ও মর্মান্তিক ঘটনা। একশ বছর আগেও অধিকাংশ আরব ....
30/12/2018
ইতিহাসে আজ এই দিনে (৪ মার্চ, ১১৯৩ খ্রিস্টাব্দ),
সালাহ আল-দ্বীন আল-আইয়ুবী দামেস্ক নগরীতে মৃত্যুবরণ করেন। ১১৮৭ খ্রিস্টাব্দে ক্রুসেডারদের হাত থেকে ইসলামের ৩য় পবিত্র শহর জেরুজালেম (আরবীঃ القُدس - আল-কুদ্স) স্বাধীন করার জন্য তিনি ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।
জেরুজালেম জয়ের পর তাঁর কাছে শহরের অধিবাসীদের গণহত্যার প্রস্তাব আসে, কারণ তারা ১০৯৯ খ্রিস্টাব্দে জেরুজালেম দখলের পর গণহত্যা চালিয়েছিল প্রায় ৭০ হাজার মুসলিম, ইহুদী, এমনকি অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের উপর। সালাহ্ আল-দ্বীন আল-আইয়ূবী গণহত্যা করতে অস্বীকৃতি জানান, বরং নামমাত্র মুক্তিপণের বিনিময়ে সকল খ্রিস্টান অধিবাসীকে অক্ষত অবস্থায় যার যার সহায়-সম্পত্তি নিয়ে জেরুজালেম ছেড়ে যাওয়ার অনুমতি দেন। যাদের আর্থিক সামর্থ্য ছিলনা তাদের মুক্তিপণ তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিশোধ করে দেন।
নির্মম পরিহাসের ব্যাপার হচ্ছে, জেরুজালেমের খ্রিস্টান অধিবাসীরা ক্রুসেডার খ্রিস্টানদের নিয়ন্ত্রণাধীন ত্রিপোলি (বর্তমান লেবানন এর একটি শহর) তে চলে গেলে সেখানকার ক্রুসেডাররা এদের সহায়-সম্পত্তি লুটপাট করে এদের সর্বস্বান্ত করে দেয় !!
বিস্তারিত জানতে পড়ুন — “ক্রুসেডঃ পর্ব ৩ – স্বাধীনতা অর্জন” article @
ক্রুসেডঃ পর্ব ৩ – “স্বাধীনতা অর্জন”
এই সিরিজের ১ম পর্ব এবং ২য় পর্বে আমরা ইউরোপের খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের দ্বারা মুসলিম ভূমি আক্রমণ এবং এর কি কি প্রভা.....
30/12/2018
ইতিহাসে আজ এই দিনে (৩ মার্চ, ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ),
ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক খিলাফতের অবসান ঘটান।
ফলশ্রুতিতে, ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) খলিফা হবার প্রায় ১২৯২ বছর পরে খলিফাহীন হয়ে যায় মুসলিম বিশ্ব, এবং পতিত হয় ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায়— যার দুর্ভোগ আমরা আজও বয়ে চলেছি।
শুধু তাই নয়, এর প্রায় চার মাস পূর্বে ২৯ অক্টোবর, ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক ঐতিহাসিক ওসমানী সাম্রাজ্যের (১২৯৯ - ১৯২৩) বিলুপ্তি ঘটিয়ে ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র হিসেবে “তুরস্ক” রাষ্ট্রের পত্তন ঘটান।
ছবিতে খিলাফতের বিলুপ্তির পর ফ্রান্সে নির্বাসনে পাঠিয়ে দেয়ার সময় সর্বশেষ ওসমানী খলিফা— দ্বিতীয় আবদুল মাজিদঃ
30/12/2018
ইতিহাসে আজ এই দিনে (২৮ ফেব্রুয়ারী, ১২৪৬),
আল-আন্দালুস (মুসলিম স্পেন) এর শহর Jaén (আরবীতে خيّان) এর নিয়ন্ত্রণ খ্রিস্টান সাম্রাজ্য ক্যাস্টিলে’র হাতে চলে যায়।
ইসলামের ইতিহাসে বারবার পুনরাবৃত্তি হওয়া ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের অভাব, যা ধারাবাহিকভাবে মুসলিম বিশ্বকে দুর্বলতার দিকে ধাবিত করেছে, ফলে পতন হয়েছে অনেক সাম্রাজ্যের। এর মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল উদাহরণ হলো একাদশ শতাব্দীতে আন্দালুসিয়া (মুসলিম স্পেন) এর তাইফা যুগ।
কিভাবে এর সূত্রপাত হয়েছিল জানতে পড়ুনঃ “আল-আন্দালুসে অনৈক্য – তাইফা যুগ” @
আল-আন্দালুসে অনৈক্য – “তাইফা যুগ”
ইসলামের ইতিহাসে বারবার পুনরাবৃত্তি হওয়া ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের অভাব, যা ধারাবাহিকভাব...
30/12/2018
ইতিহাসে আজ এই দিনে (২৪ ফেব্রুয়ারী, ১৩০৪ খ্রিস্টাব্দ),
বিখ্যাত মুসলিম পরিব্রাজক ইবনে বতুতার জন্ম উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার ‘তানজাহ’ নগরীতে (طنجة, ইংরেজিঃ Tangier, বর্তমান মরক্কোর একটি শহর)।
ইবনে বতুতা ভ্রমণ করেছেন উত্তর আফ্রিকা, হর্ন অফ আফ্রিকা (সোমালিয়া, ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া, জিবুতি), পশ্চিম আফ্রিকা, পূর্ব ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া/হিন্দুস্তান, মধ্য এশিয়া, চীন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় (বিস্তারিত দেখুন নীচে ম্যাপে)।
“সকল প্রশংসা আল্লাহ্র, নিশ্চয়ই দুনিয়াতে আমার যে ইচ্ছে ছিল তা পূরণ হয়েছে, এবং সেটা হচ্ছে পৃথিবী ঘুরে দেখা।”
— ইবনে বতুতা
30/12/2018
ইতিহাসে আজ এই দিনে (২১ ফেব্রুয়ারী, ১৯৬৫),
আফ্রিকান-আমেরিকান মুসলিম রাজনীতিবিদ ও ধর্মীয় নেতা ম্যালকম এক্স (Malcolm X) নিউইয়র্ক সিটিতে গুপ্তঘাতকদের হাতে নিহত হন।
Malcolm X (জন্মঃ ১৯শে মে, ১৯২৫) যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গদের মানবাধিকার আদায়ের আন্দোলনে অন্যতম অংশগ্রহণকারী ছিলেন। জন্মের পর তাঁর নাম রাখা হয় ম্যালকম লিট্ল এবং ইসলাম গ্রহণের পর তাঁর নতুন নামকরণ হয় ম্যালকম এক্স। তিনি আল-হাজ্জ মালিক আল-শাব্বাজ নামেও পরিচিত।
“আমেরিকার উচিত ইসলাম বুঝা, কারণ ইসলাম-ই একমাত্র ধর্ম যা বর্ণবিদ্বেষ ও জাতিগত সমস্যা সমাজ থেকে নিশ্চিহ্ন করে। মুসলিম বিশ্ব ভ্রমণের সময় আমি অনেক মানুষের সাথে মিশেছি, কথা বলেছি, এমনকি একসাথে খাওয়া-দাওয়া করেছি এমন মানুষের সাথে যারা আমেরিকান হলে তাদেরকে ‘সাদা (White)’ বলে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু তাদের মনে কোন ধরনের বর্ণবিদ্বেষ ছিলনা শুধুমাত্র ইসলামের কারণে। আমি আগে কখনোই এমন আন্তরিক ও খাঁটি ভ্রাতৃত্ববোধ দেখিনি; এমন ভ্রাতৃত্ববোধ যেখানে গায়ের রঙ দিয়ে কাউকে বিচার করা হতোনা।”
― আল-হাজ্জ মালিক আল-শাব্বাজ (Malcolm X)
ছবিতে বক্সার মোহাম্মাদ আলীর সাথে ম্যালকম এক্সঃ