20/02/2025
“হোয়েন ইউ প্লে উইথ বাস্টার্ডস, মেইক শিউর ইউ প্লে লাইক আ বিগার বাস্টার্ড”
ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে ডিপস্টেইটের দালালেরা বিপদে পড়ে গেছে। তারা ইচ্ছা করে সামনে ও পেছনের ঘটনাপ্রবাহ না দেখে নিজেদের পেছন বাঁচাতে মনের আনন্দে ভুলভাল ইংরেজি অনুবাদ করে যাচ্ছে। বক্তব্য ও বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কার্যকলাপ থেকে বক্তব্যের মূল অর্থ বুঝে নিতে হয়। এখানে ট্রাম্পের বক্তব্যের দুইটি আলাদা বাক্য নিয়ে কথা বলা যাক।
‘There is no role for our deep state”
এখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বাক্যে ‘is’ না ‘was’ ব্যবহার করেছেন তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। ডিপস্টেইটের দালাল একটি জনপ্রিয় বাংলাদেশি দৈনিক এটাকে ‘was’হিসেবে ধরে রিপোর্ট করেছে। কিন্তু এটি বর্তমান ঘটনা প্রবাহকে সমর্থন করে না।
সাবেক আমেরিকান উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা মাইক বেঞ্জের এক্টিভিটি ও তাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইলন মাস্কের প্রতিক্রিয়া দেখলেই বোঝা যায় যে, মাইক বেঞ্জ বর্তমান মার্কিন সরকারের সমর্থনেই ডিপ স্টেইটের বিরুদ্ধে কাজ করছেন। এই মাইক বেঞ্জ বাংলাদেশের রাজনীতিতে কীভাবে ডিপস্টেইট বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে নিজ স্বার্থে তা বিভিন্ন আলাপচারিতায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যাচ্ছেন।
মাইক বেঞ্জের বাংলাদেশের সরকার পতনে পশ্চিমা ডিপস্টেইটই যে মূল ভূমিকা রেখেছে তা নিয়ে করা একটি বক্তব্য ও স্পষ্ট প্রামাণিক দলিলসহ করা একটি টুইট ইলন মাস্ক তার ভেরিফাইড টুইটার একাউন্ট্বে শেয়ার করেছেন। যার একটি আবার ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালের ভেরিফাইড একাউন্ট থেকে শেয়ার করেছেন।
অর্থাৎ, বাংলাদেশের রেজিম চেঞ্জ যে ডিপ স্টেইট করেছে তা ইতোমধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইলন মাস্ক বলে দিয়েছেন, যেহেতু তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে তারা তাদের অবস্থান প্রকাশ করে থাকেন সবসময়। এখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘was’ ব্যবহার করলে তা তার এবং এলন মাস্কের পূর্বের বক্তব্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। তা সম্ভবত তিনি করেনওনি। তাই লজিক্যালি ট্রাম্প সম্ভবত এখানে বলেছেন, ‘There is no role for our deep state” । এখানে তিনি যদি ‘was’ ব্যবহার করেও থাকেন তা কূটনৈতিক ডেকোরামের অংশ হিসেবে করেছেন। নিজ রাষ্ট্রের উপর এতগুলো হত্যাকাণ্ডের দায় কেউ আনতে চাইবে না, তা যদি নিজের পূর্বতন কোনো শত্রুও করে থাকে তাও না। ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের রেজিম চেঞ্জে ডিপস্টেইটের ভূমিকা নিয়ে কী ভাবেন ত
19/02/2025
বিশ্ব বাজারে টিকে থাকার জন্য চাই যুগোপোযোগী প্রযুক্তিগত শিক্ষা। বৈষম্য দুর করার মিথ্যা প্রলোভনে দেশ প্রেমিকদের বানিয়েছে ডেভিল। ১৯৭১ সালের জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে হোটেল ইন্টার কন্টিনালে এক দু:সাহিসিক অভিযান পুরো পাকিস্তান সেনাবাহীনি ও তাদের মদদপুষ্ট জামাত শিবির নিয়ে ঘটিত রাজাকার আলবদর ভয়ে সন্ধা নামার আগেই লুকাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ত। পাকিস্তান আইএসআই এবং সিআইএ-এর যৌথ শক্তি আগষ্টের মাঝামাঝি এক সামরিক স্পেশাল অভিযান শুরু করে যার নাম অপারেশন ডেভিল হান্ট। আবার আসছে সেই দু:সাহসিক ডেয়ারডেভিল অনলাইন অফলাইনে সমান গতিতে।