শেষ সময়ে এডমিশনের কাজ চলতেছে। এডমিশন ভিসা সব ৭ দিনেই। যারা এডমিশন নিতে চাও দ্রুত যোগাযোগ করো।
JABIR GLOBAL. EDU
Educational help center.
We provide services in all sorts of way about admission, also providing with everykind of scholarship information to make your study more easier, advising you what subject you should study and we provide all kind of pdf books.
28/07/2023
MBBS_IN_KYRGYZSTAN🇰🇬
Admission Open | September Intake - 2023
Get Admission to the best medical university in Kyrgyzstan 🇰🇬
✅ভর্তি সংক্রান্ত যেকোন তথ্য জানতে যোগাযোগ করুন :
☎️ WhatsApp: +996-507856214
*️⃣ MBBS IN KYRGYZSTAN এর সুবিধাসমূহ:
———————————————
প্রোগ্রাম - এমবিবিএস
কোর্স - ৫ বছর (১০ সেমিস্টার)
মাধ্যম - ইংরেজি
আবাসন - হোস্টেল এবং মেস ভারতীয়, পাকিস্তানী, বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য 3 বার হালাল খাবার। ।
স্বীকৃতি - NMC, BM&DC, WHO অনুমোদিত
———————————————
কিরগিজস্তানে টিউশন ফি
সেমিস্টার টিউশন ফি - $১৫০০-২৩০০ ডলার।
আবাসন ও খাবার -১০০০ ডলার শুধুমাত্র
* কোনো ডোনেশনের প্রয়োজন নেই
* কোন IELTS প্রয়োজন নেই
* ব্যাংক স্টেটমেন্টের প্রয়োজন নেই
* প্রত্যেক ছাত্রের জন্য বিমানবন্দর রিসিভ সুবিধা
*️⃣ ভর্তির জন্য যে ডকুমেন্টস গুলো লাগবে :
1. HSC & SSC এর মার্কসিট
2. পাসপোর্ট
3. পাসপোর্ট সাইজের সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড ছবি
*️⃣সম্পূর্ণ প্রসেসিং সম্পন্য করতে সময় লাগে :
1. ৩ কর্মদিবসের মধ্যে ভর্তি
2. ৭-১৫ কর্মদিবসের মধ্যে ভিসা
#বিদেশে_এমবিবিএস
(SRMSI)
11/07/2023
আইইএলটিএস ব্যান্ড স্কোর যেভাবে হিসাব করা হয়।
উচ্চশিক্ষা কিংবা বিদেশ যাওয়ার পূর্বে অনেকেই আইইএলটিএস পরীক্ষা দেওয়ার কথা ভাবেন। ইন্টারন্যাশনাল ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্টিং সিস্টেম বা আইইএলটিএসের মাধ্যমে যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি নয়, তাদের ভাষা দক্ষতা যাচাই করা হয়।
তবে আইইএলটিএসের ব্যান্ড স্কোর কিংবা এর মূল্যায়ন কীভাবে করা হয় তা নিয়ে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে। তাই দেখে নেওয়া যাক, আইইএলটিএস-এর ব্যান্ড স্কোরগুলো কীভাবে গণনা করা হয় সে সম্পর্কে।
আইইএলটিএসের ব্যান্ড স্কোর গণনা
আইইএলটিএসের স্কোরিং ০ থেকে ৯ এর মধ্যে হয়ে থাকে। যেখানে আপনি পূর্ণসংখ্যার স্কোরের পাশাপাশি ০ দশমিক ৫ সম্বলিত স্কোর, যেমন: ৬ দশমিক ৫, ৭ দশমিক ৫ কিংবা ৮ দশমিক ৫ এরকম স্কোরও পেতে পারেন।
প্রতিটি দক্ষতা অর্থাৎ, লিসেনিং (শোনা), রিডিং (পড়া), রাইটিং (লেখা) এবং স্পিকিং (বলা)-এর জন্য আপনি আলাদা আলাদা ব্যান্ড স্কোর পাবেন। তারপর এগুলোকে গড় করে সামগ্রিক একটি ব্যান্ড স্কোর দেওয়া হয়।
তবে সামগ্রিক ব্যান্ডে আপনি কখনোই ৭ দশমিক ১ কিংবা ৬ দশমিক ৯ এই ধরনের স্কোর পাবেন না। এর কারণ, আইইএলটিএস সামগ্রিক পরীক্ষার ফলাফলগুলোকে নিকটতম অর্ধসংখ্যা (দশমিক ৫) কিংবা নিকটতম পূর্ণসংখ্যার স্কোরে রূপান্তর করে। বিষয়টির উদাহরণ দিলে আরও পরিষ্কার হবে।
ধরুন, আপনার সামগ্রিক গড় স্কোর আসলো ৬ দশমিক ৮৫। এ ক্ষেত্রে, ৬ দশমিক ৮৫-এর সবচেয়ে নিকটতম পূর্ণ সংখ্যা হচ্ছে ৭। তখন আপনার স্কোরটি ৭-এ উঠিয়ে হিসেব করা হবে। আবার ধরুন, আপনার স্কোর যদি ৬ দশমিক ৬৫ আসে, সে ক্ষেত্রে ৭ এর তুলনায় ৬ দশমিক ৫ এই স্কোরটির সবচেয়ে কাছে। তাই তখন আপনার স্কোর ৬ দশমিক ৫-এ নামিয়ে হিসেব করা হবে। অর্থাৎ, আপনার গড় স্কোরের নিকটতম অর্ধ কিংবা পূর্ণ সংখ্যায় সামগ্রিক স্কোরটি উঠিয়ে কিংবা নামিয়ে হিসেব করা হবে।
আর যদি আপনার সামগ্রিক স্কোরের গড় ৬ দশমিক ২৫ হয়, সেক্ষেত্রে তাহলে কী হবে? এরকম হলে আপনার স্কোর ৬ দশমিক ৫-এ উন্নীত করা হবে। যদিও ৬ দশমিক ২৫ স্কোরটি আসলে ব্যান্ড ৬ এবং ৬ দশমিক ৫-এর মাঝামাঝি, তবে আইইএলটিএস কর্তৃপক্ষ এক্ষেত্রে এটিকে এর নিকটতম স্কোরে উন্নীত করে, যা এখানে ৬ দশমিক ৫। একইভাবে, ৬ দশমিক ৭৫-এর ক্ষেত্রেও এটিকে বাড়িয়ে ৭-এ উন্নীত করা হবে।
প্রতিটি দক্ষতা আলাদা আলাদাভাবে হিসাব করার প্রক্রিয়াও রয়েছে। চলুন দেখে নেওয়া যাক সেগুলো সম্পর্কে।
লিসেনিং এবং রিডিং ব্যান্ড স্কোর
আপনার লিসেনিং এবং রিডিংয়ের ব্যান্ড স্কোর মোট ৪০-এর মধ্যে গণনা করা হয়। তবে এ ক্ষেত্রে, রিডিংয়ে ২টি ভাগ রয়েছে। আইইএলটিএস পরীক্ষাটি মানুষ সাধারণত একাডেমিক ক্ষেত্র যেমন, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের জন্য দিয়ে থাকেন।
তবে, অনেকে মাইগ্রেশনের উদ্দেশ্যেও এই পরীক্ষায় বসেন। যারা একাডেমিক ক্ষেত্রে যাওয়ার জন্যে দিবেন, তাদের জন্যে একাডেমিক রিডিং স্কোর ব্যান্ডে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হবে। আর যারা মাইগ্রেশনের উদ্দেশ্যে দিয়ে থাকেন তাদের রিডিং ব্যান্ড স্কোর এ ক্ষেত্রে জেনারেল ট্রেইনিংয়ের অধীনে করা হবে।
নিচে রিডিং এবং রাইটিংয়ের ব্যান্ড স্কোর গণনার হিসেবটি দেখা যাক।
রাইটিং ব্যান্ড স্কোর
আইইএলটিএস-এ রাইটিংয়ের ২টি ভাগ রয়েছে। একটি হচ্ছে রাইটিং টাস্ক ১ এবং রাইটিং টাস্ক ২। এ ক্ষেত্রে এই ২টি কাজকে ৪টি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন করা হয়। সেগুলো হল-
টাস্ক অ্যাচিভমেন্ট: উত্তরগুলো কত সুন্দরভাবে করা হয়েছে তা দেখা হয় এখানে। অর্থাৎ, পরীক্ষক আপনার তথ্য, ওভারভিউ, ব্যাখ্যা এবং সঠিকতা যাচাই করবেন।
কোহেরেনস অ্যান্ড কোহেশন: আপনার তথ্যগুলো কীভাবে সাজিয়েছেন, আপনার অনুচ্ছেদ এবং কিভাবে একটি তথ্যের সঙ্গে আরেকটি সংযুক্ত করেছেন সেগুলো এখানে চিহ্নিত করা হবে। অর্থাৎ, আপনি লেখাটি কতটা সুন্দরভাবে গঠন করতে পেরেছেন তা এখানে দেখা হবে।
লেক্সিকাল রিসোর্সেস: আপনার শব্দভাণ্ডার বা ভোক্যাবুলারির ব্যবহার এবং বানান এখানে দেখা হবে।
গ্রামাটিক্যাল রেঞ্জ অ্যান্ড অ্যাকুরেসি: আপনার বাক্যের গঠন, টেন্সের ব্যবহার, ব্যাকরণের উপর নিয়ন্ত্রণ অর্থাৎ আপনার ব্যাকরণ কতটা সঠিক হয়েছে তা এখানে যাচাই করা হবে।
রাইটিং টাস্ক ১ এবং ২-এর জন্য উপরের সবগুলো মানদণ্ডে আলাদা ব্যান্ড স্কোর দেওয়া হবে এবং সবগুলোর একটি মোট গড় স্কোর করা হবে।
উদাহরণস্বরূপ রাইটিং টাস্ক-১ এর ক্ষেত্রে যদি, টাস্ক অ্যাচিভমেন্ট: ব্যান্ড ০৭; কোহেরেনস অ্যান্ড কোহেশন: ব্যান্ড ৮, লেক্সিকাল রিসোর্সেস: ৭; গ্রামাটিক্যাল রেঞ্জ অ্যান্ড অ্যাকুরেসি: ৬ হয়। তাহলে আপনার রাইটিং টাস্ক ১ এর ক্ষেত্রে গড় ব্যান্ড স্কোর হবে, (৭+৮+৭+৬)÷৪ = ২৮÷৪ = ৭।
স্পিকিং ব্যান্ড স্কোর
স্পিকিংয়ের অংশটি ৩ ভাগে বিভক্ত, এগুলো হলো আইএলটিএস স্পিকিং পার্ট ১, ২ এবং ৩। পরীক্ষাটি ৩টি ভিন্ন অংশ মিলিয়ে মোট ১১-১৪ মিনিট পর্যন্ত নেওয়া হয়। রাইটিংয়ের মতো স্পিকিংয়ের ক্ষেত্রেও মোট ৪টি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে স্কোর দেওয়া হয়। এগুলো হচ্ছে-
ফ্লুয়েন্সি অ্যান্ড কোহেরেন্স: আপনি কোনো জড়তা কিংবা নিজেকে সংশোধন করা ছাড়াই কতটা সাবলীলভাবে কথা বলতে পারছেন তা এখানে দেখা হয়। এ ছাড়া, আপনার কথা বোঝা যাচ্ছে কি না এবং একটি কথার সঙ্গে আরেকটি কথার সংযোগ বা সামঞ্জস্যতা বজায় রাখতে পারছেন কি না তাও দেখা হয়।
লেক্সিকাল রিসোর্সেস: একটি কথা আপনি কতভাবে বলতে পারেন অর্থাৎ, আপনার শব্দভান্ডার কতটা উন্নত এখানে তা দেখা হয়।
প্রোনানসিয়েশন: আপনার উচ্চারণ শুদ্ধ কি না, আপনার বাচনভঙ্গির কারণে কথা বুঝতে সমস্যা হয় কি না, ইত্যাদি এখানে দেখা হয়।
গ্রামাটিক্যাল রেঞ্জ অ্যান্ড অ্যাকুরেসি: কথা বলার সময় আপনি ব্যাকরণ মেনে চলছেন কিনা সেটি এখানে দেখা হয়।
এরপর রাইটিংয়ের মতোই প্রতিটি আলাদা মানদণ্ডের জন্য আলাদা করে ব্যান্ড স্কোর দেওয়া হবে এবং ৪টির গড় করা হবে। উদাহরণস্বরূপ, ফ্লুয়েন্সি অ্যান্ড কোহেরেন্স: ৭; লেক্সিকাল রিসোর্সেস: ৬.৫; প্রোনানসিয়েশন: ৭.৫; গ্রামাটিক্যাল রেঞ্জ অ্যান্ড অ্যাকুরেসি: ৭।
তাহলে মোট স্কোর, (৭+৬.৫+৭.৫+৭)÷৪ = ৭।
আইইএলটিএস-এর ব্যান্ড স্কোর বা মার্কিং কীভাবে করা হয় সে সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকলে স্বাভাবিকভাবেই আপনার প্রস্তুতির ভিত্তি আরও শক্ত হবে। কেন না, আপনি বুঝতে পারবেন কীভাবে কী করলে আপনার নম্বর কাটা যেতে পারে এবং কীসের উপর ভিত্তি করে আসলে মার্কিংগুলো করা হয়। এতে করে আপনি আপনার দুর্বল দিকগুলো খুঁজে বের করার পাশাপাশি আপনার সবল দিকগুলোকেও আরও ভালোভাবে চিহ্নিত করে ঝালাই করে নিতে পারবেন।
তথ্যসূত্র: ব্রিটিশ কাউন্সিল, আইইএলটিএসলিজ
09/07/2023
কানাডায় ব্যাচেলর–মাস্টার্স–পিএইচডিতে স্কলারশিপ , আবেদন আইইএলটিএসে ৬.৫ হলেই
কানাডার অন্যতম একটি বিশ্ববিদ্যালয় সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়। এটি দেশটির কৃষিশিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০২৪ সালে কানাডাসহ সারা বিশ্বের শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাচেলর, মাস্টার্স ও পিএইচডি প্রোগ্রামে বৃত্তির ঘোষণা দিয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে। এ আবেদন জানুয়ারি ২০২৪-এ শুরু হতে যাওয়া উইন্টার ইনটেকের জন্য।
আবেদনের সময়সীমা
বিদেশি শিক্ষার্থীরা এ বছরের ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। আর কানাডার নাগরিকেরা এ বছরের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
আবেদন যেভাবে
অনলাইনে আবেদনের সব কাজ নিজেকেই করতে হবে। সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে করা যাবে আবেদন।
ভাষাগত দক্ষতা
ইংরেজি ভাষাভাষী দেশের প্রার্থীদের আইইএলটিএস, টোফেল বা অন্যান্য স্কোর না থাকলেও হবে। কিন্তু ইংরেজি ভাষাভাষীর বাইরের দেশের নাগরিকদের আইইএলটিএসএ ৬ দশমিক ৫ অথবা টোয়েফেল ৮৬ অথবা পিটিইতে ৬৩ অথবা ডুয়োলিঙ্গে ১১০ পেতে হবে।
এপ্লিকেশন লিংক
https://www.usask.ca/admission/?mibextid=Zxz2cZ
ন্যূনতম যোগ্যতা জানতে ভিজিট করুন: Minimum admission requirements লিংকে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ দেশের প্রতিনিধির মাধ্যমে যোগাযোগ করে আবেদন করা যাবে। লিংক https://admissions.usask.ca/requirements/agents.php?mibextid=Zxz2cZ
বিস্তারিত জানতে https://grad.usask.ca/programs/find-a-program.php?mibextid=Zxz2cZ
05/07/2023
স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে পড়তে যাওয়ার প্রস্তুতি নেবেন কীভাবে।
যাঁরা বৃত্তি নিয়ে বিদেশে পড়তে যেতে চান, কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন? কী কী চ্যালেঞ্জ আছে সামনে?
করোনা-পরবর্তী সময়ে আবারও উচ্চশিক্ষার অনেক সুযোগ উন্মুক্ত হচ্ছে। পুরোনো বৃত্তিগুলো যেমন চালু হয়েছে, তেমনি নতুন অনেক বৃত্তির জন্যও আবেদন আহ্বান করা হচ্ছে। যাঁরা বৃত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুত হতে চান, তাঁদের কী করণীয়?
তাড়াহুড়া নয়
বৃত্তি নিয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রক্রিয়া বেশ দীর্ঘ। তাড়াহুড়া করলে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। একদিকে যেমন পড়াশোনার প্রস্তুতির প্রয়োজন, অন্যদিকে কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ও কম গুরুত্বপূর্ণ নায়। যুক্তরাষ্ট্রের ফুলব্রাইট ফরেন স্টুডেন্ট প্রোগ্রামে পূর্ণ অর্থায়নে পড়ার সুযোগ পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) সহযোগী অধ্যাপক খালেদ মাহমুদ। তিনি জানান, একেক দেশের বৃত্তির প্রক্রিয়া একেক ধরনের। আবার বিষয়ভিত্তিক ভর্তির প্রক্রিয়াও ভিন্ন। আগে থেকে শিক্ষার্থীরা যদি প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন, তাহলে বৃত্তিসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সহজে আয়ত্ত করতে পারবেন।
By using this site, you agree to our Privacy Policy.
OK
জীবনযাপন
বৃত্তি নিয়ে বিদেশে পড়তে যাওয়ার প্রস্তুতি নেবেন কীভাবে
যাঁরা বৃত্তি নিয়ে বিদেশে পড়তে যেতে চান, কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন? কী কী চ্যালেঞ্জ আছে সামনে?
লেখা:
জাহিদ হোসাইন খান
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৩, ১০: ৪৮
বিশ্ববিদ্যালয়জীবন থেকেই উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করতে পারেন
বিশ্ববিদ্যালয়জীবন থেকেই উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করতে পারেনকৃতজ্ঞতা: ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক, ছবি: সাবিনা ইয়াসমিন
করোনা-পরবর্তী সময়ে আবারও উচ্চশিক্ষার অনেক সুযোগ উন্মুক্ত হচ্ছে। পুরোনো বৃত্তিগুলো যেমন চালু হয়েছে, তেমনি নতুন অনেক বৃত্তির জন্যও আবেদন আহ্বান করা হচ্ছে। যাঁরা বৃত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুত হতে চান, তাঁদের কী করণীয়?
তাড়াহুড়া নয়
বৃত্তি নিয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রক্রিয়া বেশ দীর্ঘ। তাড়াহুড়া করলে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। একদিকে যেমন পড়াশোনার প্রস্তুতির প্রয়োজন, অন্যদিকে কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ও কম গুরুত্বপূর্ণ নায়। যুক্তরাষ্ট্রের ফুলব্রাইট ফরেন স্টুডেন্ট প্রোগ্রামে পূর্ণ অর্থায়নে পড়ার সুযোগ পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) সহযোগী অধ্যাপক খালেদ মাহমুদ। তিনি জানান, একেক দেশের বৃত্তির প্রক্রিয়া একেক ধরনের। আবার বিষয়ভিত্তিক ভর্তির প্রক্রিয়াও ভিন্ন। আগে থেকে শিক্ষার্থীরা যদি প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন, তাহলে বৃত্তিসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সহজে আয়ত্ত করতে পারবেন।
প্রথম ধাপ—প্রস্তুতি
শুরুতে একটি বছরভিত্তিক পরিকল্পনা নেওয়া ভালো। ইউরোপের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য আলোচিত বৃত্তি ইরাসমাস মুন্ডাস। এই বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী অনুপমা নিলয়া বর্তমানে স্প্যানিশ রিসার্চ কাউন্সিলে গবেষক হিসেবে কর্মরত। তিনি মনে করেন, শুরুতেই একেকটি কাজের জন্য ‘টাইমলাইন’ ঠিক করে ফেলা উচিত।
দক্ষতা যাচাইয়ের পরীক্ষা: ভাষাসংশ্লিষ্ট দক্ষতার ক্ষেত্রে আইইএলটিএস (ইন্টারন্যাশনাল ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্টিং সিস্টেম) বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে সবচেয়ে পরিচিত।
অনুপমা বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক ও সম্মানজনক বৃত্তিগুলোর জন্য ৭.০ বা ৭.৫ আইইএলটিএস স্কোর গ্রহণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক বৃত্তিগুলোতে ৬.৫ স্কোরও গ্রহণ করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে টোয়েফল (টেস্ট অব ইংলিশ অ্যাজ আ ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ) স্কোর লাগে। অতএব প্রয়োজন বুঝে ভাষা দক্ষতার পরীক্ষা দেওয়া উচিত। জার্মানি, ফরাসি, চীনা— নানা ভাষাই আপনি শিখতে পারেন। সেই ভাষাসংশ্লিষ্ট বৃত্তি পাওয়া তাহলে সহজ হবে।
যাঁরা ব্যবসায় শিক্ষা নিয়ে পড়বেন, জিম্যাট (গ্র্যাজুয়েট ম্যানেজমেন্ট অ্যাডমিশন টেস্ট) তাঁদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আর বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞানসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে পড়তে চাইলে জিআরই (গ্র্যাজুয়েট রেকর্ড এক্সামিনেশনস) স্কোর দরকার। তবে অনুপমা নিলয়া জানান, ইউরোপের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে ভর্তির জন্য জিআরই-জিম্যাট স্কোর প্রয়োজন হয় না।
অধিকাংশ বৃত্তির ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুণাবলি, স্বেচ্ছাসেবক বা গবেষক হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা, এসব বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই এসব অর্জনের দিকে মনোযোগ দিতে হবে আগে থেকেই।
সনদ, সুপারিশপত্র, পাসপোর্ট: শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, নম্বরপত্র ইত্যাদি জোগাড় করে ফেলতে হবে। আমাদের দেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সনদ তুলতে গেলেও একধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পড়তে হয়। তাই শেষ মুহূর্তের জন্য ফেলে না রেখে সনদ সংগ্রহ করুন যত দ্রুত সম্ভব। হালনাগাদ পাসপোর্টও হাতে রাখুন।
ফুলব্রাইট বৃত্তিপ্রাপ্ত খালেদ মাহমুদ বলেন, ‘স্টেটমেন্ট অব পারপাস (এসওপি) ও লেটার অব রিকমেন্ডেশন (এলওআর) বৃত্তির জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রায়ই একটি সাধারণ মানের এসওপি ও শিক্ষকের কাছ থেকে সুপারিশপত্র নিয়ে বৃত্তির জন্য জমা দেন। যেহেতু সব বৃত্তিই প্রতিযোগিতামূলক, তাই এসব হেলাফেলার জন্যও অনেকে বাদ পড়ে যান। আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য নিজের স্টেটমেন্ট অব পারপাস নিজেকেই লিখতে হবে। আপনি যে বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের চেষ্টা করছেন, সেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে সুপারিশপত্র নিন। অনেক সময় ভাষা দক্ষতা বা জিআরই-জিম্যাটের স্কোর কম হলে ভালো সুপারিশপত্রই আপনাকে এগিয়ে রাখবে।’
দ্বিতীয় ধাপ—বৃত্তির খোঁজ ও আবেদন
দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে আবেদনপ্রক্রিয়া ভিন্ন। অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ড বৃত্তি নিয়ে দ্য অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে পড়েছেন মো. জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, অনলাইনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তো বৃত্তির খোঁজ পাওয়াই যায়। এ ছাড়া সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের কাছ থেকে ই-মেইল করেও তথ্য জানতে পারেন।
বৃত্তির সন্ধান: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ কার্যকর। হালনাগাদ সরকারি বৃত্তির তথ্য পাওয়া যায় সব সময়। বিভিন্ন দূতাবাসের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজেও বৃত্তির তথ্য প্রকাশ করা হয়। এ ছাড়া চোখ রাখতে পারেন পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে নিয়মিত তথ্য পাওয়ার সুযোগ আছে।
কানাডার লাভাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরাল গবেষক রামিম তানভীর রহমান বলেন, ‘আপনি যে বিষয়ে পড়তে বা গবেষণা করতে চান, সে বিষয়ের অধ্যাপকদের কাজের দিকে নজর রাখতে হবে। কোন অধ্যাপক কী নিয়ে গবেষণা করছেন, কেমন অনুদান পাচ্ছেন, এসব জানা থাকলে আবেদন করা সহজ হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয় সন্ধান: কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিষয়ে আপনি পড়তে চান? কেন এই বিশ্ববিদ্যালয় বা বিষয়টি বেছে নিলেন? প্রশ্নগুলোর উত্তর আপনার জানা থাকা চাই। চিভনিং বৃত্তিপ্রাপ্ত শাহরিয়ার রহমান বলেন, চিভনিংসহ অনেক বৃত্তির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার জমা দিতে হয়। ভারতের আইসিসিআর বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী নাহরিন রাত্রী জানান, সে দেশে বৃত্তিসহ পড়তে চাইলে আবেদনের সময় কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয়ের নাম সংযুক্ত করতে হয়। পরে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হলে যোগ্যতা অনুযায়ী এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পান।
তৃতীয় ধাপ—সাক্ষাৎকার
বৃত্তির সর্বশেষ ধাপে শিক্ষার্থীকে অনেক সময় সাক্ষাৎকারের মুখোমুখি হতে হয়। অনলাইনে মৌখিক সাক্ষাৎকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসও সাক্ষাৎকার নিতে পারে। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দূতাবাসের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকে। ভারত, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকারি বৃত্তির জন্য শিক্ষার্থীদের দূতাবাসের মাধ্যমে সাধারণ জ্ঞাননির্ভর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়ও অংশগ্রহণ করতে হয়।
আরও যা মাথায় রাখতে হবে
অর্থের জোগান: জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ব্লকড অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পর্কে জেনে নিতে পারেন। আবার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক বৃত্তির জন্য ব্যাংকের মাধ্যমে স্টুডেন্ট ফাইল চালু করতে হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে স্টুডেন্ট ফাইল চালুর ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা সংকটের মুখে পড়ছেন। অনেক ব্যাংক স্টুডেন্ট ফাইল খোলার সুযোগ বন্ধ রেখেছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে পরিস্থিতি জানিয়ে ই-মেইলে যোগাযোগ করতে পারেন।
আবেদনের সময়: বৃত্তির ডেডলাইনের নির্দিষ্ট সময়ের আগে আবেদন করতে হবে। চিভনিং বৃত্তিসহ বিভিন্ন বৃত্তির অনলাইনে আবেদনের শেষ দিকে অনেক আবেদন জমা পড়ে বলে নানা জটিলতায় অনেকেই আবেদন জমা দিতে পারেন না। আবার শেষের সময় অনেক আবেদনের চাপে ভালো আবেদন উপেক্ষার আশঙ্কা থাকে। তাই কিছুটা সময় হাতে নিয়ে আবেদন করতে হবে।
কয়েকটি সরকারি বৃত্তির খোঁজ
যুক্তরাজ্যের বৃত্তি: chevening.org/scholarship/bangladesh/
যুক্তরাষ্ট্রের বৃত্তি: foreign.fulbrightonline.org/apply
চীনে বৃত্তি: campuschina.org
ইউরোপের বৃত্তি: eacea.ec.europa.eu/scholarships/erasmus-mundus-catalogue_en
জার্মানিতে বৃত্তি: daad.de/en/study-and-research-in-germany/scholarships/
ভারতে বৃত্তি: a2ascholarships.iccr.gov.in/
Find Scholarships You can find information on the various types of scholarships in the DAAD scholarship database, along with suitable offers.
বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ভর্তি ফি, বেধে দেয়া হলো ১৯ লাখ ৪৪ হাজার। ইন্টার্ন ফি - ১ লাখ ৮০ হাজার, মাসিক বেতন গুনতে হবে ১০ হাজার!
03/07/2023
জার্মানিতে ফ্রি ফ্রেডরিখ স্টিফটাং বৃত্তি, ১২০০ ইউরোর সঙ্গে মিলবে স্বাস্থ্যবিমাও।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের পড়তে যাওয়ার জন্য অন্যতম গন্তব্য জার্মানি। দেশটিতে কয়েকটি বৃত্তি নিয়ে পড়তে যাওয়া যায়। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের জন্য দেশটি ফ্রেডরিখ ইবার্ট স্টিফটাং বৃত্তির ঘোষণা দিয়েছে। যোগ্যাতা পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবেন যে কেউ। জার্মানিতে পিএইচডি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনেক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়।
শিক্ষাবৃত্তিটি জার্মানির সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির একটি ফাউন্ডেশন থেকে দেওয়া হয়। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফাউন্ডেশনটি এ বৃত্তির ঘোষণা দিয়েছে। বিশ্বের ১০০টির অধিক দেশে এ ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ফাউন্ডেশনের সদর দপ্তর জার্মানির বন ও বার্লিনে।
জার্মানির পুরোনো এই ফাউন্ডেশন উন্নয়নশীল দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য পোস্ট গ্র্যাজুয়েট/ডক্টরাল স্টাডিজ প্রোগ্রামে শতভাগ বৃত্তি প্রদান করে। এ প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে দক্ষ ও যোগ্য হয়ে উঠবেন। বিদেশি শিক্ষার্থীরা ১৯৭১ সাল থেকে পেয়ে আসছেন ইউরোপের ফ্রেডরিখ ইবার্ট স্টিফটাং বৃত্তি।
আবেদনের যোগ্যতা
আবেদনকারীকে অবশ্যই জার্মান ভাষায় দক্ষ হতে হবে;
সব বিষয়ের শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন;
এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকা, সোভিয়েত-পরবর্তী প্রজাতন্ত্রগুলোর এবং দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের (ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত) দেশগুলোর নাগরিক হতে হবে;
অবশ্যই পড়াশোনার উদ্দেশ্যেই আসতে হবে।
এ বৃত্তির সুযোগ-সুবিধা
বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতি মাসে ১ হাজার ২০০ ইউরো দেওয়া হবে;
কোনো টিউশন ফি দিতে হবে না;
ফাউন্ডেশন থেকে স্বাস্থ্যবিমা মিলবে;
জার্মানিতে বিনা অর্থে অধ্যয়ন ও জার্মান সংস্কৃতি বিকাশে গবেষণা করার সুযোগ
বিভিন্ন সভা ও সেমিনারে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে;
আবেদন যেভাবে
ফ্রেডরিখ স্টিফটাং বৃত্তির আবেদন অনলাইনে করতে হবে;
আবেদন অবশ্যই জার্মান ভাষায় করতে হবে;
* নির্বাচক কমিটি ভর্তি ও বৃত্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।
প্রতিবছর ১৫ বিদেশি শিক্ষার্থীকে ফ্রেডরিখ স্টিফটাং বৃত্তির জন্য মনোনীত করা হয়।
আবেদনের লিংক
https://www.opportunitiescircle.com/friedrich-ebert-stiftung-scholarship-in-germany/?mibextid=Zxz2cZ
02/07/2023
বিদেশে পড়ার স্বপ্ন যাঁদের, গন্তব্য হতে পারে এই পাঁচ দেশ।
অনেকেরই স্বপ্ন থাকে বিদেশে পড়াশোনার। বিদেশে নিজ অর্থ খরচে আবার স্কলারশিপে পড়া যায়। বিশদ পড়াশোনা বা গবেষণার জন্য অনেকেই বিদেশে পাড়ি দিতে চান। তবে সংশ্লিষ্ট দেশের সংস্কৃতি, খরচ, শিক্ষার মান যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার। কানাডার শিক্ষা ও প্রযুক্তি কোম্পানি এ সম্পর্কে অ্যাপ্লাইবোর্ডের চিফ এক্সপেরিয়েন্স অফিসার কারুন কানদই উচ্চশিক্ষার গন্তব্যের জন্য পাঁচটি দেশের কথা বলেছেন। কেন এসব দেশ উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হতে পারে, তা-ও জানিয়েছেন কারুন কানদই। সেগুলো সংক্ষেপে শিক্ষার্থীদের জন্য তুলে ধরা হলো—
অস্ট্রেলিয়া
উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যতম জনপ্রিয় দেশ অস্ট্রেলিয়া। বিদেশে পড়তে যাওয়ার ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের পছন্দের শুরুতেই থাকে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির ক্যানবেরা, মেলবোর্ন, সিডনি, ব্রিসবেন, অ্যাডিলেড, পার্থ শহরে রয়েছে বিশ্বের প্রথম সারির অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সেই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যাওয়ার ভিসা পাওয়া তুলনামূলক সহজ। পাশাপাশি দেশটিতে পড়াশোনার সঙ্গে আছে খণ্ডকালীন (পার্ট টাইম) কাজের সুযোগ।
২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট ১ লাখ ৭৯ হাজার আবেদনপত্রের মধ্যে ভিসা দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে। করোনা–পরবর্তী দক্ষতা ও আর্থিক ঘাটতি পূরণে শিক্ষার্থী ভিসা মঞ্জুরের হার রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে।
অস্ট্রেলিয়ায় নতুন অর্থবছর শুরু আগামী ১ জুলাই থেকে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশটির সব খাতের পাশাপাশি অভিবাসন খাতেও আসবে পরিবর্তন। তবে নতুন অর্থবছরে পুরো অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন প্রক্রিয়ায় বড়সড় রদবদল আসতে চলেছে। প্রায় দুই বছর আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের সঙ্গে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন-প্রায় হওয়ার দরুন দেশটির শ্রমবাজারে সৃষ্ট ঘাটতি কমাতে নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা ভিসা ক্যাটাগরিতে নানা সুবিধা পাবেন।
শিক্ষার্থীদের কর্মঘণ্টা বাড়ছে। করোনা সংকটের কারণে শিক্ষার্থী ভিসাধারীদের কর্মঘণ্টার সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছিল। তবে আসন্ন অর্থবছরে এ সুবিধা বন্ধের কথা থাকলেও এর পরিবর্তে আগের সপ্তাহে ২০ কর্মঘণ্টাকে বাড়িয়ে ২৪ ঘণ্টা করা হয়েছে, বহাল থাকবে এ বছরের শেষ পর্যন্ত।
শিক্ষা সমাপনী-পরবর্তী ভিসা ৪৮৫ টেম্পোরারি গ্র্যাজুয়েট ভিসারও মেয়াদ বাড়ানো যাবে। এ ভিসাধারী প্রার্থীরা স্নাতক পাস হলে দুই বছরের বদলে চার বছর, স্নাতকোত্তর হলে তিন বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর এবং ডক্টরাল হলে ছয় বছর বসবাস করতে পারবেন অস্ট্রেলিয়ায়।
কানাডা
বিদেশে পড়তে যাওয়ার জন্য অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠছে কানাডা। আন্তর্জাতিক পড়ুয়াদের জন্য সহজ অভিবাসননীতি এর মূল কারণ। আর দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার সুযোগও পাওয়া যায় অনেক বেশি। একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে, প্রতি পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্য চারজনই কানাডায় পড়তে যেতে আগ্রহী।
কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যাম্পাসে বা বাইরে খণ্ডকালীন কাজ করার জন্য ওয়ার্ক পারমিটের প্রয়োজন নেই। শিক্ষার্থীরা খণ্ডকালীন কাজ করতে পারেন। শিক্ষার্থীরা তাদের একাডেমিক প্রোগ্রাম চলাকালে সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন। একাডেমিক বিরতির সময় পূর্ণসময় কাজ করার সুযোগ তো আছে। স্নাতক শেষে বা পড়াশোনা শেষ হওয়ার পরে শিক্ষার্থীরা অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য দেশটির জনপ্রিয় পোস্ট-গ্রাজুয়েশন ওয়ার্ক প্রোগ্রামের (PGWP) জন্য আবেদন করতে পারেন।
যুক্তরাজ্য
বিশ্বের বড় বড় খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে যুক্তরাজ্যে। শিক্ষার গুণগত মানের দিক থেকে চিন্তা করলে অনেক এগিয়ে আছে ঋষি সুনাকের দেশ। একাডেমিক ঐতিহ্যের জন্য যুক্তরাজ্যের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত। কিছু প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় আছে দেশটিতে। বিভিন্ন কোর্স আর প্রোগ্রামের কারণে যুক্তরাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়। সাংহাইভিত্তিক একাডেমিক র্যাঙ্কিং অব ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিজে (ARWU) যুক্তরাজ্যের ৬৩টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জায়গা করে নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের পছন্দের শহরগুলোর কথা এলে লন্ডন, গ্লাসগো ও এডিনবার্গ সেরা পছন্দ।
পড়াশোনার পাশাপাশি বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কাজের সুযোগও আছে দেশটিতে। পূর্ণ সময়ের বিদেশি শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নের শর্তে প্রতি সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত এবং কোর্স বিরতির সময় বা একাডেমিক প্লেসমেন্টের অংশ হিসেবে পার্ট টাইম কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পড়া শেষে গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের ওয়ার্ক ভিসায় দুই বছর পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ দেয় দেশটি।
আয়ারল্যান্ড
বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় দেশ আয়ারল্যান্ড। অনেকে এই দেশের শীর্ষ সারির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা লাভ করতে চান। পাশাপাশি অনেক সুযোগ-সুবিধাও মেলে এই দেশে।
বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা, অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত আয়ারল্যান্ড।
একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব এবং ব্যতিক্রমী জীবনমানের কারণেও দেশটি শিক্ষার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।
বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো র্যাঙ্কিংয়ে দেশটির ৩ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জায়গা করে নেয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো উচ্চমানের শিক্ষা, ব্যাপক গবেষণার সুযোগ এবং বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতির কারণে অনেকে কাছে পড়তে যাওয়ার জন্য আয়ারল্যান্ড শীর্ষে। ট্রিনিটি কলেজ ডাবলিন, ইউনিভার্সিটি কলেজ ডাবলিন এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ কর্ক দেশটি বহুল পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়। সংস্কৃতি, সমৃদ্ধ ইতিহাস ও আকর্ষণীয় শহরগুলোর কারণে বিদেশি ছাত্ররা দেশটিতের ভিড় জমান। ইংরেজিভাষী জনসংখ্যা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্কের কারণে শিক্ষার্থীদের কাছে দেশটি বেশ আকর্ষণীয়।
কানাডা, যুক্তরাজ্যের মতো এখানে পড়াশোনার ফাঁকে প্রতি সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ আছে। গ্রীষ্ম ও শীতের ছুটিতে প্রতি সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা পর্যন্ত খণ্ডকালীন কাজ করতে পারেন শিক্ষার্থীরা। এ ক্ষেত্রে বৈধ অভিবাসন স্ট্যাম্প টু প্রয়োজন। পড়া শেষে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্নাতকের পর ১২ থেকে ২৪ মাস কাজ করার অনুমতি ও সুযোগ আছে। বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন এবং কর্মজীবনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্যই এ সুযোগ দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের একাধিক বিশ্ববিখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষালাভের সুযোগও বেশি দেশটিতে। মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিস্তৃত একাডেমিক অফারের কারণে যুক্তরাষ্ট্র বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত পছন্দের গন্তব্য। উদ্ভাবন, গবেষণা প্রতি প্রতিশ্রুতি, একাডেমিক এবং কর্মজীবনে দক্ষতা অর্জনের অবারিত সুযোগের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে সুপরিচিত। নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া এবং টেক্সাসের অঙ্গরাজ্যর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য।
এফ-১ (F-1) বা এম-১ (M-1) ভিসাসহ নির্দিষ্ট কিছু শর্তে আন্তর্জাতিক ছাত্ররা কাজের সুযোগও পান। এ ছাড়া দেশটির কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকার অনুমোদিত ক্যাম্পাসে জব বা ক্যাম্পাসে চাকরির সুযোগ মেলে।
তথ্যসূত্র: এডুকেশন ডট কম। ইন্ডিয়া টুডে।প্রথম আলো।
এক হাজার বিদেশি শিক্ষার্থীকে স্কলারশিপ দেবে ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্ন অস্ট্রেলিয়া, দ্রুত আবেদন করুন।
বিস্তারিত কমেন্টে...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
120. Abdukadira. , Leve Tolostoy
Bishkek
720000