Taki Sishubitan Nursery & Primary School

Taki Sishubitan Nursery & Primary School School

যে শিশু উপহাস নিয়ে বাঁচে সে ভীরু হয়ে বড় হয়, যে শিশু সমালোচনার মধ্যে বড় হয় সে শুধু নিন্দা করতে শেখে, যে শিশু সন্দেহ...
03/10/2025

যে শিশু উপহাস নিয়ে বাঁচে সে ভীরু হয়ে বড় হয়, যে শিশু সমালোচনার মধ্যে বড় হয় সে শুধু নিন্দা করতে শেখে, যে শিশু সন্দেহের মধ্যে বড় হয় সে প্রতারণা করতে শেখে ,যে শিশু বিরোধিতার মধ্যে বড় হয় সে শুধু শত্রুতা করতে শেখে, যে শিশু স্নেহের মধ্যে বড় হয় সে ভালবাসতে শেখে ,যে শিশু উৎসাহ পেয়ে বড় হয় সে আত্মবিশ্বাসী হয়, যে শিশু সত্যের মধ্যে বড় হয় সে সুবিচার শেখে, যে শিশু প্রশংসার মধ্যে বড় হয় সে অন্যের গুণ ধারণ করতে শেখে, যে শিশু ভাগ করে খাওয়ায় অভ্যস্ত শিশু বিবেচক হয়, যে শিশু ধর্য্যের মধ্যে বড় হয় সে সহনশীল হয়।

বাচ্চা আত্মনির্ভরশীল না হবার সবচেয়ে বড় কারণ কি?যেসব বাচ্চা একটু বড় হয়েও সব কিছুতে কারো সাহায্য চায়, নিজে নিজে কিছু ক...
31/08/2025

বাচ্চা আত্মনির্ভরশীল না হবার সবচেয়ে বড় কারণ কি?

যেসব বাচ্চা একটু বড় হয়েও সব কিছুতে কারো সাহায্য চায়, নিজে নিজে কিছু করতে চায় না তার মূল কারন হলো তাদের বাবা মায়েরা বাচ্চাকে আরো ছোট থাকতে সুযোগ করে দেননি ছোট ছোট সহজ কাজে বারবার চেষ্টা করতে, ব্যর্থ হতে এবং আবার চেষ্টা করার।

আমি জানি, বাবা মা কেন বাচ্চাদের নিজের হাতে সব কাজ করতে দিতে চান না। কারন একটা জিনিস বাচ্চা বারবার চেষ্টা করছে কিন্তু পারছে না এটা বসে বসে দেখতে অনেক ধৈর্য্য লাগে, সময় বেশি লাগে, ঘর নোংরা হয়, এবং কাজ অনেক বাড়ে। তার থেকে সহজ ঝটপট বাচ্চার সব কাজ করে দেয়া।

তারপর ধরেন বাচ্চার বয়স পাঁচ ছয় হয়ে গেল, তারপর শুনবেন কথা, এখনও জুতা পরতে পারে না? এখনও খাইয়ে দেওয়া লাগে? এখনও ঘর গোছায় না!

কিভাবে পারবে? আপনি কি আরো ছোট থাকতে তাকে বারবার চেষ্টা করা আর ফেইল করার সুযোগ দিয়েছিলেন? ব‍্যার্থ না হলে মানুষ শেখে? কোনরকম প্রাকটিস ছাড়া পাঁচ বছর হলেই বাচ্চারা অলৌকিকভাবে ইনডিপেনডেন্ট হয়ে যায়?

দুই বছর বয়সে বাচ্চা এক গ্লাস পানি নিজে নিজে ঢালার আগে ১০ গ্লাস পানি তাকে আগে ফেলতে হবে এবং সেই পানি আপনাকেই পরিষ্কার করতে হবে নাহলে সারাজীবন পানি ঢেলে বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে। তখন দোষারোপ করতে পারবেন না যে এত বড় হয়েছিস এখনও পানি ঢেলে খেতে পারিস না, কারন আপনি ছোট থাকতে তাকে পানি ঢালার স্বাধীনতা দেন নি, কাজেই বড় হলে সে পারলেও আর করবে না, হা করে আপনার আশায় বসে থাকবে!

ঘরের কাজ করা, নিজের কাজ করা লাইফ স্কিল, এগুলি প্রাকটিস না করলে আপনি আশা করতে পারেন না যে বয়স হলেই নিজে নিজে পারবে বা পারলেও করতে চাইবে।

এই জন্য বাড়িতে আমি আমার বাচ্চাদের বয়সোপযোগী সব কাজে সুযোগ দেই। ওরা পানি ঢালতে গিয়ে সব টেবিলে ফেলে, ওরা ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে আরো নেংরা করে, কাপড় পরতে অনেক সময় লাগায় আর আমার কাজ অনেক বেশি বাড়ায়।তবুও ওরা ব‍্যার্থ হয়ে হয়ে সফল হবার সুযোগ পায়। কারন বাড়িতে বসে ফেইল করলেও কেউ জাজ করছে না কিন্তু একই কাজ যদি কোন রেস্তোরায়, স্কুলে বা মানুষের সামনে হঠাৎ করতে বলা হয় তখন বাচ্চারা নার্ভাস হয়ে যায় যদি আগের প্রাকটিস না থাকে।

বাড়িতে আত্মনির্ভরশীল হবার সুযোগ না পেলে বাচ্চারা নতুন কিছু করতে বললে হতবিহ্বল হয়ে যায়, আর সবকিছু তারা বাবা মা করে দেবার জন্য অপেক্ষা করে। আবার অনেক সময় লজ্জায় নিখুঁতভাবে করতে না পারার ভয়ে করেই না, অনেকের এই টাইপ জড়তা বড় হয়েও থাকে।

এই কারনে বাংলাদেশে অনেক মায়ের বুড়ো ধারি ছেলেরাও কুটোটি নাড়ে না, বিয়ের পরে তার থেকে বয়সে ছোট বউ এর ভরসায় হা করে থাকে!

আত্মনির্ভরশীলতা এমনি এমনি বয়স বাড়লেই গড়ে ওঠে না, আত্মনির্ভরতা তৈরী হয় ছোট ছোট হাতের ছাপে ঘর নোংরা করার মূহুর্তগুলোতে!

⭐আপনি নিজেকে চালাক নাকি বুদ্ধিমান মনে করেন? ভাবছেন এ আবার কি !! দুটি কি আলাদা নাকি? আজ্ঞে হ্যাঁ, যদি এর পার্থক্য না জানে...
19/08/2025

⭐আপনি নিজেকে চালাক নাকি বুদ্ধিমান মনে করেন? ভাবছেন এ আবার কি !! দুটি কি আলাদা নাকি? আজ্ঞে হ্যাঁ, যদি এর পার্থক্য না জানেন, তাহলে এই লেখাটা আপনার জন্য।

🤍শিশু জন্মের পর থেকেই তার শেখার প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রথমে সে দেখে, শোনে, অনুকরণ করে, তারপর ধীরে ধীরে নিজের ভেতরে একটি বোধ তৈরি করে। এই সময়ে আমরা যদি তাকে শুধু পড়াশোনার জ্ঞান দিই কিন্তু সঠিক মূল্যবোধ না দিই, তবে সে হয়তো পরীক্ষায় প্রথম হতে পারবে, কিন্তু জীবনের পরীক্ষায় হেরে যাবে। এখানেই আসে পার্থক্য—বুদ্ধিমত্তা আর চালাকির মধ্যে।

🤍বুদ্ধিমান মানুষ পরিস্থিতি বোঝে, সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়, নিজের জ্ঞানকে মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করে। তার কাছে নীতি-নৈতিকতা, সততা, এবং সহানুভূতি অগ্রাধিকার পায়।
অন্যদিকে চালাক মানুষ নিজের স্বার্থকে কেন্দ্র করে কাজ করে। প্রয়োজন হলে মিথ্যা বলে, অন্যকে ঠকায়, নিয়ম ভেঙে এগিয়ে যায়। হয়তো শুরুতে সে সফল দেখায়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সেই সাফল্য টেকে না।

🤍একটি চারাগাছ যেমন সোজা থাকতে হলে প্রথম থেকেই খুঁটি দিতে হয়, তেমনি শিশুর চরিত্র গঠনের ক্ষেত্রেও ছোটবেলা থেকেই সঠিক শিক্ষা প্রয়োজন। শিশুর মস্তিষ্ক তখন নরম মাটির মতো—যে ছাঁচে গড়া হবে, সে রকমই হয়ে যাবে।

🤍যদি আমরা তাকে কেবল প্রতিযোগিতায় জেতার শিক্ষা দিই, তাহলে সে “জেতার জন্য যেকোনো কিছু করা” শিখে ফেলবে। আর যদি আমরা তাকে ন্যায়-অন্যায়, সৎ-অসৎ, সহানুভূতি ও নীতির শিক্ষা দিই, তবে সে জীবনে বুদ্ধিমানও হবে, মানুষের চোখে সম্মানও পাবে।

কীভাবে আপনার সন্তানকে শেখাবেন “বুদ্ধিমান হও, কিন্তু চালাক নয়”

1. নিজে উদাহরণ হন: বাবা-মা যা বলেন তার চেয়ে যা করেন, শিশু সেটাই দ্রুত শিখে। আপনি যদি সততা মেনে চলেন, সে-ও শিখবে।

2. অন্যের অনুভূতি বোঝাতে সাহায্য করুন: ছোট ছোট ঘটনার মাধ্যমে বোঝান, “তুমি যা করলে, এতে অন্যজন কেমন লাগল?”—এতে সহানুভূতির বীজ গজাবে।

3. শুধু জ্ঞান নয়, প্রজ্ঞার শিক্ষা দিন: বইয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি তাকে জীবনঘনিষ্ঠ গল্প শোনান, যেখানে সৎ চরিত্র শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়েছে।

4. স্বাধীনভাবে ভাবতে শেখান: সবকিছু বলে দেওয়ার বদলে, তাকে প্রশ্ন করুন—“তুমি হলে কী করতে?”—এতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়বে।

5. সাফল্যের মানদণ্ড ঠিক করুন: শুধু নম্বর নয়, চরিত্র, আচরণ, ও দায়িত্ববোধকেও সাফল্যের মাপকাঠি হিসেবে ধরুন।

যে সন্তান বুদ্ধিমান কিন্তু নীতিবান, সে যেকোনো ক্ষেত্রে মানুষের আস্থা পাবে। ব্যবসায় সততার জন্য গ্রাহক বাড়বে, চাকরিতে বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য পদোন্নতি আসবে, আর ব্যক্তিগত জীবনে স্নেহ ও সম্মান মিলবে।

চালাক কিন্তু অসৎ মানুষ হয়তো এক-দুইবার সবাইকে ফাঁকি দিতে পারবে, কিন্তু একসময় সবার কাছে ধরা পড়বে, আর তার ওপর থেকে বিশ্বাস সন্তানকে বড় করতে গেলে আমরা সবাই চাই সে সফল হোক। কিন্তু সাফল্যের সাথে যদি সম্মান না থাকে, সেই সাফল্যের দাম খুব কম। তাই তাকে শেখান—বুদ্ধি ব্যবহার করো মানুষের উপকারে, কৌশল নয় কারো ক্ষতিতে।

বুদ্ধিমান হও, কিন্তু চালাক নয়—এই শিক্ষা যদি শিশুর হৃদয়ে ঢুকিয়ে দিতে পারেন, তবে তার জীবন শুধু সমৃদ্ধই নয়, সম্মানিতও হবে।
@কালেক্টেড

#বুদ্ধিমান #চালাকনয় #সন্তানশিক্ষা #নৈতিকশিক্ষা #জীবনশিক্ষা

এটি একটি সতর্কবার্তা পোস্ট। আমি যখন এই পোস্টটা করছি তখনই আমার শরীর হাত পা কাপছিল। দয়া করে যাদের ছোট বাচ্চা আছে তারা এই ...
16/08/2025

এটি একটি সতর্কবার্তা পোস্ট।
আমি যখন এই পোস্টটা করছি তখনই আমার শরীর হাত পা কাপছিল। দয়া করে যাদের ছোট বাচ্চা আছে তারা এই ক্যান্ডি টা কখনোই বাচ্চাকে দেবেন না এই ক্যান্ডি টা খুবই আঠালো ।

আজকে যে ঘটনাটা ঘটেছে সেটা হচ্ছে আমার মেয়ের সাথে এই ক্যান্ডিটা সে খেয়েছে খাওয়ার পর আমি যেটা নোটিশ করছি
সেটা হচ্ছে সে কথা বলছিল না চুপ করে ছিল এবং সে প্রচুর ঘাম ছিল ,তখন আমি তাকে মানে জিজ্ঞেস করছিলাম ,বাবা তোমার কি হয়েছে সে কিছু বল ছিল না ।
সে হাউমাউ করে কেঁদে উঠেছে কাদার কারণ কি নিঃশ্বাস নিতে পারছিল না
এবং বারবার বলছিল তার গলায় কিছু একটা আটকে গেছে।
তখন আমার ছোট ছেলেটা আমার কোলে ছিল মানে আমি কি করবো বুঝতে পারছিলাম না
সে লিটারালি চোখ বড় করে ঘাম ছিল। তারপর আমি আমার ছেলেকে খাটের উপর রেখে আমার মেয়েকে উঠিয়ে আমার সর্বশেষ শক্তি দিয়ে প্রেস করি। তারপর বলে তার টয়লেটে ধরেছে ধরেছে
টয়লেটে বসে সে ঘামতেছিল
তখন মেয়েটা আমাকে বলল , মা আমি আর ভাইকে দেখতে পারবো না ,তার এই কথা শুনে আমার হাত-পা সব কাপছিল বুঝতে পারছেন মানে তার কি পরিমাণ খারাপ লাগতেছে
আমি তাকে তাড়াতাড়ি করে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার জন্য বের হই রাস্তায় আমার পরিচিত একজনের সাথে দেখা হয়েছে।
সে আমাকে জিজ্ঞেস করল কি হয়েছে? আমি তাকে বলার পরে সে বলল যে একটু শান্ত হও। তুমি ওকে একটা কলা খাওয়াও দেখো খাওয়ার পরেও খেতে পারে কিনা।

তারপর ওকে আমি কলা দিলাম। দেওয়ার পরেও খেতে পারলো তখন জিজ্ঞেস করলাম যে বাবা এখন ভালো লাগছে ও বলছে যে হ্যাঁ মা তুমি আমাকে প্রেস করেছো তখনই আমার ভালো লাগতেছে।যাইহোক কলাটা খাওয়ার পরে
ভালো লাগছিল মানে তার ওইটা সম্ভবত নেমে গেছে এবং আমি তাকে প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়াই।

দয়া করে কেউ কারো বাচ্চাকে এই ক্যানডিডা দেবেন না যাক ভগবান তাকে সুস্থভাবে আমার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন ।
আপনারা সবাই সবাই সতর্ক থাকবেন।

বর্তমান সময় দেখবেন চায়নারা এমন কিছু নেই বের করেনি
বিভিন্ন আকারের চকলেট খেতে খুবই বাজে লাগে আর এগুলো সবই কেমিক্যালে ভরপুর দামও অনেক বেশি
বাচ্চাদেরকে খাওয়াইতে মনে চাইলে ডার্ক চকলেট খাওয়াবেন ভালো দেখে।
বাচ্চারা কান্না করবেই না দিলে কান্না করলে ম*রে যায় না এটা মনে রাখবেন. আমি আপনাদেরকে কষ্ট দেওয়ার জন্য বলছি না একদম বাস্তবতা থেকে বলছি 😊

-সংগৃহীত

15/08/2025

🧡🤍💚

যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, তাদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা। স্বাধীনতার এই আনন্দময় দিনে, আসুন আমরা দেশ ...
15/08/2025

যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, তাদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।
স্বাধীনতার এই আনন্দময় দিনে, আসুন আমরা দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি আমাদের দায়িত্ব পালনের শপথ নিই।
দেশপ্রেমের আলোয় আলোকিত হোক সবার জীবন। স্বাধীনতা দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

ভারত মাতার সকল বীর সন্তানদের স্যালুট। এই দিনে তাদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করি। ঐক্য, শান্তি এবং সমৃদ্ধির বার্তা নিয়ে আসুক এই স্বাধীনতা দিবস। সকলকে জানাই শুভেচ্ছা।
ভারতবর্ষের গর্ব, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির প্রতি সম্মান রেখে আজ আমরা স্বাধীন।আসুন, এই দিনে দেশের জন্য কিছু ভালো কাজ করার শপথ গ্রহণ করি। পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি, তার মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। শুভ স্বাধীনতা দিবস!

*"শিশুকে রাগ দেখালে রাগ শিখবে, ভালোবাসা দেখালে ভালোবাসা।” এটা একটা লাইন না, এটা প্রতিটা শিশুর বেড়ে ওঠার সবচেয়ে বড় সত্য। ...
14/08/2025

*"শিশুকে রাগ দেখালে রাগ শিখবে, ভালোবাসা দেখালে ভালোবাসা।” এটা একটা লাইন না, এটা প্রতিটা শিশুর বেড়ে ওঠার সবচেয়ে বড় সত্য। আপনার বাচ্চা জেদ করে? খেয়াল করেছেন কখন জেদ বাড়ে?"*..........
!
— যখন ওর চাওয়া আপনি বারবার থামিয়ে দেন।
— যখন ওর আগ্রহকে আপনি “না” বলে চেপে দেন।
— যখন ওর চোখের সামনে আপনি রেগে যান।.........

শিশু তখন ভাবে,
🧠 "আমার কথা কেউ শোনে না"
🧠 "চিৎকার করলে, কান্না করলে, রাগ করলে তবেই সবাই শুনবে"........

👉 এভাবেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে জেদি স্বভাব, রাগী মন, অস্থির আচরণ। কিন্তু আপনি চাইলে এটা বদলাতে পারেন। শিশুরা কথা নয়, আচরণ দেখে শেখে ।
আপনি যেমন, সেও তেমন হবেই।"......
!
🔹 আপনি যদি তাকে সময় দেন — সে নিরাপত্তা শেখে
🔹 আপনি যদি তাকে ভালোবাসেন — সে ভালোবাসা দিতে শেখে
🔹 আপনি যদি ধৈর্য ধরেন — সে ধৈর্য শেখে
🔹 আপনি যদি তার আগ্রহে সাড়া দেন — সে আত্মবিশ্বাস পায়........

"একটা কথা মনে রাখবেন, না” বলাটা সহজ। কিন্তু “না”-এর জায়গায় ভালোভাবে বোঝানো শেখানো অনেক কঠিন — কিন্তু সবচেয়ে জরুরি।".....

🔸 শিশুর ইচ্ছে মানে তাকে উড়িয়ে দেওয়া না
🔸 ওর কৌতূহল মানে শাস্তি না
🔸 ওর চোখে জেদ মানেই রাগের জবাব না

"বরং বুঝিয়ে দিন, ধরিয়ে দিন, পাশে থাকুন।"...........

💥 তাহলে কী করবেন?
✔ কোন কিছু ধরলে না বলার পরিবর্তে বিকল্প কিছু দিন
✔ যতটা সম্ভব বাচ্চাকে ছোট ছোট সিদ্ধান্ত নিতে দিন
✔ সবকিছুতে না নয়, কিছু জিনিস বুঝিয়ে বলুন
✔ রেগে গেলে থামুন, কারণ আপনার রাগ ওর শেখার জায়গা
✔ প্রতিদিন অন্তত কিছুটা সময় রাখুন শুধু ওর জন্য
✔ ওকে বলুন: “তুমি গুরুত্বপূর্ণ”, “তোমার কথা আমি শুনি”, "তোমাকে আমি অনেক ভালবাসি "...........
💥 মনে রাখবেন, বাচ্চারা যা দেখে, তাই হয়। আপনি যদি শান্ত থাকেন, ভালোবাসা দেন — সে-ও তাই শিখবে।

💥 এই পোস্টটা সব মা-বাবার সঙ্গে শেয়ার করুন, যিনি হঠাৎ একটু রেগে যান হয় হয়তো এই লেখা তার মনটা নরম করে দেবে।".............
ঔষধ পরিচিতি ও ব্যবহার

গত বছরের স্মৃতি 💖
10/08/2025

গত বছরের স্মৃতি 💖

Address

Taki

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Taki Sishubitan Nursery & Primary School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category