22/03/2026
সকলের উপকারের জন্য শেয়ার করলাম
কুশমণ্ডির তরুণ প্রজন্মের জন্য একটা বড় খবর! 🚀📱
"কুশমণ্ডির ভাই-বোনেরা শোনো! আমাদের শহর দ্রুত এগোচ্ছে। কিন্তু আমাদের কাছে যদি সঠিক তথ্য না থাকে, তবে আমরা কি সত্যিই এগিয়েছি? না!
সবাইকে টেক্কা দিতে এবং আমাদের কুশমণ্ডিকে আরও স্মার্ট করে তুলতে আজই ডাউনলোড করুন ও শেয়ার করুন আপনাদের নিজের 'হ্যালো কুশমণ্ডি' অ্যাপ।
এই অ্যাপের শক্তি তোমার হাতে:
👨⚕️ কুশমণ্ডি হাসপাতালের সব অভিজ্ঞ ডাক্তারের নম্বর।
🚗 টোটো বা অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি নম্বর, যেকোনো সময়।
🛍️ স্থানীয় বাজার ও সব দরকারী সার্ভিসের তথ্য।
📡 শহরের সব স্মার্ট লাইফ ফিচার।
অ্যাপটি শুধুমাত্র একটি ডিরেক্টরি নয়, এটি আমাদের শহরের সম্মিলিত শক্তির প্রতিফলন।
তোমার কাছে একটা ছোট্ট চ্যালেঞ্জ:
অ্যাপটি ডাউনলোড করুন এবং আপনার সার্কেলের ১০ জন বন্ধুকে শেয়ার করুন। এক সাথে কুশমণ্ডিকে স্মার্ট ও স্মার্টার করে তুলি। কুশমণ্ডির ডিজিটাল ভবিষ্যৎ আমাদের তরুণদের হাতে!
আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের শহরকে ডিজিটাল কুশমণ্ডি হিসেবে গড়ে তুলি।
*প্লে স্টোর ডাউনলোড লিংক*:
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.malinsarkar.hellokushmandi
#স্মার্টকুশমণ্ডি #তরুণদেরশক্তি #কুশমণ্ডি #শেয়ারকরুন
16/10/2025
☆রায়গঞ্জ চিকিৎসকদের কাছে নাম লেখার জন্য ফোন নাম্বার☆
◆ফিজিসিয়ান◆
ডা:পি.এস দাস-৯৪৩৪২৪৭৫৫৪
ডা:সুশিল বিশ্বাস-৯৪৭৪৩২৭২৯২
ডা:বিশ্বজিৎ দাস-৭৩৮৪২১৪৯৭৩
ডা:তন্ময় পাল-৯৪৩৪২২০২৬৯
ডা:সুদেব সাহা-৯৪৩৪৪২৫৯১০
ডা:আব্দুস সালাম-৯৪৩৪৬২১৫১১
ডাঃ সুদীপ্ত সাহা-৯৭৩২২২০০২৫
◆অর্থপেডিক্স◆
ডা:অনিন্দ্য সরকার-৯৪৩৪১৪৫০৮৮
ডা:সঞ্জয় গুহ-৯৪৯৩৮৮৩৮৬৯ বিশ্বাস-৮৪৩৬৬১১০৬৭
ডা:গোপাল পদ্দার-৯৬৩৫২৬৯৫৯১
ডাঃ আসবাবুল হক- ৭৫৪৭৯৬৬৯৯২
◆ই.এন.টি◆
ডা:আর মাহাতো-৯৪৭৪৭২৯৮৫৫
ডা:অনুতোস মাইতি-৯৬১৪৭১১২৮২
ডা:এস পি দাস-৯৪৭৪৩৮৮২৫৩
ডা:শেখর ব্যানার্জী-৯৭৩৩৩১৪৪৫৭
◆স্কিন◆
ডা:তাপোস ভুঁইয়া-৯৪৩৪২৪৭৫১৬
◆জেনারেল সার্জেন◆
ডা: সঞ্জয় শেঠ-৯৭৩৩০৪৩৪৪৪
ডা:রাজা বসাক-৮৪৩৬৬০৫৯২৭
ডা:সোমনাথ চ্যাটার্জী-৯৪৩৪৩২৪৯৮৩
ডা:এস কে সারোগি-৯৯৩২১৯৪০২৫
◆চাইল্ড স্পেশালিস্ট◆
ডাঃ শম্ভু পাসমান- 70042 59390
ডাঃ পিঙ্কি বারই- 8759195358
ডা: ধীমান পাল- ৯৪৭৪৪৩৯৪৮৩
ডা: অসিত ব্যানার্জি- ৮৫১৫৯১৪৮২৮
ডা: রামকৃষ্ণ দাস- ৮৬৭০১২৯৭৩০
ডা: এন সি পাল- ৯৪৭৪৬৭২০৭১
ডা: নীলাঞ্জন মুখার্জি- ৯৯৩২৬৮১৯৭৩
ডাঃ এমআর আলী-৭৪৩২৯৮৮১১৭
◆ ডেন্টাল ◆
ডা:অশোক মন্ডল- ৯৬৫৩৪৬০৭৩০
ড:শুভম মানি- ৯৪৩৪২২০২৬৯
ডা: হীরক ঝা- ৯৮০০১০৯১৬৪
◆ গাইনোক্লজিস্ট◆
ডাঃ নিতু কুমারী- 7992233955
ডা:টি কে ঘোষ- ৯৯ ৩২৫১ ৭৮৩০
ডা:পি কে মন্ডল- ৯৭৩৫০২৫২১১
ডা: মলয় সাহা- ৯৭৭৫৪৯৩১৮০
ডা:রাজেশ গোপ-৮৪৩৬৬০৫৯২৭
ডা: চন্দনা পাত্র-৮৯৭২৬৯৭৭৭১
ডা: কে সি ব্যানার্জি-৯০০২৫৮৮১১২
ডা: উৎপল পাঁজা-৯৪৩৪৪৫ ৮৫৪৩
ডা:বিথি বিশ্বাস-৯৬০৯৯৬৩৫২৬
◆ চক্ষু বিশেষজ্ঞ ◆
ডা: কমল সরকার- ৮২৯৩৪৮২৭৩২
ডা: অসিত বিশ্বাস- ৯৪৭৫১০২৬৬০
ডাঃ সানা আহমেদ- ৬২৯৬৩৭০৪৬৫
☆☆☆☆বি:দ্র-নাম্বার গুলো খুবই প্রয়োজনীয়।তাই নিজে জানুন, অন্যকেও শেয়ার করে জানান।
👍🏻 প্রত্যেকের সুবিধার্থে - 🙏🙏🙏Collected
01/08/2025
📚 স্কুলে উপস্থিতি লেখার নতুন নিয়ম – জানুন সরকারি নির্দেশ! বিস্তারিত কমেন্টে
01/08/2025
২০০৩ সালের পর বড় সংশোধন - আপনার ভোটার আইডি আপডেট হয়েছে তো? বিস্তারিত কমেন্টে
03/04/2025
মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।
পুরো প্যানেল বাতিল ঘোষণা করা হলো।
1.২৬০০০ শিক্ষকের চাকরি বাতিল হল সেই পদে ২০১৬ সালে যারা ফর্ম ফিলাপ করেছিল তারা সকলে এবং যাদের চাকরি বাতিল হল তারা আবেদন করতে পারবে। নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া ৩ মাসের মধ্যে শুরু করতে হবে।
2.যাদের বয়স বেরিয়ে গেছে তাদের বয়সে ছাড় দেওয়া হবে যাতে পরবর্তী চাকরিতে বসতে পায়।*
3.যে সমস্ত চাকরিজীবীকে অযোগ্য হিসাবে চিহ্নিত করা গেছে তাদের পুরো টাকা ফেরত দিতে হবে।*
4.এই চাকরির আগে যারা অন্য চাকরি করতো তাদের সেই চাকরিতে 3 মাসের মধ্যে জয়েন করার সুযোগ করে দিতে হবে।
কোর্ট ও আর নিরপেক্ষ নয়। কোন বিশেষ রাজনৈতিক দলকে জমি প্রস্তুত করে দিতে এই রায়। অযোগ্যদের জন্য যোগ্যদের চাকরি বাতিল মানা যায় না। বেতন ফেরতের ক্ষেত্রে কোর্ট অযোগ্যদের চিহ্নিত করতে পারল কিন্তু চাকরি বাতিলের ক্ষেত্রে সেটা পারল না কেন?
31/08/2024
Notice for ICT Instractor
28/08/2024
বিভিন্ন সারের কাজ, অভাবজনিত লক্ষণ ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের কুফল।
সার সাধারণত গাছপালার বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে থাকে। বাংলাদেশের কৃষিতে মূলত ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপি, জিপসাম, জিংক সালফেট এবং বরিক এসিড বা বোরন সার ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এ সারগুলোর কাজ, ঘাটতি বা অভাবজনিত লক্ষণ,মাত্রা অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
ইউরিয়া সারের কাজঃ
ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সংবলিত রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলের জমিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪৬%। ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তাররে সহায়তা করে থাকে। গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কান্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে। ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে। কুশি উৎপাদনসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। উদ্ভিদের শর্করা ও প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও গাছের অন্যান্য সব আবশ্যক উপাদানের পরিশোষণের হার বাড়িয়ে থাকে।
নাইট্রোজেনের অভাবজনিত লক্ষণঃ
মাটিতে নাইট্রোজেন পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি বা অভাব দেখা দিলে ক্লোরোফিল সংশ্লেষণের হার অনেকাংশে কমে যায়। ফলে গাছ তার স্বাভাবিক সবুজ রং হারিয়ে ফেলে। এছাড়াও পাতার আকার ছোট হয়ে শাখা প্রশাখার বৃদ্ধি হ্রাস পেয়ে গাছ খাটো হয়ে যায়। পাতার অগ্রভাগ থেকে বিবর্ণতা শুরু হয় এবং বৃন্ত ও শাখা প্রশাখা সরু হয়ে যায়। গোলাপি অথবা হালকা লাল রঙের অস্বাভাবিক বৃন্ত হয়। পুরাতন পাতার মধ্যশিরার শীর্ষভাগ হলুদাভ-বাদামি বর্ণ ধারণ করে পাতা অকালেই ঝরে পড়ে। ফুল ও ফলের আকার কিছুটা ছোট হয়ে ফলন কমে যায়।
ইউরিয়া বেশি মাত্রায় প্রয়োগের ফলাফলঃ
ইউরিয়া সারের প্রয়োগ মাত্রা বেশি হলে গাছ দুর্বল হয়ে যায়। গাছে ফুল ও ফল উৎপাদন কিছুটা বিলম্বিত হয়ে যায়। এছাড়াও পোকামাকড় ও রোগ আক্রমণের পরিমাণ বেড়ে যায়। অনেক সময় পাতার অংশ ভারি হয়ে গাছ হেলে যায়। অতিরিক্ত নাইট্রোজেন প্রয়োগের কারণে অনেক ফল পানসে হয়ে যায়।
টিএসপি, ডিএপি বা ফসফেট জাতীয় সারের কাজঃ
টিএসপি (ট্রিপল সুপার ফসফেট) ও ডিএপি (ডাই এ্যামোনিয়াম ফসফেট)ঃ
এই দুটোই হলো ফসফেট জাতীয় রাসায়নিক সার। এই সার দুটোতে শতকরা ২০ ভাগ ফসফরাস থাকে। টিএসপিতে শতকরা ১৩ ভাগ ক্যালসিয়াম এবং ১.৩ ভাগ গন্ধক রয়েছে। ডিএপিতে ফসফেট ছাড়াও ১৮% নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে যার কারণে ডিএপি সার প্রয়োগ করলে বিঘা প্রতি ৫ কেজি ইউরিয়া সার কম দিতে হয়।
ফসফরাস জাতীয় সার কোষ বিভাজনে অংশগ্রহণ করে। শর্করা উৎপাদন ও আত্তীকরণে সহায়তা করে। গাছের মূল বা শিকড় গঠন ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। গাছের কাঠামো শক্ত করে গাছকে নেতিয়ে পড়া থেকে রক্ষা করে থাকে। ফলের পরিপক্কতা ত্বরান্বিত করে থাকে। ফুল, ফল ও বীজের গুণগত মান বাড়াতে সহায়তা করে থাকে।
ফসফরাসের ঘটতিজনিত লক্ষণঃ
মাটিতে ফসফরাসের ঘাটতি দেখা দিলে কাণ্ড ও মূলের বৃদ্ধি হ্রাস পায়। গাছের শাখা প্রশাখা কুণ্ডলিকৃত বা পাকানো হয়ে যায়। গাছের পুরোনো পাতা অসময়ে ঝরে পড়ে। ফুলের উৎপাদন, পার্শ্বীয় কাণ্ড এবং কুড়ির বৃদ্ধি অনেকাংশে কমে যায়। পাতার গোড়া রক্তবর্ণ বা ব্রোনজ রং ধারণ করে থাকে। পাতার পৃষ্ঠভাগ নীলাভ সবুজ বর্ণ ধারণ করে এবং পাতার কিনারে বাদামি বর্ণ হয়ে শুকিয়ে যায়। এছাড়াও গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়।
ফসফরাসের মাত্রা বেশি হলেঃ
ফসফরাস প্রয়োগের পরিমাণ বেশি হলে ফলন কমে যায়। গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং অকাল পরিপক্বতা পরিলক্ষিত হয়।
এমপি সার বা পটাশ সারের কাজঃ
এমওপি বা মিউরেট অব পটাশ সারে শতকরা ৫০ ভাগ পটাশিয়াম থাকে। এমওপি উদ্ভিদ কোষের ভেদ্যতা রক্ষা করে। উদ্ভিদে শর্করা বা শ্বেতসার দ্রব্য পরিবহনে সহায়তা করে। লৌহ ও ম্যাংগানিজের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। উদ্ভিদে প্রোটিন বা আমিষ উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে। উদ্ভিদে পানি পরিশোষণ, আত্তীকরণ ও চলাচলে অর্থাৎ সার্বিক নিয়ন্ত্রণে অংশগ্রহণ করে। গাছের কাঠামো শক্ত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নাইট্রোজেন ও ফসফরাস পরিশোষণে সমতা বজায় রাখে।
এমওপি সারের ঘাটতিজনিত লক্ষণঃ
গাছে পটাশ সারের ঘাটতি দেখা গেলে পুরাতন পাতার কিনারা থেকে বিবর্ণতা শুরু হয়। পরে পাতার আন্তঃশিরায় বাদামি বর্ণের টিস্যু দেখা যায়। এছাড়াও পাতার উপরিভাগে কুঞ্চিত হতে বা ভাঁজ পড়তে থাকে। গাছ বিকৃত আকার ধারণ করে এবং গাছের ছোট আন্তঃপর্বসহ বৃদ্ধি কমে যায়। পরবর্তীতে প্রধান কাণ্ডটি মাটির দিকে হেলে পড়ে। গাছে পোকামাকড় ও রোগবালাইয়ের আক্রমণ বেড়ে যায়।
পটাশের পরিমাণ বেশি হলেঃ
জমিতে বা গাছে পটাশ প্রয়োগের পরিমাণ বেশি হলে ক্যালসিয়াম ও বোরনের শোষণ হার কমে যায়। ফলে বোরনের অভাবজনিত লক্ষণ দেখা যায়। পানি নিঃসরণের হার কমে যায় এবং গাছের বৃদ্ধি অস্বাভাবিকভাবে হ্রাস পায়।
জিপসাম সারের কাজঃ
জিপসাম সারে শতকরা ১৭ ভাাগ গন্ধক এবং ২৩ ভাগ ক্যালসিয়াম রয়েছে। জিপসাম বা গন্ধক প্রোটিন বা আমিষ উৎপাদনে সহায়তা করে। তেল উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। গন্ধক ক্লোরোফিল গঠনে ভূমিকা রাখে এবং গাছের বর্ণ সবুজ রাখতে সহায়তা করে। বীজ উৎপাদন এবং হরমোনের কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়তা করে।
জিপসামের অভাবজনিত লক্ষণঃ
মাটিতে গন্ধকের অভাব হলে গাছের সবুজ বর্ণ নষ্ট হয়ে কাণ্ড চিকণ হয়ে যায়। গাছের পাতা ফ্যাকাশে সবুজ বা হলুদ বর্ণ ধারণ করে থাকে।
জিপসাম প্রয়োগের মাত্রায় বেশি হলেঃ
জমিতে জিপসাম প্রয়োগের পরিমাণ বেশি হলে শিকড়ের বৃদ্ধি কমে যায়। ফলে গাছের শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম কমে যায়।
জিংক সালফেট সারের কাজঃ
সালফেট ( মনোহাইড্রেটে ) শতকরা ৩৬.০ ভাগ দস্তা এবং ১৭.৬ ভাগ গন্ধক রয়েছে। অপরদিকে জিংক সালফেট ( হেপটাহাইড্রেটে ) দস্তা ও গন্ধকের যথাক্রমে ২১.০ % এবং ১০.৫% রয়েছে। এছাড়াও চিলেটেড জিংকে ১০ % দস্তা রয়েছে। জিংক সালফেট (মোনোহাইড্রেট), জিংক সালফেট (হেপটাহাইড্রেট) সারের তুলনায় বেশি পরিমাণে মাটিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কোনো কোনো ফসলে স্প্রে করেও এটি প্রয়োগ করা যায়।
গাছে বিভিন্ন ধরনের হরমোন তৈরিতে দস্তা বা জিংক অংশগ্রহণ করে থাকে। ক্লোরোফিল উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে। ফসলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শিম জাতীয় সবজির ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ফলন বাড়িয়ে থাকে।
জিংকের অভাবজনিত লক্ষণঃ
মাটিতে দস্তার ঘাটতি দেখা গেলে গাছের পাতায় তামাটে বা দাগ আকারে বিবর্ণতা পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। পাতা ছোট হয়ে যায় এবং নতুন পাতার গোড়ার দিক হতে বিবর্ণতা দেখা যায়। বিশেষ করে আন্তঃশিরায় বিবর্ণতা বেশি দেখা যায়।
জিংক প্রয়োগের মাত্রা বেশি হলেঃ
জমিতে জিংকের পরিমাণ বেশি হলে গাছে বিষক্রিয়া তৈরি হয়। এছাড়াও অতিরিক্ত দস্তা প্রয়োগে আমিষ উৎপাদন ব্যাহত হয়।
বোরন সারের কাজঃ
বরিক এসিডে ১৭ % এবং সলুবোর বোরণে ২০% বোরণ থাকে। এটি গাছের কোষ বৃদ্ধিতে এবং পাতা ও ফুলের রং আকর্ষণীয় করতে সাহায্য করে। পরাগরেণু সবল ও সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। বীজ উৎপাদনে সাহায্য করে এবং চিটা হওয়া রোধ করে থাকে। বোরন গাছে ফুল ও ফল ধারণে সাহায্য করে এবং ফলের বিকৃতি রোধ সহায়তা করে।
বোরনের ঘাটতিজনিত লক্ষণঃ
বোরন সারের অভাবে গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং গাছে ফুল সংখ্যায় কম আসে। এছাড়াও গাছের অগ্রভাগ মরে যায়, কাণ্ড কালো বর্ণ ধারণ করে। শিকড়ের বৃদ্ধি কমে যায়। সবজি বা ফল গাছের ফুল ঝরা বেড়ে যায়। ফল আকারে ছোট হয় এবং ফেটে যায়। পেঁপে, কাঁঠাল, পেয়ারা ইত্যাদি ফলের আকার বিকৃত হয়ে অপরিপক্ক অবস্থায় ফল ঝরে যায়।
বোরন প্রয়োগের পরিমাণ বেশি হলেঃ
বোরণের প্রয়োগ মাত্রা বেশি হলে কচি পাতা এবং ডগা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফলন অনেক কমে যায়।
27/08/2024
আগামীকাল ২৮শে আগস্ট বন্ধে হাজিরার নির্দেশ
24/08/2024
রাজ্যের সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আবার মনে করিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে, ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিক বা দৈহিক ভাবে শাস্তি প্রদান নিষিদ্ধ।
#𝙽𝙾𝚃𝙸𝙲𝙴𝙱𝙾𝙰𝚁𝙳
23/08/2024
The police have launched a free travel scheme where any woman who is alone and cannot find a vehicle to go home between 10 pm and 6 am can contact the police helpline numbers (1091 and 7837018555) and request a vehicle. They will work 24x7 hours. The control room vehicle or the nearest PCR vehicle/SHO vehicle will take her safely to her destination. This will be done free of cost. Spread this message to everyone you know.
Send the number to your wife, daughters, sisters, mothers, friends and all the women you know.. Ask them to save it.. All men please share with all the women you know….
In case of emergency women can give *blank message or missed call*.. so that police can find your location and help you
*Applicable all over India*