Gurvagnanuvritti

Gurvagnanuvritti Back to your Supreme Abode

 #শুভ_সৌভাগ্যসপ্তমী২০২১ #১০দিনের_অপেক্ষাশ্রীগুরুদেবের শুভ আবির্ভাব তিথি পৌষ কৃষ্ণ সপ্তমী, বৃহস্পতিবার, সৌভাগ্যযোগপঞ্জিকা...
16/12/2021

#শুভ_সৌভাগ্যসপ্তমী২০২১
#১০দিনের_অপেক্ষা

শ্রীগুরুদেবের শুভ আবির্ভাব তিথি পৌষ কৃষ্ণ সপ্তমী, বৃহস্পতিবার, সৌভাগ্যযোগ
পঞ্জিকা মতে এই বছর ২৬শে ডিসেম্বরে সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হবে।

শ্রীমদ্ভাগবতে বর্ণিত আছে শ্রীভগবানকে লাভ করার জন্য গোপীরা সম্পূর্ণ অগ্রহায়ণ মাসে কাত্যায়নী ব্রত করেন। ব্রতের ফলস্বরূপ তাঁরা মহারাসের বরলাভ করেন।
"আত্মা পরমাত্মা কী মিলন কী মধু মাস হৈ"
"মাসানাং মার্গশীর্ষোহস্মি"
প্রমুখাদি বাক্যে মার্গশীর্ষের হেমন্তের জয়গান করা হয়েছে।
আমাদের মত শিষ্যরা যারা পূর্ব পূর্ব জন্মের কর্মবশতঃ উদ্ধার হতে পারিনি বা মুক্তি পাইনি তাদের উদ্ধার করার জন্য হয়ত কত জন্মের কত কাত্যায়নী ব্রতের ফলস্বরূপ আমরা শ্রীগুরুদেবকে পেয়েছি, তিঁনিও মা কাত্যায়নীর আশীর্বাদলব্ধ বরদানের ন্যায় "রমাপ্রসাদ" রূপে ভূতলে এসেছেন পৌষের সপ্তমীর প্রাতেঃ সাক্ষাৎ মন্মথ মন্মথ।

আমাদের মত প্রাকৃত শিষ্যজনের তিনি ভুক্তি মুক্তি প্রদায়ক, তিঁনি জ্ঞান-ভক্তি-বৈরাগ্যের ত্রিবেণীসঙ্গম- তিঁনি যোগক্ষেম প্রদানকারী- তিঁনি হলেন ভবরোগবৈদ্য-ভবার্ণবের কাণ্ডারী।

আমাদের সাধনা-আরাধনা-কাতর প্রানের নৈর্ব্যক্তিক বেদনা কারণ যাই হোক না কেন তিনি স্থির থাকতে পারেননি, এসেছেন নেমে ভূতলে- আমাদের মধ্যে - আমাদের মত হয়ে। হাসি গল্প কীর্তন প্রবচন যে কোন প্রসঙ্গে তাঁর একটাই আদেশ- উপদেশ-
"বিশ্বাস করো", উনি জানেন আমাদের সন্দিগ্ধমন- অল্পজ্ঞান-খণ্ডবিদ্যা-মৃতপ্রায় বিবেক- ত্রিতাপগ্রস্ত শরীর-মোহাসক্ত মন- এর কোনটাই আমাদের সহায়ক নয়। একমাত্র বিশ্বাস Faith-একমাত্র অস্ত্র যা দিয়ে আমাদের শত্রুবিনাশ হবে। বিশ্বাসটা যদি একবার পরিপক্ক হয়ে যায় কোন বাধা বাধা বলে বোধ হবেনা। কিন্তু কলির এমন প্রভাব শাস্ত্রে আমাদের আস্থা নেই, মন কুকথাতে মগ্ন।
গুরুদেব বারবার বলেন, "আমার কথা বিশ্বাস করো", শাস্ত্রে আছে, সাধনার শুরুতেই চাই বিশ্বাস। বাবা সন্তদাসজী তাঁর ডায়েরীর শুরুতেই লিখছেন- গুরুবাক্যে বিশ্বাস ও তদ্ধেতু সন্তোষ। বিশ্বাস কি? বিশ্বাস মানে নির্বিচারে নির্বিকারে নিঃসন্দেহে গুরুবাক্য পালন। আসলে এই বিশ্বাসটাই #গুর্ব্বাজ্ঞানুবৃত্তি। উনি জানেন, আমরা শুনছি ঠিকই কিন্তু মনে প্রবিষ্ট করাতে পারছি না। সেখানে অনেক ময়লা জমে আছে। অনেক সংস্কারের ছাপ যা আমাদের বিশ্বাস আর সন্তোষ কোনটাই দিচ্ছেনা।
গুর্বাজ্ঞানুবৃত্তি হল সহজতম রাস্তা আধ্যাত্মিক উন্নতির। তাই আমরা সকলে গুরুবাক্যে বিশ্বাস লাভ যেন করতে পারি - শ্রীগুরুচরণে এই প্রার্থনা। আর মাত্র ১০ দিন বাকী উৎসবের- আমাদের অঙ্গীকার হোক যথাসাধ্য আমরা চেষ্টা করব, সেই বিশ্বাস লাভ করার- তিঁনি আমাদের সহায় হউন- আমরা যেন নিজেদের সেই শুভ ক্ষণের জন্য প্রস্তুত করতে পারি- নির্দ্বন্দ্ব- নির্বিকার- নির্বিচারে তাঁর উপদেশ আদেশ পালনে ব্রতী হতে পারি।
॥জয় জয় শ্রীরাধে॥

 #শুভ_সৌভাগ্য_সপ্তমী২০২১শুভ বিহার পঞ্চমী। শ্রীধাম বৃন্দাবনের আরাধ্যদেব শ্রীবাঁকেবিহারীজীউ র আবির্ভাব তিথি। ছোট্ট শালগ্রা...
08/12/2021

#শুভ_সৌভাগ্য_সপ্তমী২০২১

শুভ বিহার পঞ্চমী। শ্রীধাম বৃন্দাবনের আরাধ্যদেব শ্রীবাঁকেবিহারীজীউ র আবির্ভাব তিথি। ছোট্ট শালগ্রাম থেকে জনকল্যানার্থে অপরূপ অর্চ্চাবিগ্রহ রূপে তিনি আবির্ভূত হয়েছিলেন, তাঁর উৎসব মূর্তি। বহু অপ্রাকৃতলীলা ভক্তরা দর্শন করেছেন, এখনো করেন।
"বাঁকেবিহারী তেরী মোটী মোটী নয়ন নজর ন লগ জায়ে" এ ভক্তকবির এই ভাবে তিনি দ্রবীভূত হয়ে যান। শুধু রাধা নাম শুনে শ্রীভগবানের শরীর গলে গিয়ে শ্রীজগন্নাথ স্বরূপ লাভ করেছিল, ভক্ত ভগবানের এমন লীলা।

আমাদেরও বাৎসরিক প্রধান উৎসব আসন্ন। বিহার পঞ্চমী চলে আসা মানেই count down শুরু। আর ১৬ দিন বাকী!
আমাদের পরমারাধ্য শ্রীগুরুদেব আমাদের মত কলিহত কামনা বাসনা লিপ্ত, ত্রিতাপে জর্জরিত দিশাহীন জীবের পরম কল্যাণ কামনার্থে মাতৃক্রোড়ে শিশু রমাপ্রসাদ রূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
মা দুর্গার প্রসাদে যাঁর জন্ম, নামকরণের সময়েই স্থির হয়ে গেছিল, এ বালক একদিন মহীরূহ হবে, তাঁর প্রসাদে তাঁর প্রীতিকামনায় সহস্র সহস্র নরনারী নিজেদের জীবন অতিবাহিত করবে।
শেক্সপীয়র বলতেন, নামে কি আসে যায়, কিন্তু নামেও আসে যায়, আমাদের ভগবান নামরূপে বাঁধা, হঠাৎ অন্য কোন ছবি মনে বসানো কঠিন, অসম্ভব।
যেমন ছোট্ট শালগ্রাম সম্পূর্ণ বাঁকেবিহারী হয়ে লীলা করছেন, তেমনি অবাঙমানসগোচর ভগবৎ শক্তি গুরুর দেহ ধারণ করে লীলা করছেন।

আমাদের ভগবানের অর্চাবিগ্রহ পরিগ্রহের পুন্য অবসর সমাগত। মন সমাহিত হোক, উৎসবের মূল উদ্দেশ্য আমরা অনুধাবন করি, মন মন্দিরে সমর্পণের দীপক প্রজ্জ্বলিত হোক, কামনা বাসনা সকল চাওয়া পাওয়া তাঁর চরণে পুষ্প রূপে অর্পিত হোক, এই প্রার্থনা।

যথার্থ শিষ্যের অলঙ্কার তাঁর গুরু, গুরু সেবা হল তার শরীর ধারনের উদ্দেশ্য। নাহলে শরীরের সার্থকতা কোথায়? আকাশে যখন স্বাতীনক্ষত্র থাকে, সামান্য বারিধারা আকাশ থেকে সামান্য শামুকের উপর পড়ে মুক্তো হয়ে যায়, আমাদেরও গুরুকৃপা রূপী বারিধারাতে স্নাত হয়ে হীনজীবনকে মহাজীবনে রূপান্তর করতে হবে- শ্রীগুরুদেবের কৃপা ভিন্ন তা সম্ভব নয়।

শ্রীগুরুদেব সর্বদা জয়যুক্ত হউন। আমাদের স্বাতী নক্ষত্র সতত উদীয়মান, তাঁর দর্শনে মননে অনুসরনে আমাদের জীবন মুক্তোর মত অমলিন শ্বেতশুভ্র হোক্- শ্রীগুরুদেব সকলকে বিশুদ্ধা ভক্তি প্রদান করুন- শুভদিনে শুভ লগ্নে এই প্রার্থনা।

🦚শ্রীভগবানের ষষ্ঠীপূজা ও নামকরণ🦚শ্রীভগবান জন্মাষ্টমীর দিন মধ্যরাত্রে আবির্ভূত হন। ব্রজবাসীগণ  মহারাজ নন্দের গৃহে বালস্বর...
04/09/2021

🦚শ্রীভগবানের ষষ্ঠীপূজা ও নামকরণ🦚

শ্রীভগবান জন্মাষ্টমীর দিন মধ্যরাত্রে আবির্ভূত হন। ব্রজবাসীগণ মহারাজ নন্দের গৃহে বালস্বরূপের দর্শন করেন কৃষ্ণা নবমীর দিন প্রাতে। সেই হিসাবে আজকের দিন নন্দরানী মা যশোদা তাঁর পুত্রের ষষ্টীপূজা করেন দ্বাদশী/ত্রয়োদশী তিথিতে।
আজ শ্রীভগবানের ছটী পূজা। অজা যখন জন্ম গ্রহণ করেন আমাদের মত রূপ নিয়ে, জাত সংস্কার সেরূপে সম্পন্ন হয়। আজ বিধাতা তাঁর ভাগ্য লিখবেন, নন্দদুলালের নামকরণ হবে।

আজ গোকুলে ব্রজে খুব ধুম। গোপীরা সকাল থেকে নন্দরানীর সুপুত্রকে শৃঙ্গার করে পূজার জন্য তৈরী করছেন। মা যশোদা এতদিন সন্তান সুখ থেকে বঞ্চিত ছিলেন, সন্তান যখন হল নন্দভবনে গোকুলে আনন্দের সীমা নেই।
সাক্ষাৎ পরব্রহ্ম পরমেশ্বর যখন নাম রূপে বাঁধা পরতে আসেন, সেই দিব্য অনির্বচনীয় অভূতপূর্ব এক মহোৎসব।
শ্রীভগবানের আগমন সহসা ঘটেনি, স্বয়ং মা লক্ষ্মী বৈকুন্ঠ ত্যাগ করে চলে এসেছেন গোকুলে, সমগ্র ব্রজভূমিতে যেন অকাল বসন্ত। যে ফুল ভাদ্র মাসে ফোটেনা সেই গাছেও প্রস্ফূটিত পুষ্পের ভারে ব্রজের ভূমি স্পর্শ করতে চাইছে। কালিন্দী নদীতে প্রবাহে যেন প্রান লেগেছে, মরসুমী- অমরসুমী ফলে সব গাছ ভরা। গাভীগুলির পয়োধর থেকে স্বতঃ দুগ্ধক্ষরন হচ্ছে- ব্রজবাসীদের আনন্দের সীমা নেই। একটা স্পষ্ট সংকেত সকলে বুঝেছেন- নন্দদুলাল কোন সাধারণ বালক নন।
বিশাল যজ্ঞের আয়োজন হয়েছে। মহামুনি গর্গ এসেছেন নামকরণ সংস্কারের জন্য। মাতা যশোদা স্বহস্তে নবনীত তৈরী করেছেন। মহারাজ নন্দের ভবনে বিশাল ভোজন সামগ্রীর আয়োজন হয়েছে।
ঋষিগণের বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ ও গোপীদের নৃত্যগীতের মধ্যে কেশর মিশ্রিত জলে শ্রীনন্দনন্দনকে স্নান করিয়ে তাঁকে পীতবসন ধারণ করানো হলো। বিভিন্ন রত্নালংকারে সজ্জিত করে মা যশোদা তার ক্রোড়ে শ্রীভগবানকে নিয়ে বসলেন। যথাবিধি যজ্ঞ পূজা আহুতি শুরু হল। অন্য দিকে গোপ গোপীরা আনন্দে নৃত্য করতে করতে নন্দরাজার সৌভাগ্যের ব্যাখ্যা করতে লাগল।
গোকুলে তিনি গোপাল, সব গোপ- গোপীর সন্তান।
এসকল মহোৎসবের মধ্যে শ্রীভগবানের নামকরণ হল #কৃষ্ণ।
যিনি স্বতঃ আকর্ষণ করেন তিনি কৃষ্ণ।
এত হল একটা নাম, আদরের দুলাল তিনি সকলের, সকলে তার ভালো লাগা নামে বালগোপালকে সম্বোধন করতে লাগল। তিনি ব্রজজনজীবন, আনন্দকন্দ, প্রানপ্রিয় শ্রীনন্দনন্দন, মা যশোদার যাদু বাছাধন, প্রানপ্রিয় গোপাল।
গোপীদের আনন্দের সীমা নেই।

যসুদা কে ঘর লালা ভয়ো।
নন্দকে আনন্দ ভয়ো।
হাথী ঘোড়া পালকি জয় কানহাইয়া লাল কী!!

আজ শ্রীভগবানকে সম্ভব হলে মাখন মিশ্রি ভোগ নিবেদন বিধেয়।

শুভ জন্মাষ্টমী!! শ্রীগুরুদেবের চরণে প্রার্থনা জানিয়ে ব্রতের সংকল্প গ্রহণ করতে হয়। আমাদের ঐকান্তিক প্রার্থনা - হে গুরুদেব...
30/08/2021

শুভ জন্মাষ্টমী!!
শ্রীগুরুদেবের চরণে প্রার্থনা জানিয়ে ব্রতের সংকল্প গ্রহণ করতে হয়। আমাদের ঐকান্তিক প্রার্থনা -
হে গুরুদেব! আজ পরব্রহ্ম পরমেশ্বর যিনি জন্মমৃত্যুমায়ারহিত, যিনি জরা ব্যাধি রহিত, যিনি শুদ্ধসত্ত্ব, চিরনির্মল, চিরকিশোর, চিরনবীন সেই নবলকিশোর নটবরবপু শ্রীভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথি। সেই মহান লীলাকে অনুস্মরণ ধ্যান ধারনা করার জন্য, সেই মাহেন্দ্রক্ষণে নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য আমি জন্মাষ্টমী দিবসে ভোজন পরিত্যাগ পূর্বক তাঁর চিন্তাতে নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই। আপনি আশীর্বাদ করুন আর শক্তি দিন যাতে অজন্মার জন্মরহস্য আমার মানস মন্দিরে প্রকাশিত হয়। আমার মন প্রাণ দেহ যেন সম্পূর্ণ শুদ্ধভাবে ভাবিত হয়ে মাতা দেবকীর গর্ভে শ্রীভগবানের প্রাকট্যর নৈসর্গিক আনন্দ আমি উপভোগ করতে পারি। সমস্তদিন যেন জপ তপ সদ্গ্রন্থ পাঠে ব্যতীত করতে পারি। ক্ষুধা তৃষ্ণা বাহ্যাদির বেগ যেন আমার চিত্তকে বিচলিত না করে। আপনার কৃপা ছাড়া আমার মত শিশ্নোদরপরায়ন কলিহত চঞ্চলমতি জীব কোন শক্তির দ্বারা সম্পূর্ণ দিন ভগবচ্চিন্তাতে লীন হতে পারবেনা। হে নাথ! আপনি কৃপা করুন যেন আমি ঔপচারিকতার ঊর্দ্ধ্বে গিয়ে মানসপূজা দ্বারা শ্রীভগবানের প্রীতি কামনার্থে সমস্ত দিন রাত অতিবাহিত করতে পারি।"
আমাদের ইন্দ্রিয় সকল ও প্রকৃতি পরিবেশের নিকট প্রার্থনা করতে হবে যাতে তারা আমার ব্রতে সহায়ক হন।
সর্বোপরি শ্রীরাধারাণী যার আদেশ ছাড়া শ্রীভগবানও দর্শন দেন না তাঁর কাছে প্রার্থনা করি! হে মাতা! তুমি তোমার সন্তানের সব অবগুণ জানো। তুমি কৃপা না করলে সেই সকল শত্রুর হাতে পরাজিত হয়ে নিদ্রা আলস্য ক্ষুধা তৃষ্ণা রূপী দস্যুদল আমাকে আমার সঙ্কল্পচ্যুত করে দেবে। তুমি সহায় হও মা! যত নীচ পাপী হই না কেন সন্তান তো আমি তোমারই।

শুভ জন্মাষ্টমী। সকলে চিত্ত স্থির করে লক্ষ্য স্থির করে দিনটি অতিবাহিত করতে পারি- শ্রীগুরুদেবের রাতুল চরণে এই প্রার্থনা।

চেতনার দ্বারা চেতনাকে পাওয়া, আত্মার দ্বারা আত্মাকে পাওয়া, নিজের মধ্যে নিজেকে পাওয়া, ক্ষুদ্র স্বার্থকে বিরাটের মধ্যে পাওয়...
18/02/2021

চেতনার দ্বারা চেতনাকে পাওয়া, আত্মার দ্বারা আত্মাকে পাওয়া, নিজের মধ্যে নিজেকে পাওয়া, ক্ষুদ্র স্বার্থকে বিরাটের মধ্যে পাওয়া, রূপের মধ্যে অরূপের আস্বাদন, জগতের মধ্যে অতীন্দ্রিয় বস্তুর উপস্থিতির অনুভব, অর্থের মধ্যে পরমার্থের সাধনা আর আনন্দস্বরূপবোধ লাভ করা- একমাত্র গুরুকৃপাতে সম্ভব।

শ্রীধাম বৃন্দাবন কুম্ভ, ২০২১

আমি  কী ব'লে করিব নিবেদনআমার হৃদয় প্রাণ মন ॥চিত্তে আসি দয়া করি নিজে লহো অপহরি,করো তারে আপনারি ধন, আমার হৃদয় প্রাণ মন ॥শু...
16/02/2021

আমি কী ব'লে করিব নিবেদন
আমার হৃদয় প্রাণ মন ॥

চিত্তে আসি দয়া করি নিজে লহো অপহরি,
করো তারে আপনারি ধন, আমার হৃদয় প্রাণ মন ॥

শুধু ধূলি, শুধু ছাই, মূল্য যার কিছু নাই,
মূল্য তারে করো সমর্পণ স্পর্শে তব পরশরতন!

তোমারি গৌরবে যবে আমার গৌরব হবে
সব তবে দিব বিসর্জন, আমার হৃদয় প্রাণ মন ॥

চারসম্প্রদায়ের খালসা বৈরাগী আখাড়া
শ্রীবৃন্দাবন কুম্ভমেলা ২০২১

পারম্পরিক ঐতিহ্য অনুসারে শ্রীশ্রীধ্বজাপূজন ও অমৃতকলস পূজন তথা শ্রীধাম বৃন্দাবন বৈঠকী কুম্ভের শুভারম্ভব্রজবিদেহী মহন্ত রূ...
16/02/2021

পারম্পরিক ঐতিহ্য অনুসারে শ্রীশ্রীধ্বজাপূজন ও অমৃতকলস পূজন তথা শ্রীধাম বৃন্দাবন বৈঠকী কুম্ভের শুভারম্ভ

ব্রজবিদেহী মহন্ত রূপে এই গৌরবমণ্ডিত ও পবিত্র কার্য্য শ্রীকাঠিয়াবাবাজীর শ্রীকরকমলে হয়ে থাকে।

সাধু সমাজে এই পরমমঙ্গল সমারোহ অত্যন্ত মান্যতা ও সম্মানের অধিকারী।

শ্রীগুরুদেব ৪৮ বৎসর যাবৎ পরম্পরার উত্তরসূরী রূপে এই কার্য্য সম্পন্ন করছেন।

আমরা শিষ্য পরিকর হিসাবে অত্যন্ত গর্ব অনুভব করি।

প্রকৃত শিষ্যের #অলঙ্কার হলেন তাঁর গুরু। তাঁর গুরু হলেন তাঁর #অহঙ্কার। গুরুর প্রতিষ্ঠা সম্মাননা খ্যাতি হল তাঁর #গৌরব আভূষণ।

বসন্তপঞ্চমীর পুন্য তিথিতে ঋতুরাজ কুসুমাকরের শুভ আগমন, পলাশের রক্তিম অভিনন্দন, মাতা সরস্বতী দিব্য পুন্য আরাধনা, ব্রজের হোলির শুভারম্ভ, শ্রীভগবানের বসন্তরাস, এসব উৎসবের মহোৎসব আমাদের গুরুদেবের এরূপ সম্মান সমারোহ।
শ্রীগুরুদেব নির্বিকার, সব কিছু কর্তব্য বুদ্ধিতে সম্পাদন করেন।
আজ ব্রজবাসীরা স্বতোৎসারিত আগ্রহে সম্পূর্ণ পথে স্বাগত জানায়, পুষ্পবৃষ্টি করেন।

শ্রীগুরুদেবও আজ বরদহস্ত, অতীব আনন্দ গৌরবময় এই ক্ষণ চিত্রমাধ্যমে অনুভব করা যায় না। তবু তিনি মহান তিনি বিশ্বময় তিনি পরিপালক তিনি সর্বদর্শী। যারা সশরীরে পৌঁছিয়েছে তাদের সৌভাগ্যের কোন তুলনা নেই, আমরা যারা যেতে পারিনি মানসমন্দিরে তাঁর অর্চনা করি।

অন্তর্মানসে বিশ্বাস করি, আমি তাঁকে নাই বা দেখলাম, তিনি তো আমায় দেখছেন।

শ্রীগুরুপরম্পরা জয়যুক্ত হউন।
কায়-মন-বাক্য সব তাঁর প্রশংসা তাঁর আরাধনা তাঁর অনুগমন করুক।

তব কমল-পরিমলে রাখো হৃদি ভরিয়ে,
চিরদিবস করিব তব চরণ-সুধা পান।

12/01/2021

পতিতপাবন দর্শন

05/01/2021

জীবন যখন শুকায়ে যায়
করুণাধারায় এসো।
সকল মাধুরী লুকায়ে যায়,
গীতসুধারসে এসো।
কর্ম যখন প্রবল-আকার
গরজি উঠিয়া ঢাকে চারি ধার,
হৃদয়প্রান্তে হে জীবননাথ,
শান্তচরণে এসো।
আপনারে যবে করিয়া কৃপণ
কোণে পড়ে থাকে দীনহীন মন,
দুয়ার খুলিয়া হে উদার নাথ,
রাজ-সমারোহে এসো।
বাসনা যখন বিপুল ধুলায়
অন্ধ করিয়া অবোধে ভুলায়
ওহে পবিত্র, ওহে অনিদ্র,
রুদ্র আলোকে এসো।

05/01/2021
🌸 #সৌভাগ্যসপ্তমী২০২০🌸 #হে_মহাজীবন_পর্ব_৪বাল্যনাম "মনা", সকল ভাইবোনদের মধ্যে কনিষ্ঠ হিসাবে সকলের অত্যন্ত আদরের ছেলে মনা ধ...
14/12/2020

🌸 #সৌভাগ্যসপ্তমী২০২০🌸

#হে_মহাজীবন_পর্ব_৪

বাল্যনাম "মনা", সকল ভাইবোনদের মধ্যে কনিষ্ঠ হিসাবে সকলের অত্যন্ত আদরের ছেলে মনা ধীরে ধীরে বাড়তে লাগলেন।
রাশ্যাশ্রিত পিতৃদত্ত নাম শ্রীরমাপ্রসাদ । রমা লক্ষ্মীর আরেক নাম। পিতৃদত্ত নামের সাক্ষাৎ প্রকাশ তাঁর মধ্যে।

ছোট থেকেই দৈবী লক্ষন প্রকাশিত হতে শুরু হয়। সমবয়সীরা এমনকি নিজের ভাইরা যখন খেলে তখন তিনি পিতার সান্ধ্য বন্দনাদিতে যোগ দেন। প্রাতঃকালে স্নান সেরে পিতার সাথে পূজা করেন। পূজার পুষ্পচয়ন, পুষ্পপাত্র সাজানো এসব বালকের প্রিয় কাজ।

শুরু হল বিদ্যারম্ভ। পিতা শিক্ষক, পুত্র মেধাবী, পড়াশুনা সুন্দর ভাবে চলতে লাগল। বাল্যকাল থেকে মনার জীবন নিয়মে বাঁধা।

বাড়ীতে কোন বিবাহ ইত্যাদি অনুষ্ঠানাদিতে যখন সবাই মহাভোজ খাচ্ছে তিনি পিতৃদেবের সাথে ডাল ভাত সব্জী- তাও উপযুক্ত ভাবে সদাচারে প্রস্তুত। বালকসুলভ চাঞ্চল্য তাঁর কোনদিন নেই। যে কাজ করেন সেটা পরিপাটী গুছানো।
এইসকল গুনের জন্য তিনি পিতার অত্যন্ত প্রিয়। যে দেখে সেই তৃপ্তি পায় এমন অনুপম স্বভাব। সকলে ভালোবাসে তাঁর মিষ্টি স্বভাব- অতি অল্প বয়সেই তাঁর সব জীবে করুণা। “রানী তেরো চিরজীয়ো গোপাল “, এই শুভকামনা সবার।

একরকম মহানন্দে দিন কাটছে। এমন সময় শ্রীমৎ ১০৮ স্বামী ধনঞ্জয় দাস কাঠিয়াবাবাজী কলকাতাতে আসেন। বন্দোপাধ্যায় পরিবার সকলে দর্শনার্থ গমন করেন। মাতাশ্রী মহারাজজীকে প্রনাম করে ওঠা মাত্র গুরুদেব বলে ওঠেন , “ মাই! তোমার কনিষ্ঠ পুত্রটি #পরম্পরায় পড়িয়াছে।”

কাঠিয়াবাবাজীর কথা শুনে মাতাজীর শরীরে যেন বিদ্যুৎ প্রবাহিত হল। গুরুদেব এ কি শোনালেন, কনিষ্ঠ পুত্র, স্বাভাবিক রূপেই অত্যন্ত প্রিয়, তদুপরি পুত্র মাছ ইত্যাদি খায়না রোগা শরীর। মাতাজী চিন্তায় অস্থির। কিন্তু মুখে কোন প্রকাশ নেই। ভিতরে আলোড়ন চলছে। সাঙ্ঘাতিক দ্বন্দ্ব, একদিকে গুরুর আদেশ, অন্য দিকে মাতৃস্নেহ।

🌸 #সৌভাগ্যসপ্তমী২০২০🌸 #হে_মহাজীবন_পর্ব_৩শ্রীযুক্ত রামদাস বাবুর সাথে শ্রী ১০৮ স্বামী ধনঞ্জয় দাস কাঠিয়া বাবার সাথে সুহৃদ...
13/12/2020

🌸 #সৌভাগ্যসপ্তমী২০২০🌸

#হে_মহাজীবন_পর্ব_৩

শ্রীযুক্ত রামদাস বাবুর সাথে শ্রী ১০৮ স্বামী ধনঞ্জয় দাস কাঠিয়া বাবার সাথে সুহৃদ সম্পর্ক। দৌলতপুরে কলেজে পড়াকালীন বন্ধুত্ব এখন শাশ্বত গুরু সম্পর্কে যুক্ত হয়েছে। বেশ কয়েকবার কাঠিয়বাবাজী তাঁর বাড়ীতেও এসেছেন এবং বাড়ীর সব সদস্যদের নিজ কৃপাতে মন্ত্র প্রদান করে ধন্য করেছেন।

মাতা অমিতা দেবীর ৪ পুত্র ৪ কন্যার পরিপূর্ণ সংসার। ধর্মপরায়ণ দম্পতি, ব্রাহ্মণের গৃহের ঐতিহ্য অনুসারে অতিথি সৎকার সাধুসেবাতে দিনযাপন করেন।

মহাপুরুষরা যখন কোন সঙ্কল্প চরিতার্থ হেতু শরীর পরিগ্রহ করেন, মাতা পিতা, বংশ ইত্যাদি সবকিছু ভগবন্নির্দিষ্ট ভাবে ঘটে। এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়।

নববর্ষের পুন্য প্রভাতে বৃহষ্পতিবার সকাল ১০টা সৌভাগ্যযোগে বন্দোপাধ্যায় পরিবারে পবিত্র শঙ্খনাদে ধ্বনিত হল চারিদিক। এক মহাপুরুষের অবতরন হল যিনি ইতিহাসের পৃষ্ঠায় স্বর্ণাক্ষরে নিজের কীর্তি লিখবেন। যিনি বহু পথভ্রষ্টকে পথ দেখাবেন। যিনি ত্রিতাপদগ্ধজীবকে মৃতসঞ্জীবনী দানে শোধন করবেন, যিনি প্রতিভাত হবেন ভবকাণ্ডারী রূপে, যে বিশাল মহীরূহের নীচে সংসার ভারে ক্লান্ত জীব আশ্রয় পাবে, পাবে আশ্বাস, মাভৈঃ মন্ত্রে যিনি দেখাবেন মহাজীবনের পথ, সেই রাজরাজেশ্বর আজ মাতৃক্রোড়ে শিশুরূপে এসেছেন, যিনি করুনার সাগর, যে স্বাভাবিক স্বতোৎসারিত নির্মল প্রেমের পরশমনির স্পর্শে কলিহত জীব পাবে আত্মপরিচয়, যিনি নিম্বার্কীয় ভাবধারাকে প্রচারের উচ্চ শিখরে নিয়ে যাবেন, দেশদেশান্তরে প্রচার করবেন নিম্বার্ক ভাবনামৃত। বৈদিক ধর্ম প্রচারে যেরূপ আদি শঙ্করাচার্য্য তেমনি নিম্বার্ক ভাবধারা প্রচার হেতু এই মহামানবের আবির্ভাব।

Address

Vrindaban

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gurvagnanuvritti posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share