অনেকে চান তাদের মৃত্যুর পর যেন কেউ তাদের ছবি শেয়ার না করে। এই বিষয়ে তারা ফেসবুকে লিখে যান বা কাছের মানুষদের বলে যান।
এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়, এবং আমি সেটিকে সম্মান করি।
তবে কিছু বিষয় ভেবে দেখা যেতে পারে :
১. আপনি যদি মনে করেন বর্তমানে শেয়ার করা ছবিগুলো আপনার মৃত্যুর পর গুনাহের কারণ হতে পারে, তাহলে এখনই নিজেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করছেন না কেন?
২. সব ধরনের ছবি শেয়ার করা নিষিদ্ধ নয়। পর্দা মেনে ছবি ইন্টারনেটে থাকলে সেটি সমস্যার কিছু নয়। তবে অনেকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করে একেবারেই ছবি শেয়ার করেন না, এটি তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং তা প্রশংসনীয়।
৩. অনেক মানুষ অতীত পরিবর্তন করে বর্তমানে ধর্মের পথে ফিরে আসেন। কিন্তু আগের জীবনের অনেক ছবি চাইলেও ইন্টারনেট থেকে মুছে ফেলা যায় না। ইনশাআল্লাহ, আল্লাহর কাছে তওবা করলে সেই ছবিগুলোর জন্য গুনাহ হবে না। আল্লাহ আমাদের নিয়ত ও বর্তমান অবস্থা দেখেন, অতীত নয়।
৪. আপনি যদি সত্যিই মনে করেন আপনার বর্তমান জীবনধারা আপনার পছন্দ নয়, তাহলে ধীরে ধীরে সেটি পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন। পরিবর্তন সময়সাপেক্ষ, তাই নিয়ত করে ফেলুন আজ ই এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য চান।
৫. মৃত্যুর আগে যদি আপনি ভুল জীবনযাপন করে থাকেন, তাহলে মৃত্যুর পর ছবি মুছে ফেললেও তেমন উপকার হবে না। আল্লাহ মানুষের জীবনের কাজের হিসাব করবেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত, মৃত্যুর পরের নয়।
Dr. Fazal Kader
Government Medical
6.Low Tuition Fees
7.❌Exam
Contact for Admission
☎️+996220853294
দেশের বাইরে সরকারি মেডিক্যালে কম খরচে 🥼MBBS🩺 করতে চাইলে আপনার জন্য বেস্ট অপশন হতে পারে কিরগিজস্তান, তাজিকস্তান!
1.5 Years Course
2.❌IELTS
3.100%VISA
4.❌Embassy
5.
17/03/2026
একটা প্রবাদ আছে - যুদ্ধের সময় অন্য সব দোকানপাট বন্ধ হয়ে গেলেও ফুলের দোকান কখনও বন্ধ হয় না।
কারণ তাজা ফুল গুদামে জমিয়ে রাখা যায় না।
যুদ্ধ হোক বা শান্তি - ফুল তার নিজের নিয়মেই ফোটে। ফুলের কাছে এসবের কোনো পার্থক্য নেই।
===
ছবি: মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় শহিদ স্বামীর জানাযায় ফুল হাতে সদ্য বিবাহিত এক ইরানি নববধূ।
turkish mosque in bishkek
যারা আগে বিয়ে করেছে তারা হতাশ, সংসারের ঘানি টেনে ক্যারিয়ার গড়তে পারেনাই।
যারা বিয়ে করেনাই তারা হতাশ, ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে সংসার গড়তে পিছিয়ে গিয়েছে !
যারা প্রাইভেট জব করছে তারা হতাশ, ছুটি নাই, চাকরীর নিরাপত্তা নাই।
যারা সরকারী চাকুরী করছে তারা হতাশ, গ্রামগঞ্জে থাকতে হয়, শহরের সুবিধা পায়না, সময় কাটেনা।
যারা দেশে থাকে তারা হতাশ, যোগ্যতানুযায়ী চাকরী নাই, এত জ্যাম, মূল্যবান সময়গুলা সব রাস্তাতেই দিতে হয়।
যারা বিদেশ থাকে, তারা হতাশ, সব সুবিধা আছে কিন্তু আত্মীয় স্বজন কেউ নাই।
জীবনের একটা গভীর সত্য হলো, জীবনে কিছুই স্থায়ী নয়।
সবকিছুই একসময় বদলে যায়।
আজ যদি আপনার জীবনে সবকিছু ভালো চলতে থাকে,
তাহলে সেই সময়টাকে উপভোগ করুন।
কারণ ভালো সময় চিরদিন থাকে না।
আবার যদি মনে হয় সময়টা খারাপ যাচ্ছে,
তাহলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই।
কারণ খারাপ সময়ও চিরস্থায়ী না।
জীবন আসলে পরিবর্তনের মধ্যেই এগিয়ে চলে।
সুখ হোক বা দুঃখ, দুটোই অস্থায়ী।
তাই ভালো সময় এলে কৃতজ্ঞ থাকুন,
আর খারাপ সময় এলে ধৈর্য ধরুন।
কারণ সময়ের সাথে সাথে সবকিছুই একদিন বদলে যায়।
মেয়েদের একটি কমন ধারণা হলো,
বিয়ের পর একজন ছেলের সকল সময় শুধু তার সাথেই কাটানো উচিত।
বন্ধুদের সাথে সময় দিতে থাকলে সম্পর্ককে গুরুত্ব দিবে না, এমন একটি মনোভাব রাখা।
কিন্তু ব্যাপারটা আসলে তেমন না।
একটি ছেলের ছোটবেলা থেকে পরিবারের পর প্রথম যার সাথে পরিচয় হয় তা হলো বন্ধু।
একজন পুরুষ মানুষ যখন তার বন্ধুদের সাথে সময় কাটায়, তখন সে একটু অন্যভাবে থাকে।
সব দায়িত্ববোধ ভুলে একটু নিজের মতো থাকে।
সারাদিন কাজ, দায়িত্ব আর চাপের মধ্যে এই বন্ধুদের আড্ডাটা এক ধরণের স্ট্রেস রিলিজের মতো কাজ করে।
এজন্য মেয়েদের উচিত তার পার্টনারকে নিজের মতো কিছু সময় কাটানোর সুযোগ দেওয়া দরকার।
অন্যদিকে একজন ছেলের আড্ডার জায়গাটায় ব্যালেন্স রাখতে হবে,
পরিবার, আড্ডা, অফিস এসব ক্ষেত্রে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
কারণ সম্পর্ক তখনই ভালো থাকে,
যখন দুইজন মানুষই নিজেদের আলাদা জায়গা আর স্বাধীনতাটুকু বজায় রাখতে পারে।
সেহেরীতে একসাথে বেশি পানি খাওয়া কি ঠিক?
রমজানে অনেকেই মনে করেন সেহেরীর সময় একসাথে অনেক পানি খেলে সারাদিন তৃষ্ণা কম লাগবে।
কিন্তু বাস্তবে বিষয়টা একটু ভিন্ন।
একসাথে বেশি পানি খাওয়ার কিছু সমস্যা হতে পারে:
• দ্রুত প্রস্রাব হয়ে শরীর থেকে পানি বের হয়ে যায়
• পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি হতে পারে
• ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালান্স কিছুটা নষ্ট হতে পারে
তাহলে কীভাবে পানি খাবেন?
1. ইফতার থেকে সেহেরী পর্যন্ত ধীরে ধীরে পানি পান করুন
2. একবারে অনেক না খেয়ে বারবার অল্প অল্প করে পান করুন
3. সেহেরীতে ১–২ গ্লাস পানি যথেষ্ট
4. সাথে ফল (তরমুজ, শসা) বা পানি সমৃদ্ধ খাবার খেলে ভালো
মনে রাখবেন —
একসাথে বেশি পানি খেলে সারাদিনের তৃষ্ণা কমে না। বরং সঠিকভাবে ভাগ করে পানি পান করাই ভালো।
মানুষের জীবনে একদিনে কেউ আসে না।
ছোটবেলা থেকে ধীরে ধীরে অনেক মানুষের সাথে পরিচয় হয়,
কেউ বন্ধু, কেউ ট্রাভেল পার্টনার, কেউ আড্ডার মানুষ, কেউ আবার শুধু খেলাধুলার সঙ্গী।
মজার ব্যাপার হলো, প্রতিটা সম্পর্কের একটা “কমন জায়গা” থাকে।
কারো সাথে মুভি নিয়ে কথা শুরু হয়েছিল,
কারো সাথে খেলাধুলা,
কারো সাথে ভ্রমণ,
কারো সাথে খাবার বা বই নিয়ে।
সেই কমন ইন্টারেস্টটাই সম্পর্কটাকে বাঁচিয়ে রাখে।
আমাদের জীবনে তাই আলাদা আলাদা মানুষের সাথে আলাদা রকমের স্পেশাল সংযোগ থাকে।
সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন আমরা ভাবি,
লাইফ পার্টনারের ভেতরেই এই সব রোল একসাথে থাকতে হবে।
সে হবে সেরা বন্ধু, ট্রাভেল বাডি, মুভি পার্টনার, গভীর আলোচনার মানুষ, আড্ডার সঙ্গী, সবকিছু একসাথে।
এরকম চাওয়াটা স্বাভাবিক।
কিন্তু বাস্তবতা হলো, কোনো একজন মানুষের ভেতর আপনি জীবনের সব সম্পর্কের সব রঙ পাবেন না।
আর আপনিও কারও জন্য “সবকিছু” হতে পারবেন না।
জীবনে যেমন অন্য জায়গা গুলোয় আমরা মানিয়ে নিই,
ঠিক তেমন ভালোবাসাতেও মানিয়ে নেওয়া লাগে।
তাই সম্পর্ককে তার নিজের জায়গায় থাকতে দেওয়া এবং,
প্রত্যাশা একটু কমিয়ে বোঝাপড়া একটু বাড়াতে হবে।
বিয়ে ঠিক রিজিকের মতোই.!!
রিজিক যেমন তোমার ইচ্ছা মতো আসে না, আল্লাহ যখন চান, তখনই আসে। ঠিক তেমনি বিয়েও হয় আল্লাহর ইচ্ছা ও নিখুঁত পরিকল্পনায়। রিজিক যেমন তোমাকে খুঁজে নেয়, তুমি যেখানেই থাকো না কেন, তেমনি তোমার জন্য নির্ধারিত জীবনসঙ্গীও ঠিক সেই মুহূর্তেই তোমার কাছে পৌঁছাবে, যখন তোমার কদর আল্লাহর নির্ধারিত সময়ের সঙ্গে মিলবে। তাই তাড়াহুড়া নয়, হতাশাও নয়।
আল্লাহর সময়ের উপর ভরসা রাখো। কারণ তিনি আগেও করেন না, আবার কখনো দেরিও করেন না, তিনি ঠিক সময়েই দেন, সবচেয়ে উত্তমটা.!'🤍
ইনশাআল্লাহ!
রোজায় মেডিকেল কেন্দ্রিক যে বিষয়গুলো জানা আবশ্যক -
রোজা রেখে নিচের কাজগুলো করলে আপনার রোজা ভাঙ্গবে -
১. রোজা রেখে সাপোজিটরি (পায়খানার রাস্তায় দেওয়া ওষুধ) নিল
২. রোজা রেখে স্যালাইন নিলে
৩. রক্ত গ্রহণ করলে /রক্ত নিলে
৪. এন্ডোস্কোপি করানো হলে / গলায় নল দিয়ে পরীক্ষা করলে
৫. নাকে খাবারের নল দিলে
৬. পায়খানার রাস্তায় পরীক্ষা যেমন কোলনস্কোপি/ প্রক্টোস্কোপি করলে
৭. ইনহেলার ব্যবহার করলে ( এক্ষেত্রে দুই ধরণের বক্তব্য পাওয়া যায়, এক শ্রেণীর ফকীহ দের মতামত রোজা ভাঙবে না, আরেক শ্রেণী বলেছেন রোজা ভাঙ্গবে, ব্যক্তিগতভাবে আমি রোজা ভেঙ্গে যাবার মতামত কে অধিকতর যৌক্তিক মনে করি)
৮. নেবুলাইজেশন করলে
৯. নাকের ড্রপ দিলে
১০. কানের ড্রপ দিলে (যদি কানের পর্দায় ছিদ্র থাকে)
১১. ডায়ালাইসিস করলে
১২. পায়খানার রাস্তায় e***a দিলে
রোজা রেখে নিন্মের কাজগুলো করলে রোজা ভাঙ্গবে না -
১. রক্ত দিলে
২. রক্তের স্যাম্পল দিলে / রক্ত পরীক্ষা করলে
৩.মাংসে /চামড়ায় কোনো ইনজেকশন দিলে, ইনসুলিন দিলে
৪. শিরায় ইনজেকশন দিলে ( ইনজেকশনে যদি ১০০ মিলি এর চেয়ে বেশি পানি থাকে তাহলে রোজা ভাঙতে পারে: Al Balagh Academy, UK এর মতামত, তাই অপ্রয়োজনে ইনজেকশন না নেওয়া বেটার)
৫. চোখের ড্রপ দিলে (তবে যদি ড্রপ দেওয়ার পর মুখে স্বাদ অনুভূত হলে সেই ক্ষেত্রে সেটা থুতু দিয়ে বের করতে হবে, তাই অনেক আলেম বলেন চোখের ড্রপ অপ্রয়োজনে না নিতে)
৬. ক্যাথেটার করানো হলে
৭. ক্যানুলা করানো হলে
৮. ডায়াবেটিস পরীক্ষা করলে
৯.ভ্যাকসিন দিলে
১০. মাসিকের রাস্তায় কোনো ওষুধ দিলে (Al Balagh Academy)
১১. হিজামা করলে ( তবে হাম্বলী মাজহাব ও অন্যান্য কিছু আলেমদের মতে রোজা ভাঙ্গবে)
উপরিউক্ত পয়েন্টগুলো রিসার্চ একাডেমি ফর মেডিকেল ফিকহ এন্ড ইসলামিক ট্রিটমেন্ট (RAMFIT) এর ক্লাস ও বিভিন্ন অনলাইন ফিকহ ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা। কোনো ব্যাপারে জিজ্ঞাসা থাকলে আলেমদের থেকে বিস্তারিত জেনে নিবেন।
- ডা. মোকাদ্দুসুর রহমান সিফাত
একবার একজন বিদেশি প্রফেসর বলেছিলেন- আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে বিশ্বস্ত লাইফ পার্টনার।
ভালো রেজাল্ট করলে, টাকা পয়সা হলে, গাড়ি বাড়ি করতে পারলে সেটাকে আমরা জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মনে করি, সেলিব্রেট করি।
অথচ জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে ভালো একজন জীবনসঙ্গী। ভালো রেজাল্ট, টাকাপয়সার জন্যে আমরা যেরকম মরিয়া হয়ে থাকি তারচেয়ে বেশি মরিয়া হওয়া উচিত একজন ভালো জীবনসঙ্গী পাওয়ার জন্যে
দুনিয়াবি সকল চাওয়া পাওয়ার চেয়ে সৃষ্টিকর্তার কাছে সবচেয়ে বেশি চাওয়া উচিত একজন বিশ্বস্ত, ভালো জীবনসঙ্গী।
কেননা আপনার জীবনসঙ্গীর উপরই নির্ভর করবে আপনার বাকি জীবনটা ফুলের মত স্বচ্ছ-সুন্দর হবে নাকি বীভৎস হবে
©
আপনি যদি ২ ঘণ্টা স্ক্রল করতে পারেন,
কিন্তু ২০ মিনিট মন দিয়ে কাজ করতে না পারেন,
সমস্যাটা হয়তো আপনার না, আপনার লাইফস্টাইলে।
আমরা ভাবি আমরা অলস। আসলে আমরা বিভ্রান্ত।
আমরা ফোন হাতে নিলে হয়তো একটা কাজ করব ভাবি কিন্তু করে ফেলি আরেকটা।
অথবা একটি অ্যাপে অল্প সময় ব্যায় করার জাগায় কয়েক ঘন্টা অন্য কোনো অ্যাপে ব্যায় করে ফেলি।
সব মিলিয়ে আমাদের মন এক জায়গায় থামতেই পারে না।
আজকাল আমরা নিজেদের টু-ডু লিস্ট ও যেন স্মার্টওয়াচ এর মধ্যে ট্রাক করি।
কিন্তু একটা সিম্পল কাগজের টু-ডু লিস্ট অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল অ্যাপের চেয়ে শক্তিশালী।
কারণ সেটা আপনাকে বিভ্রান্ত করে না।
অনেকে নিজেদের মনোযোগ ফিরে আনার জন্য ফোন, স্মার্টওয়াচ এইগুলো দূরে রাখে।
অথবা নোটিফিকেশন বন্ধ রাখে,
অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ থাকলে অন্য কাজে মনোযোগ দেওয়া যায়।
দিনশেষে আমরা নিজেদের ডিসিপ্লিন বাড়ানোর চেষ্টা করি, কিন্তু অভ্যাস বদলাই না।
যেই কাজ টি মন বারবার করতে চায় সেখান থেকে সবার আগে বের হতে হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Russia
Bishkek
22216