08/10/2024
قال الإمام الصادق (عليه السلام):
مَا مِنْ مُؤْمِنٍ يُعِينُ مُؤْمِناً مَظْلُوماً إِلَّا كَانَ لَهُ أَفْضَلَ مِنْ صِيَامِ شَهْرٍ وَ اعْتِكَافِهِ فِي الْمَسْجِدِ الْحَرَام.
📚مستدرك الوسائل و مستنبط المسائل، ج12، ص: 389
14/03/2020
⭕ *متن دعای هفتم صحیفه
ইমাম আলী ইবনুল হুসাইন যাইনুল আবিদীন ( আ: ) - এর সাহীফা -ই সাজ্জাদীয়াহর ৭ম দুআর অনুবাদ ।
এ দুআটি বিপদাপদ ও বালা মুসিবতে পঠিতব্য । আর কোভিড ১৯ এর প্রাদুর্ভাব কালে ইসলামী বিপ্লবের মহান নেতা আয়াতুল্লাহ আল-উযমা ইমাম খামেনেঈ এ দুআ পাঠ করার উপদেশ দিয়েছেন ।
দুআটি :
سجادیه* که امروز رهبر انقلاب خواندن آن را به مردم توصیه کردند:
*و كَانَ مِنْ دُعَائِهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ إِذَا عَرَضَتْ لَهُ مُهِمَّةٌ أَوْ نَزَلَتْ بِهِ، مُلِمَّةٌ وَ عِنْدَ الْكَرْبِ :*
*يَا مَنْ تُحَلُّ بِهِ عُقَدُ الْمَكَارِهِ، وَ يَا مَنْ يَفْثَأُ بِهِ حَدُّ الشَّدَائِدِ، وَ يَا مَنْ يُلْتَمَسُ مِنْهُ الْمَخْرَجُ إِلَى رَوْحِ الْفَرَجِ. ذَلَّتْ لِقُدْرَتِكَ الصِّعَابُ، وَ تَسَبَّبَتْ بِلُطْفِكَ الْأَسْبَابُ، وَ جَرَى بِقُدرَتِكَ الْقَضَاءُ، وَ مَضَتْ عَلَى إِرَادَتِكَ الْأَشْيَاءُ. فَهِيَ بِمَشِيَّتِكَ دُونَ قَوْلِكَ مُؤْتَمِرَةٌ، وَ بِإِرَادَتِكَ دُونَ نَهْيِكَ مُنْزَجِرَةٌ. أَنْتَ الْمَدْعُوُّ لِلْمُهِمَّاتِ، وَ أَنْتَ الْمَفْزَعُ فِي الْمُلِمَّاتِ، لَا يَنْدَفِعُ مِنْهَا إِلَّا مَا دَفَعْتَ، وَ لَا يَنْكَشِفُ مِنْهَا إِلَّا مَا كَشَفْتَ وَ قَدْ نَزَلَ بِي يَا رَبِّ مَا قَدْ تَكَأَّدَنِي ثِقْلُهُ، وَ أَلَمَّ بِي مَا قَدْ بَهَظَنِي حَمْلُهُ. وَ بِقُدْرَتِكَ أَوْرَدْتَهُ عَلَيَّ وَ بِسُلْطَانِكَ وَجَّهْتَهُ إِلَيَّ. فَلَا مُصْدِرَ لِمَا أَوْرَدْتَ، وَ لَا صَارِفَ لِمَا وَجَّهْتَ، وَ لَا فَاتِحَ لِمَا أَغْلَقْتَ، وَ لَا مُغْلِقَ لِمَا فَتَحْتَ، وَ لَا مُيَسِّرَ لِمَا عَسَّرْتَ، وَ لَا نَاصِرَ لِمَنْ خَذَلْتَ. فَصَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَ آلِهِ، وَ افْتَحْ لِي يَا رَبِّ بَابَ الْفَرَجِ بِطَوْلِكَ، وَ اكْسِرْ عَنِّي سُلْطَانَ الْهَمِّ بِحَوْلِكَ، وَ أَنِلْنِي حُسْنَ النَّظَرِ فِيمَا شَكَوْتُ، وَ أَذِقْنِي حَلَاوَةَ الصُّنْعِ فِيمَا سَأَلْتُ، وَ هَبْ لِي مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً وَ فَرَجاً هَنِيئاً، وَ اجْعَلْ لِي مِنْ عِنْدِكَ مَخْرَجاً وَحِيّاً. وَ لَا تَشْغَلْنِي بِالِاهْتِمَامِ عَنْ تَعَاهُدِ فُرُوضِكَ، وَ اسْتِعْمَالِ سُنَّتِكَ. فَقَدْ ضِقْتُ لِمَا نَزَلَ بِي يَا رَبِّ ذَرْعاً، وَ امْتَلَأْتُ بِحَمْلِ مَا حَدَثَ عَلَيَّ هَمّاً، وَ أَنْتَ الْقَادِرُ عَلَى كَشْفِ مَا مُنِيتُ بِهِ، وَ دَفْعِ مَا وَقَعْتُ فِيهِ، فَافْعَلْ بِي ذَلِكَ وَ إِنْ لَمْ أَسْتَوْجِبْهُ مِنْكَ، يَا ذَا الْعَرْشِ الْعَظِيمِ.*
*ترجمه دعای هفتم:*
اي آنكه گرهِ كارهاي فرو بسته به سر انگشت تو گشوده ميشود، و اي آن كه سختيِ دشواريها با تو آسان ميگردد، و اي آن كه راه گريز به سوي رهايي و آسودگي را از تو بايد خواست.
سختيها به قدرت تو به نرمي گرايند و به لطف تو اسباب كارها فراهم آيند. فرمانِ الاهي به نيروي تو به انجام رسد، و چيزها، به ارادهي تو موجود شوند،
و خواستِ تو را، بي آن كه بگويي، فرمان برند، و از آنچه خواستِ تو نيست، بي آن كه بگويي، رو بگردانند.
تويي آن كه در كارهاي مهم بخوانندش، و در ناگواريها بدو پناه برند. هيچ بلايي از ما برنگردد مگر تو آن بلا را بگرداني، و هيچ اندوهي بر طرف نشود مگر تو آن را از دل براني.
اي پروردگار من، اينك بلايي بر سرم فرود آمده كه سنگينياش مرا به زانو درآورده است، و به دردي گرفتار آمدهام كه با آن مدارا نتوانم كرد.
اين همه را تو به نيروي خويش بر من وارد آوردهاي و به سوي من روان كردهاي.
آنچه تو بر من وارد آوردهاي، هيچ كس باز نَبَرد، و آنچه تو به سوي من روان كردهاي، هيچ كس برنگرداند. دري را كه تو بسته باشي. كَس نگشايد، و دري را كه تو گشوده باشي، كَس نتواند بست. آن كار را كه تو دشوار كني، هيچ كس آسان نكند، و آن كس را كه تو خوار گرداني، كسي مدد نرساند.
پس بر محمد و خاندانش درود فرست. اي پروردگار من، به احسانِ خويش دَرِ آسايش به روي من بگشا، و به نيروي خود، سختيِ اندوهم را درهم شكن، و در آنچه زبان شكايت بدان گشودهام، به نيكي بنگر، و مرا در آنچه از تو خواستهام، شيرينيِ استجابت بچشان، و از پيشِ خود، رحمت و گشايشي دلخواه به من ده، و راه بيرون شدن از اين گرفتاري را پيش پايم نِه.
و مرا به سبب گرفتاري، از انجام دادنِ واجبات و پيروي آيين خود بازمدار.
اي پروردگارِ من، از آنچه بر سرم آمده، دلتنگ و بيطاقتم، و جانم از آن اندوه كه نصيب من گرديده، آكنده است؛ و اين در حالي است كه تنها تو ميتواني آن اندوه را از ميان برداري و آنچه را بدان گرفتار آمدهام دور كني. پس با من چنين كن، اگر چه شايستهي آن نباشم، اي صاحب عرش بزرگ.
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
হে ঐ মহামহিমাম্বিত সত্ত্বা যাঁর মাধ্যমে সব অপছন্দনীয় বিষয় , দুর্যোগ ও ঝঞ্ঝাটের জট ও গিঁট খুলে যায় ; হে ঐ মহামহিম সত্ত্বা যাঁর মাধ্যমে সব কষ্টের তীব্রতা লাঘব ও আসান হয়ে যায় ; হে ঐ মহামহামাম্বিত সত্ত্বা কেবল যাঁর কাছেই মুক্তি ও প্রশান্তির ( দিকে প্রত্যাগমণের ) জন্য আর্জি পেশ করা উচিৎ , ( হে আল্লাহ পাক ) সকল কঠিন ( ও কষ্টদায়ক ) বিষয় আপনার শক্তির কাছে নমনীয় ও সহজসাধ্য হয়ে গেছে এবং আপনার করুণা ও দয়ায় সকল কাজ আঞ্জাম দেয়ার উপায় - উপকরণ প্রস্তুত হয়েছে আপনার কুদরতে ( শক্তি ও মহিমাময় ) ঐশী ক্বাযা ( ঐশ্বরিক নির্দেশ ও সিদ্ধান্ত ) জারি ( ও কার্যকর ) হয়েছে , আপনার ঐশ্বরিক ইরাদার ( ইচ্ছা ) উপর নির্ভর করেই সকল বস্তু নিচয় অস্তিত্বশীল হয়েছে , আপনি আপনার ঐশী ইচ্ছাকে শব্দ ও বাক্য আকারে ব্যক্ত করা ব্যতিরেকেই সকল বস্তু নিচয় আপনার ইচ্ছার প্রতি আনুগত্যশীল আছে এবং তারা সবাই ( সকল বস্তু নিচয় ) আপনার ইচ্ছায় আপনার নিষেধাজ্ঞা ( ভাষায় ব্যক্ত ও ) জারি করা ব্যতিরেকেই ( আপনি যে সব বিষয় নিষেধ করেছেন সেগুলো থেকে ) বিরত থাকে , ( হে আল্লাহ পাক ) যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ কর্মে কেবল আপনাকেই ডাকা হয়
( অর্থাৎ একমাত্র আপনার কাছে ই
সাহায্য প্রার্থনা করা হয় ) , আর সকল দুর্দশা ও দুর্যোগে আপনিই হচ্ছেন একমাত্র আশ্রয়স্থল । এ সব দু:খ - দুর্দশা ও বিপদাপদের মধ্য থেকে আপনি যেগুলো প্রতিহত করেছেন কেবল সেগুলো ব্যতীত আর কোন দু:খ - দুর্দশা ও বিপদাপদ প্রতিহত করা যায় না ; সেগুলোর মধ্য থেকে আপনি যেগুলো দূর করে দিয়েছেন কেবল সেগুলো ব্যতীত আর কোন কিছুই দূর হয় না ; হে রব্ব ( প্রতিপালক ) আমার উপর এমন বালা ( বিপদ ) আপতিত হয়েছে যার ভার আমাকে ঋজু ও নতজানু করে ফেলেছে এবং এমন এক দু:খ - বেদনার ভার আমার উপর আপতিত হয়েছে যা বহন করা আমার জন্য ( অত্যন্ত ) কষ্টসাধ্য ও অসহনীয় হয়ে গেছে ; আর আপনি
তা ( বালা মুসিবত ) আপনার শক্তি ( কুদরত ) দিয়ে
আমার উপর আনয়ন করেছেন এবং আপনার প্রবল প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা দিয়ে তা আমার দিকে পরিচালিত করেছেন ; তাই আপনি যা আনয়ন করেছেন তা দূর করার কেউ নেই এবং আপনি যা আমার দিকে পরিচালিত করেছেন তা রোধ করারও কেউ নেই । আপনি যা বন্ধ করে দিয়েছেন তা উন্মুক্ত করার কেউ নেই ; আর আপনি যা উন্মুক্ত করেছেন তা বন্ধ করারও কোনো শক্তি নেই ; আপনি যা কঠিন ও কষ্টসাধ্য করে দিয়েছেন তা সহজসাধ্য করার কেউ নেই ; আপনি যাকে সাহায্য করা থেকে বিরত থেকেছেন তার কোনো সাহায্যকারী নেই । অত:পর হযরত
মুহম্মদ ( সা:) এবং তাঁর আহলুল বাইতের ( আ:) উপর আপনি দরূদ ও সালাত প্রেরণ করুন ; হে রব্ব , আপনার কুদরত ও মহিমা দিয়ে শান্তি ও সুখ - স্বাচ্ছন্দ্যের দ্বার উন্মুক্ত করে দিন । আপনার কুদরত ও ক্ষমতা দিয়ে আমাদের থেকে দুশ্চিন্তার প্রাবল্য ও আধিপত্যকে গুড়িয়ে দিন ; ( আপনার কাছে ) আমি যে ( বিপদাপদ ও দু:খ- কষ্টের ) ব্যাপারে অভিযোগ করেছি
সে ব্যাপারে আপনি আমাকে সুদৃষ্টি ও সু ধারণা পোষণ করার তৌফিক দিন ; আপনার কাছে যা প্রার্থনা করেছি ও চেয়েছি সে ক্ষেত্রে আমার প্রার্থনায় আপনার জবাব ও সাড়া দানের মধুর মিষ্টি স্বাদ আপনি আমাকে আস্বাদন করান ; আপনি আপনার কাছ থেকে কাঙ্খিত রহমত ( দয়া ) ও মধুর সুখ - শান্তি আমাকে দিন ; আর আমার জন্য আপনি আপনার কাছ থেকে
এই বিপদাপদ ও দু:খ - কষ্ট থেকে মুক্তি ও পরিত্রাণের উপায় ও পথ স্থপন করুন ( দেখিয়ে দিন ) ; আমার সমস্যা গ্রস্ততার কারণে আপনার ফরয - ওয়াজিব বিধি বিধান ও আপনার সুন্নাত ( নীতি ) মেনে চলার প্রতিশ্রুতি ( পূর্ণ করা ) থেকে আমাকে বিরত থাকতে দিয়েন না ;
হে পরওয়ারদেগার ( প্রভু ) আমার উপর যে বিপদাপদ ও দুর্যোগ আপতিত হয়েছে সে জন্য আমার হৃদয় সংকীর্ণ হয়ে গেছে এবং আমিও অস্থির ও ব্যাকুল হয়ে গেছি । আমার ক্ষেত্রে যে দুর্দশা ঘটেছে তা সহ্য করতে গিয়ে আমি দু:খ ভারাক্রান্ত হয়ে গেছি ; আমি যে দুর্দশায় আপতিত হয়েছি একমাত্র আপনিই
পারেন তা আমার থেকে বিদূরিত করতে ; তাই হে মহান আরশের অধিপতি , যদিও আমি আপনার মহানুভবতা পূর্ণ জবাবের উপযুক্ত নই তথাপি আমার সাথে আপনি মহানুভবতা পূর্ণ আচরণ ( ও দয়া )
করুন ।
অনুবাদ : মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান
দোয়ার উচ্চারণ:
ইয়া মান তুহাল্লু বিহি উকাদুল মাকারিহ, ওয়া ইয়া মান ইয়াফসাউ বিহি হাদ্দুশ শাদায়িদ, ওয়া ইয়া মান ইউলতামাসু মিনহুল মাখরাজু ইলা রাওহিল ফারাজ, যাল্লাত লিকুদরাতিকাস সিআব, ওয়া তাসাব্বাবাত বিলুতফিকাল আসবাব, ওয়া জারা বিকুদরাতিকাল কাদ্বা, ওয়া মাদ্বাত আলা ইরাদাতিকাল আশইয়া, ফাহিয়া বিমাশিয়্যাতিকা দুনা কাওলিকা মু’তামিরাহ, ওয়া বিইরাদাতিকা দুনা নাহয়িকা মুনযাজিরাহ।
আনতাল মাদউ লিলমুহিম্মাত, ওয়া আনতাল মাফযাউ ফিল মুলিম্মাত, লা ইয়ানদাফিউ মিনহা ইল্লা মা দাফা’তা, ওয়া লা ইয়ানকাশিফু মিনহা ইল্লা মা কাশাফতা, ওয়া কদ নাযালা বি ইয়া রাব্বি মা কদ তাকা’আদানি সিকলুহ, ওয়া আল্লামা বি মা কদ বাহাযানি হামলুহ, ওয়া বিকুদরাতিকা আওরাদতাহু আলাইয়া ওয়া বিসুলতানিকা ওয়াজ্জাহতাহু ইলাইয়া।
ফালা মুসদিরা লিমা আওরাদতা, ওয়া লা ছারাফা লিমা ওয়াজ্জাহতা, ওয়া লা ফাতিহা লিমা আগলাক্বতা, ওয়া লা মুগলিক্বা লিমা ফাতাহতা, ওয়া লা মুইয়াসসিরা লিমা আসসারতা, ওয়া লা নাসিরা লিমান খাযালতা।
ফা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলিহি, ওয়াফতাহ লি ইয়া রাব্বি বাবাল ফারাজি বিতাওলিক, ওয়াকসির আন্নি সুলতানাল হাম্মি বিহাওলিক, ওয়া আনিলনি হুসনান নাযারি ফি মা শাকাওতু, ওয়া আযিকনি হালাওয়াতাস সুনয়ি ফিমা সাআলতু, ওয়া হাব লি মিল্লাদুনকা রাহমাতান ওয়া ফারাজান হানিআ, ওয়াজআল লি মিন ইনদিকা মাখরাজাউ ওয়াহিইয়া।
ওয়ালা তাশগালনি বিল ইহতিমামি আন তাআহুদি ফুরুদ্বিক, ওয়াসতি’মালি সুন্নাতিক। ফাক্বদ দ্বিক্বতু লিমা নাযালা বি ইয়া রাব্বি যারআ, ওয়ামতালা’তু বিহামলি মা হাদাসা আলাইয়া হাম্মা, ওয়া আনতাল কাদিরু আলা কাশফি মা মুনি’তু বিহি, ওয়া দাফয়ি মা ওয়াকা’তু ফিহি, ফাফআল বি যালিকা ওয়া ইল লাম আস্তাওজিবহু মিনকা, ইয়া যাল আরশিল আযিম।
24/03/2019
عن الامام السجاد عليه السلام حين سئله احد عن العصيية فأجاب "الْعَصَبِيَّةُ الَّتِي يَأْثَمُ عَلَيْهَا صَاحِبُهَا أَنْ يَرَى الرَّجُلُ شِرَارَ قَوْمِهِ خَيْراً مِنْ خِيَارِ قَوْمٍ آخَرِينَ وَ لَيْسَ مِنَ الْعَصَبِيَّةِ أَنْ يُحِبُّ الرَّجُلُ قَوْمَهُ وَ لَكِنْ مِنَ الْعَصَبِيَّةِ أَنْ يُعِينَ قَوْمَهُ عَلَى الظُّلْمِ».
📚 كافي؛ج2، ص308، ح7
29/12/2018
Ayatollah Sheykh Hasan Zādeh Amoli: Instead of being a "worshiper" be a "servant of God"! Satan worshiped for about 6000 years, and became a worshipper, not a servant. Unless you become a servant, your worship is not profitable; servanthood means what your Lord wants, not your desires.
30/10/2018
🌷🍂
*যিয়ারত এ আরবাইন*
✅ আরবাইন/চল্লিশা/চেহলাম/চেহ্লুম এর যিয়ারত শরিফ
اَلسَّلامُ عَلى وَلِىِّ اللَّهِ وَحَبیبِهِ اَلسَّلامُ عَلى خَلیلِ اللَّهِ وَنَجیبِهِ اَلسَّلامُ عَلى صَفِىِّ اللَّهِ وَابْنِ صَفِیِّهِ
اَلسَّلامُ عَلىَ الْحُسَیْنِ الْمَظْلُومِ الشَّهیدِ اَلسَّلامُ على اَسیرِ الْکُرُباتِ وَقَتیلِ الْعَبَراتِ اَللّهُمَّ اِنّى اَشْهَدُ
اَنَّهُ وَلِیُّکَ وَابْنُ وَلِیِّکَ وَصَفِیُّکَ وَابْنُ صَفِیِّکَ الْفاَّئِزُ بِکَرامَتِکَ اَکْرَمْتَهُ بِالشَّهادَةِ وَحَبَوْتَهُ بِالسَّعادَةِ وَاَجْتَبَیْتَهُ
بِطیبِ الْوِلادَةِ وَ جَعَلْتَهُ سَیِّداً مِنَ السّادَةِ وَقآئِداً مِنَ الْقادَةِ وَذآئِداً مِنْ الْذادَةِ وَاَعْطَیْتَهُ مَواریثَ الاْنْبِیاَّءِ
وَجَعَلْتَهُ حُجَّةً عَلى خَلْقِکَ مِنَ الاْوْصِیاَّءِ فَاَعْذَرَ فىِ الدُّعآءِ وَمَنَحَ النُّصْحَ وَبَذَلَ مُهْجَتَهُ فیکَ لِیَسْتَنْقِذَ
عِبادَکَ مِنَ الْجَهالَةِ وَحَیْرَةِ الضَّلالَةِ وَقَدْ تَوازَرَ عَلَیْهِ مَنْ غَرَّتْهُ الدُّنْیا وَباعَ حَظَّهُ بِالاْرْذَلِ الاْدْنى وَشَرى
آخِرَتَهُ بِالثَّمَنِ الاْوْکَسِ وَتَغَطْرَسَ وَتَرَدّى فى هَواهُ وَاَسْخَطَکَ وَاَسْخَطَ نَبِیَّکَ وَاَطاعَ مِنْ عِبادِکَ اَهْلَ
الشِّقاقِ وَالنِّفاقِ وَحَمَلَةَ الاَوْزارِ الْمُسْتَوْجِبینَ النّارَ فَجاهَدَهُمْ فیکَ صابِراً مُحْتَسِباً حَتّى سُفِکَ فى
طاعَتِکَ دَمُهُ وَاسْتُبیحَ حَریمُهُ اَللّهُمَّ فَالْعَنْهُمْ لَعْناً وَبیلاً وَعَذِّبْهُمْ عَذاباً اَلیماً اَلسَّلامُ عَلَیْکَ یَابْنَ رَسُولِ
اللَّهِ اَلسَّلامُ عَلَیْکَ یَابْنَ سَیِّدِ الاْوْصِیاَّءِ اَشْهَدُ اَنَّکَ اَمینُ اللهِ وَابْنُ اَمینِهِ عِشْتَ سَعیداً وَمَضَیْتَ حَمیداً
وَمُتَّ فَقیداً مَظْلُوماً شَهیداً وَاَشْهَدُ اَنَّ اللَّهَ مُنْجِزٌ ما وَعَدَکَ وَمُهْلِکٌ مَنْ خَذَلَکَ وَمُعَذِّبٌ مَنْ قَتَلَکَ
وَاَشْهَدُ اَنَّکَ وَفَیْتَ بِعَهْدِاللهِ وَجاهَدْتَ فى سَبیلِهِ حَتّى اَتیکَ الْیَقینُ فَلَعَنَ اللهُ مَنْ قَتَلَکَ وَلَعَنَ اللهُ مَنْ
ظَلَمَکَ وَلَعَنَ اللَّهُ اُمَّةً سَمِعَتْ بِذلِکَ فَرَضِیَتْ بِهِ اَللّهُمَّ اِنّى اُشْهِدُکَ اَنّى وَلِىُّ لِمَنْ والاهُ وَعَدُوُّ لِمَنْ
عاداهُ بِاَبى اَنْتَ وَاُمّى یَابْنَ رَسُولِ اللَّهِ اَشْهَدُ اَنَّکَ کُنْتَ نُوراً فىِ الاَصْلابِ الشّامِخَةِ وَالاْرْحامِ الْمُطَهَّرَةِ
لَمْ تُنَجِّسْکَ الْجاهِلِیَّةُ بِاَنْجاسِها وَلَمْ تُلْبِسْکَ الْمُدْلَهِمّاتُ مِنْ ثِیابِها وَاَشْهَدُ اَنَّکَ مِنْ دَعاَّئِمِ الدّینِ
وَاَرْکانِ الْمُسْلِمینَ وَمَعْقِلِ الْمُؤْمِنینَ وَاَشْهَدُ اَنَّکَ الاْمامُ الْبَرُّ التَّقِىُّ الرَّضِىُّ الزَّکِىُّ الْهادِى الْمَهْدِىُّ
وَاَشْهَدُ اَنَّ الاْئِمَّةَ مِنْ وُلْدِکَ کَلِمَةُ التَّقْوى وَاَعْلامُ الْهُدى وَالْعُرْوَةُ الْوُثْقى وَالْحُجَّةُ على اَهْلِ الدُّنْیا
وَاَشْهَدُ اَنّى بِکُمْ مُؤْمِنٌ وَبِاِیابِکُمْ مُوقِنٌ بِشَرایِعِ دینى وَخَواتیمِ عَمَلى وَقَلْبى لِقَلْبِکُمْ سِلْمٌ وَاَمْرى
لاِمْرِکُمْ مُتَّبِعٌ وَنُصْرَتى لَکُمْ مُعَدَّةٌ حَتّى یَاْذَنَ اللَّهُ لَکُمْ فَمَعَکُمْ مَعَکُمْ لامَعَ عَدُوِّکُمْ صَلَواتُ اللهِ عَلَیْکُمْ
وَعلى اَرْواحِکُمْ وَاَجْسادِکُمْ وَشاهِدِکُمْ وَغاَّئِبِکُمْ وَظاهِرِکُمْ وَباطِنِکُمْ آمینَ رَبَّ الْعالَمینَ.
📚শেইখ আল তুসি বর্ণনা করেছেন, "তাহযিবুল আহকাম" ও "মিসবাহ আল মুতাহাজ্জিদ" এ সাফওয়ান আল জামমাল থেকে- তিনি বলেছেনঃ আমার মাওলা আস সাদিক্ব (আ.) আমাকে নির্দেশনা দিয়েছেন আরবাইন(চল্লিশা)- এর দিনে ইমাম হুসাইন (আ.)- এর যিয়ারত করতে- সকাল পার হয়ে দুপুরের আগে- এবং এ কথাগুলো বলতেঃ
১ শান্তি বর্ষিত হোক আল্লাহর ঘনিষ্ঠ/ঘনিষ্ট বান্দা/দাস তাঁর প্রিয়তম বন্ধুর ওপর।
২ শান্তি বর্ষিত হোক আল্লাহর বন্ধু ও অভিজাত এর ওপর৷ ৩ শান্তি বর্ষিত হোক আল্লাহর অতি পছন্দনীয় ব্যক্তির ওপর - যে তাঁর অতি পছন্দনীয় ব্যক্তির সন্তান।
৪ শান্তি বর্ষিত হোক নির্যাতিত শহীদ হুসাইন এর ওপর।
৫ শান্তি বর্ষিত হোক প্রচন্ড দুঃখ ও বেদনার (ভেতর) বন্দীর ওপর।
৬ ও নিহত 'অশ্রুজল'- এর ওপর
৭ হে আল্লাহ, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে তিনি আপনার ঘনিষ্ট দাস ও আপনার ঘনিষ্ট দাসের সন্তান।
৮ আপনার অতি পছন্দনীয় ও আপনার অতি পছন্দনীয় এর সন্তান
৯ যিনি বিজয়ী আপনার মর্যাদার মাধ্যমে।
১০ আপনি তাকে সম্মানিত করেছেন শাহাদাতের মাধ্যমে।
১১ তাকে দান করেছেন সমস্ত আনন্দ
১২ এবং তাকে বেছে নিয়েছেন পবিত্র জন্ম দিয়ে।
১৩ এবং তাকে বানিয়েছেন সর্দারদের একজন।
১৪ এবং নেতাদের একজন
১৫ এবং (ধর্ম)প্রতিরক্ষাকারীদের একজন
১৬ এবং তাকে দিয়েছেন নবীদের রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার।
১৭ এবং তাকে বানিয়েছেন আপনার সৃষ্টির মাঝে আপনার অস্তিত্বের প্রমাণ হিসেবে - নবীদের ওয়ারিসদের মাঝে একজন।
১৮ তাই তিনি আপনাকে ডেকেছিলেন নিখুঁতভাবে
১৯ এবং সৎ উপদেশ দিয়েছেন (মানুষকে)
২০ এবং তিনি তার সবকিছু উৎসর্গ করেছিলেন আপনার জন্য
২১ যেন আপনার দাসদেরকে অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে...
২২এবং ভুল পথের হয়রানি থেকে...
৷৷উদ্ধার করার জন্য
২৩ - দুনিয়া যাকে প্রতারিত করেছে...
২৪ এবং তার সৌভাগ্যকে বিনিময় করেছে নিকৃষ্ট জিনিসের সাথে
২৫ এবং তার আখেরাতকে বিক্রি করেছে সামান্য মূল্যে
২৬ অহংকার করেছে, নফসের কামনা বাসনার পূরণে ধ্বংস হয়েছে
২৭ আপনাকে ক্রোধান্বিত করেছে এবং আপনার নবীকে ক্রোধান্বিত করেছে
২৮ এবং আপনার দাসদের মাঝথেকে বিরোধিতাকারী ও মুনাফিকদের আনুগত্য করেছে।
২৯ এবং তাদের বোঝাগুলো বহন করেছে যারা আগুনের ডাকে সাড়া দিয়েছে
৩০ আর তিনি তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন দৃঢ় চিত্তে আপনার পুরস্কার আশা করে।
৩১ যখন আপনার আনুগত্যে তার রক্ত ঝরিয়েছেন
৩২ এবং আনুগত্যের কারণে নারীদের সম্মানহানি ঘটে
৩৩ হে আল্লাহ, তাদেরকে অভিশাপ দিন - এক বিরাট অভিশাপের মাধ্যমে
৩৪ এবং তাদেরকে শাস্তি দিন এক প্রচন্ড শাস্তি দিয়ে
৩৫ শান্তি বর্ষিত হোক আপনার ওপর - হে আল্লাহর রাসুলের (বংশের) সন্তান
৩৬ শান্তি বর্ষিত হোক আপনার ওপর - হে ওয়াসীদের সর্দার-এর সন্তান
৩৭ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আপনি আল্লাহর বিশ্বস্ত - এবং তার বিশ্বস্ত- এর সন্তান
৩৮ (পৃথিবীতে) বাস করেছিলেন আনন্দিত অবস্থায়
৩৯ এবং চলে গিয়েছেন প্রশংসিত হয়ে
৪০ মৃত্যু বরণ করেছেন- লুন্ঠিত,নির্যাতিত শহীদ হয়ে
৪১ আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ সুনিশ্চিত ভাবে পূরণ করবেন যা তিনি আপনার কাছে অঙ্গীকার করেছেন।
৪২ এবং ধ্বংস করবেন তাদেরকে যারা আপনাকে পরিত্যাগ করেছে
৪৩ এবং শাস্তি দিবেন তাদেরকে যারা আপনাকে হত্যা করেছে
৪৪এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি আল্লাহর কাছে করা আপনার অঙ্গীকার পূরণ করেছেন।
৪৫ এবং তার পথে সংগ্রাম করেছেন আপনি দেহত্যাগ করা পর্যন্ত
৪৬ অতএব আল্লাহ যেন তাকে অভিশাপ দেন যে আপনাকে হত্যা করেছে
৪৭ এবং আল্লাহ যেন তাদেরকে অভিশাপ দেন যারা আপনার ওপর যুলুম (অত্যাচার-নির্যাতন) করেছে
৪৮ এবং আল্লাহ যেন তাদেরকে অভিশাপ দেন যারা এ ঘটনা শুনেছে এরপর এ বিষয়ে সন্তুষ্ট থেকেছে।
৪৯ হে আল্লাহ, আমি আপনাকে সাক্ষী রাখছি যে, আমি তার প্রতি বিশ্বস্ত যে তার সাথে বিশ্বস্ত
৫০ এবং আমি তার শত্রু যে তার সাথে শত্রুতা করে
৫১ আমার পিতা ও মাতা আপনার জীবন রক্ষায় মুক্তিপণ হোক- হে আল্লাহর রাসুলের (বংশের) সন্তান
৫২ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি ছিলেন উচ্চ মর্যাদার পিঠে নিম্নাংশের এক নূর ( আলো )
৫৩ এবং পবিত্র গর্ভে এক নূর (আলো)
৫৪ আপনাকে জাহিলিয়াতের যুগের কোন অপবিত্রতা
স্পর্শ করেনি
৫৫ না এর - নোংরা পোশাক আপনার শরীরে ছিল
৫৬ আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি ধর্মের মূল ভিত্তি সমুহের একজন
৫৭এবং মুসলমানদের খুঁটি/ পৃষ্ঠপোষক
৫৮ মুমিন ( ঈমান অন্তরে প্রবেশ করেছে এমন)দের আশ্রয়স্থল।
৫৯ আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি সদাচারি,পরহেযগার ইমাম
৬০ সন্তুষ্ট,পুতঃপবিত্র,
৬১সত্য- সঠিক পথের পরিচালক- নিজে সত্য সঠিক পথ প্রাপ্ত
৬২ এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনার বংশ থেকে ইমামগণ হলেন পরহেযগারীর মুখপাত্র /ভাষা
৬৩ সত্য সঠিক পথের সুউচ্চ নিদর্শন
৬৪ ইসলামের দৃঢ়তম হাতল
৬৫ এবং দুনিয়াবাসীদের উপর আল্লাহর অস্তিত্বের প্রমাণ
৬৬ আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনাদের বিশ্বাস করি, আপনাদের ফিরে আসাকেও বিশ্বাস করি
৬৭ আমার পরিপূর্ণ আস্থা আছে আমার ধর্মের আইন সমুহের ওপর এবং আমার আমলসমুহের মোহরস্থলের ওপর
৬৮ আমার ক্বলব আপনাদের ক্বলবের সাথে শান্তিতে আছে
৬৯ আমার সব বিষয় আপনাদের আদেশের অনুগত
৭০ এবং আপনাদের প্রতি আমার সমর্থন/সাহায্য ভালবাসার কারণে
৭১ যখন আল্লাহ আপনাদের অনুমতি দিবেন
৭২ অতএব আমি আপনাদের সাথেআছি এবং আপনাদের সাথেই থাকবো
৭৩আপনাদের শত্রুদের সাথে নয়।
৭৪ সালাওয়াত দরুদ (আল্লাহর সার্বজনীন কল্যাণ) আপনাদের ওপর বর্ষিত হোক
৭৫ আপনাদের রুহের ও শরিরেরওপর
৭৬ আপনাদের হাজির (উপস্থিত) ও গায়েব (অনুপস্থিত) থাকা অবস্থায়
৭৭ আপনাদের যাহেরি (বাহ্যিক/প্রকাশ্য) ও বাতেনি (অপ্রকাশ্য) অবস্থায়
৭৮আমিন! সাড়া দিন হে জগৎসমুহের প্রভু/ প্রতিপালক।।
➡ ~ এরপর আপনি দু রাকাত নামাজ পড়ুন ও মহান আল্লাহর কাছে নিজের প্রয়োজন বলুন।
💠 #ইসলামি_সংস্কৃতি_জিবনধারা_তেব্ব💠
🖋Al-Qalam Translators and Writers Bureau
07/08/2018
Sh. Jehad Ismail
Salam to all
Why not take advantage of an act of worship that does not require any of the followings yet it’s considered among the highest in rewards and benefits:
1. Does require wudhu
2. Does not require facing the Qibla
3. Does not require spending money
4. Does not require any effort
5. Does not require a specific time
It’s called “Ziker” Remembrance of Allah
And one of the best is “TASBEEH AL-ZAHRAA” (A)
05/06/2018
~Are you Really fasting???
A few young men saw an old man eating a sandwich in a secluded place.
They went near him and asked, "Mr, why aren't you fasting?"
The old man replied, "What do you mean? I am fasting! I just eat and drink water."
The young lads laughed and asked, "How can you fast in such a manner?"
The old man replied, "Its simple, I don't lie, I don't abuse or slander anyone, I don't backbite, I don't hurt anybody, I am not jealous of anyone, I protect my eyes from watching haraam, I do my duties and fulfill my responsibilities honestly and I refrain from eating haraam. But because of a disease, I'm not allowed to refrain from food and water."
The old man then asked the youth, "Are you fasting too?"
With heads hanging down, one of them replied in a barely audible voice, "No, we just don't eat food."
"Are we really fasting this Ramadan?"... collected
13/03/2018
🔅امیرالمؤمنین(علیه السلام) در نهج البلاغه میفرمایند:
🔷«تَوَقَّوُا الْبَرْدَ فِی أوَّلِهِ و تَلَقَّوْهُ فِی آخِرِهِ فَإِنَّهُ یَفْعَلُ فِی الأبْدَانِ کَفِعله فِی الأشْجَارِ أوَّلُهُ یُحْرِقُ وَ آخِرُهُ یُورِقُ
✅در فصل سرما (پاییز) خودتان را از آن حفظ کنید و در آخر فصل سرما (بهار) خودتان را در برابرش قرار دهید؛ زیرا سرما همان کاری که با درختان میکند با بدن شما انجام میدهد، یعنی اول پاییز سوزناک است ولی آخر سرما (بهار) شکوفا کننده است».
✳হযরত আমীরুল মুমিনীন ইমাম আলী ( আঃ ) নাহজুল বালাগায় বলেছেনঃ শীতের শুরুতে অর্থাৎ শরৎকালে(+হেমন্ত) তোমরা তোমাদের শরীরকে ঠাণ্ডার হাত থেকে রক্ষা করবে ( অর্থাৎ উপযুক্ত পোশাক পরিচ্ছদ দিয়ে দেহ আবৃত করবে) এবং শীতের শেষে অর্থাৎ বসন্ত কালে নিজেদের দেহকে বসন্তকালীন শীতল আবহাওয়ার সামনে উন্মুক্ত করবে ( অর্থাৎ দেহে বসন্তকালীন শীতল বায়ু লাগাবে ) কারণ , গাছপালার সাথে তা যে কাজটা করে তোমাদের দেহের সাথেও সে কাজটাই করে অর্থাৎ শরৎ+হেমন্ত কালের শুরুর ঠাণ্ডাটা হচ্ছে জ্বালাময় অর্থাৎ তা শরীরে তীব্র জ্বালাবোধ সৃষ্টি করে (এবং কনকনে ঠাণ্ডা অস্থিমজ্জা পর্যন্ত পৌঁছে যায় যা হচ্ছে হাঁড় কাঁপানো শীত ) এবং শীতের শেষে বসন্ত পাছপালাকে পত্র পল্লব ও ফুলে সুশোভিত ও সুসজ্জিত করে ।❇
~♣♦♥♠
আরবী খরীফ এবং ফার্সী পঈয বা ইংরেজী অটামন হচ্ছে বাংলায় শরৎ কাল ও হেমন্ত কাল এ দুই ঋতু । কারণ বাংলাদেশ ছাড়া অন্য সব দেশে বছরে ঋতু চারটি।মধ্যপ্রাচ্যে খরীফ বা পঈয সেপ্টেম্বর মাসের শেষভাগ থেকে শুরু হয়।
31/12/2017
Sh. Ismail
*NEW YEAR THOUGHTS*
Everyone is talking about the New Year 2018🎄🎄
Someone is waiting for 12:00 midnight to watch the fireworks 🎇 someone is waiting to send a to his lover👫 while someone else is waiting to change his profile picture👨👩............etc
All these are only a waste of time👎👎
So here is an idea : if it interests you, please apply it and forward now to those who you care for !!
At 11:55 pm on December 31, 2017 perform wudhu 💧💦 and offer 2 Raka’t salaat starting just before midnight and going on up to 12:03 for a total of about 5 minutes.
That 🌙prayer during this time will be the thing you did in 2017 and the thing you did in 2018.
So can there be a year than the one you ended in thanks to Allah, the Beneficent, most Merciful for all His Blessings and started the New Year by praying 🙏 to Allah to continue His Blessings in the New Year?
*Wishing you all a very happy New Year*
15/12/2017
Golda Meir was the only female Prime Minister of Isra'eel who ruled from 1969 - 1974!
She says: "When we burnt Al Aqsa Mosque, I did not sleep the whole night for fear of Arab Armies entering Isra'eel from all around! But when the sun rose the next morning, I came to know we can do anything we want, for we are facing a (Muslim Ummah) Nation which is asleep!
How very very true !