Majhihira National Basic Educational Institution

Majhihira National Basic Educational Institution

Share

Majhihira National Basic Educational Institution is a Gandhian educational institution established in 1940 by a group of freedom fighters.

About Majhihira Ashram
In "Hind Swaraj" in 1908 Gandhiji pointed out four defects of prevailing educational policy in India, that, "it does not make men of us; it is not for the millions; it is mainly false education and it has enslaved us". Since then he has been reflecting upon what should be correct educational policy for the country. In 1937 he invited eminent educationist of the country, both

Photos from Majhihira Ashram Vidyalaya's post 06/06/2025
07/09/2023

কিছুদিন ধরে মানবাজারের মানুষ পেটের রোগের সমস্যায় ভুগছে। বিশেষজ্ঞদের অভিমত পানীয় জলের কারনে এই সমস্যা। আমরা জানি মানবাজার শহরের বেশিরভাগ মানুষ সরকারি সাপ্লাইয়ের জল পানীয় জল হিসাবে ব্যবহার করে। যেটি দীর্ঘদিন ধরে কোনরকম পরিশোধন ছাড়াই নদী থেকে সরাসরি পাইপ লাইন দিয়ে আমাদের কাছে আসছে। উক্ত পাইপ লাইনটিও দীর্ঘদিনের পুরোনো। নানান কারনে পাইপগুলির কোনখানে ফাটল ধরেছে , কোনখানে বা ভেঙে পড়েছে,ফলে নর্দমার জলের সঙ্গে পাইপ লাইনের জল মিলে মিশে একাকার হয়েছে। ইদানীং বেশ কিছু কলের ট্যাপ দিয়ে নোংরা জল বেরিয়ে আসতেও দেখা গেছে। সবকিছু দেখেও বাধ্য হয়ে ঐ জলকেই পানীয় হিসাবে ব্যবহার করছে শহরের মানুষ ।যার ফলস্বরূপ যা হওয়ার তাই হচ্ছে, পেটের রোগের সমস্যায় ভুগছে শহরের প্রচুর বাচ্চা থেকে বুড়ো। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল এ বিষয়ে কারও কোন হেলদেল নেই। স্থানীয় প্রশাসন কিম্বা রাজনৈতিক দলগুলো,যারা ভোটের আগে মানবসেবার জন্য আকুলি-বিকুলি করে তারা সবাই চোখে পেট্টি বেঁধে ধৃতরাষ্ট্র সেজেছে। আবার মানবাজারের সাধারন মানুষজনও এ বিষয়ে অদ্ভুত ভাবে নীরব। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ বিষয়টি একটু গুরুত্ব দিয়ে দেখুন।কারন সবার পক্ষে অ্যাকোয়াগার্ড, RO - র জল পান করা বা বাজার থেকে মিনারেল ওয়াটারের বোতল কিনে পান করা সম্ভব নয়।নোংরা হলেও অনেকের কাছেই সাপ্লাইয়ের জলটাই হল একমাত্র পানীয় জল।

Majhihira Ashram - YouTube 09/01/2023

মাঝিহিড়া আশ্রমের সমস্ত কার্য্যক্রমের ভিডিও ও লাইভ প্রোগ্রাম দেখার জন্য আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব এবং শেয়ার করুন।

*Youtube Link*👇👇👇

Majhihira Ashram - YouTube About Majhihira AshramMajhihira was a remote and poor village in Manbhum region of Bihar (after the reorganization of states in 1956 it came under the newly ...

Photos from Majhihira Ashram Primary Teacher's Training Institute's post 06/04/2020
18/01/2020

আগামী ১৫/০২/২০২০ শনিবার আশ্রম প্রাঙ্গনে আশ্রমমাতা মালতী দাশগুপ্তার একটি আবক্ষ মর্মর মূর্তি প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। প্রাক্তন ও বর্তমান প্রশিক্ষার্থী ও কর্মীবৃন্দের কাছে সহভাগী হওয়ার জন্য সাধ্যমত আর্থিক সহযোগিতার প্রার্থনা রাখছি।

আর্থিক সহায়তা পাঠাবার ঠিকানা ঃ
MAJHIHIRA NATIONAL BASIC EDUCATIONAL INSTITUTION.
STATE BANK OF INDIA
MANBAZAR BRANCH
11678428398
IFSC CODE - SBIN0002085

25/12/2018

আজ শুভ বড়দিন। যিশুখ্রিষ্টের পবিত্র শুভ জন্মদিন।বড়দিন, ক্রিসমাস বা এক্সমাস যাই বলা হোক না কেন, ২৫ ডিসেম্বর মানেই অনেক অনেক অনন্দ আর ভালবাসা।আজকের এই শুভদিনে খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী শান্তিপ্রিয় সকলকে বড়দিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা। যিশুখ্রিষ্টের ত্যাগ ও মহিমায় সবার জীবন উজ্জ্বল হয়ে উঠুক, ত্যাগের শিক্ষা উজ্জীবিত করুক সকলকেই এই প্রত্যাশায়।

পবিত্র বড়দিন খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব।এই দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এই কারণে যে, শুধু মানুষকে পাপের বোঝা থেকে মুক্তি দিতে যীশুখ্রিষ্ট মহামানব হওয়া সত্বেও জন্ম নিয়েছিলেন ফিলিস্তিনের বেথেলহেমের এক জীর্ণ গোশালায়।

পৃথিবীতে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠাই যিশু খ্রিস্টের জীবনের মহান ব্রত ছিল।যিশু অনাহারক্লিষ্ট দুঃখী, নির্যাতিত ও গরিব মানুষের জীবনে শান্তি স্থাপন ও বিশ্বময় শান্তিপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় চেষ্টা চালিয়ে গেছেন।

“যারা তোমাদের জুলুম করে তাদের ক্ষতি চেয়ো না বরং ভাল চেয়ো। যারা আনন্দ করে তাদের সঙ্গে আনন্দিত হও;...যারা কাঁদে তাদের সঙ্গে কাঁদ। তোমাদের একের প্রতি অন্যের মনভাব যেন একই রকম হয়।…”

এই হলো যিশুখ্রিষ্টের মহান বাণী-এই মহান ব্রতকে তিঁনি লালন করেছেন।মাত্র ৩৬ বছর বয়সে তিঁনি স্বর্গবাসী হন, তিঁনি সারাটা জীবন মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করে গেছেন। উর্ধে তুলে ধরতে চেয়েছেন মানব আত্নার শ্রেষ্ঠত্বকে। মানুষে মানুষে বাঁধতে চেয়েছেন প্রেমের বাঁধন। যেখানেই মানুষ কষ্টে আছে, রোগে শোকে আছে, কুঃসংস্কারে পড়ে আছে, তিঁনি ছুটে গেছেন সেখানেই।যথাসাধ্য ভুলিয়ে দিয়েছেন মানুষের কষ্ট, রোগ শোক থেকে মুক্তি দিয়েছেন, মানুষের কষ্ট দেখে কেঁদে উঠেছে তাঁর মহৎ অন্তঃপ্রাণ। মানুষকে তিঁনি ভালোবাসতেন নিজের সন্তানের মত করে। মানুষকে দেখিয়েছেন সত্যিকারের মুক্তির পথ।

প্রতি বছর বড়দিন ফিরে আসে আমাদের মাঝে ভাতৃত্ব, ভালবাসা, সহমর্মিতা, উদারতা, কৃতজ্ঞতা-এই সব মানবিক গুণাবলির প্রকাশের মধ্যদিয়ে।সংযম, সহিষ্ণুতা, ত্যাগ ও ভালবাসার মধ্যদিয়েই আমরা স্মরণ করি এই মহান শ্রষ্টাকে।

সারা বিশ্বে, সাংস্কৃতিক ও জাতীয় ঐতিহ্যগত পার্থক্যের পরিপ্রেক্ষিতে বড়দিন উৎসব উদযাপনের রূপটিও ভিন্ন হয়ে থাকে।বড়দিনের উৎসব আয়োজনের চেহারা দেশে দেশে কালে কালে ভিন্নতা পায়।১৬ শতকে পর্তুগীজরাই অবিভক্ত বাংলায় খৃস্টধর্ম নিয়ে আসেন ।বাংলাদেশে প্রথম চার্চটি তৈরি হয় ১৫৯৯ সালে পুরাতন যশোরের কালিগঞ্জের কাছে সুন্দরবন এলাকায়। এই উপমহাদেশে কোলকাতার প্রতিষ্ঠাতা জোব চার্নকই প্রথম এই দিবসটি উদযাপন করেন। ১৬৬৮ সালে হিজলির পথে যাবার সময় সুতানুটি গ্রামে বড়দিন উৎসব পালনের জন্য তিনি যাত্রা বিরতি করেন। এই অঞ্চলে ইংরেজদের সেই প্রথম বড়দিন পালন।

বড়দিনের আগের দিনকে বলা হয় প্রাক বড়দিন।যদিও বড়দিনের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয় ২৪ ডিসেম্বর রাতেই কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বড়দিনের আমেজ শুরু হয়ে যায় ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকে আর চলে নতুন বছরের শুরুর প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত।বড়দিনের সবচেয়ে আকর্ষনীয় দিক হল ক্রিসমাস ট্রি সাজানো আর সবার প্রিয় শান্তা ক্লজের উপহার পাওয়া।

সবুজ ক্রিসমাস ট্রি সাজিয়ে তোলা হয় বর্ণিল সজ্জায়, নানা অর্নামেন্ট তার সঙ্গে থাকে টকটকে লাল রিবনে তৈরি বো, অথবা সান্তা ক্লজের লাল স্টকিংস, অথবা সান্তার মাথার লাল টুপি। গাছের গায়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় ছোট ছোট সুদৃশ্য ঘণ্টা, সান্তা ক্লজের এক জোড়া মোজা, সান্তার মাথার টুপি, হাতের দস্তানা, ক্যান্ডি কেইনসহ আরও কত কিছু। এ ছাড়া রাস্তাঘাট সাজানো হয় ছোট ছোট টুনি লাইট দিয়ে। টুনি লাইট দিয়ে বানানো হয় ক্রিসমাস ট্রি অথবা শান্তা ক্লজের আদল, এমন কি সান্তার সঙ্গে আসা রেইন ডিয়ার, ছোট ছোট এঞ্জেলও সাজানো হয়।

ক্রিসমাস ট্রি ছাড়া ক্রিসমাস উৎসবের সবচেয়ে বড় আইকন হচ্ছে শান্তা ক্লজ। শান্তা ক্লজ বলতে ছোট ছোট শিশুরা অজ্ঞান। তারা মনে করে, সান্তা ক্লজ বাচ্চাদের পরম বন্ধু, শান্তা ক্লজ খুব দয়ালু। ক্রিসমাসের সময় সুদূর উত্তর মেরু থেকে সান্তা বুড়ো তার পিঠে বাচ্চাদের জন্য উপহারের বোঝা নিয়ে আসে। প্রতি বাড়ি বাড়ি যায়, সে বাড়ির বাচ্চাটির জন্য উপহারটি রেখে দিয়ে চলে যায়।কোথায় যায় সান্তা? সান্তা কোথাও থামে না, পৃথিবীর যত শিশু আছে, তাদের প্রত্যেকের কথা সান্তা জানে। কাজেই সান্তাকে দৌড়ের উপর থাকতে হয়।

তবে ভাগ্য ভালো, সান্তা আসে শ্লেজ গাড়িতে চড়ে। নয়টি রেইন ডিয়ার চালায় সান্তার শ্লেজ। তাই ভারী শরীর নিয়ে সান্তাকে হাঁটতে হয় না। সান্তা এত মোটা কেন? এ প্রশ্ন যে কোনো বাচ্চাকে করা হলে খুব সহজে উত্তর দেয়,সবার বাড়িতে গিয়ে সান্তাকে 'দুধ আর কুকি' খেতেই হয়, তাই সান্তা অমন মোটা হয়ে গেছে। শিশু মনের আধুনিক উত্তর।

শুরুতে ক্রিসমাস শুধু খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা পালন করত। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীতে পৃথিবীর অন্য ধর্মাবলম্বীরাও ক্রিসমাসের আনন্দ উদযাপনে শরিক হয়। সান্তা ক্লজও তার ভুবনজয়ী 'হো' হো' হো' হাসি ছড়িয়ে পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত পর্যন্ত চষে বেড়ায়। ধর্ম-বর্ণ,জাতি-গোত্র নির্বিশেষে সব বাড়ির চিমনি বেয়ে রান্নাঘরে ঢুকে, ক্রিসমাস ট্রির নিচে বাড়ির বাচ্চাদের জন্য গিফট রেখে, তার জন্য সাজিয়ে রাখা দুধের গ্লাস এক চুমুকে সাবাড় করে দিয়েই আবার চিমনি দিয়ে বের হয়ে যায়। এভাবেই কোমলমতি শিশুদের মনে সান্তা উদারতা,মমতা, পরমতসহিষ্ণুতা, ভদ্রতা, অসাম্প্রদায়িকতা, সবাইকে ভালোবাসার মন্ত্রবীজ দিয়ে যায়।

ধর্ম যার যার উৎসব সবার। এই মহামন্ত্রকে সামনে রেখে সকলকে আবারও বড়দিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর শুভকামনা। প্রতিটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান আমাদের শিক্ষা দেয় মানবতার আর মূল্যবোধের। প্রতিটি ধর্মই আমাদের প্রকৃ্ত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার শিক্ষা প্রদান করে। জয় হোক বিশ্ব মানবতার, জয় হোক বিশ্ব ভাতৃত্বের।

শুভ বড়দিন

তথ্য সূত্র: বড়দিন-উইকিপিডিয়া

Want your school to be the top-listed School/college in Purulia?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Majhihira, Bamni-Majhihira Road
Purulia
723128