Saripur Tarak Smriti Primary School

Saripur Tarak Smriti Primary School This primary school is class Pp- v, we are struggling to do our Best.

Flood situation in our school area.
19/08/2026

Flood situation in our school area.

15/08/2026

80 years of Indian Independence celebrated by Saripur Tarak Smriti Primary School #2026

15/08/2026
  Saripur T. S primary school celebrated 80 years Indian Independence  #2026.
15/08/2026


Saripur T. S primary school celebrated 80 years Indian Independence #2026.

গঙ্গা নদীর মর্ত্যে আগমনের মূল ইতিহাসটি কয়েকটি ধাপে নিচে আলোচনা করা হলো:​১. স্বর্গীয় নদী হিসেবে গঙ্গা​পৌরাণিক মতে, গঙ্গা ...
24/06/2026

গঙ্গা নদীর মর্ত্যে আগমনের মূল ইতিহাসটি কয়েকটি ধাপে নিচে আলোচনা করা হলো:
​১. স্বর্গীয় নদী হিসেবে গঙ্গা
​পৌরাণিক মতে, গঙ্গা প্রথমে মর্ত্যে ছিলেন না, তিনি ছিলেন স্বর্গের নদী। একটি প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, ভগবান বিষ্ণুর বামন অবতারের পায়ের স্পর্শ থেকে এর সৃষ্টি, তাই একে 'বিষ্ণুপদী'-ও বলা হয়। পরবর্তীতে তিনি ব্রহ্মার কমণ্ডলুতে স্থান পান এবং স্বর্গেই প্রবাহিত হতেন।
​২. রাজা সগর এবং ৬০ হাজার পুত্রের কাহিনী
​ইক্ষ্বাকু বংশের প্রতাপশালী রাজা সগর একবার অশ্বমেধ যজ্ঞের আয়োজন করেন। দেবরাজ ইন্দ্র ঈর্ষান্বিত হয়ে যজ্ঞের ঘোড়াটি চুরি করে মহর্ষি কপিলের আশ্রমের পেছনে লুকিয়ে রাখেন। রাজা সগরের ৬০ হাজার পুত্র ঘোড়াটি খুঁজতে খুঁজতে কপিল মুনির আশ্রমে পৌঁছান এবং মুনিকে চোর ভেবে অপমান করেন। দীর্ঘ ধ্যান ভেঙে ক্রুদ্ধ হয়ে কপিল মুনি চোখ মেলতেই তাঁর ভেতরের ঐশ্বরিক তেজে সগরের ৬০ হাজার পুত্র পুড়ে ছাই হয়ে যান। তাদের অতৃপ্ত আত্মা মুক্তির জন্য কেবল স্বর্গের পবিত্র গঙ্গার জলের অপেক্ষা করছিল।
​৩. ভগীরথের কঠোর তপস্যা
​রাজা সগরের বংশের পরবর্তী রাজারা চেষ্টা করেও গঙ্গাকে মর্ত্যে আনতে পারেননি। অবশেষে সগরের বংশধর রাজা ভগীরথ তাঁর পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তির জন্য রাজ্য ত্যাগ করে হিমালয়ে গিয়ে কঠোর তপস্যা শুরু করেন। তাঁর তীব্র ভক্তি ও তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে দেবী গঙ্গা মর্ত্যে আসতে রাজি হন। কিন্তু সমস্যা দেখা দিল অন্য জায়গায়—গঙ্গার স্বর্গীয় স্রোতের তীব্র বেগ সহ্য করার ক্ষমতা পৃথিবীর ছিল না; গঙ্গা সরাসরি নেমে এলে পৃথিবী পাতালে তলিয়ে যেত।
​৪. মহাদেবের জটায় গঙ্গা ধারণ
​এই মহাজাগতিক সংকট থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে ভগীরথ দেবদেব মহাদেব শিবের আরাধনা করেন। শিব সন্তুষ্ট হয়ে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন। গঙ্গা যখন স্বর্গ থেকে অহংকার নিয়ে তীব্র বেগে নেমে আসছিলেন, তখন শিব তাঁর জটা (চুল) বিস্তার করে সেই প্রবল স্রোতকে মাথার চুলে আটকে দেন। গঙ্গা শিবের জটাজালের গোলকধাঁধায় বন্দি হয়ে শান্ত হন। এরপর শিব তাঁর জটার একটি বাঁধন আলগা করে গঙ্গাকে শান্ত ধারায় মর্ত্যে প্রবাহিত করেন। এই কারণে শিবের আরেক নাম 'গঙ্গাধর'।
​৫. জহ্নু মুনির ক্রোধ ও 'জাহ্নবী' নাম
​মর্ত্যে নেমে ভগীরথের রথের পেছন পেছন গঙ্গা যখন সমুদ্রের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন পথিমধ্যে ঋষি জহ্নুর আশ্রম তাঁর তীব্র স্রোতে ভেসে যায়। ক্রুদ্ধ হয়ে জহ্নু মুনি এক চুমুকে গঙ্গার সমস্ত জল পান করে নেন। ভগীরথ পুনরায় অনুনয়-বিনয় করলে মুনি শান্ত হন এবং নিজের কান দিয়ে গঙ্গাকে পুনরায় বের করে দেন। মুনির কান থেকে (যেন তাঁর কন্যা হিসেবে) নতুন জন্ম হওয়ায় গঙ্গার অপর নাম হয় 'জাহ্নবী'।
​৬. গঙ্গাসাগরে মিলন ও মুক্তি
​অবশেষে গঙ্গা কপিল মুনির আশ্রমে (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গাসাগর) পৌঁছান এবং রাজা সগরের ৬০ হাজার পুত্রের ভস্ম স্পর্শ করেন। গঙ্গার পবিত্র স্পর্শে ছাই হয়ে যাওয়া রাজপুত্রদের আত্মা মুক্তি লাভ করে ও স্বর্গে গমন করে। সাগর রাজার সন্তানদের উদ্ধারের জন্যই গঙ্গা সাগরে পতিত হন, তাই এই পবিত্র মিলনস্থলের নাম হয় 'গঙ্গাসাগর'।
​ভগীরথ থেকে 'ভাগীরথী': রাজা ভগীরথের একক প্রচেষ্টা এবং অসম্ভব মানসিক জোরের ফলেই গঙ্গা মর্ত্যে এসেছিলেন। এই কারণেই গঙ্গার প্রধান ধারাটির নাম 'ভাগীরথী'। আজও মানুষের যেকোনো অসাধারণ, অসম্ভব কঠিন ও আন্তরিক পরিশ্রমকে পৌরাণিক এই কাহিনীর স্মরণে "ভগীরথ প্রয়াস" বলা হয়ে থাকে।

।ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (মুখার্জি) (১৯০১ – ১৯৫৩) ছিলেন স্বাধীন ভারতের একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ...
20/06/2026

।ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (মুখার্জি) (১৯০১ – ১৯৫৩) ছিলেন স্বাধীন ভারতের একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ এবং প্রখর জাতীয়তাবাদী নেতা। ভারতের ইতিহাস এবং বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের গঠনে তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
​তাঁর জীবন ও অবদানের প্রধান দিকগুলি নিচে আলোচনা করা হলো:
​১. শিক্ষা ও শিক্ষাবিদ জীবন
​তরুণ উপাচার্য: তিনি মাত্র ৩৩ বছর বয়সে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকনিষ্ঠ উপাচার্য (Vice-Chancellor) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তাঁর কার্যকালে বাংলায় উচ্চশিক্ষার প্রসার এবং সিলেবাসে আমূল পরিবর্তন আনা হয়।
​শিক্ষানুরাগী: তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি.লিট (D.Litt) উপাধি পান এবং ব্যারিস্টারি পড়ার জন্য ইংল্যান্ডে যান। শিক্ষাক্ষেত্রে মাতৃভাষার ব্যবহারের পক্ষে তিনি সওয়াল করেছিলেন।
​২. পশ্চিমবঙ্গ গঠনে ঐতিহাসিক ভূমিকা
​১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের সময় যখন সমগ্র বাংলাকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তখন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন।
​তিনি যুক্তি দেন যে, ভারত যদি ধর্মীয় ভিত্তিতে ভাগ হয়, তবে বাংলার হিন্দুপ্রধান অংশটি ভারতের অংশ হওয়া উচিত। তাঁর এই দূরদর্শী ও দৃঢ় পদক্ষেপের ফলেই আজকের 'পশ্চিমবঙ্গ' রাজ্যটি ভারতের মানচিত্রে স্থান পেয়েছে।
​৩. রাজনৈতিক জীবন ও মন্ত্রীত্ব
​প্রথম কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা: স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর ক্যাবিনেটে তিনি শিল্প ও সরবরাহ মন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন।
​পদত্যাগ: ১৯৫০ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার 'লিয়াকত-নেহেরু চুক্তি'-র বিরোধিতা করে এবং পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) সংখ্যালঘু হিন্দুদের সুরক্ষায় নেহেরু সরকারের নীতির প্রতিবাদে তিনি মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
​জন সঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা: ১৯৫১ সালের অক্টোবর মাসে তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সহযোগিতায় 'ভারতীয় জন সঙ্ঘ' প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমান 'ভারতীয় জনতা পার্টি' (BJP)-র পূর্বসূরি।
​৪. কাশ্মীর আন্দোলন ও মহাপ্রয়াণ
​জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা (তৎকালীন ৩৭০ ধারা) এবং সেখানে যাওয়ার জন্য বিশেষ 'পারমিট' বা অনুমতির ব্যবস্থার তীব্র বিরোধী ছিলেন তিনি। তাঁর বিখ্যাত স্লোগান ছিল:
​"এক দেশে দুই প্রধান, দুই বিধান, দুই নিশান—চলবে না, চলবে না।"
​১৯৫৩ সালের মে মাসে তিনি পারমিট ছাড়াই কাশ্মীরে প্রবেশ করেন এবং সেখানে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৯৫৩ সালের ২৩ জুন শ্রীনগরে বন্দিদশায় রহস্যজনক পরিস্থিতিতে তাঁর মৃত্যু হয়।
​ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে আধুনিক ভারতের অখণ্ডতা এবং জাতীয়তাবাদের অন্যতম প্রধান স্থপতি হিসেবে স্মরণ করা হয়। তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ এবং দেশের প্রতি অবদান আজও ভারতীয় রাজনীতিতে গভীর প্রভাব বজায় রেখেছে।

বিশ্ব যোগা দিবস ২০২৬ উদযাপন।
15/06/2026

বিশ্ব যোগা দিবস ২০২৬ উদযাপন।

২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথম পার্বিক মূল্যায়নে সৃষ্টিশীলতা ও নান্দনিকতার বহিঃপ্রকাশ।
09/05/2026

২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথম পার্বিক মূল্যায়নে সৃষ্টিশীলতা ও নান্দনিকতার বহিঃপ্রকাশ।

Address

Saripur
Tamluk
721633

Opening Hours

Monday 10:45am - 4pm
Tuesday 10:45am - 4pm
Wednesday 10:45am - 4pm
Thursday 10:45am - 4pm
Friday 10:45am - 4pm
Saturday 10:45am - 4pm

Telephone

+917908026030

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saripur Tarak Smriti Primary School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Saripur Tarak Smriti Primary School:

Shortcuts

Share

Category