যে নামাজ রোজা পুজা অর্চনা গান বাজনা তোমার ভাতের ব্যাবস্থা করে দেয় সে নামাজ রোজা পুজা অর্চনা গান বাজনা হারাম। এবাদত কখনো জীবিকার মাধ্যম হতে পারে না।
Santir bani
if you want to survive all human being around the world please be united among the all country
কোরআন কে আমি পরিপূর্ণ ভাবে অনুসরণ করার পরেও যার সাথে আমার আকিদার মিল নেই তার কাছে আমি পথভ্রষ্ট।
যার দৃষ্টিতে আমি পথভ্রষ্ট আমার দৃষ্টিতে সেও পথভ্রষ্ট।
ধর্ম এভাবেই একজনের চোখে আরেকজনকে পথভ্রষ্ট বানায়।
নিজের দৃষ্টিতে না হলেও অন্যের দৃষ্টিতে আমরা সকলেই পথভ্রষ্ট যারা নিদৃষ্ট কোন ধর্ম বা আকিদা অনুসরণ করি।
যুগে যুগে নবী রাসুলগন মানুষকে ধর্মের দাওয়াত না দিয়ে যদি মনুষ্যত্বের দাওয়াত দিতেন, তাহলে আজকের পৃথিবীটা অনেক সুন্দর হতো, মনুষ্যত্বের দাওয়াত দিতে ওহীর প্রয়োজন হয় না, এটা জ্ঞান অনুযায়ী সবাই দিতে পারে কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ওহী ছাড়া নিজেকে নবী দাবী করা যায় না বিধায় যুগে যুগে এক লক্ষ চব্বিশ হাজার পয়গম্বর এসেছিলেন যাদের উপর ওহী নাজিল হতো, যে ওহী গুলো লিখিতভাবে গ্রন্থের রূপ ধারণ করেছে, গ্রন্থ গুলো রূপ ধারণ করেছে ধর্মের, ধর্ম গুলো রূপ ধারণ করেছে শয়তানের, সে শয়তান আবার রূপ ধারন করেছে তৌহিদি জনতার।
যে তৌহিদি জনতার মাঝে কোন মনুষ্যত্ব নেই কিন্তু ধর্ম নামক এক গ্রন্থ আছে, যে গ্রন্থের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে তারা মানুষ হত্যা করে। যারা জমিনের বুকে মারামারি কাটাকাটি জুলুম নির্যাতন করে, যাদের অন্তরে থাকে নিজেকে শ্রেষ্ঠত্ব দাবী করার অহংকার।
ধর্মের ইতিহাস বলে এই অহংকার একজন ফেরেশতাদের সর্দার কে শয়তানে রূপান্তরিত করেছে। তৌহিদি জনতা নামক মানুষ গুলো হলো এই জমিনের বুকে দৃশ্যমান শয়তান। যারা কোরআন হাতে নিয়ে মানুষ হত্যা করে।
কোরআন হাতে নিয়ে মানুষ হত্যা করলেই যদি তা সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে তৌহিদি জনতার উচিত হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) কে নবী না মেনে এজিদকে তাদের নবী হিসেবে গ্রহণ করা, কেননা এজিদ কোরআন হাতে নিয়ে নবীর বংশধরকে হত্যা করেছিলো, ঠিক আজকে তৌহিদি জনতা যেমনটা করেছে।
নবীর উম্মত কখনো নবীর উম্মতকে হত্যা করতে পারেনা। যারা হত্যা করে আদতে তারা এজিদের উম্মত যদিও তারা নিজেকে নবীর উম্মত বলে দাবী করে।
জান্নাতে যাওয়ার জন্য মানুষের জন্ম হয়নি বরং যেখানে মানুষের জন্ম হয় যেখানেই তার জান্নাত। জান্নাত ব্যতীত মানুষের জন্ম হয় না, স্রষ্টার রূপে যার জন্ম সে ই তো জান্নাতি, জান্নাত পাওয়ার পরেই স্রষ্টার রূপ পেয়েছি।
পার্থিব জগতে বাদশাহি করার জন্য সত্যের জন্ম হয়নি, মিথ্যার সাথে যুদ্ধ করে জয়ী হওয়ার জন্য সত্যের জন্ম হয়নি, তৌহিদি জনতাকে পিটিয়ে বাউলরা জয় অর্জন করুক তা আমি চাই না, যে সত্যের সন্ধান পেয়েছে সে তো মৃত, যে মৃত তার আবার জয়ের দরকার হবে কেন ? কেনইবা দরকার হবে রাজত্বের ?
তাই তো বাউলদের জেলে ভরুক বা লাথি দিয়ে পানিতে ফেলে দিক তাতে আমার কোন কস্ট হয় না, আর হবেই বা কেন ? মিথ্যার তরবারির আঘাতে নিজেকে শহিদ করার নামই আহলে বাইয়াত বা সত্য।
তিনি তো সৌভাগ্যবান যিনি মিথ্যার হাতে নির্যাতিত হয়েছেন কারন যিনি সত্য তিনিই নির্যাতিত, যিনি নির্যাতিত তিনি অমর, যারা নির্যাতিত তারা মরেনা শুধু কায়া পরিবর্তন করে।
মানুষ তার নিজের কর্ম দ্বারা যে ব্রীজ তৈরী করে সে ব্রীজ যদি পবিত্র কর্ম দ্বারা তৈরী করা না হয়, তাহলে তা মাঝ নদীতে ভেঙে দুনিয়াবি জাহান্নামের মধ্যে পড়ে, যে জাহান্নামে কোন আগুন নেই, আছে শুধু রোগ শোক অভাব অনটন দুঃখ কষ্ট মামলা মোকদ্দমা ভয় ভীতি দরিদ্রতা আর হতাশা আর এটাই বাস্তব জাহান্নাম, যেখানে কল্পনার কোন স্থান নেই, এক অদৃশ্য আল্লাহ ব্যতীত সবই বাস্তব যা তৌহিদি জনতা দেখতে পায় না।
25/09/2025
যাহা বাস্তব তাহাই সত্য যাহা সত্য তাহাই ঈশ্বর।
ইসলাম অর্থাৎ শান্তি, যে দেশে শান্তি নাই সে দেশে সবাই মুসলমান হলেও ইসলাম নাই, আবার যে দেশে শান্তি আছে সে দেশে কোন মুসলমান না থাকলেও ইসলাম আছে।
শান্তির অপর নামই হলো ইসলাম, এবাদত তো শয়তানেও করেছিল। যার দ্বারা সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয় মূলত তিনিই প্রকৃত ধার্মিক যদিও সে মসজিদ মন্দির গীর্জায় যায় না।
মানুষ তো কেবল শুধু তার কর্মের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে, যিনি মন্দিরে যাননি তাকে যেমন মন্দিরের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হবে না, তেমনি যিনি মক্কায় যাননি তাকেও মক্কার ব্যাপারে কোনো জিজ্ঞাসা করা হবে না।
যে কর্মের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই সে কর্ম আমার নয় যদিও সে কর্মে জান্নাত বা জাহান্নাম লুকিয়ে আছে।
কোরআন হাদিস বেদ গীতা বাইবেল হতে পারে তোমার ধর্মগ্রন্থ কিন্তু এগুলো তোমার ধর্ম নয়, তোমার মধ্যে যা তুমি লালন করো তাহাই তোমার ধর্ম, আল্লাহ তিনি কোন ধর্মের মুক্ষাপেক্ষি নন বরং তিনি তোমার কর্মের মুক্ষাপেক্ষি যে কর্মের মাপকাঠিতে তোমার বিচার হবে, শুধু তোমার নয় তারও বিচার হবে যার কাছে কোন ধর্মগ্রন্থ পৌছয়নি বা যিনি কোন ধর্মগ্রন্থ বিশ্বাস করে না। সৎকর্ম মুক্তির একমাত্র মাধ্যম।
যাহা মানুষকে প্রেম শিখায় তাহাই ঈশ্বরের মনোনীত ধর্ম।
যারা আল্লাহকে চিনতে পারতোনা তাদের জন্য কোরআন নাজিল হয়েছে, এখনো যারা আল্লাহকে চিনতে পারে না এখনো তাদের জন্য কোরআন, আর যারা আল্লাহ কে চিনতে পারছে তারা তো নিজেরাই কোরআন।
মানুষ চাইলেই হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান হইতে পারে কিন্তু মানুষ চাইলেই মানুষ হতে পারে না।
Clicca qui per richiedere la tua inserzione sponsorizzata.
Ubicazione
Digitare
Contatta la scuola/università
Sito Web
Indirizzo
Rome