09/09/2026
কারন যাই হোক এ ধরনের ঘটনা অভিপ্রেত নয়।
বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা ( সকলেই নয়, অধিকাংশ) অত্যন্ত অসংযমী , দুর্বিনীত, আক্রমনাত্মক হয়ে উঠেছে দিনদিন।
এটা কাম্য নয়।
পরিবারের কুশিক্ষার ফল।
এরা বাবা মায়ের গায়ে হাত তুলতে ও দ্বিধা বোধ করে না এটা আমি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি।
আমি প্রায় আট বছর একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি। শেষ দিকে দেখেছি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণির অধিকাংশ ছেলে মেয়েরা অফ পিরিয়ডে নির্জন ঘর খুঁজে আশালীন আচরণে লিপ্ত হয়েছে , সব সময় শিক্ষক - শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মীদের পক্ষে এদের পিছনে ঘুরে ঘুরে আগলানো সম্ভব নয়, তাঁদের নির্দিষ্ট কাজ থাকে, তাঁরা সেই কাজে ব্যস্ত থাকেন।
ছেলে মেয়েদের চিরকাল আগলে এসেছে পারিবারিক সংস্কার, বাবা মায়ের প্রদান করা সুশিক্ষা। সেই আগলে রাখা সু - শিক্ষার অভাবের কারণেই বর্তমানে এতো সামাজিক অবক্ষয়।
বর্তমানে আমি ডায়মন্ড হারবার সাব - ডিভিশনে কর্মরত।
এখানে একটি বিদ্যালয়ে গতবছর পরিদর্শনে যেতে হয়েছিল, কারন বিদ্যালয়ের বয়েজ টয়লেটে কনডম ( শব্দটা লিখতে বাধ্য হলাম , এখন আর ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বলার অবকাশ নেই, সব কিছু বড় নগ্ন হয়ে পড়েছে, সেই নগ্নতার বিবরণ সঠিক শব্দ ছাড়া বোঝানো সম্ভব নয়) পাওয়া গিয়েছিল এবং গার্লস টয়লেট এ প্রেগা নিউস।
আমি এবং আমার সহকর্মীরা বিষয়টি দেখে-শুনে-জেনে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম।
প্রধান শিক্ষক সেগুলো আমাদের দেখানোর জন্য এবং ঘটনার চরমতার বিবরণ দেওয়ার জন্য ওগুলো সংগ্রহ করে রেখেছিলেন।
এই ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকের উপরে যে শারীরিক আক্রমণ হয়েছে তার তীব্র নিন্দা জানাই।
পড়ুয়ারা তাদের অভিভাবকদের বিষয়টি জানাতে পারতো, অভিভাবকরা আইন অনুযায়ী প্রতিবাদ করতে পারতেন, ভিডিও করে প্রমাণ রাখা যেতো।
কিন্তু পড়ুয়াদের দ্বারা শারীরিক আক্রমণ মানতে পারছি না...
https://www.facebook.com/share/v/19XVsqKSik/