31/10/2024
গত ২৮ শে অক্টোবর আমাদের বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন একটি বাচ্চা হটাৎ কেঁদে ওঠে ব্যাথায়।তাকে বার-বার জিজ্ঞেস করেও কিছুই জানা যাচ্ছিল না কোথায় তার সমস্যা হচ্ছে। সে নিজে মুখে কোনো কথা বলতেই পারছিল না।তাকে জল খাওয়ানো হয়,চোখে মুখে জল লাগানো হয় এবং শোয়ানো হয়।সে অন্য দিনের মতো আজ চশমাটা পড়ে আসতে ভুলে গিয়েছে এবং কোনক্রমে জানতে পারি সে তেমন কিছু খেয়েও আসেনি বাড়ি থেকে।সঙ্গে সঙ্গে তার বাড়িতে ফোন করে জানানো হয়।বাবা মা দুজনেই কাজে গিয়েছে আসতে একটু সময় লাগবে।আমরা দুজন শিক্ষক সাথে সাথে তাকে নিয়ে গাড়ি করে শিলিগুড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে এমার্জেন্সী ওয়ার্ডে ডাক্তারেরকাছে দেখায়।। ডাক্তারবাবু তাকে ভালো করে পরীক্ষা করেন।তার প্রেসার, পালস,শরীরের তাপমাত্রা ও অন্যান্য জিনিস দেখেন।না খেয়ে থাকার কারনে পেটে গ্যাস হয়েছে বলে ডাক্তারবাবু ওষুধ খেতে দেন আর তাকে কিছু হালকাখাবার দেবার জন্য বলেন।তাদের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে জল ও বিস্কুট দেওয়া হয়।প্রায় দুই ঘন্টা পরে তার মা ও মামা সেখানে আসেন। ততক্ষণে বাচ্চাটি কিছুটা সুস্থ বোধ করে। এই পর্যন্ত বাচচাটি ডাক্তারের তত্তাবধানেই ছিল। পরিবারের লোকের সাথে ডাক্তারের কথা বলানো হলে ডাক্তার বাবু তার মাকে বিষয়টা সম্পর্কে বুঝিয়ে বলেন ও অন্য বাচ্চার ডাক্তার দেখাতে বলেন।এরপর তাদের পরিবারের হাতে বাচ্চাটির দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে আমরা দুজন শিক্ষক বিদ্যালয়ে ফিরে আসি।পরে ফোনে জানতে পারি বাচ্চাটিকে বাচচাদের ডাক্তার দেখানো হয়েছে এবং সে বেশ ভালোই আছে। ধন্যবাদ জানাই সেই ডাক্তার বাবুকে ও অন্যান্য হাসপাতালের কর্মীদের যারা আমাদের এতটা সহযোগিতা করেছেন। ধন্যবাদ।