Education and Career

Education and Career

Share

16/11/2019

ফিরিয়ে দাও। 💔

11/11/2019

😊❤️

09/11/2019

দারুন সিদ্ধান্ত।
❤️ দাদা

09/11/2019

❤️

17/05/2019

● কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে
২৮,০০০ গুণ বেশি।
: ► প্রাণীদের মধ্যে বিড়ালই সবচেয়ে বেশি ঘুমায় (দৈনিক ১৮ঘন্টা)।
: ► একমাত্র স্ত্রী মশাই মানুষের রক্ত খায়।
: ► মাছি মিনিটে ৮ কিলোমিটার উড়তে পারে ।
: ► পুরুষ ব্যাঙই বর্ষকালে ডাকে, আর তা শুনে কাছে আসে স্ত্রী ব্যাঙ।
: ► হামিং বার্ড পাখি পিছনের দিকে উড়তে পারে ।
: ► গিরগিটি একই সময়ে তার চোখ
দুটি দুই দিকেই নাড়তে পারে।
: ► টিকটিকি এক সঙ্গে ৩০টি ডিম পাড়ে ।
: ► মাছ চোখ খোলা রেখে ঘুমায়।
: ► একমাএ পিঁপড়াই কোনদিন ঘুমায় না।
: ► সিডকা পোকা একটানা ১৭ বছর
মাটির নিচে ঘুমায়। তারপর মাটি থেকে বেড়িয়ে এসে
চিৎকার করতে করতে ৩ দিনের মাথায় মারা যায়।
: ► সিংহের গর্জন ৫ মাইল দূর থেকেও শোনা যায়।
: ► অনেকের ধারণা হাঙ্গর মানুষকে হাতের কাছে পেলে মেরে ফেলে। কিন্তু মানুষের হাতেই বেশী হাঙর মারা পড়েছে।
: ► কাচ আসলে বালু থেকে তৈরী।
: ► আপনি প্রতিদিন কথা বলতে গড়ে ৪৮০০টি শব্দ ব্যবহার করেন। বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করে দেখতে
পারেন।
: ► আপনি ৮ বছর ৭ মাস ৬ দিন একটানা চিৎকার করলে যে পরিমান শক্তি খরচ হবে তা দিয়ে এক কাপ কফি অনায়েসে বানানো যাবে।
: ► একটি রক্ত কনিকা আমাদের পুরো দেহ ঘুরে আসতে সময় নেয় ২২ সেকেন্ড।
: ► আপনার যদি একটা তারকা গুনতে ১ সেকেন্ড সময় লাগে তাহলে একটি গ্যালাক্সির সব তারকা গুনতে সময় লাগবে প্রায় ৩ হাজার বছর।
: ► অনেকের ধারণা শামুকের দাঁত নেই। অথচ শামুকের ২৫ হাজার দাঁত আছে।
:▬► চোখ খুলে হাঁচি দেয়া সম্ভব না।
: ► বিড়াল ১০০ রকম শব্দ করতে পারে অথচ কুকুর পারে ১০ রকম।
:▬►পৃথিবীর প্রাণীদের মধ্যে ৮০ ভাগই পোকামাকড়।
: ►একটি তেলাপোকা তার মাথা ছাড়া
৯দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এরপর
তারা সাধারণত খাদ্যাভাবে মারা যায়।
ভালো লাগলে শুধু একটা.....Thanks
লিখবেন।,,,,,,,,,
আমার পোষ্ট
গুলো যদি আপনার ভাল
লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট
করে জানাবেন।আপনার
যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন=
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (Very Fine)
G= (Good) O= (Osthir) লিখে কমেন্ট করবেন।আপনাদের
কমেন্ট দেখলে আমি
ভাল পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।তাহলে আরো
ভাল পোষ্ট নিয়ে হাজির
হব।আপনাদের সুখী জীবনই
আমাদের কাম্য।ধন্যবাদ।

Photos 30/11/2017

১৯১৭ সালের ৩০শে নভেম্বর আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু কোলকাতায় “বসু বিজ্ঞান মন্দির” স্থাপন করেন। তাঁর নিজেরই জন্মদিনে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানে উদ্ভিদ-শরীরতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করা হত। পরবর্তী সময়ে এখানে উদ্ভিদ ও কৃষি রসায়ন, পদার্থ বিজ্ঞান এবং নৃতত্ত্ব বিষয়ে গবেষণার জন্য উল্লিখিত বিষয়সমূহের বিভাগ খোলা হয়। বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র আমৃত্যু এখানে গবেষণাকার্য পরিচালনা করেন।

29/11/2017

পরিবেশ বিদ্যা*
☆ এই মুহূর্তে পৃথিবীর শক্তির বড়ো উৎস হল - তেল ।
☆ ভারতে সর্বাধিক কয়লা ব্যবহৃত হয় - তাপবিদ্যুত্ কেন্দ্রে ।
☆ শব্দ দূষণ পরিমাপক একক হল - ডেসিবেল ।
☆ যানবাহনের ধোঁয়া সৃষ্ট ক্ষতিকারক ধাতুজাতীয় দূষক পদার্থ হল - সিসা ।
☆ CFCএর পুরো নাম -ক্লোরো ফ্লুরো কার্বন
☆ মিনেমাটা রোগ সৃষ্টিকারী ধাতুটি হল - পারদ ।
☆ UV বিকিরণের দ্বারা ত্বকের ক্যান্সার হয় ।
☆ বিশ্ব পরিবেশ দিবস হল - 5ই জুন ।
☆ জৈব বিয়োজনক্ষম দূষণ সৃষ্টিকারী পদার্থটি হল - প্লাস্টিক ।
☆ তাজমহলের ক্ষতিকারক দূষণ পদার্থটি হল - সালফার ডাই অক্সাইড ।
☆ ভারতে সৃষ্ট মিথেনের মূল উৎস হল - ধান খেত ।
☆SO2 দূষন দ্বারা গাছের - ক্লোরোফিল বিনষ্ট হয় ।
☆ওজোনস্তর দেখা যায় - স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে ।
☆ওজোনস্তরের ক্ষয়ের জন্য দোষী প্রধান গ্যাসের নাম - CFC ।
☆ প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাসের নাম - CO2 ।
☆ ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক প্রেসিপিটর যন্ত্র ব্যবহার হয় - বায়ুদূষণ রোধে ।
☆ইউট্রোফিকেশন বলে - জলে শৈবালের বৃদ্ধিকে ।
☆ বিশুদ্ধ জলে pH এর মান - 7 ।
☆জলাভূমিতে শৈবাল পচে যে বিষ নির্গত হয় তার নাম - স্ট্রিকনিন ।
☆মিনেমাটা বিপর্যয় ঘটে - জাপানে ।
☆শিম্বগোত্রীয় উদ্ভিদের মূলে রাইজোবিয়াম নামক ব্যাকটেরিয়ার বসবাসরীতিকে বলা হয়- সিমবায়োসিস ।
☆ বাস্তুতন্ত্রের কোনো স্থানের সমগ্র উদ্ভিদের একসঙ্গে বলা হয়- ফ্লোরা।
☆প্রাণীগোষ্ঠীকে বলা হয়- ফনা।
☆ পশ্চিমবঙ্গে বাঘ্র প্রকল্প আছে- সুন্দরবনে।
☆ ইকোলজি কথার অর্থ- বাস্তুবিদ্যা।
☆বাস্তুতন্ত্রে শক্তির প্রবাহ সর্বদা- একমুখী ।
☆ "ইকোসিস্টেম"- শব্দটির প্রবর্তক- ট্যান্সলি।
☆ কোনো নির্দিষ্ট বাস্তুতন্ত্রের অন্তর্গত জীবের পরিমান বা সর্বমোট সংখ্যাকে বলা হয়- বায়োমাস।
☆দশ শতাংশ সুত্রের প্রবক্তা- লিন্ডেম্যান।
☆জলে ভাসমান আণুবিক্ষনিক জীবদের বলা হয়- প্ল্যাংটন।
☆ উদ্ভিদের বলা হয়- ফাইটোপ্ল্যাংটন।
☆প্রানিদের বলা হয় - জু-প্ল্যাংটন ।
☆ফাইটোপ্ল্যাংটন হলো জলজ বাস্তুতন্ত্রের- উত্পাদক উপাদান ।
☆ যেসব প্রাণী জলে স্বাধীনভাবে সাতার কেটে বেড়ায় তাদের বলে- নেকটন।
☆নেকটনের উদাহরণ- মাছ ও তিমি।
☆ যেসব প্রাণী জলের নীচে বসবাস করেন তাদের বলা হয়- বেনথস।
☆ বেনথসের উদাহরণ- শামুক ও প্রবাল।
☆ পশ্চিমবঙ্গের একটি অভয়ারণ্যের নাম- জলদাপাড়া।
☆ভারতের দুটো লুপ্তপ্রায় প্রাণীর নাম- একশৃঙ্গ গন্ডার ও সিংহ ।
☆ভারতের দুটো বিলুপ্ত প্রাণীর নাম- গোলাপী মাথা হাস ও পাহাড়ি বটের।
☆ ফাইটোপ্ল্যাংটনের উদাহরণ- ক্ল্যামাইডোমেনাস ও ভলবক্স।
☆ জু-প্ল্যাংটনের উদাহরণ- মশার লার্ভা ও ডাফনিয়া।
☆ নাইট্রোজেন স্থিতিকারী ব্যাকটেরিয়া- রাইজোবিয়াম ও ক্লসট্রিডিয়াম।
☆ ডি- নাইট্রিফাইং ব্যাকটেরিয়া- সিউডোমেনাস ও থিওব্যাসিলাস।
☆ বাস্তুতন্ত্রের অন্তর্গত কোনো প্রজাতির জীবের অবস্থান ও তার ভুমিকাকে বলা হয়- ইকোলজিক্যাল নিচ্।
☆ খাদ্য পিরামিড- তিনপ্রকার।
☆"ইতাই-ইতাই" - রোগ কোন ধাতুর কারনে হয়- ক্যাডমিয়াম।
☆ মিনামাটা রোগ কোন ধাতুর কারনে হয় ? : পারদ
☆ ব্ল্যাক ফুট ডিজিজ কোন ধাতুর কারনে হয় ? : অার্সেনিক
☆ ফ্লুরোসিস রোগ কেন হয় ? : ফ্লোরাইড দুষন
☆ কালো ফুসফুস রোগ কাদের হয় ?: কয়লা কারখানার শ্রমিকদের ।
☆প্রধান গ্রীন হাউস গ্যাস কোনটি ? : কার্বন ডাইঅক্সাইড
☆ জৈব গ্রীন হাউস গ্যাস কোনটি ?: মিথেন
☆ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী আর্সেনিকের নিরাপদ মাত্রা কতো ?? : প্রতি লিটার জলে ০.০১ মিলিগ্রা
☆ মানবদেহে আর্সেনিকের সর্বাধিক সহনসীমা কতো ? : প্রতি লিটার জলে ০.০৫ মিলিগ্রাম ।
☆ওজোনস্তরের ক্ষতির জন্য প্রধান দায়ী কোন গ্যাস ? : ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ।
☆ইকোসিস্টেম নামকরন কে করেন ? : ট্যানসলে ।
☆ বিশ্ব আবহাওয়া দিবস কবে পালিত হয় ? : ২৩ শে মার্চ ।
☆ ফ্লাই অ্যাশ এর উতস কি ? : তাপ বিদ্যুত কেন্দ্র ।
☆ ভূ- তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারন কি ?: গ্রীন হাউস গ্যাস ।
☆ GIS- এর পুরো নাম কি ?: Geographical Information System .
☆ তৈগা কি ? : পাইন গাছের বনভূমি ।
☆ ভারতে বনভূমির পরিমান কতো ? : ১৯.৩৯%
☆পৃথিবীর প্রথম পরিবেশ বৈঠক কোথায় হয়? : স্টকহোমে।
☆আর্সেনিকোসিস হলো-: জলদুষনের ফল/ আর্সেনিক দুষনের ফল ।
☆ চিপকো শব্দের অর্থ কি ? : জড়িয়ে ধরা।
☆ শব্দের তীব্রতা মাপার একক কি ? : ডেসিবল ।
☆ চিপকো আন্দোলনের মুল দাবী কি ছিল ? : অরণ্য সংরক্ষণের দাবী।
☆টর্নেডো কথাটি কোন দেশের সঙ্গে যুক্ত ?: আমেরিকা ।
☆হ্যারিকেন কোন দেশের ঝড় ? : ওয়েষ্ট ইন্ডিজ।
☆ভূমিকম্প মাপার যন্ত্রের নাম কি ?: সিসমোগ্রাফ।
☆ টাইফুন কি ?: জাপানের ঘূর্ণবাত ।
☆UNESCO পুরো নাম কি ? : United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization .
☆IUCN এর পুরো নাম কি ?: International Union for Conservation of Nature.
☆শিশু দিবস :14 NOVEMBER ।
☆হিরোসিমা দিবস :6 AUGUST ।
☆বিশ্ব রেডক্রশ দিবস :8 MAY ।

08/10/2017

“Have” দিয়ে বাক্য তৈরি
✪ কোথায় ছিলে- Where have you been?
✪ আমার ক্ষুধা নেই- I have a poor appetite.
✪ তোমার দিনটি সুন্দর হোক- Have a nice day.
✪ আপনার ভ্রমণ সুন্দর হোক- Have a nice trip.
✪ আমার বলার কিছু নেই- I have no words.
✪ অনুগ্রহ করে বসুন- Please have a seat.
✪ আপনার নাম জানতে পারি- May I have your name?
✪ এক কাপ কফি খান, প্লিজ- Have a cup of coffee, Please.
✪ আর একটু নিন- Have a little more.
✪ আপনার কোনো প্রশ্ন আছে- Do you have any question?
✪ আমার প্রচুর সময় আছে- I have plenty of time.
✪ আমি সমস্যায় আছি- I’m having trouble.
✪ আমার একটি ল্যাপটপ আছে- I have a laptop.

20/09/2017

(ভালো লাগলে ১টি লাইক দিতে
ভুলবেন না।)
# ___________গণিতের__জাদু !!!!!!!!!
_____________________________
# _____________টেকনিকঃ
_____________________________
যদি আপনাকে প্রশ্ন করি ১১১১১১
(ছয়টি ১)এর বর্গ কত?
ক্যালকুলেটার ছাড়া উত্তর দিতে
কতক্ষণ লাগবে?

আমি আপনাকে খুবই সহজ একটি
উপায়
বাতলে দিতে পারি, যার
সাহায্যে ক্যালকুলেটার ছাড়াই
ঝটপট এর উত্তর
বলে দিতে পারবেন।

প্রথমেই গুণে ফেলুন কটি ১
আছে (ছয়টি)। এবার ১ থেকে ৬
পর্যন্ত লিখুন,এবং সেই ছয় থেকেই
আবার উল্টোগুনে ১ পর্যন্ত
লিখে ফেলুন।
# যেমনঃ ১২৩৪৫৬৫৪৩২১। এটাই
উত্তর।

প্রশ্নঃ যদি ১ এর সংখ্যা হয়
৯টি (১১১১১১১১১) তাহলে?

কোনো ব্যাপারই না, ১ থেকে ৯
পর্যন্ত লিখুন, এবং সেই ৯ থেকেই
আবার
উল্টোগুনে ১ পর্যন্ত লিখে ফেলুন।
#যেমনঃ
১২৩৪৫৬৭৮৯৮৭৬৫৪৩২১
বর্গ করা হয়ে গেলো।

এভাবে দুই থেকে নয়টি পর্যন্ত
রিপিট্টে ১ থাকলে ঝটপট তাদের
বর্গ নির্ণয় করে ফেলতে পারবেন।
_____________________________
# অংকের____________জাদু
_____________________________
নয়ের ঘরের নামতার ভিতর এক
অদ্ভুত ছন্দ আছে।
কখনও কি খেয়াল করেছেন???

উপর নিচে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত
লেখুন তারপর তাদের পাশে ৯
থেকে ০ পর্যন্ত লেখুন, ব্যাস
হয়ে গেল নয়ের ঘরের নামতা ।।
9 x 1= 0 9
9 x 2= 1 8
9 x 3= 2 7
9 x 4 =3 6
9 x 5= 4 5
9 x 6= 5 4
9 x 7= 6 3
9 x 8= 7 2
9 x 9= 8 1
9 x 10=9 0
মজার এখানেই শেষ নয়, লক্ষ্য করুন
ডানপাশের সংখ্যা দুটির
যোগফলও
কিন্তু ৯।
_______________________________
লাইক না দিলে একটা সময়
আমাদের পোষ্ট আপনার
ওয়ালে শো করবে না ।

Photos 12/09/2016

আজ ১২ সেপ্টেম্বর বিভূতিভূষণের জন্মদিন। এ উপলক্ষে বাংলা সাহিত্যের অবিস্মরণীয় এ লেখকের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানালাম।


বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক। তার রচনায় প্রকৃতির সৌন্দর্য ও গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের জীবনের সতেজ চিত্র পাওয়া যায়। শরৎচন্দ্র পরবর্তী বাঙালি ঔপন্যাসিকদের মধ্যে বিভূতিভূষণ অত্যন্ত জনপ্রিয়। বাংলা সাহিত্যে তাঁর রচনা মৌলিক হিসেবে পরিচিত।
বিভূতিভূষণ তাঁর সাহিত্যে প্রকৃতি ও মানব জীবনকে অবিচ্ছিন্ন সত্তায় ধারণ করেছেন। তার রচনা শুধু প্রাকৃতিক বর্ণনা নয়, এতে রয়েছে গভীর জীবনবোধ। বিভূতিভূষণের পথের পাঁচালী ও অপরাজিত বাংলা সাহিত্যের দুই অমূল্য সম্পদ। যদিও তার সব লেখাই উল্লেখ করার মতো।
১৮৯৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ভারতের চব্বিশ পরগনার মুরারিপুর গ্রামের মামার বাড়িতে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মহানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন পুরোহিত। বিভূতিভূষণের ছোটবেলা দারিদ্র্যের মধ্যেই কাটে।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯১৪ সালে স্থানীয় বনগ্রাম স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর তিনি কলকাতা রিপন কলেজে ভর্তি হন। এ কলেজ থেকে ১৯১৬ সালে প্রথম বিভাগে আইএ এবং ১৯১৮ সালে ডিস্টিংশনে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন।
কর্মজীবনের শুরুতে তিনি হুগলি জেলার জাঙ্গিপাড়া স্কুলে শিক্ষকতা করেন। এরপর তিনি সোনারপুর হরিণাভি স্কুলে, কলকাতা খেলাৎচন্দ্র মেমোরিয়াল স্কুল ও ব্যারাকপুরের কাছের গোপালনগর স্কুলে শিক্ষকতা করেন।
সাহিত্যিক হিসেবে বিভূতিভূষণের ভাষা মধুর ও কাব্যধর্মী। তার ছোট গল্পগুলোর মধ্যে গীতিকবির দৃষ্টিভঙ্গি পাওয়া যায়। তার উল্লেখযোগ্য রচনা হচ্ছে উপন্যাস : পথের পাঁচালী (১৯২৯), অপরাজিত (১৯৩১), দৃষ্টি প্রদীপ (১৯৩৫), আরণ্যক (১৯৩৮), আদর্শ হিন্দু হোটেল (১৯৪০), দেবযান (১৯৪৪), ইছামতী (১৯৪৯)। ছোট গল্প সংগ্রহ : মেঘমল্লার (১৯৩১), মৌরীফুল (১৯৩২), যাত্রাবদল (১৯৩৪), কিন্নর দল (১৯৩৮)। আত্মজীবনীমূলক রচনা : তৃণাঙ্কুর (১৯৪৩) ইত্যাদি।
পথের পাঁচালী ও অপরাজিত বিভূতিভূষণের শ্রেষ্ঠ রচনা ও বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কীর্তি হিসেবে পরিচিত। পথের পাচালী ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ ছাড়াও বহু ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।

ইছামতি উপন্যাসের জন্য তিনি মরণোত্তর রবীন্দ্র পুরস্কার পান।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৫০ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঘাটশীলায় মারা যান।

Photos 28/07/2016

মহাশ্বেতা দেবী আর নেই আমাদের মাঝে...আমরা শোকস্তব্ধ...তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি...

আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে।
তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে ॥
মহাশ্বেতা দেবী.

উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী মহাশ্বেতা দেবী মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার ‘হাজার চুরাশির মা’ খ্যাত এই লেখকের মৃত্যুর সময়ে তার বয়স হয়েছিল ৯০।

গত ২২ মে ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়েছিলেন। মহাশ্বেতা দেবী কিডনি ও ফুসফুসের জটিলতায় ভুগছিলেন।

বামপন্থী লেখক হিসেবে পরিচিত মহাশ্বেতা দেবীর লেখালেখির পাশাপাশি আদিবাসীদের সমাজ মান উন্নয়নে নিরলস কাজ করেছেন। বিশেষ করে লোধা ও শবরদের জীবন মান উন্নয়নে তিনি দীর্ঘ দিন ধরে লড়াই করে গিয়েছেন। প্রায় এককভাবেই তিনি এই লড়াই করেছেন। প্রখ্যাত কবি মণীশ ঘটকের (যুবনাশ্ব) এই কন্যার জন্ম ১৯২৬ সালে ঢাকায়। তাঁর পিতা মনীশ ঘটক ছিলেন কল্লোল যুগের প্রখ্যাত সাহিত্যিক এবং তাঁর চাচা ছিলেন বিখ্যাত চিত্রপরিচালক ঋত্বিক ঘটক। তিনি ঢাকাতেই লেখাপড়া করেন। তবে ১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের পর ভারতে চলে যান।

মহাশ্বেতা দেবী শিক্ষালাভের জন্য শান্তিনিকেতনে ভর্তি হন । তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন । পরে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে এম এ ডিগ্রী লাভ করেন। প্রখ্যাত নাট্যকার বিজন ভট্টাচার্যকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। ঝাঁসির রাণী লক্ষীবাইকে নিয়ে প্রথম লিখে সকলের নজরে আসেন। এরপরে তিনি অসংখ্য গল্প উপন্যাস লিখেছেন।

সমাজের প্রত্যন্ত মানুষের জীবন ও নকশাল আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে লেখা এই উপন্যাসগুলি বেশ সাড়া ফেলেছিল। তার লেখা ‘অরণ্যের অধিকার’, ‘হাজার চুরাশির মা’, ‘অগ্নিগর্ভ’ প্রভৃতি উপন্যাসের জন্য তিনি সমাদৃত হয়েছে সাহিত্যিক মহলে। তার লেখা অসংখ্য ভাষায় অনূদিত হয়েছে। র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার থেকে শুরু করে জ্ঞানপীঠ, সাহিত্য একাডেমি প্রবর্তিত বহু পুরস্কার পেয়েছেন। পেয়েছেন পদ্মশ্রী ও পদ্ম বিভূষণের মতো জাতীয় সম্মানও। এছাড়া ২০০৭ সালে পেয়েছিলেন সার্ক সাহিত্য পুরস্কার।

Want your school to be the top-listed School/college in Purulia?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Purulia District
Purulia
723103