To-Let bachelor & Family Roma Italy

To-Let bachelor & Family Roma Italy its public figure.

29/08/2023

আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সবাই ভাল আছেন , সুস্থ আছেন। আমেরিকান টুরিস্ট ভিসা নিয়ে আমাদের নানা রকম জল্পনা কল্পনা রয়েছে । যেমন কি কি দরকার হয় আমেরিকার ভিসা করার জন্য , আমরা হয়তো অনেকেই জানি না।

আমাদের মনে হয় অনেক কাগজপত্র দরকার যেমন ব্যাংক স্টেটমেন্ট , ট্রেড লাইসেন্স , টিন সার্টিফিকেট , বাড়ির দলিল ইত্যাদি। সত্যি বলতে , আমেরিকার ভিসা করার জন্য কোন ধরনের কাগজপত্র প্রয়োজন হয় না। আমেরিকার ভিসা সম্পূর্ণ ইন্টারভিউ নির্ভর। আমরা বেশিরভাগ মানুষই আমেরিকার ভিসার বিষয়ে ভুল তথ্য জেনে থাকি।

আজকে আমি আপনাদেরকে কি কি দরকার হয় , আমেরিকার ভিসা করার জন্য তার একটা বিবরণ দিচ্ছি। আশা করি আপনারা এটা দেখে বুঝতে পারবেন আমেরিকার ভিসা পাওয়া কত সহজ এবং কত সহজে দাঁড়ানো যায় আমেরিকার ভিসার জন্য।

শুধু মাত্র আপনার কিছু তথ্য প্রয়োজন , এই তথ্যের ভিত্তিতে আপনার ফাইল তৈরি করতে হয় ।
আমেরিকার ট্যুরিস্ট ভিসা করতে আপনার এই তথ্য গুলো লাগবে , পাসপোর্ট অনুযায়ী কিছু সংযোজন হতে পারে বা কিছু পরিবর্তন হতে পারে ।

১।পাসপোর্ট ও শেষ ৫ বছরে যদি কোন দেশ ঘোরা থাকে তার ফটোকপি [ না থাকলেও সমস্যা নেই ]
২। কোন পাসপোর্ট হারিয়ে থাকলে তার নাম্বার।
৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ড বা জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি।
৪। ছবি ২/২ সাইজ , কোন এডিট করা যাবে না।
৫। ইমেইল আইডি [ শেষ ৫ বছরে অন্য কোন ইমেইল আইডি থাকলে তা ]
৬। ফোন নাম্বার নিজ নামে রেজিস্ট্রেশন করা দুটি নাম্বার
[ শেষ ৫ বছরে অন্য কোন ফোন নাম্বার ব্যাবহার থাকলে তা ]

৭। বাবার নাম ও জন্ম তারিখ ।
৮। মায়ের নাম ও জন্ম তারিখ ।
৯। স্ত্রীর/ স্বামী নাম ও জন্ম তারিখ { অবিবাহিত হলে প্রয়োজন নেই }
১০। বাসার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা ।
১১। ফেসবুক আইডি লিংক বা অন্য কোন সোশ্যাল আইডি [ না থাকলেও সমস্যা নেই তবে দেওয়া ভালো ]
১২। কোনো সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থাকলে তার নাম।[ না থাকলেও সমস্যা নেই ]
১৩। শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা , তারিখ [ না থাকলেও সমস্যা নেই ]
১৪। ব্যবসা বা চাকরী করে থাকলে তার নাম - ঠিকানা [ না থাকলেও সমস্যা নেই ]
১৫। কোন ভাষায় ইন্টারভিউ দিতে চান। { বাংলা বা ইংলিশ }
১৬। আমেরিকায় আপনার কেউ থাকলে তার নাম , ঠিকানা , ফোন নাম্বার , ইমেইল আইডি [ না থাকলেও সমস্যা নেই ]

আমাদের সাথে কাজ করার আগে আমাদের অফিসে আসুন এবং কাজের সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
আপনার যাত্রা শুরু করতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
ঠিকানা - AMERICAN VISA CENTER
Globe Chamber [6th Floor],104 Motijheel C/A, Dhaka -1000 { সিটি সেন্টারের পশ্চিম পাশে }
বিস্তারিত জানতে কল করুন -
+88 01327-808282
+88 01327-808283
+88 01712-426631( WhatsApp number)
+88 02-47121677 (T&T)
+88 01628-678898
+88 01812-160034
অফিস সময় ও কল করার সময় -- শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ০৯:০০টা থেকে বিকাল ৫:০০ টা পর্যন্ত ।
ভিসা আপডেট, ভ্রমণ টিপস এবং এক্সক্লুসিভ অফারগুলির জন্য আমাদের পেজটি ফলো করুন ।

18/08/2023

আমাদের আরও একটি সফলতা আলহামদুলিল্লাহ!

ক্লাইন্টের সন্তুষ্টিই আমাদের প্রকৃত সফলতা। আমাদের প্রিয় মরিয়ম বেগম আপু গত ৩০শে জুলাই আমেরিকার B1/B2 অর্থাৎ ৫ বছর মেয়াদি মাল্টিপল টুরিস্ট ভিসা পেয়েছেন। প্রসেসিং সময় লেগেছে ২ মাস । তার অভিমতে, সে তার ধারনাতিত সময়ের চেয়েও দ্রুত ভিসা পেতে সফল হয়েছেন।

আপনি যদি আমেরিকা যেতে আগ্রহী হোন বা আমেরিকা যদি আপনার স্বপ্নের দেশ হয়ে থাকে তাহলে এই লেখাটি কেবলই আপনার জন্য। আমরা সাধারণত আমেরিকান ভিসার কথা শুনলেই ভয় পেয়ে যাই, ভয় পেয়ে আর চেষ্টাই করি না। অথচ বাস্তবতা হলো , অন্যান্য দেশের ভিসার তুলনায় আমেরিকান টুরিস্ট ভিসা পাওয়া টা অনেক সহজ। ভয় পাওয়ার মানসিকতা থেকে বের হয়ে আপনাকে সঠিক উপায়ে চেষ্টা করতে হবে, তাহলেই আপনার ভিসা পাওয়ার সফলতা আসবে ইনশাআল্লাহ।

🔷 সর্বপ্রথম বলে নেই আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা আসলে কাদের জন্য? আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা কারা রাখে? এই বিষয়টি আমাদের পরিষ্কার হওয়া বেশ জরুরী। আমেরিকার মতো একটি দেশে যাওয়ার জন্য আপনার অবশ্যই পার্শ্ববর্তী এবং ভালো কিছু দেশ ট্রাভেল থাকাটা জরুরী। কোনো দেশ ট্রাভেল না করেই আপনি আমেরিকায় ঘুরতে চলে যাবেন এটির কোনো যৌক্তিকতা হতে পারে না৷ এখন প্রশ্ন হলো, তাহলে কি সাদা পাসপোর্ট অথবা শুধু ইন্ডিয়া ভিজিটে আমেরিকার ভিসা হয় না? আপনি অনেক গুলো দেশ ট্রাভেল করলেই আমেরিকার ভিসা পেয়ে যাবেন ব্যাপারটা এমন নয়, আপনাকে সঠিক পলিসিটা জানতে হবে। ক্ষেত্র বিশেষে সাদা পাসপোর্টেও আমেরিকার ভিসা হয়ে থাকে। আপনার যদি নিজ পরিবারের কেও অর্থাৎ বাবা-মা, ভাই-বোন, ছেলে মেয়ে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কেও আমেরিকাতে থাকে তাহলে আপনি সাদা পাসপোর্টেও আমেরিকার ভিসা পাবেন। এছাড়াও যাদের বয়স একটু বেশি এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো তারা যদি আত্মবিশ্বাস এর সাথে ইন্টারভিউ দিতে পারে তাহলে সেসকল ব্যাক্তিরাও সাদা পাসপোর্টে আমেরিকার ভিসা পেতে পারে।

🔷 টুরিস্ট ভিসার ক্ষেত্রে ইনভাইটেশন এর কোনো প্রয়োজন আছে কি? আমাদের উত্তর হলো না। টুরিস্ট ভিসার জন্যে ইনভাইটেশন প্রয়োজন নেই। কেও যদি আমেরিকাতে কোনো কনফারেন্স বা সেমিনার অথবা কোনো মেলায় যোগদান করতে চান সেক্ষেত্রে ইনভাইটেশন এর প্রয়োজন আছে। এছাড়া শুধুমাত্র ঘুরতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইনভাইটেশন এর কোনো প্রয়োজন নেই।

🔷 এবার আসি ডকুমেন্টস এর বিষয়ে। আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা সম্পুর্ণ ইন্টারভিউ নির্ভর একটি ভিসা৷ আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার জন্য ডকুমেন্টস নিয়ে চিম্তা করার কোনোই প্রয়োজন নেই। তবে হ্যাঁ, ডকুমেন্টস খুবই গুরুত্বপূর্ণ যদি কিনা আপনি আমেরিকার মেডিকাল/স্টুডেন্ট/বিজনেস ভিসার জন্য এপ্লাই করে থাকেন। এসকল ভিসার ক্ষের্তে এম্বাসি আপনার কাছে নানা প্রকার ডকুমেন্টস দেখতে চেতে পারে তবে টুরিস্ট ভিসার জন্য কোনো প্রকার ডকুমেন্ট এম্বাসি সচরাচর দেখতে চায় না।

🔷 আবার অনেকেই মনে করেন আমেরিকার ভিসা কন্ট্রাক্ট এ করা যায়। ব্যাপারটা একদমই ভুল। আমেরিকার ভিসা কন্ট্রাকে হয় না, ভুলেও এই কন্ট্রাকে এ যাবেন না, কারণ আমেরিকান এম্বাসির সাথে কারও লিংক বা লবিং থাকার কোন প্রশ্নই আসে না। কেউ যদি বলে থাকে আমেরিকা এম্বাসির সাথে লিংক আছে, তার মানে তিনি আপনাকে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে।

🔷 এবার আপনাদের আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা প্রসেস এর ব্যাপারে একটি স্বচ্ছ ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমেরিকান টুরিস্ট ভিসা সাধারণতো ৫ বছরের মাল্টিপোল ভিসা হয়ে থাকে অর্থাৎ ৫ বছরের মধ্যে আপনি যতবার খুশি আমেরিকায় যাতায়াত করতে পারবেন। এই ভিসাটি মূলতো ২ টা জিনিস এর উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে।

১. DS -160 ফর্ম অর্থাৎ এপ্লিকেশন ফর্ম এর উপর।
২. ছোট একটি ইন্টারভিউ এর উপর।

নির্ভুল ভাবে DS-160 ফর্ম ফিলাপ করে যদি আপনি আত্মবিশ্বাস এর সাথে ইন্টারভিউতে কন্সুলার অফিসারকে এটা বিশ্বাস করাতে পারেন যে আপনার আমেরিকা যাওয়ার যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ আছে এবং আপনি আমেরিকায় যাবেন এবং ফিরে আসবেন, তাহলেই আপনার ভিসা হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

ইন্টারভিউ বাংলাদেশে সাধারণতো দুই ভাষায় হয়ে থাকে, বাংলা এবং ইংরেজী। আপনি চাইলে বাংলাতেও ইন্টারভিউ দিতে পারবেন। ইন্টারভিউ সাধারণতো ২ থেকে ১০ মিনিটের হয়ে থাকে। আপনি আমেরিকা যাওয়ার যোগ্য সেটা এম্বাসিকে কি করে বুঝাবেন? সেটা বুঝাবেন আপনার এপ্লিকেশন ফর্ম এর মাধ্যমে অর্থাৎ Ds-160 এর ফর্ম এর মাধ্যমে। আমেরিকান এম্বাসির একটি অনলাইন ফর্ম আছে যার নাম DS-160 ফর্ম। এই এপ্লিকেশন ফর্ম অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই ফর্ম এর উপর আপনার ভিসা অনেকাংশ নির্ভর করে। তাই অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা ফর্মটি পূরণ করা উচিত। মূলত এই ফর্মটি আপনার ভিসা পাওয়ার পূর্ব শর্ত হিসাবে বিবেচিত হয়। আপনি বলতে পারেন ৭০% চান্স নির্ভর করে এই DS-160 ফর্ম এর উপর, বাকি ৩০% নির্ভর করে আপনার ইন্টারভিউ এর উপর। এই দুইটির সঠিক সফল কম্বিনেশন ই আপনার ভিসা পাওয়া চান্স নিশ্চিত করবে ইনশাআল্লাহ। বেশিরভাগ মানুষ যে ভুলটা বেশি করে থাকে সেটা হলো, DS 160 অদক্ষ কাওকে দ্বারা পূরণ করে ইন্টারভিউতে চলে যায়, এতে করে হয়তো কিছু টাকা বেঁচে যায় তবে ফলাফল হয় ভিসা রিজেকশন। আবার অনেকেই ভিসা পেয়েছেন তাঁদের থেকে ইন্টারভিউ এর গাইডলাইন নিয়ে ইন্টারভিউ ফেইস করতে চলে যায়, অথচ তার প্রোফাইল এবং উনার প্রোফাইল কিন্তু ভিন্ন। না এটা কখনই করবেন না আপনাকে আপনার প্রোফাইল অনুযায়ী ইন্টারভিউ এর গাইডলাইন নিতে হবে। মনে রাখবেন অল্প বিদ্যাভয়ঙ্কর জিনিস। ওষুধ এর দোকানদার আপনাকে পরামর্শ দিতে পারে, কিন্তু মনে রাখবেন তিনি কিন্তু ডাক্তার না। অনেকেই বলেন ভাই DS 160 কি আসলেই এতো জটিল কিছু? যেহেতু আমেরিকার মতো একটি দেশ সারাপৃথিবী থেকে এই ফর্ম এর উপর ভিত্তি করে ভিসা ইস্যু করে থাকে তাহলে আপনি নিজেই চিন্তা করুন এই ফর্ম কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আশাকরি উত্তর পেয়ে গেছেন। অর্থাৎ আপনি যদি ইন্টারকানটেক্টেড তথ্য দিয়ে চমৎকার ভাবে একটা কমপ্লিট DS 160 ফর্ম পুরুন করতে পারেন তাহলেই ইনশাআল্লাহ আপনি ভিসা পাবেন। কারণ ইন্টারভিউ এর আগে এই ফর্ম এর উপর স্টাডি করেই সাধারণতো আপনার ভিসা ইস্যু করে থাকে। আর ইন্টারভিউতো হয় মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিট, এই সময় এর মধ্যে আপনাকে আর কি বা যাচাই বাঁচাই করার থাকে। তাই অদক্ষ লোক দ্বারা ফর্ম ফিলাপ করলে আপনার ভিসা হওয়ার থেকে না হওয়ার সম্ভানাই বেশি থাকে। আরও একটা জিনিস মনে রাখবেন DS-160 ফর্ম এর তথ্য এবং আপনার ইন্টারভিউ এর তথ্য এই দুই এর মধ্যে চমৎকার ও শৈল্পিক একটা মিল থাকতে হবে।

নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস তৈরী করুন, সঠিক গাইড লাইন ফলো করুন, সঠিক তথ্য দিয়ে DS-160 ফর্ম ফিলাপ করুন, ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্তুতি নিন ইনশাআল্লাহ আপনার ভিসা কেউ আটকাতে পারবে না।

🔷 কিছু প্রশ্ন যা ক্লাইন্ট আমাদের সচরাচর করে থাকেন, সেগুলোর উত্তর দেয়ার চেষ্টা করছি।

১. আমেরিকার ভিসার জন্য কতো টাকা ব্যাংক ব্যালেন্স দেখাতে হবে?

উত্তরঃ যেতেতু আমেরিকার এম্বাসি ডকুমেন্টস দেখে না তাই ব্যাংক ব্যালেন্স তেমন একটা গুরুত্বপূর্ণ নয় তবে আপনি যতটুকু টাকা আমেরিকা ঘুরে আসার জন্য প্রয়োজন ততটুকু টাকা ব্যাংকে রেখে দিতে পারেন।

২. হোটেল বুকিং, প্লেনের টিকেট বুকিং এর কোনো প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা?

উত্তরঃ ভিসা পাওয়ার আগে পর্যন্ত এসব হোটেল বুকিং, প্লেনের টিকেট বুকিং এর কোনো প্রয়োজন নেই। এগুলা ভিসা পাওয়ার পর প্রয়োজন হয়।

৩. NOC/GO লাগবে কিনা?

উত্তরঃ ইন্টারভিউ এর সময় কন্সুলার অফিসার কখনই NOC/GO দেখতে চায় না তবে ইমিগ্রেশন পার হবার সময় ইমিগ্রেশন অফিসার NOC/GO দেখতে চাইতেও পারে।

৪. পিটিশন/ইমিগ্রেন্ট ফাইল এপ্লাই করা থাকলে টুরিস্ট ভিসায় এপ্লাই করা যায় কিনা?

উত্তরঃ অবশ্যই এপ্লাই করা যায়। একটি ইমিগ্রেন্ট ফাইল প্রসেস হতে ১০-১৫ বছর এর মতো সময় লাগে, এর মধ্যে আপনি চাইলে টুরিস্ট ভিসা নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন।

৫. এপ্লাই করলে ইন্টারভিউ ডেট কবে পাওয়া যাবে?

উত্তরঃ বর্তমানে আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার ইন্টারভিউ ডেট প্রায় ১ বছর পর পাওয়া যাচ্ছে। আমরা রিশিডিউল করে ইন্টারভিউ ডেট ৪ মাসের মধ্যে করে দিয়ে থাকি।

আরও অনেক প্রশ্ন থাকে যার সব উত্তর দেয়া পোস্টে সম্ভব নয়।

আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার এম্বাসি ফী ১৮৫$ ডলার যা বাংলাদেশ এর টাকায় কনভার্ট করলে আসে ২০,৩৫০ টাকা। এই টাকা শুধুমাত্র EBL অর্থাৎ ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এ জমা দিতে হয়। এম্বাসি ফী জমা দিয়ে আপনাকে ইন্টারভিউ এর জন্য ডেট নিতে হবে।

🔷 এম্বাসি ফী জমা দেয়ার জন্য যা যা প্রয়োজন।
১. পাসপোর্টের স্কেন কপি
২. ১টি ফোন নাম্বার
৩. ১টি ইমেইল আইডি

🔷 এপ্লিকেশন করার জন্য যা যা প্রয়োজন

১. ছবি ২×২ সাইজ সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড (ল্যাব কপি)
২. আপনার মা -বাবার তথ্য
৩. আপনার শিক্ষাগত সকল তথ্য
৪. আমেরিকায় যদি আপনার পরিচিত কেও থেকে থাকে তার তথ্য।
৫. স্বামী বা স্ত্রীর তথ্য
৬. ব্যবসা/চাকরি জনিত সকল তথ্য
৭. পূর্ববর্তী ট্রাভেল হিস্ট্রি
৮. কোনো সংস্থায় জড়িত থাকলে সেই সংস্থার নাম

🔷 আমরা আপনাকে যে সকল সেবা দিয়ে থাকবোঃ

১. আপনার DS-160 ফর্ম সঠিক ও চমৎকার ভাবে পূরণ করে দিবো।
২. আপনার ইন্টারভিউ ডেট রিশিডিউল এর মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে আসবো।
২. আপনাকে ইন্টারভিউ এর সম্পুর্ণ গাইডলাইন দিয়ে দিবো।
৩. ইন্টারভিউ এর জন্য যে সকল ডকুমেন্টস প্রয়োজন তা আমরা গুছিয়ে দিবো।

🔷 আমরা আমেরিকার যেসব ভিসা প্রসেসিং করে থাকিঃ

১. ভিজিট ভিসা (B1/B2)
২. বিজনেস ভিসা (B1)
৩. ড্রপ বক্সের মাধ্যমে ভিসা রিনিউ।

আমাদের ফোন নাম্বারঃ (ফোন করার সময় সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত)

📞 01600355274 (whats app)
📞 01600355275 (whats app)
📞 01601766922 (whats app)
📞 01601766933 (whats app)

(আমরা সাধারণত ফোন কলের অনেক প্রেসার এ থাকি, যদি ফোন এ আমাদের কে না পান তবে সরাসরি অফিস এ আসার অনুরোধ রইলো, আমাদের অফিস আওয়ার সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা)

খুব দ্রুত রেসপন্স পেতে সরাসরি ফোন করুন অথবা whatsapp এ knock করুন।

📧 Mail: [email protected]

🏢 আমাদের ঠিকানাঃ মতিঝিল সিটি সেন্টার, লিফটের ১১, ঢাকা, ১০০০

01/08/2023
⛔️সতর্কবার্তা⛔️🇮🇹 ইতালির প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলোনি, আগামী দিনে ইতালিতে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে লোক আসলে গ্রহ...
27/07/2023

⛔️সতর্কবার্তা⛔️
🇮🇹 ইতালির প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলোনি, আগামী দিনে ইতালিতে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে লোক আসলে গ্রহণযোগ্য হবে না!
🇮🇹ইতালির প্রধানমন্ত্রী চাপ জানিয়ে দিয়েছেন,বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে!

🇧🇩বৈধভাবে যারা আসবেন তাদের জন্য সুখবর:-

🇮🇹 ইতালি প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলোনি, আরো বলেছেন বাংলাদেশের, দক্ষ শ্রমিক নেওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং বৈধভাবে ইতালিতে আসবে তারা!

🇮🇹ইতালির প্রধানমন্ত্রী Giorgia Melone জন্য শুভকামনা ও অভিনন্দন!
🇧🇩বাংলাদেশের প্রতি সুদৃষ্টি রাখার জন্য, আগামী দিনেও যেন অব্যাহত থাকে!❤️🥀🇮🇹🤝🇧🇩

28/05/2023

ইউরোপের হিসাবনিকাশ অনেকেই বোঝেন না। এক দেশে ইউরো চলে, আরেক দেশে চলে না। এক দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নে আছে তো শেঙ্গেনে নাই, কোনোটা শেঙ্গেনে আছে কিন্তু ইইউতে নাই।

এইসব প্যাঁচ বোঝেন না বলে অনেক মানুষকে ভুল বোঝানো সম্ভব হয়।

বিশেষ করে সাইপ্রাস, রোমানিয়া আর বুলগেরিয়ার ক্ষেত্রে। এই তিনটা দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকলেও শেঙ্গেনে নাই। ফলে এইসব দেশ থেকে কাজের বা স্টুডেন্ট ভিসা দিয়ে আপনি অন্য দেশে যেতে পারবেন না।

আবার নর্থ মেসিডোনিয়া, কসোভো, আলবেনিয়া, মন্টেনেগ্রো, সার্বিয়া আর বসনিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নেও নাই, শেঙ্গেনেও নাই।

যে যা বলবে বিশ্বাস করে জমি বিক্রি করে, টাকা ধার করে দিয়ে বসে থাকবেন না। আপনাকে ঠকানোর মানুষের অভাব নাই। কিন্তু অন্তত দয়া করে নিজে ঠকার জন্য আগায়ে যায়েন না।

ভালো করে সব জেনে বুঝে কষ্ট হলেও বৈধ পথে ইউরোপ আসার চেষ্টা করুন,,,এবং সঠিক কনো তথ্য জানতে চাইলে আমাকে পারসোনালিটি নক দিতে পারেন,, Abu Jafar Chowdhury Babu

19/04/2023
🚗হাইব্রিড কার নিয়ে কিছু কথা🚘🟩প্রথমে  আমরা জানার চেষ্টা করি হাইব্রিড গাড়ি কি??আমাদের দেশে হাইব্রিড গাড়ি বলতে ব্যাটারি চ...
17/04/2023

🚗হাইব্রিড কার নিয়ে কিছু কথা🚘

🟩প্রথমে আমরা জানার চেষ্টা করি হাইব্রিড গাড়ি কি??
আমাদের দেশে হাইব্রিড গাড়ি বলতে ব্যাটারি চালিত গাড়িকে বোঝায়।সহজ করে বললে হাইব্রিড গাড়ি হল এমন একটি যানবাহন যাতে একাধিক শক্তির উৎস থাকে।হাইব্রিড গাড়িতে একটি বৈদ্যুতিক মোটর এবং একটি পেট্রোল বা ডিজেল ইঞ্জিন ব্যবহার করে।তবে মূল উৎস হিসেবে গ্যাসোলিন (পেট্রোল বা ডিজেল) ইঞ্জিন থাকে।কারণ গ্যাসোলিন (পেট্রোল বা ডিজেল) ইঞ্জিন থেকে শক্তি পেয়ে ব্যাটারি চার্জ হয় এবং সেই ব্যাটারি দিয়ে মোটরটি চলে।

🔶হাইব্রিড গাড়িতে মূল যন্ত্র হিসেবে কি কি থাকে ?
🔸একটি ব্যাটারি প্যাক। যা পিছনের সিটের নিচে থাকে।
🔸একটি পাওয়ার ইনভার্টার।
🔸একটি বৈদ্যুতিক মোটর।
🔸একটি অনবোর্ড ব্যাটারি চার্জার।
🔸ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
🔸চার্জিং পোর্ট। ( যা সাধারনত ফুল ইলেক্ট্রনিক ভেহিকলে বেশি দেখা যায় তবে বর্তমানে কিছু কিছু প্লাগ ইন হাইব্রিড কারে রয়েছে ]

✅হাইব্রিড গাড়ির উপকারিতাঃ
🔸ভালো মাইলেজ পাওয়া যায়
🔸পরিবেশবান্ধব
🔸শব্দ দুষণ কমায়
🔸জ্বালানি সাশ্রয় করে তাই খরচ কম
🔸হাইব্রিড গাড়িতে ব্যবহৃত হালকা উপকরণ যা শক্তি সঞ্চয় করতে সাহায্য করে।

সবচেয়ে মজার ব্যপার হল, হাইব্রিড গাড়িতে রয়েছে রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সিস্টেম প্রতিবার আপনি গাড়ি চালানোর সময় ব্রেক প্রেস করলে বৈদ্যুতিক ব্যাটারি একটু রিচার্জ হয়। ব্রেক প্রয়োগের এই গতির ফলে যে শক্তি নির্গত হয় তা একটি অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া দ্বারা ক্যাপচার করা হয় এবং ব্যাটারি রিচার্জ করতে ব্যবহৃত হয়,তাই দীর্ঘ যাত্রায় ব্যাটারি রিচার্জ করার জন্য পর্যায়ক্রমে গাড়ি বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা দূর করে।
🔸জ্বালানি নির্ভরতা হ্রাস করে ।

🟥হাইব্রিড গাড়ির অপকারিতাঃ
🔸তুলনামূলক ক্রয় ব্যয়বহুল তবে বর্তমানে আমাদের দেশে হাইব্রিড গাড়ির ট্যাক্স হ্রাস করা হয়েছে ।
🔸মেইন্টেনেন্স খরচ তুলনামুলক বেশি
🔸নন হাইব্রিড কারের তুলনায় বেশি সেন্সিটিভ।
🔸যেকোনো মেখানিক দ্বারা কাজ করাতে পারবেন না। কারণ হাইব্রিড গাড়ির কাজ করার জন্য দক্ষ মেখানিকের প্রয়োজন হয়। তাই কখনও যদি হাইওয়ে বা দুর্গম রাস্তায় গাড়ি বিকল হয়ে যায় তবে আপনি সমস্যায় পড়তে পারেন।
🔶হাইব্রিড গাড়ি কিভাবে চার্জ হয় ?

হাইব্রিড গাড়ি রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সিস্টেমের মাধ্যমে চার্জ হয় অর্থাৎ , প্রতিবার ড্রাইভার ব্রেক করলে ব্যাটারিগুলি ব্রেকিংয়ের মাধ্যমে চার্জ হয়। তবে ডিসি টু ডিসি পাওয়ার কনভার্টার থাকায় ইঞ্জিনটি ব্যাটারিগুলিকেও চার্জ করে থাকে। এছাড়া যেসব গাড়িতে প্লাগ ইন চার্জ সিস্টেম রয়েছে যেমনঃটয়োটা প্রিয়াস সেগুলো আপনি মোবাইল বা ল্যাপটপের মত করেও চার্জ দিতে পারবেন।
‼️‼️বাকী অংশটি পড়তে ভিজিট করুনঃ
https://bit.ly/3KTqeQi

©️THIS BLOG IS THE PROPERTY OF HOTSHOT AUTOMOTIVE

10/04/2023

✅খুব গুরুত্বপূর্ণ ২০ টি শব্দ যা সব সময় লাগবে
🟢 Nuovo (নুওভো)= নতুন
🔴 Vecchio ( ভেকক্ষিও) = পুরাতন
🟢 Piccolo ( পিককোলো) = ছোট
✅ Grande ( গ্রান্দে) = বড়
🔴 Veloce ( ভেলোচে) = দ্রুত
✅ Lento (লেনতো) = ধীরে
🟢 Acceso ( আচচেসো) = অন করা
🔴 Spento ( স্পেন্তো) = অফ করা
✅ Alto ( আলত) = লম্বা
🔴 Basso ( বাসসো) = ছোট
🟢 Duro ( দুরো) = শক্ত
🔴 Morbido ( মরবিদো) = নরম
✅ Leggero ( লেজ্জেরো) = হালকা
🔴 Pesante ( পেসানতে) = ভারি
🟢 Amore ( আমোরে) = প্রিয়
🔴 Odio ( ওদিও) = ঘৃণা
✅ Amico ( আমিকো) = বন্ধু
🔴 Nemico ( নেমিকো) = শত্রু
🟢 Insieme ( ইনসিয়েমে) = একসাথে
🌿 Separato ( সেপারাতো) = আলাদা

ITALIAN BANGLA SCHOOL

Indirizzo

Roma
Termini Imerese
00174

Sito Web

Notifiche

Lasciando la tua email puoi essere il primo a sapere quando To-Let bachelor & Family Roma Italy pubblica notizie e promozioni. Il tuo indirizzo email non verrà utilizzato per nessun altro scopo e potrai annullare l'iscrizione in qualsiasi momento.

Scelte rapide

Condividi