Anusheelan Education Centre, Plassey

Anusheelan Education Centre, Plassey Only proper education can change the human, society and civilization.

বিশ্বের সর্বত্রই ডংকা বাজছে...বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংবাদপত্র RSS-এর মুখোশ উন্মোচিত করেছে।বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী...
01/01/2026

বিশ্বের সর্বত্রই ডংকা বাজছে...
বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংবাদপত্র RSS-এর মুখোশ উন্মোচিত করেছে।

বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী সংবাদপত্র দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস ভারতের হিন্দুত্ববাদী সংগঠন RSS সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যা আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

প্রথম পৃষ্ঠায় (এমনকি ভিতরের পৃষ্ঠাগুলিতে) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনটি কয়েক মাসের গবেষণার ভিত্তিতে সংক্ষেপে তুলে ধরেছে যে কীভাবে এই সংগঠনটি তার ২,৫০০ টিরও বেশি সহযোগী সংগঠনের সহায়তায় ধর্মনিরপেক্ষ ভারতকে হিন্দু-প্রথম ভারতে রূপান্তরিত করেছে।

প্রতিবেদনে প্রমাণিত হয়েছে যে আরএসএস ভারতের সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে তার আদর্শবাদীদের দ্বারা পূর্ণ করেছে। রাজনীতির পাশাপাশি, এটি সামরিক, বিচার বিভাগ, আমলাতন্ত্র, মিডিয়া, আধাসামরিক বাহিনী, কর্পোরেট, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ প্রতিটি ক্ষেত্রে অনুপ্রবেশ করেছে, যার ফলে দেশটির পক্ষে এর থেকে নিজেকে মুক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

সংবাদপত্রটি জানিয়েছে যে আরএসএসের আদর্শ খ্রিস্টান এবং মুসলিম সংখ্যালঘুদের প্রতি ঘৃণার উপর ভিত্তি করে।

সংবাদপত্রটি গির্জার উপর আক্রমণ, গণপিটুনি, দাঙ্গা এবং ধর্মীয় মিছিলের আড়ালে সংখ্যালঘুদের উপর নৃশংসতা সহ অসংখ্য ঘটনার পিছনে সংগঠনের আদর্শিক প্রভাব তুলে ধরেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে মোদীর ১১ বছরের শাসনামলে এই সংগঠনটি উল্লেখযোগ্যভাবে প্রসারিত হয়েছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের এই প্রতিবেদনটি কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, ইউরোপ থেকে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত পণ্ডিত, রাজনীতিবিদ, ধর্মীয় চিন্তাবিদ, রাষ্ট্রনায়ক এবং দার্শনিকদেরও আতঙ্কিত করেছে। প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে যে এই সংগঠনটি ভারতের সম্মিলিত সংস্কৃতির জন্য একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



Collected from facebook friend Anup Kumar Nandi

পিশাচদের প্রেত নৃত্য......এই ডিসেম্বর মাসে দুই প্রতিবেশী দেশে দুই গরীব শ্রমিক একই স্কুলের মৌলবাদী জল্লাদদের দ্বারা নৃশংস...
20/12/2025

পিশাচদের প্রেত নৃত্য......
এই ডিসেম্বর মাসে দুই প্রতিবেশী দেশে দুই গরীব শ্রমিক একই স্কুলের মৌলবাদী জল্লাদদের দ্বারা নৃশংস আক্রমণে প্রাণ হারালেন।
বাংলাদেশে ধর্মান্ধ মুসলিম মৌলবাদীরা প্রকাশ্যে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে আগুনে পোড়াচ্ছে দীপু দাস কে। দীপু এক কাপড় কারখানার শ্রমিক। জল্লাদরা দীপুকে গাছে ঝুলিয়ে পোড়ানোর সময় তাদের আল্লাহর নামে কটুক্তি করেছে বলেই নাকি এই শাস্তি দিয়ে বিজয় উল্লাসে ফেটে পড়ছে!!!!
মুহূর্মুহু স্লোগান তুলছে তাদের আল্লাহর নামে- 'নারাহে তাকবীর' !!!!!
কয়েকদিন আগে এদের সাঙাত বিহারে আর এক দল জল্লাদ সারাদিন সারারাত ধরে আথারের উপর পৈশাচিক অত্যাচার চালানোর কারণ হিসেবে দাবি করেছিল আথার নাকি ভুট্টা চুরি করেছিল! সেও রামের নামে কিছু একটা বলেছিল!!! যেমন আখলাক গরুর মাংস রেখেছিল !!
তাই গরিব কাপড় ফেরিওয়ালা আথার এর চামড়া তুলে নিয়েছিল হিন্দু ধর্মের ইজারাদার আর একদল জল্লাদরা। দীপুর মত রাজস্থানে পশ্চিম বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক আফরাজুলকেও খুন করে পুড়িয়েছিল মৌলবাদী জল্লাদরা!!!
বাংলাদেশের দীপুকে ওরা বাঁচতে দেয়নি, যেমন বিহারে আথার কেও বাঁচতে দেয়নি। দুজনেই গরীব শ্রমিক। একজন কাপড় কারখানার কর্মী, আর একজন কাপড়ের ফেরিওয়ালা। দুজনের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেললো ধর্মের নাম করে একদল ধর্মোন্মাদ মৌলবাদী পিশাচদের দল..
মৌলবাদীদের ধর্ম- ওরা জল্লাদ।
ওদের কাছে মানব ধর্ম বলে কিছু নেই।
আছে বীভৎস পৈশাচিকতা, ধর্মান্ধতা, যুক্তিহীনতা ও বীভৎস উন্মত্ততা। যুক্তিহীনতা, অন্ধতা, গোঁড়ামী ওদের উপজীব্য ....
আজ যদি বিবেকানন্দ বেঁচে থাকতেন, মহাম্মদ বেঁচে থাকতেন এই উন্মত্ততা, মানব ধর্মহীন জল্লাদের দেখে তাঁরা কি করতেন ??????
মানবতার ঘৃণ্য শত্রু সকল মৌলবাদ নিপাত যাক .....

Copied from facebook friend DIPAK PATRA

"১১ আগস্ট ফাঁসির দিন ধার্য হইল। আমরা দরখাস্ত দিলাম যে ফাঁসির সময় উপস্থিত থাকিব। উডম্যান সাহেব আদেশ দিলেন দুইজন মাত্র বা...
02/12/2025

"১১ আগস্ট ফাঁসির দিন ধার্য হইল। আমরা দরখাস্ত দিলাম যে ফাঁসির সময় উপস্থিত থাকিব। উডম্যান সাহেব আদেশ দিলেন দুইজন মাত্র বাঙালী ফাঁসির সময় উপস্থিত থাকিতে পারিবে। আর শব বহনের জন্য ১২ জন এবং শবের অনুগমনের জন্য ১২ জন থাকিতে পারিবে। ইহারা কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট রাস্তা দিয়া শ্মশানে যাইবে। ফাঁসির সময় উপস্থিত থাকিবার জন্য আমি ও ক্ষেত্রনাথ বন্দোপাধ্যায় উকিলের অনুমতি পাইলাম। আমি তখন বেঙ্গলী কাগজের স্থানীয় সংবাদদাতা। ভোর ছ’টায় ফাঁসী হইবে। পাঁচটার সময় আমি গাড়ির মাথায় খাটিয়াখানি ও সৎকারের অত্যাবশকীয় বস্ত্রাদি লইয়া জেলের ফটকে উপস্থিত হইলাম। দেখিলাম নিকটবর্তী রাস্তা লোকারন্য। সহজেই আমরা জেলের ভিতরে প্রবেশ করিলাম।

ঢুকিতেই একজন পুলিশ কর্মচারী প্রশ্ন করিলেন বেঙ্গলী কাগজের সংবাদদাতা কে? আমি উত্তর দিলে হাসিয়া বলিল, আচ্ছা ভিতরে যান। দ্বিতীয় লোহার দ্বার উন্মুক্ত হইলে আমরা জেলের আঙ্গিনায় প্রবেশ করিলাম। দেখিলাম ডানদিকে একটু দূরে প্রায় ১৫ ফুট উঁচুতে ফাঁসির মঞ্চ। দুই দিকে দুই খুঁটি আর একটি মোটা লোহার রড যা আড়াআড়িভাবে যুক্ত তারই মধ্যখানে বাঁধা মোটা একগাছি দড়ি ঝুলিয়া আছে। তাহার শেষ প্রান্তে একটি ফাঁস।

একটু অগ্রসর হইতে দেখিলাম ক্ষুদিরামকে লইয়া আসিতেছে চারজন পুলিশ। কথাটা ঠিক বলা হইল না। ক্ষুদিরামই আগে আগে অগ্রসর হইয়া যেন সিপাহীদের টানিয়া আনিতেছে। আমাদের দেখিয়া একটু হাসিল। স্নান সমাপন করিয়া আসিয়া ছিল। মঞ্চের উপস্থিত হইলে তাহার হাত দুইখানি পিছন দিকে আনিয়া রজ্জুবদ্ধ করা হল। একটি সবুজ রঙের টুপি দিয়া তাহার গ্রীবামূল পর্যন্ত ঢাকিয়া দিয়া ফাঁসি লাগাইয়া দেওয়া হইল। ক্ষুদিরাম সোজা হইয়া দাঁড়াইয়া রহিল। এদিক ওদিক একটুও নড়িল না।

উডম্যান সাহেব ঘড়ি দেখিয়া একটি রুমাল উড়াইয়া দিলেন। একটি প্রহরী মঞ্চের একপ্রান্তে অবস্থিত একটি হ্যান্ডেল টানিয়া দিল। ক্ষুদিরাম নিচে অদৃশ্য হইয়া গেল।
কেবল কয়েক সেকেণ্ড ধরিয়া উপরের দিকের দড়িটা একটু নড়িতে লাগিল। তারপর সব স্থির।

কর্তৃপক্ষের আদেশে আমরা নির্দিষ্ট রাস্তা দিয়া শ্মশানে চলিতে লাগিলাম। রাস্তার দুপাশে কিছু দূর অন্তর পুলিশ প্রহরী দাঁড়াইয়া আছে। তাহাদের পশ্চাতে শহরের অগণিত লোক ভীড় করিয়া আছে। অনেকে শবের উপর ফুল দিয়া গেল। শ্মশানেও অনেক ফুল আসিতে লাগিল। চিতারোহণের আগে স্নান করাইতে মৃতদেহ বসাইতে গিয়া দেখি মস্তকটি মেরুদণ্ড চ্যুত হইয়া বুকের উপর ঝুলিয়া পড়িয়াছে। দুঃখে – বেদনায় – ক্রোধে ভারাক্রান্ত হৃদয়ে মাথাটি ধরিয়া রাখিলাম। বন্ধুগণ স্নান শেষ করাইলেন তারপর চিতায় শোয়ানো হইলে রাশিকৃত ফুল দিয়া মৃতদেহ সম্পূর্ণ ঢাকিয়া দেওয়া হইল। কেবল উহার হাস্যজ্বল মুখখানা অনাবৃত রহিল।

দেহটি ভস্মিভূত হইতে বেশী সময় লাগিলো না। চিতার আগুন নিভাইতে গিয়া প্রথম কলসী ভরা জল ঢালিতেই তপ্ত ভস্মরাশির খানিকটা আমার বক্ষস্থলে আসিয়া পড়িল। তাহার জন্য জ্বালা যন্ত্রনা বোধ করিবার মতন মনের অবস্থা তখন ছিল না।

আমরা শ্মশান বন্ধুগণ স্নান করিতে নদীতে নামিয়া গেলে পুলিশ প্রহরীগণ চলিয়া গেল। আর আমরা সমস্বরে বন্দেমাতরম বলিয়া মনের ভার খানিকটা লঘু করিয়া যে যাহার বাড়ি ফিরিয়া আসিলাম। সঙ্গে লইয়া আসিলাম একটি টিনের কৌটায় কিছুটা চিতাভস্ম, কালিদাসবাবুর জন্য। ভূমিকম্পের ধ্বংসলীলায় সে পবিত্র ভস্মাধার কোথায় হারাইয়া গিয়াছে।"
বেঙ্গলী পত্রিকা, আগষ্ট, ১৯০৮

(ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসির সময় উপস্থিত ছিলেন বেঙ্গলী কাগজের সংবাদদাতা ও উকিল উপেন্দ্রনাথ বসু ও ক্ষেত্রনাথ বন্দোপাধ্যায়। সেই প্রসঙ্গে পরবর্তীতে উপেন্দ্রনাথ বসু এই লেখাটি লেখেন)

৩ডিসেম্বর শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর ১৩৭ তম জন্মদিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করুন.....

একটু দেখবেন ।। একটু পড়বেন।।
29/11/2025

একটু দেখবেন ।।

একটু পড়বেন।।

বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত সংকটের মধ্যে। রাজ্যের বিভিন্ন সরকার পোষিত স্কুলে ২৫০০০ এর অধিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী দেশ...
20/05/2025

বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত সংকটের মধ্যে। রাজ্যের বিভিন্ন সরকার পোষিত স্কুলে ২৫০০০ এর অধিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী দেশের সর্বোচ্চ আদালতের কলমের এক খোঁচায় চাকরি হারা। এদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট কোন অভিযোগই নেই। কিন্তু তবুও তারা আজ অযোগ্যদের কাতারে। অথচ যারা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী, তারা কিন্তু বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

অন্যদিকে রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালত এক শ্রেণীর শিক্ষকদের ( মাত্র নয় দিনের সময়ের মধ্যে MC দ্বারা নিযুক্ত) বেতন দেওয়ার কথা বলেছে। যারা মাদ্রাসা যান না, সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসায় পঠনপাঠনের কাজ কোন দিন করেন নি। তাদের বেতন দানের কথা বলেছে। এখানে নেই রাজ্য সরকারের সক্রিয়তা ।

সত্য সেলুকাস বিচিত্র দেশ।

বিকাশ ভবনে যোগ্য শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের নিরস্ত্র শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে তৃণমূলের গুণ্ডাবাহিনী ও পুলিশের নির্মম নির্লজ্জ আক্রমণের প্রতিবাদে আজকে কৃষক সংগঠন AIKKMS সারা রাজ্যে বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে সরব হয়।


বর্তমানে এরাজ্যে সযকার পোষিত শিক্ষা ক্ষেত্রে মাদ্রাসা শিক্ষা একটি বিকল্প ব্যবস্থা। রাজ্যের মুলত পিছিয়ে পড়া এলাকায় পিছ...
18/05/2025

বর্তমানে এরাজ্যে সযকার পোষিত শিক্ষা ক্ষেত্রে মাদ্রাসা শিক্ষা একটি বিকল্প ব্যবস্থা। রাজ্যের মুলত পিছিয়ে পড়া এলাকায় পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে ( শুধুমাত্র মুসলিম নয়, এখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উভয় ক্ষেত্রেই অমুসলিমদের উজ্জ্বল উপস্থিতি রয়েছে) শিক্ষা দানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে মাদ্রাসার বহু শিক্ষার্থী বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন।

কিন্তু এই মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে। এর একটি শক্তিশালী উদাহরণ হলো "ভুতুড়ে শিক্ষক" । ৪ ঠা এপ্রিল ২০১৪ - ১৩ ই এপ্রিল ২০১৬ এই ০৯ (নয়) দিনে মাদ্রাসা পরিচালন সমিতি সংবাদ পত্রে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, আবেদনপত্র আহ্বান ও জমা করা , যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের লিখিত/মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি এবং সবশেষে নিয়োগ মাত্র ০৯ দিনেই হয়ে গেল। তারা কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে অনুপস্থিত থেকে স্থায়ীভাবে শিক্ষকতা করছেন। আরোও আনন্দের খবর হলো এই শিক্ষকদের কর্মরত মাদ্রাসার কোন ছাত্রছাত্রী নেই, বলা ভালো উনারা পড়িয়েছেন এরকম কোন ছাত্রছাত্রী নেই। উনারা নিজ কর্মস্থল সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা চেনেন না, কারণ চিনতে গেলে তো যেতে হবে, উনাদের গডফাদারদের নির্দেশ মোতাবেক উনারা যান না। আর যাবেনই বা কেন। উনারা নিজেরাই তো জানেন যে, উনারা শিক্ষক নন।
এমতাবস্থায় এই ষড়যন্ত্রে সামিল পর্দার আড়ালে অনেক কেষ্ট বিষ্টু আছেন। যদি উপযুক্ত তদন্ত হয়, তাহলে হয়তো অনেক কিছুই পরিষ্কার হবে। কিন্তু ...........

IT সেল এবং গোদি মিডিয়া যেদিকে দৃষ্টি ঘোরাতে চায়, তথ্য ও ঘটনা কিন্তু অন্য কথা বলে।
24/04/2025

IT সেল এবং গোদি মিডিয়া যেদিকে দৃষ্টি ঘোরাতে চায়, তথ্য ও ঘটনা কিন্তু অন্য কথা বলে।

বিভাজন নয়,ঐক্যই মেহনতি মানুষের শক্তি, শোষক-শাসকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একমাত্র হাতিয়ার।ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনই পারে,মানুষের জন...
15/04/2025

বিভাজন নয়,
ঐক্যই মেহনতি মানুষের শক্তি,
শোষক-শাসকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের
একমাত্র হাতিয়ার।
ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনই পারে,
মানুষের জনজীবনের সমস্যার সমাধান করতে।

বিয়ের রাত, মাস্টারদা এসেছেন বিয়ে করতে। বিয়ের মন্ত্র পড়া হবে ,এমন সময় হঠাৎ পাশ থেকে একজন মাস্টারদার হাতে গুঁজে দিল এ...
12/01/2025

বিয়ের রাত, মাস্টারদা এসেছেন বিয়ে করতে। বিয়ের মন্ত্র পড়া হবে ,এমন সময় হঠাৎ পাশ থেকে একজন মাস্টারদার হাতে গুঁজে দিল একটা চিরকুট। চিরকুট পড়ে খুবই চিন্তিত ও গম্ভীর হয়ে গেলেন মাস্টারদা। গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ এসেছে কলকাতার দলের উচ্চমহল থেকে। ফুলশয্যার রাতে নির্জন কক্ষে সহধর্মিণী পুস্পকে বললেন " তোমার কাছে আমার অপরাধের সীমা নেই। তুমি আমার অগ্নি সাক্ষী করা স্ত্রী। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তুমিই আমার স্ত্রী থাকবে। দলের গুরুত্বপূর্ণ কাজে আমার ডাক এসেছে ।আজই তোমার কাছ থেকে আমাকে বিদায় নিতে হবে।" অশ্রুসিক্ত নয়নে মাস্টারদাকে বিদায় দিয়েছিলেন নব বিবাহিতা স্ত্রী পুস্প। শুধু জিজ্ঞেস করেছিলেন মাস্টারদার চিঠি পাবে কিনা। কথা রেখেছিলেন মাস্টারদা। চিঠি আসতো পুস্পর কাছে, খুব গোপনে।সে চিঠি শুরু হতো " স্নেহের পুস্প" দিয়ে আর শেষ হতো " তোমার ই সূর্য " দিয়ে। আর দেখা হয়নি স্বামী স্ত্রীর? হয়েছিল,পুস্প যখন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত, মৃত্যু পথযাত্রী, সূর্য তখন জেলে। প্যারোলে কয়েক ঘণ্টার জন্য ছাড়া পেয়ে স্নেহের পূস্পকে দেখতে এসেছিলেন মাস্টারদা। কিন্তু তার আগেই জীবনদীপ নিভে গেছে পূস্পর।

২রা ফেব্রুয়ারী ১৯৩৩ ....
পলাতক সূর্য সেনকে গৈরালা গ্রামে নিয়ে এসেছেন বিপ্লবী ব্রজেন সেন । মাষ্টারদার সাথে রয়েছেন তার একান্ত অনুগত শান্তি, কল্পনা দত্ত, সুশীল ও মণি দত্ত । তাঁরা ছিলেন গ্রামের বিশ্বাস বাড়িতে, পরম যত্নে আগলে রেখেছিলেন সে বাড়ির বড়বধূ ক্ষিরোদপ্রভা ।

বেশ ছিলেন কিন্ত বিপদ এলো অন্য দিক দিয়ে । প্রতিবেশী নেত্র সেনের সন্দেহ হলো কারা আছে বিশ্বাস বাড়িতে ? কিসের এত ফিসফাস গুঞ্জন । খবর লাগাতে বললেন নিজের গিন্নিকে ।
গ্রাম্য বধূটি সরল মনে এসে বললো ও বাড়িতে সূর্য সেন লুকিয়ে আছে গো ! অমন লোককে খাওয়ালেও যে পূণ্যি লাভ !
শুনে লাফ দিয়ে উঠলো নেত্র । খবর দিলেই যে কড়কড়ে দশ হাজার টাকা ! বউকে আশ্বস্ত করে
ব্যাগ হাতে তখনই বেরিয়ে পড়লো, সোজা উঠলো গিয়ে থানায় ।

সেদিন রাতে ঘুম ভাঙতে চমকে উঠলো ব্রজেন , জানলা দিয়ে লণ্ঠন দেখিয়ে কি করছে দাদা নেত্র সেন ? এক মিনিটও লাগলো না বুঝতে, ছুট লাগালেন বিশ্বাস বাড়ির দিকে । দেরী হয়ে গেছে ততক্ষনে, ক্যাপ্টেন ওয়ামসলের নেতৃত্বে গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলেছে গোর্খা সেনার দল।রকেট বোমার আলোতে সবকিছু দিনের মতো স্পষ্ট ।

পরদিন সমস্ত সংবাদপত্রের হেডলাইন..... গৈরালা নামক গ্রামে সূর্য সেন গ্রেফতার । এনাকে ধরবার জন্য সরকার দশহাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করিয়াছিলেন ।( অমৃতবাজার পত্রিকা ১৭.২.১৯৩৩)

তিনদিন পর.........
সন্ধে বেলায় জলখাবার খেতে বসেছে নেত্র সেন,পাশে স্ত্রী । দরজায় শব্দ হতে উঠে গিয়ে খুলে দিলেন। পাড়ারই চেনা ছেলে দেখা করতে এসেছে স্বামীর সঙ্গে । সবে উনি ভাবছেন সেখান থেকে সরে যাবেন কিনা, আচমকা পাড়ার সেই ছেলের হাতের ভোজালির কোপে স্বামীর মুণ্ডু ছিটকে পড়লো!

থরথর কাঁপছেন গ্রাম্য বধূ । ঘাতক যাওয়ার আগে বলে গেলেন, মাস্টার দার সঙ্গে বেইমানি করার উপযুক্ত শাস্তি ।

বৃটিশ পুলিশ কতবার কতভাবে জেরা করেছে সাধারণ আটপৌরে ঐ বধূটিকে। একবার তিনি বলুন স্বামীর ঘাতকের নাম। মুখ খোলেননি নেত্র সেনের বিধবা |
শুধু বলেছিলেন চোখের সামনে তিনি স্বামীকে লুটিয়ে পড়তে দেখে মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত । স্বামী হারানোর যন্ত্রণায় এখন কষ্ট পাচ্ছেন, আর কিছুই বলার নেই। কিন্তু যে মানসিক যন্ত্রণায় তিনি সবথেকে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন তা হল এই জেনে যে তাঁর স্বামী নেত্র সেন একজন বিশ্বাসঘাতক, যিনি পুলিশের পুরস্কারের লোভে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন মাস্টার দার মতো ব্যক্তির সঙ্গে । তাই তাঁকে হত্যা করে ঠিকই করেছেন মাস্টার দার সহযোগী ঐ তরুণ। মেরে ফেললেও তিনি ওই বিপ্লবীর নাম ফাঁস করবেন না ।

হয়রানির বেশি আর কিছু নেত্র সেনের স্ত্রীকে করেনি ব্রিটিশ পুলিশ | ততদিনে তাদের উদ্দেশ্য সিদ্ধ হয়ে গেছে | কারাগারে নির্মম অত্যাচার করা হচ্ছে মাস্টার দার উপরে |

অনেকদিন পর জানা গেছিল হত্যাকারী আর কেউ নয়, ..... .....সেন বংশের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার দায়িত্ব স্বেচ্ছায় নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিল ঐ বাড়িরই ছোট ছেলে কিরন সেন । মাষ্টারদা মরার আগে জেনে গেছিলেন দেশদ্রোহীকে চরম দন্ড দিতে তাঁর মন্ত্রশিষ্যরা এতটুকু দয়া দেখায়নি ।
মুক্তির মন্দিরের সোপান তলে এরকম কত কিরণ নিঃশব্দে দিয়েছে বলিদান ......আমরা মনে রাখিনি।

বাঙালির সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সেনাপতি মাস্টারদার শহীদ দিবসে আজ( ১২ জানুয়ারি) স্মরণ করি স্বাধীনতার সেই অনামী সেনানীকে,আর প্রণাম জানাই সেই গ্রাম্য বধুকে শত প্রলোভনেও যিনি উচ্চারণ করেননি তার বিশ্বাসঘাতক স্বামীর হত্যাকারীর নাম।

"তোমাকে ভুলে গেলে নিজেকে ভুলে যাওয়া।
তোমার বিপ্লব আজও উদিয়মান সূর্যের আলোর মতো।
যতোদিন এই পৃথিবীতে সূর্য উঠবে, ততোদিন তুমিও থাকবে মাস্টারদা সমগ্ৰ ভারতবাসীর অন্তরের অন্তঃস্থলে।"

সবারে করি আহ্বান
18/08/2024

সবারে করি আহ্বান

বর্তমান পরিস্থিতিতে খুব প্রাসঙ্গিক
18/08/2024

বর্তমান পরিস্থিতিতে খুব প্রাসঙ্গিক

Address

Plassey

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anusheelan Education Centre, Plassey posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category