26/06/2025
রাতে স্পৃহা নিজের ছোট্ট বিছানায় শুয়ে পড়েছে। জানালার পাশেই তার বিছানা। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেই চাঁদের মুখ।
আজ চাঁদ একেবারে গোল! যেন কাঁচের পিঠে আঁকা হাসিমুখ।
হঠাৎ স্পৃহা চোখ বড় বড় করে ডাকল —
👉 "মা... মা... শুনো না!"
মা এসে পাশে বসলেন, বললেন—
"কি হয়েছে মা?"
স্পৃহা জানালার দিকে তাকিয়ে বলল—
"চাঁদ রোজ রাতে আসে কেন? আর দিনে কোথায় থাকে? ক্লাস করে না ও?"
মা হেসে বললেন—
"চাঁদ তো একেবারে তোমার মতোই – মিষ্টি, গোলগাল আর কৌতূহলী। কিন্তু ওর কাজ হলো রাতের আঁধারে আলো ছড়ানো, তাই সে দিনে ঘুমোয়!"
স্পৃহা মুখে হাত চাপা দিয়ে বলল—
**"ওহ্! তাহলে ওরও টাইমটেবিল আছে!" 😄
নানি তখন পাশ থেকে হেসে বললেন—
"চাঁদ আসলে সূর্যের আলো ধার করে রাতে জ্বলে, জানিস তো? ও নিজে আলো দেয় না।"
স্পৃহা অবাক, বলল—
"মানে? ধার করে? এটা তো মজার! তাহলে চাঁদ একটা রিফ্লেক্টর?"
এই কথা শুনে মা বললেন—
**"দেখছো উজ্জ্বল স্যারের ছাত্রীর বুদ্ধি!" 😄
রাতের খাওয়া শেষ করে, স্পৃহা গিয়ে বাবার কোল ঘেঁষে বসল।
"উজ্জ্বল স্যার, আজকের প্রশ্ন: চাঁদ রোজ রাতে আসে কেন?"
বাবা বললেন—
"চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। আর পৃথিবীও সূর্যকে ঘোরে। চাঁদের নিজের আলো নেই, সে সূর্যের আলো ফেরত পাঠায়। যেদিন সূর্যের আলো বেশি পড়ে, সেদিন সে বেশি উজ্জ্বল। আর সেজন্যই রোজ একটু একটু করে চাঁদ বড় হয় বা ছোট হয় — একে বলে 'চাঁদের কলা'।"
স্পৃহা মুগ্ধ চোখে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল—
"চাঁদ তো বুঝি রাতের আলো-পাখি। সে রোজ আসে, মিষ্টি আলো নিয়ে।"
পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে স্পৃহা নতুন করে ভাবতে শুরু করল…
👉 "আমার চোখে তো সব মানুষ আলাদা আলাদা দেখায়, কেউ কালো, কেউ ফর্সা, কেউ লম্বা, কেউ ছোট… কেন সবাই একরকম হয় না?"
রাতে স্পৃহা নিজের ছোট্ট বিছানায় শুয়ে পড়েছে। জানালার পাশেই তার বিছানা। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেই চাঁদের মুখ। আজ ...