Geography Corner - Read smartly

Directions

Geography Corner - Read smartly পৃথিবী সবুজায়নের উদ্দেশ্যে ,পরিবেশের সঠিক ব্যবহার, বিশ্ব ও ভারত সম্পর্কে জানতে আমাদের ছোট্ট প্রয়াস

🏔️ **রাধানাথ সিকদার: এভারেস্ট মাপলেন, স্পর্শ না করেই!** 😲 # # # একজন বাঙালি গণিতবিদের অসাধারণ কীর্তি🌏 **রাধানাথ সিকদার ম...
05/10/2026

🏔️ **রাধানাথ সিকদার: এভারেস্ট মাপলেন, স্পর্শ না করেই!** 😲

# # # একজন বাঙালি গণিতবিদের অসাধারণ কীর্তি

🌏 **রাধানাথ সিকদার মহাশয়ের জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য**

পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ **মাউন্ট এভারেস্টে পা না রেখেই তার উচ্চতা নির্ণয় করেছিলেন এক বাঙালি গণিতবিদ—রাধানাথ সিকদার।** তাঁর গণিত ও ত্রিকোণমিতির অসাধারণ দক্ষতা উনিশ শতকের ভূ-জরিপের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায় তৈরি করে।

🔹 **কীভাবে শুরু হয়েছিল?**
১৮০২ সালে শুরু হয় ভারতের বিশাল **Great Trigonometrical Survey (GTS)**। লক্ষ্য ছিল ত্রিকোণমিতিক পদ্ধতিতে ভারতের ভূখণ্ডের সঠিক অবস্থান, দূরত্ব ও উচ্চতা নির্ণয় করে একটি বৈজ্ঞানিক মানচিত্র তৈরি করা। জরিপকারীরা একের পর এক নির্দিষ্ট বিন্দুকে যুক্ত করে বিশাল ত্রিভুজের জাল তৈরি করতেন এবং অত্যন্ত নিখুঁত যন্ত্রে কোণ পরিমাপ করতেন। ([Survey of India][1])

🔹 **Peak XV-এর রহস্য**
হিমালয়ের একটি তুষারাবৃত শৃঙ্গ তখন জরিপের নথিতে **“Peak XV”** নামে পরিচিত ছিল। দূরবর্তী জরিপ-স্টেশন থেকে এই শৃঙ্গের দিকে তাকিয়ে বিভিন্ন কোণ মাপা হয়। শৃঙ্গের চূড়ায় গিয়ে মাপ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না।

🔹 **রাধানাথ সিকদারের ভূমিকা কী ছিল?**

জরিপ থেকে পাওয়া কোণ ও দূরত্বের তথ্যের সাহায্যে রাধানাথ সিকদার **ত্রিকোণমিতিক গণনা** করেন। পৃথিবীর বক্রতা, বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণসহ প্রয়োজনীয় সংশোধন বিবেচনায় নিয়ে Peak XV-এর উচ্চতা নির্ণয় করা হয়।

তাঁর হিসাব দেখায়, Peak XV-এর উচ্চতা প্রায় **২৯,০০০ ফুটের কাছাকাছি**—অর্থাৎ তৎকালীন ধারণার তুলনায় এটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। পরবর্তী যাচাই ও গণনায় উচ্চতাটি প্রায় **২৯,০০২ ফুট** হিসেবে প্রকাশিত হয়।

📐 **অর্থাৎ, পাহাড়ে না উঠেও কীভাবে?**
**দূরত্ব + কোণ পরিমাপ + ত্রিকোণমিতি + বৈজ্ঞানিক সংশোধন = শৃঙ্গের উচ্চতা**

এটাই ছিল সেই সময়ের ভূ-জরিপ বিজ্ঞানের অসাধারণ ক্ষমতা।

🔹 **তাহলে নাম ‘Mount Everest’ হলো কেন?**
শুরুতে শৃঙ্গটির কোনও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইংরেজি নাম ছিল না; জরিপে এটি **Peak XV** নামে চিহ্নিত ছিল।

১৮৫৬ সালে তৎকালীন Surveyor General **Andrew Scott Waugh** Peak XV-কে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হিসেবে ঘোষণা করার সময় তাঁর পূর্বসূরি **Sir George Everest**-এর সম্মানে শৃঙ্গটির নাম **Mount Everest** রাখার প্রস্তাব দেন।

George Everest ১৮৩০–১৮৪৩ সাল পর্যন্ত ভারতের Surveyor General ছিলেন এবং Great Trigonometrical Survey-এর গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। Survey of India-ও তাঁকে GTS-এর অন্যতম বিশিষ্ট সার্ভেয়ার হিসেবে উল্লেখ করে। ([Survey of India][2])

🔹 **একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য**

রাধানাথ সিকদার নিজে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেননি। আসলে তখন পর্যন্ত কেউই সেখানে আরোহণ করেননি। তাঁর কৃতিত্ব ছিল **দূর থেকে সংগৃহীত জরিপের তথ্যকে অসাধারণ গণিতের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে Peak XV-এর প্রকৃত উচ্চতা নির্ণয় করা।**

✨ আজ আমরা যে **Mount Everest** নামটি জানি, তার পেছনে রয়েছে বহু মানুষের দীর্ঘ জরিপ-পরিশ্রম; আর সেই বৈজ্ঞানিক গণনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নায়ক ছিলেন বাঙালি **রাধানাথ সিকদার**।

🙏 **শ্রদ্ধাঞ্জলি রাধানাথ সিকদার—
গণিতের শক্তিতে পর্বতজয়ী এক বাঙালি।**

📚 ** আরো এরকম নতুন নতুন তথ্য জানতে ফলো করুন Geography Corner - Read smartly পেজটিকে

🇳🇵 *নেপালের জন্য প্রার্থনা করুন* 🇳🇵প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত নেপালের সকল মানুষের নিরাপত্তা ও মঙ্গল কামনা করি।  🙏🙏
26/08/2026

🇳🇵 *নেপালের জন্য প্রার্থনা করুন* 🇳🇵
প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত নেপালের সকল মানুষের নিরাপত্তা ও মঙ্গল কামনা করি।
🙏🙏

🌊 ইতিহাস গড়ল Vanguard — সমুদ্রের তলায় মানুষের নতুন ঠিকানা!সমুদ্র গবেষণায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে Vanguard, যা ব্...
18/07/2026

🌊 ইতিহাস গড়ল Vanguard — সমুদ্রের তলায় মানুষের নতুন ঠিকানা!

সমুদ্র গবেষণায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে Vanguard, যা ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান DEEP-এর তৈরি একটি অত্যাধুনিক জলের নিচের গবেষণা আবাস। এটি যুক্তরাষ্ট্রের Florida Keys National Marine Sanctuary-এর Tennessee Reef এলাকায় প্রায় ১৭ মিটার (৫৬ ফুট) গভীরে স্থাপন করা হয়েছে।

🔹 এখানে একসঙ্গে ৪ জন Aquanaut (সামুদ্রিক গবেষক) টানা ৫–৭ দিন বা তারও বেশি সময় সমুদ্রের তলায় অবস্থান করে গবেষণা করতে পারবেন।

🔹 Saturation Diving প্রযুক্তির মাধ্যমে গবেষকরা বারবার উপরে-নিচে না উঠে দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্রের নিচে নিরাপদে কাজ করতে পারবেন।

🔹 এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রবাল প্রাচীর সংরক্ষণ, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য পর্যবেক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যতের গভীর সমুদ্র গবেষণাকে আরও উন্নত করা।

🌍 Vanguard কোনো স্থায়ী জলের নিচের শহর নয়; এটি একটি আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র। তবে এটি প্রমাণ করেছে যে, ভবিষ্যতে দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্রের তলায় মানুষের বসবাস ও গবেষণা বাস্তবে সম্ভব।



এরকম আরো নতুন নতুন তথ্য জানতে ভালো করুন Geography Corner - Read smartly পেজটিকে

 # 🌋 **যে আগ্নেয়গিরি একটি রাজধানী শহরকে নিশ্চিহ্ন করেছিল!****১৮ জুলাই ১৯৯৫** সালে ক্যারিবীয় সাগরের **মন্টসেরাট (Montse...
18/07/2026

# 🌋 **যে আগ্নেয়গিরি একটি রাজধানী শহরকে নিশ্চিহ্ন করেছিল!**

**১৮ জুলাই ১৯৯৫** সালে ক্যারিবীয় সাগরের **মন্টসেরাট (Montserrat)** দ্বীপে অবস্থিত **স্যুফ্রিয়ের হিলস (Soufrière Hills)** আগ্নেয়গিরি প্রায় **৪০০ বছর** সুপ্ত থাকার পর পুনরায় সক্রিয় হয়। এর মাধ্যমে শুরু হয় আধুনিক সময়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য আগ্নেয় দুর্যোগ।

পরবর্তী কয়েক বছরে ধারাবাহিক অগ্ন্যুৎপাতের ফলে দ্বীপের রাজধানী **প্লাইমাউথ (Plymouth)** আগ্নেয় ছাই, শিলা ও **পাইরোক্লাস্টিক প্রবাহ (Pyroclastic Flow)**-এর নিচে চাপা পড়ে সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত হয়ে যায়। ১৯৯৭ সালের বড় অগ্ন্যুৎপাতে **১৯ জনের মৃত্যু** ঘটে এবং দ্বীপের প্রায় **দুই-তৃতীয়াংশ বাসিন্দা** নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য হন।

বর্তমানে মন্টসেরাটের দক্ষিণাংশ **Exclusion Zone (নিষিদ্ধ এলাকা)** হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং পুরোনো রাজধানী প্লাইমাউথ আজও আগ্নেয় ছাইয়ের নিচে চাপা পড়ে আছে। প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্তমানে **Brades** থেকে পরিচালিত হয়।

# # # 📌 গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

* 🌍 **অবস্থান:** মন্টসেরাট, লেসার অ্যান্টিলিস, ক্যারিবীয় সাগর
* 🌋 **ধরন:** Stratovolcano (স্তরীভূত আগ্নেয়গিরি)
* 📅 **পুনরায় সক্রিয়:** ১৮ জুলাই ১৯৯৫
* 🏙️ **ধ্বংসপ্রাপ্ত রাজধানী:** Plymouth
* 🚫 **বর্তমান অবস্থা:** দক্ষিণাংশ এখনও নিষিদ্ধ

#আজকের_ভূগোল

এরকম আরো নতুন নতুন তথ্য জানতে ফলো করুন Geography Corner - Read smartly পেজটিকে

☂️ হাতে নয়, এবার আকাশে ভাসবে ছাতা!প্রযুক্তির জগতে আরও এক চমক! কানাডার এক প্রকৌশলী John Tse এমন একটি স্বয়ংক্রিয় উড়ন্ত...
06/07/2026

☂️ হাতে নয়, এবার আকাশে ভাসবে ছাতা!

প্রযুক্তির জগতে আরও এক চমক! কানাডার এক প্রকৌশলী John Tse এমন একটি স্বয়ংক্রিয় উড়ন্ত ছাতা (Autonomous Flying Umbrella) তৈরি করেছেন, যা ড্রোন প্রযুক্তি ও কম্পিউটার ভিশন (Computer Vision) ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর অবস্থান শনাক্ত করে নিজে থেকেই তার সঙ্গে সঙ্গে উড়ে চলে।

🌧️ বৃষ্টি হোক বা ☀️ তীব্র রোদ—এই স্মার্ট ছাতাটি ক্যামেরা ও সেন্সরের সাহায্যে ব্যবহারকারীকে অনুসরণ করে এবং মাথার ওপর অবস্থান বজায় রাখার চেষ্টা করে। ফলে হাতে ছাতা ধরে রাখার প্রয়োজন হয় না।

⚠️ তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: এটি এখনও একটি পরীক্ষামূলক (Prototype) প্রযুক্তি। এটি এখনো বাজারে বিক্রি হচ্ছে না এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য বাণিজ্যিকভাবে উন্মুক্ত নয়।

ভবিষ্যতে ব্যাটারির উন্নতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ড্রোন প্রযুক্তির আরও অগ্রগতির মাধ্যমে এমন স্মার্ট ডিভাইস আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠতে পারে।

💬 আপনি কি এমন একটি উড়ন্ত ছাতা ব্যবহার করতে চাইবেন?
আপনার মতামত জানান মন্তব্যে। 👇

#প্রযুক্তি #উড়ন্ত_ছাতা #বিজ্ঞান #নতুন_আবিষ্কার

এরকম আরো নতুন নতুন তথ্য জানতে ফলো করুন Geography Corner - Read smartly পেজটিকে

🌊 চিত্রকূট জলপ্রপাত — ভারতের নায়াগ্রাপ্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা চিত্রকূট জলপ্রপাত (Chitrakote Falls) ভারতের ছত্তিশগড়...
04/07/2026

🌊 চিত্রকূট জলপ্রপাত — ভারতের নায়াগ্রা

প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা চিত্রকূট জলপ্রপাত (Chitrakote Falls) ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যের বস্তার জেলায় Indravati River-এর উপর অবস্থিত। বিশাল অর্ধচন্দ্রাকৃতি (Horseshoe) জলপ্রপাত এবং বর্ষাকালে প্রবল জলপ্রবাহের জন্য এটি "ভারতের নায়াগ্রা" (Niagara of India) নামে সুপরিচিত।

🌿 এক নজরে

🔹 অবস্থান: Chhattisgarh-এর বস্তার জেলা।
🔹 নদী: ইন্দ্রাবতী নদী।
🔹 উচ্চতা: প্রায় ২৯ মিটার (৯৫ ফুট)।
🔹 প্রস্থ: বর্ষাকালে প্রায় ৩০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়, যা ভারতের অন্যতম প্রশস্ত জলপ্রপাত।
🔹 বর্ষার সময় জলপ্রবাহ সর্বাধিক হওয়ায় এর সৌন্দর্য কয়েক গুণ বেড়ে যায় এবং প্রায়ই জলকণায় রংধনুর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যায়।
🔹 চারপাশের সবুজ বনভূমি ও প্রাকৃতিক পরিবেশ একে মধ্য ভারতের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত করেছে।
🔹 সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় জলপ্রপাতের দৃশ্য বিশেষভাবে মনোমুগ্ধকর এবং আলোকচিত্রপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

#ভূগোল
এরকম আরো নতুন নতুন তথ্য জানতে ফলো করুন Geography Corner - Read smartly পেজটিকে ।

🌍 গঙ্গা বদ্বীপ (Ganges Delta) — বিশ্বের বৃহত্তম বদ্বীপ অঞ্চলনদীর পলি সঞ্চয়ের এক অনন্য সৃষ্টি—গঙ্গা বদ্বীপ। গঙ্গা, ব্রহ্...
02/07/2026

🌍 গঙ্গা বদ্বীপ (Ganges Delta) — বিশ্বের বৃহত্তম বদ্বীপ অঞ্চল

নদীর পলি সঞ্চয়ের এক অনন্য সৃষ্টি—গঙ্গা বদ্বীপ। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর বহন করে আনা বিপুল পরিমাণ পলির সঞ্চয়ে স্তরে স্তরে গড়ে উঠেছে পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ, যা ভারত ও বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।

🌿 সংক্ষেপে জেনে নিন

🔹 আয়তন প্রায় ১,০৫,০০০ বর্গকিলোমিটার।
🔹 বিশ্বের অন্যতম উর্বর কৃষি অঞ্চল; ধান, পাটসহ বিভিন্ন ফসলের জন্য বিখ্যাত।
🔹 দক্ষিণাংশে অবস্থিত Sundarbans—বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য এবং UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান।
🔹 এটি Royal Bengal Tiger-এর অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক আবাসস্থল।
🔹 নদী, খাল ও মোহনায় সমৃদ্ধ এই বদ্বীপ জীববৈচিত্র্য, মৎস্যসম্পদ ও নৌপরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
🔹 ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব এই অঞ্চলে তুলনামূলকভাবে বেশি।

প্রকৃতির দীর্ঘমেয়াদি ভূ-প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় গড়ে ওঠা গঙ্গা বদ্বীপ শুধু একটি ভূ-প্রাকৃতিক বিস্ময় নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার পরিবেশ, অর্থনীতি ও জীববৈচিত্র্যের এক অমূল্য সম্পদ।

#ভূগোল

এরকম আরও নতুন নতুন তথ্য জানতে ফলো করুন Geography Corner - Read smartly পেজটিকে

আজকে সকালে 15 জুলাই পর্যন্ত মর্নিং স্কুল যে অর্ডার টি বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেরোচ্ছিল তা ফেক  সরকারি ভাবে জানিয়ে দেওয়া হলো
29/06/2026

আজকে সকালে 15 জুলাই পর্যন্ত মর্নিং স্কুল যে অর্ডার টি বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেরোচ্ছিল তা ফেক সরকারি ভাবে জানিয়ে দেওয়া হলো

🎙️ আজকের বিশেষ দিন | Sunday Suspense-এর পথচলা📅 ২৮ জুন ২০০৯—এই দিনেই শুরু হয় বাংলা অডিও গল্পের এক নতুন অধ্যায়।🔸 প্রথম স...
28/06/2026

🎙️ আজকের বিশেষ দিন | Sunday Suspense-এর পথচলা

📅 ২৮ জুন ২০০৯—এই দিনেই শুরু হয় বাংলা অডিও গল্পের এক নতুন অধ্যায়।

🔸 প্রথম সম্প্রচার: Sunday Suspense
🔸 প্রথম গল্প: ‘সেপ্টোপাসের খিদে’
🔸 লেখক: সত্যজিৎ রায়
🔸 রহস্য, রোমাঞ্চ, গোয়েন্দা ও ভৌতিক গল্পকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছে এই অনুষ্ঠান।
🔸 অসাধারণ কণ্ঠাভিনয়, আবহসঙ্গীত ও সাউন্ড ডিজাইনের মাধ্যমে বাংলা অডিও স্টোরিটেলিংকে দিয়েছে নতুন পরিচয়।
🔸 আজও প্রতি রবিবার অসংখ্য শ্রোতার অপেক্ষার আরেক নাম—Sunday Suspense।

🎧 শুভ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, Sunday Suspense!
রহস্যের এই যাত্রা চলুক আরও বহু বছর।

#২৮জুন #বাংলাঅডিওগল্প #সত্যজিৎরায় #সেপ্টোপাসেরখিদে #রহস্য #বাংলাসাহিত্য
আরও নতুন নতুন তথ্য জানতে ফলো করুন Geography Corner - Read smartly পেজটিকে

💥⚡মিল্কিওয়ের বুকে লাল বিদ্যুতের নৃত্য — রেড স্প্রাইটের বিস্ময়!💥⚡🔴রাতের আকাশে মিল্কিওয়ের অপরূপ সৌন্দর্য ক্যামেরাবন্দী ...
25/06/2026

💥⚡মিল্কিওয়ের বুকে লাল বিদ্যুতের নৃত্য — রেড স্প্রাইটের বিস্ময়!💥⚡

🔴রাতের আকাশে মিল্কিওয়ের অপরূপ সৌন্দর্য ক্যামেরাবন্দী করতে গিয়ে তিনজন জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ফটোগ্রাফার সাক্ষী হলেন এক অবিশ্বাস্য ঘটনার। নিউজিল্যান্ডের আকাশে তাঁদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে রেড স্প্রাইট (Red Sprite)— বায়ুমণ্ডলের উচ্চস্তরে ক্ষণিকের জন্য জ্বলে ওঠা বিরল লাল আলোর ঝলকানি।

🔴নিউজিল্যান্ডের Ōmārama Clay Cliffs অঞ্চলে মিল্কিওয়ের ছবি তুলতে গিয়ে নিউজিল্যান্ডের ফটোগ্রাফার Tom Rae এবং স্পেনের Dan Zafra ও José Cantabrana এই বিরল দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করেন।

🔴সাধারণ বজ্রপাত যেমন মেঘ থেকে ভূমির দিকে নেমে আসে, রেড স্প্রাইট ঠিক তার উল্টো। এটি সৃষ্টি হয় বজ্রঝড়ের মেঘের অনেক ওপরে, প্রায় ৫০–৯০ কিলোমিটার উচ্চতায়। নিচে শক্তিশালী বজ্রপাতের ফলে উপরের বায়ুমণ্ডলে প্রবল বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি হয়। সেই বিদ্যুতের প্রভাবে নাইট্রোজেন অণুগুলো উত্তেজিত হয়ে ক্ষণিকের জন্য লাল আভা ছড়ায়, যা আমরা রেড স্প্রাইট হিসেবে দেখি।

🔴এই আলোকচ্ছটা মাত্র কয়েক মিলিসেকেন্ড স্থায়ী হয়, তাই খালি চোখে দেখা অত্যন্ত কঠিন। বিজ্ঞানীদের কাছে এটি যেমন গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তেমনি আকাশপ্রেমীদের কাছে প্রকৃতির এক বিস্ময়কর শিল্পকর্ম।

✨ প্রকৃতি আমাদের প্রতিনিয়ত মনে করিয়ে দেয়— মহাবিশ্ব এখনও অসংখ্য অজানা রহস্যে ভরা।

🌌⚡📸
এরকম আরও নতুন নতুন তথ্য জানতে ফলো করুন Geography Corner - Read smartly পেজটিকে

Address

Radhamoni
Tamluk
721649

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Geography Corner - Read smartly posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category