Happy Days Pre & Primary School
This page is about Happy Days School. the school aims at forming a strong base for education & other aspects of life amidst fun and folly.
A pre-school dedicated to strong foundation and all-round development for the little ones, preparing them for a brighter tomorrow.
26/07/2026
Monsoon season, Plantation season ,🌳🌿🍄🪴🌧️!
26/07/2026
After our two lokhhi sona (cute and lovely) daughters,we now have two lokhhi chhara (naughty and brat) sons to bring up 🤨
Jojo and Bujo watching tv together for news updates...
19/07/2026
🌧️🌩️⛈️🌧️🌩️⛈️🌳🌿🌳🪴🌿🪴🌳 *Report*
Monsoon festival 2026
The joyous Monsoon festival was celebrated by the Happy Days School on 18/07/26, Saturday.
The motive was to make the children feel
and enjoy the changes in the nature.
Teachers and students looked one with the nature in their green dresses.
Students brought seeds and saplings and planted them in the school premises.
They painted various season related posters.
They enjoyed popular monsoon snacks like fritters, popcorns, peanuts and fries.
The festival ended with the joyous dancing
on the enchanting rain song numbers and rhymes.
🌩️⛈️🌧️🌩️⛈️🌳🌿🌳🪴🌿🪴🌳🪴🌳
रिपोर्ट
वर्षा महोत्सव २०२६
२०२६ का वर्षा महोत्सव हैप्पी डेज़ स्कूल में हर्ष उल्लास के
साथ १८/०७/२०२६, शनिवार को मनाया गया।
बच्चे और शिक्षक हरे हरे सुन्दर पोषाकों में प्रकृति की हरियाली के साथ एक हो गए।
बच्चे अपने साथ लाए गए बहुत तरह पौधे और बीज लाए थे। टीचर्स के साथ बच्चों ने पौधारोपण किया।
उन्होंने विविध तरह के पोस्टर भी बनाए।
बरसात के प्रसिद्ध नाश्ता पकौड़े, भजिए, पौपकार्न, मुंगफली का नाश्ता का आनन्द सभी बच्चों ने दोने में भरकर साथ मिलकर उठाया।
उत्सव का समापन मनभावन बारिश के गीतों के साथ झूमकर धूम मचाकर हुआ।
🌩️⛈️🌧️🌩️⛈️🌳🌿🌳🪴🌿🪴🌳🪴🌿
17/10/2025
Glimpses of the Deepavali celebration at Happy Days School Ranchi on the 17/10/2025,Friday
17/08/2025
প্রবীণদের মধ্যে অনেকেই বলেন এখনো পর্যন্ত তিনি প্যারীচরণ সরকারের লেখা 'ফার্স্ট বুক 'এর চেয়ে ইংরাজি শিক্ষার জন্য ভালো বই দেখেননি। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই বলেন বাবা, ঠাকুরদার মুখে প্যারীচরণের এই ফার্স্ট বুকের কথা অনেক শুনেছি।
ঘটনা হল খোদ ইংরেজ আমলে প্যারীচরণের লেখা ইংরেজি বইপড়া ছাত্ররা হারিয়ে দিলেন সাহেবের লেখা বইপড়া ছাত্রদের। সে এক ঘোর বিপত্তি কলুটোলা ব্রাঞ্চ স্কুলের প্রধান শিক্ষক তখন এক ইংরেজ সাহেব,তিনি বাঙালি প্যারীচরণের লেখা ইংরেজি বই পাঠ্যতালিকাভুক্ত করতে আপত্তি করলেন,বেশ বাদানুবাদ হল,শেষে সিদ্ধান্ত হল ছাত্রদের মধ্যে ভাগাভাগি করে পড়ানো হবে সাহেবের লেখা বই ও প্যারীচরণের 'ফার্স্ট বুক'৷ জুনিয়ার বৃত্তি পরীক্ষায় ফলপ্রকাশের পর দেখা গেল সাহেবের বইয়ের বদলে যেসব পড়ুয়া বাঙালি প্যারীচরণের লেখা ইংরেজি 'ফার্স্ট বুক' পড়েছে তারা সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছে৷
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে
এককালে বাঙালির অক্ষর পরিচয় হত বাংলার নবজাগরণের প্রাণপুরুষ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের 'বর্ণ পরিচয়' দিয়ে,প্রায় একই সময়ে বাঙালির ইংরেজির সাথে প্রথম পরিচয় হয়েছে প্যারীচরণ সরকার মহাশয়ের 'ফার্স্ট বুক' দিয়ে৷কিংবদন্তি এই বই পড়ে রবি ঠাকুরেরও ইংরেজিতে হাতেখড়ি। ,গুণ বিচারে 'ফার্স্ট বুক'এর জয়জয়কার প্রতিষ্ঠিত হতে আর সময় লাগেনি৷পরবর্তী কালে এই বই এত জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং চাহিদা বৃদ্ধি পায় এদেশে প্যারীচরণের বই ছাপিয়ে কুলিয়ে ওঠা যেত না,বিলেত থেকেও ছাপিয়ে আনতে হত৷
****
সমাজে তখন বালিকাদের বিদ্যালয় গড়ে তোলা কার্যত দেশাচারবিরুদ্ধ কাজ। অথচ ইংরেজি ক্যালেন্ডারে ১৮৪৭ সাল,ভারতের স্বাধীনতার ঠিক একশো বছর আগে বারাসতে একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপিত হল। দুজন মানুষের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ওই বিদ্যালয় গড়ে ওঠে একজন প্যারীচরণ সরকার অপরজন কালীকৃষ্ণ মিত্র। সাহায্য করেছিলেন নবকৃষ্ণ ঘোষ। বালিকাদের বিদ্যালয় তৈরি করে মোটেও ভাল কাজ করা হয়নি,দেশাচারবিরুদ্ধ । অতএব বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতারা বারাসতে সমাজচ্যুত হলেন। শুধু তাই নয় নবকৃষ্ণ ঘোষ লিখেছেন এক সময়ে স্থানীয় জনৈক জমিদার সত্য সত্যই তাদের দেশাচার ও ধর্মবিরোধী তকমা দিয়ে ডাকাতদলের সাহায্যে হত্যার চেষ্টা করেছেন। আশার কথা প্রাণহানির আশঙ্কা সত্ত্বেও দুই বন্ধু বালিকা বিদ্যালয়টি তুলে দেওয়ার কথা মনেও আনেননি। কালীকৃষ্ণের অগ্রজ নবীনকৃষ্ণের কন্যা কুন্তীবালা এর প্রথম ছাত্রী।
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে
হেয়ার সাহেব জন্মসুত্রে ভারতীয় না হলেও বাংলায় শিক্ষাবিস্তারে তাঁর অবদান অপরিসীম,তিনি বাঙালির বড় আপনজন৷ কলুটোলা ব্রাঞ্চ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মহামতি হেয়ার সাহেব,১৮৪২সালে তিনি প্রয়াত হন,প্যারীচরণ ওই স্কুলে প্রধান শিক্ষকের পদে যোগ দেন ১৮৫৫সালে,কর্মরত ছিলেন আট বছর,প্রধানত প্যারীচরণের উদ্যোগে এই স্কুলের নাম পরিবর্তিত হয়ে হয় হেয়ার স্কুল৷ 'ফার্স্ট বুক' শুধু নয়,'ফার্স্ট গ্রামার' ও কয়েকটি ভুগোল বই প্যারীচরণ সরকার মহাশয় লিখেছিলেন,তবে বড়দের জন্য মাত্র একটি বই নাম 'The tree of intemperance' ,সমাজ সংস্কারের জন্য সর্বদা নিরলস ভাবে কলম চালিয়েছেন স্ত্রী শিক্ষার প্রসার ও হিন্দু বিধবা বিবাহের পক্ষে৷
স্বাধীনচেতা,স্পষ্টবক্তা প্যারীচরণ নিজের ব্যক্তিসত্তা ইংরেজদের কাছে বিকিয়ে দেন নি,যে কোনও শিক্ষিত ইংরেজের তুলনায় ইংরেজি সাহিত্য ও ভাষায় তাঁর ব্যুৎপত্তি ছিল অনেক বেশি৷ পাশ্চাত্য শিক্ষার আলোয় আলোকিত,ছিল উদার মন ও মনন,কিন্তু জীবনচর্যা,আচার-আচরণে ছিলেন খাঁটি বাঙালি৷ পৃথিবীর প্রথম আলো দেখা কলকাতার চোরবাগান অঞ্চলে ২৩জানুয়ারি ১৮২৩,পিতৃদেব ভৈরবচন্দ্র সরকার,আদিনিবাস হুগলি জেলার তড়াগ্রাম৷
ডেভিড হেয়ারের পটলডাঙ্গা ইংলিশ স্কুলে শিক্ষারম্ভ
হলেও পরে পড়াশুনা করেছেন হিন্দু কলেজে৷ছাত্র হিসেবে বরাবর অত্যন্ত মেধাবী,ক্যাপ্টেন রিচার্ডসন ছিলেন হিন্দু কলেজের অধ্যক্ষ,প্যারীচরণ তাঁর ইংরেজি ভাষার দক্ষতা গুণে রিচার্ডসনের প্রিয় ছাত্র হয়ে উঠেছিলেন,হিন্দু কলেজে প্যারীচরণ সরকার মহাশয়ের সহপাঠী ছিলেন জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুর,রাজনারায়ন বসু,চণ্ডীচরণ সেন প্রমুখ৷
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে
কর্মজীবন শুরু হয়েছিল হুগলির স্কুলে,পরে উত্তর ২৪পরগনা জেলার বারাসত গভর্নমেন্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষকের পদে যোগ দিলেন,অনেকগুলি বছর তিনি এখানে কর্মরত ছিলেন এবং শিক্ষাবিদ রূপে খ্যাতি লাভ করেন৷ বারাসতে শিক্ষকতা কালেই ১৮৪৭সালে নবীনকৃষ্ণ ও কালীকৃষ্ণ মিত্রের সহায়তায় নারী শিক্ষার প্রসারে ভারতীয়দের দ্বারা পরিচালিত প্রথম বেসরকারি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এখন 'কালীকৃষ্ণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়'নামে পরিচিত৷
১৮৬৩ বাঙালি শিক্ষাবিদ প্যারীচরণ সরকার প্রেসিডেন্সি কলেজে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের অস্থায়ী অধ্যাপক হিসেবে কাজে যোগ দিলেও ১৮৬৭সালে স্থায়ী হয়ে আমৃত্যু কাজ করেছেন,প্রেসিডেন্সি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রথম ভারতীয় অধ্যাপক তিনি। সুযোগ্য অধ্যাপক হিসেবে তাঁর খ্যাতি এতটাই প্রসারিত হয়েছিল বাইরে থেকে অনেক ছাত্র তাঁর ক্লাসে আসতেন৷ নারী শিক্ষা,বিধবা বিবাহের স্বপক্ষে যেমন তিনি বারবার সওয়াল করেছেন ঠিক তেমন ভাবে বিধবা বিবাহ প্রচারে তিনি ছিলেন বিদ্যাসাগর মহাশয়ের সহযোগী৷বাঙালির কাছে ইংরেজি শিক্ষাকে সহজ ভাবে পৌছে দিতে প্যারীচরণ সরকারের অবদান কে স্মরণ করি শ্রদ্ধায় কৃতজ্ঞতায়,একজন সমাজহিতৈষী মানুষ হিসেবে প্যারীচরণ সরকার মহাশয় বোধহয় শুধু বাঙালির নয় গোটা ভারতের গর্ব ৷
না সব কথা বলা শেষ হয়নি এখনও,১৮৬৬ সালের দুর্ভিক্ষের দিনগুলিতে। ওড়িশা এবং বাংলার নানা স্থান থেকে ক্ষুধার্ত মানুষের ঢল নেমেছিল সে দিন কলকাতার বুকে। প্যারীচরণ বাড়ির সামনে একটি আটচালা তৈরি করে ‘চোরবাগান অন্নছত্র’ নাম দিয়ে অন্নযজ্ঞ খুলে ছিলেন ।নানা জনের কাছ থেকে অর্থভিক্ষা করে, নিজের সাধ্যাতীত দানে টানা তিন মাস ধরে প্রায় এক লক্ষ দুর্ভিক্ষতাড়িত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিয়েছিলেন।
হিন্দু হস্টেল নামে ওই আবাস ভবনটির স্থাপয়িতা প্যারীচরণ সরকার, সে কথা আজকের দিনে ক’জনই বা জানেন! তিনি তখন হেয়ার স্কুলের প্রধান শিক্ষক। প্যারীচরণ শুধু বাঙালির গর্ব নন তিনি দেশেরও গর্ব। স্বাধীনতা দিবসে আমরা স্মরণ করি বিখ্যাত বাঙালি প্যারীচরণ সরকার মহাশয়কে যিনি খোদ ইংরেজ আমলে ইংরেজ শিক্ষককে হারিয়ে দিয়েছিলেন। প্যারীচরণ সরকাররা আমাদের গর্ব, বাঙালির আত্মপরিচয়ের এক একটি স্তম্ভ।
বাঙালির ইংরেজি শিক্ষায় যুগে যুগে তিনি অনুপ্রেরণা ।
কলমে ✍🏻 অরুণাভ সেন।
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে
গ্রন্থঋণ নির্বাচিত জীবনী সমগ্র,নচিকেতা ঘোষ,করুণাসাগর বিদ্যাসাগর ইন্দ্রমিত্র, আনন্দবাজার অনলাইনে শুভাশিষ চক্রবর্তীর নিবন্ধ
21/06/2025
Celebration of World Yoga Day 2025 at Happy Days School, Ranchi
23/04/2025
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Kadru Road
Ranchi
834002
Opening Hours
| Monday | 8am - 5pm |
| Tuesday | 9am - 5pm |
| Wednesday | 9am - 5pm |
| Thursday | 9am - 5pm |
| Friday | 9am - 5pm |